আজ , ।   
Home Blog Page 360

কালিয়াকৈরে ৩১ দফা বাস্তবায়নে ও দ্রুত সময়ের মধ্যে সংসদ নির্বাচন দেয়ার জন্য বিএনপির সমাবেশ!

কালিয়াকৈর প্রতিনিধিঃ শাহআলম সিকদার,গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট  বিতরণ, সদস্য সংগ্রহ, জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার বিকালে, সফিপুর বাজার ওভার ব্রিজের নিচে , ৩১ দফা বাস্তবায়নে লিফলেট বিতরন,বি এন পির সদস্য সংগ্রহ,সদস্য  নবায়ন,দ্রুত সময়ে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দাবিতে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
কালিয়াকৈর উপজেলা বি এন পির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ হেলাল উদ্দিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সাংগঠনিক সম্পাদক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি বি এন পি, কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল,প্রধান বক্তা ছিলেন,সহ শ্রম বিষয়ক সম্পাদক কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি, মোঃহুমায়ুন কবির খান, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সদস্য জাতীয় নির্বাহী কমিটি বিএনপি, মোঃ মজিবুর রহমান,সাবেক সভাপতি কালিয়াকৈর উপজেলা বি এন পি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল লতিফ,পৌর বিএনপি সাবেক সভাপতি দেওয়ান মোয়াজ্জেম হোসেন,সাবেক সাধারন সম্পাদক কালিয়াকৈর পৌর বিএনপি মোঃ রিয়াজ উদ্দিন,আরো বক্তব্য রাখেন,কালিয়াকৈর উপজেলা বি এন পির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড: কামরুজ্জামান, কালিয়াকৈর ডিগ্রী কলেজের সাবেক ভিপি মোঃ শাহজাহান সিরাজ, কালিয়াকৈর পৌর সাবেক সাংগঠনিক সাংগঠনিক সম্পাদক হারুন অর রশিদ, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি, হযরত আলী মিলন,বোয়ালী ইউনিয়ন বি এন পির সাবেক সভাপতি আলী আজম খান, কালিয়াকৈর উপজেলা ও পৌর বি এন পির সিনিয়র নেতৃবৃন্দ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়াকে আমরা হারতে দেবো না: চীন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যকার চলমান যুদ্ধ ইস্যুতে নিজেদের অবস্থান এবার পুরোপুরি স্পষ্ট করল চীন। রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ মিত্র বলে পরিচিত দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই বলেছেন, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়ার পরাজয় তারা মেনে নেবেন না।বৃহস্পতিবার বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে বৈঠক করেন ওয়াং ই। চার ঘণ্টাব্যাপী সেই কাজা কালাস রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে চীনের চূড়ান্ত অবস্থান জানতে চাইলে ওয়াং বলেন, “বেইজিং কোনোভাবেই এ যুদ্ধে রাশিয়ার পরাজয় মেনে নেবে না। আমরা রাশিয়াকে হারতে দেবো না।”

চীনের এই অবস্থান কী কারণে-তা ও ব্যাখ্যা করেছেন ওয়াং ই। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হলে যুক্তরাষ্ট্রের মনযোগের কেন্দ্রে চলে আসবে চীন এবং এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চল এবং সেক্ষেত্রে ওয়াশিংটনের একমাত্র লক্ষ্যবস্তু হবে চীন।তবে ওয়াং ই দাবি করেছেন, যুদ্ধের শুরু থেকে এ পর্যন্ত মস্কোকে কোনো সামরিক সহায়তা দেয়নি বেইজিং। ইইউ’র পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধানকে তিনি বলেছেন, “চীন যদি রাশিয়াকে সহায়তা দিত, তাহলে এ যুদ্ধ অনেক আগেই শেষ হয়ে যেতো।”

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা, বিরল খনিজ উপাদান, এবং ইইউ-চীন দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে বৈঠকে কথা বলেছেন কাজা কালাস এবং ওয়াং ই।

পরের দিন শুক্রবার চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ের সময় মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাও নিং-কে এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। মাও নিং বলেন, “রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চীনের অবস্থান নৈর্ব্যক্তিক। চীন চায় কূটনীতি, সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণ উপায়ে এই যুদ্ধের অবসান হোক। কারণ এ যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয়— তাহলে কোনো পক্ষই লাভবান হবে না।”

সূত্র : সিএনএন, সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ জুলাই ২০২৫/মওম 

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার এটিএম শামসুল হুদা মারা গেছেন

আলোকিত প্রতিবেদক:

সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এটিএম শামসুল হুদা মারা গেছেন। ৫ জুলাই শনিবার সকালে গুলশানের বাসভবনে মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৩ বছর।

শামসুল হুদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তার ভগ্নিপতি আশফাক কাদেরী।তিনি বলেন, সকাল ৯টায় বাসায় মারা যান সাবেক সিইসি। পরে তাকে হাসপাতালে আনা হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। মরদেহ ইউনাইটেড হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তার মেয়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে দেশে ফেরার পর জানাজা এবং দাফন কাজ সম্পন্ন হবে।

এক মাস আগে ঘরের মধ্যে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেটার চিকিৎসা চলছিল বলেও জানান আশফাক কাদেরী।

২০০৭ সালে ফখরুদ্দীন আহমদ নেতৃত্বাধীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় এটিএম শামসুল হুদা প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব নেন। তিনি কাজ করেন ২০১২ সাল পর্যন্ত। ভোটের আগে সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন হয় এই কমিশনের সময়। সংলাপ করে নির্বাচনী আইন সংস্কার করা হয়। চালু হয় রাজনৈতিক দলের নিবন্ধনের নিয়ম এবং ইভিএম।

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বর নবম সংসদ নির্বাচন করে শামসুল হুদা কমিশন। ৮৭ শতাংশের বেশি ভোটারের উপস্থিতিতে সেই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ২৩০, বিএনপি ৩০ ও জাতীয় পার্টি ২৭ আসন লাভ করে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ জুলাই ২০২৫/মওম 

গণপিটুনিতে নিহত ৩, ইউপি চেয়ারম্যানসহ ৩৮ জনের নামে মামলা!

বিশেষ প্রতিনিধি, কুমিল্লার মুরাদনগরে একই পরিবারের তিনজনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় আকাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালকে প্রধান আসামি করে ৩৮ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। শনিবার ভোরে মামলাটি এফআইআরভুক্ত করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান।

তিনি জানান, নিহত রোকসানা বেগম রুবির মেয়ে রিক্তা আক্তার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেছেন। মামলায় উপজেলার আকাবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লালকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এতে উল্লেখযোগ্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন- কড়ইবাড়ী গ্রামের বাছির মিয়া, বাচ্চু মিয়া, ইউপি সদস্য আবু বক্কর, রবিউল আউয়াল, শরীফুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম, বাবুল মিয়া, এরশাদ হোসেন, বাবুলের বাবা রবিউলসহ ৩৮ জন। মামলায় ২০-২৫ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

 

রিক্তা আক্তার বলেন, ইউপি চেয়ারম্যান শিমুল বিল্লাল এবং ইউপি সদস্য বাচ্চু মিয়ার নির্দেশে হামলা শুরু হয়। এর আগে বাছির মিয়ার নেতৃত্বে একাধিক বৈঠক করা হয়। আমার মা, ভাই ও বোনকে হত্যার ঘটনায় যারা জড়িত আমি তাদের আসামি করেছি। 

 

 

ওসি মাহফুজুর রহমান আরো বলেন, শনিবার ভোরে মামলাটি এফআইআর ভুক্ত করা হয়েছে। এতে এজহার নামীয় ৩৮ জন এবং অজ্ঞাতনামা ২০-২৫ জনকে আসামি করা হয়েছে। আমরা ঘটনার তদন্ত এবং জড়িতদের গ্রেফতারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

‘সাকিব অবৈধ সরকারের এমপি, তা ভুলে গেলে শহীদদের সঙ্গে বেঈমানি হবে’ বললেন আমিনুল হক!

বিশেষ প্রতিনিধি, স্বৈরাচারী আওয়ামী লীগ সরকারের সদস্য ছিলেন সাকিব আল হাসান। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য হয়েছিলেন তিনি। গত ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানে সরকার পতনের আগে থেকেই যে কারণে জনরোষে পড়ে গেছেন দেশের ইতিহাসের সেরা এই ক্রিকেটার।

অবৈধ সরকারের সদস্য হিসেবে তার বিচার রাষ্ট্রই করবে, মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ফুটবল দলের সাবেক অধিনায়ক ও বিএনপি ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আমিনুল হক। তিনি আরও জানান, সাকিব অবৈধ সরকারের এমপি, তা ভুলে গেলে শহীদদের সঙ্গে বেঈমানি হবে।

তাকে নিয়ে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে আমিনুল বলেন, ‘স্বৈরাচারের দোসর এবং অবৈধ সংসদের একজন এমপি সাকিবের বিষয়ে সিদ্ধান্ত রাষ্ট্র নেবে। খেলোয়াড় থাকাকালীন অবৈধ সরকারের প্রলোভনে পড়ে তাঁর এমপি হওয়ার বিষয়টি যদি ভুলে যান, তাহলে ওই যে রক্ত ঝরেছে এবং যাঁদের জীবন গেছে, তাঁদের সঙ্গে বেঈমানি করা হবে।’

এর আগেও সাকিব প্রসঙ্গে আমিনুল একই সুরে কথা বলেছেন। তিনি বলেছিলেন, ‘সাকিব গত ১৭ বছরের স্বৈরাচার সরকারের একজন এমপি হিসেবে জাতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। নিজের সুবিধার জন্য তিনি অবৈধ সংসদে যোগ দিয়েছেন। স্বৈরাচার সরকারের সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের অবশ্যই বাংলাদেশের মাটিতে বিচার হবে, ইনশাআল্লাহ।’

 

২০২৪ সালে দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে মাগুরা-১ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন সাকিব আল হাসান। সাকিবের সংসদে যাওয়ার ইচ্ছা অবশ্য আরও অনেক পুরোনো। ২০১৮ সালের নির্বাচনে মাশরাফি বিন মুর্তজা নড়াইল-২ আসন থেকে নির্বাচিত হয়েছিলেন। সে নির্বাচনেই মনোনয়ন প্রত্যাশীদের একজন ছিলেন সাকিব। সেবার না হলেও ২০২৪ সালের নির্বাচনে ঠিকই নাম লেখান তিনি।

তবে খেলোয়াড়ি জীবন চলাকালেই রাজনীতিতে নাম লিখিয়ে সাকিব তোপের মুখেই পড়েন। তার রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা দেশের ক্রীড়া ও রাজনৈতিক অঙ্গন তো বটেই, জনপরিসরেও সমালোচনা জন্ম দেয়। এরপর গেল বছর জুলাই অভ্যুত্থান চলাকালে তার বিতর্কিত সব মন্তব্য ও পোস্ট তার বিরুদ্ধে জনরোষ আরও বাড়িয়ে দেয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি কি সিকদারই হচ্ছেন!

মোঃ আবদুল ওয়াদুদ, চট্টগ্রাম: কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি কি নুরুল আলম সিকদারই হচ্ছেন? বর্তমানে এমন জল্পনা-কল্পনা চলছে রাজনীতির মাঠে। আলোচনার ঝড় যেন থামছেই না কোথাও। দলীয় নেতা-কর্মীদের মুখে মুখে একটি দাবি-সিকদারকে এবার কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি দেখতে চাই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাঁর অনুসারীরা ওই দাবি জানিয়ে লেখালেখিও করছেন। কারণ; রাজনীতিতে এখনো মাঠ কাঁপাচ্ছেন আলোচিত ওই নেতা। অনেকেই বলছেন-নিন্দুকেরা যাই বলুক, উপজেলা বিএনপি’র অভিভাবক এই নেতাই হচ্ছেন। দীর্ঘ ৩৭ বছরের রাজনীতিতে মেধা, শ্রম, ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও যোগ্যতা বিবেচনায় তাঁর অবস্থান তুঙ্গে। সুতরাং তাঁর বিকল্প এখানে অন্য কেউ নেই। এমনটাই উপজেলার দলীয় নেতা-কর্মী ও সমর্থক এবং হাট- বাজারের সাধারণ লোকজন মন্তব্য করছেন।

স্থানীয় দলীয় সূত্রে জানাগেছে, নুরুল আলম সিকদার বর্তমানে জেলা বিএনপি’র আহবায়ক কমিটি’র সদস্য। এরআগে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র  আহবায়ক ছিলেন। গুঞ্জন রয়েছে কিছু দিনের মধ্যে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র কমিটি ঘোষণা হতে পারে। এতে পদ-পদবী পেতে আগ্রহীরা জেলা এবং কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন। সহানুভুতি কামনা করছেন। সিকদার এক সময় ছাত্র জীবনে তুখোড় প্রভাবশালী ছাত্র নেতা ছিলেন। বসুরহাট সরকারি মুজিব কলেজ শাখার ছাত্রদলের সভাপতি এবং উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পরবর্তীতে ফল স্বরুপ সরাসরি উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন দুইবার। এরপর সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন পর পর দুইবার।

অপরদিকে, অনেক সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সাথে জড়িত আছেন। উপজেলার মুছাপুর ইউনিয়নের সাবেক সফল চেয়ারম্যান ছিলেন তিনি। বিগত ১৭ বছরে অর্ধশত মামলার আসামী হয়েছেন। জেলও খেটেছেন। এখনো ওই মামলা গুলোর কারণে আদালতের বারান্দায় দৌড়ঝাঁপ করতে হয় তাকে। এছাড়াও অন্তত দশবার হামলারও শিকার হয়েছেন। মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছেন বেশ কয়েকবার। হাসপাতালে অনেকদিন চিকিৎসা নিতে হয়েছিল। তবুও দলীয় নেতা-কর্মীদের দোয়ায় সুস্থ হয়ে রাজনীতিতে ছিলেন সক্রিয়। দলের কেন্দ্রীয় ঘোষিত সকল কর্মসূচিতেই তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন বরাবরই। ফ্যাসিস্ট আ’লীগ সরকার পতনের পর এখনো মাঠে-ময়দানে আছেন ত্যাগী এই সিকদার।  তিনি পারিবারিকভাবে প্রতিষ্ঠিত ঐতিহ্যবাহী সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান হিসেবে পরিচিত।

বসুরহাটের সাবেক ছাত্রদল নেতা মিজানুর রহমান বলেন, নুরুল আলম সিকদার অনেক বার হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন। এরপরেও তাঁকে রাজনীতি থেকে কেউ আলাদা করতে পারেননি। এজন্য দলের জেলা আহবায়ক কমিটি’র সদস্য মনোনীত হয়েছেন। দলের বিশ^স্থ এবং মৃত্যুঞ্জয়ী এই নেতাকে এবার উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হিসেবে আমরা দেখতে চাই। কারণ; তাঁর হাতে উপজেলা বিএনপি নিরাপদ থাকবে। তিনি দায়িত্ব পেলে দল আরো এগিয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ। উপজেলা বিএনপি’র সাবেক নেতা জামাল উদ্দিন বলেন, সিকদার উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হলে দলের অবস্থান আগের তুলনায় মজবুত হবে। ফ্যাসিস্টরা দলে ঢুকতে পারবেনা। জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতারা এই বিষয়ে সুনজর দেওয়া জরুরী।

নুরুল আলম শিকদার বহুল প্রচারিত দৈনিক ‘আলোকিত প্রতিদিন’ পত্রিকার এই প্রতিনিধিকে বলেন, আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার সৈনিক হিসেবে বিএনপি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করার জন্য রাজনীতি করছি। আমি উপজেলা নেতৃবৃন্দের পাশে যে কোন পরিস্থিতে আগেও ছিলাম, সামনেও থাকবো। মুছাপুর ইউপি চেয়ারম্যান থাকাকালীন আমি কারও ক্ষতি করিনি; বরং অসহায় মানুষদের কল্যাণে কাজ করেছি। মহান আল্লাহর দয়ায় উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি হলে দলকে অবশ্যই আরো সুসংগঠিত এবং দলীয় নেতা-কর্মীদের নিয়ে মিলেমিশে কাজ করবো।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বগুড়ার চরপাড়ায় ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত

মাজেদুর রহমানঃ
চরপাড়া হাট সিএনজি চালক ঐক্য সমবায় সমিতির উদ্যোগে,৪ জুলাই ২০২৫ শুক্রবার বিকাল চারটায় এক ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করা হয়েছে। উক্ত ফুটবল টুর্নামেন্টের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বগুড়ার মোকাররম ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান এবং ছাতাপট্টি ও লাইন বাজার দোকান মালিক সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম জাহিদ।

খেলা শুরুর আগে খেলার উপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মোকারম ফাউন্ডেশন চেয়ারম্যান জাহিদুল ইসলাম জাহিদ বলেন,  ফুটবল খেলা গ্রাম বাংলার জনপ্রিয় খেলা, অতীতে বগুড়া জেলার সোনাতলা উপজেলার অনেক সুনাম ছিল ফুটবল খেলার জন্য। যেহেতু ফুটবল খেলা এখন অনেকটা অপ-সংস্কৃতির বেড়াজালে নতুন প্রজন্ম ভুলতে বসেছে। আমরা সুস্থ ধারার খেলাধুলার মাধ্যমে যুব সমাজ কে এগিয়ে নিতে চাই। যুব সমাজকে বিভিন্ন ধরনের অপরাধ থেকে ফিরিয়ে আনতে খেলাধুলার কোন বিকল্প নেই।

প্রধান অতিথি আরও বলেন, সময়ের বিবর্তনে হারিয়ে যাওয়া ফুটবল খেলার ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে দলমত নির্বিশেষে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চরপাড়া হাট সিএনজি চালক সমবায় সমিতির উপদেষ্টা মোহাম্মদ আশরাফ আলী, সহ-সভাপতি রঞ্জু মন্ডল, সহ-সভাপতি লিটন প্রামাণিক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শিপন মন্ডল, সাংগঠনিক সম্পাদক মোজাম্মেল হক সরকার, বাবু প্রামানিক,ক্রিড়া সম্পাদক সুজন মিয়া।

উক্ত খেলায় অংশগ্রহণ করেন সিনিয়র একাদশ বনাম জুনিয়র একাদশ।খেলায় জুনিয়র একাদশ ২-১ গোলে সিনিয়র একাদশকে পরাজিত করে।
খেলা শেষে চ্যাম্পিয়ন দলকে একটি খাসি এবং রানার্সআপ দলকে ট্রফি উপহার দেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুলাই ২০২৫/মওম 

বাংলাদেশ এশিয়ান কাপে খেলবে কল্পনাও করেননি ঋতুপর্ণা চাকমা!

ক্রীড়া প্রতিবেদক, ইতিহাস গড়েছে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল। প্রথমবারের মতো এএফসি নারী এশিয়ান কাপে জায়গা করে নিয়ে লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। ঋতুপর্ণা চাকমার জোড়া গোলে শক্তিশালী স্বাগতিক মিয়ানমারকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে এশিয়ার অভিজাত ফুটবলের আসরে জায়গা করে নিয়েছে বাংলার বাঘিনীরা।

অনেক কষ্টের পর এই সাফল্য পেয়েছেন নারী ফুটবলাররা। এই অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো না মিয়ানমারের বিপক্ষে জোড়া গোল করা ঋতুপর্ণার কাছে। ইয়াঙ্গুন থেকে বাফুফের পাঠানো ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘এই অনুভূতি আসলে বলে প্রকাশ করতে পারবো না। আমরা যখন জানতে পারি যে আমরা কোয়ালিফাই করেছি, এটা আসলে কল্পনার বাইরে ছিল। আমরা বহু বছর পর এত কষ্ট করে এশিয়ান কাপের মূল পর্বে জায়গা করে নিয়েছি। এটা আমাদের জন্য বড় একটা অর্জন।

বাংলাদেশের এই সাফল্যে অবদান রয়েছে কোচ পিটার বাটলারের। ঋতুপর্ণাকে এশিয়ার শীর্ষ পর্যায়ের লীগে খেলার যোগ্য বলে মন্তব্য করেছিলেন এই কোচ। বাটলারের প্রশংসা করে ঋতুপর্ণা বলেন, ‘আমরা একজন ভালো কোচ পেয়েছি। উনি সব সময় ভালো চান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নিজ জন্মভূমি নবীনগরে আসছেন উপদেষ্টা ড.সালেহউদ্দিন আহমেদ

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরের সন্তান অন্তর্বর্তী সরকারের অর্থ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ প্রথমবারের মত আগামীকাল ৫ জুলাই সরকারি সফরে নিজ জন্মস্থান নবীনগরে আসছেন। তাঁর সফর সূচী অনুযায়ী সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে তিনি নবীনগর সদরে জেলা পরিষদ ডাক বাংলোতে অবস্থান করবেন। পরে দুপুর ১২টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা প্রশাসনের সম্মেলন কক্ষে স্থানীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নিবেন। বিকেল ৫টায় তিনি ঢাকার উদ্দেশ্যে নবীনগর ত্যাগ করবেন। তাঁর এ সফরে তিনি নিজ পৈতৃক নিবাস নবীনগর উপজেলার দড়ি শ্রীরামপুর গ্রামে যাবেন কি না, তা সফর সূচিতে স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ নাই। ড. সালেহউদ্দিন আহমেদের আগমন উপলক্ষে নবীনগরের জনমনে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি হয়েছে। উপজেলা প্রশাসন থেকেও তার সফরকে কেন্দ্র করে প্রস্তুতি চলছে পুরোদমে। নবীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব চৌধুরী বলেন- “উপদেষ্টা মহোদয়ের আগমন আমাদের জন্য গর্বের। আমরা তাঁকে যথাযথ সম্মানের সঙ্গে বরণ করে নিতে সকল প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে নিয়ে এসেছি। জেলা প্রশাসক মহোদয়ও নিয়মিত খোঁজখবর রাখছেন।” উল্লেখ্য, নবীনগরের সন্তান ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ দেশের খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ। তিনি ২০০৫ সালের ১ মে থেকে ২০০৯ সালের ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকের নবম গভর্নর হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুলাই ২০২৫/মওম 

বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না: ড. আসাদুজ্জামান রিপন

আলোকিত প্রতিবেদক:

জনগণের বিরুদ্ধে যদি কোনো রাজনৈতিক দল অবস্থান নেয়, সেই দল অটোমেটিক বিলুপ্ত হয়ে যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ড. আসাদুজ্জামান রিপন।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ ভুল রাজনীতি করেছে, মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ করেছে, লুটপাট করেছে। জনগণের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে, বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। সুতরাং আওয়ামী লীগ বিলুপ্তির পথে চলে যাবে। বাংলাদেশে ভবিষ্যতে আওয়ামী লীগ বলে কোনো রাজনৈতিক দল থাকবে না।

৪ জুলাই শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে তৃণমূল নাগরিক আন্দোলন আয়োজিত ‘সারাদেশের বিভিন্ন স্তরে লুকিয়ে থাকা আওয়ামী দোসরদের গ্রেপ্তার এবং নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ দ্রুত সৃষ্টি করার দাবিতে’ প্রতীকী তারুণ্য সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।

আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, এটা নিষিদ্ধ করা না করার বিষয় নয়। তাদের ভুলের রাজনীতির কারণে বাংলাদেশের মানুষ আর আওয়ামী লীগের রাজনীতিকে সমর্থন করবে না। বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের রাজনীতি ফিরে আসার কোনো সুযোগ নেই।

তিনি বলেন, আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকারের বিরুদ্ধে আমরা বিজয় লাভ করেছিলাম ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট। যে আন্দোলনটা শুরু হয়েছিল ১৭ বছর আগেই। এই বিজয়ের মধ্যে আমাদের আকাঙ্ক্ষাগুলো ছিল মানুষ শোষণ-বঞ্চনা থেকে মুক্তি পাবে। এমপি, মন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি যারা হবেন, তারা যেন নিজেদেরকে মোগল সম্রাট হিসেবে না ভাবেন- সেই ব্যবস্থার বিলুপ্তি ঘটবে। প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতিসহ সরকারি কর্মকর্তারা জবাবদিহিতার আওতায় আসবেন। সমস্ত কিছুর মধ্যে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা থাকবে। বাংলাদেশ রাষ্ট্রটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হবে এবং সরকার জবাবদিহিতার মধ্যে থাকবে। রাষ্ট্র যদি গণতান্ত্রিক হয়, সরকার তাহলে জবাবদিহি করতে বাধ্য হয়।

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে কিছুদিন আগে একটা আন্দোলন হলো। সরকারি কর্মচারী-কর্মকর্তারা বললেন, তাদেরকে নাকি চাকরি থেকে বাদ দেওয়া যাবে না। কেন যাবে না? তিনি ঘুষ খাবেন, দুর্নীতি করবেন, ১৪ হাজার টাকা বেতনের কর্মচারী ঢাকা শহরে দুইটা বাড়ি বানিয়ে ফেলবেন, বিদেশে ছেলে-মেয়েকে পড়াবেন। এই ঘটনায় একজন মন্ত্রী হলে বলে রাজনীতিবিদরা চোর। আপনি যে মহাচোর, সেই কথাটা আপনাকে বলা যাবে না কেন? এই যে আপনারা অনেকেই মহাচোর, এই ব্যবস্থাটিকে জবাবদিহিতার মধ্যে আনতে হবে।

বিএনপি নেতা বলেন, এই যে গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে পরিবর্তনটি হয়েছে, এই পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে আমরা সংস্কার চাই। এই মহাচোরদের আমাদেরকে আটকাতে হবে। কিভাবে আটকাবেন? বাংলাদেশে ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে। আমার দলও অনেক সময় বলে না, ২০০৯ সালেও মহা ডিজাইন করে একটি নির্বাচন হয়েছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতার পুনর্বাসিত করার জন্য। ২০০৮-০৯ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচন পরিকল্পনা করে হয়েছিল, বাংলাদেশটা যেন ভারতের একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়ে যায়। ভারতের কর্তৃত্ববাদ যেন প্রতিষ্ঠিত হয়। সেই উদ্দেশ্যে ১/১১ সৃষ্টি হয়েছিল এবং সেই উদ্দেশ্য পূরণ করার জন্য ২০০৮-০৯ সালে যে নির্বাচন হয়েছিল, তার মাধ্যমে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার অবৈধ শাসন পাকাপোক্ত হয়েছে দীর্ঘ বছরের পর বছর।

রিপন বলেন, বাংলাদেশের ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২৪ সালে যে তিনটি বিতর্কিত নির্বাচন হয়েছে, সেই নির্বাচনে আমলাতন্ত্র- ডিসি, এসপি, ইউএনওরা দিনের ভোট রাতে করতে সহায়তা করেছে, এখনো তারা প্রশাসনের বিভিন্ন বড় বড় পদে বসে আছে। তারা অনেকেই প্রমোশনের জন্য দৌড়ঝাঁপ করছেন। আগে তাদের আচরণের জবাবদিহি করতে হবে। জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়ার সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে হবে। প্রশাসনের মধ্যে আওয়ামী লীগের যেসব লোক ঘাপটি মেরে আছে, বিগত তিনটি নির্বাচনে যারা বিতর্কিত কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে শেখ হাসিনাকে সাহায্য করেছে, তাদেরকে চাকরি থেকে বিতাড়িত করে আইনের আওতায় আনতে হবে। বাংলাদেশের বহু লোক আছে, বেকার যুবক রয়েছে, চাকরির লোকের কোনো সমস্যা নেই। আওয়ামী লীগপন্থি লোকগুলোকে প্রশাসন এবং সচিবালয় থেকে বিদায় করার জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।

আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মফিজুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন বুলু, রহিমা শিকদার প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/০৪ জুলাই ২০২৫/মওম