আজ , ।   
Home Blog Page 341

উত্তরায় বিমান বিধ্বস্তে নিহ*ত বেড়ে ১৯, আহ*ত অন্তত ৫০

বিশেষ প্রতিনিধি, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়ে ১৯ জন নিহত হয়েছেন। ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ জাহেদ কামাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন ফায়ার সার্ভিস।

আজ সোমবার বিকেলে মাইলস্টোন স্কুলের দুর্ঘটনা কবলিত এলাকা পরিদর্শনের আগে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব তথ্য জানান। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত ৫০ জন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

চীনকে নজরদারির লক্ষ্যে লাদাখে নিজেদের সর্বোচ্চ বিমানঘাঁটি করছে ভারত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
সীমান্তে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা (লাইন অব কন্ট্রোল) এলাকায় চীনের গতিবিধি নজরদারির মধ্যে রাখতে লাদাখে বিমানঘাঁটি তৈরি করছে ভারত। নির্মাণকাজ শেষ হলে এটি হবে ভারতের প্রতিরক্ষা বাহিনীর সবচেয়ে উঁচুতে অবস্থিত বিমান ঘাঁটি।

কারণ কুনলুন এবং হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলভুক্ত লাদাখের জমিতে ঘাঁটি তৈরি করা হচ্ছে-সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে সেটির উচ্চতা ১৩ হাজার ৭০০ ফুট। এখন পর্যন্ত এত উঁচুতে আর কোনো ঘাঁটি নির্মাণ করেনি ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনী।

ভারতের প্রতিক্ষা বাহিনীর বরাত দিয়ে ইন্ডিয়া টুডেসহ বিভিন্ন ভারতীয় সংবাদমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে জানিয়েছে, জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য বিশেষভাবে নকশা করা এই বিমানঘাঁটিতি তৈরি করা হচ্ছে পূর্ব লাদাখের মুধি-নিওমা অঞ্চলে। ২০২১ সালে এই প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল ভারত সরকার। প্রকল্পের জন্য বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমাণ ২১৪ কোটি রুপি।

বর্তমানে জোরকদমে এগিয়ে চলছে নির্মাণকাজ। ইতোমধ্যেই ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি রানওয়ে নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে।

প্রসঙ্গত, লাদাখ ভারতের একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। এটির চারপাশে রয়েছে কুনলুন এবং হিমালয় পর্বতমালা, তিব্বত, ভারতের জম্মু ও কাশ্মির এবং হিমাচল রাজ্য। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর থেকেই লাদাখ নিয়ে ভারতের সঙ্গে বিরোধ চলছে চীন এবং পাকিস্তানের। কারণ উভয়েই লাদাখকে নিজেদের ভূখণ্ডের অংশ দাবি করে।

২০২০ সালের জুন মাসে লাদাখের গালাওয়ান উপত্যকায় ভারতীয় এবং চীনা সেনবাহিনীর মধ্যে ব্যাপক সংঘাত হয়। সেই সংঘাতে অন্তত ২০ জন ভারতীয় এবং ৪৫ জন চীনা সেনা নিহত হয়েছিলেন। তার পর গত ৫ বছরে চীন এবং ভারতের কূটনৈতিক সম্পর্ক অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে এসেছে, তবে এখনও বেইজিংয়ের প্রতি আস্থার অভাব বোধ করে নয়াদিল্লি।

কারণ গত কয়েক দশক ধরে চীন লাদাখ থেকে হিমাচল রাজ্য পর্যন্ত গোটা অঞ্চল নিজেদের বলে দাবি করে আসছে। ২০২৩ সালে একটি নতুন মানচিত্র প্রকাশ করে চীনা কমিউনিস্ট পার্টি, সেখানে লাদাখ থেকে হিমাচল রাজ্য পর্যন্ত পুরো এলাকাকে চীনা ভূখণ্ড হিসেবে প্রদর্শন করা হয়েছে।ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, নিওমা’র অবস্থান ভারত-চীন প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছে হওয়ার কারণে কৌশলগতভাবে এই বিমান ঘাঁটি ভারতীয় সেনাবাহিনীর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি ভারতের উত্তর সীমান্ত, বিশেষ করে প্রত্যন্ত পাহাড়ি অঞ্চল—যেখানে স্থল পরিবহণ কঠিন, সেখানেও পৌঁছে যাওয়া যাবে অতি দ্রুত।

আলোকিত প্রতিদিন/২১জুলাই ২০২৫/মওম 

বিমান দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়াতে বললেন তারেক রহমান!

বিশেষ প্রতিনিধি, রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসে বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২১ জুলাই) দুপুরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘মাইলস্টোন কলেজে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার খবরে আমরা গভীরভাবে শোকাহত। শিক্ষার্থীদের জন্য নিরাপদ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এমন মর্মান্তিক পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।

তিনি লেখেন, ‘এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় আহত ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য আমার আন্তরিক প্রার্থনা রইল। আমি বিএনপির সব পর্যায়ের নেতাকর্মী, বিশেষ করে যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল এবং চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট পেশাজীবীদের আহ্বান জানাচ্ছি—তারা যেন দ্রুত দুর্ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত ও ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে দাঁড়ান।’তারেক রহমান বলেন, ‘এই দুর্যোগপূর্ণ পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে। কারণ, আমরা একত্রে এই জাতির অংশ—মানবিকতা ও সহমর্মিতার ভিত্তিতে গড়ে ওঠা একটি দেশ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঘিওরে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ

প্রতিনিধি, ঘিওর (মানিকগঞ্জ) :

মানিকগঞ্জের ঘিওরে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস ও জেলা শিক্ষা অফিসের উদ্যোগে পারফরমেন্স বেজড গ্র্যান্টস ফর সেকেন্ডারি ইনস্টিটিউশনস (পিবিজিএসআই) স্কিমের আওতায় ২০২২/২০২৩ সালের “উপজেলা শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী পুরস্কার ” এবং “উচ্চ মাধ্যমিক সমাপনী পুরস্কার” প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট ও সার্টিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।  ২১ জুলাই সোমবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় উপজেলা পরিষদ হল রুমে মাধ্যমিকের ১০ জন এবং উচ্চ মাধ্যমিকের ১৫ জন মোট ২৫ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের মাঝে এ পুরস্কার বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে ঘিওর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) এ বি এম আঃ হান্নানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- ঘিওর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর মোঃ আনিসুর রহমান। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মানিকগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ আমীর হোসেন, উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মেহনাজ ফেরদৌস, জেলা শিক্ষা অফিসের প্রোগ্রামার রিজওয়ানুর রহমান। এছাড়াও উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান, কৃতি শিক্ষার্থীরা ও সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এসময় জেলা শিক্ষা অফিসার আমীর হোসেন বলেন, শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য তিনজন মানুষের প্রচেষ্টা থাকতে হবে – শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং শিক্ষক। তাহলেই শিক্ষার মান বৃদ্ধি পাবে। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর আনিসুর রহমান বলেন, যদি ক্লাস রুমে শিক্ষকরা মান সম্মত শিক্ষা প্রদান করতে পারেন এবং অভিভাবকরা সন্তানদের ঠিক মতো মনিটরিং করতে পারে আর ছাত্ররা মনোযোগী হয় তাহলে শিক্ষার মান বহুগুণে বেড়ে যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২১জুলাই ২০২৫/মওম 

উত্তরায় বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত,নিহত অন্তত ১

আলোকিত ডেস্ক:

রাজধানীর উত্তরায় বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হয়েছে।  ২১ জুলাই সোমবার বেলা ১টা ৬ মিনিটে বিমানটি উড্ডয়ন করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই উত্তরার দিয়াবাড়ি এলাকায় ঢাকা মাইলস্টোন কলেজের মাঠে বিধ্বস্ত হয়,  শিক্ষার্থীর অবস্থা খারাপ।

ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিট কাজ করছে। দুর্ঘটনায় একজন নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে ফায়ার সার্ভিস। এছাড়া আহত চারজনকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে করে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) নেওয়া হয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজিআই মডেলের একটি প্রশিক্ষণ বিমান দিয়াবাড়ির মাইলস্টোন কলেজের ক্যানটিনের ছাদে গিয়ে বিধ্বস্ত হয়।

ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের উত্তরা বিভাগের উপকমিশনার মহিদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে যান। তিনি জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/২১জুলাই ২০২৫/মওম 

রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের লক্ষ্যেই আমরা লড়াই করছি :সেলিমা রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কারের লক্ষ্যেই আমরা লড়াই করছি। এটি আমরা অবশ্যই বাস্তবায়ন করব। এ বিষয়ে বিএনপি জনগণের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ বলে মন্তব্য করেছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান।

রবিবার রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত ‘২০২৪ পরবর্তী রাজনৈতিক সংকট এবং নির্বাচনপূর্ব সহিংসতা মোকাবিলায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। সংলাপের আয়োজন করে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান স্কুল অব লিডারশিপ (এসওএলএ ইউএসএ)।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সেলিমা রহমান বলেছেন, ‘প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস যে কথা দিয়েছেন, আমরা বিশ্বাস করি সে কথা তিনি রাখবেন। আমরা নির্বাচন এই ফেব্রুয়ারি মাসেই চাই। সে চেষ্টা আমরা সবাই মিলে করবো।’

আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, বাংলাদেশ জাতীয় দলের চেয়ারম্যান এবং ১২ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতা এডভোকেট সৈয়দ এহসানুল হুদা, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, এবি পার্টির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার জুবায়ের আহমেদ ভুঁইয়া, এসওএল ইউএসএ’র বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. এম এম শরীফুল করীম, সংলাপের প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএনপির সহ-স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. পারভেজ রেজা কাকন।

আলোকিত প্রতিদিন/২১জুলাই ২০২৫/মওম 

১০ দিনের মধ্যে সকল বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে হবে : আলী রীয়াজ

আলোকিত প্রতিবেদক:

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রিয়াজ বলেছেন, আজসহ ১০ দিনের মতো সময় আমাদের হাতে আছে। এরই মধ্যে আমাদের সবগুলো সংস্কারের বিষয়ে সিদ্ধান্তে আসতে হবে।

২১ জুলাই সোমবার সকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের দ্বিতীয় ধাপের ১৬তম দিনের বৈঠকের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ সব কথা বলেন।

সংস্কার কমিশনের সহ-সভাপতি বলেন, সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। আমরা মুক্তিযুদ্ধে রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মাধ্যমে একটি স্বাধীন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পেরেছিলাম। তার জন্য লাখ লাখ মানুষকে প্রাণ দিতে হয়েছে। শুধু একদিনের সংগ্রাম, একটি যুদ্ধের মধ্য দিয়েই সেটি হয়নি। দীর্ঘদিনের সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আমরা সেই জায়গায় এসেছি, রাষ্ট্র অর্জন করেছি।

আলী রীয়াজ বলেন, পরবর্তী সময়ে ৫৩ বছর ধরে আমরা গণতন্ত্রের সংগ্রাম করেছি। আমরা চেষ্টা করেছি, একটি গণতান্ত্রিক জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার। সেই সংগ্রাম অব্যাহত আছে। তারই এক পর্যায়ে আমরা ভয়াবহ ফ্যাসিবাদের শাসনে নিপতিত হয়েছিলাম। সেখান থেকে সব রকম ভয়ভীতির ঊর্ধ্বে উঠে সবাই মিলে সব মতপার্থক্য ভুলে একটা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে আজকের এই জায়গায় এসেছি আমরা ।

ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি রাজনৈতিক দলসমূহের নেতাদের মুক্তিযুদ্ধ, অভূতপূর্ব গণঅভ্যুত্থান, রক্তপাত এবং হাজারো প্রাণনাশের কথা বিবেচনায় রেখে সামনে অগ্রসর হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, সেখান থেকে পেছানোর কোনো উপায় নেই। এগুলোকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোনো উপায় নেই। আগামী ১০ দিনের মতো সময় আছে। এর মধ্যে একটা ঐকমত্যে আসতে। হয়তো এক-দুদিন বিশেষ বিবেচনায় বাড়িয়ে নেওয়া যেতে পারে। কিন্তু আজসহ আমাদের হাতে থাকা ১০ দিনের মধ্যে বাকি বিষয়গুলোতে আমাদের সিদ্ধান্তে আসতেই হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২১জুলাই ২০২৫/মওম 

রিতার সাংগঠনিক দক্ষতায় মানিকগঞ্জে বিএনপি আবারো উজ্জীবিত!

বিশেষ প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জের রাজনীতিতে দীর্ঘদিন ধরেই জনপ্রিয় একটি স্লোগান ছিল— “মানিকগঞ্জের মাটি, ধানের শীষের ঘাঁটি”। বিভিন্ন সময় রাজনীতির জোয়ার-ভাটায় সেই স্লোগানের আবেদন হয়তো কিঞ্চিৎ ম্লান হয়েছিল, কিন্তু ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর তা ফিরে পেয়েছে নতুন প্রাণ। এই পুনর্জাগরণের কেন্দ্রে রয়েছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা।

দলীয় নেতাকর্মীদের ভাষ্য, তার দূরদর্শী নেতৃত্ব, সাহসিকতা ও সাংগঠনিক দক্ষতায় বিএনপি আবারো উজ্জীবিত মানিকগঞ্জে। ২০০১ সালে অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চারদলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও সাবেক মন্ত্রী মরহুম হারুণার রশিদ খান মুন্নুর নির্বাচনি সমন্বয়কারী হিসেবে রাজনীতির প্রথম সারিতে আত্মপ্রকাশ করেন আফরোজা খানম রিতা। এরপর বিভিন্ন সময় কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের প্রতিনিধি সম্মেলন, তৃণমূল পর্যায়ের সাংগঠনিক কর্মসূচি এবং জাতীয় নির্বাচনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করেন একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবে।

২০০৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে মানিকগঞ্জ-২ আসনে প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সক্রিয় থাকার পাশাপাশি দলের সাংগঠনিক ভিত্তি দৃঢ় করার কাজে আত্মনিয়োগ করেন ।

শত দমন-পীড়নের মধ্যেও তিনি অটল ছিলেন নেতাকর্মীদের পাশে। ২০০৯ সালের পর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে যে ধরপাকড় ও মামলা শুরু হয়, মানিকগঞ্জ জেলা ছিল তার অন্যতম টার্গেট।

দলীয় সূত্র অনুযায়ী, জেলার প্রায় ১০ হাজার নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ১৭২টি রাজনৈতিক মামলা দায়ের হয়। এসব মামলায় ব্যক্তিগত খরচে আইনি সহায়তা দেন আফরোজা খানম রিতা, যা তাকে কর্মীদের কাছে এক ভরসার জায়গায় পরিণত করে তখন।

তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকা সত্ত্বেও তিনি মাঠের রাজনীতি থেকে পিছু হটেননি। বরং প্রতিটি কেন্দ্রীয় কর্মসূচি বাস্তবায়নে সরাসরি নেতৃত্ব দিয়েছেন।

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় অংশগ্রহণ, ২০২৪ সালে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে মানিকগঞ্জ জেলায় অন্যতম সক্রিয় নেত্রী ছিলেন রিতা। ৪ আগস্ট মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের মহাসমাবেশে তিনি নেতৃত্ব দেন এবং পরে সরকার পতনের পর প্রশাসনিক শূন্যতা মোকাবিলায় নিজ উদ্যোগে দলের নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেন তিনি।

তখন মানিকগঞ্জ জেলার ১৬৪২টি গ্রাম, ৬৫টি ইউনিয়ন, ৭টি থানা ও ২টি পৌরসভায় পাহারা ও সহায়তা কার্যক্রম পরিচালিত হয় তার নির্দেশনায়। এছাড়া সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পূজামণ্ডপ ও বসতবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও দলীয় কর্মীদের সংগঠিত করেন তিনি।

সাংগঠনিক শক্তি এবং নির্বাচনি প্রস্তুতি-

২০১৫ সালে জেলা ও উপজেলা নির্বাচনে দলীয় প্রার্থীদের বিজয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। ২০২১ সালের জেলা বিএনপির কাউন্সিলে ৪৫ জন কাউন্সিলরের মধ্যে ৪২ জনের ভোট পেয়ে জেলা সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি।

২০২৩ ও ২০২৪ সালে ঢাকার বিভিন্ন কেন্দ্রীয় কর্মসূচি, র‌্যালি ও সমাবেশে হাজার হাজার নেতাকর্মী নিয়ে সক্রিয় অংশগ্রহণ করেন রিতা। নয়াপল্টনের মহাসমাবেশ থেকে ফার্মগেট পর্যন্ত ৯ কিলোমিটার রোডমার্চে নিজে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন তিনি।

জেলায় দলের ভেতরের বিভাজন মিটিয়ে নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার অবদান উল্লেখযোগ্য ছিল।

জাতীয় পর্যায়ে দায়িত্ব ও পরিচিতির কারণে ২০২৪ সালের ১৫ জুন তাকে বিএনপি চেয়ারপারসনের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা কমিটির বিশেষ সহকারী মনোনীত করা হয়। এর আগে তিনি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

তিনি তার নিজ বাসভবন মুন্নু সিটিতে বিভিন্ন সময় দলের বিভাগীয় সভা, প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভার্চুয়াল উপস্থিতিতে জেলা পর্যায়ের ১৩০০ নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে প্রশিক্ষণ কর্মশালারও আয়োজন করেন তিনি।

শিক্ষা ও পারিবারিক জীবনেও রিতা একজন কৃতী ব্যক্তিত্ব। অগ্রণী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও ইউনিভার্সিটি উইমেন্স ফেডারেশন কলেজ থেকে এসএসসি ও এইচএসসিতে প্রথম স্থান অর্জন করেন তিনি। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হিসাববিজ্ঞানে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি মুন্নু গ্রুপ অব ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান।

তার তিন পুত্রসন্তান লন্ডনের বিভিন্ন স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করে পারিবারিক প্রতিষ্ঠানে গুরুত্বপূর্ণ পদে কর্মরত। তার স্বামী মইনুল ইসলাম ছিলেন মুন্নু গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান।

দলীয় নেতাকর্মীদের চোখে একজন নিবেদিতপ্রাণ সংগঠক তিনি। বিএনপি, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, শ্রমিক দল, মহিলা দল, ছাত্রদল ও আইনজীবী ফোরামের স্থানীয় নেতারা তার নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আব্দুল খালেক শুভ বলেন, “তিনি ব্যবসায়ী পরিবার থেকে এলেও রাজনীতির মাঠে সার্বক্ষণিক ছিলেন বলেই আমরা সাহস পাই।”

জেলা বিএপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ও আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আজাদ হোসেন খান বলেন, “রিতা আপার নেতৃত্বে মানিকগঞ্জে বিএনপি আগের চেয়ে অনেক বেশি সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ।”

আফরোজা খানম রিতা দীর্ঘ রাজনৈতিক পথপরিক্রমা, নেতৃত্ব গুণ ও সাংগঠনিক তৎপরতায় মানিকগঞ্জ জেলার গুরুত্বপূর্ণ নেতা হয়ে উঠেছেন। মাঠের রাজনীতি থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায়ের নেতৃত্ব, কর্মীদের প্রতি দায়িত্বশীলতা তাকে দলের জেলা কান্ডারিতে পরিণত করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

৯ ম্যাচ পর টস ভাগ্য ফিরল লিটনের নিয়েছেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত!

স্পোর্টস ডেস্ক, লম্বা সময় পর অবশেষে টসে জিতলো লিটন দাসের ভাগ্য। ৯ ম্যাচ টানা টসে হারা পর বাংলাদেশ অধিনায়ক আজ মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামে টস জিতে নিয়েছেন ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের প্রথম ম্যাচে শুরুতেই দারুণ এক মানসিক জয়ে মাঠে নামল টাইগাররা।

শ্রীলঙ্কা সফর শেষ করে মাত্র কয়েক দিন আগেই দেশে ফিরেছে বাংলাদেশ দল। বিশ্রামের খুব একটা সুযোগ না পেয়েই আজ থেকে শুরু হয়েছে পাকিস্তানের বিপক্ষে হোম সিরিজ। ঘরের মাঠে সিরিজ শুরু করার আগে টস জিতে ফিল্ডিং নেওয়ার সিদ্ধান্ত লিটনের।

আজকের ম্যাচে একাদশে এসেছে একটি পরিবর্তন। শেষ টি-টোয়েন্টিতে খেলা শরীফুল ইসলামের জায়গায় দলে ফিরেছেন গত কিছুদিন চোট কাটিয়ে ফেরা পেসার তাসকিন আহমেদ। তার অভিজ্ঞতা নতুন বল হাতে কাজে লাগাতে চায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

বাংলাদেশ একাদশ: তানজিদ হাসান তামিম, পারভেজ হোসেন ইমন, লিটন দাস (অধিনায়ক), তাওহীদ হৃদয়, শামীম হোসেন পাটোয়ারী, জাকের আলী অনিক, শেখ মেহেদী হাসান, তানজিম হাসান সাকিব, রিশাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান ও তাসকিন আহমেদ।

পাকিস্তান একাদশ: সাইম আইয়ুব, ফখর আহমেদ, মোহাম্মদ হারিস, হাসান নওয়াজ, সালমান আলী আগা (অধিনায়ক), খুশদিল শাহ, মোহাম্ম5দ নাওয়াজ, ফাহিম আশরাফ, আব্বাস আফ্রিদি, সালমান মির্জা ও আবরার আহমেদ।

ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টায়। আবহাওয়া পূর্বাভাসে বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকলেও দর্শকরা আশা করছেন পুরো ম্যাচ উপভোগ করতে পারবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নদীভাঙনের ভয়াল থাবা: বিলীন হচ্ছে মানিকগঞ্জের মালুচি ও কুশেরচর গ্রাম

মো: মহিদ:
৭০ বছর বয়সী নেছা বেগমের বাড়ি ছিল পদ্মা নদীর পাড়েই। স্বামী ইছহাক আলীর সঙ্গে ১১ শতাংশ জমির ওপর গড়ে উঠেছিল তাদের ছোট সংসার। নদীর ভাঙন এখন সেই বাড়ির গা ঘেঁষে চলছে—যেকোনো মুহূর্তে তা বিলীন হয়ে যেতে পারে। শেষ বয়সে স্বামীর রেখে যাওয়া বসত বাড়িতেই  শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করাটাই  এখন নেছা বেগমের চাওয়া। তার মত এই গ্রামের  অনেকেই এখন আতঙ্কে দিন পার করছে। মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নের মালুচি ও কুশেরচর গ্রামে পদ্মা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে শত শত মানুষ নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে ঘরবাড়ি, ফসলি জমি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় উপাসনালয় এবং গাছপালা। মালুচি গ্রামে এখন ১৫০ থেকে ২০০টি পরিবার সরাসরি হুমকির মুখে। এর আগেই দুই গ্রামের অনেক মানুষ তাদের বসতভিটা হারিয়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছে। মালুচি গ্রামের সিদ্দিক প্রামানিকের স্ত্রী মাজেদা আক্তার বলেন—”আমার ৫ শতাংশ জমি গাছপালাসহ চলে গেছে নদীতে। দিনমজুর স্বামীর আয়ে কোনোমতে সংসার চালাই। যে কোন মুহূর্তে নদীতে বিলীন হয়ে যেতে পারে বাড়িটিও। শেষ সম্বল এই বাড়িটি ভেঙে গেলে রাস্তায় থাকা ছাড়া আর কোন উপায় নাই। মালুচি গ্রামের পাশেই কুশেরচরের কৃষক আইয়ুব আলী ভূঁইয়া জানান, “আমি তিনবার নদীতে বাড়ি হারাইছি। প্রায় ২০-৩০ বিঘা ফসলি জমি গেছে পদ্মায়। এখন মামার বাড়ির জমিতে কোনোমতে বাস করছি। এখনো আমার নতুন বাড়িটাও হুমকির মুখে। নদীভাঙনের কবলে পড়ে এলাকাবাসী শুধু বসতভিটাই হারায়নি, বিপন্ন হয়েছে বহু স্থাপনা। ইতোমধ্যেই হুমকির মুখে পড়েছে মালচি পশ্চিমপাড়া জামে মসজিদ, রাহমানিয়া ফুরকানিয়া মাদ্রাসা, ২০নং মালুচি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, যাদব গোঁসাই আশ্রম এবং দক্ষিণ গায়ানবাড়ি জামে মসজিদ। পদ্মা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কাঞ্চনপুর গ্রামের সাধারণ মানুষ জরুরী ভিত্তিতে জিও ব্যাক ফেলে নদী ভাঙ্গন রোধ করার জন্য গণ সমাবেশ ও মানববন্ধন করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি জানিয়েছেন বিভিন্ন সময়। গত শনিবারও বেলা ১১ টায় হরিরামপুর উপজেলার কাঞ্চনপুর ইউনিয়নে ভুক্তভোগী গ্রামবাসীদের আয়োজনে হয় গণসমাবেশ। সেখানে বক্তব্য রাখেন, কাঞ্চনপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি খোরশেদ আলম খান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ আজহারউদ্দিন, ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার ইদ্রিস আলী, সুইজারল্যান্ড প্রবাসী আব্দুর রহমানসহ অনেকে। তারা বলেন, গ্রামের মানুষ স্বাবলম্বী ছিল। কৃষিকাজ করে ভালোই চলছিল জীবন। কিন্তু পদ্মার অবিরাম ভাঙনে তারা এখন নিঃস্ব। বাড়ি নেই, জমি নেই, উপার্জনের পথও প্রায় বন্ধ। কুশেরচরের ৩নং ওয়ার্ডে কিছু এলাকায় জিও ব্যাগ দেয়া থাকলেও তা পর্যাপ্ত নয়। কাঞ্চনপুর ইউনিয়নবাসীর দাবি—বর্তমান জিও ব্যাগের সীমা থেকে অন্তত আরও ৬০০-৭০০ মিটার পর্যন্ত জিও ব্যাগ না দিলে মালুচি ও কুশেরচর দুই গ্রামই পুরোপুরি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে। সরকার ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতি তাদের দাবি, জরুরি ভিত্তিতে টেকসই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গ্রহণ করে নদীভাঙনের এই ভয়াবহতা থেকে এলাকাবাসীকে রক্ষা করা হোক। এবিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী  মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান বলেন, হরিরামপুর উপজেলার পদ্মা নদীর বাম তীরে কালিতলা থেকে মালোচি পর্যন্ত প্রায় ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যে, ইতিমধ্যে কালিতলা এলাকায় জরুরি আপৎকালীন কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে এবং নদী ভাঙ্গন হ্রাস পেয়েছে। কালিতলা থেকে মালোচি পর্যন্ত অবশিষ্ট ৩০০ মিটার দৈর্ঘ্যে কাজ বাস্তবায়নের লক্ষে জরিপ কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং স্থায়ী প্রকল্প গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। সার্বক্ষণিক ভাঙ্গন এলাকা মনিটরিং অব্যাহত রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২০জুলাই ২০২৫/মওম