সিরাজগঞ্জে প্রান্তিক পোল্ট্রি খামারিদের নিয়ে উঠান বৈঠকে উপদেষ্টা ফরিদা আখতার
টাঙ্গাইলে ট্রাকের চাপায় মোটরসাইকেল চালক নিহত
আসুন, বিভেদ নয়, দলকে প্রাধান্য দিয়ে আদর্শিক রাজনীতিতে বলীয়ান হই”: জামাল হোসেন
টাঙ্গাইলে সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নির্বাচনী এলাকা পরিদর্শন
খাদ্যের অভাবে কঙ্কালসার হয়ে গেছে গাজার শিশুরা!
আলোকিত ডেস্ক, ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে সকল প্রকার আন্তর্জাতিক সহায়তা বন্ধ করে রেখেছে ইসরায়েল। ফলে গাজায় ফুরিয়ে গেছে শিশুখাদ্য। দখলদার বাহিনী বেসামরিক জনগণের বিরুদ্ধে ক্ষুধাকে যুদ্ধের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে তারা। পরিস্থিতি এতোটাই খারাপ যে, সেখানকার শিশুদের অবস্থা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে।
তিনি আরও বলেন, ‘কী ভয়াবহ পরিস্থিতি তা বর্ণনা করার ভাষা আমার নেই। এই মুহূর্তে আমাদের হাতে প্রায় এক সপ্তাহের মতো ফর্মুলা (শিশুখাদ্য) আছে। কিন্তু হাসপাতালে ভর্তি শিশুদের বাইরেও অনেক শিশু আছে, যাদের জন্য কোনো দুধই নেই। ভয়াবহ ব্যাপার চলছে এখানে।’
পাঁচ সন্তানের জননী ২৭ বছর বয়সী হানাআ আল-তাওয়িল বর্তমানে নুসেইরাত শরণার্থী শিবিরে বাস করছেন। এই নারী জানান, তিনি নিজেই পর্যাপ্ত খাবার পান না। তাই নিজের সন্তানের জন্য বুকের দুধও তৈরি হচ্ছে না। ১৩ মাস বয়সী সন্তানের জন্য শিশুখাদ্য খুঁজতে খুঁজতে হয়রান হয়ে যাচ্ছেন এই মা।
এতো দিন বিশেষজ্ঞরা বারবার যে দুর্ভিক্ষের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন, আজ তা বাস্তবে রূপ নিয়েছে।
গাজার ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে খাবারকে মানুষ মারার কৌশল হিসেবে বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে ইসরায়েলি বাহিনী।
শিশুদের অবস্থার ভয়বহতা বর্ণনা করতে গিয়ে এক ডাক্তার বলেন, ‘ওরা শুধু চামড়া ও হাড্ডিসার হয়ে গেছে।’
গাজার স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৬৬ ফিলিস্তিনি শিশু অনাহারে মারা গেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
সরাইল শাহবাজপুরে ৯ বছরের শিশুকে ধর্ষণ করে মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা
‘ছাত্রী মোটা না চিকন’ ইমোতে দেখতে চাওয়া সেই ইবি শিক্ষক বরখাস্ত!
বিশেষ প্রতিনিধি, ইমোতে ছাত্রীকে ‘মোটা না চিকন’ এমন আপত্তিকর মন্তব্য করে দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন তিনি। শুধু তা-ই নয়, হোয়াটসঅ্যাপ-ম্যাসেঞ্জারে ছাত্রীদের উদ্দেশে চলতো কুরুচিপূর্ণ বার্তা ও ভিডিও কলের মাধ্যমে অশালীন কথাবার্তা। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. আজিজুল ইসলামকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
শনিবার (৫ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের সই করা অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়। একই সঙ্গে আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।
অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ছাত্রীদের যৌন হয়রানি, ক্লাসে পোশাক ও শরীর নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য, অনৈতিক বার্তা পাঠানো এবং ভিডিও কলে আপত্তিকর আলাপচারিতার মতো একাধিক অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে আজিজুল ইসলামের বিরুদ্ধে। এসব অভিযোগে ইতিমধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় উঠেছে, পাশাপাশি সংবাদ মাধ্যমেও তা প্রকাশিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি চরমভাবে ক্ষুণ্ন হয়েছে। ফলে প্রশাসন তাকে ৫ জুলাই থেকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয়।
এ বিষয়ে বিভাগের সভাপতি বরাবর গত ২২ জুন লিখিত অভিযোগ দেন কয়েকজন ছাত্রী। এরপর ২৮ জুন তাকে বিভাগের সব ধরনের একাডেমিক কর্মকাণ্ড থেকে বিরত রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। তবে শিক্ষার্থীরা এতে অসন্তুষ্ট থেকে তার স্থায়ী বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলনে নামে এবং ২ জুলাই উপাচার্যের কাছে নতুন করে অভিযোগ জমা দেয়।
ঘটনার তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছেন। এই কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. নাজিমুদ্দিনকে। অন্যান্য সদস্যরা হলেন—লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. ফকরুল ইসলাম, বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. খোন্দকার আরিফা আক্তার এবং আইন বিভাগের অধ্যাপক ড. মাকসুদা আক্তার। কমিটিকে আগামী ২০ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. নাজিমুদ্দিন বলেন, “আমরা চিঠি পেয়েছি। তদন্ত একটি আইনগত প্রক্রিয়া, যথাযথভাবে তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে নির্ধারিত সময়েই রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
আমার নাকি দুইটা বিয়ে হয়েছে, তিন নম্বর বিয়ের অনুসন্ধান চলছে : তানজিন তিশা
বিনোদন ডেস্ক:
দীর্ঘদিন ধরে মার্কিন মুলুকে বাস করছেন অভিনেতা জায়েদ খান। সেখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে নিয়মিত পারফর্ম করছেন তিনি। ঘুরে বেড়াচ্ছেন যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে। এর মধ্যেই নতুন এক ভূমিকায় দেখা মিলবে এই নায়কের। নিউইয়র্ক থেকে প্রকাশিত গণমাধ্যম ঠিকানা-টিভিতে টক শো নিয়ে হাজির হচ্ছেন জায়েদ। এর শিরোনাম ‘ফ্রাইডে নাইট উইথ জায়েদ খান’।
এই অনুষ্ঠানের উপস্থাপক হিসেবে জায়েদ খান নিয়মিত থাকছেন। প্রতি শুক্রবার রাতে দর্শকদের সামনে নতুন নতুন অতিথি নিয়ে হাজির হবেন তিনি। যার শুরুটা করেছেন অভিনেত্রী তানজিন তিশাকে নিয়ে।
জায়েদের সেই অনুষ্ঠানে হাজির হয়ে ব্যক্তিজীবনের বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে কথা বলেছেন তিশা। যেখানে উঠে এসেছে অভিনেত্রীর ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, তাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন গুজবের উত্তরও।

অভিনেত্রীর কাছে জানতে চাওয়া হয়, তোমাকে নিয়ে ছড়িয়ে পড়া একটি গুজব সম্পর্কে বলো— জবাবে তিশা বলেন, ‘অনেক গুজব শুনেছি। তবে এর মধ্যে একটা হচ্ছে- আমার নাকি দুইটা বিয়ে হয়েছে, তিন নম্বর বিয়ের অনুসন্ধান চলছে! আর, আমার একটা বেবি আছে, যাকে তার দাদির কাছে লুকায় রাখছি।’
তানজিন তিশা বলেন, ‘এসব গুজব শুনে আমি আমার পরিবার, সকলে মিলে অনেক হাসছি। কারণ ওই বেবিটা আমার বোনের।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ জুলাই ২০২৫/মওম
এসআই সেজে থানায়, স্যার’ ডাকেই ধরা পড়লেন ভুয়া নারী এসআই
গাজায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত ৬১৩ জন নিহত: জাতিসংঘ
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর জানিয়েছে, ইসরায়েলি হামলায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল সমর্থিত গাজা গাজা হিউম্যানিটেরিয়ান ফাউন্ডেশন (জিএইচএফ) পরিচালিত ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র এবং অন্যান্য সংস্থা পরিচালিত মানবিক সহায়তা বহরের আশপাশে অন্তত ৬১৩ জন নিহত হয়েছেন। ৪ জুলাই শুক্রবার জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতরের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি জেনেভায় সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ৬১৩টি হত্যার ঘটনা নথিভুক্ত করেছি। এটি ২৭ জুন পর্যন্ত হিসাব। এরপর আরও কিছু ঘটনা ঘটেছে।’ ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ খবর জানিয়েছে।
জাতিসংঘ-নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থাকে এড়িয়ে জিএইচএফ যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি নিরাপত্তা এবং লজিস্টিক কোম্পানির সহায়তায় গাজায় ত্রাণ সরবরাহ করছে।
ইসরায়েলের দাবি, জাতিসংঘ-নেতৃত্বাধীন ব্যবস্থায় হামাস জঙ্গিরা ত্রাণ ছিনিয়ে নিচ্ছে। তবে জাতিসংঘ এই জিএইচএফ পদ্ধতিকে বিপজ্জনক এবং মানবিক নিরপেক্ষতার নীতিমালার লঙ্ঘন বলে আখ্যা দিয়েছে।
রাভিনা শামদাসানি আরও বলেন, জিএইচএফ ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্র এবং মানবিক সহায়তা বহরের আশপাশে হামলা চালাচ্ছে ইসরায়েল। এসব মানবিক সংস্থার মধ্যে জাতিসংঘও রয়েছে। িজিএইচএফ মে মাসের শেষ দিকে গাজায় খাদ্য প্যাকেট বিতরণ শুরু করে। সংস্থাটি একাধিকবার দাবি করেছে যে তাদের বিতরণ কেন্দ্রে কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি।
তবে জাতিসংঘের মানবাধিকার দফতর (ওএইচসিএইচআর) জানিয়েছে, ৬১৩ জন নিহতের মধ্যে ৫০৯ জন নিহত হয়েছেন জিএইচএফ বিতরণকেন্দ্রগুলোর আশেপাশে।
ওএইচসিএইচআর বলেছে, তাদের এই হিসাব বিভিন্ন উৎস থেকে সংগৃহীত। যেমন: হাসপাতাল, কবরস্থান, পরিবার, ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষ, এনজিও এবং স্থলভিত্তিক অংশীদারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে এ হিসাব করেছে তারা।
সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, তারা নতুন নতুন প্রতিবেদন যাচাই করছে এবং এখনও নির্দিষ্টভাবে জানাতে পারছে না যে ঠিক কোথায় কতজন নিহত হয়েছেন।
জিএইচএফ আগেই রয়টার্সকে জানিয়েছিল, তারা পাঁচ সপ্তাহে ৫ কোটির বেশি খাবার সরবরাহ করেছে ক্ষুধার্ত ফিলিস্তিনিদের মাঝে। সংস্থাটির অভিযোগ, অন্যান্য ত্রাণ সংস্থাগুলোর প্রায় সব ত্রাণ লুটপাট হয়ে গেছে। ইসরায়েল ১৯ মে গাজার উপর প্রায় ১১ সপ্তাহের ত্রাণ অবরোধ তুলে নেয়।
তবে জাতিসংঘের মানবিক সমন্বয় দফতর রয়টার্সকে জানিয়েছে, কিছু সহিংস লুটপাট এবং ট্রাক চালকদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।
মানবিক বিষয়ক সমন্বয় দফতরের মুখপাত্র এরি কানেকো এক বিবৃতিতে রয়টার্সকে বলেন, একটি দখলদার শক্তি হিসেবে, ইসরায়েলের দায়িত্ব গাজার জননিরাপত্তা এবং আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা। এর মধ্যে পড়ে -একাধিক ক্রসিং ও রুট ব্যবহার করে আরও বেশি জরুরি ত্রাণ প্রবেশ করতে দেওয়া- যাতে মানবিক চাহিদা পূরণ করা যায়।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনও মন্তব্য করেনি ইসরায়েলি সামরিক বাহিনীর ত্রাণ সমন্বয় সংস্থা। তবে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী সোমবার স্বীকার করেছে যে গাজায় ত্রাণ বিতরণ কেন্দ্রে ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুই বছরব্যাপী ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে গাজার অধিকাংশ এলাকা ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। ২০ লাখেরও বেশি বাসিন্দা গৃহহীন হয়েছে। ফলে খাদ্য এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মারাত্মক সংকট দেখা দিয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ জুলাই ২০২৫/মওম

