আজ , ।   
Home Blog Page 334

‘দেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ’ ইস্যুতে আবেগঘন বক্তব্য দিয়েছেন অ্যাডলফ খান

আলোকিত ডেস্ক:

অ্যাডলফ খান মূলত একজন কোরিওগ্রাফার। ফলে দেশের শোবিজ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দেখা যায়। তার বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। সেসব ছবির ক্যাপশনে বলা হচ্ছে তিনি নাকি দেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষের অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। আসলেই কি তাই? তার বাবা হাসপাতালে ভর্তি জানিয়ে ‘দেশের সবচেয়ে সুদর্শন পুরুষ’ ইস্যুতে আবেগঘন কিছু কথা বলেছেন অ্যাডলফ খান।

এই কোরিওগ্রাফার বলেন, ‘আমার ছবি ভিডিও দিয়ে নেট দুনিয়া সয়লাব! ভাইরে ভাই, আমাকেই পাইলেন আপনারা। ভালো মন্দ বাস্তব অবাস্তব মনগড়া ক্যাপশন দিয়ে লাখ লাখ ভিডিও বানাচ্ছে সব একের পর এক!

অ্যাওয়ার্ড পাওয়ার বিষয়টিও সত্য, তবে সেটা সুদর্শন পুরুষের নয়। অ্যাডলফ খান সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন কোরিওগ্রাফির ওপরে। বিষয়টি নিয়ে তিনি বলেন, ‘পাইলাম স্টাইলিশ ফ্যাশন ডিরেক্টর অ্যাওয়ার্ড। বানিয়ে দিলেন দেশের এক নম্বর সুদর্শন! কেন রে ভাই, সত্যিটাই লিখতেন। এত মর্মান্তিক ভালোবাসা নিতে পারছি না!’

অ্যাডলফ খান বলেন, ‘ এমনিতেই বাবা হসপিটালে, মন ভালো নেই। আমি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত, সারাক্ষণ ডিউটি দিতে হচ্ছে! আমি আমার ছবি ভিডিও আর কি দেব। আপনারাই আপলোড দেন। দিয়ে সুখে থাকুন। এত এত পোস্ট আমাকে নিয়ে, দিশেহারা হয়ে গেলাম, আপনারা পারেনও বটে।’

অ্যাডলফ খান বলেন, ‘ভাইরাল আর ভিউয়ের বাণিজ্যে আপনারা আমাকে বন্দুকের গুলির মুখে রেখে ভালোই ডলার কামাচ্ছেন, তো মাঝে মাঝে আমাকেও দিয়েন কিছু! না দিলেও অন্তত কৃতজ্ঞতা দিয়েন। নেগেটিভ উল্টাপাল্টা ক্যাপশন তো আছেই, জামার দাম থেকে শুরু করে, লাখো মেয়ের ক্রাশ, শাহরুখের সঙ্গে তুলনা হয়ে, এখন দেশের এক নম্বর সুদর্শন হিসেবে পুরস্কার প্রাপ্তি। বানিয়ে দিলেন!’

তিনি আরও বলেন,‘আমি কি এই ধরনের তথ্য সংবলিত কোনো ইন্টারভিউ কখনো দিয়েছি বা বলেছি? আমাকে দিয়ে আপনাদের লাভ হচ্ছে বা আমাকে আপনারা খুব ভালোবাসেন, সবই বুঝলাম, কিন্তু ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ আরো বাস্তবিক, সত্য এবং সুন্দর হতে পারে। সত্যি কিছু বলার ভাষা নাই!’

অ্যাডলফ খানের সাজ পোশাক আর দশ জনের চেয়ে আলাদা। ফলে সহজে সবার নজরে পড়েন এই কোরিওগ্রাফার।

সূত্র: কালের কণ্ঠ

আলোকিত প্রতিদিন/২৯ জুলাই ২০২৫/মওম 

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর পর্যালোচনা সভা

আলোকিত ডেস্ক:

দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীগুলোর নির্বাচনী প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা সভা করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনুস।

২৮ জুলাই সোমবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে এ সভা অনুষ্ঠিত হয় বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

সভায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রস্তুতি এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

সূত্র: বাসস

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

ঘরবাড়ি ভেঙে দিয়ে মুসলিমদের উচ্ছেদ ও বাংলাদেশে বিতাড়ন করছে ভারত: রয়টার্সের প্রতিবেদন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য আসামে মুসলিমদের উচ্ছেদ এবং বাংলাদেশে বিতাড়ন করছে ভারত। গত কয়েক সপ্তাহে হাজারো মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

মুসলিমদের লক্ষ্য করে চালানো এই দমন অভিযানে প্রাণহানির ঘটনাও ঘটেছে।  ২৮ জুলাই সোমবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।

বার্তাসংস্থাটি বলছে, বাংলাদেশ সীমান্তঘেঁষা ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় আসাম রাজ্যের একটি কোণে নীল ত্রিপল দিয়ে তৈরি অস্থায়ী আশ্রয়ে শত শত মুসলিম পুরুষ, নারী ও শিশু বাস করছেন। সম্প্রতি তাদের ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে। আসামে আসন্ন রাজ্য নির্বাচনকে ঘিরে এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় উচ্ছেদ অভিযান।

গত কয়েক সপ্তাহে হাজারো পরিবারের ঘরবাড়ি বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে দিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। কর্তৃপক্ষের দাবি, এসব মানুষ সরকারি জমি দখল করে অবৈধভাবে বসবাস করছিল। ভারতের ক্ষমতাসীন হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি আসামে আগামী বছর ফের নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। এদিকে ২০২৪ সালের আগস্টে বাংলাদেশে ভারতপন্থি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পতন এবং ভারতজুড়ে “বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী” হিসেবে আখ্যায়িত করে বাংলাভাষী মুসলিমদের বিরুদ্ধে জাতীয় পর্যায়ের দমন অভিযান শুরু হয়েছে। মূলত আসামের সাম্প্রতিক এই উচ্ছেদও সেই ধারাবাহিকতার অংশ।

আসামের গোলপাড়া জেলায় উচ্ছেদ হওয়া এক বাসিন্দা হচ্ছেন ৫৩ বছর বয়সী আরান আলী। তিনি বলেন, “সরকার বারবার আমাদের হয়রানি করে। আমরা তো এখানেই জন্মেছি। তবু আমাদের ‘অনুপ্রবেশকারী’ ও ‘বিদেশি’ বলা হয়।”

আরান আলী এখন তার তিন সদস্যের পরিবার নিয়ে খোলা জায়গায় মাথা গোঁজার ঠাঁই খুঁজছেন।

বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ৪০৯৭ কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে আসাম রাজ্য ২৬২ কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত। বহুদিন ধরেই সেখানে বাংলাদেশি অভিবাসন নিয়ে ভয় ও ক্ষোভ থেকে বিদেশি বিরোধী মনোভাব রয়েছে, বিশেষ করে বাংলা ভাষাভাষী হিন্দু এবং মুসলিম উভয়ের বিরুদ্ধেই। স্থানীয়দের ধারণা, এদের উপস্থিতি আসামের সংস্কৃতি ও অর্থনীতিকে বিপন্ন করছে।

তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দল বিজেপির নেতৃত্বাধীন সরকারের চলমান অভিযান কেবল মুসলিমদের লক্ষ্য করেই চালানো হচ্ছে, যা ইতোমধ্যে বিক্ষোভ এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটিয়েছে। আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা সম্প্রতি বলেছেন, “বাংলাদেশি মুসলিম অনুপ্রবেশকারীরা ভারতের পরিচয়কে হুমকির মুখে ফেলছে।”

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, “নির্ভয়ে সীমান্ত পেরিয়ে আসা মুসলিম অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধেই প্রতিরোধ গড়ে তুলছি আমরা, কারণ এতে ভয়াবহ জনমিতিক পরিবর্তন ঘটেছে।”

তিনি দাবি করেন, আসামের ৩১ মিলিয়ন জনসংখ্যার ৩০ শতাংশই অভিবাসী মুসলিম (২০১১ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী)। তার মতে, “আরও কয়েক বছরের মধ্যে রাজ্যের সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর হার ৫০ শতাংশে পৌঁছাবে।”

রয়টার্সের অনুরোধ সত্ত্বেও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

“সহজ টার্গেট”

বিজেপি বরাবরই ভারতকে হিন্দুদের প্রাকৃতিক আবাসভূমি হিসেবে দেখে এবং দেশটির বৃহৎ মুসলিম জনগোষ্ঠী মোকাবিলায় নানা নীতিমালা গ্রহণ করেছে। ২০১৯ সালে তারা ভারতের নাগরিকত্ব আইন সংশোধন করে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অমুসলিম অনথিভুক্ত অভিবাসীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার পথ খুলে দেয়।

২০২১ সালের মে মাসে ক্ষমতায় আসার পর থেকে হিমন্ত শর্মার সরকার এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ হাজার মানুষকে উচ্ছেদ করেছে। যাদের বেশিরভাগই বাংলা ভাষাভাষী মুসলিম।

সরকারি তথ্য বলছে, মাত্র গত এক মাসেই আসামের পাঁচটি এলাকায় প্রায় ৩ হাজার ৪০০ মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এর আগে ২০১৬-২০২১ মেয়াদে প্রায় ৪ হাজার ৭০০ পরিবার উচ্ছেদের শিকার হয়েছিল।

ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের জ্যেষ্ঠ বিশ্লেষক প্রভীন দন্তি বলেন, “বাংলাভাষী মুসলিমরা আইনগত অবস্থান যাই হোক ভারতের কট্টরপন্থি গোষ্ঠীগুলোর সহজ লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠেছে।”

ভারতের বিরোধী নেতারা অভিযোগ করেছেন, বিজেপি নির্বাচনকে সামনে রেখে ভোটারদের মেরুকরণে এই উচ্ছেদ ও বিতাড়ন নীতি গ্রহণ করেছে। বিরোধী এমপি অখিল গগৈ বলেন, “এই পদক্ষেপগুলো রাজনৈতিকভাবে লাভজনক এবং বিজেপির জন্য উপকারি।”

মূল বিরোধী দল কংগ্রেস ২০১৬ সালের নির্বাচনে হেরে বিজেপির কাছে ক্ষমতা হারিয়েছিল। দলটি জানিয়েছে, তারা ক্ষমতায় ফিরলে গুঁড়িয়ে দেওয়া বাড়িগুলো পুনর্নির্মাণ করবে এবং যারা এসব ধ্বংস করেছে, তাদের কারাগারে পাঠাবে।

“বাংলাদেশে পুশব্যাক”

আসামে এই উচ্ছেদের মাত্রা বেড়েছে কাশ্মিরে হিন্দু পর্যটকদের ওপর চালানো একটি প্রাণঘাতী হামলার পর। পাকিস্তান-ভিত্তিক সন্ত্রাসীদের ওপর এর দায় চাপানো হয়েছিল। এরপর বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলো হাজার হাজার বাংলাভাষী মুসলিমকে ‘অবৈধ অভিবাসী’ এবং নিরাপত্তা হুমকি বলে গ্রেপ্তার করে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, শেখ হাসিনার পতন ও ভারতে পলায়নের পর দিল্লি-ঢাকার মধ্যে সম্পর্ক অবনতির কারণে বাংলাভাষী মুসলিমদের প্রতি ভারতীয় রাজনীতিতে বিরূপ মনোভাব আরও বেড়েছে, যা বিজেপির নির্বাচনী অস্ত্রে পরিণত হয়েছে।

বাংলা ভাষা বাংলাদেশের প্রধান ভাষা এবং ভারতের কিছু অঞ্চলেও এটি ব্যাপকভাবে প্রচলিত। আসামসহ ভারতের বিভিন্ন রাজ্য শত শত বাংলাভাষী মুসলিমকে বাংলাদেশে ‘পুশব্যাক’ করেছে। আদালতে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে ঘোষণার বিরুদ্ধে আপিল চলার সময় তাদের কিছুজনকে ফেরত আনা হয় বলেও জানায় রয়টার্স।

আসাম সরকার বলছে, রাজ্যের ট্রাইব্যুনালগুলো এখন পর্যন্ত প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে ‘বিদেশি’ হিসেবে ঘোষণা করেছে। এদের অনেকে বহু বছর ধরে ভারতেই বসবাস করছে, পরিবার ও জমিজমাও রয়েছে।

অধিকারকর্মীরা বলছেন, এদের মধ্যে অনেকেই ভুলভাবে ‘বিদেশি’ তকমা পেয়েছেন এবং তারা আর্থিকভাবে এতটাই দুর্বল যে আইনি লড়াই চালিয়ে যেতে পারেন না।

ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ২০১৬ সালে জানিয়েছিল, দেশটিতে ২ কোটি অবৈধ বাংলাদেশি অভিবাসী রয়েছে।

মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচের এশিয়া পরিচালক ইলেইন পিয়ারসন বলেন, “অবৈধ অভিবাসী শনাক্তের নামে ভারত হাজার হাজার দুর্বল মানুষকে ঝুঁকির মুখে ফেলেছে। এর মাধ্যমে মুসলিমদের বিরুদ্ধে বৈষম্যমূলক নীতির প্রতিফলন ঘটছে।”

চলতি বছরের মে মাসে ভারত জানিয়েছে, তারা বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর জন্য ২ হাজার ৩৬৯ জনের একটি তালিকা প্রস্তুত করেছে এবং বাংলাদেশকে দ্রুত যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে। বাংলাদেশের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য রয়টার্সের অনুরোধে সাড়া দেয়নি।

শেখ হাসিনার পতন এবং বাংলাদেশে ‘হিন্দুদের ওপর হামলার’ ঘটনার পর থেকে আসামের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত শর্মা সীমান্তে অনুপ্রবেশ রোধের নানা উদাহরণ, ছবি-তথ্যসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করছেন।

বিশ্লেষক প্রভীন দন্তি বলেন, “আসামের রাজনীতিকে দীর্ঘদিন ধরে চালিত করে আসা জাতিগত জাতীয়তাবাদ বিজেপির ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের সঙ্গে মিলিয়ে গেছে। এখন লক্ষ্য বদলে গেছে— বাংলাভাষী বহিরাগত থেকে বাংলাভাষী মুসলিমদের দিকে।”

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

আন্দোলনের সময় ঝুঁকি নিয়ে আহতদের সেবা দেওয়া চিকিৎসকরা ‘জুলাইয়ের নায়ক’: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, যুদ্ধের সময়ও আহতদের চিকিৎসা বন্ধ হয় না-এটি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। অথচ জুলাই বিপ্লবের দিনগুলোতে বাংলাদেশে তার ব্যতিক্রম ঘটেছে। আন্দোলনের সময় চিকিৎসকদের ওপর হামলা এবং হুমকি চলেছে। তারপরও যারা আহতদের চিকিৎসা দিয়েছেন, তারাই জুলাইয়ের সত্যিকারের নায়ক।

২৮ জুলাই সোমবার রাজধানীর শাহবাগে শহীদ আবু সাঈদ কনভেনশন সেন্টারে আহত আন্দোলনকারীদের সেবা দেওয়া চিকিৎসক এবং স্বাস্থ্যকর্মীদের সম্মানে আয়োজিত ‘জুলাই স্মরণ’ অনুষ্ঠানে এক ভিডিও বার্তায় এসব কথা বলেন ড. ইউনূস।

জুলাই বিপ্লবে চিকিৎসকদের মানবিক অবদানের প্রশংসা করে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আন্দোলনের সময় আহতদের চিকিৎসা না দেওয়ার সুস্পষ্ট নির্দেশ ছিল কিন্তু জীবনের ঝুঁকি নিয়ে সেই বাধা ভেঙে আহতদের পাশে দাঁড়িয়েছেন কিছু চিকিৎসক। আপনারা এই জুলাইয়ের অন্যতম নায়ক। আপনারা এই জুলাইয়ের সাহস এবং দায়িত্ববোধের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট সরকার এ দেশের ছাত্র জনতার ওপর গুলি চালিয়েই ক্ষান্ত থাকেনি, তারা সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছে যেন কোনো হাসপাতালে আহতদের চিকিৎসা না হয়। কিন্তু জুলাইয়ে আমাদের কিছু চিকিৎসক যোদ্ধাদের গল্প যুদ্ধক্ষেত্রে আহতদের সেবার গল্পকেও হার মানায়।

তিনি জানান, ছাত্রদের রাস্তায় পিটিয়ে আহত করার পর মেডিকেলেও তাদের উপর হামলা হয়েছে। চিকিৎসক এবং নার্সদের উপর নানা ধরনের হুমকি-ধামকি এসেছে, এমনকি তাদের চিকিৎসা কার্যক্রমেও বাধা দেওয়া হয়েছে। শত শত ছেলে-মেয়ে অন্ধত্ব বরণ করেছে, যারা সঠিক সময়ে চিকিৎসা পায়নি। নির্দেশ ছিল, আন্দোলনে আহতদের কাউকে চিকিৎসা দেওয়া যাবে না।

এই প্রেক্ষাপটেও যেসব চিকিৎসক আহতদের চিকিৎসা দিয়েছেন, তাদের সাহসিকতা এবং আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরেন তিনি। বলেন, আপনারা নিজেরা যেমন ঝুঁকির মধ্যে ছিলেন, তেমনি আপনাদের পরিবারগুলোও এক ধরনের আতঙ্ক এবং ঝুঁকির মধ্যে ছিল। তবুও পাহাড়সম বাধা অতিক্রম করে মানুষের জীবন বাঁচাতে এগিয়ে এসেছেন।

তিনি আরও বলেন, আহতদের জন্য রক্ত সংকট থাকলেও চিকিৎসকরা প্রশাসনের নজর এড়িয়ে রক্ত সংগ্রহ করেছেন, ওষুধ সরবরাহ করেছেন, এমনকি রোগীর পরিচয় গোপন রাখতে ব্যবস্থাপত্রে অন্য নাম ও রোগ লিখে পুলিশের কাছ থেকে আড়াল করেছেন। অনেক প্রাইভেট চিকিৎসক নিজ উদ্যোগে সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাসেবা দিয়েছেন। আপনারা শুধু সেবা দেননি, দায়িত্ববোধ এবং মানবিকতার নতুন এক অধ্যায় রচনা করেছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ জুলাই ২০২৫/মওম 

মানিকগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টে ফিউচার ফুটবল একাডেমী চ্যাম্পিয়ন

আঞ্চলিক প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জ :

মানিকগঞ্জে শহীদ জিয়া স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৫ এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ফাইনালে ফিউচার ফুটবল একাডেমি ট্রাইব্রেকারে এনায়েত ফুটবল একাডেমিকে ৪-৩ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হহয়েছে। রবিবার (২৭ জুলাই) বিকেলে শিবালয় সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মোহামেডান ইউথ ক্লাবের আয়োজনে এ ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়। ফাইনাল ম্যাচের উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য ও মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আফরোজা খানম রিতা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মোহামেডান ইউথ ক্লাবের সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মহিদুর রহমান কাজল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এস এ জিন্নাহ কবির, এডভোকেট আজাদ হোসেন খান, এডভোকেট আ ফ ম নুরতাজ আলম বাহার, গোলাম কিবরিয়া সাঈদ, আব্দুস সালাম বাদল, সত্যেন কান্ত পন্ডিত ভজন, গোলাম আবেদীন কায়সার, শিবালয় উপজেলা বিএনপির সভাপতি রহমত আলী বেপারী লাভলু, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান লিটন এবং মোহামেডান ইউথ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আল-ওয়াদুদ মিয়া এ্যাপোলো।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জুলাই ২০২৫/মওম 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কবিতা শীর্ষক সংকলণ প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে বাংলা একাডেমী ঘেরাও

 প্রেস বিজ্ঞপ্তি:

জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের উদ্যোগে আজ ২৭ জুলাই রোববার সকালে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের কবিতা শীর্ষক সংকলণ প্রত্যাহারসহ ৫ দফা দাবিতে বাংলা একাডেমী ঘেরাও কর্মসূচি পালিত হয়। সংগঠনের সভাপতি কবি শাহীন রেজার সভাপতিত্বে এ কর্মসূচিতে অবিলম্বে বিতর্কিত সংকলন টি প্রত্যাহার করাসহ ৫ দফা দাবিতে বক্তব্য রাখেন দেশের কবি সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ। সভাপতির বক্তব্যে শাহীন রেজা বলেন, বাংলা একাডেমী আমাদের মননের প্রতীক। কোনভাবেই এর ঐতিহ্য ও গাম্ভীর্য নষ্ট হতে দেওয়া যাবে না। তিনি বলেন, এই একাডেমী এখনো ফ্যাসিস্টদের অভয়ারণ্য। এ থেকে উত্তরণ এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, দেশের সিনিয়র ও অভিজ্ঞ কবিদের বাদ দিয়ে এমন দুজন কবিকে সংকলন টির সম্পাদনার দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে যারা কবি, কবিতা এবং সম্পাদনা সম্পর্কে সম্পূর্ন অনভিজ্ঞ। এটি শুধু জুলাই বিপ্লব চেতনার পরিপন্থী নয় বাংলা একাডেমীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার অপচেষ্টা বলেও আমরা মনে করি। তিনি অবিলম্বে দেশের প্রতিষ্ঠিত ও অভিজ্ঞতা সম্পন্ন কবিদের দিয়ে একটি বাছাই ও সম্পাদনা কমিটি গঠনের মাধ্যমে সংকলনটি পুনরায় প্রকাশের দাবি জানান। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন কবি সৈয়দ রনো। সুচনা বক্তব্য রাখেন কবি মোসলেহ উদ্দিন। বক্তব্য রাখেন সংগঠনের সহ-সভাপতি কবি ও সাংবাদিক শাহীন চৌধুরী, সহ-সভাপতি কবি এবিএম সোহেল রশীদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি ফরিদ ভূঁইয়া, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কবি আবীর বাঙ্গালী, আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক কবি শান্তা মারিয়া, দপ্তর সম্পাদক কবি সৈয়দ জাহিদ মাহমুদ, কবি হাসান কামরুল, কবি শাহিন রিজভি, জালাল খান ইউসুফী, এম এম শাহনুর হোসেন, শাওন আশরাফ, নুরুল হোসেন কাইয়ুম, দীপাস আনোয়ার, রাজু আহমেদ, সঞ্চয় কবির, শাহী সবুর, তাসলিমা বেগম, সাইফ সাদী, খন্দকার জিল্লুর রহমান, আজিজুর রহমান, ইসলাম উদ্দিন, মনজু খন্দকার, মজিবুর রহমান বকুল, ইব্রাহিম ভূঁইয়া, আব্বাস উদ্দিন প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে কবি শাহীন রেজার নেতৃত্বে ৪২ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল বাংলা একাডেমীর ডিজি মোহাম্মদ আজমের সাথে সাক্ষাৎ করেন। ডিজি তাদেরকে বোর্ড রুমে স্বাগত জানান। এসময় ডিজিকে সংগঠনের পক্ষ থেকে স্বারক লিপি প্রদান করা হয়। ডিজি অভিযোগ সমূহ শোনেন এবং এ ব্যাপারে দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। অচিরেই এই সংকলনের ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হবে। তিনি আরো বলেন, উত্থাপিত অভিযোগ সমূহ নিঃসন্দেহে ভয়াবহ। জাতীয় জীবনের একটি গভীর ও শোকাবহ বিষয় নিয়ে ছেলে খেলা কাম্য নয়। তিনি একাডেমীর ডিজি হিসাবে সকল অভিযোগের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, খুব সহসাই আমরা এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবো। শাহীন রেজা বলেন, জাতীয় মননের প্রতীক বাংলা একাডেমী কোন ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর একক সম্পত্তি নয়। এখানে কোন অনাচার হলে দেশের কবি-লেখকেরা চুপ করে থাকবে না। তিনি একাডেমী ডিজির বক্তব্যে সন্তোষ প্রকাশ করে অবিলম্বে সম্পাদনা মন্ডলী গঠনের মাধ্যমে সংকলনটি নতুন করে প্রকাশের ব্যবস্থা করা দাবি জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জুলাই ২০২৫/মওম 

গোবিন্দগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমিতে ধান রোপণকে কেন্দ্র করে হামলা, নারীসহ আহত ৪

এ টি এম সাজ্জাদ হোসেন সাবু:

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে বিরোধপূর্ণ জমিতে আমন ধান রোপণ করতে গিয়ে
প্রতিপক্ষের হামলার শিকার হয়েছেন একটি পরিবারের সদস্যরা। এ ঘটনায় নারীসহ
অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। ভুক্তভোগী বিলকিস বেগম বাদী হয়ে গোবিন্দগঞ্জ
থানায় একটি এজাহার দায়ের করেছেন।
জমিতে (মৌজা: আনন্দিপুর, জেএল নং-৭৪, সিএস খতিয়ান-১৪৭) আমন ধানের
চারা রোপণ করছিলেন। দুপুর ২টার দিকে কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে এলে প্রতিপক্ষের
লোকজন তাদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়, একই গ্রামের মৃত সাবাস মন্ডলের ছেলে রফিকুল
ইসলাম ও সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে ১০-১২ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এই
হামলা চালায়। হামলায় বিলকিস বেগম ও আংগুর বেগমের শ্লীলতাহানি করা হয় এবং
তাদের শরীরে রক্তাক্ত জখম হয়। এতে মেহেদুল ইসলাম ও রাব্বি ইসলাম গুরুতর আহত হন।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি
করেন।
এ বিষয়ে গোবিন্দগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বুলবুল ইসলাম অভিযোগ
পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, অভিযোগটি পেয়েছি।
বিষয়টি তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জুলাই ২০২৫/মওম 

বাউফলে নিখোঁজ জেলের দুই দিন পড়ে লাশ উদ্ধার

মোঃ আমির হোসেন:

পটুয়াখালীর বাউফলের তেঁতুলিয়া নদীতে ঝড়ের কবলে পড়ে  ইঞ্জিন চালিত নৌকা  ডুবে  নিখোঁজ জেলে ইমরানের (২২) এর দুইদিন পর লাশ উদ্ধার করেছে এলাকাবাসি।
রোববার (২৭ জুলাই) সকালে তেঁতুলিয়া নদীর কালাইয়া এলাকার খাল গোড়ার চর থেকে স্থানীয় লোকজন তার লাশ উদ্ধার করে। নিহত ইমরান চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চর রায় সাহেব গ্রামের মনির শরীফের ছেলে। সে পেশায় একজন জেলে ছিল।
জানাগেছে,গত শুক্রবার (২৫ জুলাই) বিকালে তেঁতুলিয়া নদীতে মাছ ধরে নিমদী ঘাটে মাছ রেখে বরফ আনতে কালাইয়া যায় ইঞ্জিন চালিত নৌকা নিয়ে। বৈরি আবহাওয়া,  বৃষ্টি ও ঝড়ের কবলে পড়ে ইঞ্জিন চালিত নৌকাটি ডুবে নিখোঁজ হয় সে।

মো. হাবীব শরীফ বলেন, আমরা দুইজন একই সঙ্গে দুইটা নৌকা নিয়ে বের হই। ইমরান বরফ কেনার জন্য কালাইয়া বন্দর ঘাটের দিকে যায়। বিকেল চারটার দিকে স্থানীয় জেলেরা নৌকাটি উল্টে নদীতে ভাসছে দেখে আমাকে জানায়। এসময় গিয়ে দেখি ইমরান নেই ভাসছে তার নৌকা।
এ বিষয়ে কালাইয়া বন্দর নৌ পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস,আই) মো. সিদ্দিকুর রহমান বলেন, নিখোঁজ জেলেকে ( রবিবার)  সকালে কালাইয়ার চরে ভাসতে দেখে স্থানীয়রা নিখোঁজ  ইমরানের লাশ বলে শনাক্ত করে। পরে তার মৃত লাশ উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জুলাই ২০২৫/মওম 

আইইবি,কক্সবাজার উপ-কেন্দ্রের কমিটি গঠন:চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর,ভাইস চেয়ারম্যান রোমেল বড়ুয়া ও সম্পাদক মাঈন 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ
ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, বাংলাদেশ (আইইবি), চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আওতাধীন কক্সবাজার উপ-কেন্দ্রের আগের কমিটি পদত্যাগ করায় এক সাধারণ সভা ২৫ জুলাই, ২০২৫ সন্ধ্যা ৭:০০টায় কক্সবাজার বাজার পর্যটন কর্পোরেশন হোটেল শৈবালে অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম। সাধারণ সভায় কক্সবাজার উপ-কেন্দ্রে সরকারি, বেসরকারি ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীবৃন্দসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ প্রকৌশলী উপস্থিত  ছিলেন।
আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের সম্মানিত সম্পাদক প্রকৌশলী খান মোঃ আমিনুর রহমান এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের ভাইস-চেয়ারম্যান (একা. এন্ড এইচআরডি) প্রকৌশলী মোঃ সাখাওয়াত হোসেন, ভাইস-চেয়ারম্যান (এডমিন. প্রফেশ. এন্ড এসডব্লিউ) প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম, আইইবি, ঢাকা কেন্দ্রের কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম খান, কক্সবাজার উপকেন্দ্রের বিদায়ী চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মোঃ বদিউল আলম, কেন্দ্রীয় কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী মোঃ নুরুল আলম ও প্রকৌশলী মোঃ দুলাল হোসেন, আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী মেজবাহ উদ্দিন খালেদ ও প্রকৌশলী মোঃ এমাদুল হক। উপস্থিত  ছিলেন কেন্দ্রের কাউন্সিল সদস্য প্রকৌশলী মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, প্রকৌশলী মোঃ শহীদুল ইসলাম ও প্রকৌশলী শায়লা সানজিদা এবং সম্মানিত সহকারী প্রকৌশলী মোঃ বখতিয়ার হোসেন, সম্মানিত সহকারী প্রকৌশলী মো: কামরুজ্জামান, কেন্দ্রের সদস্য প্রকৌশলী মোঃ রেজাউল করিম ও প্রকৌশলী মোঃ মিজানুর রহমান।
আলোচকগণ সাধারণ সভায় কক্সবাজার উপকেন্দ্রের কার্যক্রম সুচারুভাবে পরিচালনার বিষয়ে একটি কমিটি গঠনের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক গুরুত্বপূর্ণ মতামত ব্যক্ত করেন।
সভায় কক্সবাজার উপকেন্দ্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনা করার জন্য একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন বিষয়ে প্রকৌশলী মোঃ নাসিরুদ্দিন, এম-৪১৫০২ প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন এবং প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা, এম-৪৪১৮৯ প্রস্তাবিত কমিটিকে সমর্থন করেন। সভায় উপস্থিত প্রকৌশলীগন সর্বসম্মতিক্রমে উক্ত কমিটি অনুমোদন করেন।
কক্সবাজার উপ-কেন্দ্রের নির্বাহী কমিটি:
চেয়ারম্যান-প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, এম-২২১৮৪, ভাইস চেয়ারম্যান- প্রকৌশলী রোমেল বড়ুয়া, এম-২৫৩৬৫ ও সম্পাদক প্রকৌশলী এ এস এম মাঈন উদ্দিন খাঁন, এম-৩৪৫০২।
এছাড়া উপ-কেন্দ্রের সদস্যবৃন্দের মধ্যে থেকে ০৯ জন কাউন্সিল সদস্য যথাক্রমে- ১। প্রকৌশলী মোঃ মোজাফ্ফর আহমেদ, এম-৩৬০০৯, ২। প্রকৌশলী মোঃ কামরুল হাসান, এম-৩৮৬৫২, ৩। প্রকৌশলী ফিরোজ আহমেদ, এম-৩৯২৮২, ৪। প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, এম-৪১৫০২, ৫। প্রকৌশলী মোঃ গোলাম কিবরিয়া, এম-৪২৫৪৬, ৬। প্রকৌশলী মোহাম্মদ আবদুল মাজেদ, এম-৪৩০৯৬, ৭। প্রকৌশলী মোঃ সোহেল রানা, এম-৪৪১৮৯, ৮। প্রকৌশলী কাজী সারোয়ার, এম-৪৮৫৮৯ ও ৯। প্রকৌশলী মোঃ হাসান মিয়া, এএম-২০০৮২।
সমাপনী বক্তব্যে আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মনজারে খোরশেদ আলম, আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্রের আওতাভুক্ত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপকেন্দ্র হিসেবে কক্সবাজার উপকেন্দ্রের নতুন কমিটিকে অভিনন্দন জানান ও ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। প্রাকৃতিক খনিজসম্পদে ভরপুর ও পর্যটন নগরী কক্সবাজারে প্রায় দুইশতের অধিক প্রকৌশলী কর্মরত রয়েছে। কক্সবাজার উপকেন্দ্রকে প্রকৌশলীদের দ্বিতীয় নিবাস হিসাবে গড়ে তোলা এবং সকল প্রকৌশলীদের মাঝে ভ্রাতৃত্ব বন্ধন বৃদ্ধিতে সকল প্রকৌশলীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান। এছাড়াও তিনি কক্সবাজারের আর্থসামাজিক উন্নয়ন, প্রাকৃতিক খনিজ সম্পদ আহরণের মাধ্যমে জাতীয় প্রবৃদ্ধি অর্জনে সহায়তা, আন্তর্জাতিক মানের পরিচ্ছন্ন পর্যটন নগরী হিসেবে গড়ে তোলা, প্রকৌশলীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষে আইইবি, কক্সবাজার উপকেন্দ্রে নতুন কমিটির অনেক দায়িত্ব রয়েছে বলে অভিমত ব্যক্ত করেন। তিনি কক্সবাজার উপকেন্দ্রে বিভিন্ন কর্মসূচি প্রণয়নে আইইবি, চট্টগ্রাম কেন্দ্র থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জুলাই ২০২৫/মওম 

নোয়াখালীতে পানিতে ডুবে ২শিশুর মৃত্যু 

প্রতিনিধি,নোয়াখালী:
নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে আপন দুই জেঠাতো ও
চাচাতো ভাইয়ের মৃত্যু হয়েছে।
২৭ জুলাই রবিবার সকাল সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চরপার্বতী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের রবিউল লালের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত দুই শিশু হলো একই ইউনিয়নের চৌধুরীহাট বাজার সংলগ্ন রবিউল লালের বাড়ির মো. আবু সুফিয়ান সজিবের ছেলে মো.ইব্রাহীম (৪) ও মো.শরীফের ছেলে নাদিম হোসেন (৩)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, সকালে দুই পরিবারের নারী সদস্যরা গৃহস্থালির কাজে ব্যস্ত ছিলেন। ওই সময় শিশু দুটি বাড়ির উঠানে খেলা করছিল। খেলার একপর্যায়ে সবার অগোচরে দুজন পাশের পুকুরে পড়ে যায়। একপর্যায়ে তাদের না দেখে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের সদস্যরা। পরে নিখোঁজ শিশুদের সন্ধানে পুকুরে জাল ফেলে তাদের লাশ পাওয়া যায়। তাৎক্ষণিক তাদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তাদের মৃত্যুতে পরিবারসহ এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসক ও হৃদরোগ কনসালটেন্ট ডা.মো.সাহাদাত হোসেন সাগর বলেন, দুই শিশুকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসে স্বজনরা। তাদের ভাষ্যমতে, পানিতে ডুবে ওই শিশুদের মৃত্যু হয়।
যোগাযোগ করা হলে কোম্পানীগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিমল কর্মকার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েয়ছে।নিহত শিশুদের পরিবারের সাথে কথা বলে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭ জুলাই ২০২৫/মওম