আজ , ।   
Home Blog Page 361

বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না: ড. আসাদুজ্জামান রিপন

আলোকিত প্রতিবেদক:

জনগণের বিরুদ্ধে যদি কোনো রাজনৈতিক দল অবস্থান নেয়, সেই দল অটোমেটিক বিলুপ্ত হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভুল রাজনীতি করেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, লুটপাট করেছে। জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগ বিলুপ্তির পথে চলে যাবে। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না।

৪ জুলাই শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত ‘সারাদেশের বিভিন্ন স্তরে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ দ্রুত সৃষ্টি করার দাবিতে’ প্রতীকী তারুণ্য সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, এটা নিষিদ্ধ করা না করার বিষয় নয়। তাদের ভুলের রাজনীতির কারণে বাংলাদেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সমর্থন করবে না। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমরা বিজয় লাভ করেছিলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। যে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিল ১৭ বছর আগেই। এই বিজয়ের মধ্যে আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো ছিল মানুষ শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাবে। এমপি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি যারা হবেন, তারা যেন নিজেদেরকে মোগল সম্রাট হিসেবে না ভাবেন- সেই ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটবে। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিসহ সরকারি কর্মকর্তারা জবাবদিহিতার আওতায় আসবেন। সমস্ত কিছুর মধ্যে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকবে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে এবং সরকার জবাবদিহিতার মধ্যে থাকবে। রাষ্ট্র যদি গণতান্ত্রিক হয়, সরকার তাহলে জবাবদিহি করতে বাধ্য হয়।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কিছুদিন আগে একটা আন্দোলন হলো। সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তারা বললেন, তাদেরকে নাকি চাকরি থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কেন যাবে না? তিনি ঘুষ খাবেন, দুর্নীতি করবেন, ১৪ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী ঢাকা শহরে দুইটা বাড়ি বানিয়ে ফেলবেন, বিদেশে ছেলে-মেয়েকে পড়াবেন। এই ঘটনায় একজন মন্ত্রী হলে বলে রাজনীতিবিদরা চোর। আপনি যে মহাচোর, সেই কথাটা আপনাকে বলা যাবে না কেন? এই যে আপনারা অনেকেই মহাচোর, এই ব্যবস্থাটিকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে।

বিএনপি নেতা বলেন, এই যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনটি হয়েছে, এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা সংস্কার চাই। এই মহাচোরদের আমাদেরকে আটকাতে হবে। কিভাবে আটকাবেন? বাংলাদেশে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। আমার দলও অনেক সময় বলে না, ২০০৯ সালেও মহা ডিজাইন করে একটি নির্বাচন হয়েছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার পুনর্বাসিত করার জন্য। ২০০৮-০৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরিকল্পনা করে হয়েছিল, বাংলাদেশটা যেন ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়ে যায়। ভারতের কর্তৃত্ববাদ যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই উদ্দেশ্যে ১/১১ সৃষ্টি হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য ২০০৮-০৯ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল, তার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার অবৈধ শাসন পাকাপোক্ত হয়েছে দীর্ঘ বছরের পর বছর।

রিপন বলেন, বাংলাদেশের ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে যে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনে আমলাতন্ত্র- ডিসি, এসপি, ইউএনওরা দিনের ভোট রাতে করতে সহায়তা করেছে, এখনো তারা প্রশাসনের বিভিন্ন বড় বড় পদে বসে আছে। তারা অনেকেই প্রমোশনের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। আগে তাদের আচরণের জবাবদিহি করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের যেসব লোক ঘাপটি মেরে আছে, বিগত তিনটি নির্বাচনে যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে শেখ হাসিনাকে সাহায্য করেছে, তাদেরকে চাকরি থেকে বিতাড়িত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের বহু লোক আছে, বেকার যুবক রয়েছে, চাকরির লোকের কোনো সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগপন্থি লোকগুলোকে প্রশাসন এবং সচিবালয় থেকে বিদায় করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু, রহিমা শিকদার প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুলাই ২০২৫/মওম 

ইরানের সঙ্গে সংঘাত কূটনৈতিকভাবে সমাধান করা উচিত: ট্রাম্পকে পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ঘণ্টাব্যাপী ফোনালাপ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। ৩ জুলাই বৃহস্পতিবার এ দুই রাষ্ট্রনেতার ফোনালাপে ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-ইসরায়েল সংঘাতসহ বিশ্বের বিভিন্ন ইস্যুতে কথা হয়েছে।

রুশ নেতা ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে জোর দিয়ে বলেছেন, ইরানের সঙ্গে সংঘাতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য সঙ্কট কেবল কূটনৈতিকভাবে সমাধান করা উচিত।

ফোনালাপের পর ক্রেমলিনের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ সাংবাদিকদের বলেন, রাশিয়ার পক্ষ থেকে সব বিরোধপূর্ণ বিষয়, মতপার্থক্য এবং সংঘাতমূলক পরিস্থিতি কেবল রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক উপায়ে সমাধান করতে হবে বলে জোর দিয়ে বলা হয়েছে।

ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধের বিষয়ে ভ্লাদিমির পুতিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে বলেছেন, ইউক্রেন ইস্যুতে মস্কো তার লক্ষ্য ত্যাগ করবে না। তবে পাশাপাশি এই সংঘাত নিয়ে আলোচনার প্রক্রিয়াও চালিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।

ইউরি উশাকভ বলেন, ‘‘আমাদের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতির নেপথ্যে যেসব মূল কারণ আছে, রাশিয়া সেই বিষয়ে যে লক্ষ্য স্থির করেছে সেগুলো অর্জন করবে। এসব লক্ষ্য থেকে রাশিয়া সরে আসবে না।’’

তিনি বলেন, আলোচনার প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার রুশ প্রস্তুতির কথাও উল্লেখ করেছেন প্রেসিডেন্ট পুতিন। উশাকভ বলেন, দুই নেতার এই ফোনালাপ প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী হয়।

সূত্র: এএফপি।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুলাই ২০২৫/মওম 

হিমাচলে টানা বৃষ্টিতে ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস, নিহত অন্তত ৬৩

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বড় ধরনের দুর্যোগের কবলে পড়েছে ভারতের হিমাচল প্রদেশ। রাজ্যটিতে টানা বৃষ্টিপাত, আকস্মিক বন্যাে এবং ভূমিধসে কমপক্ষে ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। চলমান এই দুর্যোগে সেখানে শত শত কোটি রুপির ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া রাজ্যটিতে পাঁচ শতাধিক রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে। একইসঙ্গে বিদ্যুৎ এবং পানির সংকটে পড়েছেন হাজার হাজার মানুষ। ৪ জুলাই শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, ভারতের হিমাচল প্রদেশে টানা প্রবল বর্ষণের ফলে মেঘভাঙা বৃষ্টি, আকস্মিক বন্যা এবং ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৬৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ রয়েছেন আরও বহু মানুষ। সরকার জানিয়েছে, প্রায় ৪০০ কোটি রুপির সম্পদের ক্ষতি হয়েছে, তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও অনেক বেশি হতে পারে।

এই পরিস্থিতিতে রাজ্যের সব জেলায় আগামী ৭ জুলাই (সোমবার) পর্যন্ত ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি রয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত জেলা হচ্ছে মান্ডি। সেখানে ১৭ জন মারা গেছেন এবং কমপক্ষে ৪০ জন নিখোঁজ রয়েছেন।

অন্যান্য জেলা — কাংরা (১৩ জন), চাম্বা (৬), শিমলা (৫) —সহ বিলাসপুর, হামিরপুর, কিন্নর, কুল্লু, লাহুল স্পিতি, সিরমাউর, সোলান ও উনা থেকেও প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে। পুরো রাজ্যে এখন পর্যন্ত ১০০ জনের বেশি আহত, শতাধিক বাড়ি ধ্বংস ও ১৪টি সেতু ভেসে গেছে।

