আজ , ।   
Home Blog Page 533

পাকিস্তানে সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে ভারত : নিউইয়র্ক টাইমস

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

জম্মু ও কাশ্মিরের পেহেলগামে সাম্প্রতিক সন্ত্রাসী হামলার পর ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে উত্তেজনা কার্যত চরমে পৌঁছেছে এবং এই উত্তেজনা সামরিক সংঘাতে রূপ নেওয়ার আশঙ্কাও বাড়ছে। যুক্তরাষ্ট্রসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ উত্তেজনা নিরসনসহ সংকট সমাধানের আহ্বান জানিয়েছে।

তবে ভারত এখন সংঘাত এড়াতে নয় বরং পাকিস্তানে সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে — এমনটাই জানিয়েছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস।

২৭ এপ্রিল রবিবার প্রকাশিত সংবাদমাধ্যমটির এক প্রতিবেদনে বলা হয়, কাশ্মিরে হামলার পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ইতোমধ্যে বিশ্বের এক ডজনেরও বেশি দেশের নেতাদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন। পাশাপাশি দিল্লিতে অবস্থিত শতাধিক কূটনৈতিক মিশনের কর্মকর্তাদের সঙ্গেও ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিয়মিত আলোচনা চালাচ্ছে।

তবে ভারতের এই প্রচেষ্টা মূলত আন্তর্জাতিক সহায়তা চাইতে নয়, বরং (পাকিস্তানে) সামরিক অভিযানের যৌক্তিকতা তুলে ধরতে চালানো হচ্ছে বলে জানিয়েছেন চারজন কূটনৈতিক কর্মকর্তা। এর আগে গত বৃহস্পতিবার এক ভাষণে মোদি সরাসরি পাকিস্তানের নাম না নিলেও “সন্ত্রাসী আস্তানাগুলো ধ্বংস করার” এবং “কঠোর শাস্তি” দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

এদিকে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় টানা কয়েক রাত ধরে ছোট অস্ত্র দিয়ে গোলাগুলি হয়েছে বলে ভারতীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। কেউ বলেছেন— গত তিন রাত ধরেই গোলাগুলি হয়েছে, আবার কেউ বলেছেন— গত তিন রাতের মধ্যে দু’রাতে গোলাগুলি হয়েছে।

অন্যদিকে কাশ্মিরে নিরাপত্তা বাহিনী ব্যাপক ধরপাকড় শুরু করেছে এবং সন্ত্রাসী হামলার সাথে জড়িতদের সন্ধানে অভিযান চালাচ্ছে। সেখানে শত শত মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাকিস্তানের দিকে বয়ে যাওয়া নদীগুলোর পানিপ্রবাহ বন্ধ করার ঘোষণা দেয় ভারত। সেই সঙ্গে পাকিস্তানি দূতাবাসের কিছু কর্মী এবং ভারতে সফররত পাকিস্তানি নাগরিকদের দেশত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

পাকিস্তানও পাল্টা প্রতিক্রিয়া হিসেবে ভারতের সাথে দ্বিপক্ষীয় চুক্তিগুলো — বিশেষ করে কাশ্মির সীমান্তে নিয়ন্ত্রণ রেখায় (এলওসি) যুদ্ধবিরতির চুক্তি -স্থগিতের ঘোষণা দিয়েছে।

এই প্রেক্ষাপটে ভারতে মুসলিম বিরোধী মনোভাবও বাড়ছে। কাশ্মিরের বাইরে অন্য শহরগুলোতে পড়াশোনা করা কাশ্মিরি শিক্ষার্থীরা ব্যাপক হয়রানির মুখে পড়ছেন এবং অনেকেই বাধ্য হয়ে বাড়ি ফিরে আসছেন।

এদিকে হামলার পাঁচ দিন পরও ভারত সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর নাম ঘোষণা করেনি এবং হামলার সঙ্গে পাকিস্তানের জড়িত থাকার পক্ষে খুব কম প্রমাণ প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে পাকিস্তান সরকার এই হামলায় নিজেদের জড়িত থাকার অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছে।

মূলত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনৈতিক ব্রিফিংয়ে ভারতীয় কর্মকর্তারা পাকিস্তানের অতীতের সন্ত্রাসবাদে সহায়তার ইতিহাস তুলে ধরেছেন। তারা জানান, সর্বশেষ এই হামলার ঘটনায় তদন্ত চলছে এবং হামলাকারীদের পাকিস্তানের সঙ্গে সংযোগ রয়েছে এমন কিছু প্রযুক্তিগত প্রমাণ পাওয়া গেছে।

বিশ্লেষক ও কূটনীতিকদের মতে, এখন পর্যন্ত শক্ত প্রমাণের অভাব দুটি সম্ভাবনার ইঙ্গিত দেয়: হয় ভারত আরও তথ্য সংগ্রহের জন্য সময় নিচ্ছে, নয়তো বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে তারা মনে করছে— আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে বিস্তারিত ব্যাখ্যা না দিয়েই পদক্ষেপ নেওয়া যাবে।

অবশ্য ভারত এবং পাকিস্তান — উভয়েই পরমাণু শক্তিধর দেশ হওয়ায় সামরিক সংঘাত দ্রুত বড় ধরনের বিপর্যয়ে রূপ নিতে পারে। তবে বর্তমানে ভারতের কূটনৈতিক এবং অর্থনৈতিক শক্তি বৃদ্ধি পাওয়ায় আন্তর্জাতিক চাপের “তোয়াক্কা অনেক কম”।

ইরান এবং সৌদি আরব দুই পক্ষের সাথে যোগাযোগ করেছে এবং ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছেন। জাতিসংঘ ও ইউরোপীয় ইউনিয়ন উভয়েই সংযম ও সংলাপের আহ্বান জানিয়েছে। তবে যুক্তরাষ্ট্রসহ বড় শক্তিগুলো এখন অন্য সংকট নিয়ে ব্যস্ত, ফলে ভারত অনেক দেশ থেকে “সমর্থন” পাওয়াকে কার্যত তার ইচ্ছামতো ব্যবস্থা নেওয়ার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছে।

যুক্তরাষ্ট্র প্রকাশ্যে ভারতের সন্ত্রাসবিরোধী লড়াইয়ের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, তিনি ভারত এবং পাকিস্তান উভয়ের বন্ধু হলেও দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বিরোধ রয়েছে।

তবে যুক্তরাষ্ট্র বর্তমান পরিস্থিতিতে কতটা সক্রিয়ভাবে ভূমিকা রাখবে, তা স্পষ্ট নয়। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদের প্রথম তিন মাস পার হয়ে গেলেও এখনও ভারতে কোনও মার্কিন রাষ্ট্রদূত নিয়োগ দেওয়া হয়নি। আর এটি দক্ষিণ এশিয়াকে ট্রাম্প প্রশাসনের অগ্রাধিকারের তালিকায় নিচে থাকার ইঙ্গিত দেয়।

এমনকি যদি যুক্তরাষ্ট্র বা অন্যান্য শক্তিধর দেশ এই সংঘাতে নিজেদের ঢুকিয়ে দেওয়ারও চেষ্টা করে, তবুও তাদের প্রভাব সীমিত থাকতে পারে। কারণ ভারত ও পাকিস্তান ইতোমধ্যেই কাশ্মির নিয়ে বেশ কয়েকটি যুদ্ধ করেছে। উভয় দেশই কাশ্মিরের সম্পূর্ণ অংশ দাবি করলেও তারা কার্যত একটি অংশ শাসন করে এবং নয়াদিল্লি এই বিরোধটিকে কেবল পাকিস্তানের সাথে দ্বিপাক্ষিক সমস্যা হিসাবে দাবি করে থাকে।

মূলত ২০১৯ সালে হওয়া কাশ্মিরের আগের বড় সংঘাতের সময়ের মতোই এবারের হামলা নিয়েও যুক্তরাষ্ট্রের প্রথমিক প্রতিক্রিয়া একই রকম। তখন অবশ্য জইশ-ই-মুহাম্মদ নামের পাকিস্তানভিত্তিক সন্ত্রাসী সংগঠনের জড়িত থাকার বিষয়টি স্পষ্ট ছিল।

ভারতীয় বিমান ধ্বংস ও পাইলট আটকের সেই ঘটনা উদযাপন করছে পাকিস্তান

সে সময় ভারত সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে বিমান হামলা চালায় এবং পরে পাকিস্তান পাল্টা হামলা চালিয়ে একটি ভারতীয় যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করে। পরে পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী ভারতীয় ওই পাইলটকে আটক করে।

এবার ভারত “বড় ধরনের কিছু” করার পরিকল্পনা করছে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। তবে পাকিস্তানও পাল্টা জবাব দেওয়ার হুমকি দিয়ে রেখেছে। পাকিস্তানও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে, ভারতের যেকোনও আক্রমণের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে তার চেয়ে বড় আঘাত হানবে তারা।

বিশ্লেষক ড্যানিয়েল মার্কির মতে, উভয় পক্ষই নিজেদের সংকট সামলানোর সক্ষমতা অতিরঞ্জিত করে দেখছে, ফলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।

এছাড়া, ২০১৯ সালের ঘটনার তুলনায় এবার হামলাকারী দলের পরিচয় ও সংখ্যা নিয়েও যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। “রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট” নামে কার্যত এক অজ্ঞাত গোষ্ঠী হামলার দায় স্বীকার করেছে। তবে ভারতীয় কর্মকর্তাদের অনানুষ্ঠানিক দাবি, এটি আসলে পাকিস্তানভিত্তিক লস্কর-ই-তৈয়বার ছায়া সংগঠন।

ভারতের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা শিব শঙ্কর মেনন জানিয়েছেন, মোদি সরকারের জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই, কারণ ২০১৬ এবং ২০১৯ সালে কাশ্মিরে সন্ত্রাসী হামলার পর পাকিস্তানে বিমান হামলা চালিয়েছিল ভারত। মোদি সরকার একণ চাপের মধ্যে রয়েছে, কারণ তারা কাশ্মিরকে সম্প্রতি আরও নিরাপদ এবং পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় একটি জায়গা হিসেবে উপস্থাপন করছিল, অথচ সেখানে বড় ধরনের নিরাপত্তা ত্রুটি দেখা দিয়েছে।

তবে মেনন বলেন, “আমি খুব একটা চিন্তিত নই কারণ, উভয় পক্ষই সংঘাতের একটি নিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকতে পছন্দ করে।”

এখন পর্যন্ত পরিষ্কার প্রমাণ সামনে না এনেই ভারত পাকিস্তানের অতীতের “সন্ত্রাসবাদে জড়িত থাকার” ইতিহাস তুলে ধরে সামরিক পদক্ষেপের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে অনেক কূটনীতিক একে ঝুঁকিপূর্ণ মনে করছেন।

একজন কূটনীতিক পর্যন্ত মন্তব্য করেছেন, “কেবল অতীতের রেকর্ডের ওপর নির্ভর করে কি আপনি পরমাণু অস্ত্রধারী প্রতিবেশীর সঙ্গে যুদ্ধ শুরু করবেন?”

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ এপ্রিল ২০২৫/মওম

 

নির্বাচিত সরকার যেকোন অনির্বাচিত সরকারের চেয়ে বেশি শক্তিশালী : টুকু

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৫ এর চেয়ারম্যান সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন- একেক রাজনৈতিক দল তাদের ভিন্ন ভিন্ন মতামত প্রকাশ করতে পারেন। কিন্তু এই মূহুর্তে বাংলাদেশের মানুষ যেহেতু ১৪, ১৮ এবং ২০২৪ সালে ভোট দিতে পারেনি। প্রায় তিন কোটি ৬০ লক্ষ ভোটার, ভোটার হওয়ার সত্ত্বেও বিগত তিনটি নির্বাচনে ভোট দান থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। মানুষ চায় একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন, জাতীয় নির্বাচন। মানুষ তার নাগরিক অধিকার প্রতিষ্ঠিত করতে চায়। তার পছন্দমত সরকার চায়। একটি রাজনৈতিক সরকার, একটি নির্বাচিত সরকার যেকোন অনির্বাচিত সরকারের চেয়েও অনেক বেশি শক্তিশালী। কারন জনগণের অংশগ্রহণ থাকে তার পিছনে। কাজেই আমরা মনে করি এই মূহুর্তে বাংলাদেশ জাতীয় নির্বাচন সবার আগে প্রয়োজন।
২৭ এপ্রিল রবিবার দুপুরে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের অডিটোরিয়ামে বিবেকানন্দ ফুটবল চ্যাম্পিয়নশিপ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় বিবেকানন্দ হাই স্কুল এন্ড কলেজের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষার্থীসহ ফুটবল চ্যাম্পীয়নশিপ কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ, ১৯৩০ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি শুরুর পর থেকে শিক্ষা ও ক্রীড়ায় ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে সুনাম অর্জন করেছে। এরইধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালে শুরু হওয়া এই প্রতিযোগিতা এবারও অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহার পর। আগামী  ১২ জুন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ভিএফসি-২৫ এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হবে। ঈদুল আজহার পরবর্তী ৩ দিনব্যাপী এই মহারণে ফুটবলের আবহে মেতে উঠবে টাঙ্গাইলবাসী।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

ভারতের দিকে তাক করে রাখা, পাকিস্তানের ১৩০ পারমাণবিক বোমা

আলোকিত ডেস্ক : কাশ্মীরের পহেলগামে সশস্ত্র গোষ্ঠীর ভয়াবহ হামলার পর ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কের উত্তেজনা ক্রমেই বেড়ে চলেছে। সীমান্তে প্রতিদিন গোলাগুলির ঘটনা ঘটছে, বাড়ছে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা। এর মধ্যেই পাকিস্তানের রেলমন্ত্রী হানিফ আব্বাসী ভারতে পরমাণু হামলার হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন।

রোববার (২৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ তথ্য জানিয়েছে আজ।

শনিবার এক অনুষ্ঠানে হানিফ আব্বাসী বলেন, “শুধুমাত্র ভারতের জন্য ১৩০টি পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রাখা হয়েছে। ঘৌরি, শাহিন এবং গজনবির মতো অত্যাধুনিক মিসাইলও প্রস্তুত আছে।” ভারতের প্রতি কঠোর সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “তারা যদি সিন্ধু নদীর পানি বন্ধ করার চেষ্টা করে, তাহলে সর্বাত্মক যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, “আমরা মিলিটারি সরঞ্জাম ও মিসাইল শুধু প্রদর্শনের জন্য রাখিনি। পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্রও প্রস্তুত রাখা হয়েছে। কোথায় রাখা আছে তা কেউ জানে না, তবে এটুকু নিশ্চিত – এগুলো ভারতের দিকেই তাক করে রয়েছে বলে তিনি জানান।

পাকিস্তানের আকাশসীমা ভারতীয় বিমানের জন্য বন্ধ করার সিদ্ধান্তের প্রসঙ্গ টেনে হানিফ আব্বাসী বলেন, “নয়া দিল্লি এখন বুঝতে শুরু করেছে তাদের কর্মকাণ্ডের কঠোর পরিণতি কী হতে পারে। যদি এই পরিস্থিতি ১০ দিন চলতে থাকে, তাহলে ভারতের এয়ারলাইন্সগুলো দেউলিয়া হয়ে যাবে।”

পহেলগাম হামলার জন্য ভারতের নিরাপত্তা ব্যবস্থার ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন তিনি। তাঁর ভাষায়, “ভারত কিছু ঘটলেই অকারণে পাকিস্তানকে দোষারোপ করে।”

ভারতীয় অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে পাকিস্তানও পাল্টা ব্যবস্থা নিয়েছে। ইসলামাবাদ ইতিমধ্যে সিমলা চুক্তি স্থগিত করেছে এবং পাকিস্তানের আকাশসীমা দিয়ে ভারতের বিমান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। পাশাপাশি সিন্ধু নদীর পানি বন্ধ করা হলে যুদ্ধের হুঁশিয়ারিও দিয়েছে পাকিস্তান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জের কুশেরচরে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর মানববন্ধন

মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জের কালিঙ্গা নদীর কুশেরচর খেয়াঘাটে ব্রীজের দাবিতে মানববন্ধন করেছে ইসমাইল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয় এবং স্থানীয় এলাকাবাসী। ২৭ এপ্রিল রবিবার সকালে কুশেরচর এলাকায় ঘন্টাব্যাপী এই মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার হাজারোও মানুষ। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট আইনজীবী এটিএম শাহজাহান, জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক রফিক উদ্দিন ভূইয়া হাবু, জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক মাসুদ পারভেজ, পৌর বিএনপির ৯নং ওয়ার্ডের সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক, সাধারন সম্পাদক ও পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক এ্যাড: মুরাদ হোসেন, ইশমাইল হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিজানুর রহমান, পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিল আবু মো: নাহিদ, কুশেরচর ইউনাইটেড ক্লাবের সভাপতি মো: জুয়েল রানা, সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান সহ অনেকে। মানববন্ধনে বক্তারা পৌরসভার অবহেলিত কুশেরচর সহ কয়ক গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে দীর্ঘদিনের দাবী এই খেয়াঘাটে ব্রীজ নির্মানের দাবী জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

উত্তরের ৪ টিসহ ৭টি পরিত্যক্ত বিমানবন্দর চালু হতে যাচ্ছে

আলােকিত ডেস্ক:

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) বাংলাদেশের সাতটি পরিত্যক্ত বিমানবন্দর পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নিয়েছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের পর্যটন শিল্পের বিকাশ, যাত্রী পরিবহন সেবার উন্নয়ন এবং অথনীতির চাকা আরও সচল হবে বলে মনে করছে বেবিচক।

বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মো.মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া একটি বেসরকারি গণমাধ্যমকে বলেন, পরিত্যক্ত বিমানবন্দরগুলো পর্যায়ক্রমে সচল করা হবে। তবে অবকাঠামো নির্মাণ, সংস্কার এবং আনুষঙ্গিক প্রস্তুতি যেখানে আগে শেষ হবে, সেগুলো আগে সচল হবে। সবার আগে চালু হবে বগুড়া বিমানবন্দর। আসছে জুনে সব প্রস্তুতি শেষ হলেই সেখানে বিমান চলবে। যদিও বাণিজ্যিকভাবে বিমান পরিচালনার জন্য কিছুটা সময় লাগবে। বেবিচকের চেয়ারম্যান আশা করছেন, এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে বিমানবন্দরগুলো সচল হলে বাণিজ্যিকভাবে বিমান পরিচালনা করা যাবে।

পরিত্যক্ত বিমানবন্দর সাতটি হলো— বগুড়া, লালমনিরহাট, ঈশ্বরদী(পাবনা), ঠাকুরগাঁও, শমসেরনগর (সিলেট), কুমিল্লা এবং তেজগাঁও(ঢাকা)। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গেই রয়েছে চারটি। যথা- বগুড়া, লালমনিরহাট, ঈশ্বরদী(পাবনা) এবং ঠাকুরগাঁও। সাতটির মধ্যে লালমনিরহাট ও মৌলভীবাজারের শমসেরনগর বিমানবন্দর চালুর বিষয়ে কারিগরি পরিদর্শন করেছে বেবিচকের একটি চার সদস্যের টিম। তাদের প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

বগুড়া বিমানবন্দর: বগুড়া বিমানবন্দর পুনরায় চালু করার সব ধরনের প্রস্তুতি চলছে। যদিও পুরোপুরি বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হতে এক থেকে দেড় বছর সময় লাগতে পারে। তবে বিমানবন্দরটি প্রাথমিকভাবে ছোট আকারে চালু করে পর্যায়ক্রমে সম্প্রসারণ করা হবে।

লালমনিরহাট বিমানবন্দর: লালমনিরহাটের জেলা প্রশাসক এইচএম রকিব হায়দারের এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ব্রিটিশ আমলে ১৯৩১ সালে নির্মিত ৪ কিমি রানওয়ে এবং পূর্ণাঙ্গ অবকাঠামোসহ বিমানবন্দরটি একসময় দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম হিসেবে বিবেচিত হতো। ভূমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন না থাকায় দ্রুত কার্যক্রম শুরুর সুযোগ রয়েছে।

জেলা প্রশাসকের চিঠিতে বলা হয়েছে, এটি চালু হলে লালমনিরহাট বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল ও ভুটানের সংযোগস্থল হয়ে উঠতে পারে, যা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ভূমিকা রাখবে। ভারতের ‘চিকেনস নেক’-এর নিকটবর্তী হওয়ায় আগে সীমাবদ্ধতা থাকলেও এখন তা আর প্রতিবন্ধক নয় বলে ধারণা সংশ্লিষ্টদের।

 পাবনার ইশ্বরদী বিমানবন্দর: এদিকে, পাবনার রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ শুরুর পর থেকেই ঈশ্বরদী বিমানবন্দর চালুর জোর দাবি উঠেছে। যদিও ১৯৬২ থেকে ১৯৮৯ সাল পর্যন্ত রূপপুরের সঙ্গে ঢাকার বিমান যোগাযোগ স্বাভাবিক ছিল। যেখানে বিদ্যুৎকেন্দ্র ছাড়াও স্থাপিত হয়েছে রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল (ইপিজেড)। অভিযোগ রয়েছে, ঈশ্বরদী বিমানবন্দরে রানওয়ের দৈর্ঘ্য যেমন কম তেমনি পর্যাপ্ত অগ্নিনির্বাপক এবং ট্র্যাফিক ব্যবস্থাপনার অভাব। ফলে রানওয়ে সম্প্রসারণসহ অন্যান্য কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

ঠাকুরগাঁও বিমানবন্দর: উত্তরের নগরী ঠাকুরগাঁও। সীমান্তের কাছাকাছি হওয়ায় এটি বাণিজ্যিকভাবে যথেষ্ট গুরুত্ব বহন করে। এটি ঠাকুরগাঁও জেলার মাদারগঞ্জে অবস্থিত একটি বিমানবন্দর। এটি সরকারি এবং সামরিক কাজে ব্যবহৃত হয়। বিমানবন্দরটি ১৯৪০ সালে ৫৫০ একর জমির উপর প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৬৫ সালে ভারত-পাক যুদ্ধের সময় ভারতীয় বিমান বাহিনী এখানে হামলা চালালে বিমানবন্দরের রানওয়েটি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরবর্তীতে এটি ১৯৭৭ সালে সংস্কারও করা হয়, ও কয়েক বছর এখানে কিছু বাণিজ্যিক ফ্লাইট পরিচালিত হয়। পরে অনিবার্য কারণে বিমানবন্দরের কার্যক্রম থেমে যায় এবং ১৯৮০ সালে পরিত্যক্ত হয়। এই বিমানবন্দরটি চালু হলে সীমান্তবাণিজ্য আরও জোরদার হবে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্টরা।

সিভিল এভিয়েশনের সূত্রমতে, দেশের বিভিন্ন জেলায় ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ২৮টি বিমানবন্দরের মধ্যে বর্তমানে রাজধানীর সঙ্গে আটটির বিমান চলাচল অব্যাহত রয়েছে। এর মধ্যে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেটের সঙ্গে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তালিকায় নতুন করে যুক্ত হচ্ছে কক্সবাজার বিমানবন্দর। বাণিজ্যিকভাবে সচল বাকি চারটি অভ্যন্তরীণ বিমানবন্দর রয়েছে রাজশাহী, যশোর, সৈয়দপুর ও বরিশালে। এসব সচল রুটের সঙ্গে চলতি বছর থেকে শুরু করে আগামী এক-দেড় বছরের মধ্যেই যুক্ত হবে বগুড়া, ঈশ্বরদী, ঠাকুরগাঁও, লালমনিরহাট, কুমিল্লা, মৌলভীবাজারের শমসেরনগর ও রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাণিজ্যিকভাবে সফল হওয়ার জন্য পরিত্যক্ত সাতটি বিমানবন্দরে পর্যাপ্ত যাত্রী পাওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও বিমান ওঠানামার জন্য দরকারি অবকাঠামো নেই। যাত্রীবাহী বিমান পরিচালনায় অনুপযুক্ত এসব রানওয়ে সচল এবং কার্যকর করতে জরুরিভাবে অবকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কার প্রয়োজন। ৩ হাজার থেকে সাড়ে ৩ হাজার ফুটের মধ্যে থাকা এসব রানওয়ে উন্নীত করে ৬ থেকে ৮ হাজার ফুটের মধ্যে আনতে হবে। তাহলেই বাণিজ্যিকভাবে বিমান পরিচালনা করা যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

বিচ্ছেদের পর যে নায়িকারা এখনও সিঙ্গেল আছেন

বিনোদন, শোবিজ তারকাদের নিয়ে ভক্ত অনুরাগীদের আগ্রহের অন্ত নেই। তাদের সবকিছু নিয়েই ভক্তদের কৌতুহল। প্রিয় তারকা কি খাচ্ছেন, কি পরছেন, কাকে ফলো করছেন, কাকে মন দিচ্ছেন; সবকিছু নিয়েই তাদের ভাবনা।

এসব কৌতুহলের মধ্যে প্রিয় তারকার ব্যক্তিজীবন নিয়েও জানতে চান তারা, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি আকর্ষণ থাকে প্রেম ও বিয়েতে।

সব ভালোর মধ্যেও কিছু খবর ভক্তদের মন ভেঙে দেয়ে। তারকাদের সংসার ভাঙ্গার খবর মেনে নিতে পারেন না ভক্তরা। ঢাকাই শোবিজের অনেক তারকাই দীর্ঘদিন সংসার করেও সেটি টিকিয়ে রাখতে পারেননি তারা।

 

তারিন জাহান-

এক বছরেরও কম সময় টিকেছিল তাদের সংসার। আলাদা হয়ে যান তারা। বিচ্ছেদের এত বছর পরেও আর কারো সঙ্গে ঘর বাঁধেননি এই অভিনেত্রী।

মোজেজা আশরাফ মোনালিসা-

ক্যারিয়ারে সাফল্যের চূড়ায় থাকাকালীন ২০১২ সালে নিউইয়র্কপ্রবাসী ফাইয়াজ শরীফকে বিয়ে করেন মডেল ও অভিনেত্রী মোনালিসাও।

বিয়ের পর ২০১৩ সালে স্বামীর সঙ্গে নিউইয়র্ক চলে যান তিনি। সেখানে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাংলা চ্যানেল টাইম টিভির প্রোগ্রাম প্রধান হিসেবে কাজ শুরু করেন তিনি।

কিন্তু যে জন্য দেশ ছেড়ে, অভিনয় ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি দিয়েছিলেন মোনালিসা, সেই সংসার তার স্থায়ী বা সুখের হয়নি। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার এক বছরের মাথায়, ২০১৪ সালে ফাইয়াজ শরীফের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় মোনালিসার। এরপর গত ১১ বছরে আর নতুন করে সংসার বাঁধেননি অভিনেত্রী।

তবে ফের সংসার পাততে চান তিনি। তার জন্য খুঁজছেন মনের মতো পাত্র। পাত্র পেলেই নতুন জীবন শুরু করবেন বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী এই অভিনেত্রী।

অপু বিশ্বাস-

চলচ্চিত্রে কাজ করতে গিয়ে শাকিব খানের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে ওঠে অপু বিশ্বাসের। এরপর প্রেমে পড়েন এবং গোপনে ২০০৮ সালে বিয়ে করেন তারা।

তাদের সংসারে এক সন্তান রয়েছে জানিয়ে ২০১৮ সালে একটি টেলিভিশন চ্যানেলে লাইভে এসে বিয়ে ও সন্তানের খবর জানান অপু, যা পছন্দ হয়নি শাকিব খানের।

এর তিন মাসের মধ্যেই ডিভোর্স। বিচ্ছেদের পর নায়ক বাপ্পী চৌধুরীর সঙ্গে অপু বিশ্বাসের প্রেম ও বিয়ের গুঞ্জন উঠে। যদিও সে বিষয়ে কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। আপাতত ছেলে জয়কে নিয়েই আছেন অপু। এখনও কাউকে মন দেননি, ঘরও বাঁধেননি তিনি।

শবনম বুবলী-

অপু বিশ্বাসের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর শাকিব খানের জীবনে আসেন শবনম বুবলী।

তার দাবি, ২০১৮ সালের ২০ জুলাই শাকিবকে বিয়ে করেন তিনি। এরপর ২০২০ সালের ২১ মার্চ তাদের প্রথম সন্তানের জন্ম। ২০২২ সালে এক ফেসবুক পোস্টে নিজেদের সন্তানের কথা সামনে এনে শাকিব খানের সঙ্গে তার বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন বুবলী।

তাদের ছেলের নাম, শেহজাদ খান বীর। শাকিবের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনিও আর নতুন করে কোনো সংসারে জড়াননি এখনও।

মাহিয়া মাহি

ক্যারিয়ার যখন তুঙ্গে, ২০১৬ সালে ভালোবেসে ব্যবসায়ী পারভেজ মাহমুদ অপুকে বিয়ে করেছিলেন মাহিয়া মাহি। ৫ বছরের মাথায় ভেঙ্গে যায় সে সংসার। ২০২১ সালে বিচ্ছেদ ঘটে তাদের। সে বছরই রাজনৈতিক ব্যক্তি রকিব সরকারকে বিয়ে করেন। টেকেনি সে সংসারও।

তাদের ঘরে রয়েছে এক ছেলে সন্তান, নাম মোসাইব আরাশ সামসুদ্দিন ফারিশ সরকার।

গেল বছরের ১৬ ফেব্রুয়ারি এক ভিডিও বার্তায় বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আনেন মাহি। রকিব সরকারের সঙ্গে তিন বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টানেন তিনি। এরপর নতুন করে আর ঘর বাঁধেননি এই নায়িকা।

পরীমনি-

সাংবাদিক তামিম হাসানের সঙ্গে ২০১৬ সালে প্রেমের বন্ধনে আবদ্ধ হন পরীমনি। এরপর ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০১৯ সালে বিয়ে করেন তারা। তবে তাদের সম্পর্ক বেশি দিন টিকেনি এবং পরবর্তীতে বিচ্ছেদ হয়।

এরপর ৯ মার্চ ২০২০ সালে তিনি সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান রনিকে তিন টাকা দেনমোহরে বিয়ে করেন। ঐ বছরেই তাদের বিচ্ছেদ হয়। পরের বছরের অক্টোবরে ভালোবেসে অভিনেতা শরিফুল রাজকে বিয়ে করেন পরীমনি। কয়েকমাস পর ২০২২ সালের ১০ জানুয়ারি নিজের গর্ভাবস্থার খবর গণমাধ্যমকে জানান পরীমনি।

গর্ভাবস্থার খবর জানানোর আগ পর্যন্ত শরিফুল রাজের সাথে তার বিয়ের বিষয়টি তারা গোপন রাখেন। পরে ২২ জানুয়ারি তারা পুনরায় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেন।

২০২২ সালের ১০ আগষ্ট প্রথমবারের মতো তিনি পুত্র সন্তানের মা হন, যার নাম শাহীম মুহাম্মদ রাজ্য। তাদের সংসারও টেকেনি বেশিদিন। ২০২৩ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর রাজকে ডিভোর্স দেন পরী। এরপর পরীও আর কারো সঙ্গে ঘর বাঁধেননি।

তমা মির্জা-

২০১৯ সালের মে মাসে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কানাডীয় ব্যবসায়ী হিশাম চিশতির সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তমা মির্জা। সম্পর্কের টানাপোড়েনে বিচ্ছেদের পথে হাটেন তারা। ২০২১ সালের ৬ ডিসেম্বর আনুষ্ঠানিকভাবে বিচ্ছেদ হয় তমা মির্জার। এরপর তিনি আর বিয়ে করেননি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইইউ রাষ্ট্রদূতের তিনটি প্রশ্নের জবাবে যা বলেছে জামায়াত নেতা মুহাম্মদ তাহের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সবারই তিন-চারটি কমন প্রশ্ন থাকে বলে জানিয়েছেন দলটির প্রভাবশালী নেতা ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের। ২৭ এপ্রিল রবিবার দুপুরে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের সঙ্গে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানসহ দলটির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকের পর এ কথা জানান তিনি।

দলের মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সামনে আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামীর প্রতি সবার তিন-চারটি প্রশ্ন থাকে। একটা হলো, ওম্যান পজিশন জামায়াতে ইসলামীর; টেররিজমের বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর স্টেপ কী এবং মাইনরিটির বিষয়ে জামায়াত কী ভূমিকা রাখবে? এই তিনটা কমন প্রশ্ন আমাদের জন্য। আজও সেই কমন প্রশ্ন। সুতরাং জবাবও আমাদের স্পষ্ট।’

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

বাংলাদেশের সাথে আরও শক্তিশালী সম্পর্ক করতে চায় পাকিস্তান: পাক- প্রতিরক্ষামন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশের সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে চায় পাকিস্তান। এমন কথাই জানিয়েছেন পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ। পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে ভালোবাসার সম্পর্ক রয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।২৬ এপ্রিল শনিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, বাংলাদেশের ৫৪তম জাতীয় এবং স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা মুহাম্মদ আসিফ একথা বলেন। ইসলামাবাদে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন খান ও তার স্ত্রী রওশন নাহিদ অনুষ্ঠানটির আয়োজন করেছিলেন।

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী আসিফ বলেন, দুই দেশের রাজধানীই অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বাড়াতে আন্তরিকভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ককে অত্যন্ত মূল্য দিই এবং বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক আরও গভীর করতে আগ্রহী।”

তিনি বাংলাদেশের সরকার এবং জনগণকে স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছাও জানান।এছাড়া খাজা আসিফ বাংলাদেশের সামাজিক এবং অর্থনৈতিক উন্নতির প্রশংসা করেন এবং দুই দেশের মধ্যে ঐতিহাসিক সম্পর্ক ও বন্ধনকে আরও দৃঢ় করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক এবং ঐতিহাসিক বন্ধন দুই দেশের সম্পর্ককে আরও ঘনিষ্ঠ করেছে।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন খান — যিনি সম্প্রতি ঢাকা থেকে ফিরে গেছেন এবং পাকিস্তানের পররাষ্ট্র সচিব আমনা বালোচের নেতৃত্বে অনুষ্ঠিত ১৫ বছর পর হওয়া দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনায় অংশ নিয়েছেন — তিনি নিজ দেশের জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে প্রথমবারের মতো এই সংবর্ধনার আয়োজন করেন। অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিদের ব্যাপক উপস্থিতিতে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

হাইকমিশনার তার বক্তব্যে পাকিস্তানের সঙ্গে মজবুত ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখার ইচ্ছার কথা জানান। তিনি বাংলাদেশের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য এবং আতিথেয়তার পরিবেশ তুলে ধরেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়া বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন।

অনুষ্ঠানে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অধ্যাপক আহসান ইকবাল চৌধুরী, ড. তারিক ফজল চৌধুরী, মঈন ওয়াট্টু, হাম কামাল, খেল দাস কোহিস্তানি, মালিক রশীদ আহমদ, কায়সার আহমদ শেখ ও মোহাম্মদ জুনায়েদ আনোয়ার উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে কূটনৈতিক মিশনের সদস্য, নাগরিক সমাজ, গণমাধ্যম এবং ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী খাবার যেমন বাঙালি রসগোল্লা ও বেকি মাছের পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের হাইকমিশনার ইকবাল হোসেন খান বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের অবদান স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের জনগণের আকাঙ্ক্ষা পূরণে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে হবে।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দুই দেশের জাতীয় সংগীত বাজানো হয় এবং প্রধান অতিথি, হাইকমিশনার এবং অন্যান্য বিশেষ অতিথিরা একসঙ্গে কেক কাটেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

মেট্রোরেলে সেবা বিঘ্নিত হলে টেলিভিশন স্ক্রলে জানানোর নির্দেশনা ফাওজুল কবির খানের

বিদ্যুৎ, মেট্রোরেল, সড়ক এবং রেলপথে গ্রাহক কিংবা যাত্রীসেবা বিঘ্নিত হলে টেলিভিশনে স্ক্রলের মাধ্যমে জানানো নির্দেশনা দিয়েছেন মন্ত্রণালয়গুলোর দায়িত্বে থাকা উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।

২৭ এপ্রিল রবিবার উপদেষ্টার দপ্তর থেকে জারি করা এক নির্দেশনায় এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, গতকাল শনিবার মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বিঘ্নিত হয়। এ ছাড়া খুলনা অঞ্চলে বিদ্যুতের ব্ল্যাকআউট হয়। এই দুটি ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবেরা কিংবা সংস্থার প্রধানেরা উপদেষ্টাকে জানাননি। উপদেষ্টা এসব বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে জানতে পারেন।

ফলে এখন থেকে যেকোনো ধরনের গ্রাহক এবং যাত্রীসেবা বিঘ্নের ঘটনা টেলিভিশনে স্ক্রলের মাধ্যমে অনতিবিলম্বে জানাতে হবে। আবার গ্রাহক এবং যাত্রীসেবা চালু হলে, সেটাও জানিয়ে ঘটনার জন্য দুঃখপ্রকাশ করতে হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ এপ্রিল ২০২৫/মওম

কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় পথচারী নিহত

শাহআলম সিকদার, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায়  সড়ক পারাপারের সময় পাজেরো গাড়ির ধাক্কায় আজিজ মিয়া(৩৮)নামে এক পথচারী নিহত হয়েছেন। নিহত আজিজ মিয়া শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী থানার গান্ধীগাও গ্রামের মো.আব্দুল্লাহর ছেলে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী ও নাউজোড় হাইওয়ে থানা পুলিশের এসআই আল আমিন জানান শনিবার সকাল আটটার দিকে উপজেলার বাইপাস এলাকায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দ্রুতগামী একটি জিপ গাড়ি কালিয়াকৈর বাইপাস অতিক্রম করার সময় পথচারী আজিজ মিয়াকে সজোরে ধাক্কা দিলে ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয়।
এ সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মহাসড়কের বিভাজনে উঠে যায় এতে গাড়ির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং চালক গুরুতর আহত হন। স্থানীয়রা চালককে উদ্ধার করে কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা স্থানান্তর করা হয়।
খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহত আজিজ মিয়ার মরদেহ উদ্ধার ও গাড়িটি জব্দ করেন। হাইওয়ে থানার এসআই আলামিন আরো জানান,এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি