আজ , ।   
Home Blog Page 401

কোম্পানীগঞ্জে জাহাঙ্গীর আলমকে  সাধারণ সম্পাদক করার দাবী উঠেছে

মোঃ আবদুল ওয়াদুদ; চট্টগ্রাম: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সিনিয়র নেতা জাহাঙ্গীর আলম। যিনি বর্ষীয়ান বক্তা হিসেবেই এলাকায় ব্যাপক পরিচিত। বিগত দুই যুগেরও বেশি সময় তিনি আন্দোলন- সংগ্রামে মাঠ কাঁপিয়েছেন। এজন্য রক্তাক্ত হয়েছেন বহুবার। ষড়যন্ত্রমূলক মামলাও হয়েছে কয়েক ডজন।  দলের উপজেলা পর্যায়ে তাঁর পক্ষে বিশাল একটি জন সমর্থনও তৈরী হয়েছে। এবার তাকে উপজেলার সাধারণ সম্পাদক করার জন্য অনেকেই চাচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও একাধিক নেতা-কর্মী তাকে সাধারণ সম্পাদক করার জন্য কেন্দ্রীয় এবং জেলার নেতাদের কাছে জোরালো দাবী তুলেছেন।

সরজমিনে জানাগেছে, নোয়াখালীর ভিআইপি উপজেলা কোম্পানীগঞ্জে জাহাঙ্গীর আলম একজন নির্যাতিত নেতা হিসেবে কর্মীদের কাছে বেশ খ্যাতি পেয়েছেন। তিনি বিগত আ’লীগ সরকারের আমলে বেশকিছু ষড়যন্ত্রমূলক মামলার আসামী হয়েছিলেন। পুলিশের তাড়া খেয়ে একদিকে তিনি নিজ বাড়ীতে থাকতে পারেননি, আরেকদিকে মামলার ভারে ক্রান্ত হয়ে আদালতের বারান্দায় ছুটতে হয়েছে মাসের পর মাস। বসুরহাট পৌরসভার পলাতক মেয়র আবদুল কাদের মির্জার হেলমেট বাহিনীর সদস্যরা একাধিকবার তাকে হত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন। ওই সময়গুলোতে গুরুতর আহত হয়েও অন্যত্র চিকিৎসা নিয়েছেন তিনি। তবে হামলা-মামলার যতই ভয় থাকুক; কোম্পানীগঞ্জে দলের কেন্দ্রীয় কর্মসূচীগুলোতে ঠিকই অংশ নিয়েছেন। একইভাবে যারা হামলা কিংবা মামলায় ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন তাদের পাশেও ছিলেন তিনি।

তাদেরকে বিপদে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন। রাজনীতির কারণে তাকে অনেক কিছু হারাতে হয়েছে। কিন্তু সাহস নিয়ে কর্মীদের কখনো ছেড়ে যাননি। বরং তাদেরকে নিয়েই কঠিন সময়গুলো অতিক্রম করেছেন। এসব কারণে জাহাঙ্গীর আলমকে এবার উপজেলার সাধারণ সম্পাদক করার জন্য জোরালো দাবী উঠেছে। এরআগে উপজেলা পর্যায়ে তিনি ছাত্রদল, যুবদল এবং বিএনপি’র গুরুত্বপুর্ণ পদেও ছিলেন। ওই সময়গুলোতে তিনি সফলভাবে দায়িত্বও পালন করেছিলেন। বর্তমানে নিজ এলাকা চরকাঁকড়া ইউনিয়নের একটি হাইস্কুলের পরিচালনা কমিটি’র সভাপতির দায়িত্বে আছেন। এখন উপজেলা বিএনপি’র কমিটি গঠনের তোড়জোড় চলছে। ওই কমিটিতে উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক করার দাবিতে অনেকেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে লেখালেখি করছেন।