রাজ্য দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের বিশেষ সচিব ডি.সি. রানা বলেন, “আমাদের সিস্টেমে ইতোমধ্যে ৪০০ কোটির ক্ষয়ক্ষতির হিসাব উঠেছে। তবে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি আরও বেশি। আমরা এখন জীবন রক্ষায়, উদ্ধারকাজে ও পুনর্গঠনে মনোযোগ দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, সম্পূর্ণ ক্ষয়ক্ষতির হিসাব পেতে সময় লাগবে। এদিকে চলমান এই দুর্যোগে রাজ্যে ৫০০ টিরও বেশি রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে এবং ৫০০টিরও বেশি বিদ্যুৎ ট্রান্সফর্মার অচল হয়ে পড়েছে। এর ফলে হাজার হাজার মানুষ বিদ্যুৎ এবং পানির সংকটে পড়েছেন। খাদ্য সংকটও তৈরি হয়েছে, যা মানবিক বিপর্যয়ের আশঙ্কা বাড়িয়ে দিয়েছে।

এনডিটিভি বলছে, টানা বৃষ্টি, বন্যা এবং ভূমিধসে মৃত ৬৩ জন ছাড়াও প্রায় ৩০০ গবাদি পশু মারা গেছে। যার মধ্যে ১৬৪টি গরুও রয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া বেশ কিছু ভিডিওতে বন্যায় নদীর ভয়ঙ্কর রূপ এবং কাদামাটির স্রোতে পুরো গ্রাম এবং বাড়িঘর ভেসে যেতে দেখা গেছে।

এছাড়া মানুষকে ধসে পড়া টিলার ধ্বংসস্তূপের মধ্য দিয়ে বাঁচার চেষ্টা করতেও দেখা গেছে। এই বিপর্যয়ের মধ্যে কর্তৃপক্ষ উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে, তবে অবিরাম বৃষ্টির কারণে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুলাই ২০২৫/মওম 

মহররম মাসের ফজিলতপূর্ণ ইবাদত!

ধর্ম ডেস্ক, ইসলামে গুরুত্বপূর্ণ ও তাৎপর্যময় মাস হিসেবে বিবেচিত মহররম মাস। পবিত্র কুরআনে চারটি মাসকে ফজিলতপূর্ণের মধ্যে অন্যতম বলা হয়েছে। আবার হাদিসে মহররম মাসকে মহান আল্লাহ তাআলার বলে ঘোষণা দিয়ে মর্যাদা দেয়া হয়েছে। এ মাসে বিশেষ কিছু ইবাদতের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ইসলাম। ফজিলতপূর্ণ এ মাসের বিভিন্ন নির্দেশনার মধ্যে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ইবাদত সম্পর্কে জেনে নেয়া যাক তাহলে।

গুনাহ বর্জন করা: পবিত্র মহররম মাস হচ্ছে সম্মানিত চারটি মাসের মধ্যে অন্যতম। কুরআনে এ মাসগুলোয় নিজেদের ওপর জুলুম করতে নিষেধ করা হয়েছে। মহান আল্লাহর নাফরমানি ও অবাধ্যতার থেকে বড় জুলুম আর কী হতে পারে? এ ব্যাপারে সৃষ্টিকর্তা বলেন, ‘এই চার মাসের মধ্যে তোমরা (গুনাহ করে) নিজেদের প্রতি জুলুম করো না।’ (সুরা তাওবা, আয়াত: ৩৬)

নফল রোজা রাখা: মহররম মাসের অন্যতম আমলগুলোর একটি নফল রোজা রাখা ধরকার। বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) এ মাসের নফল রোজাকে সর্বোত্তম ঘোষণা করেছেন। একটি হাদিসে এসেছে, আবু হুরায়রা (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, রমজানের রোজার পর সর্বোত্তম রোজা হচ্ছে মহান আল্লাহর মাস মহররমের রোজা। (মুসলিম, হাদিস: ২,৬৪৫)

আশুরার রোজা রাখা: মহররম মাসের বিশেষ ফজিলতপূর্ণ দিন হচ্ছে দশম দিন, অর্থাৎ আশুরা। শরিয়তের দৃষ্টি অনুযায়ী, আশুরার রোজা রাখা মুস্তাহাব আমল। এ ব্যাপারে আবু কাতাদা (রা.) বর্ণনায় হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর একটি হাদিসে আছে, ‘আশুরার এক দিনের রোজার ব্যাপারে আল্লাহর কাছে আমি এ আশা করি যে, তিনি এ রোজার ওসিলায় বান্দার আগের এক বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দেবেন। (মুসলিম, হাদিস: ১,১৬২)

উল্লেখ্য, আশুরার রোজা দুটি, ৯ ও ১০ তারিখ বা ১০ ও ১১ তারিখ। এ ক্ষেত্রে কোনো কোনো আলেম বর্ণিত সব হাদিসের ওপর আমলের সুবিধার্থে ৯, ১০ ও ১১-এ তিনদিন রোজা রাখার কথাও বলা হয়েছে।

তওবা-ইস্তিগফার পাঠ করা: মহররম মাসে নফল রোজা রাখার পাশাপাশি এ মাসের বিশেষ আমল হচ্ছে তওবা-ইস্তিগফার পাঠ করা। কারণ, বিশ্বনবী (সা.) বলেছেন, মহররম মাস আল্লাহর মাস। এ মাসে এমন একটি দিন রয়েছে, যেদিন মহান আল্লাহ তাআলা একটি সম্প্রদায়ের তওবা কবুল করেছেন। (আশা করা যায়) সেদিন অন্যান্য সম্প্রদায়ের তওবাও কবুল করা হবে। (তিরমিজি, হাদিস: ৭৪১)

এ জন্য মহান আল্লাহ তাআলার কাছ থেকে ক্ষমা পাওয়ার আশায় পবিত্র মহররম মাসে বেশি বেশি তওবা-ইস্তিগফার করা উচিত।

বিধর্মীদের সাদৃশ্য পরিত্যাগ করা: ইসলামের ফজিলতপূর্ণ মহররম মাসের দশম দিবসে রোজা রাখত ইহুদিরা। আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘তোমরা আশুরার দিন (মহররমের দশম দিবস) রোজা রাখো এবং তাতে ইহুদিদের বিরুদ্ধাচরণ করো। আশুরার আগে একদিন বা পরে একদিন রোজা রাখো।’ (মুসনাদে আহমদ, হাদিস: ২,১৫৪)।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

পিআর পদ্ধতি চায় যোগ্যতাহীনরা, জনগণ চায় ব্যালটে ভোট দিয়ে সরকার গঠন: আমিনুল হক 

মোঃ জাকির হোসেন, “ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার হওয়ার যোগ্যতা নেই, তারাই পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে নির্বাচন চায়”— এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক।
বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) তেজগাঁও ও শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত সদস্য ফরম বিতরণ ও নবায়ন কর্মসূচির দুটি পৃথক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন-
“আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় সংসদ নির্বাচন হবে এবং সেই নির্বাচনে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। কিন্তু সেই নির্বাচন বানচাল করতেই নতুন ফর্মুলা হিসেবে পিআর পদ্ধতি সামনে আনা হয়েছে, যা জনগণের সাথে একটি প্রতারণা।”
তিনি বলেন, “কিছু নতুন রাজনৈতিক দল পিআর পদ্ধতির কথা বলছে, এটা হাস্যকর। কারণ এই পদ্ধতিতে জনগণের প্রকৃত প্রতিনিধি নির্বাচিত হয় না। আমরা চাই উৎসবমুখর পরিবেশে জনগণের সরব অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হোক।”
আমিনুল হক আরও বলেন, “নির্বাচন নিয়ে যত ষড়যন্ত্রই হোক না কেনো, বাংলাদেশের মানুষ তা মেনে নেবে না। কারণ মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচিত করতে চায়। সেই ব্যালটই হবে ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের একমাত্র মাধ্যম।”
তিনি উল্লেখ করেন, “৫ আগস্টের পর থেকে আমরা অন্তবর্তী সরকারের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়েছি— গত ১৫ বছরে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। এখন মানুষ ভোট দিতে চায়। অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করুন যাতে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হয় এবং সেই সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহি করতে বাধ্য থাকে।”
অন্তবর্তী সরকারের ব্যর্থতার কথা তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, “এক বছর পার হতে চললো, অথচ কোনো সংস্কার হয়নি, স্বৈরাচারের দোসরদের বিচার হয়নি। রাষ্ট্রীয় কোনো কাঠামোগত পরিবর্তনও দেখা যায়নি।”
তিনি বলেন, “গত ১৭ বছর ধরে বিএনপির নেতাকর্মীরা জুলুম-নিপীড়নের শিকার হয়েও রাজপথে আন্দোলন করে স্বৈরাচারের পতন নিশ্চিত করেছে। তাই এই ত্যাগী, পরীক্ষিত, নিবেদিত কর্মীরাই সবার আগে দলের সদস্য পদ নবায়ন করতে পারবে।”
সতর্কবার্তা দিয়ে তিনি বলেন, “যারা দিনে বিএনপি আর রাতে আওয়ামী লীগের সাথে লিয়াজু করে, কিংবা ব্যবসা করে— সেই সুবিধাবাদীরা দলের সদস্য পদ নবায়ন করতে পারবে না। তবে যারা সমাজের ভালো মানুষ এবং বিএনপিকে ভালোবাসে, তাদের আমরা দলে সদস্য নবায়নের সুযোগ দেবো।”
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে আমিনুল হক বলেন, “আপনাদের হাত ধরে যেন ভুলেও আওয়ামী লীগের দোসররা বিএনপির সদস্য না হতে পারে— এই বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।”
শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপির আহবায়ক –
আইনুল ইসলাম চঞ্চল ও তেজগাঁও থানা বিএনপি আহবায়ক ইন্জিঃ মোঃ মিরাজ উদ্দিন হায়দার আরজু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক আহবায়ক সাইফুল আলম নীরব, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক ও সিনিয়র সদস্য আনোয়ারুজ্জামান আনোয়ার, মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন, ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টি, এবিএমএ রাজ্জাক (দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত), গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মুহাম্মদ আফাজ উদ্দিন, মোঃ শাহ আলম, মহানগর সদস্য এল রহমান, মোজাম্মেল হোসেন সেলিম, নূরুল হুদা ভূইয়া নূরু, হাজী নাসির উদ্দিন, মনিরুল আলম রাহিমী, শামীম পারভেজ, হুমায়ুন কবির রওশন, ইব্রাহিম খলিল, এমএস আহমাদ আলী, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সি: যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, ছাত্রদল ঢাকা মহানগর উত্তর সহসভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক সুমন, তেজগাঁও থানা ছাত্রদলের সদস্য মিলন খান, তেজগাঁও থানা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক হাফিজুর রহমান কবির, শিল্পাঞ্চল থানা বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক মাহমুদুল আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবকদল শিল্পাঞ্চল থানার সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক মকবুল হোসেন প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাবেক এমপি এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর

মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সাবেক এমপি এ এম নাঈমুর রহমান দুর্জয়ের চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।  ৩ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ৩টার দিকে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে হাজির করা হলে তার বিরুদ্ধে চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক সাদবীর ইয়াছির আহসান চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে রিমান্ড শুনানি করেন নারী ও শিশু ট্রাইব্যুনালের স্পেশাল পিপি হুমায়ন কবির। আসামিপক্ষ রিমান্ড আবেদন নামঞ্জুর পূর্বক জামিনের আবেদন করেন অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম বাদশাসহ বেশ কয়েকজন সিনিয়র আইনজীবী। উল্লেখ্য, মানিকগঞ্জের ঘিওর, দৌলতপুর এবং শিবালয় উপজেলা নিয়ে মানিকগঞ্জ-১ নির্বাচনি আসন গঠিত। ২০১৪ এবং ২০১৮ সালের নির্বাচনে নৌকার টিকিটে এমপি হন দুর্জয়। ৫ আগস্টের পর দীর্ঘদিন আত্মগোপনে থাকলেও অবশেষে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার লালমাটিয়ার নিজ বাড়ি থেকে তাকে মানিকগঞ্জ সদর থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার করে। এ ছাড়াও দৌলতপুর ও শিবালয় থানায় সাবেক এমপি দুর্জয়ের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক মামলা রয়েছে। পর্যায়ক্রমে মামলাগুলোর শুনানি হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ জুলাই ২০২৫/মওম 

নোয়াখালীতে কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টারে দুদকের অভিযান

প্রতিনিধি,নোয়াখালী:
নানান অনিয়ম, দুর্নীতির অভিযোগে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের অনুমোদনহীন কিডনি ডায়ালাইসিস সেন্টার অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
৩ জুলাই বৃহস্পতিবার দুপুরে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মো.জাহেদ আলম ও দুদকের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস নেতৃত্বে এই অভিযান চালানো হয়।
অভিযোগ রয়েছে,২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের নিজস্ব ল্যাব থাকলেও সরকারি নিয়মের তোয়াক্কা না করে কিউনি ডায়ালাইসিস ইউনিটে স্বতন্ত্র ভাবে আরেকটি ল্যাব পরিচালনা করা হয়। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দ্বারা ডায়ালাইসিস,ক্যাথেটার ও ফিস্টুলা করার কথা থাকলেও এখানে তা করে টেকনেশিয়ান ইসমাইল। সরকারি ভাবে নির্ধারিত ফিস ৫০০শত টাকা হলেও ডায়ালাইসিস ইউনিটে কাথেটার করতে নেওয়া হয় ২ হাজার ৫০০ টাকা দিয়ে এবং ফিস্টুলা করতে হয় ৬হাজার টাকা দিয়ে। যে টেস্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ৭শত টাকা নেওয়া হয়, একই টেস্ট কিডনি ল্যাবে ১৪শত টাকা আদায় করা হয়। এভাবে প্রতিমাসে এই ইউনিট থেকে কমপক্ষে ২০ লক্ষ টাকা অবৈধ ভাবে আয় হয়। যার ভাগ ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির কাছে খাম করে পৌঁছে যায়। এ সকল অবৈধ কাজ নিয়ন্ত্রণ করে ডা. মামুন পারভেজ। ডা.মামুন পারভেজ একজন সরকারি বেতনভুক্ত কর্মচারি হওয়া স্বত্ত্বেও কিউনি ইউনিট থেকে প্রতিমাসে ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে আসছে। ফ্যাসিস্ট সরকারের দোসর ডা.ফজলে এলাহী খানের তদবিরে দীর্ঘ সময় ধরে সে ডায়ালাইসিস এসব অপকর্ম করে আসছে। ডা.মামুন নামের পাশে ভুয়া ডিগ্রি ব্যবহার করেন এবং ৬০০ টাকা ভিজিটে কিডনি বিশেষজ্ঞ পরিচয়ে বাহিরে চেম্বার করেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডা.ফজলে এলাহীর মুফোঠোনে একাধিকবার কল করা হলে সংযোগ পাওয়া যায়নি। তাই এ বিষয়ে তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের ডা.মামুন পারভেজ অভিযোগ নাকচ করে দিয়ে বলেন,মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থেকে এই কিডনি ইউনিট চালানো হচ্ছে। এই ক্ডিনি ইউনিট বন্ধ হলে অনেক সাধারণ রোগী ক্ষতিগ্রস্থ হবে। এখানে কোন দুর্নীতি হয়না। আমি এখন বাহিরের চেম্বারে কোন রোগী দেখিনা।
তবে ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা.মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ অসত্য।
অভিযানের পর এক দুদকের নোয়াখালী কার্যালয়ের কোর্ট পরিদর্শক মো. ইদ্রিস সাংবাদিকদের বলেন, বিভিন্ন অনিয়মের বিষয়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে একটি অভিযান পরিচালনা করা হয়। আজকে আমরা বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করেছি। কিছু বিষয়ে আমরা অভিযোগের সত্যতা পেয়েছি। এ বিষয় গুলোর আমরা কাগজপত্র সংগ্রহ করেছি। এগুলো প্রতিবেদন আকারে প্রধান কার্যালয়ে প্রেরণ করব।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ জুলাই ২০২৫/মওম 

গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া চলমান রাখতে হবে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু 

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ধারাবাহিকভাবে চলমান রাখতে হবে- এই দেশটি আমাদের সকলের, সকলে মিলেই উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে। সব দ্বিধা-দ্ব›দ্ব এবং আন্দোলনকে নিয়ে বির্তক না করে সকলে মিলে ঐক্যবদ্বভাবে আগামির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে- আগামির বাংলাদেশ হবে গণতন্ত্রের বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৩ জুলাই) টাঙ্গাইল মেডিকেল কলেজে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুথান, শোক ও বিজয়ের বর্ষপূর্তিতে কেন্দ্রীয় বিএনপি ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে টাঙ্গাইল জেলা ড্যাবের আয়োজনে স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আগামিতে আমরা সন্ত্রাসমুক্ত, নৈরাজ্যমুক্ত, চাঁদাবাজমুক্ত সমাজ চাই। বিএনপির
ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান দেশনায়ক তারেক রহমান বলেছেন, যারা অন্যায়ের সাথে সম্পৃক্ত হবে,
সামাজিক অপরাধের সাথে সম্পৃক্ত হবে, জনগন দুর্ভোগ পায় এই রকম কাজের সাথে সম্পৃক্ত হবে,
যারা অন্যায়ের সাথে জড়িত থাকবেন- তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে অসংখ্য বিএনপি নেতা গুম হয়েছে, খুন হয়েছে। আমাদের
দেশনেত্রীকে দীর্ঘ ৬ বছর জেলে রাখা হয়েছে। অসংখ্য আলেম-উলামাদের হত্যা করা হয়েছে। আজকে এই আন্দোলনে একমাত্র সংগঠন বিএনপি, যে সংগঠনের পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মী শহীদ
হয়েছেন।
সুলতান সালাউদ্দিন বলেন, আজ জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুথান এক বছর প্রায় পূর্ণ হয়েছে। যদি
আমরা দ্বিধা-বিভক্ত হয়ে যাই যারা শহীদ হলেন, যারা রক্ত দিলেন- তাদের রক্ত কিন্তু প্রশ্ন করবে। এই
জন্যই কি আমরা শহীদ হয়েছি। এ জন্যই কি আমরা রক্ত দিয়েছি। বংলাদেশের মানুষ ফ্যাসিবাদের
বিদায় করেছে- সামনে গণতন্ত্র আসবে এটাই স্বাভাবিক।
এ সময় টাঙ্গাইল জেলা ড্যাবের সভাপতি ডা. আব্দুল মতিনের সভাপতিত্বে রক্তদান কর্মসূচির
উদ্বোধন করেন, টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সভাপতি হাসানুজ্জামিল শাহীন। বিশেষ অতিথি
হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট ফরহাদ ইকবাল, জেলা
বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মাহমুদুল হক সানু প্রমুখ। এসময় টাঙ্গাইল জেলা বিএনপি ও
এর অঙ্গ সংগঠন এবং জেলা ড্যাবের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৩ জুলাই ২০২৫/মওম 

পারমাণবিক জ্বালানি নিরাপত্তায় যৌথ কনভেনশনে স্বাক্ষরের প্রস্তাব অনুমোদন উপদেষ্টা পরিষদে

সকালে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে ঢাকায় তেজগাঁওয়ে তার কার্যালয়ে উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৩ জুলাই ২০২৫/মওম 

গুমের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে : সেনা সদর!

আলোকিত ডেস্ক, গুমের সঙ্গে জড়িত সেনা সদস্যদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে সেনা সদর। সেনাবাহিনীর কিছু সদস্য প্রেষণে বিভিন্নস্থানে কর্মরত থাকেন। ওই সব প্রতিষ্ঠানগুলো সেনাবাহিনী নিয়ন্ত্রণ করে না। কিছু সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে গুমের অভিযোগ পাওয়া গেছে, তাদেরকেও আইনের আওতায় আনা হবে সেনা সদর।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা সেনানিবাসের অফিসার্স মেসে সেনা সদরের উদ্যোগে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ব্রিফিংয়ে সেনা সদরের মিলিটারি অপারেশন্স ডিরেক্টরেটের (কর্নেল স্টাফ) কর্নেল মো. শফিকুল ইসলাম জানান, সেনাবাহিনী সিএমএইচগুলোতে জুলাই আন্দোলনে ৪ হাজার ৭৯০ জনকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বর্তমানে ২২ জন ঢাকা সিএমএইচে-এ ভর্তি আছেন।

তিনি আরো জানান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষার কাজে সেনাবাহিনী নিয়োজিত আছে। কিছুদিন আগে রথযাত্রায় সেনাবাহিনী নিরাপত্তা দিয়েছে। প্রায় ৪০০ জন কিশোর গ্যাংয়ের সদস্যকে আইনের আওতায় আনা হয়েছে বলে তিনি জানান।

কর্নেল শফিকুল ইসলাম জানান, পার্বত্য এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২৩ জন সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অভিযানে ১ সেনা সদস্য মারাও গেছেন সেখানে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি