আজ সোমবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 327

রাজধানীতে সেনা অভিযানে বিপুল ধারা*লো অস্ত্র উ*দ্ধার, আট#ক ৯

বিশেষ প্রতিনিধি, রাজধানীর নিউ মার্কেট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১১০০টি সামুরাই, চাপাতিসহ বিভিন্ন ধরনের ধারালো অস্ত্র উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। কিশোর গ্যাং ও সন্ত্রাসীদের কাছে এসব অস্ত্র সরবরাহ করা হচ্ছিল বলে জানিয়েছে সেনা কর্মকর্তারা।

সেনাবাহিনী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার রাতে নিউ মার্কেটের রোকনের মমতাজ ট্রেডার্স, হৃদয় মিয়ার শাকিল ক্রোরোকারীজ, স্বপন মিয়ার থ্রী ডট ক্রোকারিজ নামের দোকানে অভিযান চালানো হয়।

এ সময় গ্রেপ্তারকৃতরা হলো- রুকনুজ্জামান, রাব্বি, রোমান, আলী আকবর, সাজিদ হাসান, আলী, হৃদয় মিয়া, নুর হোসেন ও মো. স্বপন।

অভিযানে হাজারের বেশি সামুরাই, চাপাতি, চাইনিজ কুড়াল, বাংলা কুড়াল, চাকু, মিট হ্যামার উদ্ধার করা হয়। এসময় অবৈধ অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ৯ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রাত ১১টার দিকে মোহাম্মদপুর সেনাবাহিনীর সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের পার্শ্ববর্তী ক্যাম্পে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে সেনাবাহিনীর ৪৬ স্বতন্ত্র ব্রিগেড ব্যাটালিয়নের ‘ডেয়ারিং টাইগার্স’-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজিম উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘এ ধরনের অস্ত্র কিশোর গ্যাংয়ের শোডাউনে প্রায়ই দেখা যায়। একটি সংঘবদ্ধ চক্র সন্ত্রাসীদের হাতে এসব অস্ত্র তুলে দিচ্ছে। নিউ মার্কেটের তিনটি দোকানের গোপন স্থান থেকে এসব অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে আজ।

তিনি ব্যবসায়ী সমাজের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা কেউ সামুরাই, চাপাতি বা ধারালো অস্ত্র বিক্রি করবেন না কেউ। অনেকে শখ বা স্যুভেনির হিসেবে এগুলো সংগ্রহ করেন, কিন্তু বাস্তবে এসব অস্ত্র সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ব্যবহার করছে। এতে সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে-এ প্রবণতা যে কোনো ভাবে বন্ধ করতে হবে।

কিশোর গ্যাংয়ের দৌরাত্ম্য বন্ধে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি আরও বলেন, ইনশাআল্লাহ কিশোর গ্যাং বন্ধ করবই আমরা। আপনার আশপাশে কেউ ধারালো অস্ত্রের অবৈধ ব্যবসা করলে নিকটস্থ ক্যাম্পে খবর দিন। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

রংপুরের তারাগঞ্জে চোর সন্দেহে গণপিটুনি, নিহ*ত এক

শফিউল মন্ডল,তারাগঞ্জ(রংপুর) প্রতিনিধি :রংপুরের তারাগঞ্জ উপজেলার সয়ার ইউনিয়নের বুড়িরহাট বটতলী নামক জায়গায় ভ্যান চুরির সন্দেহে দুজনকে আটক করে স্থানীয় জনতা। উত্তেজিত জনতা তাদের ওপর হামলা চালালে একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং অপরজন গুরুতর আহত হন। শনিবার (৯ আগস্ট) রাত আনুমানিক সাড়ে ১০ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে বুড়িরহাট বটতলা নামক স্থানে দুই ব্যক্তি ঘোরাফেরা করছিলেন। তাদের চলাচল ও আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে স্থানীয় জনতা প্রথমে তাদের আটক করে।তাদের সাথে বস্তায় কিছু বোতল পায়।যা নেশাজাতীয় কিছু মনে হয়।উত্তেজিত জনতা তাদের জিজ্ঞাসা করিলে কথাবার্তায় অসঙ্গতি খুঁজে পায়।পরে জনগণ উত্তেজিত হয়ে গণপিটুনি শুরু করে। এতে ঘটনাস্থলেই একজনের মৃত্যু হয়।আর একজন গুরুতর আহত হন। নিহত ব্যক্তি রুপলাল(৪৫)উক্ত উপজেলার ঘনিরামপুর ডাঙা পাড়া গ্রামের খগেনের ছেলে।তিনি পেশায় একজন মুচি।তিনি তারাগঞ্জ বাজারে নিয়মিত জুতা সেলাইয়ের কাজ করতেন।অপর আহত ব্যক্তি নিহত ব্যক্তির ভাতিজি জামাই মিঠাপুকুর উপজেলার গোপালপুর ছড়ান বালুয়ার প্রদীপ রায়(৪৮)।তারাগঞ্জ বাজারের অনেকেই রুপলালের চুরির ঘটনাটা কে বিশ্বাসেই করতে চাচ্ছেন না। গুরুতর আহত ব্যক্তিকে তারাগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।কিন্তু আহত ব্যক্তির অবস্থা আশংকাজনক হলে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ (রমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়ে।

এ বিষয়ে তারাগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এম.এ. ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,সয়ার ইউনিয়নে গণপিটুনিতে চোর সন্দেহে একজন নিহত হয়েছেন ও একজন গুরুতর আহত হয়েছেন।আহত ব্যক্তিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।ঘটনা তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

কলকাতায় বসে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশকে অস্থিতিশিল করছে :সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

শহিদুল্লাহ সরকার:
কলকাতায় বসে ফ্যাসিবাদের দোসররা বাংলাদেশকে অস্থিতিশিল করছে তাই সবাইকে সজাগ থেকে যারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী অন্দোলন সংগ্রাম করেছে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্ব সকল শক্তিকে এই ষড়যন্ত্র রুখে দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
শনিবার দুপুরে সাভারের আশুলিয়ার শ্রীপুরে ইসলামী দার্শনিক অধ্যাপক ড. সৈয়দ আলী আশরাফ (রহ.)-এর ২৭তম মৃত্যু বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে যোগ দিয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।
বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এসময় আরও বলেন,যাতে করে দেশের বিরুদ্ধে কেউ যড়যন্ত্র করতে না পারে গণতন্ত্র বাধাগ্রাস্ত করতে না পারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,ইতি মধ্যে অন্তবর্তীকালীন সরকার নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষনা করেছে বিএনপি সেটাকে স্বাগত জানিয়েছে আগামীর বাংলাদেশ জনগণের বাংলাদেশ হবে জনগণের কল্যাণ মুলক সরকার গঠিত হবে হবে এবং জনগণ তার সরকার বেঁচে নিবে জানিয়ে তিনি আরও বলেন,বিএনপি একটি গণতান্ত্রিক ও নির্বাচন মুখি দল বিএনপি জনগণের রায়ের ক্ষেত্রে সবসময় বিএনপি বলেছে বাংলাদেশে একটি সুষ্ঠু গ্রহণযোগ্য নির্বাচন হোক জনগণ তাদের পছন্দ মত সরকার বেঁচে নেবে বিএনপি জনগণের দল ভবিষৎও বিএনপিকে সবসময় দেশের মানুষ গ্রহণ করবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এসময় সাবেক প্রতিরক্ষা সচিব ও আশরাফ চ্যারিটেবল ট্রাস্টের চেয়ারম্যান আবু মো মনিরুজ্জামান খান এর সভাপতিত্বে এতে আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মুস্তফা আবুল উলায়ী,বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের শিক্ষা নীতি ও গবেষণা উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিনসহ আরো অনেকে এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/০৯ আগস্ট ২০২৫/মওম

বাংলাদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের পছন্দ রুশ তরুণীর,বিয়েও করতে চান

বিনোদন ডেস্ক:

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল রাশিয়ার মডেল মনিকা কবির। জন্ম রাশিয়াতে হলেও এ মডেল বাংলা ভাষায় কথা বলেন। শাড়ি পরেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ রুশ তরুণী বাংলাদেশের ছেলে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।

রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির বলেন, রাশিয়ার মস্কোতে আমার জন্ম। আমার বাবা ভারতীয় ও মা রাশিয়ান। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি বলে, শাড়ি পরি বলে অনেকে মনে করেন আমি বাংলাদেশি। আসলে তা নয়। আমার বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই।

মনিকা কবির আরও বলেন, যখন আমার ৫ বছর বয়স তখন আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। আমার বাবার ব্যবসা ছিল এখানে। এরপর আমি মার কাছে চলে যাই। রাশিয়ায় আমার মার কাছে গেলেও আমি বাংলা ভাষা ভুলিনি। বাবার কারণে ইন্ডিয়ার ভাষাও আমি জানি।

এদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও মানুষকে ভালোবাসায় এ মডেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিয়ের জন্য রাশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কোন দেশের ছেলেকে বেছে নেবেন তিনি। এর উত্তরে মনিকা বলেন, আমার মা রাশিয়ান, আমার বাবা ভারতীয় হলেও আমার বাংলাদেশ ভালো লাগে। বিয়েটা আসলে মনের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সব বাংলাদেশির মন ভালো নয়, সব ভারতীয়দের মন ভালো নয় আবার সব রাশিয়ানদের মন ভালো নয়। তাই বলবো, যার মন বেশি ভালো হবে তাকে বিয়ে করবো।

বিয়ে প্রসঙ্গে এ মডেল আরও বলেন, তবে আমার ইচ্ছা হয়তো বাংলাদেশ। কারণ এদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের আমার অনেক ভালো লাগে। তবে বিয়ে যাকেই করি না কেন বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়া-এ তিন দেশের পোশাক পরেই বিয়ে করার ইচ্ছা আছে।

রাশিয়ার মডেল মনিকা কবিরের রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। ডাকনাম মনিশকা। লাতিন নাচে তিনি বেশ পারদর্শী। বাবার বিভিন্ন দেশে ব্যবসা থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। তাই রাশিয়ার ভাষা ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, তুর্কি, ইংরেজি এবং আজারবাইজানের ভাষা জানেন এ লাস্যময়ী সুন্দরী।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ আগস্ট ২০২৫/মওম

কখন,কোথায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করবেন তা জানালেন ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধাবসান ইস্যুতে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের হাই প্রোফাইল বৈঠকটি হবে আগামী ১৫ আগস্ট, যুক্তরাষ্ট্রের আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে। শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করা এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছেন ট্রাম্প নিজে।

ট্রুথ সোশ্যালের পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে আমার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের বহু প্রতীক্ষিত বৈঠকটি হবে আগামী ১৫ আগস্টে, যুক্তরাষ্ট্রের মহান আলাস্কা অঙ্গরাজ্যে।”

এই পোস্ট দেওয়ার আগে হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে মত বিনিময়কালে ট্রাম্প বলেছিলেন, রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যে শান্তির স্বার্থে দুই দেশের মধ্যে কিছু অঞ্চল বিনিময় হতে পারে, তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত কিছু বলেন তিনি।

এদিকে ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প আসন্ন বৈঠকের তারিখ ও স্থান উল্লেখ করার পর তাতে সায় দিয়েছে রাশিয়াও। এক বিবৃতিতে রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের কার্যালয় ক্রেমলিনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, “যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠকের জন্য যে সময় ও স্থান নির্ধারণ করেছেন, তা বেশ যুক্তিসঙ্গত।”

পরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে পোস্ট করা এক বার্তায় ক্রেমলিন কর্মকর্তা এবং পুতিনের মুখপাত্র ইউরি উশাকভ বলেছেন, “আসন্ন বৈঠকে সন্দেহাতীতভাবেই দুই দেশের প্রেসিডেন্টের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হবে ইউক্রেন সংকটের একটি দীর্ঘস্থায়ী শান্তিপূর্ণ সমাধান।”

ট্রাম্পকে রাশিয়া সফরের নিমন্ত্রণও দিয়েছেন উশাকভ। টেলিগ্রাম পোস্টে তিনি বলেছেন, “আমরা খুবই খুশি হবো যদি দুই দেশের প্রেসিডেন্টের পরবর্তী বৈঠক রাশিয়ায় হয়। আমরা প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রাশিয়া সফরের নিমন্ত্রণ করছি।”

প্রসঙ্গত, ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে স্বীকৃতির এবং যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য ইউক্রেনের আবেদন প্রত্যাহারের দাবিতে কিয়েভের সঙ্গে মস্কোর কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী।

এই যুদ্ধ থামানোর জন্য পুতিনকে গত তিন বছরে যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশ আহ্বান জানিয়েছে, কিন্তু পুতিন নিজের শর্তে অনড় থাকায় সেসব আহ্বানে কোনো কাজ হয়নি। রাশিয়া এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট পর্যায়ের বৈঠকের জন্যও একাধিকবার আহ্বান জানানো হয়েছে, তবে পুতিন এবং ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির জেলেনস্কির অনাগ্রহের জন্য তা সম্ভব হয়নি।

গত মে মাস  থেকে অবশ্য তুরস্কে শান্তি সংলাপ শুরু করেছেন রাশিয়া এবং ইউক্রেনের সরকারি কর্মকর্তারা। বর্তমানে এই সংলাপের তৃতীয় পর্ব চলছে। গত তিন মাস ধরে চলমান সংলাপে ইতোমধ্যে কয়েক হাজার যুদ্ধবন্দি বিনিময় করেছে দুই দেশ।

এর মধ্যে গত সপ্তাহের শুরুর দিকে মস্কো এসেছিলেন ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ। পুতিনের সঙ্গে বৈঠকও করেছেন তিনি। পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের সর্বশেষ বৈঠকটি হয়েছিল জাপানে, ২০১৯ সালের জি২০ সম্মেলনে। সে সময় নিজের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন ট্রাম্প।

২০২৪ সালের নির্বাচনে জিতে দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ওয়ার পর আগামী ১৫ আগস্ট প্রথমবারের মতো পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। অবশ্য জানুয়ারি মাসে শপথ গ্রহণের পর থেকে এ পর্যন্ত আট মাসে বেশ কয়েকবার টেলিফোনে কথা হয়েছে দুই দেশের প্রেসিডেন্টের মধ্যে।

সূত্র : এএফপি

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ আগস্ট ২০২৫/মওম

নির্বাচনি সিস্টেমের ওপর মানুষের আস্থা নষ্ট হয়ে গেছে: সিইসি

বিশেষ প্রতিনিধি, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেছেন, ‘নির্বাচনী সিস্টেমের ওপর মানুষের আস্থা এখন নষ্ট হয়ে গেছে। তাই মানুষকে ভোটকেন্দ্রে নিয়ে আসাই একটা বড় চ‍্যালেঞ্জ বলে তিনি মনে করেন।

আজ শনিবার সকালে রংপুর আঞ্চলিক নির্বাচন অফিসে মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নাসির উদ্দিন বলেন, ‘আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচন স্বচ্ছ ও সুন্দরভাবে পরিচালনার জন‍্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হচ্ছে। নির্বাচন কাঠামো, এই খাতে ব্যাপক জনবল সবকিছুই গুছিয়ে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করছে কমিশন।

তিনি আরও বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন সংশ্লিষ্টরা আগামী নির্বাচনে কারও পক্ষে বা বিপক্ষে কাজ করবে না। দেশের ১৮ কোটি মানুষের হয়ে অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত করার লক্ষ্যেই কাজ করবে। দেশের নাগরিকদের উদ্দেশে সিইসি বলেন, ‘ভোট দেওয়া যেমন নাগরিক দায়িত্ব, তেমনি ইমানি দায়িত্বও বটে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

বাংলাদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের পছন্দ রুশ তরুণীর, করতে চান বিয়ে!

বিনোদন ডেস্ক, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল রাশিয়ার মডেল মনিকা কবির। জন্ম রাশিয়াতে হলেও এ মডেল বাংলা ভাষায় কথা বলেন। শাড়ি পরেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এ রুশ তরুণী বাংলাদেশের ছেলে বিয়ে করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি।

রাশিয়ান মডেল মনিকা কবির বলেন, রাশিয়ার মস্কোতে আমার জন্ম। আমার বাবা ভারতীয় ও মা রাশিয়ান। আমি বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারি বলে, শাড়ি পরি বলে অনেকে মনে করেন আমি বাংলাদেশি। আসলে তা নয়। আমার বাংলাদেশের সঙ্গে কোনো সম্পর্ক নেই আমার।

মনিকা কবির আরও বলেন, যখন আমার ৫ বছর বয়স তখন আমি বাংলাদেশে এসেছিলাম। আমার বাবার ব্যবসা ছিল এখানে। এরপর আমি মার কাছে চলে যাই। রাশিয়ায় আমার মার কাছে গেলেও আমি বাংলা ভাষা ভুলিনি। বাবার কারণে ইন্ডিয়ার ভাষাও আমি জানি।

এদেশের ভাষা, সংস্কৃতি ও মানুষকে ভালোবাসায় এ মডেলের কাছে জানতে চাওয়া হয়, বিয়ের জন্য রাশিয়া, ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে কোন দেশের ছেলেকে বেছে নেবেন তিনি। এর উত্তরে মনিকা বলেন, আমার মা রাশিয়ান, আমার বাবা ভারতীয় হলেও আমার বাংলাদেশ ভালো লাগে। বিয়েটা আসলে মনের ওপর নির্ভর করে। ব্যক্তিগতভাবে আমি মনে করি, সব বাংলাদেশির মন ভালো নয়, সব ভারতীয়দের মন ভালো নয় আবার সব রাশিয়ানদের মন ভালো নয়। তাই বলবো, যার মন বেশি ভালো হবে তাকে বিয়ে করবো বলে তিনি জানান।

বিয়ে প্রসঙ্গে এ মডেল আরও বলেন, তবে আমার ইচ্ছা হয়তো বাংলাদেশর ছেলেকে বিয়ে করোব। কারণ এদেশের পাঞ্জাবি পরা ছেলেদের আমার অনেক ভালো লাগে। তবে বিয়ে যাকেই করি না কেন বাংলাদেশ, ভারত ও রাশিয়া- এ তিন দেশের পোশাক পরেই বিয়ে করার ইচ্ছা আছে আমার।

রাশিয়ার মডেল মনিকা কবিরের রুশ নাম মারিয়া ভ্যালিরিয়েভনা। ডাকনাম মনিশকা। লাতিন নাচে তিনি বেশ পারদর্শী। বাবার বিভিন্ন দেশে ব্যবসা থাকার কারণে ছোটবেলা থেকেই বিভিন্ন দেশে ঘুরেছেন। তাই রাশিয়ার ভাষা ছাড়াও বাংলা, হিন্দি, পোলিশ, তুর্কি, ইংরেজি এবং আজারবাইজানের ভাষা জানেন এ লাস্যময়ী সুন্দরী জানেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

বারাক ওবামা একটা নোবেল পেলে ট্রাম্প কেন দুইটা নোবে*ল পাবেন না!

আলোকিত ডেস্ক, নোবেল শান্তি পুরস্কার নিয়ে পৃথিবীতে অশান্তির শেষ নেই। অর্থনীতিতে নোবেল নিয়েও নানান ইঙ্গিতপূর্ণ কথা বাজারে প্রচলিত আছে। সাহিত্য নিয়েও বিতর্কের অন্ত নেই। তবে শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের জন্য কাড়াকাড়ি একটা দেশের এমনকি বৈশ্বিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিকেও ঘোলা করে তুলতে পারে। বাংলাদেশেও একজন নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী আছেন। তিনি কেন পুরস্কার পেয়েছেন, এই কারণে অরেকজন শান্তি পুরস্কারলোভীর ক্ষোভের আগুনে অনেকদিন জ্বলেছেন। আপাতত সেই ক্ষোভের আগুন থেকে রেহাই পেয়েছেন আমাদের নোবেলবিজয়ী। অবশ্য এরই মধ্যে দেশে রীতিমতো একটি গণঅভ্যুত্থান ঘটে না গেলে পরিস্থিতি কী হত, বলা মুশকিল।

যুক্তরাষ্ট্রে ডনাল্ড ট্রাম্পের নোবেল পুরস্কার পাওয়ার খায়েশ অনেক দিন ধরেই আছে। তার হিংসার শুরু বারাক ওবামা নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়ার পর থেকে। বর্তমানে তিনি তার হিংসা চরিতার্থ করার কাছাকাছি চলে এসেছেন। নোবেল পুরস্কারটা তার হাতে খসে পড়ার জন্য ব্যাকুল হয়ে আছে। ট্রাম্পকে নোবেল দেওয়ার জন্য যত লোক ওকালতি করছেন, তা ইতিহাসে আর কারো জীবনে ঘটেনি। সুতরাং ট্রাম্প নোবেল না পেলেও নোবেল পেতে চাওয়ার ইতিহাসে তার নাম লেখা থাকবে স্বর্ণাক্ষরে! আর তিনি নোবেল পুরস্কার পাবেনই বা না কেন? ওবামা একটা পেলে ট্রাম্পের দুইটা পাওয়া উচিত।

সেপ্টেম্বর ২০১৯-এ পাকিস্তানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তার একখান নোবেল অবশ্যই প্রাপ্য। কিন্তু ওরা এটা ঠিকমত দেয় না।

জানুয়ারি ২০২০-এ তিনি অভিযোগ করেন যে, ইথিওপিয়াকে বাঁচালেন তিনি, আর নোবেল পুরস্কারটা পেল কিনা ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ। তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, “আমি একটা দেশ বাঁচালাম, আর শুনলাম দেশটাকে বাঁচানোর জন্য কৃতিত্বের পুরস্কার পেলো ওই দেশের প্রধান।”

২০২৪-এর অক্টোবরে তিনি বলেন, “আমার নাম ওবামা হলে আমি ১০ সেকেন্ডের মধ্যে নোবেল পুরস্কার পেতাম।  কিছু না করেই সে নোবেল পেল, খালি নির্বাচনে জিতল বলে। এখন আমিও কি জিতি নাই?”

এ বছর জুনে বলেন, “আমি একটা নোবেল শান্তি পুরস্কার পাব না ভারত ও পাকিস্তানের যুদ্ধ বন্ধের জন্য। আমি একটা নোবেল শান্তি পুরস্কার পাব না সার্বিয়া ও কসোভোর যুদ্ধ বন্ধের জন্য। আমি একটা নোবেল শান্তি পুরস্কার পাব না মিশর ও ইথিওপিয়ার মধ্যে শান্তি আনার জন্য। … রাশিয়া-ইউক্রেইন আর ইসরায়েল-ইরানসহ আমি যাই করি না কেন, আমাকে একটা নোবেল শান্তি পুরস্কার দেয়া হবে না, ফলাফল যাই হোক। কিন্তু লোকজন তো জানে, তাতেই চলবে।”

একটা নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তার এই তীব্র বাসনার কথা জেনে এখন যুদ্ধরত বিপরীত মেরুর উভয় পক্ষই তাকে নোবেল পুরস্কারের জন্য প্রস্তাব উত্থাপন করতে শুরু করেছে। একপক্ষ চাচ্ছে তার গালে ললিপপের মত একটা নোবেল পুরস্কার ঢুকিয়ে দিয়ে গাজায় গণহত্যা বন্ধ করতে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় অর্থনীতিবিদ জেফ্রি স্যাকসের কথা যিনি বলেছিলেন, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা বন্ধে ট্রাম্প কোনো পদক্ষেপ নিলে তিনি নিজে নোবেল কমিটির কাছে যাবেন তাকে একটা পুরস্কার দেওয়ার প্রস্তাব নিয়ে। আবার আরেক পক্ষ চাচ্ছে তার সমস্ত যুদ্ধবাজ কর্মকাণ্ডকে নোবেল পুরস্কার দিয়ে ধুয়েমুছে বৈধতার আবরণ দিতে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে তার গণহত্যায় সহযোগী হিসেবে রাখতে এই ৭ জুলাই তাকে একটি চিঠি উপহার দেন যা তিনি নোবেল কমিটির কাছে লিখেছেন ট্রাম্পকে পুরস্কার দেওয়ার জন্য। ট্রাম্প বলেন, “ধন্যবাদ। আমি তো জানতামই না। ধন্যবাদ, বিশেষ করে আপনার কাছ থেকে এটা পাওয়ার জন্য, এটা বিশেষভাবে অর্থবহ।”

নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য নেতানিয়াহু কর্তৃক ট্রাম্পের নাম প্রস্তাব আসলেই বিশেষভাবে অর্থবহ, ঐতিহাসিকও! কারণ পৃথিবীতে এই প্রথম ৬০ হাজার ফিলিস্তিন নাগরিক হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত একজন আন্তর্জাতিক যুদ্ধাপরাধী নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য তার এক আন্তর্জাতিক সহযোগীর নাম প্রস্তাব করছেন। পেলেও আশ্চর্য হওয়ার কিছু নেই। কেননা ওবামা পেলে ট্রাম্পেরও প্রাপ্য।

উল্লেখ্য, ট্রাম্পের জন্য দুটি নোবেল পুরস্কারের দাবি উঠেছে খোদ হোয়াইট হাউস থেকেই। সম্প্রতি ৩১ জুলাই ট্রাম্পের বাণিজ্য উপদেষ্টা পিটার নাভারো বলেন, “বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন নেতৃত্বের জন্য ট্রাম্পকে অর্থনীতিতে নোবেল পুরস্কার দেয়া উচিত।” এর ছয় ঘণ্টা পর আবার হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারেলিন লেভিট বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প গত ছয় মাসের শাসনে পৃথিবীতে মাসে একটা করে শান্তি চুক্তি বা যুদ্ধবিরতি সম্পাদন করেছেন। তার আরও আগেই নোবেল শান্তি পুরস্কার পাওয়া উচিত ছিলো।”

সবশেষে তিনি প্রস্তাব করেছেন নোবেল পুরস্কারের নাম পাল্টে ট্রাম্প পুরস্কার রাখলেই ঝামেলা চুকে যায়! মেক্সিকো উপসাগরের নাম পাল্টে তিনি রেখেছেন আমেরিকা উপসাগর। নোবেল পুরস্কারের প্রধান কার্যালয় যুক্তরাষ্ট্রে হলে এতদিনে যে তাই হয়ে যেত এতে সন্দেহের কোনো কারণ নেই।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঢাকা দক্ষিণ সিটির বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযান, অংশ নিয়েছে ৬ শতাধিক কর্মী

আলোকিত প্রতিবেদক:

ছয় শতাধিক কর্মী নিয়ে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান পরিচালনা করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি)।

৯ আগস্ট শনিবার ডিএসসিসি অঞ্চল-৮ এর ৬৬ নম্বর ওয়ার্ডে এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা এবং মশক নিধন অভিযান পরিচালিত হয়েছে। এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রশাসক মো. শাহজাহান মিয়া।

ডিএসসিসির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ এবং স্বাস্থ্য বিভাগের ছয় শতাধিক কর্মী এবং স্থানীয় জনগণ এই বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেন।

পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে ড্রেন, নর্দমা এবং ফুটপাতের ময়লা পরিষ্কার ও মশার ওষুধ প্রয়োগ করা হয়। জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্থানীয় বাসিন্দা, রেড ক্রিসেন্ট এবং বিডি ক্লিন সদস্যদের অংশগ্রহণে জনসচেতনতামূলক একটি র‍্যালি অনুষ্ঠিত হয়।

এছাড়াও মশক নিয়ন্ত্রণে এলাকার নির্মাণাধীন ভবনের জমা পানিতে এডিস মশার লার্ভা আছে কিনা তা পরীক্ষা করে ভবন মালিকদের সতর্ক করা হয়েছে।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন প্রশাসক শাহজাহান মিয়া এলাকাবাসীকে যত্রতত্র ময়লা না ফেলে নির্দিষ্ট জায়গায় ময়লা ফেলার জন্য আহ্বান জানিয়ে বলেন, আপনারা নির্ধারিত জায়গায় ময়লা জমিয়ে রাখবেন, সিটি কর্পোরেশনের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা সে ময়লা সংগ্রহ করবে। আপনারা দায়িত্বশীল আচরণ করলে, তার সুফল তারা পাবেন।

এলাকাবাসীর সমস্যা সমাধানে, দলমত নির্বিশেষে একটি নাগরিক কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যার মাধ্যমে এলাকার সমস্যাগুলো আমাদের জানাবেন, সবাই মিলে সেসব সমস্যার সমাধান করব।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা এয়ার কমডোর মো. মাহাবুবুর রহমান তালুকদারসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৯ আগস্ট ২০২৫/মওম

আওয়ামী লীগ দোসরদের কব্জায় চট্টগ্রাম আঞ্চলিক সোনালী ব্যাংক

মুহাম্মদ জুবাইর, দেশের জাতীয় গুরুত্বপুর্ন বহু প্রতিষ্ঠান থেকে স্বৈরাচার আওয়ামী লীগের দোসরদের বাদ দিয়ে সংস্কার করা হলেও এখনো সোনালী ব্যাংক বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চল আওয়ামী লীগের কব্জায় রয়ে গেছে। অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে বড় বড় পদ ভাগিয়ে নেওয়া আওয়ামী লীগের দোসররা সেখানে একদিকে ঋনখেলাপিদের আগের মতো বাঁচানোর ফন্দি করছেন। পাশাপাশি খোলস পাল্টে ক্ষমতা পোক্ত করার চেষ্টা করছেন কেউ কেউ। এই অবস্থায় বৈষম্যের শিকার হাজারো কর্মচারী ফুঁসে উঠেছেন। সোনালী ব্যাংকে এই ফ্যাসিস্ট দোসরদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছে সৎ নিরীহ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা।
২০০৮ সালে ক্ষমতা আরোহনের পর থেকে প্রশাসন আওয়ামীকরনের অংশ হিসেবে সোনালী ব্যাংকের প্রতিটি নিয়োগ, বদলি ও গুরুত্বপূর্ণ পদায়নের ক্ষেত্রে সাবেক ছাত্রলীগ এবং আওয়ামী লীগের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রাধান্য দেওয়া হয়।
 গত ১৬ বছরে এই চট্টগ্রাম মহানগরেরর সোনালী ব্যাংক ও ব্যাংকের বিভিন্ন ডিভিশন সমুহ বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম অঞ্চল ও স্বাধীনতা  স্বপক্ষীয় ব্যাংকার ফোরামের নেতা  বা আওয়ামী লীগ নেতাদের আত্মীয় স্বজনের বাইরে কাউকে বদলি/ পলায়ন করা হয়নি। যখন যে জেনারেল ম্যানেজার ( জিএম) এসেছেন তিনি তার পদ রক্ষার জন্য নিজস্ব আওয়ামী বলয় তৈরি করেছেন।
সংশ্লিষ্ট সুত্র জানায়,  সোনালী ব্যাংক বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে আওয়ামী আমলে নিয়োগকৃত আপাদমস্তক আওয়ামী দোসর জেনারেল ম্যানেজারস অফিস চট্টগ্রাম সাউথ এর জিএম (ইনচার্জ ) মোঃ ফোরকান  বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দকে দিয়ে জিএম অফিস, প্রিন্সিপাল অফিস, বিভিন্ন শাখা অফিসগুলোকেও নিজেদের আয়ত্তে রেখেছেন। এছাড়াও তিনি নিজেদের বলয়কে স্থায়িত্ব দিতে সম্প্রতি জেনারেল ম্যানেজারস অফিস চট্টগ্রাম (নর্থ)  এর জিএম মোঃ মুসা খানকে বঙ্গবন্ধু পরিষদকে লালন পালনের অভিযোগ তুলে চট্টগ্রাম থেকে বিতাড়িত করার নানা  ষড়যন্ত্রের পাঁয়তারা চালাচ্ছেন। যদিও বঙ্গবন্ধু পরিষদ কমিটি গঠিত হয়েছিল জিএম মুসা খান চট্টগ্রাম যোগদানের পূর্বে।  উল্লেখ্য  এক সময় মংহলা সিং ও  সৈয়দ আলমের  নেতৃত্বে গঠিত বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের নিজের কুক্ষিগত করতে পর্দার আড়ালে থেকে এজিএম, জান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহকে সভাপতি,  এজিএম খালিদ রশিদকে সিনিয়র সহ-সভাপতি ও এজিএম রানা অমিতাভ দাশকে সাধারণ সম্পাদক করে পাল্টা কমিটি গঠন করেন। যে কমিটিতে গুরুত্বপূর্ণ পদ সমূহ দেওয়া হয় ফোরকান অনুগত আরিফা আফরিন, এবিএম খালেদুজ্জামান , সুচন্দ্রা চৌধুরী, মিন্টু রাম দাস,  মূলকুতুবুর রহমান,  উজ্জ্বল কান্তি দে,চন্দন চক্রবর্তী,  মোহাম্মদ আজগর আলী, মোস্তফা নাজমুল কাউসার, শুভাশীষ ঘোষকে । তিনি বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের আরেকটি নতুন কমিটি গঠন করে চট্টগ্রাম অঞ্চলকে হাতের মুঠোয় নেন। তাদের যোগ্য সহযোগী হিসেবে কলকাঠি নাড়েন জেনারেল ম্যানেজারস অফিস চট্টগ্রাম (সাউর্থ) এসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার রাশেদুল ইসলাম। যে  রাশেদুল ইসলামের ক্ষমতার দাপটে দীর্ঘ ১৫ বছর ভাড়া পরিশোধ না করে আগ্রাবাদস্থ  ব্যাংক কলোনির একটি বিল্ডিং এ অবস্থান করেছিলেন।  এছাড়াও তিনি প্রতিটি ফাইলে মোটা অংকের উৎকোচ। ব্যক্তিগত তিন তিনটি বাড়ির মালিক বিগত ১৫ বছরে ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রভাব খাটিয়ে হয়েছেন বিপুল পরিমাণ অর্থ বৃত্তের মালিক।
সংশ্লিষ্ট সুত্র আরো‌ জানায়, সোনালী ব্যাংক জেনারেল ম্যানেজারসহ অফিস চট্টগ্রাম সাউথ এর জিএম (ইনচার্জ ) মোঃ ফোরকান  ক্ষমতার দাপটে ডিজিএম হয়ে বসেন জেনারেল ম্যানেজারস অফিস চট্টগ্রাম সাউথ এর জিএম (ইনচার্জ ) এর আসনে। ফোরকান  প্রধান কার্যালয়ের PRD এর এজিএম পারভেজকে  দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম অঞ্চলের নিরীহ কর্মকর্তা কর্মচারীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারেও লিপ্ত।
এছাড়াও এজিএম,  জান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ সহ সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম অঞ্চলের কমিটির প্রায় অর্ধশত নেতাকর্মী ও স্বৈরাচার দোসর অনেকে দীর্ঘ ১৬ বছর ধরে চট্টগ্রাম নগরের জিএম অফিস, প্রিন্সিপাল অফিস, বিভিন্ন শাখা অফিসগুলোতে কর্মরত আছেন।
অভিযোগ আছে আওয়ামী সিণ্ডিকেটের অন্যতম হোতা জান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহ দীর্ঘ দিন আওয়ামী প্রভাব খাটিয়ে নিজের মন মত  পোস্টিং নিয়ে কাটিয়েছেন। চট্টগ্রাম অঞ্চলের ব্যাংকের নানা  শাখায় বঙ্গবন্ধু পরিষদের লোকদের পদায়নের প্রধান হোতা তিনি। জান মোহাম্মদ সাইফুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
স্বৈরাচার সরকারের পতনের এক বছর পরেও তিনি কিভাবে কলকাঠি নাড়ছেন তা সকলের মনে প্রশ্ন।
অপরদিকে আরেক স্বৈরাচার দোসর সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ চট্টগ্রাম অঞ্চলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফা আফরিনের বিরুদ্ধে রয়েছে পাহাড়সম দুর্নীতির অভিযোগ। ক্ষমতার অপব্যবহার করে নানা জনকে সুবিধা পাইয়ে দিয়ে গত ১৫ বছরে কোটি কোটি টাকার মালিক। সম্প্রতি তিনি ১০ কোটি টাকা অনৈতিক লেনদেনের জন্য সাসপেন্ড হয়েছেন।
২০২৪ সালের ৫ আগষ্ট রাজনৈতিক পট পরির্বতন হলেও বহাল তবিয়তে আছেন সোনালী ব্যাংক পাঁচলাইশ শাখার ম্যানেজার এজিএম মোঃ মলকুতুর রহমান। যিনি সোনালী ব্যাংকের যোগদানের পর থেকে ঘুরে ফিরে আছেন চট্টগ্রাম নগরীর বিভিন্ন শাখায়। গত ১৫ বছরে আওয়ামী পন্থী দের সুবিধা দেওয়াসহ, ব্যাংক লোন পাশের ক্ষেত্রে নানা অনিয়ম করেছেন তিনি। এছাড়াও সুবিধা নিয়ে পাশ করেছেন ব্যাংক লোন। এখনো তিনি স্বৈরাচারের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন।
দেওয়ান হাট মিঠা গলি শাখার ম্যানেজার মোহাম্মদ আজগর আলী গত ১৬ বছরে কাটিয়েছেন চট্টগ্রাম নগরের ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায়। দায়িত্ব পালন করেছেন সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে।  আওয়ামীপন্থী এই কর্মকর্তার  দাপটে অসহায় হয়ে আছেন গত পদ বঞ্চিতরা। তাঁর  বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
আরেক আওয়ামীপন্থী এই কর্মকর্তা সোনালী ব্যাংক ধনিয়ালা পাড়া শাখার ম্যানেজার এ বি এম খালেদুজ্জামান সোনালি ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদের ওপর ভর করে বিভিন্ন অনৈতিক সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেছেন। দীর্ঘ ১৬ বছর দাপটের সাথে নগরীর ব্যাংকের বিভিন্ন শাখায় কাটানো খালেদুজ্জামান এখনো মুর্তিমান এক আতংকের নাম।
সোনালী ব্যাংক জেনারেল ম্যানেজারস অফিস চট্টগ্রাম (নর্থ) এ কর্মরত মোস্তফা নাজমুল কাউসার জেনারেল ম্যানেজারস অফিস চট্টগ্রাম সাউথ এর জিএম (ইনচার্জ ) মোঃ ফোরকানের বিশেষ পছন্দের এবং তার পদায়নও হয়েছে বঙ্গবন্ধু পরিষদের উপদেষ্টা গোপাল চন্দ্র গোলদার। সোনালী ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের তথ্য প্রযুক্তি ও গবেষণা সম্পাদকের দায়িত্ব পালন কালীন সময়ে। তার কার্যকলাপ দেখলে মনে হয় এখনো আওয়ামী ক্ষমতায় আছে। বিগত দিনে ক্ষমতার দাপট যেভাবে দেখিয়েছে ঠিক এখনো ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছেন।
বাংলাদেশের ওয়াল স্ট্রিট ও  দেশের ভোগ্যপণ্যের সবচেয়ে ব্ড় বাজার খাতুনগঞ্জ শাখার ম্যানেজার শুভাশীষ ঘোষ আওয়ামীপন্থী একজন ব্যাংক কর্মকর্তা। যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সমর্থনকারী হিসেবে পরিচিত হয়েও বহাতবিয়তে প্রতিদিন হাজার কোটি টাকা লেনদেন হওয়া শাখায়। যার দাপটে একসময় সাধারণ কর্মচারীরা তটস্থ ছিলেন। বর্তমানে তিনি স্বৈরাচার সরকারের প্রভাব বিস্তার করছেন।
সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম ট্রেনিং ইনস্টিটিউট এর এসপিও সূচন্দ্রা চৌধুরী বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ সভাপতি পদে থেকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করেছেন সোনালী ব্যাংকে। গড়েছেন অবৈধ অর্থ বৃত্তের পাহাড়।
সোনালী ব্যাংক পটিয়া শাখার এজিএম উজ্জ্বল কান্তি নাথ ও সূচন্দ্রা চৌধুরী মত বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ সভাপতি পদে থেকে দীর্ঘ সময় ধরে প্রভাব বিস্তার করেছেন সোনালী ব্যাংকে।
এছাড়াও সোনালী  বঙ্গবন্ধু পরিষদ বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলের সহ-সভাপতি  খোরশেদ আলম, এ কে এম আহসান আরিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসান তারেক, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক রানী দাশ, অর্থ সম্পাদক সুমন কুমার নাথ, দপ্তর সম্পাদক আসাদ আলী, প্রচার প্রকাশনা সম্পাদক আবুল হাসনাত মোঃ আব্দুল্লাহ, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক শিপ্রা রানী মজুমদার, সহ মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আঁখি বড়ুয়া, সাংস্কৃতিক সম্পাদক অর্পিতা বড়ুয়া, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক তাসনিম, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক জুয়েল পান্থ, ক্রীড়া সম্পাদক রাজীব রায় চৌধুরী, আপ্যায়ন সম্পাদক জিয়াউদ্দিন চৌধুরী, কার্যনির্বাহী সদস্য সাইফুর রহমান, মোহাম্মদ আসাদ, সত্যপ্রিয় বড়ুয়া, তাজুল ইসলাম, রাজন কান্তি দাশ, মিন্টু রাম দাশ, সুভাষ কুমার চৌধুরী,   সঞ্জীব দে, এস এম শওকত ওসমান, মনিরুল ইসলাম, সাজ্জাদুল ইসলাম শিবলু, আশেক হোসেন চৌধুরী, সৈয়দ মোঃ জিয়া উদ্দিন, যাদব চন্দ্র দাশ, সাজ্জাদ হোসেন, শেখ মেহেদী রেজা, ফয়েজ উল্ল্যাহ বাহার, আবু জাহেদ, নুর উদ্দিন মিয়া, শরীফ উদ্দিন, হুমায়ূন কবির রিপন, জুয়েল রানা, এ টি এম বখতিয়ার, আব্দুল কাদের, সোলাইমান, আব্দুল মালেক, আবুল কালাম আজাদ, কবির হোসেনসহ সোনালী ব্যাংক স্বাধীনতা স্বপক্ষীয় ফোরামের সকলে ও অনেক স্বৈরাচার দোসর এখনো সোনালী ব্যাংক চট্টগ্রাম জিএম অফিস, প্রিন্সিপাল অফিস, বিভিন্ন শাখা অফিসগুলোতে কর্মরত। যারা প্রত্যেকে ১৫ থেকে ২০ বছর ধরে বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে থেকে নানা অনিয়ম দুর্নীতির সাথে সক্রিয়।
এদিকে সোনালি ব্যাংক বঙ্গবন্ধু পরিষদের ওপর ভর করে বিভিন্ন অনৈতিক সুযোগ সুবিধা নিয়ে যারা পছন্দের শাখায় চাকরি করে আসছে, তাদের মধ্যেই কেউ কেউ এখন জিয়া পরিষদে ঠাঁই নিতে মরিয়া।
সংশ্লিষ্ট অনেকে বলছেন সকল স্বৈরাচার দোসরদের রাহুগ্রাস থেকে অচিরেই সোনালী ব্যাংক বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলকে মুক্ত করা না গেলে  চট্টগ্রামে যেকোনো সময় সোনালী ব্যাংক সেক্টরে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে যেতে পারে। তাদের দাবী অচিরেই চট্টগ্রাম থেকে এই আওয়ামী দোসরদের বদলি করা না হলে  প্রধান কার্যালয় সহ প্রত্যেকটি অঞ্চলে এর প্রভাব পড়তে পারে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি