আজ , ।   
Home Blog Page 356

নীলফামারীতে ছয় দফা দাবী বাস্তবায়নে হেলথ এ্যাসোসিয়েশনের কর্মসূচি

উজ্জ্বল আহমেদ- বিশেষ প্রতিনিধিঃ ছয় দফা দাবী বাস্তবায়নে নীলফামারীতে সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি হয়েছে বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়েশন নীলফামারী জেলা শাখার ব্যানারে। এতে একাত্বতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন জেলা বিএনপির সভাপতি আলমগীর সরকার ও জেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ড. খায়রুল আনাম।
মঙ্গলবার(৮জুলাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এই কর্মসুচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচি চলাকালে বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়েশন নীলফামারী জেলা শাখার সভাপতি আনজারুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান। অন্যান্যের মধ্যে সংগঠনের জেলা সাংগঠনিক সম্পাদক জিকরুল হক সম্রাট, ডিমলা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক রবিউল করিম, জলঢাকা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মানিকুজ্জামান মানিক, কিশোরীগঞ্জ উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মনোয়ারুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
বাংলাদেশ হেলথ এ্যাসিস্ট্যান্ট এ্যাসোসিয়েশন নীলফামারী জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মমিনুর রহমান জানান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর কর্তৃক প্রস্তাবিত মাঠ পর্যায়ে কর্মরত স্বাস্থ্য সহকারীদের ১৪তম গ্রেড প্রদান, ইন সার্ভিস ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ১১তম গ্রেডে উন্নিতকরণ, টেকনিক্যাল পদমর্যাদা প্রদান, পদোন্নতির ক্ষেত্রে ধারাবাহিকভাবে পরবর্তি উচ্চতর গ্রেড প্রদানের দাবী করে আসছে। আমরা এই কর্মসূচি থেকে দ্রুত ছয় দফা দাবী বাস্তবায়নে জোড় দাবী জানাচ্ছি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নির্বাচনের তারিখ কবে আমি নিজেও জানি না: সিইসি!

বিশেষ প্রতিনিধি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ, এম, এম, নাসির উদ্দিন বলেছেন, ইলেকশনের তারিখ নিয়ে আর কোন কথা আমি বলবো না। সকালে একবার বলেছি, ইলেকশনের তারিখ তো আমি নিজেও জানি না। আমি আপনাদেরকে জানাবো। দুই মাস আগে জানাবো, পুরো ডিটেইলস জানায়ে দেবো।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে রিপোর্টার্স ফোরাম ফর ইলেকশন অ্যান্ড ডেমোক্রেসি (আরএফইডি) আয়োজিত ফল উৎসবে তিনি আরও বলেন, কোন দিন ভোট হবে, কোন দিন নমিনেশন হবে, ডিটেইল জানিয়ে দেবো আমরা। ভোটের তারিখের আগে সুতরাং এর জন্য একটু ধৈর্য ধরেন। যথাসময়ে আপনারা জানতে পারবেন আর আমাদের প্রস্তুতির বিষয়ে আপনারা জানেন।

সিইসি বলেন, আমাদের প্রশাসন গার্ডারে তাদের যে, ইমেজ ক্ষুণ্ন হয়েছে, এদের ভাবমূর্তি সিরিয়াসলি এফেক্টেড হয়েছে। পুলিশের ভাবমূর্তি সিরিয়াসলি এফেক্টেড হয়েছে। এই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের এটাই হচ্ছে সুযোগ। আমার সহকর্মীরা যারা এই ইলেকশনের সঙ্গে জড়িত থাকবেন, তাদের কাছে করজোরে আবেদন জানাবো যে, আপনারা মানুষের শ্রদ্ধা অর্জনের চেষ্টা করুন। ভাবমূর্তি যেটা নষ্ট হয়েছে, সেটা থেকে আমরা-আপনারা উঠে আসুন এবং আমরা প্রমাণ করতে চাই। আমরা পারি, সরকারি কর্মচারীরা পারে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পারে, যদি তারা সত্যিকার অর্থে আন্তরিক হয়।

তিনি বলেন, আমি প্রমাণ করতে চাই বা আপনাদের মাধ্যমে তাদের কাছে আবেদন থাকবে। আসুন আমরা প্রমাণ করি আমরা ৯১-তে যেমন পেরেছি, ৯৬-তে যেমন পেরেছি, ২০০১-এ যেমন পেরেছি, এবারও ইনশাল্লাহ সেভাবে আমরা প্রমাণ করে ছাড়বো। আমাদের এই ক্যাপাবিলিটি আছে, এই সক্ষমতা আমাদের আছে এবং আমরা চাইলে এটা করতে পারি। আমি সেই মেসেজটা আপনাদের মাধ্যমে আমার সহকর্মীদের দিতে চাই।

তিনি আরও বলেন, আপনারা সিরিয়াসলি এবং তারা প্রিপারেশন নিচ্ছে যাতে, একটা সুষ্ঠু নির্বাচন ও এক্সেপটেবল, ক্রেডিবল নির্বাচন যাতে আমরা উপহার দিতে পারি সেই মেসেজটা আপনারা দয়া করে দেবেন। আমাদের একটা চারিত্রিক বৈশিষ্ট হয়ে গেছে, পজিটিভ একটা ক্যাপশন দিলে কেউ পড়তে চায় না। নেগেটিভ যদি কিছু একটা লেখেন এটা আগ্রহ করে দেখেন। সাংবাদিকদেরকে আমরা পার্টনার করে আমাদের অ্যাওয়ারনেস রেজিং ক্যাম্পেইনের মধ্যে ইনভলভ করবো। এই প্রোগ্রাম আমাদের আছে, আশা করি ইনশাল্লাহ বাস্তবায়ন করতে পারবো।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আরএফইডির সভাপতি কাজী জেবেল এবং অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানী।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নাগরপুরে ভুয়া ডাক্তারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা

প্রতিনিধি,নাগরপুর (টাঙ্গাইল):
টাঙ্গাইলের নাগরপুর বাজারে চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা ও নানা অনিয়মের দায়ে মো. আব্দুল হাই নামের এক ভুয়া ডাক্তারকে এক লাখ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। ৮ জুলাই মঙ্গলবার বিকেলে এ অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট দ্বীপ ভৌমিক।
অভিযানে প্রসিকিউশন টিমের নেতৃত্বে ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা.মো. হাফিজুর রহমান।
জানা গেছে, মো. আব্দুল হাই দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে চিকিৎসক পরিচয়ে পরিচিত করিয়ে রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। তার নামে চালানো একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ছিল না কোনো বৈধ লাইসেন্স। এছাড়া সেখানে ব্যবহৃত হচ্ছিল মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল রিয়াজেন্ট এবং ফার্মেসিতে পাওয়া যায় মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধের মজুদ।
অভিযোগের বিবরণ অনুযায়ী, তার বিরুদ্ধে যে গুরুতর অপরাধগুলো পাওয়া গেছে তা হলো:
চিকিৎসক না হয়েও ভুয়া ডাক্তারি পদবি ব্যবহার করে জনসাধারণকে চিকিৎসা সেবা দেওয়া
অনুমোদন ছাড়া নিজেই আল্ট্রাসনোগ্রাম রিপোর্ট তৈরি ও প্রদান
ল্যাবে সংরক্ষিত মেয়াদোত্তীর্ণ কেমিক্যাল ব্যবহারের প্রমাণ
হালনাগাদ লাইসেন্স ছাড়াই ডায়াগনস্টিক সেন্টার পরিচালনা
ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ মজুদ
এছাড়া বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন, ২০১০-এর ২৮ ও ২৯ ধারার আওতায় মো. আব্দুল হাই-কে দোষী সাব্যস্ত করে ১ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, জনস্বার্থে এ ধরণের অভিযান নিয়মিতভাবে পরিচালনা করা হবে। চিকিৎসার মতো সংবেদনশীল খাতে ভুয়া ডাক্তার এবং অনিয়মকারীদের কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

শাজাহানপুরে গৃহবধু সুমাইয়ার রহস্যজনক ফাঁসির ঘটনা যেন ধুম্রজাল

দুলাল হোসেন:

বগুড়ার শাজাহানপুরে গৃহবধু সুমাইয়ার রহস্যজনক ফাঁসির ঘটনা যেন ধুম্রজালের সৃস্টি হয়েছে। গত ২৫শে জুন উপজেলার আড়িয়া রহিমাবাদ এলাকার ওয়াহেদ আলীর একটি ভাড়া বাসা থেকে গৃহবধু সুমাইয়া খাতুন(৩২) নামের গলায় ওড়না পেঁচানো ফাঁসি দেওয়া অর্ধগলিত ২/৩ দিনের মরদেহ উদ্ধার করেন পুলিশ। জানাগেছে, গত ৪ মাস পূর্বে রাজু মিয়া(৩৭) পিতা: হায়দার আলী এবং রাকিবুল ইসলাম পিতা: মতিউর রহমান উভায় উপজেলার খরনা ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। রাজু মিয়া নিজেকে স্বামীও রাকিবুলকে ভাতিজা পরিচয়ে বাসা ভাড়া নেন ওয়াহেদ আলী কাছে। তারা সেখানেই বসবাস করছিল। অন্যদিকে ওয়াহেদ আলীর স্ত্রী জানান তারা বেশিভাগ সময় দিনের বেলা ১১টা থেকে ১২টায় ঘুম থেকে উঠত। তাদের সাথে আমাদের দেখা-সাক্ষাৎ কম হতো। এখানে তারা দুইজন ছাড়া অন্য কেউ যাতায়াত করতো না। রাকিবুল হাটবাজার করে দিত তাদের। এছাড়া ঘরের ভিতরে আওয়াজও রান্না বাড়া এবং পাতিলে শব্দ শোনা যেত। বেশিভাগ সময় তারা ঘরের ভিতরেই থাকতো। সে আরও জানান গত ২৩জুন তাদের সাড়া শব্দ না পেয়ে ডাকাডাকি করলে কোন ধরনের শব্দ না পেয়ে পরের দিন ২৪ জুন স্বামী ওয়াহেদ আলী কে জানালে সে রাত্রি ১০টায় বাড়িতে ফিরে আবারও তাদের ডাকা-ডাকি করে সাড়া না পেয়ে পরদিন সকালে ওই ওর্য়াডে মেম্বার তাজুল ইসলামকে জানালে সেখানে আরও প্রতিবেশিদের জমায়েত হতে থাকে। এক পর্যয়ে জানালার ফাঁক দিয়ে সুমাইয়ার গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান। পরে থানা পুলিশকে জানানো হলে মরদেহ উদ্ধার করে হালসুরৎ এর জন্য মেডিকেলে না পাঠিয়ে থানা
এলাকা তার মরদেহ বেশকিছু সময় ভ্যানের উপর রাখাতে দেখা যায়। প্রাথমিক ভাবে পুলিশের হালসুৎে রির্পোট সম্পর্কে জানতে চাইলে পুলিশ প্রশাসন জানান তেমন কিছুই অনুমান যায়নি তবে ফাঁসির ঘটনায় আমরা অপমৃত্যু হিসেবে ইউডি মামলা নিয়েছি। হালসুরৎ রির্পোট আসলে বিস্তারিত জানা যাবে। এঘটনা নিয়ে এলাকায় যেন
ধুম্রজালের সৃস্টি হয়েছে।

আবার লাশটিকে গোসল এবং কাফনের কাপড় পরনো ব্যাক্তি জানায়, ভাই ওর শরিরের ওপরে চরম ভাবে নির্যাতন করা হয়েছে। সে আরও বলে আমার কাছে
মনে হয় এসিড মেরেছে। প্রচুর পরিমান ক্ষতচিহ্ন রয়েছে তাহাছাড়া বুকে এবং গোপন স্থনেও আঘাতের চিহ্ন। পরিবারের পক্ষ থেকে জানাগেছে, এটি আত্মহত্যা নয় মহাপরিকল্পনা করে তাকে হত্যা করা হয়েছে। লাশটি ময়না তদন্ত শেষে বাড়িতে নিয়ে আসলে বিভৎস চেহারা আর র্দূগন্ধে পাশে কেউ যেতে পারেনি। শরিরের ভিতরে বিভিন্ন অংশে ক্ষতের দাগ রয়েছে। জানাযা নামাজে মুখে মাক্স পরিয়ে দাফন করা হয়েছে। মরদেহের আকৃতিরও বিভৎস চেহারা দেখে দাফনের জন্য কবরে নামতেও নারাজ ছিল অনেকে। এখন ভয়ে এবং আতংঙ্ক নিয়ে দিন কাটাচ্ছে পুরো পরিবারের লোকজন।

এর আগে, ছোটভাই কাওছার হোসেন বোন সুমাইয়ার গতিবিধি লক্ষ্যকরে তাকে শাষনের চেষ্ঠা করলে অভিযুক্ত দুই ব্যাক্তি রাজুও রাকিবুলসহ ৪/৫ মিলেমিশে রাত্রি ১২টার পরে শয়ন ঘরে ঢুকে ঘুমন্ত অবস্থায় কাঠের বাটামও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ী মার শুরু করে। এতে করে ভাই কাওছার হোসেন এর ডান হাত ভেঙ্গে দিয়ে পালিয়ে যায় সন্ত্রাসী গ্রুপ। পরের দিন ২৮/০২/২৫ইং তারিখে থানায় অভিযোগ দয়ের করে ভুক্তভোগি কাওছার।

উক্ত অভিযোগটি এসআই গোলাম মোস্তফার তদন্তের দায়িত্ব পেলে সে বাদির কাছে টালবাহানা করতে থাকে। ওই অভিযোগ যেভাবে দেওয়া ছিল সেভাবেই ফেলে রাখা হয়েছে বলে জানাযায়। সেখানে বাদিকে উল্টা বলা হয়েছে মটর সাইকেল থেকে পড়ে গিয়ে তার হাত ভেঙ্গেছে। ন্যায়ের জন্য তার শেষ আশ্রয়স্থল ছিল পুলিশ। কিন্তু না এখানেই শেষ নয় সুমাইয়ার লাশ উদ্ধারের ২দিন আগে বাদি কাওছারকে দিয়ে জোরপূর্বক অভিযোগটি প্রত্যাহার করিয়ে নেয়। ঠিক দুদিন পরে ওড়না পেঁচানো
গলায় ফাঁসি দেওয়া লাশ উদ্ধার হয়। পরিবার এবং এলাকাবাসি এর সঠিক
বিচার চায়।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

টাঙ্গাইলে সাবেক চেয়ারম্যান ফারুক হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন 

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুকের হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। সোমবার (৭ জুলাই) সকালে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সামনে সদর উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে ওই মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, টাঙ্গাইল সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি আজগর আলী, যুগ্ম-সম্পাদক আজিমুদ্দিন বিপ্লব, দাইন্যা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মো. লাভলু মিয়া লাভু প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, টাঙ্গাইলে তৎকালীন শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়ার অপরাধে দাইন্যা ইউনিয়নের তিন বারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুককে আওয়ামী সন্ত্রাসীরা গুলি চালিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। মামলা দায়ের করা হলেও ক্ষমতার অপব্যবহার করে অযিুক্তদের গ্রেপ্তার করতে দেওয়া হয়নি। তাই তারা আসামিদের দ্রæত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান। এছাড়া বক্তারা নিহত ফারুকের নামে সদর উপজেলার বাসাখানপুর মিনি স্টেডিয়ামের নামকরণের দাবি করেন।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে টাঙ্গাইল শহরের বটতলা বাজারের কাছে প্রাতভ্রমণে বের হলে সন্ত্রাসীরা দাইন্যা ইউপি চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম ফারুককে গুলি চালিয়ে হত্যা করে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

ডিপজলের বিরুদ্ধে তরুণীর মামলা, মারধর-অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগ!

আলোকিত ডেস্ক, বাংলা চলচ্চিত্রের খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজলের বিরুদ্ধে মারধর ও অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন এক পোশাক শ্রমিক। মামলায় ডিপজলের ব্যক্তিগত সহকারী মো. ফয়সালকেও আসামি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৮ জুলাই) ঢাকার মহানগর হাকিম মাহবুব আলমের আদালতে এই মামলা করেন ভুক্তভোগী মো. রাশিদা আক্তার। বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুজাহিদুল ইসলাম জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করে মামলার তদন্তের দায়িত্ব পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) দিয়েছে।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, রাশিদা নিজেকে ডিপজলের একজন ভক্ত বলে দাবি করেন। গত ২ জুন কুরবানির ঈদের আগে তিনি গাবতলী পশুর হাটে গরু দেখতে যান। সেখানে জানতে পারেন, হাটের এক অফিসে ডিপজল উপস্থিত রয়েছেন। তিনি ডিপজলের সঙ্গে দেখা করতে গেলে তার পিএস ফয়সাল ও আরও কয়েকজন তাকে অফিস থেকে জোর করে বের করে দেন এবং সেখানে তিনি মারধরের শিকার হন।

রাশিদার অভিযোগ, তাকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়, কাপড় পেঁচিয়ে যায়, এবং ফয়সালের নির্দেশে কয়েকজন ব্যক্তি তাকে ধরে মারধর করেন। এক পর্যায়ে ফয়সালের নির্দেশে এক ব্যক্তি একটি গ্যালন এনে দেয় এবং সেটির তরল পদার্থ তার শরীরে ঢেলে দেওয়া হয়। এরপর প্রচণ্ড ব্যথা ও জ্বালাপোড়া অনুভব করেন রাশিদা।

ভুক্তভোগী বাসায় ফিরে পরিবারের কাউকে কিছু না জানিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরদিন সকালে শরীরে ফোসকা ও ব্যথা অনুভব করে তিনি চিকিৎসা নিতে বাধ্য হন। কিছুটা সুস্থ হয়ে ওঠার পর তিনি আইনি সহায়তা নেন এবং আদালতে মামলা দায়ের করেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রাজনীতিতে বড় ত্যাগের প্রয়োজন, যা আমি করতে চাই না : কঙ্গনা

বিনোদন ডেস্ক

রাজনীতিতে আর কি মন নেই কঙ্গনার? হিমাচল প্রদেশের মান্ডি কেন্দ্র থেকে বিপুল ভোটে জিতে সংসদে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তবে বছর ঘুরতেই রাজনীতি নিয়ে ভাবনা বদলে গেছে তার। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই ইঙ্গিতই দিলেন কঙ্গনা রানাউত।

সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী স্পষ্ট করে বলেন, রাজনীতিতে বড় ত্যাগের প্রয়োজন, যা তিনি করতে চান না।

কঙ্গনা বলেন, ‘আমি স্বার্থপরের মতো জীবনযাপন করেছি। আমি চাই আমার বড় বাড়ি হোক, বড় গাড়ি হোক, প্রচুর হীরা থাকুক আমার কাছে, আমাকে দেখতে সুন্দর লাগুক। জানি না, ঈশ্বর কেন আমাকে রাজনীতির জন্য বেছে নিয়েছেন। কিন্তু আমি এত বড় ত্যাগ করতে চাই না।’

পর্দায় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। বাস্তবে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার ইচ্ছে আছে কি না, এমন প্রশ্নে কঙ্গনা জানান, ‘আমার মনে হয় না, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার মতো যোগ্যতা আমার রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার জন্য যে নিষ্ঠা ও ইচ্ছার প্রয়োজন, তা আমার নেই। আর সমাজকর্মের কোনও অভিজ্ঞতাও নেই।’

সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের মতামত প্রকাশ করে দলীয় অন্দরেও সমস্যায় পড়েছিলেন কঙ্গনা। এক ঘটনায় মত প্রকাশের পর বিজেপি সভাপতি জেপি নাড্ডার ফোন পেয়ে কঙ্গনা নাকি বলেছিলেন, ‘আমি আমার কথা ফিরিয়ে নিচ্ছি।’ রাজনীতি নিয়ে উচ্চাকাঙ্ক্ষা নেই জানিয়ে কঙ্গনা আরও বলেন, রাজনীতির জগতে এগিয়ে যাওয়ার মতো গুণাবলী তার নেই, তাই এর চেয়ে বেশি উন্নতির কোনও পরিকল্পনাও নেই। প্রার্থনা করেন, ‘ঈশ্বর যেন আমাকে কখনও প্রধানমন্ত্রী না করেন।’

উল্লেখ্য, চলতি বছরেই মুক্তি পেয়েছে কঙ্গনার ছবি ‘ইমার্জেন্সি’। এই ছবিতে তিনি অভিনেত্রী, পরিচালক ও প্রযোজক ছিলেন। তবে বক্স অফিসে ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়ে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

গাজায় রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ইসরায়েলি ৫ সেনা নিহত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা ভূখণ্ডে ৫ ইসরায়েলি সেনা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। উপত্যকাটির উত্তরাঞ্চলীয় বেইত হানুনে রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে হতাহতের এই ঘটনা ঘটে।

ইসরায়েলি সেনারা স্থল অভিযান পরিচালনা করার সময় এই বোমা বিস্ফোরণ এবং হতাহতের ঘটনা ঘটে। ৮ জুলাই মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইসরায়েল।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, উত্তর গাজার বেইত হানুন এলাকায় রাস্তার পাশে পুঁতে রাখা বোমা বিস্ফোরণে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য নিহত হয়েছেন এবং আরও ১৪ জন আহত হয়েছেন। সোমবার রাত ১০টার কিছু পরে এই বিস্ফোরণ ঘটে। সেসময় ইসরায়েলি সেনারা সেখানে স্থল অভিযান পরিচালনা করছিলেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিহত সেনারা পায়ে হেঁটে অভিযানে অংশ নিচ্ছিলেন, কোনও যানবাহনে ছিলেন না। বিস্ফোরণের পর যখন আহতদের উদ্ধার করার চেষ্টা চলছিল, তখন সেই এলাকাতেও গুলিবর্ষণ শুরু হয়।নিহত সেনারা হচ্ছেন— স্টাফ সার্জেন্ট মেইর শিমোন আমার (২০)। তিনি জেরুজালেমের বাসিন্দা এবং কফির ব্রিগেডের নেতজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়নের সদস্য। সার্জেন্ট মোশে নিসিম ফ্রেচ (২০)। তিনিও জেরুজালেমের বাসিন্দা ও একই ব্যাটালিয়নের সদস্য। সার্জেন্ট ফার্স্ট ক্লাস (রিজার্ভ) বেনইয়ামিন আসুলিন (২৮)। তিনি হাইফার বাসিন্দা এবং গাজা ডিভিশনের নর্দার্ন ব্রিগেডে নিযুক্ত ছিলেন। স্টাফ সার্জেন্ট নোয়াম আহারন মুসগাডিয়ান (২০)। জেরুজালেমের বাসিন্দা নোয়াম কফির ব্রিগেডের নেতজাহ ইয়েহুদা ব্যাটালিয়নের সদস্য। এবং স্টাফ সার্জেন্ট মোশে শমুয়েল নোল (২১)। তিনিও বেইত শেমেশের বাসিন্দা এবং একই ব্যাটালিয়নের সদস্য।

ভয়াবহ এই হামলায় আহত হয়েছেন আরও ১৪ জন। তাদের মধ্যে অন্তত দুই জনের অবস্থা গুরুতর।

বেইত হানুন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই হামাস এবং অন্যান্য গোষ্ঠীর সদস্যরা অবস্থান করছে বলে মনে করছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ)। সেই কারণেই সেনাবাহিনীর গাজা ডিভিশনের নর্দার্ন ব্রিগেড ও ৬৪৬তম রিজার্ভ প্যারাট্রুপার ব্রিগেড যৌথভাবে অভিযান চালাচ্ছিল।

অভিযানের আগেই ওই এলাকা বিমান হামলার মাধ্যমে টার্গেট করা হয়েছিল বলেও জানায় আইডিএফ। সাম্প্রতিক সময়ে গাজার উত্তরাঞ্চলে আইডিএফের সঙ্গে প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর সংঘর্ষ বেড়েছে এবং বিস্ফোরক ব্যবহার করে হামলার ঘটনাও আগের চেয়ে বেড়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের সতর্কবার্তা দিলেন ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুটে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট নর্থ আটলান্টিক ট্রিটি অ্যালায়েন্স (ন্যাটো)-এর মহাসচিব মার্ক রুটে বলেছেন, রাশিয়া এবং চীনের ‘নিবিড় বন্ধুত্ব’ শিগগিরই পৃথিবীকে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে। সোমবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ আশঙ্কা জানিয়েছেন তিনি।

নিউইয়র্ক টাইমসকে মার্ক রুটে বলেন, “বর্তমানে ইউক্রেনে যা ঘটছে, অদূর ভবিষ্যতে খুব সম্ভবত তাইওয়ানেও এমন ঘটবে। চীন এবং রাশিয়ার মধ্যে নিবিড় বন্ধুত্ব আছে এবং পশ্চিম যদি এই ব্যাপারটি বুঝতে ব্যর্থ হয়, তাহলে অচিরেই আমরা সম্ভাব্য ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবো, অর্থাৎ একটা বৈশ্বিক যুদ্ধ বেঁধে যেতে পারে এবং গত শতকের দুই বিশ্বযুদ্ধের তুলনায় সম্ভাব্য সেই যুদ্ধে প্রাণহানি এবং ক্ষয়ক্ষতির হার হবে অনেক বেশি।”

চলতি বছর ৭৫ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ন্যাটো। এ বিষয়ক প্রস্তুতির মধ্যেই তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধের আশঙ্কা ব্যক্ত করলেন রুটে।

ন্যাটো মহাসচিবের এই আশঙ্কাকে ভিত্তিহীন বলার উপায় নেই। কারণ সম্প্রতি বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসে ইউরোপের দেশগুলোর জোট ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) পররাষ্ট্র বিভাগের প্রধান কাজা কালাসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই। সেখানে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ প্রসঙ্গে কাজা কালাসকে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছেন, ইউক্রেন যুদ্ধে চীন কখনও রাশিয়াকে পরাজিত হতে দেবে না।

এর কারণ হিসেবে তিনি বলেছেন, যদি ইউক্রেন যুদ্ধে রাশিয়া পরাজিত হয়-তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের মনযোগের কেন্দ্রে হয়ে উঠবে চীন এবং এশিয়া-প্রশান্ত অঞ্চল। এর জেরে যে অভূতপূর্ব বৈরিতা দেখা দেবে-তা বিশ্বের জন্য বিপর্যয়কর হয়ে উঠতে পারে।মার্ক রুটে গত বছর ন্যাটোর মহাসচিব পদে এসেছেন। এর আগে ১৪ বছর নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন তিনি। নিউইয়র্ক টাইমসকে রুটে বলেন, তৃতীয় যুদ্ধের আঁচ পেয়ে ইতোমধ্যে নিজেদের প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় বাড়িয়ে দিয়েছে ইউরোপের অনেক দেশ।

তবে তারপরও বিশ্বকে বিপর্যয়ের হাত থেকে ঠেকাতে ন্যাটোর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলে মনে করেন মার্ক রুটে এবং ‘কিছু বিতর্ক’ এবং ‘মূল্যবোধগত পার্থক্য’ থাকলেও ন্যাটো এখনও সংঘবদ্ধ বলেও দাবি করেছেন তিনি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ইস্যুতে হাঙ্গেরি এবং তুরস্কের অবস্থান ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য রাষ্ট্র থেকে ভিন্ন। এ দু’টি রাষ্ট্র এখন পর্যন্ত রাশিয়ার বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা বা শান্তিমূলক কোনো পদক্ষেপ নেয়নি।

এ প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে ন্যাটো মহাসচিব বলেন, “হ্যাঁ, নিশ্চয়ই আমাদের মধ্যে বির্তক আছে, মূল্যবোধগত পার্থক্য আছে, কিন্তু এখানে মনে রাখতে হবে যে এই পার্থক্যগুলোর জন্যই এই জোট এখনও এত সজীব এবং শক্তিশালী।”

“আর একটি কথা হলো, যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্র এখন পর্যন্ত বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা। যদি বিপর্যয় আসে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বে ন্যাটোর সদস্যরা ঐক্যবদ্ধ হতে সময় নেবে আমার মনে হয় না।”

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

বিগত ৩টি নির্বাচনকে ‘বৈধ’ বলা পর্যবেক্ষকদের সুযোগ দেওয়া হবে না : সিইসি

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিগত তিন নির্বাচনকে বৈধ বলে ‘রায়’ দেওয়া বিদেশি পর্যবেক্ষকদের আগামী সংসদ নির্বাচন পর্যবেক্ষণের সুযোগ দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

৮ জুলাই মঙ্গলবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে কানাডার হাইকমিশনার অজিত সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে এ কথা বলেন তিনি।

সিইসি বলেন, নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি জানতে চেয়েছেন কানাডার হাইকমিশনার। আমরা আমাদের প্রস্তুতির তথ্য জানিয়েছি। ভোটারদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে আমরা যে কাজ শুরু করব এসব বিষয়ে জানানো হয়েছে। বিভিন্ন ধরনের প্রশিক্ষণের বিষয়ে জানানো হয়েছে। আমরা যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করি।

তিনি বলেন, এআইয়ের (আর্টিফিসিয়াল ইন্টিলিজেন্স) মিসইউজ নিয়ে কথা হয়েছে। তারা এসব ইস্যু নিয়ে আমাদের সাজেশন দেবে। এছাড়া কানাডা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনে বর্তমান নির্বাচন কমিশনের কমিটমেন্টের কথা শুনে সন্তুষ্ট। কানাডা আমাদের সহযোগিতা করবে।

নাসির উদ্দিন বলেন, আগামী নির্বাচনে অনেক বিদেশি পর্যবেক্ষক আসবেন। ইইউসহ অনেকে চিঠি দিয়ে আমাদের জানিয়েছে। তবে বিগত তিন নির্বাচন নিয়ে যেসব বিদেশি পর্যবেক্ষক ‘ভালো’ সার্টিফিকেট দিয়েছেন তাদের আমরা নেবো না।

আলোকিত প্রতিদিন/০৮ জুলাই ২০২৫/মওম