আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 311

গাইবান্ধায় দুই প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করতে এসে জনতার হাতে ধরা দুই যুবক!

জোবায়দুর রহমান জুয়েল, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে  দুই প্রবাসীর স্ত্রীর সাথে পরকীয়া করতে এসে  দুই যুবককে আটক করেছে স্থানীয় জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে  মঙ্গলবার  (২৬ আগস্ট) দুপুরে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম  রামজীবন ভাটিয়াপাড়া গ্রামে।
৯৯৯ স্থানীয়রা ফোন দিলে  ঘটনাস্থলে গিয়ে চারজন নারী-পুরুষকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ তথ্য নিশ্চিত করেন সুন্দরগঞ্জ থানার এসআই  মোবারক আলী।
আটককৃতরা হলেন, রামজীবন ইউনিয়নের ভাটিয়াপাড়া গ্রামের  প্রবাসী রাশেদুল এর স্ত্রী ইয়াসমিন (২০) ও শহিদুলের স্ত্রী  আফরিনা (১৯)।এই নারীরা নিজ দুই প্রবাসী ভাইয়ের স্ত্রী।  দুই যুবকের একজন একই উপজেলার  পাঁচ- পীর এলাকার  আলমগীর  (২৫) আরেকজন হলেন রামজীবন ইউনিয়নের ৫ নং ওয়ার্ডের  মারুফ( ২৪)।
স্থানীয় সূত্রে  জানা যায়, দুই তিন বছর আগে সৌদি আরবে গিয়েছিলেন দুইভাই শহিদুল ও রাশেদুল। এরপর থেকে আলমগীর ও মারুফের সাথে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এই প্রবাসী দুই ভাইয়ের স্ত্রীর। এরই এক পর্যায়ে গত  সোমবার রাত তিনটার দিকে এই দুই যুবক এই দুই প্রবাসী নারীর ঘরে রাত্রি যাপন করে। এরপর সকাল ৬ টার দিকে লোকজন টের পেলে  সকাল আটটা থেকে দুপুর ২ টা পর্যন্ত অবরুদ্ধ করে রাখে। এছাড়া দুই নারী ও দুই যুবকে স্থানীয়রা মারধর করেন। পরে দুই যুবকের মাথার মাঝ খানের চুল কেটে দেন এবং চারজন নারী  ও পুরুষকে দড়ি ও জুতার মালা পরিয়ে বেঁধে রাখেন। এ রকম অবস্থায়  তাদের প্রায় আট ঘন্টা অবরুদ্ধ করে রাখা হয়।  এরপর স্থানীয়রা ৯৯৯ ফোন দিলেই ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে তাদের সুন্দরগঞ্জ থানায় নিয়ে যান। পরে আদালতের মাধ্যমে জেলখানায় পাঠান পুলিশ। এ ঘটনা এলাকায় নানা রকম আলোচনা সমালোচনা শুরু হয়েছে।
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার রামজীবন ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা  আলম মিয়া বলেন, এরা রাত তিনটার দিকে এই দুই নারীর ঘরে প্রবেশ করে। এমনকি  দুই যুবক গরুর মাংস নিয়ে চারজন মিলে খাওয়া দাওয়া করে এবং রাত্রে অনৈতিক কাজ করেন। এদের শাস্তি হওয়া উচিত।
এ বিষয়ে সুন্দরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  (ওসি) বলেন, ৯৯৯ স্থানীয়রা ফোন দিলে  ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। পরে তাদের থানায় নিয়ে এসে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে সন্ধ্যায় পাঠানো হয়। তবে এ বিষয়ে কোন অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মাজারে জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের শ্রদ্ধা

বিশেষ প্রতিবেদক: জাতীয়তাবাদী চেতনার অগ্রনায়ক নজরুল, শাহীন রেজা। বিদ্রোহী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যু বাষির্কীতে তার মাজারে জাতীয়তাবাদী লেখক ফোরামের পুষ্পস্তবক অর্পণ আলোচনা ও কবিতা পাঠ আয়োজনে সভাপতির বক্তব্যে কবি শাহীন রেজা বলেন, নজরুল মানেই বিদ্রোহ, নজরুল মানেই সংগ্রাম। তিনি বলেন জাতীয় জীবনে সকল সংগ্রাম ও লড়াইয়ে নজরুল আমাদের সার্বক্ষণিক চেতনার উৎস।

মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২৪ এর গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সর্বত্রই নজরুলের কবিতা আমাদেরকে সাহস জুগিয়েছে, উৎসাহ জুগিয়েছে, প্রেরণা জোগায়। তিনি বলেন, নজরুল আমাদের জাতীয়তাবাদী চেতনার অগ্রনায়ক। শহীদ জিয়াউর রহমান যে বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ঘটিয়েছেন তার সূত্রপাত ঘটিয়েছিলেন নজরুল। তারেক রহমানও সেই চেতনায় অগ্রসরমান। এ আয়োজনে কবিতাপাঠ ও মোনাজাতে অংশগ্রহন করে বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী নাসিম আহমেদ। তিনি বলেন, নজরুলের কবিতা কন্ঠে ধারন করতে করতে আমি আজ বরেন্য আবৃত্তি শিল্পী। যে দীপ্ত চেতনা ধারন করে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি তা নজরুলেরই অবদান। সংগঠনের সাধারন সম্পাদক ড. শহিদ আজাদ বলেন, অন্যায়ের বিরুদ্ধে যে প্রতিবাদ তার সূত্র নজরুল ইসলাম । নজরুলের শিকল ভাঙ্গার গান আমাদের মুক্তির দিশা। মসয়দ মান্নান বলেন, নজরুল শুধু জাতীয় কবি নন তিনি আমাদের জীবনের অংশ।

আয়োজনে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লেখক ফোরামের উপদেষ্টা সাবেক রাষ্ট্রদূত মসয়দ মান্নান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রনো, সাংগঠনিক সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিন, শাওন আসগর, হাসান কামরুল, রি হোসাইন, মুহাম্মদ আতাউল্লাহ খান, আবু জাফর দিলু প্রমূখ। বক্তারা বলেন, যতদিন বাংলাদেশ থাকবে বাংলা ভাষা থাকবে ততদিন নজরুল বেঁচে থাকবেন আমাদের মননশীল চিন্তা চেতনা ও প্রতিটি প্রতিবাদে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রমজানের এক সপ্তাহ আগে নির্বাচনের আশা করছেন সালাহউদ্দিন

আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে রমজানের এক সপ্তাহ আগে জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, নির্বাচন নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই। তবে দুই-একটি দল নির্বাচন নিয়ে বিভ্রান্তির চেষ্টা করছে, এটি তাদের কৌশল হতে পারে।২৬ আগস্ট মঙ্গলবার গুলশানে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

সালাহউদ্দিন বলেন, আমরা ফ্যাসিবাদ বিরোধী জাতীয় ঐক্য ধরে রেখে সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রত্যাশা করছি। দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে ঐতিহাসিক ঘটনা হবে এবারের নির্বাচন। সংসদ নির্বাচনে পিআর পদ্ধতি এবং গণপরিষদের দাবি রাজনৈতিক কৌশল উল্লেখ করে বিএনপির এই নেতা বলেন, মাঠ গরম করার জন্য কয়েকটি রাজনৈতিক দল এসব বক্তব্য দিচ্ছে।

তিনি বলেন, দেশে নির্বাচনী আমেজ বিরাজ করছে। যারাই এর বিপক্ষে কথা বলবে তারা রাজনীতি থেকে মাইনাস হয়ে যাবে। কোনো দল নির্বাচনে অংশ না নিলে এটি তাদের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। যারা বাহানা দিয়ে বয়কট করবে তারা ভবিষ্যৎ রাজনীতি থেকে নিজেরাই মাইনাস হয়ে যাবে।

এ সময় জুলাই সনদ সম্পর্কে সালাহউদ্দিন বলেন, জুলাই সনদে অঙ্গীকারনামার কিছু বিষয় অযৌক্তিক মনে করছে বিএনপি। আমাদের নিজেদের বিকল্প প্রস্তাব ঐকমত্য কমিশনে আলোচনার সময় দেওয়া হবে।

জুলাই সনদ সংবিধানের ওপরে স্থান পায় এমন কোনো বিষয় গ্রহণযোগ্য হবে না উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, আলোচনার মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক দলগুলো একটি অবস্থানে পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা করি।সালাহউদ্দিন বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে নির্বাচন নিয়ে কোনো জটিলতা চায় না বিএনপি। সবার ঐকমত্যে এই সরকার গঠিত হয়েছে। তত্বাবধায়কের বিষয়টি পুনর্বহাল হওয়ার পর পরবর্তী নির্বাচনে সেটি কার্যকর হতে পারে। এই সরকারের ঘোষিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন হবে বলে প্রত্যাশা করি, অন্যকিছু ভাবার অবকাশ নেই।

জামায়াতের সঙ্গে জোটবদ্ধ হওয়ার সুযোগ নেই জানিয়ে সালাহউদ্দিন বলেন, তবে যুগপৎ আন্দোলনে যারা ছিলেন তাদের সঙ্গে জোট হতে পারে। আগামীর সরকারেও তারা থাকতে পারে। এছাড়া কয়েকটি ইসলামী ঘরানার দলের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে, তাদের সঙ্গে জোট হতে পারে। তবে সেটি চূড়ান্ত নয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ আগস্ট ২০২৫/মওম

যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃত্বহীন নতুন বিশ্ব কেমন হবে দেখানোর চেষ্টা করবেন শি জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আগামী ৩১ আগস্ট থেকে ১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চীনে অনুষ্ঠিত হবে সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলন। এতে ২০টি দেশের বিশ্বনেতারা অংশ নেবেন। এই সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও উপস্থিত থাকবেন। যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া নতুন বিশ্ব শাসন কেমন হবে— এ সম্মেলনের মাধ্যমে এমনটিই দেখানোর চেষ্টা করবেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং।

২৬ আগস্ট মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে বার্তাসংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে। এতে বলা হয়েছে,সম্মেলনটি রাশিয়ার জন্য একটি কূটনৈতিক বিজয়। কারণ পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করলেও চীন তাদের স্বাগত জানাচ্ছে। গত সাত বছরের মধ্যে প্রথমবার চীনে যাবেন মোদি। তার জন্য বৈঠকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ ২০২০ সালে সীমান্তে দুই দেশের সেনাদের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর উভয়ই উত্তেজনা কমাতে চায়। মোদি, পুতিন এবং শি জিনপিং সর্বশেষ একত্রিত হয়েছিলেন ব্রিকস সম্মেলনে।

চীনা গ্লোবাল সাউথ প্রজেক্টের এরিক ওলেন্ডার রয়টার্সকে সম্মেলন নিয়ে বলেছেন, “শি জিনপিং এ সম্মেলনের মাধ্যমে দেখানোর চেষ্টা করবেন আমেরিকার কর্তৃত্ববিহীন বিশ্ব কেমন দেখাবে। যুক্তরাষ্ট্র, বিশেষ করে ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো প্রেসিডেন্টদের অস্বস্তিতে রাখতেই ব্রিকসের মতো জোট গঠনা করা হয়েছে।”

চীনের এক কর্মকর্তা বলেছেন, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর এটিই সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের সবচেয়ে বড় সম্মেলন হতে যাচ্ছে। সংস্থাটি প্রথমে ছয় সদস্য নিয়ে যাত্রা শুরু করে। এখন এটির সদস্য সংখ্যা ১০। অপরদিকে ১৬টি দেশ পর্যবেক্ষক হিসেবে এতে রয়েছে। নিরাপত্তাবিষয়ক সংস্থা হিসেবে যাত্রা শুরু হলেও এখন এটি অর্থনীতি ও সামরিক সহযোগিতার প্লাটফর্মে পরিণত হয়েছে।

তবে ভারতের বেঙ্গালুরুর তাকসাসিলা ইনস্টিটিউটের বিশ্লেষক মনোজ কেওয়ালরামানির মতে, এসসিও ‘গ্লোবাল সাউথের’ একতা প্রদর্শনের জন্য একটি ভালো সংস্থা। কিন্তু এটি সত্যিকারের নিরাপত্তা সমস্যার সমাধান করতে পারেনি। এছাড়া সংস্থাটির প্রধান দুই সদস্য ভারত এবং পাকিস্তানের মধ্যে এখনো অনেক বিষয় নিয়ে মতানৈক্য রয়েছে।

বিশেষ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে ভারতের আপত্তির কারণে সংস্থাটি কোনো যৌথ বিবৃতি দিতে পারেনি। গত এপ্রিলের জম্মু-কাশ্মিরের পেহেলগাম হামলার নিন্দা না জানানোয় যৌথ বিবৃতিতে স্বাক্ষর করেনি নয়াদিল্লি। কিন্তু এ সম্মেলনের ফাঁকে শি জিনপিং এবং মোদির মধ্যে ইতিবাচক বৈঠক হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের ধারণা এ দুই নেতা সীমান্ত থেকে সেনা প্রত্যাহার, সহজ বাণিজ্য এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করতে পারেন।

চীনা গ্লোবাল সাউথ প্রজেক্টের এরিক ওলেন্ডার অবশ্য এ সম্মেলনকে একটি ‘শক্তিশালী চশমা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। কারণ এটি সত্যিকার অর্থে কার্যকর হওয়ার চেয়ে একটি প্রতীকি প্রদর্শন হবে।

এদিকে সম্মেলনে শেষেই দেশে ফিরে আসবেন নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু থেকে যাবেন পুতিন। তিনি বেইজিংয়ে চীনা সেনাবাহিনীর একটি প্যারেডে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

সূত্র: রয়টার্স

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ আগস্ট ২০২৫/মওম

 

রাতে খাওয়ার পরও ক্ষুধা লাগার কা*রণ জেনে নিন!

আলোকিত ডেস্ক, রাতের খাবার জমিয়ে খেলেন, পেট ভরে গেল। কিন্তু তারপরও মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল—ক্ষুধার জন্য! এমনটা কি আপনার সঙ্গেও হয়? ভাবছেন, এটা কি সবারই হয়? নাকি কোনো সমস্যা আছে আপনার তা জেনে নিন?

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঝরাতে হঠাৎ ক্ষুধা লাগা কিন্তু শুধু খিদে নয়, এটা হতে পারে একটা নির্দিষ্ট শারীরিক সমস্যা, যার নাম নাইট ইটিং ডিসঅর্ডার (Night Eating Disorder বা NED)।

প্রায় ১০০ জনের মধ্যে ১ জন এই সমস্যায় ভোগেন। এতে শুধু ঘুমই নষ্ট হয় না, বরং ধীরে ধীরে দেখা দিতে পারে ওজন বেড়ে যাওয়া, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপসহ নানা দীর্ঘস্থায়ী রোগ। আর যাদের ওজন বেশি, তাদের ক্ষেত্রে ওজন কমানো আরও কঠিন হয়ে পড়ে তখন।

– ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রা থাকলে।

– সারাদিন খুব কম ক্যালরি খেলে।

– পরিবারে কারও এই সমস্যা থাকলে।

– বেশি মানসিক চাপ বা দুশ্চিন্তা থাকলে।

– সপ্তাহে অন্তত ২-৩ দিন মাঝরাতে খিদে পেয়ে ঘুম ভেঙে যায়।

– রাতে ঠিক সময়ে ঘুমোতে গেলেও ঘুম আসে না বা বারবার ভেঙে যায়।

– ঘুমিয়ে যাওয়ার পরও হঠাৎ উঠে খেতে ইচ্ছে হয় আপনার।

– রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে মন শান্ত রাখতে কিছুক্ষণ মেডিটেশন করুন।

– সকালে উঠে খালি পেটে ২ গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন।

– রাতের খাবারের পর ধূমপান একেবারে বন্ধ করুন। নিকোটিন হজমে সমস্যা করে।

– খাবার শেষে চা খাওয়া এড়িয়ে চলুন—চায়ের ট্যানিন আয়রন শোষণে বাধা দেয় এবং হজমে সমস্যা করে।

মাঝরাতে ক্ষুধা লাগা খুব সাধারণ মনে হলেও, সেটা দীর্ঘমেয়াদে বড় কোনো সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে। তাই নিয়মিত এমনটা হলে গুরুত্ব দিয়ে দেখুন, অভ্যাস বদলান—আর প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবার কুকীর্তি ফাঁ*স বাপ-বেটা ফোর টু*য়েন্টি!

বিশেষ প্রতিনিধি,  তৌহিদ আফ্রিদিকে শুধুই একজন ইউটিউবার ভাবলে ভুল হবে। ৩০ জুলাই, ২০২৪। বাংলাদেশের গণতন্ত্রের জন্য লড়াইরত মানুষের ওপর চলতে থাকে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনার অত্যাচার। নির্বিচারে গণহত্যা। এই গণহত্যায় বড় ভূমিকা নেয় মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ডিবি। বিশেষত এর নেতৃত্ব দেন ডিবিপ্রধান হারুন। আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে থাকা ৬ সমন্বয়ককে গ্রেফতারের পর আন্দোলন যখন কিছুটা স্তিমিত হয়ে আসছিল তখন যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী সাংবাদিক ইলিয়াস হোসাইন তার ইউটিউব চ্যানেলে একটি ভিডিও পাবলিশ করেন তিনি।

দেখা যায় তাতে, ডিবি হারুন এক নারীর সাথে আপত্তিকর কথা বলছেন। ওই ভিডিও প্রকাশের পর হারুন নিজের উলঙ্গ ভিডিও সরানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়েন। তৌহিদ আফ্রিদিকে তার কার্যালয়ে আসতে বলে। তৌহিদ আফ্রিদি তখন মুহম্মদ জুবায়ের নামের একজন সোশাল মিডিয়া এক্সপার্টকে নিয়ে আসেন।

জুবায়ের জানান, রাতভর তাকে ডিবি কার্যালয়ে রেখে ফেসবুক ও বিভিন্ন সাইট থেকে হারুনের ভিডিও সরাতে বাধ্য করে তৌহিদ আফ্রিদি। তৌহিদ আফ্রিদির নিয়ন্ত্রণেই চলতে হতো সোশ্যাল মিডিয়ার জনপ্রিয় সব কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের। কথামতো না চললেই শুরু হতো নির্যাতন।

৩০ জুলাই রাতে হারুনুর রশিদের ভিডিও প্রকাশের পর আব্দুল্লাহ আল ইমরান নামে আরেকজনকে তুলে আনা হয়। তাকেও জোরপূর্বক ওই ভিডিও সরানোর কাজে বাধ্য করা হয়।

তৌহিদ আফ্রিদির নির্যাতনের শিকার হন জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর স্বপন আহমেদ। স্বপনের মূল ‘অপরাধ’ ছিল—তিনি আলেমদের পক্ষে এবং ভারতের বিপক্ষে কনটেন্ট তৈরি করতেন। এ কারণে আফ্রিদি তাকে এ ধরনের কনটেন্ট বানাতে নিষেধ করেন। কিন্তু স্বপন আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে রাজি না হওয়ায় তাকে আদালতের বারান্দায় পর্যন্ত যেতে হয়েছে।

হাসি-খুশির আবরণে ভয়ঙ্কর এক অন্ধকার জগৎ গড়ে তুলেছিলেন আফ্রিদি। সেই রহস্যময় জগতের প্রতিটি স্তরে ছড়িয়ে আছে মানুষের দীর্ঘশ্বাস।

আফ্রিদির একটি  গোপন আস্তানা ছিল। নতুন কোনো কনটেন্ট ক্রিয়েটর আওয়ামী লীগের পক্ষে কাজ করতে রাজি হলে সেখানে তাকে  আনা হতো। তবে ওই আস্তানায় যখন কাউকে শাস্তি দেওয়া হতো, সেই ভিডিও ধারণ করা প্রায় অসম্ভব ছিল। এ যেন আরেক আয়নাঘর।

তৌহিদ আফ্রিদির নির্মম নির্যাতনের শিকার ব্লগারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভুগেছেন সায়েম। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে তাকে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের পাশে একটি ভবনে নিয়ে নির্মমভাবে নির্যাতন করা হয়। সায়েমকে ৩০ থেকে ৩৫টি থাপ্পড় মারা হয়। সরকারি বাহিনীর কর্মকর্তাদের সামনেই আফ্রিদি তার মাথায় পিস্তল ঠেকিয়ে হত্যা করার হুমকি দেন।

আফ্রিদির নির্যাতনের প্রত্যক্ষদর্শী একজন সেই ভয়াবহ দিনের কথা তুলে ধরেন। ভুক্তভোগী জানান— “যেভাবেই হোক একটা ভিডিও করাবে। যদি কোনো ভিডিও ব্ল্যাকমেইলের জন্য যথেষ্ট না হয়, তখন কী করবে? একটা মেয়ে দিয়ে দেবে। কারণ ওই জিনিস মানুষকে সমাজে কলঙ্কিত করে। কোনোদিন যদি ভুক্তভোগী আফ্রিদির বিপক্ষে যায়, তখন ওই ভিডিও দিয়ে তাকে ফাঁদে ফেলে ধ্বংস করে দেয়।”

জুলাই আন্দোলন চলাকালে আফ্রিদি দেশের জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরদের হুমকি দিয়ে সরকারের পক্ষে কাজে লাগানোর চেষ্টা চালিয়েছেন। তাছাড়া, আফ্রিদির বিরুদ্ধে বেশ কয়েকজন নারীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শারীরিক সম্পর্ক করার অভিযোগও উঠেছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক নারী জানান, দীর্ঘদিন সম্পর্কে থাকার পর আফ্রিদি হঠাৎ করেই তাকে ছুড়ে ফেলে দেয়। পরে তাকে ডিবি অফিসে ডেকে গায়েব করে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। ফলে সংসার করার স্বপ্ন শেষ হয়ে যায় তার।

ওই নারী আরো বলেন— ‘আমার সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়টি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করলে উল্টো আফ্রিদি আমাকে হুমকি দেয়। মুনিয়ার মতো আমাকেও পৃথিবী থেকে সরিয়ে দেওয়া হবে। আমি জানতে পারি, তার একাধিক মেয়ের সঙ্গে সম্পর্ক রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে আমি প্রতিবাদ করলে সে আমাকে খুব বাজেভাবে রিঅ্যাক্ট করে। সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয়, মুনিয়ার মতো আমারও পরিণতি হবে।’

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঢাকায় বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের ৪ দিনব্যাপী সীমান্ত সম্মেলন শুরু 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং ভারতের বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ)-এর মধ্যে ৪ দিনব্যাপী মহাপরিচালক পর্যায়ের ৫৬তম সীমান্ত সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক বৈঠক শুরু হয়েছে।

২৬ আগস্ট মঙ্গলবার সকালে রাজধানী ঢাকার পিলখানাস্থ বিজিবি সদর দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে শুরু হয়েছে।  সম্মেলনে বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকীর নেতৃত্বে ২১ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল অংশগ্রহণ করেছে।

বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলে বিজিবির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়, সড়ক বিভাগ, ভূমি জরিপ অধিদপ্তর, যৌথ নদী কমিশন এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রতিনিধিত্ব করছেন।

অপরদিকে, বিএসএফ মহাপরিচালক দালজিৎ সিং চৌধুরীর নেতৃত্বে ১১ সদস্যের ভারতীয় প্রতিনিধিদল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেছে। ভারতীয় প্রতিনিধিদলে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ছাড়াও ভারতের স্বরাষ্ট্র এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

বিজিবি সদর দপ্তরের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. শরীফুল ইসলাম জানান, এবারের সম্মেলনে-সীমান্ত হত্যা, পুশ ইন ও অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধ; ভারত থেকে মাদক, অস্ত্র-গোলাবারুদ এবং অন্যান্য চোরাচালান রোধসহ বিভিন্ন আন্ত:সীমান্ত অপরাধ দমন; আন্তর্জাতিক সীমান্তের ১৫০ গজের মধ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড বাস্তবায়ন এবং অননুমোদিত অবকাঠামো নির্মাণ রোধ; সীমান্ত নদীর তীর সংরক্ষণ এবং সীমান্ত নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়; সমন্বিত সীমান্ত ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ; সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় মিডিয়ায় বাংলাদেশ বিরোধী অপপ্রচারের ফলে সীমান্তে সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনে উদ্যোগ নেওয়া; দুই দেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বিষয় এবং সীমান্ত স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

আগামী ২৮ আগস্ট সকালে সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি হবে। সম্মেলন শেষে একই দিন ভারতীয় প্রতিনিধিদল ভারতে ফিরে যাবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ আগস্ট ২০২৫/মওম

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০ শতাংশ শুল্কের চাপে দিশেহারা ভারতীয় ব্যবসায়ীরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি করা ভারতীয় পণ্যে মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। ট্রাম্পের ঘোষিত মোট ৫০ শতাংশ শুল্ক ২৭ আগস্ট থেকে কার্যকর হচ্ছে। এতে ভারতের অর্থনীতির বড় একটা অংশ ভয়াবহ এক পরিস্থিতির মুখে পড়েছে।

মূলত শুল্কের চাপে ভারতীয় শিল্পকারখানাগুলো কার্যত ধুঁকছে এবং শ্রমিকদের বেতন দেওয়া নিয়েও সংশয়ের মুখে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ আগস্ট ২০২৫/মওম

ফলো করুন

বিজ্ঞাপন

আরও পড়ুন

হাইকোর্টে নবনিযুক্ত ২৫ বিচারপতি শপথ নিলেন

সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে নতুন নিয়োগ পাওয়া ২৫ বিচারপতি শপথ নিয়েছেন। ২৬ আগস্ট মঙ্গলবার দুপুর ১টা ৪০ মিনিটে প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ তাদের শপথবাক্য পাঠ করান।

শপথ অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার (বিচার) মোয়াজ্জেম হোসাইন।

শপথ নেওয়া ২৫ বিচারপতি হলেন- সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আনোয়ারুল ইসলাম (শাহীন), আইন ও বিচার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সাইফুল ইসলাম, চট্টগ্রামের জেলা ও দায়রা জজ মো. নুরুল ইসলাম, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব শেখ আবু তাহের, সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল আজিজ আহমদ ভূঞা, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী রাজিউদ্দিন আহমেদ ও ফয়সাল হাসান আরিফ, আইন ও বিচার বিভাগের যুগ্ম সচিব এস এম সাইফুল ইসলাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আসিফ হাসান ও মো. জিয়াউল হক, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল দিহিদার মাসুম কবীর, হবিগঞ্জের জেলা ও দায়রা জজ জেসমিন আরা বেগম, বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের সচিব মুরাদ–এ–মাওলা সোহেল, ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মো. জাকির হোসেন, সলিসিটর (সিনিয়র জেলা জজ) মো. রাফিজুল ইসলাম, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনজুর আলম, মো. লুৎফর রহমান ও রেজাউল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফাতেমা আনোয়ার, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহমুদ হাসান, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আবদুর রহমান, সৈয়দ হাসান যুবাইর, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এ এফ এম সাইফুল করিম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী উর্মি রহমান এবং ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদ।

২৫ আগস্ট সোমবার রাতে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি হিসেবে ২৫ জনকে নিয়োগ দেয় সরকার। আইন, বিচার এবং সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ–সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২৬ আগস্ট ২০২৫/মওম

চেক ডিজঅনার মামলায় কারাবন্দী অবস্থায় মৃ*ত্যু

আব্দুল আলিম, বাঘা, চারটি চেক ডিজঅনার মামলায় সাজাপ্রাপ্ত কারাবন্দী সাজেদুল ইসলাম ওরফে ইজদার (৪৫) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। সোমবার (২৫ আগস্ট ২০২৫) বিকেল ৩টা ১৮ মিনিটে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়। চিকিৎসকের ভাষ্য অনুযায়ী তিনি কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে মারা গেছেন।

কারা সূত্র জানায়, গত শনিবার (২৩ আগস্ট) রাত ৯টা ৪৩ মিনিটে অসুস্থ অবস্থায় তাকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। প্রথমে ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে রাখা হলেও অবস্থার অবনতি হলে সোমবার (২৫ আগস্ট) ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার শাহ আলম খান সোমবার রাত ১০টা ১৬ মিনিটে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, সাজেদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মোট চারটি চেক ডিজঅনার মামলা ছিল। মামলাগুলোতে বিভিন্ন মেয়াদে তাকে সাজা দেওয়া হয়েছিল—একটিতে ১ বছর, একটিতে ৬ মাস, একটিতে ৪ মাস এবং একটিতে ৫ মাস। সব মিলিয়ে তার মোট সাজা ছিল ২ বছর ৩ মাস। তিনি ২০২৩ সালের ২৭ আগস্ট কারাগারে প্রবেশ করেন। সাজার মেয়াদ শেষে আগামী ২৬ নভেম্বর ২০২৫ তার মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল।

নিহত সাজেদুল ইসলাম বাঘা উপজেলার বাজুবাঘা নতুনপাড়া এলাকার বাসিন্দা ও সাজদার রহমানের ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, তিনি আম ও কাঠের ব্যবসায়ী ছিলেন। ব্যবসায় লোকসানের কারণে সুদে টাকা নিয়ে দেনা শোধ করতে পারেননি। সেই সুবাদে তিনি ফাঁকা চেক জমা দেন এবং পরে ওই চেক ফেরত আসায় তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়।

তার ছোট ভাই রবিউল ইসলাম জানান, বড় ভাই ইজদারকে প্রথমে রামেকের ৩২ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি করা হয়েছিল। পরবর্তীতে অবস্থার অবনতি হলে সোমবার ৪২ নম্বর ওয়ার্ডে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকেল ৩টা ১৮ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি