আজ , ।   
Home Blog Page 350

প্রতীক হিসেবে শাপলা ছাড়া আমাদের কোনো অপশন নেই : নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী

এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুউদ্দিন পাটওয়ারী বলেছেন, প্রতীক হিসেবে ‘শাপলা’ ছাড়া আমাদের কোনো অপশন নেই। শাপলা না পেলে আইনি এবং রাজনৈতিকভাবে লড়াই করা হবে।

১৩ জুলাই রবিবার বেলা ১১টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সঙ্গে এনসিপির প্রতিনিধি দলের বৈঠকের পর তিনি এ মন্তব্য করেন।

বেলা ১১টার দিকে এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমসহ পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দল ইসির সঙ্গে বৈঠকে বসে।

নাসীরুউদ্দিন বলেন, ইসি পুনর্গঠন বিষয়ে ‘প্ল্যান বি’ নেই। নির্বাচনের আগে ইসি পুনর্গঠন করতে হবে। স্ট্রেট ফরওয়ার্ড এবং ইসি যেভাবে পুনর্গঠিত হয়েছিল, সে আইনটারও পরিবর্তন করতে হবে। ইসি পুনর্গঠন করবে অনেকে তাদের ব্যক্তি জায়গা থেকে দলীয় মুখপাত্র হিসেবে কাজ করছেন। এছাড়া আমাদের শাপলার কোনো বিকল্প অপশন নেই। কারণ লিগাল ওয়েতে আমরা দেখেছি আইনগতভাবে পেতে আমাদের কোনো বাধা নেই। যদি বাধা দেওয়া হলে, সেটা আমরা রাজনৈতিকভাবে লড়াই করবো।

প্রসঙ্গত, দলের প্রতীক হিসেবে নির্বাচন কমিশনের কাছে শাপলা চেয়ে আসছে এনসিপি। যদিও গত সপ্তাহে শাপলাকে বাদ দিয়ে ১১৫টি প্রতীক নিজেদের তফসিলে সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত নেয় ইসি। যা ওইদিনই আইন মন্ত্রণালয়ে ভেটিংয়ের জন্য পাঠায়। ইসির সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে এনসিপি।

গত ২২ জুন এনসিপি নিবন্ধন আবেদন দাখিলের সময় শাপলা প্রতীক চায়। আবার তার আগে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্য একই প্রতীক চায়। দুটি দলই শাপলা নিয়ে একাধিকবার বৈঠক করে ইসির সঙ্গে। শাপলা নিয়ে এই কাড়াকাড়ির মধ্যেই প্রতীকটি তফসিলভুক্ত করেনি ইসি।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুলাই ২০২৫/মওম 

ভেঙে ফেলা হয়েছে প্রজন্ম চত্বরের স্থাপনা

আলোকিত প্রতিবেদক:

রাতের আঁধারে বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে রাজধানীর শাহবাগের দীর্ঘদিনের আন্দোলন সংগ্রামের সাক্ষী প্রজন্ম চত্বরের স্থাপনা। গণপূর্ত মন্ত্রণালয় ওই স্থাপনাটি ভেঙেছে বলে জানিয়েছেন শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খালিদ মনসুর।

১৩ জুলাই রবিবার সরেজমিন দেখা যায়, প্রজন্ম চত্বরের স্থাপনাটি একপাশ থেকে ভেঙে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। শাহবাগের একাধিক চা দোকানির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শনিবার রাত ১২টার পরে বুলডোজার দিয়ে ভাঙা শুরু হয় স্থাপনাটি। কিন্তু কেন সেটি ভাঙা হয়েছে সে বিষয়ে কোনও তথ্য তারা জানেন না।

ওসি খালিদ মনসুর বলেন, এটা গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের বিষয়। যেহেতু তাদের আওতায়, তারা কেন ভেঙেছে; সেটা আমি জানি না। মধ্যরাতে তারা এটা ভেঙেছে। তার আগে আমাকে ইনফর্ম করা হয়, যাতে কেউ মব তৈরি করতে না পারে। কিন্তু কেউ বাধা দেয়নি, মবও তৈরি হয়নি। যতদূর… মন্ত্রণালয় আমাকে জানিয়েছে, এখানে জুলাইকেন্দ্রিক স্থাপনা তৈরি হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুলাই ২০২৫/মওম 

 

পাকিস্তানে ভারী বৃষ্টিপাত ও আকস্মিক বন্যায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ১০০

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

১২ জুলাই শনিবার রাতে এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা আনাদোলু।বার্তাসংস্থাটি বলছে, পাঞ্জাব প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে আরও ২ জনের। গত ২৬ জুন থেকে এখন পর্যন্ত মোট ৩৯ জন মারা গেছেন এবং ১০৩ জন আহত হয়েছেন। খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মারা গেছেন ১ জন। মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১ জনের এবং আহত হয়েছেন ৫১ জন।

বেলুচিস্তানে শনিবার মারা গেছেন ৩ জন। সেখানে এখন পর্যন্ত মোট মৃত্যু হয়েছে ১৬ জনের, আহত আরও ৪ জন। সিন্ধু প্রদেশে মৃত্যু হয়েছে ১৭ জনের, আহত আরও ৩৭। আজাদ জম্মু এবং কাশ্মির এলাকায় মৃত্যু হয়েছে ১ জনের, আহত হয়েছেন আরও ৫ জন।

পাকিস্তানে জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বর্ষা মৌসুমে নিয়মিত বজ্রসহ ভারী বৃষ্টিপাত এবং আকস্মিক বন্যা দেখা দেয়। এই সময়ে পাহাড়ি এবং উত্তরের এলাকা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

জাতীয় ও স্থানীয় কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বহু ঘরবাড়ি ধ্বংস হয়েছে, রাস্তা-ঘাট ও ফসলি জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অনেক জায়গায় মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে এবং জরুরি উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।

মূলত জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে পাকিস্তানে বৃষ্টির তীব্রতা এবং সময়কাল আরও অপ্রত্যাশিত হয়ে উঠছে, ফলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় তৈরি হচ্ছে নতুন চ্যালেঞ্জ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুলাই ২০২৫/মওম 

বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহাউদ্দীন খালেক শাহজীর ইন্তেকাল: রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

আনোয়ারা প্রতিনিধি,চট্টগ্রামের বাম রাজনীতির অগ্নিপুরুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহাউদ্দীন খালেক শাহজী ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না-লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজেউন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। বাহাউদ্দীন খালেক শাহজী চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার শিলাইগড়া গ্রামের মৃত আবদুল খালেকের দ্বিতীয় পুত্র। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী- সন্তানসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে যান। গতকাল শনিবার (১২ জুলাই ২০২৫) বিকেলে মরহুমের গ্রামের বাড়ির জামে মসজিদের মাঠে আনোয়ারা উপজেলা নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরার নেতৃত্বে পুলিশের একটি চৌকস দলের রাষ্ট্রীয় মর্যাদা গার্ড অব অনার শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাপন করা হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধা বাহাউদ্দীন খালেক শাহজীর নামাজে জানাজায় অংশ নিয়েছেন, আনোয়ারা উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আয়ুব খান রফিক, বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউসুফ, বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা জিয়াউদ্দিন মাহমুদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা জামাল উদ্দিন, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীরা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

৮ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রাম সনাতনী নাগরিক সমাজের সংবাদ সম্মেলন

এম জসিম উদ্দিন, চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম সনাতনী নাগরিক সমাজ এর উদ্যেগে সারাদেশে সংখ্যালুঘু নির্যাতন, ধর্ষণ, মন্দির, ব্যবসা-প্রতিষ্ঠান ঘরবাড়ি ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগ, মব ভায়োলেন্স প্রতিরোধে এবং সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাশ ব্রহ্মচারীসহ সনাতনী সকল কারাবন্দীর নিঃশর্ত মুক্তি ও দ্রুত ৮ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক ড.কুশল বরণ চক্রবর্তীকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

গতকাল শনিবার ১২ জুলাই (২০২৫) সোমবার মোমিন রোডস্থ চট্টগ্রাম একাডেমির ফয়েজ নুরুন্নাহার হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন, সীতাকুণ্ড ভোলানন্দ গিরি আশ্রমের অধ্যক্ষ উমাসানন্দ গিরি মহারাজ। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন, বাংলাদেশ সনাতন পাটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক ও সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী সুমন কুমার রায়। সংবাদ সন্মেলনে বক্তারা বলেন, বাংলাদেশের সনাতনী সম্প্রদায়ের শোষণ -বঞ্চনা থেকে মুক্তির জন্য সনাতনী সম্প্রদায়ের প্রাণের দাবী ৮ দফা বাস্তবায়ন করতে হবে এবং ৮ দফা দাবী বাস্তবায়নে অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনুস এর প্রতি নেতৃবৃন্দরা জোরালো আহবান জানান।

বক্তারা আরও বলেন, লালমনিরহাটে সেলুনের মালিক পুত্র- সন্তানকে মাত্র ১০ টাকার তর্ক নিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। সংবাদ সন্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ সনাতন পার্টি চট্টগ্রামের সভাপতি আশীষ দাশ, প্রশান্ত হালদার, পরিতোষানন্দ গিরি মহারাজ, সনাতন নাগরিক সমাজের সংগঠক পিংকু ভট্টাচার্য, সনাতন অধিকার আন্দোলনের নেতা পলাশ সেন, সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির সদস্য অশোক চক্রবর্তী, তরুণ সনাতনী সংগঠক তন্ময় মল্লিকা, সুশান্ত অধিকারী, পটিয়া শ্বশান কালি মন্দিরের অধ্যক্ষ পরিতোষানন্দ গিরি মহারাজ, সনাতনী অধিকার আন্দোলনের প্রশান্ত হালদার, সুশান্ত অধিকারী প্রমুখ।

সংবাদ সন্মেলন শেষে একটি মৌন মিছিল আন্দরকিল্লা- মোমিন রোড- জামালখান সড়কে প্রদক্ষিণ করে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

বগুড়ায় শিবগঞ্জ উপজেলার মাঝিহট্ট ইউনিয়নে রাস্তার সরকারি গাছ কর্তন

বগুড়ায় শিবগঞ্জ, প্রতিনিধি “গাছ লাগান পরিবেশ বাচান” এই শ্লোগান নিয়ে  এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ । ঠিক সেই রকম সময়ে  কিছু সুবিধাবাদী লোক সবার চোখকে ফাঁকি দিয়ে রাস্তার পাশে খাস জায়গায় লাগানো ফলজ আম গাছ কেটে নিচ্ছে।।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, উক্ত আম গাছটি বগুড়া জেলার, শিবগঞ্জ উপজেলার, মাঝিহট্ট ইউনিয়নের, ছাতুয়া মন্ডলপাড়া গ্রামের। ছাতুয়া ড্রাগন ক্লাবের পশ্চিম পাশ দিয়ে মুল রাস্তা থেকে একটি পার্শ্ব রাস্তা রয়েছে। রাস্তাটি মূল রাস্তা হতে আদর্শ গ্রাম হয়ে নাগর নদীর ঘাট পর্যন্ত বিস্তৃত।

জানা যায় রাস্তাটি ম্যাপ এর রাস্তা এবং উক্ত গাছটি সরকারি খাস জায়গায় অবস্থিত। ঘটনাস্থলে গিয়ে আরো জানা যায় পার্শ্বের জায়গা মো: আফজাল হোসেন নামের এক ব্যক্তি ক্রয় করেন এবং গাছটি তার নিজের দাবি করে গাছটি কর্তন করা শুরু করেন।।

এ ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো: শাহিনুর জানান আমি জানতে পারি অনেক পরে, কিন্তু কাউকে কোন কিছু না জানিয়ে মো: আফজাল হোসেন ঈদের ছুটিতে এসে গাছ কাটা শুরু করেন এবং তার প্রভাব দেখান একটাই তা হল তিনি পল্লী বিদ্যুৎ  অফিসে চাকুরীরত আছেন।

এরই ধারাবাহিকতাই এলকার কিছু লোকজন সরকারি রাস্তার গাছ কাটতে নিষেধ করলে তিনি অবস্থা বেগতিক  দেখে গাছের সব ডালপালা কেটে সেখান থেকে সরে পড়েন।।

এখন আপনারাই বলুন, এই গাছ কাটা কি ন্যায় নাকি অন্যায়। যদি অন্যায় হয় তাহলে, অন্যায়কারীকে বিচারের আওতার আনা হোক।।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

দীর্ঘ ৩৭ বছরেও মাদক নিয়ন্ত্রণ করতে পারেনি, জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, দৌলতদিয়ায় প্রকাশ্যে মাদকের হাট!

সোহেল রানা চৌধুরী, মাদকের সর্গরাজ্য পরিচিত রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাট। এখানে টাকা দিলেই মিলছে হিরোইন,ইয়াবা,বিদেশ মদ,ফেনসিডিল, গাঁজা’সহ সকল ধরনের মাদক। প্রতিদিন সকাল হলেই পুড়াভিটায় বসছে প্রকাশ্যে মাদকের হাট। ২০০-২৫০ জন মাদকসেবী হেরোইন কেনার জন্য সিরিয়াল দেয়। চলে সারদিন। শতাধিক কোটিপতি মাদক ব্যবসায়ীর বসবাস এখানেই। জানাযায়, ১৯৮৮ সালে দৌলতদিয়া যৌনপল্লিকে আগুনে পুড়িয়ে দেওয়ার পর,এই স্থানের নামকরণ করা হয় পুড়াভিটা। শুরু হয় মাদক ব্যবসা। সেইথেকে আজ পর্যন্ত দীর্ঘ প্রায় ৩৭ বছর যাবত এই স্থানে প্রকাশ্যে চলছে মাদক ব্যবসা। এই পুড়াভিটা এলাকা মাদকের নিরাপদ আশ্রয়স্থল হওয়ার সুবাদে, এখন থেকে মাদারীপুর, ফরিদপুর,পাংশা,রাজবাড়ী,পাবনা,মানিকগঞ্জ ও ঢাকার সাভার’সহ অন্তত ২০টিরও অধিক জেলাতে হেরোইন পাইকারী বিক্রি হয়।

এনিয়ে প্রতিনিয়তই বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও পিন্ট মিডিয়া সংবাদ প্রকাশিত হলেও,বন্ধ হয়নি মাদক ব্যবসা। উল্টো দিনদিন বেড়েই চলেছে। এই মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বেড়েছে সন্ত্রাসী কার্যকলাপ। গত পাঁচ বছরে দৌলতদিয়াতে খুন হয়েছে অর্ধ শতাধিক। সর্বশেষ এই মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরধরে গত ২২শে জুন খুন হয় দৌলতদিয়ার যুবক নজরুল। দৌলতদিয়া তথা রাজবাড়ী জেলার মাদক ব্যবসা বন্ধের প্রতিবাদে ঢাকায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বুকে ব্যানার নিয়ে মানববন্ধন করেছে রাজবাড়ীর এক গুনি সাংবাদিক। কিন্তু তারপর থামছে না মাদক ব্যবসা। এতে অবশ্য কোন মাথা ব্যথা নেই, রাজবাড়ী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের।

জেলার মাদক নিয়ন্ত্রণ করার দায়িত্ব এদের হাতে থাকলেও,এরা মাদক নিয়ন্ত্রণে সম্পুর্ন ব্যর্থ। লোকমুখে গুনজন রয়েছে, এই মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা বিশেষ সুবিধা নিয়ে, মাদক ব্যবসা রোধ না করে, উল্টো সহযোগীতা করেছেন। স্থানীয় এক ব্যক্তি বলেন, পুড়াভিটা ও আশপাশের এলাকা দিয়ে সাধারন মানুষ চলাফেরা করতে ভয় পায়। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা প্রকৃত মাদক ব্যবসায়ীদের ধরে না। অথচ সাধারণ মানুষ এখান দিয়ে হেঁটে গেলে তাদের দেহ তল্লাশির নামে হয়রানি করে। কখনও কখনও পকেটে মাদক দিয়ে জেল হাজতে পাঠায়।

গত ১৯শে জুন জবেদা বেগম নামে ৫০ ঊর্ধ্ব এক নারী তার আত্মীয়ের সন্ধানে পুড়াভিটা এলাকায় গেলে, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের দুই কর্মকর্তাসহ কয়েক মিলে তাকে বিবস্ত্র করে দেহ তল্লাশিসহ মারপিট করে। এই ঘটনা ভুক্তভোগী ঐ নারী বাদী হয়ে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এবিষয়ে রাজবাড়ী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর উপ-পরিচালক আবু আবদুল্লা জাহিদ এর সাথে মুঠোফোনে কথা হলে, তিনি মানবজমিনকে বলেন, আমরা নিয়মিত মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান করছি।

প্রশ্ন করা হয়েছিলো জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কেউকেউ বাড়তি সুবিধা নিয়ে মাদক বিক্রি করতে উৎসাহ দিচ্ছে। এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন,আমার জানা নেই। এয়েন সরিষা মধ্যে ভুত। রাজবাড়ী জেলা মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর চাইলে ১ দিনের মধ্যে মাদক নিয়ন্ত্রণ ও বিক্রি বন্ধ করা সম্ভব। সেখানে দীর্ঘদিন ৩৭ বছরেও দৌলতদিয়া পুড়াভিটা এলাকা থেকে মাদক বিক্রি বন্ধ তো দুরের কথা নিয়ন্ত্রণ সম্ভব হয়নি। এতে আর বুঝতে বাকি থাকে না, আসলে কাদের ছত্রছায়ায় চলছে মাদক ব্যবসা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

মিটফোর্ড হত্যাকাণ্ড নিয়ে বিএনপিকে দায়ী করা রাজনৈতিক অপচেষ্টা: আমিনুল হক

ইমরান হোসেন : বিশেষ প্রতিনিধি। 
প্রকাশ,১২ জুলাই রোজ শনিবার ২০২৫ ইং
রাজধানীর মিটফোর্ড হাসপাতালের সামনে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় বিএনপিকে দায়ী করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহ্বায়ক আমিনুল হক। তিনি বলেন, “কিছু ইসলামি দল, কিছু নতুন দল এবং এক শ্রেণির ষড়যন্ত্রকারী এই ঘটনা কেন্দ্র করে বিএনপির ওপর দোষ চাপানোর অপচেষ্টা করছে। এটি একটি পরিষ্কার রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র।”
শনিবার (১২ জুলাই) দুপুরে বিমানবন্দর কাওলায় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আয়োজনে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া-ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
আমিনুল হক মিটফোর্ডে সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন, “এই হত্যাযজ্ঞকে আমরা কখনোই সমর্থন করি না। হত্যাকারী যদি আমার দলের কেউও হয়, তাহলে তাকেও আইনের আওতায় এনে শাস্তির মুখোমুখি করতে হবে। বিএনপি কোনো ধরণের সন্ত্রাস, বিশৃঙ্খলা বা অন্যায়কে প্রশ্রয় দেয় না, সাধারণ মানুষও এসব মেনে নেবে না।”
তিনি আরও বলেন, “আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান স্পষ্ট বলে দিয়েছেন—সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, লুটপাট, দখল কিংবা যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে বিএনপি জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে। এখানে বিন্দুমাত্র ছাড়ের সুযোগ নেই।”
নতুন ও ইসলামি দলগুলোর প্রতি ইঙ্গিত করে আমিনুল হক বলেন, “জনগণের সঙ্গে আপনাদের কোনো সম্পর্ক নেই। জনগণ আপনাদের বিশ্বাস করে না বলেই আপনারা বিভিন্ন ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হচ্ছেন এবং দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাইছেন।”
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গত ১৫ বছর ধরে দেশের মানুষ ভোট দিতে পারেনি। ৫ আগস্টের আন্দোলনের পর মানুষ আশাবাদী হয়েছিল অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের ব্যাপারে। তারেক রহমান ও মুহাম্মদ ইউনুসের বৈঠকের পর আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জানার পর সাধারণ মানুষ স্বস্তি পেয়েছিল। কিন্তু এখন কিছু দল সেই নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র করছে।”
সবশেষে তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “সবাইকে সতর্ক ও ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে আগামী ফেব্রুয়ারিতেই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে—যে সরকার জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক হবে।”
ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প উদ্বোধন করে আমিনুল হক বলেন, “বিএনপি শুধু রাজনৈতিক কাজ নয়, সামাজিক কাজেও বিশ্বাসী। আজকের ফ্রী মেডিকেল ক্যাম্প সেই প্রমাণ। প্রতি সপ্তাহে মহানগর উত্তরের প্রতিটি থানা ও ওয়ার্ডে অন্তত একদিন করে এই ক্যাম্প পরিচালনার জন্য নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।”
অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ অর্থ বিশ্য়ষক সম্পাদক মাহামুদুর রহমান সুমন, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব হাজী মোঃ মোস্তফা জামান, যুগ্ম আহবায়ক মোস্তাফিজুর রহমান সেগুন, এবিএমএ রাজ্জাক, আকতার হোসেন, এম কফিল উদ্দিন আহমেদ, মুহাম্মদ আফাজ উদ্দিন, মহিলাদল ঢাকা মহানগর উত্তর এর সদস্য সচিব এডভোকেট রুনা লায়লা, মহানগর সদস্য আলী আকবর আলী, মোতালেব হোসেন রতন, আব্দুস সালাম সরকার, রফিকুল ইসলাম খান, জাহেদ পারভেজ চৌধুরী, ইব্রাহিম খলিল, সাবেক সদস্য আলাউদ্দিন সরকার টিপু, বিমান বন্দর থানা বিএনপি আহবায়ক মনির হোসেন ভূইয়া, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক দেলোয়ার হোসেন দিলু, যুগ্ম আহবায়ক মহিউদ্দিন তারেক, যুগ্ম আহবায়ক মন্জুর হোসেন পাটোয়ারী, মাসুদ আহমেদ খান, মোঃ মোস্তফা বেপারী, থানা সদস্য বজলুল রহমান, রাসেল মিন্টু, বিপ্লব ভূইয়া, শফিকুল ইসলাম শফিক, বিমানবন্দর সাংগঠনিক ওয়ার্ড সভাপতি মোঃ আব্দুর রউফ, সাধারণ সম্পাদক রানা হোসেন রুবেল, সহসভাপতি মনির হোসেন  তুরাগ থানা বিএনপি আহবায়ক কমিটির সদস্য আব্দুল আলী, সহসভাপতি আবু বক্কর সিদ্দিক, প্রচার সম্পাদক নিক্সন ইসলাম শুভ, যুব বিষয়ক মনির হোসেন, উত্তরা পশ্চিম থানা বিএনপি যুগ্ম আবায়ক আলমগীর হোসেন শিশির প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

পিকেকে’র নিরস্ত্রীকরণ ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা : এরদোয়ান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

চার দশক ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র লড়াই শেষে অস্ত্র ত্যাগ করেছে কুর্দিস্তান ওয়ার্কার্স পার্টি (পিকেকে)। এই ঘোষণাকে ‘ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রজব তাইয়্যেব এরদোয়ান। শনিবার নিজ দলের (একেপি) এক সভায় এরদোয়ান বলেন, সন্ত্রাসের অভিশাপের অবসান প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বহু বছর ধরে চলা শোক, অশ্রু এবং কষ্টের সমাপ্তি ঘটেছে। তুরস্ক একটি নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা এ খবর জানিয়েছে।

তুর্কি প্রেসিডেন্ট বলেন, আজ ইতিহাসে নতুন একটি অধ্যায় উন্মোচিত হলো। আজ একটি মহান, শক্তিশালী তুরস্কের দ্বার উন্মুক্ত হলো।

শুক্রবার ইরাকের উত্তরাঞ্চলীয় সুলায়মানিয়াহ প্রদেশের ডুকান শহরের কাছে জাসানা গুহায় ৩০ জন পিকেকে সদস্য তাদের অস্ত্র পুড়িয়ে দেন। এ ঘটনাকে প্রতীকীভাবে সংগঠনটির সশস্ত্র সংগ্রামের অবসান হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে পিকেকে-র জ্যেষ্ঠ সদস্য বেসে হোজাত বলেন, আমরা স্বেচ্ছায়, সদিচ্ছা এবং সংকল্পের প্রতীক হিসেবে আপনাদের উপস্থিতিতে অস্ত্র ধ্বংস করছি।

১৯৮৪ সাল থেকে তুরস্কের সঙ্গে সশস্ত্র সংঘাতে জড়িয়ে পড়ে পিকেকে। এই সংঘাতে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছে। চলতি বছরের মে মাসে সংগঠনটি অস্ত্র পরিহার ও ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। এতে ভূমিকা রেখেছেন দীর্ঘদিন ধরে কারাবন্দি নেতা আবদুল্লাহ ওজালানের।

ওজালান ১৯৯৯ সাল থেকে তুরস্কের ইমরালি দ্বীপে বন্দি। সম্প্রতি একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, এটি সশস্ত্র সংগ্রাম থেকে গণতান্ত্রিক রাজনীতি এবং আইনের পথে স্বেচ্ছায় রূপান্তর। এটি একটি ঐতিহাসিক অগ্রগতি।

পিকেকে বর্তমানে ইরাকের উত্তরের দুর্গম এলাকায় অবস্থান করছে। তবে এই নিরস্ত্রীকরণ শুধু তুরস্কের জন্য নয়, গোটা অঞ্চলের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বিশেষ করে প্রতিবেশী সিরিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কুর্দি বাহিনীর সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। এসব গোষ্ঠীকে তুরস্ক পিকেকে-র অংশ বলে মনে করে। যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্ক উভয়েই চায় সিরিয়ার কুর্দিরা নতুন সরকারের সঙ্গে একীভূত হোক।

এদিকে তুরস্কের ভেতরেও কুর্দিদের রাজনৈতিক দল ডিইএম, পিকেকে ও ওজালান সরকারকে আহ্বান জানিয়েছে কুর্দি অধ্যুষিত দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের মানুষের অধিকার নিয়ে আলোচনা শুরু করতে।

পরবর্তী ধাপে আরও কিছু নিরস্ত্রীকরণ প্রক্রিয়া নির্ধারিত স্থানে অনুষ্ঠিত হবে। এ ক্ষেত্রে তুরস্ক, ইরাক ও ইরাকের কুর্দি আঞ্চলিক সরকারের মধ্যে সমন্বয় প্রয়োজন হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১২জুলাই ২০২৫/মওম 

নোয়াখালী জলাবদ্ধতার উৎসমুখ বাঁধ পরিদর্শনে জেলা বিএনপি!

নোয়াখালী প্রতিনিধি: নোয়াখালী জেলার বন্যা পরিস্থিতি ও স্হায়ী জলাবদ্ধতা থেকে উত্তরণে কবিরহাট উপজেলার ধানশলিক ইউনিয়নে অবস্থিত রিকসাওয়ালা বাঁধ পরিদর্শন করেন জেলা বিএনপির আহবায়ক মাহবুব আলমগীর আলোর নেতৃত্বে বিএনপির একটি প্রতিনিধি দল।
শনিবার (১২ জুলাই) সকাল ১১টায় পরিদর্শন দলের সাথে স্হানীয় এলাকাবাসীর মতবিনিময়ে তাদের দূর্ভোগ দূর্দশার চিত্র তুলে ধরেন।
স্থানীয় মানুষের দাবির সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো বাঁধের ফলে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা নিরসনে জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে উদাত্ত আহ্বান জানান। একই সাথে তিনি অবৈধ দখলদার ও অপরিকল্পিত মাছের ঘের উচ্ছেদের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনের তাগিদ দেন। এসময় পরিদর্শন প্রতিনিধি দলে আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য আমিনুল ইসলাম শাহিন, শহিদুল ইসলাম কিরন, অ্যাড: আবদুল হক, জেলা বিএনপির দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত সদস্য অ্যাড: রবিউল হাসান পলাশ, কামরুল হুদা চৌধুরী লিটন, মোস্তাফিজুর রহমান মন্জুসহ কবিরহাট উপজেলা, পৌরসভা, স্হানীয় ইউনিয়ন বিএনপি অংগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। পরিদর্শন শেষে দপ্তরের দায়িত্বে থাকা অ্যাড: রবিউল হাসান পলাশ বিষয়টি উল্লেখ করে একটি প্রেস রিলিজ ইস্যু করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি