আজ , ।   
Home Blog Page 515

ভারতের ‘ব্রহ্মস’ ক্ষেপণাস্ত্রের সংরক্ষণকেন্দ্রে হামলার দাবি পাকিস্তানের

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের হামলার জেরে অপারেশন ‘বুনইয়ান-উন-মারসুস’ শুরু করেছে পাকিস্তান। এর অধীনে ভারতের বেশ কিছু সামরিক স্থাপনায় হামলার দাবি করা হয়েছে।পাকিস্তানের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের বিয়াসে অবস্থিত ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণকেন্দ্রে একটি হামলা চালানো হয়েছে।

ব্রহ্মোস হলো সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র। যার সর্বোচ্চ পাল্লা ৮০০ কিলোমিটার (৪৯৭ মাইল)। এটি সাবমেরিন, জাহাজ এবং যুদ্ধবিমানসহ বিভিন্ন সামরিকযান থেকে নিক্ষেপ করা যায়।

ব্রহ্মস অ্যারোস্পেস নামের একটি প্রতিষ্ঠান এ ক্ষেপণাস্ত্রের উন্নয়নের সঙ্গে জড়িত। এটি ভারতের ডিফেন্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) এবং রাশিয়ার রকেট ডিজাইন ব্যুরো এনপিও মাশিনোসট্রোয়েনিয়ার একটি যৌথ উদ্যোগ।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর কর্নেল সোফিয়া কুরেশি জানিয়েছেন, পাকিস্তান ভারতের বিমানঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে উচ্চগতির ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে।

পাকিস্তানের তিনটি সামরিক বিমানঘাঁটিতে ভারত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে, পাকিস্তান এমন অভিযোগ তোলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ভারতের বিমানঘাঁটিতে হামলার খবর এলো।

সূত্র: আল-জাজিরা

আলোকিত প্রতিদিন/১০মে ২০২৫/মওম

জানাজা ছাড়াই আ.লীগকে কবর দিতে বললেন ববি হাজ্জাজ!

বিশেষ প্রতিনিধি : আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ইস্যুতে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের (এনডিএম) চেয়ারম্যান ববি হাজ্জাজ বলেছেন, দলটি নিষিদ্ধ করতে কোনো আইনি দীর্ঘসূত্রিতার করার প্রয়োজন নেই ৷ সরকারকে বলব, জানাজা ছাড়াই আওয়ামী লীগকে কবর দিন।

আজ শনিবার (১০ মে) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন।

বিবৃতিতে ববি হাজ্জাজ আরো বলেন, ‘ধর্মান্তরিত হলে কোনো মুসলমান যেমন জানাজা পাওয়ার অধিকার হারায়, ঠিক একইভাবে গণহত্যা এবং ফ্যাসিবাদী শাসনের কারণে আওয়ামী লীগ রাজনৈতিক সংগঠনের পরিচয় হারিয়েছে। এ জন্য দলটি নিষিদ্ধ করতে কোনো আইনি দীর্ঘসূত্রিতার প্রয়োজন নেই ৷ সরকারকে বলব, জানাজা ছাড়াই আওয়ামী লীগকে কবর দিন ৷

ববি হাজ্জাজ বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সিংহভাগ ব্যক্তি এনজিও সেক্টর থেকে আসায় তারা নানা বিদেশি শক্তির তল্পিবাহক হিসেবে কাজ করছে। এদের অনেকেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের ১৬ বছরে খুনি হাসিনাকে একবারের জন্যও স্বৈরাচার বলার সাহস দেখায়নি ৷ পেশাগত জীবনের অজুহাতে এরা কখনো রাজপথে নেমে আওয়ামী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে একটা টুঁ শব্দ পর্যন্ত করেনি ৷ আর তাই ‘৩৬ জুলাইয়ের’ পর ১০ মাস অতিক্রান্ত হলেও সরকার আওয়ামী লীগের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। উল্টো ফ্যাসিবাদের অবৈধ রাষ্ট্রপতিকে ভিআইপি প্রটোকলে দেশত্যাগের সুযোগ করে দিয়েছেন তারা৷

তিনি বলেন, আসিফ নজরুল সাহেবকে জনতার সামনে এসে ব্যাখা দিতে হবে কেন তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুনালের সংশোধিত আইনে সংগঠনের বিচার করার বিধান সংযুক্ত করতে পারলেন না৷ অথচ শুরুতেই এনডিএম আইসিটি ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ এবং ১৪ দলের বিচার চেয়ে আবেদন করেছিল৷ শহীদের রক্তের সঙ্গে কোন ছলচাতুরী আমরা মেনে নেব না।

ববি হাজ্জাজ বলেন, সরকার চালাতে হলে রাজনৈতিক দক্ষতা এবং জনগণের পালস বোঝার ক্ষমতা লাগে৷ আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে তীব্র জনরোষ সমাজে বিদ্যমান সেটা এনজিও নির্ভর উপদেষ্টা পরিষদ বুঝতে অক্ষম৷ আমরা প্রধান উপদেষ্টাকে আহ্বান জানাচ্ছি সর্বদলীয় বৈঠক করে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আওয়ামী লীগের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এবং ব্যর্থ উপদেষ্টাদের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি প্রদান করতে।

তিনি বলেন, জুলাই গণঅভ্যুথানের ১০ মাস পরেও আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতে না পারার জন্য ‘এনজিও নির্ভর’ উপদেষ্টা পরিষদই দায়ী। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে নির্বাহী আদেশে আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

আ.লীগ নিষিদ্ধের দাবিতে দ্বিতীয় দিনেও চলছে ‘শাহবাগ ব্লকেড’ কর্মসূচি

আলোকিত প্রতিবেদক:
আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করার দাবিতে দ্বিতীয় দিনের মতো চলছে ‘শাহবাগ ব্লকেড’কর্মসূচি। শাহবাগ মোড় থেকে সড়কগুলো বন্ধ থাকলেও অ্যাম্বুলেন্সসহ জরুরি যানবাহনগুলোকে যাতায়াতের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।
গত ৮ মে  বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত থেকে এই দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার সামনে এই দাবি নিয়ে অবস্থান নেন এনসিপির নেতাকর্মীরা। বিক্ষোভ কর্মসূচিতে এনসিপির পাশাপাশি হেফাজতে ইসলাম, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি এবং ইসলামী ছাত্রশিবিরসহ বিভিন্ন ইসলামপন্থী সংগঠনের নেতা-কর্মীরাও অংশ নেন। সকালে জামায়াতে ইসলামীসহ আরও কয়েকটি দল এতে যোগ দেয়। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে হাসনাত আবদুল্লাহ এবং এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ঘোষণা দেন, জুমার পর যমুনার পূর্ব পাশে বড় জমায়েত ও বিক্ষোভ চলবে। ইসলামপন্থী বিভিন্ন দলের নেতারাও এ সময় তাদের সঙ্গে ছিলেন। পাঁচটি পিকআপ ভ্যান জোড়ায় মঞ্চ তৈরি হয়। জুমার পর সেখানে বড় জমায়েত হয় এবং শেষে হাসনাত শাহবাগ অবরোধের ঘোষণা দেন।

গতকাল সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম তিনটি দাবি সম্বলিত একটি পোস্ট করেন। দাবিগুলো হচ্ছে, আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করা; আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের বিধান যুক্ত করা এবং জুলাই ঘোষণাপত্র জারি করা।

পরে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ অন্যান্য নেতারাও একই পোস্ট শেয়ার করেন।

নাহিদ ইসলাম আরও একটি পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘শাহবাগের অবস্থান চলমান থাকবে। ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে ব্লকেড চালু হয়েছে। দ্রুত সিদ্ধান্ত না এলে সারা দেশ আবারও ঢাকা শহরে মার্চ করবে।’

আলোকিত প্রতিদিন/১০মে ২০২৫/মওম

 

উইকিপিডিয়ায় হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে ভিত্তিহীন তথ্যের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

বিশেষ প্রতিনিধি : মুক্ত বিশ্বকোষ ‘উইকিপিডিয়া’তে হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে প্রকাশিত বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে সংগঠনটি।

আজ শনিবার সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর তোপখানা রোডে অবস্থিত বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশন (ক্র্যাব) মিলনায়তনে এই সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বক্তারা বলেন, উইকিপিডিয়ায় হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে এমন কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং ঘৃণামূলক। এগুলো সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি করছে এবং সংগঠনটির দীর্ঘদিনের সামাজিক, ধর্মীয় ও মানবিক কর্মকাণ্ডকে প্রশ্নবিদ্ধ করার একটি চক্রান্তের অংশ।

বক্তারা বলেন, “উইকিপিডিয়ায় হেযবুত তওহীদকে ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কালো তালিকাভুক্ত’ হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। অথচ বাস্তবে এমন কোনো সরকারি প্রমাণ বা দলিল নেই যেখানে বলা হয়েছে যে হেযবুত তওহীদ কোনো আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কালো তালিকাভুক্ত সংগঠন।” বক্তারা আরও বলেন, “হেযবুত তওহীদ একটি সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক, অসাম্প্রদায়িক ও শান্তিপূর্ণ ধর্মীয় আন্দোলন। এটি ১৯৯৫ সালে টাঙ্গাইলের ঐতিহ্যবাহী পন্নী পরিবারের সদস্য জনাব মোহাম্মদ বায়াজীদ খান পন্নী  কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়।

তার ইন্তেকালের পর বর্তমানে হেযবুত তওহীদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সংগঠনের বর্তমান ইমাম জনাব হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।” “গত তিন দশক ধরে হেযবুত তওহীদ শান্তি, সহনশীলতা, মানবতা ও কোরআনের প্রকৃত শিক্ষা নিয়ে দেশব্যাপী কাজ করে যাচ্ছে। সংগঠনটির পক্ষ থেকে কখনও কোনো সহিংসতা বা অরাজকতার পথ গ্রহণ করা হয়নি। কিছু কুচক্রী মহল ও ধর্মব্যবসায়ী চক্র দীর্ঘদিন ধরে হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে গুজব ছড়িয়ে আসছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

‘ট্যাগিং দিয়ে থামাতে পারবেন না, আ.লীগ নিষিদ্ধ করতেই হবে!

আলোকিত ডেস্ক : ট্যাগিং দিয়ে আপনারা আমাদের থামাতে পারবেন না। আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে। শনিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এমন মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ।

গত বুধবার রাতে হত্যা মামলার আসামি সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দেশত্যাগের ঘটনার পর থেকেই উত্তাল দেশের রাজনীতি। জুলাই হত্যাসহ দীর্ঘ ১৬ বছরের শাসনে সকল হত্যাকাণ্ডের দায়ে পতিত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের বিচার ও দলটিকে নিষিদ্ধের দাবি করে প্রথমে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনা ও পরে শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয় এনসিপিসহ বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দল এবং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন।

গত দুদিন টানা অবস্থান নিলেও এখন পর্যন্ত আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে সরকারের পক্ষ থেকে কোনো সিদ্ধান্ত না আসায় আজও সমাবেশে ডেকেছে দলটি। তবে এর মধ্যে দলটির নেতাকর্মীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ষড়যন্ত্র ও ট্যাগিং করা হচ্ছে। যা নিয়েই এবার কথা বলেছেন হাসনাত।

ছাত্র-জনতার তীব্র আন্দোলনে ক্ষমতাচ্যুত রাজনৈতিক দল আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধ করতেই হবে বলেও জানান হাসনাত।

এর আগে, আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের ব্যাপারে শনিবারের কর্মসূচির কথা ফেসবুকে জানান হাসনাত। যেখানে তিনি বলেন, ‘তিন দফা দাবিতে বিকাল তিনটা থেকে শাহবাগে ছাত্র-জনতার গণ-জমায়েত। সারাদেশের জুলাই-স্পটে ছাত্রজনতার গণ-অবস্থান।’

ছাত্র-জনতার তিন দফা দাবি-

১. আওয়ামী লীগকে সন্ত্রাসী সংগঠন ঘোষণা করে নিষিদ্ধ করতে হবে।

২. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইনে আওয়ামী লীগের দলগত বিচারের বিধান যুক্ত করতে হবে।

৩. জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র জারি করতে হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

বরেণ্য সংগীতশিল্পী মুস্তাফা জামান আব্বাসীর চিরবিদায়!

বিনোদন ডেস্ক, একুশে পদকপ্রাপ্ত বরেণ্য সংগীতশিল্পী, গবেষক ও লেখক মুস্তাফা জামান আব্বাসী তিনি আর নেই (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৭ বছর।

শনিবার (১০ মে) ভোরে রাজধানীর বনানীর একটি হাসপাতালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। গণমাধ্যমকে মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার মেয়ে শারমিনী আব্বাসী।

উপমহাদেশের এক প্রখ্যাত সংগীত পরিবারের সন্তান মুস্তাফা জামান আব্বাসী। ভারতের কোচবিহার জেলার বলরামপুর গ্রামে ১৯৩৬ সালের ৮ ডিসেম্বর জন্মগ্রহণ করেন তিনি। পিতা আব্বাস উদ্দীন আহমেদ পল্লীগীতির কিংবদন্তী শিল্পী। এদেশের পল্লীসংগীতকে তিনিই প্রথম বিশ্বের দেশে দেশে জনপ্রিয় করেছেন।
চাচা আব্দুল করিম ছিলেন পল্লীগীতি ও ভাওয়াইয়া ভাটিয়ালি গানের জনপ্রিয় শিল্পী। বড় ভাই বিচারপতি মোস্তফা কামাল আইনবিশারদ। মোস্তফা কামালের কন্যা নাশিদ কামালও একজন বরেণ্য শিল্পী। বোন ফেরদৌসী রহমান দেশের প্রথিতযশা বহুমাত্রিক প্রতিভার সংগীতজ্ঞ হিসেবে সমাদৃত।

দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ফোক মিউজিক রিসার্চ গ্রুপের পরিচালক ও সংগ্রাহক হিসেবে কয়েক হাজার গান তার সংগ্রহে ছিল মুস্তাফা জামান আব্বাসীর।

কবি, লেখক ও গবেষক মুস্তফা জামান আব্বাসীর ২১টি গ্রন্থ পাঠকনন্দিত। নবীকে ভালোবেসে লিখেছেন ‘মুহাম্মদের না ‘ গ্রন্থ। জীবনকালে তিনি নানা পদকে ভূষিত হয়েছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

অন্তর্বর্তী সরকার তাহলে জানেটা কী: আবদুল হামিদের দেশত্যাগ নিয়ে তারেক!

আলোকিত ডেস্ক, সাবেক রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের দেশত্যাগ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

শুক্রবার বিকালে ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, “এই যে পলাতক স্বৈরাচারী সরকারের সময়কার একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর দিয়ে চলে গেছেন দেশ ছেড়ে; যেভাবে গেছেন, সেটি যদি আমরা মিলাই তাহলে দেখব, ৫ অগাস্ট আরেকজন দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেছেন, ইনিও অনেকটা সেভাবে পালিয়ে গেছেন।

“কিন্তু এখন বলা হচ্ছে, অন্তর্বর্তী সরকার নাকি তার এই দেশত্যাগের ব্যাপারে কিছুই জানে না।”

তারেক রহমান বলেন, “ঘটনাটি গতকালের এবং গতকাল থেকে আজ পর্যন্ত যতজন মানুষের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে, প্রত্যেকের মনে প্রশ্ন উঠেছে, প্রত্যেকে প্রশ্ন করছেন- তাহলে অন্তর্বর্তী সরকার জানেটা কী?

“সঙ্গে এ অভিযোগ উঠেছে, সংস্কারের নামে সময়ক্ষেপণ করে অন্তর্বর্তী সরকার এক দিকে হয়ত স্বৈরাচার ও তাদের দোসরদের নিরাপদে দেশত্যাগের সুযোগ করে দিচ্ছে; অপর দিকে সুকৌশলে নানা ইস্যু সৃষ্টি করে ফ্যাসিবাদীবিরোধী যেসব রাজনৈতিক দল আমরা যারা মাঠে ছিলাম, তাদের ঐক্যে ফাটল ধরানোর একটা ক্ষেত্র হয়ত তৈরি করতে চাইছে।”

তিনি বলেন, “এ ব্যাপারে বিএনপি তার স্পষ্ট প্রস্তাব অন্তবর্তী সরকারের কাছে তুলে ধরেছে। জনগণের ভোটে জনগণের কাছে দায়বদ্ধ একটি জনপ্রতিনিধিত্বমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বিএনপি প্রতিটি ক্ষেত্রেই অন্তবর্তী সরকারের প্রতি এখনও তাদের সহযোগিতা ও সমর্থন অব্যাহত রেখেছে।

“তবে রিসেন্টলি যদি আমরা খেয়াল করে দেখি, বিভিন্ন কারণে অন্তবর্তী সরকার তাদের দায়িত্ব পালনে সক্ষমতার পরিচয় দিতে পারছে কিনা, এ নিয়ে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের মধ্যে কিন্তু ধীরে ধীরে সংশয় সৃষ্টি হচ্ছে।”

তারেক রহমান বলেন, “২০১৩ সালে ডিসেম্বর মাসে তৎকালীন র‌্যাব সদস্যরা ঢাকা মহানগর বিএনপি নেতা সাজেদুল ইসলাম সুমনকে গুম করে। আজ পর্যন্ত এ সহকর্মীর আমরা হদিস পাই নাই।

“স্বৈরাচারের শাসনকালে শুধু একজন সুমন নয়, ঢাকাসহ সারা দেশে এরকম অসংখ্য সুমনদেরকে গুম-খুন-অপহরণ করা হয়েছিল। এর প্রতিবাদে পলাতক স্বৈরাচারের সময় গুম হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের সদসদের নিয়ে সুমনের বোনের নেতৃত্বে ২০১৪ সালে গঠিত হয় সামাজিক সংগঠন ‘মায়ের ডাক’।

“অত্যন্ত আশ্চর্য ও উদ্বেগের বিষয় হচ্ছে, গুম হওয়া সুমনকে ধরার জন্য গতকাল সন্ধ্যায় ঢাকায় সুমনের বোনের বাসায় অভিযান চালিয়েছে প্রশাসন। তারপরে প্রশাসন বলছে, তারা নাকি সুমন সম্পর্কে জানত না। তর্কের খাতিরে ধরে নিলাম ঠিক আছে প্রশাসন সুমন সম্পর্কে হয়ত জানত না। কিন্তু পলাতক স্বৈরাচারের সরকারে সময়ের একজন সাবেক রাষ্ট্রপতি বিমানবন্দর দিয়ে কীভাবে চলে গেছে দেশে ছেড়ে?”

ধর্মীয় স্বাধীনতার বিষয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, “আমি প্রায় আমার আালোচনায় একটি কথা বলে থাকি, সংখ্যালঘু কিংবা সংখ্যাগুরু- এগুলো হচ্ছে একটি রাষ্ট্রে ধর্ম-বর্ণ পরিচয়ের ভিত্তিতে নাগরিকদের বৈশিষ্ট্ কিংবা সংখ্যা নির্ণয়ের জন্য একটি শব্দ মাত্র।

সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের যুদ্ধে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে উল্লেখ করে তারেক বলেন, “এ দেশটা কোনো ব্যক্তি কিংবা দলের নয়। দেশটা আমার-আপনার আমাদের সবার।”

সংগঠনের সভাপতি জন গোমেজের সভাপতিত্বে ও মহাসচিব অনিল লিও কস্তার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও কথা বলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

বিএনপি আসলে জুলাইয়ের ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে: সারজিস আলম

ঐক্যবদ্ধ শাহবাগ বিএনপির অপেক্ষায় রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির(এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা ২২ মিনিটে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে এক পোস্টে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি লিখেছেন, বিএনপি এবং তার অঙ্গ সংগঠন ব্যতীত সব রাজনৈতিক দল এখন শাহবাগে।

তিনি লেখেন, বিএনপি আসলে জুলাইয়ের ঐক্য পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে। ঐক্যবদ্ধ শাহবাগ বিএনপির অপেক্ষায়। আজকের এই শাহবাগ ইতিহাসের অংশ এবং ভবিষ্যৎ রাজনীতির মানদণ্ড।

আলোকিত প্রতিদিন/৯মে ২০২৫/মওম

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত শাহবাগ ‘ব্লকেড’!

আলোকিত ডেস্ক, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হওয়ার আগ পর্যন্ত শাহবাগ ব্লকেডের ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ। শুক্রবার বিকেলে প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনার পাশে মিন্টো রোডের ফোয়ারার সামনের সমাবেশ থেকে এ ঘোষণা দেন তিনি।

ঘোষণার পর সমাবেশ থেকে হাসনাত আব্দুল্লাহ নেতৃত্বে সাধারণ ছাত্র জনতার একটি মিছিল শাহবাগের দিকে যায় তখন। এবং শাহবাগ ব্লগেট করে রাখেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

নবীনগরে ন্যানো ইউরিয়ার সফল প্রয়োগ

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
সারাবিশ্বে যখন পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য রাসায়নিক সারের অতিরিক্ত ব্যবহারকে দায়ী করা হচ্ছে, পাশাপাশি বিজ্ঞানের নতুন সংযোজন ন্যানো টেকনোলজির গবেষকদের আবিষ্কার ন্যানো ইউরিয়া সার ব্যবহারকে উৎসাহিত করা হচ্ছে তখন পিছিয়ে নেই ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগর উপজেলা কৃষি বিভাগ। উপজেলা কৃষি অফিসের ইনোভেশন কার্যক্রমের আওতায় প্রথমবারের ধানের জমিতে ট্রায়াল দেওয়া হয়েছে ন্যানো ইউরিয়া (তরল ইউরিয়া সার)।
ন্যানো ইউরিয়া  হলো আধুনিক প্রযুক্তিতে তৈরি এক ধরনের তরল ইউরিয়া সার, যেখানে ইউরিয়ার কণাগুলো ন্যানো-আকারে (খুবই ক্ষুদ্র) তৈরি করা হয়। এটি সাধারণ দানাদার ইউরিয়ার তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। ন্যানো ইউরিয়ার সুবিধা হচ্ছে কম পরিমাণে বেশি কার্যকারিতা সাধারণ ইউরিয়ার তুলনায় অল্প পরিমাণ ন্যানো ইউরিয়াই গাছের চাহিদা মেটাতে পারে। এক লিটার ন্যানো ইউরিয়া প্রায় ৪৫ কেজি দানাদার ইউরিয়ার সমতুল্য কাজ করতে পারে। ফলে কৃষকের সার বাবদ খরচ অনেক কমে। ন্যানো ইউরিয়া দ্রুত গাছের দেহে শোষিত হয়, ফলে গাছ দ্রুত পুষ্টি পেয়ে ফলন বৃদ্ধি পায়। অতিরিক্ত দানাদার ইউরিয়া ব্যবহার করলে মাটির গুণাগুণ নষ্ট হয় এবং পরিবেশ দূষণ হয়। ন্যানো ইউরিয়া ব্যবহারে তা কমে আসে। এটি স্প্রে (ছিটিয়ে) করা যায়, মাটিতে দিতে হয় না, ফলে প্রয়োগ সহজ ও দ্রুত।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, ব্রিধান ৯২ ধানের জমিতে প্রথমবারের ন্যানো ইউরিয়া স্প্রে করে। প্রতি শতক জমিতে এক লিটার পানিতে ৪ মিলি ন্যানো ইউরিয়া স্প্রে করে আশাতীত ফলাফল পেয়েছে। চারা রোপণের পর থেকে ধানের বৃদ্ধি পর্যায়ে তিন বার ১৫ থেকে ২০ দিন অন্তর অন্তর এই সার প্রয়োগ করা হয়।
ইব্রাহিমপুর গ্রামের মধ্য পাড়র কৃষক ফরিদা বেগম জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শে এই প্রযুক্তি আমি গ্রহণ করি, জমি তৈরির সময় অন্যান্য সারের সাথে অল্প পরিমাণ দানাদার ইউরিয়া ব্যবহার করি। পরবর্তীতে আর ইউরিয়া সার না দিয়ে তরল ন্যানো ইউরিয়া ১৫ থেকে ২০ দিন পর পর তিন বার পাতায় স্প্রে করি। ধানের ফলন অনেক ভালো হয়েছে। অনেকেই দেখতে এসেছে। এই পদ্ধতিতে আমাদের জন্য সার প্রয়োগ সহজ হবে, আমাদের আর্থিক খরচ ও কমে যাবে।
গ্রামের অন্যান্য কৃষক  মোঃ জাহাঙ্গীর, সুমন মিয়া, আতিকুল ইসলাম, নুর আহাম্মদ, মনুমিয়া,মোবারক মিয়া,জাহানার বেগাম,হেনা বেগম জমি পরিদর্শন করে জানান, কৃষিতে এই নতুন আবিষ্কার আমাদের জন্য অনেক আনন্দের। বস্তায় বস্তায় ইউরিয়া সার আনা, তা ব্যবহার করা অনেক পরিশ্রম। আমরা জমি পরিদর্শন করেছি রাসায়নিক সার দিলে যা ফলন হয়, তরল ইউরিয়া (ন্যানো ইউরিয়া) একই রকম মনে হচ্ছে।
উপসহকারী কৃষি অফিসার জনাব, গিয়াস উদ্দিন নাঈম জানান, প্রযুক্তিটি মাঠে প্রয়োগ করতে প্রথম থেকেই নিয়ম অনুসারে মাত্রা অনুসারে ব্যবহার করেছি। পাতায় স্প্রে করায় ইউরিয়ার কার্যকারিতা ভালো ছিলো। পাতার মাধ্যমে গাছ তার প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে। দানাদার ইউরিয়ার মতোই এটি গাছের বৃদ্ধি পর্যায়ে প্রয়োজন অনুসারে স্প্রে করতে হয়। যেসকল ধান দীর্ঘমেয়াদি সেখানে তিনবার স্প্রে করতে হয়, নতুবা দুইবার স্প্রে করলে যথেষ্ট, গাছের বৃদ্ধি এবং কার্যকরী কুশি সংখ্যা অনেক ভালো। আশাকরি ভালো ফলন হবে, অনেক কৃষক আগ্রহী হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মো: জাহাঙ্গীর আলম লিটন জানান, ন্যানো ইউরিয়ার নাইট্রোজেন গাছ মূলত আমোনিয়া বা অ্যামোনিয়াম (NH₄⁺) এবং নাইট্রেট ফর্মে সরাসরি গ্রহণ করে না যেমনটা মাটির ইউরিয়ার ক্ষেত্রে হয়। যা উদ্ভিদের পাতা থেকে শোষিত হবার পর ভেতরে গিয়ে ধীরে ধীরে রূপান্তরিত হয়। গাছের পাতা এই কণাগুলো শোষণ করে। উদ্ভিদের অভ্যন্তরে এই কণাগুলো ভেঙে গিয়ে নাইট্রোজেন দেয় অ্যামোনিয়াম  ও নাইট্রেট আকারে, যা গাছের জন্য ব্যবহারযোগ্য। এই ধাপে ধাপে মুক্ত হওয়া প্রক্রিয়া গাছের জন্য বেশি কার্যকর এবং পরিবেশের জন্যও নিরাপদ। এই প্রযুক্তি নিয়ে সারা বিশ্বে কাজ হচ্ছে, আমরাও এই প্রক্রিয়া জনপ্রিয় করতে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলবো।
আলোকিত প্রতিদিন/৯মে ২০২৫/মওম