দলীয় সূত্রে জানাগেছে, বসুরহাট পৌরসভা এবং উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে বিএনপি এবং অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা জাহাঙ্গীর আলমকেই সাধারণ সম্পাদক করার বিষয়ে একযোগে দাবি তুলছেন। দলের বৃহৎ একটি অংশ মনে করেন, জাহাঙ্গীর আলম সাধারণ সম্পাদক হওয়ার অনেকগুলো যোগ্যতা রয়েছে। ওই হিসেবে তাকে দল মূল্যায়ন করলে দলের অবস্থান আগের যে কোন সময়ের তুলনায় চাঙ্গা হবে। তার পক্ষের বেশ কয়েকজন নেতা-কর্মী বলেন, সাবেক তুখোড় ছাত্রনেতা জাহাঙ্গীর আলমকে অবশ্যই সাধারণ সম্পাদক করতে হবে। অন্যথায় দলের মধ্যে ভাঙ্গন ধরবে; কর্মীরাও চরম হতাশ হবে। আশাকরি কেন্দ্রীয় এবং জেলার নেতারা তাকে ওই পদেই স্থান দিবেন। বিএনপি নেতা জাহাঙ্গীর আলম এই প্রতিনিধিকে বলেন, বিগত সময়ে আন্দোলন- সংগ্রাম করতে গিয়ে অনেক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। তবুও দলের পাশে ছিলাম; মাঠ ছেড়ে কোথাও যাইনি। সবকিছু মিলিয়ে আমার দৃঢ় বিশ্বাস রয়েছে দল আমাকে মূল্যায়ন করবে। আমি দায়িত্ব পেলে বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য জীবনের শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে হলেও মাঠে সর্বাত্বক কাজ করবো ইনশাআল্লাহ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কথিত অল্প ও বেশি সংস্কারের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে নির্বাচন: তারেক রহমান

আলোকিত ডেস্ক:

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, কথিত অল্প ও বেশি সংস্কারের আবর্তে ঘুরপাক খাচ্ছে আগামী জাতীয় নির্বাচন। গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে এরই মধ্যে বিভিন্ন টালবাহানা চলছে। জনগণ বিশ্বাস করতে শুরু করেছে যে, সংস্কার নিয়ে সময় ক্ষেপণের আড়ালে সরকারের ভেতরে এবং বাইরে কিছু ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে।

২৮ মে বুধবার বিকাল সাড়ে ৫টায়  নয়াপল্টনে বিএনপির তিন সহযোগী সংগঠন ছাত্রদল, যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশে’ লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

সমাবেশে ঢাকা, সিলেট, ফরিদপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলার নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন।

তারেক রহমান বলেন, পলাতক স্বৈরাচরের সময় আমরা দেখেছি— তারা কীভাবে আদালতকে অবজ্ঞা করেছে। ইশরাক হোসেনের মেয়র পদে শপথ নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের আদালত অবমাননা স্বৈরাচারের সময়ের পুনরাবৃত্তি বলে আমরা মনে করি। তিনি প্রশ্ন রাখেন, যারা আইনের প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন না, তাদের প্রতি আমরা কতটুকু সংস্কার আশা করতে পারি। আমরা মনে করি, পুঁথিগত সংস্কারের চেয়ে ব্যক্তিগত মানসিকতার সংস্কার জরুরি।

তিনি বলেন, তরুণ জনগোষ্ঠীকে প্রাধান্য দিয়ে বিএনপি সব কাজ করছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে কর্মপরিকল্পনা তুলে দিতে গত এক মাস বিভাগী শহরে তারুণ্যের সমাবেশ করেছে। তার আগের দিন ভিন্ন মতাদর্শের তারুণ্যের প্রতিনিধিদের নিয়ে করেছে সেমিনার। কীভাবে দেশকে এগিয়ে নেওয়া যায়, সে মতামত দিয়েছেন তারা।

কৃষকদের বিভিন্নভাবে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযোগিতার পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি। কৃষকদের জন্য ফার্মার্স কার্ড দেওয়া হবে বলে জানান।

তিনি উল্লেখ করেন, প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নবীনদের তারুণ্যকে সমন্বয় করে একাত্তর থেকে চব্বিশের আকাঙ্ক্ষার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে। সম্ভাবনাকে সামনে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এখন আর কথামালার রাজনীতি চলবে না। এখন করতে হবে দৃষ্টান্ত স্থাপন। নারী-পুরুষের জন্য কর্মসংস্থান।

তারেক রহমান বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পরিবারের নারী প্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে। প্রতিমাসে রাষ্ট্রীয়ভাবে সহযেগিতা করা হবে। এতে করে পরিবারগুলো কিছুটা স্বাবলম্বী হবে।

খেলাধুলাকে মূল পেশায় নিয়ে আশার জন্য চেষ্টা করবে বিএনপি। এ জন্য ক্রীড়াকে কারিকুলামে নিয়ে আসা হবে। বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি অন্যন্য ভাষার প্রতি গুরুত্ব দেওয়া হবে। এতে করে আমাদের সন্তানরা বহির্বিশ্বে নিজেদের কাজে লাগবে। চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রযুক্তির সম্প্রসারণ করা হবে। ই-কমার্সের ক্ষেত্র আরও প্রসারিত করতে হবে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সাথে কথা বলেছি।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেন, বেকারত্ব দূরীকরণে বিভিন্ন সেক্টারে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা হবে। তথ্য-প্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে গড়ে তোলা হবে। বিএনপি ই-কমার্স ও আইটি সেক্টরে ব্যাপক উন্নয়ন করতে চায়। দেশের জনগণের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চায়। এ জন্য এক থেকে তিন বছরের কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে।

সরকারি এবং প্রাইভেট সেক্টরকে সমন্বয়ে কাজ করছে বিএনপি। খাল খনন ও বৃক্ষ রোপণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতি পাঁচ বছরে ২৫-৩০ কোটি বৃক্ষ রোপণ করা হবে।

তারেক বলেন, উন্নয়ন এবং উৎপাদনের রাজনীতি শুরু করেছেন জিয়াউর রহমান। জনগণই বিএনপির মূল ভিত্তি। বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশ ও জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী রাষ্ট্র গঠন করবে।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন— বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আবদুল মঈন খান, মির্জা আব্বাস, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এবং সালাউদ্দিন আহমেদ।

যুবদল সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্নার সভাতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি এস এম জিলানী, যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মোহম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এবং ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

যৌথ সঞ্চালনায় ছিলেন স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক রাজিব আহসান এবং ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮মে ২০২৫/মওম

নিজেকে আরো বেটার জায়গায় দেখতে চাই পারসা ইভানা!

বিনোদন, অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী ও মডেল হিসেবে শোবিজে এসেছিলেন পারসা ইভানা। তবে একজন অভিনেত্রী হিসেবেই থিতু হয়েছেন তিনি। এবার তিনি অভিনয় শেখায় মন দিচ্ছেন। সাড়ে ১২ হাজার কিলোমিটার দূরে রয়েছেন।

 

দূর দেশে কেমন যাচ্ছে সময়? দেশ, বন্ধু-বান্ধব মিস করছেন নিশ্চয়ই?

সময় ভালোই যাচ্ছে এখন।

সেগুলো নিয়ে ব্যস্ততা। পাশাপাশি নাচের ওয়ার্কশপ করছি, হিপহপ, মডার্ন ড্যান্স শেখার চেষ্টা করছি। নিজেকে একটু ডেভেলপ করার চেষ্টা করছি। তবে হ্যাঁ, বন্ধু-বান্ধবদের তো অবশ্যই মিস করি। যেখানেই যাই, মনে হয় বন্ধুরা থাকলে সময়টা আরো ভালো কাটত।
অভিনয়ের যে প্রশিক্ষণের জন্য গেছেন, সেটা কেমন চলছে?

খুবই ভালো যাচ্ছে। প্রশিক্ষক স্কট অভিনয়শিল্পী হিসেবে আমাকে বেশ সম্মান করেন। এই কোর্সে আমরা ১২ জন নির্বাচিত হয়েছি। মূলত আমাদের ইম্প্রোভাইজেশন শেখানো হচ্ছে, কিভাবে একটা দৃশ্য আরো ভালো করা যায়, নানা প্রতিবন্ধকতার মধ্যেও কিভাবে নিজের অভিনয়টা প্রমাণ করা যায়। দেখুন, জীবনে তো অনেক কিছুই ঘটে। কিন্তু যখন আমরা অভিনয় করি, তখন সেসব ভুলে যেতে হয়। এই কাজটা আরো কতটা নিখুঁতভাবে করা যায়, সেসব নিয়ে কাজ করছি। আগামী সপ্তাহ থেকে চিত্রনাট্যের ওপর প্রশিক্ষণ হবে। স্কট আমাদের স্ক্রিপ্ট দেবেন, সেটার ওপর পারফরম করতে হবে। এগুলো নিয়ে বেশ এক্সাইটমেন্টের মধ্যে আছি। জুলাই পর্যন্ত এ প্রশিক্ষণ চলবে এখানে।

প্রশিক্ষণে আপনার সহপাঠী যাঁরা, তাঁদের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে উঠছে নিশ্চয়ই?

সবার সঙ্গেই আলাপ হচ্ছে। এ কোর্সে আমি একাই এশিয়ান এবং বাংলাদেশি। বাকি সবাই আমেরিকান কিংবা অনেক দিন ধরে আমেরিকায় থাকেন। কেউ ডালাস থেকে এসেছেন, কেউ ডমিনিকা থেকে; একেকজনের সঙ্গে একেক রকম বন্ডিং হচ্ছে। প্রতিটা ক্লাস ৬ ঘণ্টা। ফলে লম্বা সময় ধরে আমরা একসঙ্গে থাকছি। সব কিছু মিলিয়ে ভালোই কাটছে সময়।

সুমন আনোয়ারের ওয়েব ছবি ‘মির্জা’ মুক্তি পেল গতকাল। কবে কাজটি করলেন? কেমন ছিল অভিজ্ঞতা?

এখানে আমি দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছি; দুই বোন লিজা ও লুনা। আসল টুইস্ট জানতে অবশ্যই পুরো ছবিটা দেখতে হবে। মাস ছয়েক আগে এ ছবিটি করেছিলাম। দারুণ অভিজ্ঞতা। চিত্রনাট্য খুবই ভালো। তবে আমি অনেক এক্সাইটেড ছিলাম, মোশাররফ করিম ভাইয়াকে সহশিল্পী হিসেবে পেয়ে। তাঁকে নিয়ে কী বলব, তাঁর মতো হেলপফুল কো-আর্টিস্ট দেশে খুব কমই আছেন। তিনি শুধু নিজের অভিনয়টুকু নিয়ে ভাবেন না, সহশিল্পীকেও সহযোগিতা করেন। তাঁর সঙ্গে থাকলে আসলেই অনেক কিছু শেখা যায়। বলা যায়, তিনি শিক্ষকের মতো। তো, ‘মির্জা’ নিয়ে আমি ভীষণ আশাবাদী। অনেক কাজই তো করলাম, তবে এখানে একটু ভিন্নভাবে নিজেকে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি।

হ্যাঁ, ঈদ এবার মায়ের সঙ্গে আমেরিকায় করব। দেশে ফিরব আগস্টের শেষদিকে।

যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের পরিকল্পনা আছে?

সে রকম প্ল্যান নেই। অভিনেত্রী হিসেবে আমি পৃথিবীর কোনায় কোনায় অভিনয় করতে চাই। যদি যুক্তরাষ্ট্রে প্রস্তাব পাই, করব; দেশেও ভালো কাজ পেলে করব। মোটকথা, টিপিক্যাল কাজ করতে চাই না। এবার একটু নিজেকে ভাঙতে চাই, একটু ভিন্নভাবে মেলে ধরতে চাই। নির্মাতারা যেন আমাকে নিয়ে ভাবেন। এই প্রশিক্ষণটা যেন কাজে লাগে। ওটিটি, চলচ্চিত্রে অভিনয় করতে চাই। বাকিটা ইন্ডাস্ট্রির ওপর নির্ভর করছে, আমাকে কতখানি সুযোগ দেয়। আমি শুধু এটুকুই বলতে পারি, আগের চেয়ে ম্যাচিওর কাজ করতে চাই। নিজেকে আরো বেটার জায়গায় আমি দেখতে চাই।

ঈদে নতুন আর কোনো কাজ আসবে?

যেহেতু আমি দেশে নেই, ঈদের জন্য কোনো কাজ করা হয়নি। তবে এখানে আসার আগে একটা বিজ্ঞাপনচিত্র করেছিলাম, সেটা হয়তো প্রচার হতে পারে মনে হয়।

দীর্ঘদিন পর আবার শুরু হচ্ছে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’। এই পঞ্চম সিজনে আপনি থাকছেন?

আমি আছি কি না, জানি না। তবে আমি ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ টিমকে শুভকামনা জানাই। আগের সিজনগুলো থেকে এটা অনেক ভালো হোক।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সিরাজগঞ্জে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৫-এর উদ্বোধন

ওয়াসিম সেখ:
“শিশু থেকে প্রবীণ, পুষ্টিকর খাবার সর্বজনীন” এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারাদেশের মতো সিরাজগঞ্জেও শুরু হয়েছে জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ ২০২৫।
২৮ মে বুধবার সকাল ১১টায় সিরাজগঞ্জ কালেক্টরেট ভবন চত্বরে জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এই সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন সিরাজগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) গণপতি রায়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিরাজগঞ্জ জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোঃ নুরুল আমীন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. জুলিয়া আক্তার, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক মোহাম্মদ ফারুক আহমেদ, জেলা তথ্য অফিসের উপপরিচালক মোহাম্মদ আলী, পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের মেডিকেল অফিসার ডা. মোঃ পারভেজ সেখ, সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ হারুন অর রশিদ খান হাসানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গণপতি রায় বলেন, “পুষ্টিহীনতা কেবল একটি স্বাস্থ্য সমস্যা নয়, এটি একটি সামাজিক ও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ। সুস্থ জাতি গঠনে শিশুদের সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।” তিনি সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও মিডিয়াকে এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে আরও কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠান শেষে একটি বর্ণাঢ্য র‍্যালি বের করা হয়, যা কালেক্টরেট ভবন চত্বর থেকে শুরু হয়ে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‍্যালিতে স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধি ও স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
পরে সিভিল সার্জন অফিসের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা, যেখানে বক্তারা শিশু, নারী ও বৃদ্ধদের জন্য সুষম খাদ্য ও সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সিভিল সার্জন ডা. মোঃ নুরুল আমীন সভায় সভাপতিত্ব করেন।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, শিশুদের বেড়ে ওঠায় যেমন পুষ্টি অপরিহার্য, তেমনি গর্ভবতী নারী ও বয়স্কদের জন্যও এটি অত্যন্ত জরুরি। সঠিক পুষ্টির অভাবে দেশের একটি বড় জনগোষ্ঠী নানা জটিলতায় ভুগছে, যা জাতীয় উন্নয়নকে ব্যাহত করছে।
জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহ চলাকালীন জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পুষ্টি বিষয়ক ক্যাম্প, সেমিনার, খাবার প্রদর্শনী ও গণসচেতনতামূলক কার্যক্রম আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান আয়োজকরা।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮মে ২০২৫/মওম

নবীনগরের বাঁশের সাঁকু ভেঙ্গে যাওয়ায় সাত গ্রামের মানুষের দুর্ভোগ

মোঃ আনোয়ার হোসেন 
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার নবীনগর পশ্চিম ইউনিয়নের ফতেহপুর গ্রামের প্রায় শত মিটার দীর্ঘ বাঁশের সাঁকোটি হঠাৎ ভেঙে পড়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। নবীনগর সদরের সাথে ফতেহপুরসহ আশে-পাশের সাতটি গ্রামের মানুষের যাতায়াতের জন্য  দীর্ঘদিন যাবত এই বাঁশের সাঁকোর ওপর নির্ভরশীল ছিলেন।
সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ বয়স্ক ব্যক্তি, রোগী ও গর্ভবতী নারীদের চলাচলে মারাত্মক বিঘ্নের সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের মালামাল পরিবহনে ও বিরম্বনার সৃষ্টি হচ্ছে। স্থানীয়রা জানান- তারা প্রতিবছর নিজেদের অর্থায়নে সাঁকোটি নির্মাণ ও মেরামত করে থাকেন। কিন্ত এটি স্থায়ী সমাধান নয়। ইতিমধ্যে একাধিকবার পাকা সেতুর দাবিতে আবেদন জানানো হলেও এখন পর্যন্ত কর্তৃপক্ষ কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। এলাকাবাসী অবিলম্ব একটি স্থায়ী ও নিরাপদ সেতু নির্মাণের দাবী জানিয়েছেন। যাতে সাত গ্রামের মানুষ নির্বিঘ্নে ও নিরাপদে যাতায়াত করতে পারেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮মে ২০২৫/মওম

সংবাদপত্রে ঈদুল আজহার ছুটি ৫ দিন: নোয়াব

আলোকিত প্রতিদিন/২৮মে ২০২৫/মওম

তারুণ্যের সমাবেশে নির্বাচনের দাবি!

বিশেষ প্রতিনিধি, বিএনপির তিন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন—জাতীয়তাবাদী যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদল আয়োজিত ‘তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ’ চলছে। রাজধানীর নয়াপল্টন ও এর আশপাশের এলাকায় বুধবার (২৮ মে) সকাল থেকে প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে ঢাকা, ফরিদপুর, সিলেট ও ময়মনসিংহ থেকে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের ব্যানারে হাজার হাজার তরুণ-তরুণী সমাবেশে অংশ নিতে এসেছে তারা।

এই প্রজন্ম ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ায় সমাবেশে অংশ নিয়ে নিজেদের মৌলিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছে। ২০১৪ সালের একতরফা এবং ২০১৮ সালের রাতের ভোটের নির্বাচনের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার যে পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তা থেকে বের হতে দ্রুত নির্বাচনের দাবি তুলেছেন তারা। তরুণরা বলছেন, বিগত ১৫-১৬ বছর যে প্রহসন হয়েছে, একাধিক নির্বাচনের আয়োজন হলেও ‘ভোটাধিকার’ শব্দটা তাদের কাছে ‘প্রত্নতাত্ত্বিক’ হয়ে উঠেছে। দ্রুত নির্বাচন অনুষ্ঠানের মধ্যে সেই স্মৃতি ভুলে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখেন তারা।

তীব্র রোদে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনের সামনের রাস্তায় ‘তারেক জিয়া ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ ‘আওয়ামী লীগের দোসর সব, হুঁশিয়ার-সাবধান’ স্লোগান দিচ্ছিলেন সাভার থেকে আসা রুবায়েত ইমতিয়াজ (২৬) নামে এক তরুণ। কথা  বলেন, ১৮ বছর বয়সে ভোটার হয়েছি, কিন্তু আজও ভোট দিতে পারিনি। এতগুলো বছর ধরে নির্বাচনের নামে প্রহসন হয়েছে। আমরা দ্রুত নির্বাচন চাই এখন।

সিলেট থেকে আসা যুবদলের কর্মী মাসরুর হোসেন বলেন, বাবা-মার মুখে শুনেছি ভোটের দিন কেমন হতো। সারাদিন নাকি উৎসবের মতো পরিবেশ থাকতো। পরিবার মিলে ভোটকেন্দ্রে যেত। কিন্তু নিজের চোখে দেখা হয়নি। আমি চাই সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ ফিরে আসুক এবং নিজের ভোটের মাধ্যমে দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে উঠুক। আমার ভোটেই হোক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ।

তরুণদের প্রতিবাদী কণ্ঠে বারবারই উচ্চারিত হচ্ছে— দিনের ভোট রাতে করে যারা, তারা ফ্যাসিবাদী, গণতন্ত্রের শত্রু! তারা পতিত আওয়ামী লীগের শাসনকে স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলছেন, আজ দ্রুত জাতীয় নির্বাচনের দাবি শুধু একটি রাজনৈতিক দলের দাবি নয় বরং একটি ভোটবঞ্চিত প্রজন্মের অন্যতম এখন চাওয়া।

আজকের সমাবেশ কেবল একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচি নয়, বরং তরুণদের ভোটাধিকারের দাবিকে কেন্দ্র করে আয়োজন করা। অনেক তরুণই রাজনীতি থেকে দূরে থাকলেও ভোটের অধিকার নিয়ে এই আন্দোলনে অংশ নিচ্ছেন। তারুণ্যের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার সমাবেশ হয়ে উঠছে তরুণদের অস্তিত্বের রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ।

তরুণদের মধ্যে এখন আর বিএনপি ক্ষমতায় এলে সব ঠিক হয়ে যাবে, এমন ধারণা নেই। তাদের মূল দাবি- অবাধ, সুষ্ঠু নির্বাচন এবং এমন একটি রাষ্ট্র, যেখানে নাগরিকদের ভোটাধিকার থাকবে, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া সুষ্ঠুভাবে চলবে এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আদিত্যের বাড়িতে নারী ভক্ত, পুলিশে ধরিয়ে দিলেন অভিনেতা

বিনোদন ডেস্ক:

শুধু তারকারাই নয়, তাদের ভক্তরাও খবরের শিরোনাম হন কখনও কখনও ; যার নেপথ্যে থাকে বেশ কিছু উদ্ভট কাণ্ড। বিশেষ করে বি-টাউনে এমন ঘটনা যেন নিত্যনৈমিত্তিক। বলিউড তারকাদের সঙ্গে কিছু ভক্তরা এমন কাণ্ড করে বসেন, যার জেরে তারকাদের নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠে।

কিছুদিন আগেই ভাইজান সালমান খানের বাড়িতে অজ্ঞাত দুই ব্যক্তির প্রবেশের ঘটনা ঘটে। ফলে সালমানের নিরাপত্তা ও  সুরক্ষা বলয়ের কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। পুলিশ তাদের আটকের পর যদিও জানা যায়, তারা সালমান খানের ভক্ত।

এবার কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় একই ঘটনা ঘটল বি-টাউনে। ভাইজানের পর এক নারী ভক্ত সরাসরি উপস্থিত হলেন অভিনেতা আদিত্য কাপুরের বাড়ির দরজায়। তবে খালি হাতে যাননি অভিনেতার বাড়িতে; নিয়ে গিয়েছিলেন উপহার। কিন্তু, সেই নারীভক্তও ছিলেন খানিকটা নাছোড় বান্ধা। যার পরিণাম গেল খারাপের দিকেই।

গত সোমবার সন্ধ্যায় শুটিংয়ের জন্য আদিত্য বাড়ির বাইরে ছিলেন। তখনই নায়কের বাড়িতে হাজির হন এক নারীভক্ত। বাড়ির পরিচারিকা দরজা খুলতেই হকচকিয়ে যান। পরিচারিকাকে সেই নারীভক্ত জানান, তিনি আদিত্যর অন্ধ ভক্ত। একগুচ্ছ উপহার নিয়ে তিনি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করেন।

মনে কিছুটা দ্বিধা নিয়েই আদিত্যের পরিচারিকা তাকে বাড়ির ভেতর প্রবেশ করার অনুমতি দেন। তবে বিপত্তি তৈরি হয় আদিত্য বাড়ি ফেরার পর। বাড়ির পরিচারিকা ওই নারীভক্তের সম্পর্কে জানালে আদিত্য তার সঙ্গে দেখা করতে নারাজ হন। এরপর ওই নারীকে চলে যেতে বলেন অভিনেতা, কিন্তু কিছুতেই যেতে চান না সেই নারী।

পরে সোসাইটি নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। এরপর মুম্বাই পুলিশের একটি টিম দ্রুত অভিনেতার বাড়িতে গিয়ে সেই নারীকে আটক করে।  ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর, ঘজালা সিদ্দিকী নামের ওই নারীকে বিনা অনুমতিতে অভিনেতার বাড়িতে প্রবেশ করার অপরাধে তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়।

প্রাথমিক জেরায় জানা গেছে, ওই নারী নাকি দুবাইয়ের বাসিন্দা। আদিত্যর অন্ধভক্ত তিনি। তবে এটাই একমাত্র কারণ নাকি এর পেছনে আছে অন্য কোনও রহস্য,সেটা জানা যাবে তদন্তের পর।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮মে ২০২৫/মওম

সাজার রায় বাতিল, দুদকের মামলায় জুবাইদার সঙ্গে তারেকও খালাস!

বিশেষ প্রতিনিধি, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানের আপিল মঞ্জুর করে তাকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট। এছাড়া এ মামলার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে সাজা দিয়ে বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করা হয়েছে।

অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় একই মামলায় ৯ বছরের দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ক্ষেত্রেও এ রায় প্রযোজ্য হবে। আদালত তারেক রহমানকেও খালাস দিয়েছেন।

বুধবার (২৮ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে আপিলের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এস এম শাহজাহান, কায়সার কামাল ও জাকির হোসেন ভূঁইয়া। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আসিফ হাসান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আব্দুল করিম।

গত সোমবার আইনজীবী এস এম শাহজাহান সাংবাদিকদের বলেছিলেন, যে সম্পত্তিগুলো তারেক রহমানের নামে দেখানো হয়েছে, একটাও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত না, অসাধু না। একটা টাকা বা একটা সম্পত্তিও বাংলাদেশের বাইরে না। বাংলাদেশের বাইরে এই পরিবারের কোনো ঠিকানা নেই।

তিনি আরও বলেন, সেনানিবাসে মইনুল রোডের বাড়িটি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের পরিবারকে দেওয়া হয়েছিল। সেটাও এই মামলায় দুদক বলছে, এটা তারেক রহমানের অর্জিত সম্পদ এবং এটা অবৈধ সম্পদ। অথচ এটা সরকার নিয়মকানুন মেনে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছিল। আরেকটা সম্পত্তি আছে গুলশানে। সেটাও রাষ্ট্রীয়ভাবে দেওয়া। ৩৩ টাকা মূল্যমানের। অথচ মামলায় তারেক রহমানকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দেওয়া হয়েছিল। বিচারের নামে এ রকম প্রহসন আমি আমার ওকালতি জীবনে দেখিনি।

তারেক রহমানের খালাস প্রশ্নে এর আগে আইনজীবী এস এম শাহজাহান বলেন, আমরা আদালতে বলেছি জুবাইদা রহমানের আপিল সামনে রয়েছে। তিনি আইন মেনে যথাযথভাবে আপিল করেছেন। আমাদের এখানে নজির আছে ২১ আগস্ট গ্রেনেড মামলা, গিয়াসউদ্দিন আল মামুনের মামলায়, জিয়া অরফ্যানেজ ট্রাস্ট ও চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় তারেক রহমানের আপিল ছিল না। কিন্তু আমরা প্রধান বিচারপতির আদালতে আবেদন করেছিলাম, যদি মামলায় প্রমাণ না হয় তাহলে যিনি আপিল করতে পারেননি, আপিলকারীকে যদি খালাস দেন সেটা তার বেলায়ও প্রযোজ্য হবে। সেই প্রার্থনা আদালত রেখেছেন। ইতোমধ্যে ৩/৪টি মামলায় তারেক রহমানকে খালাস দিয়েছেন।

তার আগে গত ১৪ মে ডা. জুবাইদা রহমানের তিন বছরের কারাদণ্ডের রায়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে জরিমানা স্থগিত করে ওইদিন আপিল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তাকে জামিন দেওয়া হয়।

গত ১৩ মে আপিল দায়েরে ৫৮৭ দিনের বিলম্ব মার্জনা করেন হাইকোর্ট। বিলম্ব মার্জনার পর ডা. জুবাইদা রহমান সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর তারেক রহমান, জুবাইদা রহমান ও তার মা সৈয়দা ইকবাল মান্দ বানুর বিরুদ্ধে রাজধানীর কাফরুল থানায় মামলা করে দুদক।

এ মামলার বিচার শেষে ২০২৩ সালের ২ আগস্ট জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে তারেক রহমানকে দুই ধারায় মোট ৯ বছর এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালতের তৎকালীন বিচারক মো. আছাদুজ্জামান।

রায়ে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) আইন, ২০০৪-এর ২৬(২) ধারায় তারেক রহমানকে তিন বছর এবং ২৭(১) ধারায় ছয় বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি তাকে তিন কোটি টাকা জরিমানা করা হয়।

জুবাইদা রহমানকে ২৭(১) ধারায় তিন বছরের কারাদণ্ড ও ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়। পরে এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সরকারের নির্বাহী আদেশে তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করা হয়।

২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর স্বামী তারেক রহমানের সঙ্গে লন্ডনের উদ্দেশে দেশ ছাড়েন ডা. জুবাইদা রহমান। ১৭ বছর পর চলতি বছরের ৬ মে শাশুড়ি খালেদা জিয়ার সঙ্গে বাংলাদেশে ফিরে আসেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নেত্রকোণায় মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ

প্রতিনিধি,নেত্রকোণা: নেত্রকোণায় মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ
“এসো দেশ বদলাই পৃথিবী বদলাই”প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে, বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৪-২৫ এর আওতায় তারণ্যের উৎসব -২০২৫ উদযাপন উপলক্ষে নেত্রকোণা সদর উপজেলায় (অনূর্ধ্ব-১৪ ) বালক -বালিকাদের মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণের সমাপনী এবং সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
নেত্রকোণা জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক(সার্বিক) জনাব রাফিকুজ্জামান এর সভাপতিত্বে ২৭ মে সকাল ১১ টায় নেত্রকোণা জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজনে জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষে এ সমাপনী এবং সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
এ সমাপনী ও সনদপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন নেত্রকোণা জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস ,বিশেষ অতিথি হিসেবে আসমা বিনতে রফিক উপজেলা নির্বাহী অফিসার নেত্রকোনা সদর, নেত্রকোণা জেলা প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী (হেলিম),আবুল কাশেম, সদস্য, জেলা ক্রীড়া সংস্থা নেত্রকোনা,আরো উপস্থিত ছিলেন সাঁতার প্রশিক্ষকবৃন্দ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকবৃন্দ। উক্ত মাসব্যাপী সাঁতার প্রশিক্ষণে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং ক্রীড়া ক্লাবের ৩০ জন বালক / বালিকা অংশগ্রহণ করে। অনুষ্ঠান শেষে অতিথিবৃন্দ প্রশিক্ষণ আরতিদের মাঝে সনদপত্র তুলে দেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৮মে ২০২৫/মওম