আজ সোমবার, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৬ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 324

চট্টগ্রামে চাঁদা দাবির অভিযো#গে এনসিপি নেতা নিজাম বহিষ্কা*র!

মোঃ আব্দুল ওয়াদুদ; চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম বন্দর কেন্দ্রিক আন্দোলন দমাতে চাঁদা দাবির একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী নিজাম উদ্দিনকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। এর আগে সোমবার (১১ আগস্ট) নগর এনসিপির পক্ষ থেকে ওই নেতাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করা হয়। নগর এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী (দপ্তর) আরিফ মঈনুদ্দিন স্বাক্ষরিত নোটিশে নিজাম উদ্দিনকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চট্টগ্রাম নগরীর প্রধান যুগ্ম সমন্বয়কারী মীর আরশাদুল হক বরাবর লিখিত ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়।

নিজামের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বন্দর কেন্দ্রিক আন্দোলন দমাতে রোববার রাতে একজনের কাছ থেকে তিনি চাঁদা দাবি করেন। ওই কথোপকথনের একটি ভিডিও ইতোমধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে। এরপর সোমবার (১১ আগস্ট) দিবাগত রাত দুইটার দিকে এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে দলটির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব (দপ্তর) সালেহ উদ্দিন সিফাতের সই করা এক চিঠিতে নিজাম উদ্দিনকে বহিষ্কার আদেশ দেওয়া হয়। এতে সাময়িক বহিষ্কারের পাশাপাশি কেন তাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না, এর লিখিত ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দর কেন্দ্রিক আন্দোলন দমাতে নিজাম উদ্দিনের পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা চাওয়ার একটি ভিডিও গত রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। আরেক ব্যক্তির সঙ্গে কথোপকথনের ভিডিওটিতে আন্দোলন বন্ধের জন্য টাকা চাইতে শোনা যায় তাকে। ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পর গতকাল সোমবার তাকে কারণ দর্শানোর চিঠি (শোকজ) দেয় দলটির চট্টগ্রাম নগর কমিটি।

এর আগে গত ৫ জুলাই নিজাম উদ্দিনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে পুলিশ কমিশনারকে চিঠি দেন এক নারী। চিঠিতে ওই নারী উল্লেখ করেন, দুই কোটি টাকা চাঁদা না পেয়ে তাঁর স্বামীকে মিথ্যা মামলায় পুলিশে দিয়েছেন নিজাম উদ্দিন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে ডুবে গেছে নয়াদিল্লি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে ডুবে গেছে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির বেশ কিছু এলাকা। এদিকে ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) সামনে আরও বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।

এক প্রতিবেদনে ভারতীয় সংবাদামাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, রাজধানীর পঞ্চকুইয়ান মার্গ, মথুরা রেড, মিন্টো ব্রিজ, বিজয় চক, মোতিবাগ, রাফি মার্গ, রাও তুলারাম মার্গ এবং নিজামউদ্দিন ফ্লাইওভার এবং সংলগ্ন বিভিন্ন এলাকা সহ রাজধানীর বেশ কিছু অঞ্চল বৃষ্টির পানিতে ডুবে গেছে।

সর্বশেষ পূর্বাভাসে আইএমডি জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে এই বৃষ্টিপাত হচ্ছে। আরও কয়েক দিন ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকবে। বৃষ্টিভেজা আবহাওয়ায় নয়াদিল্লির তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৩৪ ডিগ্রি সর্বনিম্ন ২৫ ডিগ্রির মধ্যে ওঠানামা করবে জানিয়েছে আইএমডি।

দিল্লিতে বর্ষাকাল সাধারণত দুই মাস স্থায়ী হয় জুন ও জুলাই। আগস্ট মাসে এমন দীর্ঘ এবং একটানা বৃষ্টিপাত নয়াদিল্লিতে বেশ বিরল।

সূত্র : এনডিটিভি

আলোকিত প্রতিদিন/১২ আগস্ট ২০২৫/মওম

মানিকগঞ্জে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান

 সৈয়দ এনামুল হুদা, মানিকগঞ্জ :

মানিকগঞ্জে JICA-STIRC প্রকল্পের কারিগরি সহযোগিতায় এবং লায়ন কর্পোরেশনের অনুদানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশিক্ষক শিক্ষকবৃন্দকে নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে।

 ১২ আগস্ট সোমবার মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ডেরা রিসোর্টে দিনব্যাপী এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণে জেলার মোট ৩৩ জন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক অংশগ্রহণ করেন। জানা যায়, জাপান ইন্টারন্যাশনাল কোঅপারেশন এজেন্সি (JICA) এবং বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের স্ট্রেনথেনিং দ্য ইনসপেকশন, রেগুলেটরি এন্ড কোঅরডিনেটিং (STIRC) প্রকল্প, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এর সার্বিক সহযোগিতায় এবং হাইজিন ও হেলথ প্রোডাক্টের জাপানি শীর্ষস্থানীয় কোম্পানি লায়ন কর্পোরেশনের আর্থিক অনুদানে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, জেলা কার্যালয়-মানিকগঞ্জ কর্তৃক প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের জন্য নিরাপদ খাদ্য বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রশিক্ষণের আয়োজন করেন। STIRC প্রকল্পের কর্মকর্তারা তাদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন।

প্রশিক্ষণের অন্তর্ভুক্ত বিষয় ছিলো- শিশুদের জন্য নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক প্রাথমিক ধারণা, নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক করণীয় ও বর্জনীয়, মৌলিক স্বাস্থবিধি এবং হাত ধোয়ার পদ্ধতি। শিক্ষকগণ প্রশিক্ষণে অর্জিত জ্ঞান বিদ্যালয়ে শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের প্রদান করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মোঃ শামসুজ্জামান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি এন্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক মো. মুনতাসির হাসান, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার গকুল চন্দ্র দেবনাথ এবং জেলা নিরাপদ খাদ্য অফিসার মোঃ নূর-ই-আলম সোহাগ। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন- অনিরাপদ খাবার খাওয়ায় নানা ধরনের খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে অনেকেই মারা যান।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, প্রতি বছর চার লাখ বিশ হাজার মানুষ খাদ্যবাহিত অসুস্থতায় মারা যায়। অনাকাঙ্ক্ষিত এ মৃত্যু ও রোগ প্রতিরোধে প্রত্যেকের সচেতন হতে হবে। নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করতে মৌলিক দক্ষতা ও জ্ঞান সর্বত্র ছড়িয়ে দিতে হবে। পরে প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া শিক্ষকেরা সরেজমিনে বালিয়াখোড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণে অর্জিত শিক্ষা প্রদান করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১২ আগস্ট ২০২৫/মওম

২০২৫-২৬ অর্থবছরে কৃষিঋণের লক্ষ্যমাত্রা ৩৯ হাজার কোটি টাকা!

আলোকিত ডেস্ক, কৃষিখাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ও দারিদ্র্য বিমোচনের লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গত অর্থবছরে এই লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা এ বছর ২.৬৩ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে।

মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের জাহাঙ্গীর আলম কনফারেন্স হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর নতুন কৃষি ও পল্লীঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি ঘোষণা করেন তিনি। এ সময় সব ডেপুটি গভর্নর, বিএফআইইউ প্রধান, চিফ ইকোনমিস্ট, নির্বাহী পরিচালকসহ তফসিলি ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীরা উপস্থিত ছিলেন সেখানে।

সংবাদ সম্মেলনে আরো জানানো হয়, ৩৯ হাজার কোটি টাকার কৃষি ও পল্লীঋণের মধ্যে রাষ্ট্র মালিকানাধীন ও বিশেষায়িত ব্যাংকের বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা ১৩ হাজার ৮৮০ কোটি টাকা আর বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকের লক্ষ্যমাত্রা ২৫ হাজার ১২০ কোটি টাকা।

নীতিমালায় নতুনভাবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে— প্রাণিসম্পদ খাতে বরাদ্দ ২০ শতাংশ করা, সেচ ও কৃষিযন্ত্রপাতি খাতে ২ শতাংশ বরাদ্দ, ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণের সিআইবি সার্ভিস চার্জ মওকুফ, কন্ট্রাক্ট ফার্মিং ও এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের আওতা বৃদ্ধি, খিরা, কচুর লতি, বিটরুট, কালোজিরা, আদা, রসুন, হলুদ, খেজুরগুড় ইত্যাদি নতুন ফসল ঋণ নীতিতে অন্তর্ভুক্ত এবং অঞ্চলভিত্তিক উৎপাদন সম্ভাবনা অনুযায়ী ঋণ বিতরণের নির্দেশনা।

বাংলাদেশ ব্যাংক আশা করছে, কৃষি ও পল্লীখাতে পর্যাপ্ত ঋণ সরবরাহের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের উৎপাদন বৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং টেকসই অর্থনীতি গঠনে এ নীতিমালা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

বাংলাদেশকে সমর্থন দেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বাংলাদেশকে সমর্থন দিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করেছেন মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। একইসঙ্গে মিয়ানমার সংকট নিয়ে আসিয়ানের সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐক্যেরও আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

মালয়েশিয়া সফররত অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক শেষে যৌথ ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। ১২ আগস্ট মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে মালয়েশিয়ার সংবাদমাধ্যম মালয় মেইল।

ড.মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে যৌথ ব্রিফিংয়ে আনোয়ার ইব্রাহিম বলেন, মিয়ানমারে শান্তি প্রতিষ্ঠা এবং শরণার্থী সংকট মোকাবিলা করা মালয়েশিয়ার অন্যতম অগ্রাধিকার। বিশেষ করে, বিপুল সংখ্যক বাস্তুচ্যুত মানুষকে আশ্রয় দিয়ে যে চাপ বাংলাদেশ বহন করছে, মালয়েশিয়া এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের পাশে থাকবে।

তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভূমিকম্পের মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এবং শরণার্থীদের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া অত্যন্ত জরুরি। একই সঙ্গে, মিয়ানমার সংকট সমাধানে আঞ্চলিক সহযোগিতার প্রচেষ্টাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।

আনোয়ার বলেন, “আমি বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষকে নিউইয়র্ক, কাতার এবং এখানে মালয়েশিয়াতে বহুপাক্ষিক ফোরামে উদ্যোগ নেওয়ার জন্য প্রশংসা করি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী (মোহম্মদ হাসান) ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন এবং থাইল্যান্ডের সঙ্গে সমন্বয় করে আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে মিয়ানমার সফর করবেন, যাতে সেখানে শান্তি নিশ্চিত করা যায় এবং কিছু জাতিগত সংখ্যালঘু এবং মিয়ানমারের জনগণের ওপর যে নৃশংসতা চলছে, তার একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান হয়।”

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস সোমবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। মঙ্গলবার বিকেলে তিনি সেখানে একটি ব্যবসায় ফোরামে অংশ নেবেন।পরে তিনি মালয়েশিয়ায় বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় অংশ নেবেন।

পরদিন বুধবার ইউনিভার্সিটি কেবাংসান মালয়েশিয়ার (ইউকেএম) আচার্য ও নেগেরি সেমবিলান রাজা তুয়াংকু মুহরিয ইবনি আলমারহুম তুয়াংকু মুনাওয়ির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

আলোকিত প্রতিদিন/১২ আগস্ট ২০২৫/মওম

রাজাকার সবগুলোকে ফাঁসি দিছি, এবার তোদেরও ছাড়ব না’

বিশেষ প্রতিনিধি, আন্দোলনকারী দের ফাঁসি দিতে চেয়েছিলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ বিষয়টি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেছেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। তার এই বক্তব্যের সপক্ষে শেখ হাসিনার সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এ এস এম মাকসুদ কামালের টেলিফোন কথোপকথন (অডিও রেকর্ডের লিখিত রূপ) তুলে ধরেন।

সোমবার (১১ আগস্ট) ট্রাইব্যুনালে চানখারপুল গণহত্যা মামলায় সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম শেখ হাসিনা ও ঢাবির সাবেক ভিসির ফোনালাপ তুলে ধরেন। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে এ ফোনালাপ জমা দিয়েছে প্রসিকিউশন।

 

শেখ হাসিনার সঙ্গে টেলিফোনে মাকসুদ কামালের কথা হয়েছিল গত বছরের ১৪ জুলাই। ওই কথোপকথনের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, সেদিন মাকসুদ কামাল বলেছেন, ‘প্রত্যেক হল থেকে তো ছেলেমেয়েরা তালা ভেঙে বের হয়ে গেছে। এখন তারা রাজু ভাস্কর্যে, চার–পাঁচ হাজার ছেলেমেয়ে জমা হইছে। মল চত্বরে জমা হয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে আমার বাসাও অ্যাটাক (আক্রমণ) করতে পারে তারা।

এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘তোমার বাসা প্রটেকশনের (সুরক্ষার) কথা বলে দিছি।’ তখন মাকসুদ কামাল বলেন, ‘জি জি।’ এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘আগে একবার করছে।

পরে মাকসুদ কামাল বলেন, ‘ওই রকম একটা প্রস্তুতি লাঠিসোঁটা নিয়ে বের হইছে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তো রাজাকারের তো ফাঁসি দিছি, এবার তোদেরও তাই করব। একটাও ছাড়ব না, আমি বলে দিছি। এই এত দিন ধরে আমরা কিন্তু বলিনি, ধৈর্য ধরছি, তারা আবার বাড়ছে।

এরপর মাকসুদ কামাল বলেন, ‘বেশি বেড়ে গেছে এবং অতিরিক্ত বেড়ে গেছে, অতিরিক্ত। আপা একটু ক্যাম্পাসের নিরাপত্তাটা আরেকটু বাড়ানো। আর আমার বাসার ওইখানেও।

তখন শেখ হাসিনা বলেন, ‘ক্যাম্পাসের ব্যবস্থা করছি, সমস্ত ক্যাম্পাসে…বিজিবি, র‍্যাব এবং পুলিশ—সব রকম ব্যবস্থা হইছে। তোমার বাসার ভেতরে লোক রাখতে বলছি। ভেতরে কিছু রাখা আছে এত বাড়াবাড়ি ভালো না।

শেখ হাসিনা ও মাকসুদ কামালের কথোপকথনের পুরোটাই সূচনা বক্তব্যে পাঠ করেন চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম। তিনি বলেন, সেদিন মাকসুদ কামাল আরও বলেছিলেন, ‘বিজয় একাত্তর হলে ছাত্রলীগের ছেলেদেরকে মেরেছে। আরও দু–একটা হলে একই কাজ করেছে। ছাত্রলীগের ছেলেপেলে সাদ্দাম (এখন নিষিদ্ধ সংগঠন ছাত্রলীগের সভাপতি), ইনান (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক), শয়ন (নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সভাপতি) ওরা আমার বাসায় ছিল সন্ধ্যা থেকে। আমি খবর পাচ্ছিলাম, ওদেরকে আমি ডেকে নিয়ে আসছি, ওরাও আসছে। ওদের সাথে বসে ওদের হলে হলে যেন ছাত্রলীগকে সংঘবদ্ধ রাখে এবং ঢাকা উত্তর, দক্ষিণকে যেন খবর দেয়। এগুলা করতে করতেই হাজার হাজার ছেলেমেয়ে একত্র হয়ে গেছে।’

এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোন দেশে বাস করি আমরা। এদেরকে বাড়তে বাড়তে তো রাজাকারদের কী অবস্থা হয়েছে দেখিস নাই, সবগুলাকে ফাঁসি দিছি, এবার তোদেরও ছাড়ব না আমি।

তখন মাকসুদ কামাল বলেন, ‘হ্যাঁ, এবার এই ঝামেলাটা যাক, এরপরে আমিও নিজে ধরে ধরে যারা এই অস্থিরতা সৃষ্টি করছে, মেইন যারা আছে, এদের বহিষ্কার করব ইউনিভার্সিটি থেকে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘সব এইগুলাকে বাইর করে দিতে হবে আমি বলে দিচ্ছি আজকে সহ্য করার পরে অ্যারেস্ট (গ্রেপ্তার) করবে, ধরে নেবে এবং যা অ্যাকশন নেওয়ার নেবে…কারণ ইংল্যান্ডে এ রকম ছাত্ররাজনীতির জন্য মাঠে নামল, কতগুলি মেরে ফেলায় দিল না?’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘ওই অ্যাকশন না নেওয়া ছাড়া উপায় নাই। আমরা এত বেশি সহনশীলতা দেখাই আজ এত দূর পর্যন্ত আসছে।’

জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘না, এ আদালত হবে না, আবার ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিছে।’

তখন মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আবার রাষ্ট্রপতিকে কেউ এই রকম বলে যে ২৪ ঘণ্টার রাষ্ট্রপতিকে কেউ আলটিমেটাম দেয় একটা দেশে।’

এরপর শেখ হাসিনা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতিকে ২৪ ঘণ্টার আলটিমেটাম দিচ্ছ বেয়াদবির একটা সীমা থাকে।

মাকসুদ কামাল বলেন, ‘আপা, আমি আপনাকে যদি অন্য কোনো খারাপের দিকে যায়, আমি আবার একটু জানাব। কিন্তু রাতের বেলা জানাব না, হয়তোবা আধা ঘণ্টা এক ঘণ্টার মধ্যে হলে জানাব।

তখন শেখ হাসিনা বলেন, ‘কোনো অসুবিধা নাই আমি আমি সব সময়ই ফ্রি।

মাকসুদ কামাল বলেন, ‘জি জি জি, স্লামুআলাইকুম।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

বাংলাদেশ-মালয়েশিয়ার মধ্যে ৫ সমঝোতা স্মারক সই

আলোকিত ডেস্ক, প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালয়েশিয়া সফরের প্রথম দিনে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া বিভিন্ন খাতে সহযোগিতার জন্য পাঁচটি সমঝোতা স্মারক ও তিনটি নোট বিনিময় করেছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) সকালে কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর এসব চুক্তি ও নোট বিনিময় হয়েছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

যেসব বিষয়ে সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, তার মধ্যে- প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, জ্বালানি বিষয়ক সহযোগিতা, ব্যবসায়িক কাউন্সিল গঠন (এফবিসিসিআই ও এনসিসিআইএম), বিএমসিসিআই ও মালয়েশীয় প্রতিষ্ঠান এমআইএমওএসের মধ্যে সহযোগিতা এবং বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস) এবং মালয়েশিয়ার ইনস্টিটিউট অব স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (আইএসআইএস) মধ্যে সহযোগিতা সংক্রান্ত।

এর আগে সকাল ৯টায় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস কুয়ালালামপুরের পুত্রজায়ায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে তাকে লাল গালিচা অভ্যর্থনা দেওয়া হয়। সেখানে ড. ইউনূসকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়েছে।

গার্ড অব অনার প্রদান শেষে আনোয়ার ইব্রাহিম তার মন্ত্রিসভার সদস্যদের ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন তিনি। পরে ড. ইউনূস প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

গাজীপুরে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান: দুই একর বনভূমি উদ্ধার

কামাল হোসেন, গাজীপুর সদর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর সদর উপজেলায় সংরক্ষিত বনভূমিতে গড়ে ওঠা অবৈধ বসতবাড়ি ও স্থাপনা উচ্ছেদে যৌথ অভিযান পরিচালনা করেছে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এতে প্রায় দুই একর বনভূমি দখলমুক্ত করা হয়।
সোমবার (১১ আগস্ট) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত সদর উপজেলার ভবানীপুর এলাকায় এই অভিযান পরিচালিত হয়। নেতৃত্ব দেন গাজীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মামুনুর রশিদ। অভিযানে সেনাবাহিনী, বিজিবি, র‌্যাব, পুলিশ ও বন বিভাগের সদস্যরা যৌথভাবে অংশ নেন। পুরো অভিযানে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল।
ঢাকা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের ঢাকা বিভাগীয় বন কর্মকর্তা রাশিদ আরিফ জানান, গত ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পরপরই গাজীপুরের ভাওয়াল রেঞ্জের ভবানীপুর বিট এলাকায় সংরক্ষিত বনাঞ্চল জবরদখল করে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করা হয়। এতে বনাঞ্চলের বড় অংশ বেদখল হয়ে যায়। পরে সেগুলো চিহ্নিত করে উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হয়।
অভিযানে দীর্ঘদিন ধরে দখল করে রাখা বহুতল ভবন, দোকানপাট, বসতঘর ও গুদামসহ মোট ১২০টি ছোট-বড় স্থাপনা ভেঙে ফেলা হয়। এতে প্রায় ১.৯৫ একর সংরক্ষিত বনভূমি পুনরুদ্ধার সম্ভব হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের গাজীপুরের জাতীয় উদ্যান রেঞ্জ কর্মকর্তা শাকেরা আক্তার শিমু। ভাওয়াল রেঞ্জ কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম। এছাড়াও ভবানীপুর বিট কর্মকর্তা নাসির উদ্দিনসহ বিভিন্ন বিট কর্মকর্তা ও বন প্রহরীরা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

এতিম হিফজ শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন কোরআন তুলে দিল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন

“শিক্ষা সকলের অধিকার , নতুন বই পাওয়া সবার দরকার” এই স্লোগানকে ধারণ করে দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন বরাবরের ন্যায় এবারও ব্যতিক্রম একটি কার্যক্রম উদ্ভোধন করেছে। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে শতাধিক এতিম হিফজ শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন কোরআন শরীফ তুলে দিল দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন।

 

আজ ১১ ই আগষ্ট (সোমবার) চট্টগ্রাম নগরীর হালিশহরে জামিয়া দারুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানায় উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আবু আবিদ এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাজী সেলিম বিশ্বাস।

 

এসময় মুহাম্মদ আবু আবিদ বলেন, “আমরা কুরআনের পাখিদের দেখতে এসেছি। তাদের খোঁজ খবর নিতে এসেছি। আসার সময় ভাবলাম প্রতিবছর স্কুল শিক্ষার্থীরা নতুন বইয়ের গন্ধ পায়। তাহলে শুধুমাত্র তাদের বাবা-মা নেই বলে তারা এ আনন্দ থেকে কেন বঞ্চিত হবে? তাই আসার সময় তাদের জন্য নতুন পবিত্র কোরআন শরীফ উপহার হিসাবে এনেছি। আমরা আজ এটি উদ্ভোধন করলাম। আমাদের ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পুরো বাংলাদেশে ২ হাজারের অধিক এতিম হিফয শিক্ষার্থীদের নতুন কুরআন শরীফ উপহার দেয়ার চেষ্টায় থাকব।”

 

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হাজী সেলিম বিশ্বাস বলেন, “আজকের এই উদ্যোগ সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। কোরআন শরীফ শুধুমাত্র একটি বই নয়, এটি জীবন পরিচালনার দিকনির্দেশনা। এতিম ও হিফজ শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন কোরআন তুলে দিয়ে আপনারা শুধু বই দেননি, বরং তাদের মন ও জীবনে নতুন আলো জ্বালিয়েছেন। আমি আশা করি দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন এই মহৎ কাজের ধারাবাহিকতা বজায় রাখবে এবং দেশের প্রতিটি প্রান্তে এই আলো ছড়িয়ে দেবে। আমি ব্যক্তিগতভাবেও এই উদ্যোগে সর্বাত্মক সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”

 

আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন দূর্বার তারুণ্য ফাউন্ডেশন এর প্রধান জেলা সমন্বয়ক মুহাম্মদ আবু আদিল , মো: জিহাদুল ইসলাম, এ আর তাইমুন, কামরুল ইসলাম , আখতার হোসেন রাফিদ, হাকিমুল হাসান সাকিব, মেহরাজ উদ্দিন মুহিত সহ জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।

 

অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয় এক দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে, যেখানে এতিম হিফজ শিক্ষার্থীদের সুস্থতা, জ্ঞান ও নৈতিকতার উৎকর্ষ, কোরআনের আলোয় আলোকিত জীবন, এবং উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য বিশেষভাবে প্রার্থনা করা হয়।

গাজীপুরে ব্যারিস্টারের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, আ*হত তিন

কামাল হোসেন, গাজীপুর সদর প্রতিনিধিঃ গাজীপুর সদর উপজেলায় ব্যারিস্টার কায়সার আহমেদের বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে ডাকাত দলের হামলা ও মারধরের শিকার হয়ে ব্যারিস্টার কায়সার সহ তিনজন আহত হয়।
শনিবার (৯ আগস্ট) দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে সদর উপজেলার ভবানীপুর দক্ষিণপাড়া গ্রামে এই ভয়াবহ ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এতে নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ১৫ লাখ টাকার মালামাল লুট করে ডাকাতরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, অজ্ঞাতনামা দশ থেকে বার জনের একটি সশস্ত্র ডাকাত দল পিস্তল ও দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে
ব্যারিস্টার কায়সার বাড়িতে হানা দেয়। রাত আড়াইটা থেকে ৪টার মধ্যে ডাকাতরা বসতঘরের গেটের তালা কেটে ভেতরে ঢোকে। এরপর প্রতিটি কক্ষের কাঠের দরজা শাবল দিয়ে ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে। পরে পরিবারের সদস্যদের হাত-পা বেঁধে ফেলে।
ধারালো অস্ত্রের ভয়ভীতি দেখিয়ে তারা নগদ ৪ লাখ ২০ হাজার টাকা, প্রায় ১০ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার, জুতা, কাপড়সহ বিভিন্ন মালামাল লুট করে নেয়। এ সময় ডাকাতরা ব্যারিস্টার কায়ছার তার ছোট ভাই আবিরসহ তার মা’কে মারধর করে আহত করে। আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
খবর পেয়ে জয়দেবপুর থানা পুলিশ রাত সাড়ে ৫টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। তবে পুলিশের আগেই ডাকাতরা বাড়ির পশ্চিম দিক দিয়ে পালিয়ে যায়।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তৌহিদ আহমেদ জানান, ঘটনাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এলাকার সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি