আজ , ।   
Home Blog Page 349

গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ৪ কর্মকর্তা বরখাস্ত!

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ৪ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে। রোববার (১৩ জুলাই) পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গনি।

এতে বলা আরো হয়, বিনা অনুমতিতে গত বছরের ১০ সেপ্টেম্বর থেকে অনুপস্থিত রয়েছেন শিল্প পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তৌহিদুল ইসলাম। এ জন্য ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি আইনের বিধি ৩ (গ) অনুসারে পলায়নের অপরাধে ১২ উপবিধি (১) অনুযায়ী তাকে ১০ সেপ্টেম্বর থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাকে।

আরেক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত বছরের ২৫ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মো. রওশানুল হক সৈকত। এ কারণে সরকারি চাকরি বিধি অনুযায়ী তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

অপর এক প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, গত বছরের ১১ আগস্ট থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত রয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী কমিশনার গোলাম রুহানী। এ কারণে ২০১৮ সালের সরকারি চাকরি ২ (চ) অনুযায়ী পলায়নের অভিযোগে তাকে ১১ আগস্ট থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

আরেক প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, ঢাকা মহানগর ট্রাফিকের মিরপুর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মফিজুর রহমান পলাশ গত বছরের ৬ আগস্ট থেকে পালিয়ে আছেন। এ কারণে ওই দিন থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়েছে তাকে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

তরুণ প্রজন্ম কোন নির্বাচনী ভাগ বাটোয়ারায় বিশ্বাস করে না: নাহিদ ইসলাম 

এস.এম.সাইফুল ইসলাম কবির, বাগেরহাট: জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, “আমরা কোন দলের বিরুদ্ধে কথা বলি না, আমরা বলি পুরোনো বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে কথা বলি।যারা মাফিয়া সিস্টেমকে টিকিয়ে রাখতে চায়, চাঁদাবাজিকে টিকিয়ে রাখতে চায়, তাদেরকে জনগণ আর তাদেরকে মেনে নিবে না। এই তরুণ প্রজন্ম কোন নির্বাচনী ভাগ বাটোয়ারায় বিশ্বাস করে না। আমরা বলেছি রাষ্ট্র সংস্কার ও দেশ পুনঃগঠন করতে হবে। রাষ্ট্র সংস্কার ও দেশ পুনঃগঠন হলে, আপনাদের জন্য দরজা খোলা রয়েছে। আপনারা সে দরজায় প্রবেশ না করে, এখনও যদি সংস্কারের পক্ষে না আসেন, পুরোনো বন্দোবস্ত সংরক্ষণ করেন, চাঁদাবাজ, মাফিয়া ও দুর্নীতির রাজনীতি যদি টিকিয়ে রাখতে চান। জনগণ আপনাদের বিরুদ্ধে কেন নামছে, আপনারা কি দেখছেন তা। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ছাত্ররা আবারও রাজপথে নামছে।”

শনিবার (১২ জুলাই) রাতে জাতীয় নাগরিক পার্টির দেশ গড়তে জুলাই পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১২ তম দিনে বাগেরহাট রেল রোডস্থ জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন তিনি।

এসময় আরও বক্তব্য দেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির সদস্য সচিব শেখ আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম সচিব ডা. তাসনিম জারা, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আবিদ, এনসিপি বাগেরহাটের প্রধান সমন্বয়কারী সৈয়াদ মোরশেদ আনোয়ার প্রমুখ।

এসময়, এনসিপির মুখ্য সংগঠক (দক্ষিণাঞ্চল) হাসনাত আবদুল্লাহ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব সামান্তা শারমিন, মুখ্য সমন্বয়ক নাহিদা সারওয়ার নিভা, যুগ্ম মুখ্য সংগঠক আব্দুল হান্নান মাসুদ, মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, ড. মাহমুদা মিতু, কেন্দ্রীয় যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোল্যা রহমাতুল্লাহ, যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনুভা জাবিন, বাগেরহাটের যুগ্ম সমন্বয়কারী মোঃ শফিউল্লাহ, আবিদ আহমেদ, জেলা সদস্য -লাবীব আহমেদ, আল আমিন খান সুমন, অ্যাডভোকেট আল আমিন, অ্যাডভোকেট জান্নাতুল বাকিসহ কয়েক হাজার নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, “আমরা গণঅভ্যুথ্যান করেছিলাম মাফিয়া, দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ সিস্টেমের বিরুদ্ধে। এই চাঁদাবাজ দুর্নীতি এখনও বিতাড়িত করতে পারি নাই। তাই আবারও এসেছি, আপনারা আমাদের উপর আস্থা রাখুন। এই চাঁদাবাজ ও দুর্নীতিবাজ সিস্টেমের পরিবর্তন করব, শহীদদের প্রতি এইটা আমাদের কমিটমেন্ট। জুলাই সনদ অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। সেটা জুলাই-আগস্ট মাসের মধ্যেই হতে হবে।”

পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “পুলিশ-প্রশাসনকে জনগণের পক্ষে দাঁড়াতে হবে।  চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে হবে। যদি তারা দলবাজ প্রশাসনের মত আচরণ করে, তাহলে মনে রাখবেন ফ্যাসিবাদের সময় যারা দলবাজ হয়েছিল, তাদের পরিণতি ও আপনাদের পরিণতি একই হবে।”

এর আগে নাহিদ ইসলামসহ এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতারা জুলাই আন্দোলনে বাগেরহাটে শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহতদের সাথে দেখা করেন। তাদের খোঁজ খবর নেন। এদিন বিকেলে রামপাল উপজেলার ফয়লা বাজার এলাকায় পথসভায় অংশগ্রহণ করেন এনসিপির নেতারা। সেখানে বক্তব্য দেন, সদস্যসচিব শেখ আখতার হোসেন, মুখ্য সংগঠক (উত্তরাঞ্চল) সারজিস আলম, সিনিয়র মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দিন পাটোয়ারী প্রমুখ।

সন্ধ্যায় বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদ পরিদর্শন করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। পথসভার আগে বাগেরহাট শহরে এনসিপির পক্ষ থেকে মিছিল বের করা হয়। মিছিলে দলটির কেন্দ্রীয় নেতারা অংশগ্রহণ করেন। পথসভা শেষে পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে বাগেরহাট ছাড়েন এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

কবি আল মাহমুদ আয়োজনে কবিতা আড্ডা ও স্মৃতিচারণ সভা

প্রেস বিজ্ঞপ্তি, নিজ সংস্কৃতিকে যে জাতি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না সে জাতির সমৃদ্ধি ও বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। বিজাতীয় সংস্কৃতি তাকে গ্রাস করে নেয়। এ থেকে উত্তরণের একটিই পথ তা হচ্ছে সাংস্কৃতিক বিপ্লব। এই বিপ্লব ঘটাতে ব্যর্থ হলে আমাদের জাতিরাষ্ট্র বিপন্ন হবে। জাতীয় ঐক্য ও সংহতি বিনষ্ট হবে, বলে সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করেন জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের বক্তারা।

গতকাল শনিবার (১২ জুলাই) সন্ধ্যায় কবি আল মাহমুদ আয়োজনে কবিতা আড্ডা ও স্মৃতিচারণ সভায় মিলিত হয়ে এমনটিই সতর্ক বার্তা উচ্চারণ করেন তারা। লেখক ফোরামের সভাপতি কবি শাহীন রেজার সভাপতিত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এমবিএ ভবনে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি কবির কবিতা পাঠের মধ্য দিয়ে উদ্বোধন ঘোষণা করেন বিশিষ্ট আবৃত্তিকার ও আল মাহমুদ বিশ্লেষক নাসিম আহমেদ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সত্তরের প্রবল কবি জাহাঙ্গীর ফিরোজ এবং প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আল মাহমুদের কাছের মানুষ কবি ও সম্পাদক জাকির আবু জাফর।

জাহাঙ্গীর ফিরোজ বলেন, “বিজাতীয় সংস্কৃতির তীব্র থাবা থেকে আমাদেরকে যেকোনো উপায়ে বেরিয়ে আসতে হবে আমাদের।”

জাকির আবু জাফর বলেন, “আল মাহমুদ মানেই বাংলাদেশ। তার চোখ দিয়েই এ দেশ, এ দেশের মাটি ও মানুষকে দেখতে হবে।”

ফোরামের সাধারণ সম্পাদক কবি ও শিক্ষাবিদ ড. শহিদ আজাদ বলেন, “আল মাহমুদ মানেই একটি বিপ্লব। একটি চেতনার উন্মেষ। এই চেতনাকে আমাদের ধারণ ও লালন করতে হবে।”

সভাপতির বক্তব্যে কবি শাহীন রেজা বলেন, “আল মাহমুদ জাতীয়তাবাদী চেতনার একটি সফল উচ্চারণ। তার আদর্শ ও চেতনার প্রতি আস্থা রেখেই সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তার হাতে জাসাসের নেতৃত্ব তুলে দিয়েছিলেন।”

তিনি বলেন, “এ জাতিকে এগিয়ে নিতে শহীদ জিয়ার যে স্বপ্ন ও অনুভব তাকে আমরা আল মাহমুদে প্রত্যক্ষ করি এবং তাই তিনি আমাদের অগ্রসৈনিক হিসেবে বিবেচিত।”

ফোরামের সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিনের ব্যবস্থাপনা এবং দীপেস আনোয়ারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে আলোচনা ও কবিতাপাঠে অংশগ্রহণ করেন, কবি কামরুজ্জামান, ছড়াকার আতিক হেলাল, ক্যামেলিয়া আহমেদ, সৈয়দ রনো, আবীর বাঙালি, মাহবুব শওকত, মঈন মুরসালিন, পলি রহমান, রি হোসাইন, আবুল খায়ের, অ্যাডভোকেট ইকবাল সেলিম, হাসান কামরুল, পারভীন শাহনাজ, রানা হোসেন, নূরুল আবছার,  খালেদা সরদার প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

আমি রাজনীতি করিনি, রাজনীতি বুঝিও না’: আ*দালতে অপু বিশ্বাস!

বিনোদন ডেস্ক, রাজধানীর ভাটারা থানায় দায়ের করা হত্যা চেষ্টার এক মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইতে গিয়ে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেছেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। আদালতের কাছে তিনি দাবি করেন, তিনি একজন অভিনয়শিল্পী, কখনো রাজনীতি করেননি, রাজনীতি আমি বুঝিও না।

রোবিবার (১৩ জুলাই) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমানের আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করেন অপু বিশ্বাস। জামিন শুনানি শেষে আদালত ১০ হাজার টাকা মুচলেকায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।

সকাল ১২টা ৪০ মিনিটে আদালতে উপস্থিত হন অপু বিশ্বাস। শুরুতে পেছনের বেঞ্চে বসে থাকলেও ১২টা ৫৭ মিনিটে মামলাটি শুনানির জন্য ডাক পড়লে তিনি কাঠগড়ায় ওঠেন।

অপু বিশ্বাসের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মোজাফফর হোসেন জিকু, আবুল বাশার কামরুলসহ একাধিক আইনজীবী।

তারা জানান, হাইকোর্ট থেকে ২ জুন ছয় সপ্তাহের জামিন পেয়েছিলেন অপু বিশ্বাস। মেয়াদ শেষ হওয়ায় তিনি স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করেন। মামলার এজাহারে কোথাও তার নাম উল্লেখ নেই, এমনকি মামলার বাদীও হলফনামা দিয়ে ভুল স্বীকার করেছেন। এ মামলায় তার বিরুদ্ধে কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগও নেই। তাই সহ-আসামির জামিনের দৃষ্টান্তে বা শর্তসাপেক্ষে তার জামিন চাওয়া হয়।

এরপর আদালতের অনুমতি নিয়ে অপু বিশ্বাস নিজে বলেন, ‘আমি অভিনয়ের মুখপাত্র হিসেবে কাজ করেছি, এটা আমার চাকরি। আমি এখনো অভিনয়শিল্পী, কখনো রাজনীতি করিনি, বুঝিও না।’

এ সময় আদালতে উপস্থিত কিছু আইনজীবী অপু বিশ্বাসকে উদ্দেশ্য করে কটূক্তি করেন, যার জবাবে অপু বিশ্বাস মাথা নিচু করে চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকেন। তিনি বলেন, ‘আমার একটি ছোট সন্তান আছে।’ তখন কিছু আইনজীবী বলেন, ‘সন্তানের কথা বলে আদালতকে ইমোশনাল করতে চাচ্ছেন।’

উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন মঞ্জুর করেন। বেলা ১টা ৫ মিনিটে নারী পুলিশের নিরাপত্তা বেষ্টনীর মাধ্যমে তাকে গাড়িতে তুলে দেওয়া হয়।

এর আগে, গত ১০ জুলাই অপু বিশ্বাস সশরীরে আদালতে হাজির হয়ে জামিননামা দাখিল করেন।

একই মামলায় গত ১৮ মে চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয় এবং দুদিন পর তিনি জামিন পান।

ঘটনার পর এনামুল হক ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনাসহ ২৮৩ জনের নাম উল্লেখ করা হয় এবং আরও তিন-চারশ‘ জনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়

মামলায় অপু বিশ্বাস ২০৮ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি। এছাড়াও মামলায় আসনা হাবিব ভাবনা, নুসরাত ফারিয়া, জায়েদ খানসহ ১৭ জন শিল্পীকে আসামি করা হয়েছে।

অভিযোগে বলা হয়, এসব শিল্পী বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে আওয়ামী লীগের অর্থ জোগানদাতা হিসেবে ভূমিকা রেখেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

কবি আল মাহমুদের ৮৯ তম জন্মজয়ন্তী উদযাপন

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:
বাঙালি জাতির মহাকালের কবি আল মাহমুদের ৮৯তম জন্মদিন উপলক্ষ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। গত ১২ জুলাই শনিবার বিকেল ৩ টায় ঐতিহ্যবাহী নিয়াজ মুহম্মদ উচ্চ বিদ্যালয়ের অডিটোরিয়ামে এই আয়োজনে স্মরণ করা হয় বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তিকে।
অনুষ্ঠানে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘আল মাহমুদ কমপ্লেক্স’ স্থাপনের জোর দাবি জানান বক্তারা।
তারা বলেন, ‘আল মাহমুদের সাহিত্য, সাংবাদিকতা ও সাংস্কৃতিক অবদান শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নয়, সমগ্র বাংলার ঐতিহ্য। তাঁর নামে একটি পূর্ণাঙ্গ কমপ্লেক্স নির্মাণ হলে আগামী প্রজন্ম তাঁর জীবন ও কর্ম সম্পর্কে গভীরভাবে জানতে পারবে এবং অনুপ্রাণিত হবে।’
কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদ এর সভাপতি মোঃ ইব্রাহিম খান সাদাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোট (জাসাস)-এর সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রেজাবুদ্দৌল্লা চৌধুরী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সিনেট সদস্য মোঃ লিয়াকত আলী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি জাবেদ রহিম বিজন, সাবেক অতিরিক্ত সচিব শাহ মোহাম্মদ সানাউল হক, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক বাহারুল ইসলাম মোল্লা, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক জোটের মহাসচিব রফিকুল ইসলাম, দৈনিক ঐশী বাংলার সাহিত্য সম্পাদক ডা. এস. এম. শাহনুর কবি,সাংবাদিক ও সাংস্কৃতিককর্মী শাহাদাত হোসেন সোহেলের সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন কবি আল মাহমুদ গবেষণা কেন্দ্র ও স্মৃতি পরিষদের সাধারণ সম্পাদক কবি লিটন হোসাইন জিহাদ।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আল মাহমুদের সাহিত্যচিন্তা, রাজনীতি, সাংবাদিকতা এবং তার বিপ্লবী চেতনার গভীর বিশ্লেষণ তুলে ধরেন।
তারা বলেন, ‘আল মাহমুদ কেবল কবিই ছিলেন না, ছিলেন সময়ের প্রহরী। তাঁর লেখনীতে উঠে এসেছে গ্রামীণ জীবনের সত্য, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা এবং মানুষের অন্তর্লৌকিক জীবনবোধ।’
আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা একই সাথে চলতে থাকে। স্টুডিও সাগর মিউজিক প্লাস, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর ছাত্র ছাত্রীদের আবৃত্তি এবং সংগীত দল সংগীত পরিবেশন করে দর্শকদের বিমোহিত করে তোলে।
নিয়াজ মুহম্মদ স্কুলের শিক্ষার্থীরা এবং সাহিত্য একাডেমির সদস্যরা আবৃত্তি করেন কবি আল মাহমুদের অমর কবিতা।
অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বয়সের সাহিত্যপ্রেমী, সংস্কৃতিকর্মী, সাংবাদিক ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুলাই ২০২৫/মওম 

মানিকগঞ্জে ৯ বছরের শিশুকে ধ*র্ষণের দায়ে পিতার মৃ*ত্যুদণ্ড

মো: মহিদ. মানিকগঞ্জ পৌর এলাকায় নয় বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের দায়ে আনোয়ার হোসেন (৪৫) নামের এক ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ডাদেশ দিয়েছেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল।  একইসঙ্গে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
রোববার (১৩ জুলাই) দুপুরে ট্রাইব্যুনালের বিচারক এম এ হামিদ এই সাজা দেন।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেনের বাড়ি যশোরের কোতোয়ালি উপজেলার ডাকাতিয়া গ্রামে। তিনি মানিকগঞ্জ পৌর এলাকার পূর্ব দাশড়া এলাকায় একটি ভাড়া বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন। রায় ঘোষণার সময় তিনি আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ভুক্তভোগী শিশুটি সম্পর্কে ধর্ষক আনোয়ারের মেয়ে। ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট দিবাগত রাতে মানিকগঞ্জ পৌর এলাকায় ভাড়া বাসায় আসামি শিশুটিকে ধর্ষণ করেন।
এ ঘটনায় শিশুটির মা বাদী হয়ে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগে আনোয়ারকে আসামি করে মানিকগঞ্জ সদর থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলাটি তৎকালীন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রকিবুজ্জামান নিজেই তদন্ত করেন। ২০২০ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি তদন্ত-কর্মকর্তা রকিবুজ্জামান আসামি আনোয়ারের বিরুদ্ধে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে অভিযোগপত্র দেন।
এ মামলায় মোট ১৩ জন সাক্ষীর সাক্ষর গ্রহণ করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌসুঁলি (পিপি) হুমায়ন কবির। তিনি বলেন, মামলায় সকল নথিপত্র এবং স্বাক্ষীদের দেওয়া তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ট্রাইব্যুনালের বিচারক আসামি আনোয়ারকে মৃত্যুদণ্ড ও এক লাখ টাকা জরিমানা করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

আরও ২ মাস বাড়লো সশস্ত্র বাহিনীর ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতার মেয়াদ!

বিশেষ প্রতিনিধি, সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তদূর্ধ্ব পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের ক্ষমতা আরও দুই মাস তথা ৬০ দিন বাড়িয়েছে সরকার।

আজ রবিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে এ আদেশ জারি করা হয়।

 

প্রজ্ঞাপনে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ক্যাপ্টেন ও তার ঊর্ধ্বতন কমিশন্ড কর্মকর্তাদের (কোস্টগার্ড ও বিজিবির প্রেষণে নিযুক্ত কর্মকর্তাসহ) ফৌজদারি কার্যবিধির ১২(১) ও ১৭ ধারা অনুযায়ী বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেসি ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। এ ক্ষমতা ১৪ জুলাই থেকে ৬০ দিন কার্যকর থাকবে। সারাদেশে তারা এ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, সেনাবাহিনীর এ ম্যাজিস্ট্রেট কর্মকর্তারা ফৌজদারি কার্যবিধির ৬৪, ৬৫, ৮৩, ৮৪, ৮৬, ৯৫(২), ১০০, ১০৫, ১০৭, ১০৯, ১১০, ১২৬, ১২৭, ১২৮, ১৩০, ১৩৩ ও ১৪২ ধারার অপরাধ বিচার করতে পারবেন সেনাবহিনী।

উল্লেখ্য, গত বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর প্রথম সশস্ত্র বাহিনীকে এ ক্ষমতা দেওয়া হয়। এরপর থেকে নিয়মিত ২ মাস পরপর মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

চকরিয়ায় সওজের অভিযানে অবৈধ মার্কেট উচ্ছেদ 

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়ায় সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের জায়গা দখলে নিয়ে তৈরি করা একটি অবৈধ মার্কেট অভিযান চালিয়ে গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই উচ্ছেদ অভিযানের পর উদ্ধার করা হয়েছে প্রায় কোটি টাকা মূল্যের ভূ–সম্পত্তি।বৃহস্পতিবার দুপুরে সওজের কর্মকর্তারা উপজেলার নলবিলা খাদ্য গুদাম সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে এ উচ্ছেদ অভিযান চালায়।চকরিয়া সড়ক উপবিভাগের উপ–সহকারী প্রকৌশলী (এসও) কুতুব উদ্দিন তালুকদার বলেন, সামপ্রতিক সময়ে মোহাম্মদ রফিক নামের এক ব্যক্তির নেতৃত্বে দখলবাজ চক্র মহাসড়কের পাশে চকরিয়া উপজেলার নলবিলা খাদ্য গুদাম সংলগ্ন সড়ক বিভাগের জায়গা দখলে নিয়ে সেখানে অবৈধভাবে স্থাপনা (ব্যবসা প্রতিষ্ঠান) তৈরি করে। বিষয়টি জানতে পেরে ইতোমধ্যে সেখানে গিয়ে সড়ক বিভাগের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ না করতে সংশ্লিষ্টদের নিষেধ করি। সেই নিষেধ অমান্য করে কাজ চালিয়ে যায় দখলবাজরা। এই অবস্থায় বিষয়টি কক্সবাজার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীকে অবগত করি।

কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী রোকন উদ্দিন খালেদ চৌধুরী বলেন, চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়কের পাশে সড়ক বিভাগের জায়গায় অবৈধভাবে নির্মিত অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। সড়কের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের কোন সুযোগ নেই। ভবিষ্যতে  এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুলাই ২০২৫/মওম 

ইউক্রেনে রাশিয়ার যেকোনও পদক্ষেপের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছেন কিম

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেনে রাশিয়ার যেকোনও কাজের প্রতি নিঃশর্ত সমর্থনের ঘোষণা দিয়েছে উত্তর কোরিয়া। দেশটির নেতা কিম জং উন জানিয়েছেন, ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে রাশিয়া যে কোনো পদক্ষেপ নিক, পিয়ংইয়ং তাতে ‘নিঃশর্তভাবে সমর্থন’ দেবে।

রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের উত্তর কোরিয়া সফরে এই বার্তা দেন কিম। চলমান তিন দিনের সফরে দুই দেশের মধ্যে উচ্চপর্যায়ের কৌশলগত আলোচনা হয়েছে। ১৩ জুলাই রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার মধ্যে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিসহ সহযোগিতামূলক অংশীদারিত্ব চুক্তি রয়েছে। এটি গত বছর স্বাক্ষরিত হয়েছিল। সেই ভিত্তিতেই ল্যাভরভ ও উত্তর কোরিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী চো সন হুই দ্বিতীয় দফা কৌশলগত সংলাপ করেছেন।

এছাড়া ওনসান শহরে কিম ও ল্যাভরভের করেছেন। বৈঠকে কিম বলেন, বৈশ্বিক ভূরাজনীতিতে দ্রুত পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে দুই দেশের যৌথ পদক্ষেপ “বিশ্বব্যাপী শান্তি এবং নিরাপত্তা রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে”।

উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা কেসিএনএ জানায়, কিম বলেছেন, “ইউক্রেন সংকটের মূল কারণ নিরসনে রুশ নেতৃত্ব যে পদক্ষেপ নিচ্ছে, আমরা তা নিঃশর্তভাবে সমর্থন ও উৎসাহ দেব।”

এদিকে রাশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যেখানে কিম ও ল্যাভরভকে হাত মেলাতে ও আলিঙ্গন করতে দেখা গেছে। বৈঠকে কিম আরও বলেন, তিনি “বিশ্বাস করেন রুশ সেনা এবং জনগণ নিশ্চয়ই বিজয় অর্জন করবে, কারণ তারা দেশের মর্যাদা ও মৌলিক স্বার্থ রক্ষায় পবিত্র লড়াই করছে।”

কেসিএনএ জানায়, বৈঠকে ২০২৪ সালের জুনে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার মধ্যকার ঐতিহাসিক শীর্ষ সম্মেলনে গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে।

আল জাজিরা বলছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর গত দুই বছরে উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার সম্পর্ক নাটকীয়ভাবে ঘনিষ্ঠ হয়েছে। পিয়ংইয়ং ইতোমধ্যেই ১০ হাজারের বেশি সেনা এবং অস্ত্র সরবরাহ করেছে রাশিয়াকে এবং ভবিষ্যতে আরও সামরিক সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

গত বছর ভ্লাদিমির পুতিনের বিরল উত্তর কোরিয়া সফরে দুই দেশ একটি সামরিক চুক্তি সই করে। ওই চুক্তিতেও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ধারা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল।

এদিকে চলমান সফরে কিমকে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী ল্যাভরভ জানান, প্রেসিডেন্ট পুতিন “খুব শিগগিরই সরাসরি আবার দেখা করতে চান”। রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা তাস-এর বরাত দিয়ে এই তথ্য জানানো হয়।

এই সফরের আগে রাশিয়া ঘোষণা দেয়, তারা মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে সপ্তাহে দুইদিন ফ্লাইট চালু করবে। ওনসান শহরকে “ভবিষ্যতের পর্যটন আকর্ষণ” হিসেবে উল্লেখ করে ল্যাভরভ বলেন, “আমরা আশা করি, এই এলাকা শুধু স্থানীয়দের নয়, রাশিয়ান পর্যটকদের কাছেও জনপ্রিয় হয়ে উঠবে।”

আলোকিত প্রতিদিন/১৩জুলাই ২০২৫/মওম 

যুগান্তরের সম্পাদককে ৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিশ!

আলোকিত ডেস্ক, সোহাগ হত্যাকাণ্ডে বিএনপিকে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সংবাদ প্রকাশের অভিযোগে যুগান্তরের সম্পাদককে ৫ দিনের মধ্যে ক্ষমা চাইতে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

আজ সোমবার (১৩ জুলাই) এক সংবাদ সম্মেলনে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এ কথা জানান তিনি।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, গত বুধবার একটা অনাকাঙ্খিত এবং নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যে হত্যাকাণ্ডে। এটি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিসহ সারা বাংলাদেশের প্রত্যেকটা মানুষ নিন্দা জানিয়েছে। আমাদের দলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান, মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ দলের পক্ষ থেকে অতি দ্রুত প্রকৃত অপরাধীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন এই নেতারা। কিন্তু দুঃখজনক হলো, যুগান্তর পত্রিকা সরাসরি বিএনপিকে জড়িয়ে একটি নিউজ করেছে। অথচ পুলিশ-প্রশাসনের প্রাথমিক তদন্তে ব্যবসায়ীক দ্বন্দ্বে নিয়ে এই নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কিন্তু ওই রিপোর্টে এসেছে বিএনপির চাঁদাবাজির জন্য এই হত্যকাণ্ড ঘটনা ঘটেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি