আজ , ।   
Home Blog Page 552

প্রধান উপদেষ্টার নববর্ষের শুভেচ্ছা মঞ্চ নিয়ে ফেসবুকে প্রশংসা!

আলোকিত ডেস্ক : অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানানোর একটি ভিডিও বার্তা রেকর্ড করেছেন। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় গাছের নিচে একটি সাধারণ টেবিলে দু-তিনটি গামছা দিয়ে মঞ্চ সাজানো হয়েছিল। চটের ছালায় তুলির আঁচড় দেওয়া হয়, আর ঠিক সেই মুহূর্তে আশ্চর্যজনকভাবে কোকিলের কলরব বার্তাটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রধান উপদেষ্টার এই নববর্ষের ভাষণের মঞ্চ নিয়ে ব্যাপক প্রশংসা করা হচ্ছে।

সাংবাদিক মোস্তফা কামাল লিখেছেন, ‘গাছের নিচে একটি পুরনো টেবিল। দু-তিনটা গামছা। চটের ছালায় একটু তুলির আঁচড়। ব্যস, হয়ে গেল প্রধান উপদেষ্টার নববর্ষের শুভেচ্ছা ভাষণ।
তিনি আরো বলেন, ‘যমুনার সূত্র জানিয়েছে, সব মিলিয়ে খরচ হাজার দুয়েক। কোনো ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কম্পানি হায়ার করতে হয়নি। শ্রাদ্ধ করতে হয়নি দেশের কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা।’

প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম ফেসবুকে লিখেছেন, ‘ইউনূস স্যারের বাংলা নববর্ষের ভাষণ রেকর্ড করছিলাম।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ মজুমদারও তার ফেসবুক পেজে লিখেছেন, “হঠাৎ করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় প্রধান উপদেষ্টার নববর্ষের শুভেচ্ছা বাণী রেকর্ড করা হবে আউট ডোরে। সব ঠিকঠাক করে যখন রেকর্ডিংয়ের সময় আসে, রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেখা যায় এক কোকিলের আশ্চর্যজনক উপস্থিতি। প্রধান উপদেষ্টা নিজেই রসিকতা করে বলে বসেন, ‘তোমরা এই ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক কিভাবে জোগাড় করলে।’”

উপ-প্রেসসচিব আরো লিখেছেন, ‘আজ যারা টিভি কিংবা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে উনার শুভেচ্ছা বাণী শুনেছেন, নিশ্চিতভাবেই এই কোকিলের ডাকও খেয়াল করেছেন। যে রকম হাসি-আনন্দের মাঝে এই শুভেচ্ছা বার্তা ধারণ করা হয়েছে, আশা করছি আপনাদের সবার নতুন বছরও এ রকম হাসি আনন্দে ভরে থাকবে।’

ভিডিও বার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, ‘২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান আমাদের সামনে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলার সুযোগ এনে দিয়েছে। এই অভ্যুত্থান বৈষম্যহীন, সুখী-সমৃদ্ধ, শান্তিময় ও আনন্দপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে আমাদের প্রেরণা দেয়। বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়াই হোক এই বাংলা নববর্ষে আমাদের অঙ্গীকার।’

তিনি আরো বলেন, ‘আসুন, আমরা বিগত বছরের গ্লানি, দুঃখ-বেদনা, অসুন্দর ও অশুভকে ভুলে গিয়ে নতুন প্রত্যয়ে, নতুন উদ্যমে সামনের দিকে এগিয়ে চলি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পরবর্তী যে সরকারই আসবে, আমাদের মূল্যায়ন করবেন : জ্বালানি উপদেষ্টা

আলোকিত প্রতিবেদক : অন্তবর্তীকালীন সরকারে থেকেও মানুষের সেবার মন মানসিকতা নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান। এ সময় পরবর্তী যে সরকারই আসবেন, তারা তাদের মূল্যায়ন করবেন বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

আজ সোমবার গুলশান জগার্স সোসাইটি আয়োজিত বর্ষবরণ ১৪৩২ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

জানা গেছে, গুলশান লেক পার্কে প্রাতঃভ্রমণ করতে এসে জগার্সের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে যোগ দেন জ্বালানি উপদেষ্টা। এ সময় উপস্থিত সবাইকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বক্তব্য রাখেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘যাত্রাপথে নিরাপদ ভ্রমণ ও আইন শৃঙ্খলার ব্যত্যয় ঘটেনি। আমরা বুঝাতে চেয়েছি, ইচ্ছে করলে সব কাজই মানুষের দোরগড়ায় সেবা পৌঁছানো যায়।

‘আশা করি, পরবর্তী যে সরকারই আসবেন তারা আমাদেরকে মূল্যায়ন করবেন এবং অনুকরণ করে সেবার গতি বলবৎ রাখবেন’, যোগ করেন জ্বালানি উপদেষ্টা।

টেকনাফে বাংলা নববর্ষকে বরণ করলেন উপজেলা প্রশাসন

টেকনাফ প্রতিনিধি। আজ পহেলা বৈশাখ বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ কে স্বাগত জানিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশে ‘বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা’ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা( ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন এসিল্যান্ড আরিফ উল্লাহ নিজামি, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স প্রতিনিধি, মডেল থানার পুলিশ প্রতিনিধি, ফায়ার সার্ভিস প্রতিনিধি, কোস্ট গার্ড প্রতিনিধি, বিজিবি প্রতিনিধি, পল্লী বিদ্যুৎ প্রতিনিধি সহ সকল শ্রেণী পেশার মানুষ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নেত্রকোনায় নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

শহীদুল ইসলাম রুবেল, বাংলা নববর্ষ ১৪৩২ উপলক্ষে নেত্রকোণায় বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা, লোকজ মেলা, গ্রামীণ খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে মোক্তারপাড়া পুরাতন কালেক্টরেট ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ‘জাতীয় সংগীত’ ও ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’ গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানায় নেত্রকোনাবাসী। সকাল ৯টায় পুরাতন কালেক্টরেট ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণ থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়।
বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রার নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস, পুলিশ সুপার মির্জা সায়েম মাহমুদ, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট মাহফুজুল হকসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তা ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। আনন্দ শোভাযাত্রাটি জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পূনরায় কালেক্টরেট ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে ফিরে এসে বেলুন উড়িয়ে বাংলা নববর্ষের উদ্বোধন করেন। এরপর দিনব্যাপী জেলা শহরের বিভিন্ন স্থানে চলে বৈশাখী ও লোকজ মেলা, গ্রামীণ খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের উদ্যোগে বৈশাখী মেলার আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই শিশু কিশোর আবাল বৃদ্ধ বনিতারা বৈশাখের বাহারি রংয়ের পোষাক পরিধান করে আনন্দ শোভাযাত্রায় অংশ গ্রহণ করে। বাংলা নববর্ষ দল মত নির্বিশেষে সকল মানুষের মিলন মেলায় পরিনত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপিত

সাইফুল ইসলাম সবুজ, টাঙ্গাইলে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ-১৪৩২-কে বরণ করা হয়েছে। টাঙ্গাইল জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে সোমবার(১৪ এপ্রিল) সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় সংলগ্ন ‘জনসেবা চত্বর’ এ জাতীয় সংগীত ও বৈশাখের গান ‘এসো হে বৈশাখ’ পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নববর্ষ উদযাপনের কর্মসূচি শুরু করা হয়।

এদিন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে থেকে বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা বের হয়ে শহরের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জনসেবা চত্বরে এসে শেষ হয়।

টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হক বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে জনসেবা চত্বরে ‘বৈশাখী মেলা’র উদ্বোধন করেন। এসময় পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান, টাঙ্গাইলের স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শিহাব রায়হান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. আব্দুল্যাহ আল মামুন, টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ সহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, রাজনৈতিক নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার সর্বস্তরের নারী-পুরুষ-শিশুরা অংশগ্রহণ করেন।
বৈশাখী মেলায় অর্ধশত স্টল স্থান পায়। মেলায় গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী বায়েস্কোপ, লাঠি খেলা, সাপ খেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপন করা হয়।

ঘোড়ার গাড়ির র‌্যালি
টাঙ্গাইলে বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী ঘোড়ার গাড়ির র‌্যালি করা হয়েছে। সোমবার(১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল শহরের চাইল্ডহুড ও স্টার ওয়ার্ল্ড নামক দুটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের উদ্যোগে ওই ঘোড়ার গাড়ির র‌্যালির আয়োজন করা হয়। ঘোড়ার গাড়ি র‌্যালির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, নুরুল ইসলাম, রুবেল, মহব্বত হোসেন, শফিকুজ্জামান খান মোস্তফা, মহিউদ্দিন সুমন, বাতেন, শামীম আল মামুন, শাফিউজ্জামান মোস্তফা প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আনন্দ শোভাযাত্রায় প্রধান আকর্ষণ ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’!

আলোকিত ডেস্ক : পুরোনো ঐতিহ্য ও স্বকীয়তার পাশাপাশি লোক-শিল্প ও জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়ে বড় পরিসরে বাংলা নববর্ষ-১৪৩২ এর আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হচ্ছে অল্প সময়ের মধ্যেই। জুলাই অভ্যুত্থানের নানা প্রতীকের পাশাপাশি ২৮ জাতিগোষ্ঠী যোগ হয়েছেন এবারের শোভাযাত্রায়। তবে এ বছর প্রধান ৭টি মোটিফের মধ্যে প্রধান আকর্ষণ থাকছে ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’।

বাংলাদেশে দীর্ঘসময়ের ফ্যাসিবাদী শাসনের চিত্র তুলে ধরতে ‘ফ্যাসিবাদের মুখাকৃতি’ মোটিফ রাখা হয়েছে। বাঁশের বেত-কাঠ দিয়ে মুখাকৃতিটি তৈরির পর গত শনিবার ভোরে এক দুর্বৃত্ত এটি আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেন। পরে ককশিটের ওপর পুনরায় তৈরি করা হয় এটি।

এ বছর ফিলিস্তিনের নিপীড়িত মুসলমানদের লড়াই সংগ্রামের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে তরমুজের ফালি মোটিফ হিসেবে রাখা হয়েছে। তরমুজ ফিলিস্তিনিদের কাছে প্রতিরোধ ও অধ্যাবসায়ের প্রতীক হিসেবে পরিচিত।

বড় মোটিফের পাশাপাশি এ বছর মাঝারি মোটিফ রয়েছে ৭টি। এর মধ্যে সুলতানি ও মুঘল আমলের মুখোশ, রঙিন চরকি, তালপাতার সেপাই, তুহিন পাখি, পাখা, ঘোড়া ও লোকজ চিত্রাবলির ক্যানভাস রয়েছে।

এবারের শোভাযাত্রায়বিশেষ স্থান করে নিয়েছে বাংলার প্রাচীন সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য পটচিত্র। পট বা বস্ত্রের ওপর এই লোকচিত্র আঁকা হয়। চারুকলায় এবার ১০০ ফুট দীর্ঘ লোকজ চিত্রাবলির পটচিত্র আঁকা হয়েছে।

পটচিত্রে আকবর, বাংলাদেশের জাতীয় পশু বাঘ, বাংলাদেশের ঐতিহাসিক সংগ্রাম ১৯৫২ ও ১৯৭১ এবং ২০২৪ সালের জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ আবু সাঈদ, বেহুলা লখিন্দর, বনবিবি এবং গাজীরপট আঁকা হয়েছে। প্রত্যেকটি চিত্রে উল্লেখযোগ্যভাবে বাঘ এবং বাঘের রং।

আজ সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা শুরু হবে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমেদ খানসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন উপস্থিত থাকবেন। এছাড়াও বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ এই উৎসবের মধ্য দিয়ে নতুন বর্ষকে বরণ করবেন।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ মোড় ঘুরে টিএসসি মোড়, শহীদ মিনার, শারীরিক শিক্ষা কেন্দ্র, দোয়েল চত্বর হয়ে বাংলা একাডেমির সামনের রাস্তা দিয়ে পুনরায় চারুকলা অনুষদে গিয়ে শেষ হবে।

শোভাযাত্রার শুরুতে ৮টি ঘোড়া থাকবে। প্রতিবছরের মতো এবার সামনে পুলিশের বহর থাকবে না। পুলিশ শোভাযাত্রার পাশে অবস্থান করবে। এরপর বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর শিল্পী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ থাকবেন। শোভাযাত্রার একদম শেষে সাধারণ মানুষ থাকবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পহেলা বৈশাখ নিয়ে ইসলাম কি বলে?

লেখক: মাওলানা শেখ মিলাদ হোসাইন সিদ্দিকীঃ পয়লা বৈশাখ (বাংলা পঞ্জিকার প্রথম মাস বৈশাখের ১ তারিখ) বঙ্গাব্দের প্রথম দিন, তথা বাংলা নববর্ষ বা رأس السنة البنغالية বা New Year’s day বা বর্ষবরণ বা نيروز এই শব্দগুলো নতুন বছরের আগমন এবং এ উপলক্ষ্যে আয়োজিত উৎসব-অনুষ্ঠানাদিকে ইঙ্গিত করে। দিনটি বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গে নববর্ষ হিসেবে বিশেষ উৎসবের সাথে পালিত হয়।

এতদুপলক্ষে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, হাসিঠাট্টা ও আনন্দ উপভোগ, সাজগোজ করে নারীদের অবাধ বিচরণ ও সৌন্দর্যের প্রদর্শনী, রাতে অভিজাত এলাকার ক্লাব ইত্যাদিতে মদ্যপান তথা নাচানাচি, পটকা ফুটানো– এই সবকিছু কতটা ইসলাম সম্মত?
আজ আমরা জানবো

★★★কুরআনের আলোকে পহেলা বৈশাখ :-
নববর্ষ উদযাপনের অন্যতম কর্মসূচি হচ্ছে, বছরের প্রথম প্রহরে প্রথম সূর্যকে স্বাগত জানানো। এ ধরনের কর্মকান্ড মূলত সূর্যপুজারী ও প্রকৃতিপুজারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের অনুকরণ মাত্র।
এ প্রসঙ্গে কুরআন বলছে,-  ‎وَجَدتُّهَا وَقَوْمَهَا يَسْجُدُونَ لِلشَّمْسِ مِن دُونِ اللَّهِ وَزَيَّنَ لَهُمُ الشَّيْطَانُ أَعْمَالَهُمْ
অর্থ: “আমি তাকে ও তার জাতিকে দেখেছি, তারা আল্লাহকে ছেড়ে সূর্যকে সিজদা করছে এবং শয়তান তাদের কার্যাবলীকে তাদের জন্য শোভনীয় করেছে” (সূরা আল নামল, ২৭:২৪)

পহেলা বৈশাখের সাথে মঙ্গলময়তার কোন সম্পর্ক নেই। বরং ইসলামের বিশ্বাসে, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা মহাবিশ্বের স্রষ্টা, মহান ব্যবস্থাপক, নিরঙ্কুশ স্বত্তাধীকারী। জীবন-মৃত্যু, রিযিক ও সৃষ্টিজগতের কল্যাণ অকল্যাণ তাঁরই ইচ্ছাধীন। এ সবের নিরঙ্কুশ ক্ষমতা একমাত্র তাঁরই। এতে তাঁর কোন শরীক নেই।
এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন,- ‎{ وَإِنْ يَمْسَسْكَ اللَّهُ بِضُرٍّ فَلَا كَاشِفَ لَهُ إِلَّا هُوَ وَإِنْ يَمْسَسْكَ بِخَيْرٍ فَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ (১৭) وَهُوَ الْقَاهِرُ فَوْقَ عِبَادِهِ وَهُوَ الْحَكِيمُ الْخَبِيرُ (১৮) } [الأنعام: ১৭، ১৮]
অর্থ: “তিনি যদি তোমার কোন ক্ষতি করেন তবে তিনি ব্যতীত তা অপসরণকারী আর কেউ নেই। পক্ষান্তরে যদি তিনি তোমার মঙ্গল করেন তবে তিনি সব কিছুর উপর ক্ষমতাবান” (সূরা আন‘আম, আয়াত: ১৭)।
মঙ্গল শোভাযাত্রা মুশরিকদের উৎসবে সাদৃশ্য : আল্লাহ তাআলা বলেন:-  ‎إِنَّهُ مَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ
অর্থ: “নিশ্চয়ই যে কেউই আল্লাহর সাথে শিরক করবে, আল্লাহ তার জন্য জান্নাতকে হারাম করে দিবেন, আর তার বাসস্থান হবে অগ্নি।” (আল-মায়িদাহ:৭২)।

মঙ্গল শোভাযাত্রায় গান ও বাদ্য-বাজনার ব্যবহার :-
বর্ষবরণের এসব অনুষ্ঠানে গান-বাজনা যেন পূর্বশর্ত। ঢেউ খেলানো আনন্দে বাজনা-সঙ্গীত যেন ফেনিল রাশি হয়ে বয়ে চলে। অথচ ইসলামী চেতনাশুন্য গান ইসলামে সম্পূর্ণ হারাম। আল্লাহ বলেন,وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَشْتَرِيْ لَهْوَ الْحَدِيْثِ لِيُضِلَّ عَنْ سَبِيْلِ اللهِ بِغَيْرِ عِلْمٍ وَيَتَّخِذَهَا هُزُوًا أُولَئِكَ لَهُمْ عَذَابٌ مُهِيْنٌ ‘এক শ্রেণীর লোক আছে যারা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার জন্য অজ্ঞভাবে অনর্থক কথা ক্রয় করে এবং তাকে আনন্দ-ফূর্তি হিসাবে গ্রহণ করে, তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি”। (সুরা লুকমান ৩১/৬)।

★★★হাদিসের আলোকে পহেলা বৈশাখ ও
মঙ্গল শোভাযাত্রা:-শুভাশুভ নির্ণয় ও তাতে বিশ্বাস স্থাপনের ব্যাপারে রাসূল [সা.] বলেন الطِّيَرَةُ شِرْكٌ‘কুলক্ষণে বিশ্বাস করা শিরক’। [আবু দাউদ হা/৩৯১২; ইবনু মাজাহ হা/৩৫৩৮; তিরমিযী, মিশকাত হা/৪৫৮৪]

রাসূল (স.) ইবনু আব্বাস (রা.) কে বলেছিলেন, – ‎وَاعْلَمْ أَنَّ الْأُمَّةَ لَوْ اجْتَمَعَتْ عَلَى أَنْ يَنْفَعُوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَنْفَعُوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ لَكَ وَلَوْ اجْتَمَعُوا عَلَى أَنْ يَضُرُّوكَ بِشَيْءٍ لَمْ يَضُرُّوكَ إِلَّا بِشَيْءٍ قَدْ كَتَبَهُ اللَّهُ عَلَيْكَ
অর্থ: “…আর জেনে রেখ, সমগ্র উম্মত যদি একত্রিত হয়ে তোমার কোন অকল্যাণ করতে চায় পারবে না; কেবল ততটুকু ছাড়া যা আল্লাহ তোমার ভাগ্যে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন। আর তারা যদি একত্রিত হয়ে তোমার কোন ক্ষতি করতে চায় পারবে না; কেবল ততটুকু ছাড়া যা আল্লাহ তোমার ভাগ্যে লিপিবদ্ধ করে রেখেছেন।” (তিরমিযী)।

রাসূল [সা. আরো বলেন, لَيْسَ مِنَّا مَنْ تَطَيَّرَ، أَوْ تُطِيَّرَ لَهُ أَوْ تَكَهَّنَ، أَوْ تُكِهِّنَ لَهُ أَوْ سَحَرَ، أَوْ سُحِرَ لَهُ
অর্থ: ‘যে কুলক্ষণে বিশ্বাস করে এবং যাকে সে বিশ্বাস করায়, যে ভাগ্য গণনা করে এবং যাকে সে ভাগ্য গণনা করে দেয়, যে জাদু করে এবং যাকে সে জাদু করে দেয়- তারা আমাদের (উম্মাতে মুহাম্মাদীর) অন্তর্ভুক্ত নয়।

পহেলা বৈশাখে চিত্রাঙ্কন, উল্কা-আল্পনা আঁকা :-
বিনা প্রয়োজনে বিভিন্ন প্রাণীর (বিকৃত) ছবি আঁকা। উল্কা-আল্পনা আঁকা। এগুলো ইসলামের দৃষ্টিতে হারাম।
রাসূল (সা.) বলেছেন: ‎إن أشد الناس عذاباً يوم القيامة المصورون
অর্থ: “কিয়ামতের দিন সবচেয়ে কঠিন শাস্তি ভোগ করবে [জীবন্ত বস্তুর] ছবি তৈরীকারীরা।” [বুখারী: ৫৯৫০; মুসলিম: ২১০৯]

অন্য হাদীসে বলা হয়েছে: ﻟﻌﻦ اﻟﻠﻪ اﻟﻮاﺷﻤﺎﺕ ﻭاﻟﻤﺴﺘﻮﺷﻤﺎﺕ
অর্থ: “যারা উল্কা আঁকে বা যাদের গায়ে আঁকা হয়, তাদের উপর আল্লাহ র লানত বর্ষিত হয়েছে” (বুখারী)।

পরিশেষে বলবো
প্রিয় তরুণ-তরুণী ভাই-বোন! নিজেকে অবমূল্যায়ন করবেন না। আপনার মতো যুবকের হাতে ইসলাম শক্তিশালী হয়েছে। আপনার মতো তরুণীরা কত পুরুষকে দ্বীনের পথে অবিচল থাকতে সাহস জুগিয়েছে। আপনার বয়সে মুছ‘আব ইবনু উমাইর রযিয়াল্লাহু আনহু গিয়েছেন উহুদ যুদ্ধে শহীদ হতে। সুতরাং আসুন! সেদিন আসার আগেই আমরা সচেতন হয়। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাঁর আনুগত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকার তাওফীক্ব দান করুন এবং কল্যাণ ও শান্তি বর্ষিত হোক নবী ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর, তাঁর পরিবার ও ছাহাবীগণের উপর।

টেকনাফ সমুদ্রে কাঠের বোটে মিললো ইয়াবা, আটক ৬

হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ কোস্ট গার্ড ও  র‍্যাব-১৫  এর যৌথ অভিযানে টেকনাফের শাহ পরীর দ্বীপ জোর টাওয়ার সংলগ্ন সমুদ্র থেকে ৪০ হাজার ৭৭০ পিস ইয়াবাসহ একটি কাঠের বোট জব্দ করা হয়। এসময় ৬ জন ইয়াবা পাচারকারীকে আটক করা হয়েছে।
আজ রবিবার ১৩ এপ্রিল সকালে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সিয়াম-উল-হক এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১২ এপ্রিল শনিবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট শাহপরী এবং র‍্যাব-১৫ সিপিসি-১ এর সমন্বয়ে টেকনাফ থানাধীন জোড় টাওয়ার সংলগ্ন সমুদ্র এলাকায় একটি যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালীন উক্ত এলাকায় একটি সন্দেহজনক ইঞ্জিন চালিত কাঠের বোট তল্লাশী করে ৪০ হাজার ৭৭০ পিস ইয়াবাসহ ০৬ জন মাদক পাচারকারীকে আটক করা হয়।আটককৃত মাদক পাচারকারীরা হলেন আমির সুলতান (৫২),, রবি আলম (৪২),  দ্বীল মোহাম্মদ (৩৮),  নূরুন্নবী (২৮),  ঈমান হোসেন (৩২) ও জায়েদ হোসেন (১৮)। সকলেই মায়ানমারের নাগরিক বলে জানা যায়।
জব্দকৃত ইয়াবা এবং আটককৃত মাদক পাচারকারীদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড ২৪ ঘন্টা টহল জারি রেখেছে। যার মাধ্যমে কোস্ট গার্ডের আওতাধীন উপকূলীয় এবং নদী তীরবর্তী অঞ্চলের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনেকাংশে উন্নত হয়েছে। মাদক পাচার রোধকল্পে কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডিবি প্রধানের পদ থেকে সরানো হলো রেজাউল করিম মল্লিককে!

আলোকিত ডেস্ক : রেজাউল করিম মল্লিককে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধানের পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার ডিএমপি কমিশনারের কার্যালয়ের এক আদেশে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী স্বাক্ষরিত ওই আদেশে বলা হয়েছে, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (গোয়েন্দা) রেজাউল করিম মল্লিককে ডিএমপির সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত প্রশাসনিক স্বার্থে রেজাউল করিম মল্লিককে তাঁর নামের পাশে উল্লিখিত স্থানে পদায়ন করা হয়েছে। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১ সেপ্টেম্বর তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার মো. মাইনুল হাসান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে রেজাউল করিম মল্লিককে ডিবিপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

১৭তম বিসিএস (পুলিশ) ব্যাচের কর্মকর্তা রেজাউল করিম মল্লিক ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন। এর আগে তিনি বাংলাদেশ পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগসহ (সিআইডি) বিভিন্ন ইউনিটে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চট্টগ্রামের সাবেক এমপি সামশু পরিবারের ব্যাংক একাউন্ট জব্দ 

আব্দুল ওয়াদুদ. ব্যাংক হিসাব জব্দ হওয়া বাকি সদস্যরা হলেন- বিচ্ছু শামসুর ছেলে নাজমুল করিম চৌধুরী শারুন, বিচ্ছু শামসুর স্ত্রী কামরুন নাহার চৌধুরী, মেয়ে তাকলিমা নাছরিন চৌধুরী, তাহমিনা নাসরিন চৌধুরী এবং বিচ্ছু শামসুর দুই ভাই ফজলুল হক চৌধুরী মহব্বত ও মজিবুল হক চৌধুরী নবাব। অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচারসহ নানান অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি এ পদক্ষেপ গ্রহণ করে দুদক।

দুদকের একাধিক সূত্র জানায়- অবৈধ সম্পদ অর্জন, অর্থ পাচার, ক্যাসিনো ব্যবসায় সংশ্লিষ্টতাসহ নানান দুর্নীতির অভিযোগে বিচ্ছু শামসু ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে দুদক। তদন্তের অংশ হিসেবে ব্যাংক হিসাব জব্দের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পটিয়া উপজেলায় রীতিমতো দানব রূপ ধারণ করে বিচ্ছু শামসু ও তার পরিবার। সীমাহীন দুর্নীতি, লুটপাট, দলীয়করণ এবং আত্মীয়করণের মাধ্যমে প্রশাসনে একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার, সরকারি জমি-খাল দখল থেকে শুরু করে এমন কোনো অপরাধ নেই যা তার পরিবার করেনি। তদবির বাণিজ্য, থানা নিয়ন্ত্রণ, পরিবহন সেক্টরে চাঁদাবাজি, বালু মহাল দখল, চাঁদাবাজি, জায়গা দখল, মাদক, অস্ত্র বেচা-বিক্রির সিন্ডিকেট নিয়ন্ত্রণ করত তারা। তাদের ইশারায় শত শত বিএনপি-জামায়াতের নেতা কর্মী শিকার হয়েছেন মিথ্যা, সাজানো এবং গায়েবি মামলায়। তারা আসামি হয়ে কারাবরণ করে বছরের পর বছর। বাড়িঘরছাড়া হয়েছেন অনেকে।

মাদক ব্যবসা, দখলবাজি, সরকারি অর্থ লুটপাটসহ নানান অপকর্মের মাধ্যমে হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান সামশুল হক চৌধুরী। গত ১৬ বছরে ঢাকা-চট্টগ্রামে সামশু এবং শারুন কেনেন অসংখ্য ফ্ল্যাট, জমি ও ব্যবসায়িক স্পেস।

একইভাবে আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়েছে সামশুর ছোট ভাই মুজিবুল হক চৌধুরী নবাব, ফজলুল হক চৌধুরী মহব্বত। ২০১৯ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর অবৈধ সম্পদ অর্জনকারী এবং বিদেশে অর্থ পাচারকারীদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে দুদক। ক্যাসিনোসহ বিভিন্ন অবৈধ ব্যবসা ও কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত এমন প্রায় ২০০ রাজনীতিবিদ, আমলা ও ব্যবসায়ীকে প্রাথমিকভাবে চিহ্নিত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান শুরু করে দুদক। অভিযুক্তদের অন্যতম ছিলেন সামশুল হক চৌধুরী। কিন্তু ক্ষমতার অপব্যবহার করে সাবেক হুইপ সামশুল হক চৌধুরীকে দুদক কোনো রকম জিজ্ঞাসাবাদ ছাড়াই মামলা থেকে দায়মুক্তি দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি