আজ , ।   
Home Blog Page 548

যে পশ্চিমা বিশ্বকে আমরা চিনতাম, সেটি আর নেই: উরসুলা ভন ডার লিয়েন

তিনি বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতিগুলো “ঐতিহাসিক” পরিবর্তন আনছে, যা ইইউকে এই নতুন বিশ্বব্যবস্থা গঠনে “খুব সক্রিয় ভূমিকা পালন” করতে বাধ্য করছে।

এমনকি মার্কিন প্রশাসন এবং ইউরোপের মধ্যে বর্তমান সংকট ইইউকে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করছে বলেও মন্তব্য করেছেন তিনি। ১৬ এপ্রিল বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।

উরসুলা ভন ডার লিয়েন মঙ্গলবার জার্মান সংবাদপত্র দেই জেইট-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নীতি বিশ্ব রাজনীতিতে “ঐতিহাসিক পরিবর্তন” আনছে, আর এই প্রেক্ষাপটে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) উচিত নতুন বিশ্বব্যবস্থায় আরও সক্রিয় এবং প্রভাবশালী ভূমিকা নেওয়া।

তিনি বলেন, “যে পশ্চিমা বিশ্বকে আমরা চিনতাম, তা আর নেই।” ভন ডার লিয়েন নিজেকে “একজন নিবেদিত আটলান্টিকপন্থি” এবং “যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ বন্ধু” হিসেবে পরিচয় দিলেও স্বীকার করেন যে-যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনের সঙ্গে ইউরোপের টানাপোড়েন এবং বিশ্বজুড়ে ভূরাজনৈতিক টানাপোড়েন ইউরোপকে নতুন করে অবস্থান নিতে বাধ্য করছে।

তিনি আরও বলেন, “যে বিশ্বব্যবস্থাকে আমরা স্থির এবং সুশৃঙ্খল ভেবেছিলাম, তা এখন বিশৃঙ্খলায় রূপ নিচ্ছে। এর পেছনে চীন-যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের সাম্রাজ্যবাদী উচ্চাশা—এই দুটো বড় কারণ রয়েছে।”

এই বাস্তবতায় ইউরোপকে আরও আত্মবিশ্বাসী ও বৈশ্বিক অংশীদার হিসেবে গড়ে তুলতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ভন ডার লিয়েন জানান, ট্রাম্প প্রশাসনের আগ্রাসী বাণিজ্যনীতি সত্ত্বেও ইউরোপ স্থির থেকেছে। এছাড়া নির্ভরযোগ্যতার জন্য বিশ্বের বহু দেশ এখন ইউরোপের সঙ্গে বাণিজ্যিক ও কৌশলগত অংশীদারত্ব চায়।

তিনি বলেন, “আমি এখন কানাডা, ভারত, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো এবং দক্ষিণ আমেরিকার অনেক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে নিয়মিত কথা বলছি, যারা নতুন এই বিশ্বব্যবস্থায় আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চায়।”

ভন ডার লিয়েন আরও বলেন, যদিও যুক্তরাষ্ট্র-ইইউ বাণিজ্য সম্পর্ক বৈশ্বিক বাণিজ্যের ১৩ শতাংশ জুড়ে রয়েছে, বাকি ৮৭ শতাংশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে—যা ইউরোপের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দিয়েছে।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্টের মতে, “এখন সবাই ইউরোপের সঙ্গে আরও বেশি বাণিজ্য চায়। এটা শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটা নিয়মনীতি গঠনের এবং পূর্বাভাসযোগ্যতার ব্যাপারেও। ইউরোপের যে নির্ভরযোগ্য ভাবমূর্তি, তা আবারও মূল্যবান হয়ে উঠছে।”

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

সৌদি রাষ্ট্রদূতের সাথেই কেবল আমার সম্পর্ক, আর কারো সাথে না: মেঘনা আলম

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

 

ঢাকায় বাংলাদেশ-পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক চলছে

আলোকিত প্রতিবেদক:

প্রায় ১৫ বছর পর দ্বিপক্ষীয় সম্প‌র্কের সামগ্রিক বিষ‌য়ে পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ে আলোচনার প্ল্যাটফর্ম ফরেন অফিস কনসালটেশন বা এফওসি বৈঠকে বসেছে বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান। পারস্পরিক বোঝাপড়া আর রাজনৈতিক সম্পর্ক উন্নয়নে উভয় পক্ষের জন্য বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ।

বৈঠকে যোগ দি‌তে ১৭ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ১০টা ২৫ মি‌নিটে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় প্রবেশ ক‌রেন পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালুচ। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, এফওসিতে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন পররাষ্ট্র সচিব মো. জসীম উদ্দিন। বৈঠকে সার্বিক দ্বিপক্ষীয় বিষয়ে আলোচনা হবে। এই প্ল্যাটফর্মে কোনো বিষয় বাদ থাকে না, সব আলোচনা হয়। অগ্রগতি কী আছে, কী করার আছে বা যায়, কী কী দেওয়ার আছে বা নেওয়া যায় সবই আলোচনায় টেবিলে থাকবে। মোটা দাগে বাণিজ্য, বিনিয়োগ, কানেক্টিভিটি, বিশেষ করে আকাশপথে যোগাযোগ, প্রতিরক্ষা, শিক্ষা, কৃষি, মৎস্য, সংস্কৃতি, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন  বিষয়গুলো গুরুত্ব পাবে।

dhakapost

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক যুগের বেশি সময় পর দুই দেশের মধ্যে ৬ষ্ঠ পররাষ্ট্র সচিব পর্যায়ের বৈঠক হতে যাচ্ছে। ২০১০ সালে সর্বশেষ ইসলামাবাদে বৈঠকে বসেছিল দুই দেশের তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিবরা। এছাড়া অর্থমন্ত্রী পর্যায়ের অর্থনৈতিক কমিশনের সর্বশেষ বৈঠক হয় ২০০৫ সালে। দীর্ঘদিনের জট খোলার পর আশা করা হচ্ছে, এবারের আলোচনায় পরবর্তী অর্থনৈতিক কমিশনের বৈঠক নিয়ে কথা হবে।

ঢাকার একটি কূটনৈতিক সূত্র বলছে, আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে দু’দেশের সম্পর্ক দৃঢ় করার প্রস্তাব। সেইসঙ্গে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক ইস্যুতে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে একটি যৌথ কমিশন পুনর্বহালের বিষয়টি তুলতে পারে পাকিস্তান। এছাড়া বাংলাদেশের দিক থেকে সাংস্কৃতিক বিনিময়ের লক্ষ্যে একটি বিশেষায়িত কর্মসূচির প্রস্তাব দেওয়া হতে পারে পাকিস্তানকে।

পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে আন্তরিক বাংলাদেশ। তবে সম্পর্কের অমীমাংসিত ইস্যুগুলো ভুলে যায়নি ঢাকা। বাংলাদেশ মনে করে, ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি বাহিনীর গণহত্যার জন্য পাকিস্তানের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়া, যুদ্ধের জন্য ক্ষতিপূরণ, আটকে পড়া পাকিস্তানিদের প্রত্যাবাসন, সম্পদের হিস্যা, ১৯৭০ সালে অবিভক্ত পাকিস্তানের ঘূর্ণিঝড়ের সময় দেওয়া বৈদেশিক সহায়তার পাওনা পরিশোধের মতো বিষয়গুলোর সুরাহা জরুরি।

dhakapost

অমীমাংসিত বিষয়ের সুরাহা না করে সম্পর্ক এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ আগ্রহী নয়। ঢাকার চাওয়া, পাকিস্তান এগিয়ে আসুক। কেননা, অমীমাংসিত বিষয়ে সুরাহা যতদিন হবে না ততদিন সামনে আসবে। আলোচনার টেবিলে থাকবে।

এ প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরেক কর্মকর্তা বলেন, পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব বলেন বা মন্ত্রী বলেন তাদের সঙ্গে আলোচনায় অমীমাংসিত বিষয় থাকে। অমীমাংসিত ইস্যু যতদিন সুরাহা না হয়, ততদিন উঠতে থাকবে, এটা তো স্বাভাবিক। আমরা চাই এগুলোর সুরাহা বা মিটমাট হয়ে যাক। একটা অবস্থান নিক ওরা।

এই কূটনীতিক বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর হয়ে গেল। কিন্তু সমস্যার সমাধান হচ্ছে না। এখন তারা কী চায় আলোচনা করে বলুক। নতুন কিছু তো বলুক। আনুষ্ঠানিক ক্ষমার বিষয়ে ওদের অস্বস্তি আছে, সেটাতো বোঝাই যায়। এছাড়া আটকে পড়াদের নিয়ে যাওয়া বলেন, টাকা-পয়সা বুঝিয়ে দেওয়া বলেন তারা কমর্ফোটেবল হলে আগেই সব মিটে যেত। সমস্যার সমাধান হয়ে যেত অনেক আগেই। তাদের নিশ্চই কোনো একটা কিছু আছে। দেখা যাক, আলোচনা কী আসে।

সূচী অনুযায়ী, পররাষ্ট্রসচিব পর্যায়ের বৈঠক এবং মধ্যাহ্নভোজ শেষে পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন এবং প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন।

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের সার্বিক বিষয়ে আলোচনা করতে গতকাল বুধবার ঢাকায় আসেন আমনা বালুচ। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালক  ইশরাত জাহান।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

মোদিকে ড. ইউনূসের সঙ্গে চুক্তি করতে বললেন মমতা ব্যানার্জি!

আলোকিত প্রতিবেদক : দেশের ভালোর জন্য মোদিকে প্রয়োজনে ড. ইউনূসের সঙ্গে চুক্তি করতে বললেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে উদ্দেশ করে তিনি বলেন, আপনি বাংলাদেশের পরিস্থিতি জানেন না। পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটানের বর্ডার। আপনি ইউনূসের সঙ্গে গোপন মিটিং করুন, চুক্তি করুন। দেশের ভালো হলে খুশি হবো।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) কলকাতার নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে লোকসভায় পাশ হওয়া বহুল বিতর্কিত ওয়াকফ আইন বাতিলের দাবিতে আয়োজিত ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মেলনে যোগ দিয়ে এসব কথা বলেন মমতা ব্যানার্জি।

মোদিকে উদ্দেশ্য করে মমতা বলেন, আপনি আমার অধিকার কেড়ে নিচ্ছেন, আপনি রাম-রহিমের অধিকার কেড়ে নিচ্ছেন। এটা কি আপনার আওতার মধ্যে পড়ে? পড়ে না। আপনাদের প্ল্যানিংটা কী? কোনো এজেন্সির মাধ্যমে বাংলাদেশ থেকে লোক নিয়ে এসে দাঙ্গা করা?

তিনি আরও বলেন, কালকে আমি এএনআইয়ে একটা টুইট দেখলাম। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সূত্রকে কোট করে বলেছে– ‘এ ঘটনায় বাংলাদেশের হাত আছে।’ যদি হাত থাকে, এর দায়িত্ব তো কেন্দ্রীয় সরকারের। সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করে বিএসএফ। আমি করি না। আমার সে অধিকারও নেই। বর্ডার সামলানোর দায়িত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের। তাহলে আপনি কেন ঢুকতে দিলেন। কৈফত আপনাকে দিতে হবে। আপনারা চান হিন্দু-মুসলিম ভেদাভেদ তৈরি করতে।

পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, মুসলিম ভাইবোনদের বলবো, এই আইন সংবিধানে যে সম্পত্তির অধিকারের কথা আছে, তা ভেঙেছে। সংবিধানে ১৮ এবং ৩৫ অনুচ্ছেদ সম্পত্তির ওপর রাজ্য সরকারের অধিকারের কথা বলা আছে। সেটা রাজ্যের বিধানসভার আওতাধীন। সেই অধিকারও কেড়ে নিয়েছে এই আইনের মাধ্যমে। এটা যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোরবিরোধী।

মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, তৃণমূল কংগ্রেস যদি অশান্তি করতো তাহলে তৃণমূলের তিন বিধায়কের বাড়ি আক্রান্ত হতো না। পার্টি অফিসও ভাঙা হতো না। কিছু প্ররোচনা দেওয়া হয়েছে। যেখানে গণ্ডগোল হয়েছে, সেটা মুর্শিদাবাদ আসন নয়, মালদহের আসন। কংগ্রেসের জেতা আসন। জেতার সময় জিতবে। দাঙা হলে রাস্তায় বেরোবে না, এটা আশা করি না। জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে থাকতে হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

খানসামায় দোস্ত এইডের  উদ্যোগে টিউবওয়েল বিতরন

উজ্জ্বল আহমেদ -বিশেষ প্রতিনিধিঃ বুধবার  (১৬ এপ্রিল ) দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলায়   দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি উদ্যোগে দুষ্হ ও অসহায় পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে ৩০ টি নলকূপ বিতরন করা হয়।
উক্ত নলকূপ বিতরন অনুষ্ঠানে জনাব তমিজুল ইসলাম উপজেলা সমাজ সেবা, অধিদপ্তর, খানসামা, দিনাজপুর এর সভাপতিত্বে  প্রধান  অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ কামরুজ্জামান সরকার  উপজেলা নির্বাহী অফিসার, খানসামা, দিনাজপুর। আরো উপস্থিত ছিলেন দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটির দিনাজপুর জেলা  প্রতিনিধি  মাহবুবুর রহমান ও আব্দুল জব্বার।
বিতরন কালে প্রধান অতিথি বলেন আমি আপনাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে খোজ খবর নিয়ে জানতে পারি আপনাদের টিউবওয়েল নেই আজ দোস্ত এইড বাংলাদেশ সোসাইটি আপনাদের টিউবওয়েল এর ব্যাবস্হা করে দিয়েছেন।  শুধু  টিউবওয়েল এ নয় ইট, সিমেন্ট বড়িং ও পালাষ্টার সহ  করে দিবে। এই টিউবওয়েল গুলো রক্ষণাবেক্ষণ এর দায়িত্ব আপনাদের। আপনারা দোস্ত এইডের জন্য দোয়া করবেন, আরো বেশি বেশি যেন খানসামা উপজেলায় কাজ করতে পারে। পরিশেষে দোস্ত এইডের সফলতা কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন।
একজন উপকার ভুগি সন্তোশ রায় বলেন আমার পরিবারে ৭ জন সদস্য অনেক দিন ধরে টিউবওয়েল নাই আজ টিউবওয়েল পেয়ে আমি খুব খুশি যারা দিয়েছে তাদের জন্য দোয়া করি।
পরিশেষে উক্ত অনুষ্ঠানের সভাপতি  জনাব তমিজুল ইসলাম বলেন, দোস্ত  এইড বাংলাদেশ সোসাইটি একটি সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা।
দীর্ঘ দিন ধরে আর্তমানবতায় কাজ করে আসছে। আজ খানসামায় যে  ৩০ টি পরিবার গুলোকে নলকূপ দেওয়া হল তারা খুব খুশি। আরো কিছু পরিবার আছে যা  পরবর্তীতে ধাপে – ধাপে  দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নবীনগরের যোগীদারা খালটি কচুরিপানার দখলে! 

মোঃ আনোয়ার হোসেন: 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের দোলাবাড়ি-ইব্রাহিমপুর ব্রিজ হইতে কালীপুরা হয়ে দড়ি শ্রীরামপুরে এসে যমুনা নামের খালটির সাথে যে খালটি মিলিত হয়েছে, তার নাম যোগীদারা খাল। এ খাল এককালে ছিল প্রবল খড় স্রোতা। আর এর প্রবাহিত স্রোতের কারণে দোলাবাড়ী, ইব্রাহিমপুর, কালিপুরা, দড়িশ্রীরামপুর গ্রামের অনেক পরিবারের সদস্যরা খরজাল, কুনিজাল, ধর্মজাল, খেওয়াজাল, বেরজাল ইত্যাদি  দিয়ে মাছ আহরণ করে জীবিকা নির্বাহ করত। কালের বিবর্তনে আজ সেই যোগীদারা খালটি এখন প্রায় মরা খালে পরিনত হয়েছে। নদী অব্যবস্থাপনা এবং নদী শাসনের অভাব, মানুষের দখল দারিত্ব ও কচুরিপানা দখল করে রেখেছে খালটিকে। আশেপাশের খাল গুলি ও বুড়ি নদীর পানির প্রবাহের গতি কমে আসায়  এ খালের দখল নিয়েছে কচুরিপানা। এভাবে কয়েক বছর চলতে থাকলে ঐতিহ্যবাহী খালটি ভরাট হয়ে চলে যাবে ভূমিদস্যুদের দখলে। এখনই যদি উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয় তাহলে আশে পাশের আবাদি কৃষি জমিতে জলাদ্ধতার সৃষ্টি হবে। ফসলী জমির পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকবে না তখন কৃষিতেও দেখা দেবে বিপর্যয়, এক দিন হয়তো এর ফলে এলাকাবাসীকে অনেক বড় মাশুল দিতে হতে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ এপ্রিল ২০২৫/মওম

টাঙ্গাইলে অনিরাপদ ড্রামে ভোজ্য তেল ব্যবহার বন্ধকরণ কর্মশালা

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইলে ভোজ্যতেল ক্রয় বিক্রয়ে অনিরাপদ ড্রাম ব্যবহার পর্যায়ক্রমে বন্ধ করা সংক্রান্ত কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৬ এপ্রিল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় জেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে শহরের স্থানীয় একটি হোটেলে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশন অব বাংলাদেশের উদ্যোগে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।
টাঙ্গাইলের জেলা প্রশাসক শরীফা হকের সভাপতিত্বে এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের পরিচালক ফকির মুহাম্মদ মুনাওয়ার হোসেন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ন্যাশনাল হার্ট ফাউন্ডেশনের কনসালটেন্ট মুশতাক হাসান মুহাম্মদ ইফতিখার।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) সঞ্চয় কুমার মহন্ত,টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ,ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ মুহম্মদ আজিজুল হক, টাঙ্গাইল ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ,টাঙ্গাইল জেলা ব্যবসায়ী ঐক্যজোটের সভাপতি মোস্তফা কামাল লাবু
অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইলের জাতীয় ভোক্তা অধিদপ্তরের উপপরিচালক আসাদুজ্জামান রুমেল।এসময় উপস্থিত ছিলেন কনজুমারস এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবু জুবায়ের উজ্জল, ছয় আনি বাজার শাখার সাধারণ সম্পাদক আছিরুদ্দীন আছু,সুজনের জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক তরুন ইউসুফ প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ এপ্রিল ২০২৫/মওম

প্রশাসন এখন বিএনপির পক্ষে কাজ করছে, এ অবস্থায় নির্বাচন সম্ভব নয় : নাহিদ

আলোকিত প্রতিবেদক : জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি’র আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করে বলেছেন, বর্তমান প্রশাসন বিএনপির পক্ষে কাজ করছে এখন। মাঠ প্রশাসন নিরপেক্ষ আচরণ করছে না। তিনি বলেন, বিভিন্ন স্থানে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করা হলেও তারা নিশ্চুপ ভূমিকা পালন করছেন এখন।

বুধবার (১৬ এপ্রিল) বিকাল পৌনে ৫টায় গুলশানে যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিকোল চুলিকের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

নির্বাচনের তারিখ সম্পর্কে আলোচনা হয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, সরকারের দেওয়া টাইমলাইন ডিসেম্বর থেকে জুনের বিষয়টিতে আমাদের সমর্থন রয়েছে বলে তাদের অবহিত করেছি। তবে সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ছাড়া নির্বাচন নিয়ে আমরা কথা বলতে চাই না।

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণের বিষয়ে কোনও কথা হয়নি। তবে দলটির বিচারের আগে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করতে না দেওয়ার বিষয়ে আগের অবস্থানেই আছে জাতীয় নাগরিক পার্টি।

নাহিদ বলেন, তারা আমাদের অর্থনৈতিক পলিসি জানতে চেয়েছেন। আমরা কী ধরনের বাণিজ্যিক পরিবেশ চাই, তা তাদের জানিয়েছি। ক্ষমতায় গেলে আমরা কী ধরনের ব্যবস্থা নিতে চাই, তা তুলে ধরেছি।

নাহিদ ইসলাম বলেন, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা ও বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চেয়েছেন। আমরা আমাদের বিষয়গুলো তুলে ধরেছি।

মার্কিন ডেপুটি হেড অব মিশনের বাসভবনে এ সাক্ষাতে নাহিদসহ জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) চার সদস্যের প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করে। অন্যরা হলেন—দলের সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন ও সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাশে পরিত্যক্ত হাতবোমা

হেলাল উদ্দিন, টেকনাফ মেরিন ড্রাইভের পাশে টেকনাফের কোনকার পাড়া এলাকায় পরিত্যক্ত অবস্থায় অবিস্ফোরিত হাতবোমা ( হ্যান্ড গ্রেনেড ) পাওয়া গেছে। আজ বুধবার সকালে পরিত্যক্ত অবিষ্ফোরিত হাত বোমা (হ্যান্ড গ্রেনেড) এর খবর পেয়ে পুলিশ ঘিরে রেখেছে বলে জানান টেকনাফ মডেল থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন।

ওসি বলেন, আজ বুধবার সকালে মেরিন ড্রাইভ টেকনাফের কোনার পাড়ায় নির্মাণাধীন ভবন ওয়েভস পয়েন্ট লিঃ এর পাশে পরিত্যক্ত একটি অবিষ্ফোরিত হাতবোমা (হ্যান্ড গ্রেনেড) এর খবর পেয়ে আমাদের পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরে এলাকাটি ঘিরে রাখা হয়েছে। বিষয়টি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর বোমা ডিসপোজাল ইউনিটকে অবহিত করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরবর্তীতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী কাজ করবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বিড়ালের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ মুহূর্তের ছবির জন্য প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমান

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর শেয়ার করা তিনটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। ছবিগুলোতে দেখা যায়—তিনি একটি বিড়ালকে মোবাইলে কিছু দেখাচ্ছেন, আর সেই বিড়ালটি মনোযোগ দিয়ে তা পর্যবেক্ষণ করছে। এক ঝলকে এই দৃশ্য যেন একজন রাজনীতিকের মানবিক এবং প্রাণীবান্ধব দিককে তুলে ধরেছে।

তারেক রহমান নিজেই ছবিগুলো নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন। পরে তা বিএনপির মিডিয়া সেল-এর অফিশিয়াল পেজেও পোস্ট করা হয়, যার ক্যাপশন ছিল—‘লিডার’। এই এক শব্দেই যেন ফুটে উঠেছে ছবির মর্মার্থ।

এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয় আলোড়ন। নেটিজেনরা প্রশংসায় ভরিয়ে দেন তাকে। কেউ লিখেছেন—‘প্রিয় লিডার’, কেউবা মন্তব্য করেছেন—‘আগামীর প্রাণিবান্ধব বাংলাদেশ!’। অনেকেই ছবি গুলো লাভ ইমোজি দিয়ে শেয়ার করে ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন।

কমেন্ট সেকশন ছিল রীতিমতো ভালোবাসার প্লাবনে ভাসমান। ‘আমাদের নেতা, আমাদের অহংকার’, ‘মাশাআল্লাহ, প্রিয় অভিভাবক’, ‘আপনার জন্য দোয়া করি’—এমন অসংখ্য মন্তব্যে ভরে গেছে ফেসবুক।

রাজনীতির বাইরেও একজন প্রাণিপ্রেমী এবং কোমল হৃদয়ের মানুষ হিসেবে তারেক রহমানের এই ভিন্নমাত্রার রূপ দেখে মুগ্ধ হয়েছেন অনেকেই। বিশ্লেষকদের মতে, এমন ছবি একজন নেতার মানবিক দিককে জনগণের সামনে তুলে ধরার পাশাপাশি,  জনমানুষের সঙ্গে একটি আবেগঘন সংযোগ গড়ে তোলে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ এপ্রিল ২০২৫/মওম