আজ , ।   
Home Blog Page 540

চার জেলায় বয়ে যাচ্ছে তাপপ্রবাহ, দিন-রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে

দেশের চার জেলার ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, যা আরও বিস্তার লাভ করবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। সেই সাথে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা বাড়তে পারে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

২৩ এপ্রিল বুধবার বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহকারী আবহাওয়াবিদ আফরোজা সুলতানার দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়।

আবহাওয়া অফিস জানায়, আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায়, রংপুর, ঢাকা এবং ময়মনসিংহ বিভাগ এবং কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে রাজশাহী, পাবনা, যশোর এবং চুয়াডাঙ্গা জেলা সমূহের উপর দিয়ে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে, তা বিস্তার লাভ করতে পারে। সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপামাত্রা সামান্য বৃদ্ধি পেতে পারে।

২৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/ বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সারাদেশে দিন-রাতের তাপামাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

২৫ এপ্রিল  শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, ঢাকা, ময়মনসিংহ ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দেশের অন্যত্র অস্থায়ীভাবে আংশিক মেঘলা আকাশসহ আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক থাকতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিন এবং রাতের তাপামাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

২৬ এপ্রিল শনিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বিদ্যুৎ চমকানো/বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপামাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

২৭ এপ্রিল রবিবার সকাল ৯টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় ঢাকা, ময়মনসিংহ, খুলনা এবং সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং রংপুর, রাজশাহী, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টি/বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা সামান্য হ্রাস পেতে পারে এবং রাতের তাপামাত্রা অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ এপ্রিল ২০২৫/মওম

নীলফামারীতে শব্দ দূষণের  উপর পরিবেশ অধিদপ্তের অভিযান!

উজ্জ্বল আহমেদ- বিশেষ প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর সদর উপজেলায় শব্দ দূষণ করার অভিযোগে ১ টি ধান ছাটাইকল মালিককে ১০০০টাকা  জরিমানা আদায় করেছে নীলফামারী  পরিবেশ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার    (২২এপ্রিল  )   সদর   উপজেলায়  শব্দ দূষণের উপর  অভিযান পরিচালনা করে নীলফামারী  জেলা পরিবেশ অধিদপ্তর।
 জেলা প্রশাসন নীলফামারী এর নিদের্শনা মোতাবেক নীলফামারী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মুন্না রানী চন্দ নেতৃত্বে নীলফামারী জেলা পুলিশ বিভাগ, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, নীলফামারী ও পরিবেশ অধিদপ্তর নীলফামারী এর সার্বিক সহযোগিতায় নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর স্থানে অবস্থিত একটি ধান ছাটাই কল এর বিরুদ্ধে শব্দ দূষণের অভিযোগের প্রেক্ষিতে শব্দ দূষণ (নিয়ন্ত্রণ) বিধিমালা, ২০০৬ এর বিধি ৭ এ অপরাধ এবং বিধি ১৮(১) (২) মোতাবেক ভ্রাম্যমাণ মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। উক্ত মোবাইল কোর্টে প্রসিকিউটর হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পরিবেশ অধিদপ্তর, নীলফামারী জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক জনাব মোঃ আব্দুল্লাহ-আল-মামুন । এসময়  আলোচ্য প্রতিষ্ঠানের মালিককে করখানা থেকে সৃষ্ঠ মাত্রাতিরিক্ত শব্দ দূষণের দায়ে ১,০০০/- (এক হাজার) টাকা জরিমানা করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

করলা চাষে ভাগ্য বদল বাউফলের মহিউদ্দিন

মোঃ আমির হোসেন,বাউফল প্রতিনিধি,পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বগা ইউনিয়নের পাতারপোল গ্রামের যুবক মো. মহিউদ্দিন টিপু(৩০) আজ একটি পরিচিত নাম কৃষিক্ষেত্রে। কৃষির প্রতি অদম্য আগ্রহ আর সংগ্রামের গল্পে মোড়ানো তার জীবন এখন অনেক তরুণের অনুপ্রেরণার উৎস।

মহিউদ্দিন এক সময় সরকারি চাকরি পাওয়ার আশায় প্রতারণার শিকার হন। এরপর রাজধানী ঢাকায় একটি বায়িং হাউজে চাকরি নেন। কিন্তু সেখানেও মেলে না স্থায়িত্ব বা সম্মান। এমন সময় স্ত্রী মোসাম্মাত ফাতেমার (২৫) পরামর্শে তিনি ফিরে আসেন নিজ গ্রামের বাড়িতে। দু’জন মিলে সিদ্ধান্ত নেন কৃষিকাজে আত্মনিয়োগের।

প্রথমে ছোট পরিসরে করলা চাষ শুরু করেন মহিউদ্দিন। এখন তার দুইটি খণ্ড জমিতে রয়েছে প্রায় ১২০০টি করলা গাছ। প্রতি সপ্তাহে তিনি ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকার করলা বিক্রি করেন, মাসে যার পরিমাণ ১ লাখ টাকারও বেশি। শুধু করলাই নয়, তিনি চাষ করছেন লাউ, চিচিঙ্গা, টমেটো ও লাল শাকসহ বিভিন্ন মৌসুমী সবজি।এতে দুই সন্তান আর এক স্ত্রী নিয়ে দারুণ সময় কাটছে তার। সামনের দিকে মাছ চাষের পরিকল্পনা রয়েছে মহিউদ্দিনের ।

করলার বাজারদর প্রসঙ্গে মহিউদ্দিন জানান, বাজারে চাহিদা কম থাকলে ৫০ টাকা কেজিতে আর বেশি থাকলে ৮০ টাকা কেজিতে করলা বিক্রি করেন। স্থানীয় পাইকারদের কাছেই তার উৎপাদিত করলার বড় অংশ সরবরাহ করা হয়।

সফল চাষি মহিউদ্দিন টিপু বলেন,আমি যখন ক্লাস ফাইভে পড়ি তখন আমার বাবা অসুস্থ হয়ে পড়েন ।তিনি গাছ থেকে পড়ে বিকলাঙ্গ হয়ে যায়।আমি বড় সন্তান হওয়াতে আমাকে সংসারে হাল ধরতে হয় ।আমাকে অনেক কিছুর সম্মুখীন হতে হয়েছে ।আমি ছোট থেকেই অনেক পরিশ্রম করেছি ।রাস্তার পাশে সবজি লাগিয়েছি, ধান চাষ করেছি ।আমার নিজের একটা বোন ছিলো তাকে বিবাহ দিয়েছি ।নিজে এইসএসসি পাশ করেছি ।তারপর হঠাৎ করে স্বপ্ন জাগলো সরকারি চাকরি করবো ,সেজন্য টাকা পয়সা দিয়ে আমি প্রতারিত হয়েছি ।পরে ঢাকায় গিয়ে বায়িং হাউজে চাকরি নেই ।কিন্তু সেখানে থেকে যে টাকা পয়সা পেতাম তা দিয়ে আমার চলতোনা ।মাঝখানে খুবই টানাটানি চলছে আমার ।একসময় পকেটে টাকাও ছিলোনা।পরে আমি আমার স্ত্রীকে নিয়ে দেশে চলে আসি ।ছোট বেলা থেকে অভিজ্ঞতা ছিলো যে কৃষি কাজ করলে মোটামুটি কায়দায় চলা যায় ।প্রথমে ২ শতাংশ জায়গা নিয়ে কাজ শুরু করলাম ।শুরু করার পরে মোটামুটি ভালোই সাফল্য পেলাম । পরবর্তীতে পার্শ্ববর্তী আমার এক চাচা জসিম খান ১২০ শতাংশ জমি আমকে লেজ হিসেবে দিয়েছে ।সেখানে আমি এখন চাষাবাদ করি । আলহামদুলিল্লাহ্ আমরা এখন খুব ভালো আছি ।প্রতি সপ্তাহে আমার এখন ২০-২৫ হাজার টাকা আয় হয় । এভারেজ করলে মাসে ৫০ হাজার টাকা আয় হয়।

বাজার সিন্ডিকেট নিয়ে মহিউদ্দিন টিপু বলেন,বাজারে মাল বিক্রি করতে গেলে আমাদের সিন্ডিকেটের শিকার হতে হয়।বাজারে অনেক পাইকার থাকে তাদের মধ্য একজন একটা দাম বললে অন্য কেউ আর দাম বলেনা।আমাদের বাধ্য হয়ে অল্প মূল্য মাল বিক্রি করে দিতে হয়।এটা একটা সিন্ডিকেট ।তখন তারা এটা অল্প দামে নিয়ে বেশি দামে বিক্রি করে। সরকার যদি এটাকে গুরুত্ব সহকারে দেখে তাহলে আমরা কৃষকরা ভালো বাজার দর পাবো ।

মহিউদ্দিন টিপুর স্ত্রী ফাতেমা বেগম বলেন, যখন আমরা প্রথম করলা চাষ করি তখন আমাদের জায়গার পরিমাণ খুবই কম ছিলো ।তখন আমাদের কাছে পুঁজিও ছিলোনা ।তখন আমি টিউশনি করতাম ও সেলাই মেশিনে কাজ করতাম ।তা দিয়ে যা আয় হতে সেই টাকা করলার বীজ ,সারের ও ওষুধের জন্য দিতাম।সেলাই মেশিনের কাজ করে ও টেউশনি করার টাকা দিয়ে সংসারও চালাইতাম ।এখন আল্লাহ্ রহমতে আমরা ভালো আছি ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. মিলন বলেন,বাউফলের একজন উদ্যোক্তা কৃষক মহিউদ্দিন ।তিনি বগা ইউনিয়নের কৃষক । বাউফল উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় মহিউদ্দিন করলা চাষ শুরু করেন । আমরা ৫০ শতক জমির জন্য তাকে বিভিন্ন ধরনের সার এবং উন্নতমানের করলা বীজ দিয়েছি ।তার সাথে সাথে আমরা স্প্রে মেশিন ,জাজরি এবং মালচিং দিয়েছি ।মালচিং ব্যবহার করে সে আধুনিক পদ্ধতিতে করলা চাষ শুরু করে এখন ৫০ শতক জমি থেকে ৩ লাখ টাকার করলা বিক্রি করে ।তার নিজের কিছু খরচ ও আমাদের উপকরণের খরচটা বাদ দিলে ৫০ শতক জমি থেকে ২ লাখ টাকা অধিক মুনাফা করেছে ।তার দেখাদেখি পার্শ্ববর্তী কৃষকরা করলা ও অন্যান্য উচ্চ মূল্যের সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হয়েছে ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর তারাগঞ্জ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির তদন্ত শুরু

‎‎তারাগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি:‎ রংপুরের তারাগঞ্জে দুর্নীতির অভিযোগে পত্রিকায় খবর প্রকাশের পর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ কেএম ইফতেখারুল ইসলামের বিরুদ্ধে গতকাল মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে। প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত কর্মকর্তা বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জড়িত থাকার অভিযোগে ‘তারাগঞ্জ প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ’ গত ১৭ মার্চ সংবাদের শিরোনাম হন।
‎প্রতিবেদনে বলা হয়,প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আওতাধীন এলডিডিপি কতৃক তারাগঞ্জ উপজেলায় গঠিত ১৫ টি প্রডিউসার গ্রুপ (পিজি) এর জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি মাসের নিয়মিত সভার কাজের ব্যয়নির্বাহের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয় ৯৬ হাজার টাকা। গত জানুয়ারি মাসের দুটি সভা অনুষ্ঠিত হয় জানুয়ারি ২৩ ফেব্রুয়ারি ০৪ তারিখে। সেই সাথে রেজিস্ট্রার অনুযায়ী ফেব্রুয়ারি মাসের বরাদ্দ দুটি নিয়মিত সভা হয় ফেব্রুয়ারি ১৫ ও ২৪ তারিখে। চারটি সভা অনুষ্ঠিত হলেও পিজি সদস্যরা নাস্তা পেয়েছে দুটিতে। ফেব্রুয়ারি মাসের স্বাক্ষর পিজি রেজিস্ট্রার খাতায় নেয়া থাকলেও, পিজির দ্বায়িত্বে থাকা এলএসপিরা পিজি গ্রুপের সভাপতি-সম্পাদকসহ সদস্যদের একটি ইউএলও স্বাক্ষরিত চিঠিতে স্বাক্ষর করার জন্য যোগাযোগ করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে পিজি গ্রুপের সদস্যদের মাঝে।
‎ এছাড়াও উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের প্রধান ফটকের সামনে থাকা মেহগনি গাছ ও ভবনের পেছনে থাকা কাঁঠাল, জাম্বুরা ও আমগাছ সরকারি বিধি লঙ্ঘন করে কাটা হয়েছে। অফিস চত্বরে আগের কর্তনকৃত সংরক্ষিত কাঠের গোলাই, অবৈধভাবে কাটা গাছ ও ডালপালাগুলো কোনো ধরনের নিলাম ছাড়াই বিক্রি করেছেন এই প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা। যার আনুমানিক বাজার মূল্য লক্ষাধিক টাকা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
‎  খবর প্রকাশ পাওয়ার পর জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডেপুটি চিপ ইপিডিমিওলজিস্ট ডাঃ রফিকুল আলম তার নেতৃত্বে নীলফামারী  জেলা প্রাণিসম্পদের জেলা ট্রেইনিং অফিসার রাশেদুল হক ও রংপুর জেলা ট্রেইনিং অফিসার মোস্তাফিজার রহমান এ তদন্ত চলছে।
‎রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ডেপুটি চিপ ইপিডিমিওলজিস্ট ডাঃ রফিকুল আলম জানান, “সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
‎এদিকে পিজি গ্রুপের সদস্য, ডেইরি এন্ড ফ্যাটেনিং অ্যাসোসিয়েশন ও স্থানীয় খামারিরা অভিযোগ করেছেন, দীর্ঘদিন ধরেই তারা এই কর্মকর্তার দুর্নীতির শিকার হচ্ছেন। তাদের দাবি, দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা হোক। আর যদি তদন্তকারী কর্মকর্তাগণ পক্ষপাতিত্ব মূলক প্রতিবেদন দেয়। তাহলে আগামীতে কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ জন সেনাসদস্য নেবে কাতার!

আলোকিত ডেস্ক: কাতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব পালনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ থেকে ৭২৫ সেনাসদস্য নেবে বলে জানিয়েছে। আগামী দুই মাসের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে এই সেনাসদস্য নেওয়া শুরু হবে।

মঙ্গলবার (২২ এপ্রিল) কাতারের দোহায় প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

আর্থনা শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল বর্তমানে দোহা সফরে রয়েছে।

প্রেস সচিব বলেন, কুয়েতে দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের সেনাসদস্যরা কর্মরত রয়েছেন। একইভাবে কাতারও বাংলাদেশ থেকে নিয়মিতভাবে সেনাসদস্য নিতে চায়। প্রতি তিন বছর পরপর ৭২৫ জন করে সেনাসদস্য নেওয়া হবে, তবে আমরা এই সংখ্যাটা বাড়ানোর চেষ্টা করছি এখন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ভারতের কাশ্মিরে পর্যটকদের ওপর হামলায় ৫ জন নিহত

ভারত-নিয়ন্ত্রিত জম্মু-কাশ্মিরের একদল পর্যটকের ওপর হামলা চালিয়েছে সশস্ত্র বন্দুকধারীরা। এই হামলায় সেখানে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকালের দিকে বন্দুকধারীদের হামলায় প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটেছে বলে কাশ্মিরের জ্যেষ্ঠ এক রাজনীতিক জানিয়েছেন। জম্মু-কাশ্মিরের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী এবং পিপলস ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রধান মেহবুবা মুফতি বলেছেন, ‘‘পেহেলগামে পর্যটকদের ওপর কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যেখানে দুর্ভাগ্যজনকভাবে পাঁচজন নিহত ও কয়েকজন আহত হয়েছেন।’’

কোনও গোষ্ঠী এই হামলার দায় এখন পর্যন্ত স্বীকার করেনি। তবে মুসলিম-সংখ্যাগরিষ্ঠ ওই অঞ্চলে ১৯৮৯ সাল থেকে বিদ্রোহীরা সশস্ত্র আন্দোলন চালিয়ে আসছে। তারা কাশ্মিরের স্বাধীনতা অথবা পাকিস্তানের সঙ্গে একীভূত হওয়ার দাবিতে আন্দোলন করছে। যদিও পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মিরের আয়তন ভারত-শাসিত কাশ্মিরের তুলনায় ছোট। ভারতের মতো পাকিস্তানও পুরো কাশ্মিরকে নিজেদের বলে দাবি করে।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির রাজনৈতিক দল ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নেতা রবীন্দ্রর রাইনা দেশটির সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘‘এই কাপুরুষোচিত সন্ত্রাসীরা নিরীহ পর্যটকদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে; যারা কাশ্মির ভ্রমণের জন্য এসেছিলেন।’’

‘‘হামলায় গুরুতর আহত কয়েকজন পর্যটককে উদ্ধারের পর স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’’

দেশটির সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত বছর প্রায় ৩৫ লাখ পর্যটক কাশ্মিরে গিয়েছিলেন। তাদের বেশিরভাগেই ভারতীয় পর্যটক।

২০২৩ সালে কাশ্মিরের শ্রীনগরে জি-২০ জোটের সদস্য দেশগুলোকে নিয়ে পর্যটন সম্মেলনের আয়োজন করেছিল ভারত। কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে কাশ্মিরে স্বাভাবিক পরিস্থিতি এবং শান্তি ফিরিয়ে আনতে সরকার চেষ্টা করছে, সেই বার্তা দেওয়াই ছিল সম্মেলনের লক্ষ্য। নরেন্দ্র মোদির সরকার ২০১৯ সালে ভারত নিয়ন্ত্রিত এই ভূখণ্ডের স্বায়ত্তশাসন বাতিলের পর থেকে সেখানে বড় ধরনের দমন-পীড়ন শুরু হয়।

কাশ্মিরে স্থায়ীভাবে প্রায় পাঁচ লাখ সৈন্য মোতায়েন করে রেখেছে ভারত। দেশটি প্রায়ই কাশ্মিরের সশস্ত্র বিদ্রোহীদের পাকিস্তান মদদ দিচ্ছে বলে অভিযোগ করছে। তবে ইসলামাবাদ এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছে, তারা কেবল কাশ্মিরের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারের লড়াইয়ে নৈতিকভাবে সমর্থন দেয়।

সূত্র: এএফপি।

আলোকিত প্রতিদিন/২২ এপ্রিল ২০২৫/মওম

১১২ রানের লিড নিয়ে আলোক স্বল্পতায় শেষ করলো বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক

সিলেট টেস্টে অনেকটাই ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৯১ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল টাইগাররা। জবাবে ২৭৩ রানে অলআউট হয় জিম্বাবুয়ে। ফলে প্রথম ইনিংসেই ৮২ রানে পিছিয়ে পড়ে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

তবে দ্বিতীয় ইনিংসে ঘুরে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। আলোক স্বল্পতায় তৃতীয় দিনের খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৪ উইকেটে ১৯৪ রান তুলেছে স্বাগতিকরা। এখন পর্যন্ত লিড ১১২ রানের। শেষ বিকেলে দলকে ভরসা দিয়েছেন অধিনায়ক শান্ত আর জাকের আলী। ১৫.২ ওভার ব্যাটিং করে এখন পর্যন্ত তারা অবিচ্ছিন্ন আছেন ৩৯ রানে।

এরই মধ্যে ক্যারিয়ারের পঞ্চম ফিফটি তুলে নিয়েছেন শান্ত। ১০৩ বলে ৭ বাউন্ডারিতে ৬০ রানে অপরাজিত আছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক। ৬০ বলে ৩ বাউন্ডারিতে জাকের অপরাজিত ২১ রানে। ১ উইকেটে ৫৭ রান নিয়ে তৃতীয় দিনে খেলতে নামে বাংলাদেশ। দিনের খেলা সময়মতো শুরু করা যায়নি বৃষ্টির কারণে। সকাল থেকেই হয়েছিল গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। সিলেটের আকাশের অবস্থা দেখে পুরো দিনের খেলাই ভেস্তে যাওয়ার আশঙ্কা করেছিলেন কেউ কেউ। কিন্তু না। প্রায় দুই ঘণ্টা পর হলেও অবশেষে বৃষ্টি থামে। এরপর দুপুর ১টায় খেলা শুরু হয়।

খেলা শুরুর কিছুক্ষণ পরই উইকেট বিলিয়ে দিয়েছেন জয়। দিনের সপ্তম ওভারে জিম্বাবুয়ে পেসার ব্লেসিং মুজারাবানির বলে প্রথম স্লিপে ক্রেইগ আরভিনের হাতে ধরা পড়েন তিনি। ৬৫ বলে ৩৩ রান করে সাজঘরে ফেরেন ২৪ বছর বয়সী ব্যাটার।

তৃতীয় উইকেটে দেখেশুনে খেলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিচ্ছিলেন মুমিনুল হক এবং নাজমুল হোসেন শান্ত। ৬৫ রানের জুটিও করে ফেলেছিলেন। কিন্তু ৩৫তম ওভারের শেষ বলে জিম্বাবুয়েকে ব্রেকথ্রু এনে দেন ভিক্টর নুয়াসি। বাঁহাতি মুমিনুলকে উইকেটরক্ষক নায়াশা মায়ভোর হাতের ক্যাচ বানান তিনি।

৮৪ বলে ৪৭ রান করে সাজঘরে ফেরত যান মুুমিনুল। প্রথম ইনিংসে ফিফটি করলেও এবার আউট হন মাত্র ৩ রান দূরে। দলীয় ১৩৮ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় বাংলাদেশ।

দলীয় স্কোরকার্ডে ১৭ রান যোগ হতেই সাজঘরে ফেরত যান অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিমও। ২০ বলে ৪ রান করে ব্লেসিং মুজারাবানির বলে প্রথম স্লিপে ক্রেইগ আরভিনের হাতে ক্যাচ হন তিনি। মুশফিকের আউটের পরপরই পড়ে চা বিরতির ঘণ্টা।

আলোকিত প্রতিদিন/২২ এপ্রিল ২০২৫/মওম

সিরাজগঞ্জে ১৪৭ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন আটক

ওয়াসিম সেখ:
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় মাদক বিরোধী অভিযানে ১৪৭ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ ২ জন মাদক কারবারীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন র‍্যাব-১২’র সদস্যরা।
২২ এপ্রিল মঙ্গলবার সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ র‍্যাব-১২ সদর কোম্পানীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার দীপংকর ঘোষ লিখিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় গত ২১ এপ্রিল সোমবার রাত ৮ টা ৩৫ মিনিটের সময় উল্লাপাড়া থানার চরমোহনপুর গ্রামের (দাসপাড়া) একটি বসত ঘরে মাদক মাদক বিরোধী অভিযান চালিয়ে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তাদের দুজনকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছে থাকা মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ক্রয়-বিক্রয় কাজে ব্যবহৃত ২টি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন- সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার চরমোহনপুর (দাসপাড়া) গ্রামের পর্বত প্রামানিকের ছেলে মোঃ আলামিন (৩৮) এবং কয়রা হোরপাড়া গ্রামের মোঃ খবির উদ্দিনের ছেলে মোঃ হাফিজুর রহমান (২১)।
র‍্যাব-১২ এর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, আসামিদ্বয় দীর্ঘদিন যাবৎ লোকচক্ষুর আড়ালে মাদকদ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট নিজ হেফাজতে রেখে পরস্পর যোগসাজশে উল্লাপাড়া থানা এবং সিরাজগঞ্জ জেলাসহ আশপাশের এলাকায় ক্রয়-বিক্রয় করে আসছে।
পরে গ্রেফতারকৃত আসামিদ্বয়ের বিরুদ্ধে উল্লাপাড়া থানায় ২০১৮ সালের মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২২ এপ্রিল ২০২৫/মওম

নবীনগরে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে প্রাণ গেল শিশুর

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর পৌরসভার ৮ নং ওয়ার্ডের ভোলাচং বাজারে আজ (২১/৪) বিকালে  মালবাহী ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ০৬ বছরের নন্দিতা ঋষি নামে এক শিশুর ঘটনা স্থালে মৃত্যু  হয়।
প্রত্যক্ষদর্শী ও থানা সূত্রে জানা গেছে -নন্দিতা ঋষি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার অমর ঋষির মেয়ে। বৈশাখী মেলা উপলক্ষে নন্দিতা ঋষি তার মাসির বাড়ি ভোলাচংয়ে বেড়াতে আসে। সে তার মাসির সঙ্গে নবীনগর কোম্পানীগঞ্জ সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে ভোলাচংয়ে বৈশাখী মেলা উপভোগ করছেন । নবীনগরগামী একটি মালবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে নন্দিতা ঋষিকে ধাক্কা দিলে সে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলে নিহত হয়েছেন। ঘাতক ট্রাক ড্রাইভার ট্রাক রেখে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে নবীনগর থানার পুলিশ ঘটনা স্থলে এসে ট্রাকটিকে তাঁদের হেফাজতে নিয়ে যায়।
নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান – নন্দিতা ট্রাক চাপায় ঘটনা স্থলেই মারা গেছে। ঘটনাস্থল থেকে ঘাতক ট্রাকটিকে আমাদের হেফাজতে নিয়ে এসেছি, এই ঘটনায় মামলা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২২ এপ্রিল ২০২৫/মওম

কসবায় পুলিশের অভিযানে ৮০ কেজি গাঁজা উদ্ধার

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানা এলাকায় মাদক বিরোধী এক বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৮০ (আশি) কেজি গাঁজা উদ্ধার করেছে পুলিশ। পুলিশ এবং মিডিয়া উইংসের তথ্যমতে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ কসবা থানার কায়েমপুর ইউনিয়নের কালতা (নাখাউড়া) এলাকার ফজলু মিয়ার বসত বাড়ীর দক্ষিণ পাশে বাউন্ডারী ওয়াল সংলগ্ন কাচা রাস্তার উপর ২২ এপ্রিল মঙ্গলবার রাত ১২ঃ৩০ মিনিটের দিকে অভিযান চালালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক কারবারী মোঃ গিয়াস উদ্দিন (৩২) পিতা- মনু মিয়া, গ্রাম- দীঘির পাড় ইউপি-কায়েমপুর, থানা-কসবা, জেলা-ব্রাহ্মণবাড়িয়া পাতলা প্লাস্টিকের বস্তায় মোড়ানো উদ্ধারকৃত বিপুল পরিমান মাদক (গাঁজা) ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যায়। পরে পুলিশ গিয়ে উদ্ধারকৃত গাঁজা সমূলে জব্দ করে।
এ ব্যাপারে কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল কাদের জানান, মাদকের বিরুদ্ধে আমাদের অবস্থান জিরো টলারেন্স। উদ্ধারকৃত মাদক জব্দ করে নিয়মিত আইনে মাদক কারবারীর বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়েছে। আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২২ এপ্রিল ২০২৫/মওম