আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 308

কিছুটা হুঁশ ফিরেছে নুরের, সবার কাছে দোয়াপ্রার্থী!

আলোকিত ডেস্ক, রাজধানীর কাকরাইলে হামলায় গুরুতর আহত গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের কিছুটা হুঁশ ফিরেছে বলে জানা গেছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) সকাল ৭টা ৫ মিনিটে তার ফেসবুক পেজ থেকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ তথ্য জানানো হয়।
স্ট্যাটাসে আরো জানানো হয়েছে, নুর আইসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সেখানে লেখা হয়, ‘নুরুল হক নুরের ওপর গতরাতে হামলার পর এখন পর্যন্ত তিনি আইসিইউতে চিকিৎসাধীন। এখন তার কিছুটা হুঁশ ফিরেছে। সবাই তার জন্য দোয়া করবেন।
স্ট্যাটাসের সঙ্গে নুরের দুটি ছবিও প্রকাশ করা হয়। তাতে দেখা যায়, তিনি হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছেন, নাকে ব্যান্ডেজ বাঁধা এবং মুখে অক্সিজেন মাস্ক লাগানো হয়েছে নুরকে।
এর আগে শুক্রবার রাতেই গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান জানান, নুরের মাথায় আঘাত লেগে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ হয়েছে। পরে চিকিৎসকরা তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করেন।
শুক্রবার (৩০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ের সামনে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনায় গুরুতর আহত হন নুর। রক্তাক্ত অবস্থায় সেখান থেকে দলীয় নেতাকর্মীরা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যান।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একাধিক ভিডিওতে দেখা গেছে, নুরের মুখ থেকে বুক পর্যন্ত রক্তাক্ত। তার নাক ফেটে যায় এবং তিনি স্ট্রেচারে করে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

‘মব ভায়োলেন্স’ থামাতে বলপ্রয়ো*গে বাধ্য হয় সেনাবাহিনী: আইএসপিআর!

বিশেষ প্রতিনিধি, জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশ ‘সহযোগিতা’ চাওয়ায় সেনাবাহিনীর সদস্যরা সম্পৃক্ত হন বলে জানিয়েছে আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর)।

আইএসপিআর জানায়, ‘শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা অগ্রাহ্য’ হওয়ায় সেনাবাহিনী সেখানে ‘মব ভায়োলেন্স’ ঠেকাতে বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতের এ ঘটনায় সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য আহত হওয়ার তথ্যও দিয়েছে সংস্থাটি।

এদিন সন্ধ্যায় ঢাকার কাকরাইলে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে দিয়ে গণঅধিকার পরিষদের একটি মিছিল যাওয়ার সময় উভয় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। আইএসপিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, রাত ৮টার দিকে কাকরাইলে দুটি রাজনৈতিক দলের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় বেশ কয়েকজন আহত হন সেখানে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

 

বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়, ‘প্রথমে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। তবে একপর্যায়ে সংঘর্ষ বেড়ে গেলে তারা সেনাবাহিনীর সহযোগিতা কামনা করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে তাদের ওপর আক্রমণ চালানো হয় এবং এতে কয়েকজন সদস্য আহত হন সেখানে।

আইএসপিআর জানায়, ‘ঘটনার শুরুতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উভয় পক্ষকে শান্ত থাকতে এবং নিজেদের মতপার্থক্য দূর করার অনুরোধ জানায় তখন। কিন্তু অনুরোধ সত্ত্বেও কিছু নেতাকর্মী মব ভায়োলেন্সের মাধ্যমে পরিস্থিতি অশান্ত করার চেষ্টা করে সেখানে।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘বিজয়নগর, নয়াপল্টন ও আশপাশের এলাকায় সাধারণ জনগণের চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর শান্তিপূর্ণ সমাধানের সব চেষ্টা তারা অগ্রাহ্য করে। ফলে জননিরাপত্তা রক্ষায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বলপ্রয়োগে বাধ্য হয়।’

আইএসপিআর জানায়, ‘সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সরকারের এ সিদ্ধান্ত পুনর্ব্যক্ত করছে এবং জনমনে স্বস্তি ও নিরাপত্তা আনতে সব ধরনের মব ভায়োলেন্সের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে প্রস্তুত রয়েছে। জননিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা ও শান্তি বজায়ে সেনাবাহিনী সর্বদা বদ্ধপরিকর।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বাংলাদেশকে উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে নিতে হলে মান সম্পন্ন শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ: ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

সাইফুল ইসলাম সবুজ, টাঙ্গাইল:শ্বেতপত্র কমিটির আহবায়ক ও সম্মানিত ফেলো,সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ(সিপিডি) ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, অন্তর্বতীকালীন সরকার এসেই প্রথম থেকেই একটায় জটিল অর্থনীতি পরিস্থিতিতে পড়েছে। অর্থনীতি পরিস্থিতি এটা উত্তাধিকার সূত্রে পেয়েছে। সেটা শ্বেতপত্রের ভিতর দিয়ে সেটা আমরা প্রকাশ করার চেষ্টা করেছি। বর্তমানে মূল্যস্ফীতি যেটুকু কমেছিল সেটা আবার উধ্বর্মুখী হচ্ছে। সেটা আমরা দেখতে পাচ্ছি। দেশে চাল, তেল সবজি ইত্যাদির দাম বেড়েছে। এরকম যদি বাড়তে থাকে এবং এটার যদি মজুরী এবং বেতনের সামঞ্জস্য না থাকে তাহলে দেখা যাচ্ছে দারিদ্র্যের হার বাড়ছে, বৈষম্য বাড়ছে এবং এটার ভিতরে পুষ্টিহীনতা এটার সাথে যুক্ত হয়েছে। এই রকম অর্থনীতির অবস্থা পরিস্থিতি আবার জটিল হতে নেয় তাহলে নির্বাচন, রাজনৈতিক উত্তরণ চাচ্ছি সেটাকে বাঁধাগ্রস্থ করবে। অর্থনীতির অবস্থা কোনভাবেই খারাপ হতে দেয়া যাবে না। তাহলে এটা রাজনৈতিক উত্তরণ, নির্বাচন উত্তরণকে বাঁধাগ্রস্থ হচ্ছে। সবাই এখন নির্বাচন, সনদ ও সংবিধান নিয়ে ব্যস্ত হয়ে গেছে। এটার কারনে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান ও মজুরি এগুলো নজর দেয়া কম হচ্ছে সেইদিকেই আমরা দৃষ্টি আর্কষন করছি।
শুক্রবার(২৯ আগস্ট) বিকালে টাঙ্গাইলের কালিহাতি উপজেলার এলেঙ্গা রিসোর্টে ইউনিটি এসোসিয়েশনের আয়োজনে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে যদি উন্নয়নের পরবর্তী পর্যায়ে নিতে হয়  তাহলে মান সম্পন্ন শিক্ষা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিগত সময়কালে যে সমস্ত শিক্ষার্থী পাস করেছে সেই পরিমাণে তারা গুনগত শিক্ষা পায়নি। সেখানে বড় ধরণের ফাঁক ছিল। এবার মাধ্যমিক পরীক্ষার ভিতর দিয়ে সেই ফাঁকটি ধরা পড়েছে। তারা পাস করছে কিন্তু তারা ভর্তি হতে পারছে না কারণ যোগ্যতার মাপ কাঠিতে তারা পাচ্ছে না। এরসাথে ভয়াবহভাবে যুক্ত হচ্ছে সেটা হচ্ছে শিক্ষকদের যোগ্যতা হ্রাস পেয়েছে। কারণ বিভিন্নভাবে শিক্ষকরা নিয়োগ পেয়েছেন যাদের যোগ্যতার ঘাটতি আছে। এবার বাজেটে স্কুলে যাতে একবেলা খাওয়ার ব্যবস্থা হয় সেটার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এটা জাতীয়ভাবে আগামীদিনে ছড়াতে হবে যাতে প্রত্যেক স্কুলে যাতে শিক্ষার্থীরা পুষ্টিকর খাদ্য খাবার পায়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ইউনিটি এসোসিয়েশনের সভাপতি সুজন মাহমুদের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন ভূমি মন্ত্রনালয়ের উপ সচিব এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন,টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি এডভোকেট জাফর আহমেদ, কালিহাতী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোস্তফা কবীর ও লুৎফর রহমান মতিন মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ শহীদুল ইসলাম প্রমূখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আনোয়ারায় ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে বিপুল পরিমাণ খাসজমি উদ্ধার

আনোয়ারা প্রতিনিধি। চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ৪নং বটতলী ইউনিয়নের চাপাতলী মৌজায় অবৈধ সীমানা প্রাচীর ভেঙে সরকারি খাসজমি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসনের অধীনস্থ আনোয়ারা উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত। গত বৃহস্পতিবার (২৮ আগষ্ট) বিকেলে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা। অভিযান পরিচালনার সময় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিশাল একটি টিম উপস্থিত ছিলেন। এ বিষয়ে নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা বলেন, দখলকারীরা সরকারি খাসজমির উপর সীমানা প্রাচীর নির্মাণ করে চলাচলের রাস্তা সংকীর্ণ করেছিল। তাই চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের নির্দেশে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা আরও বলেন, অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসনের নির্দেশে এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

১১ বছর পর নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সম্মেলন, দুই পদে লড়ছেন ৫ নেতা

শহীদুল ইসলাম রুবেল, নেত্রকোনায় দীর্ঘ ১১ বছর পর জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আগামীকাল শনিবার (৩০আগস্ট) শহরের মোক্তারপাড়া মাঠে অনুষ্ঠিত এই সম্মেলনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচনের জন্য মোট পাঁচজন নেতা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ১০টি উপজেলা ও ৫ টি পৌর কমিটির ১ হাজার ৫১৫ জন কাউন্সিলরের ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, ২০১৪ সালের ২৫ অক্টোবর শেষ দ্বিবার্ষিক সম্মেলনে আশরাফ উদ্দিন খান সভাপতি, ডাঃ আনোয়ারুল হক সাধারণ সম্পাদক এবং এস এম মনিরুজ্জামান দুদু সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হন। পরবর্তী সময়ে কমিটি অনুমোদন ও বিলুপ্ত হওয়ার পর ৬৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি দিয়ে দল পরিচালিত হয়। দীর্ঘ ১১ বছর পর এবার পুনরায় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা বিএনপির বর্তমান আহ্বায়ক ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক (ছাতা) এবং জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মাহফুজুল হক (চেয়ার)। সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী (মাছ), এসএম মনিরুজ্জামান দুদু (বল) এবং আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি (গরুর গাড়ি)। সম্মেলনে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত থাকবেন। উদ্বোধন করবেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ। সহকারী নির্বাচন কমিশনার আইনজীবী সিরাজুল ইসলাম খোকন জানিয়েছেন, কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে দুটি পদে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হবে। ইতিমধ্যে মোক্তারপাড়া মাঠে সম্মেলন সুষ্ঠু ও সফলভাবে সম্পন্ন করতে সব প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
দলীয় নেতারা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন পর সম্মেলন হওয়ায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। সমঝোতার চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ায় ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন করা হচ্ছে। সভাপতি প্রার্থী ডাঃ মোঃ আনোয়ারুল হক ও এডভোকেট মাহফুজুল হক এবং সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ড.রফিকুল ইসলাম হিলালী,এস,এম মনিরুজ্জামান দুদু ও আব্দুল্লাহ আল মামুন খান রনি নিজেদের যোগ্যতা ও দলের জন্য অবদানের ওপর জোর দিয়ে ভোটারের সমর্থনের আশা প্রকাশ করেছেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় প্রার্থীদের ব্যানার, ফেস্টুন ও প্ল্যাকার্ডে সম্মেলনের চাঞ্চল্য স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

বাবাকে হ*ত্যার তিন দিন আগেই কবর খোঁড়েন ছেলে!

আলোকিত ডেস্ক, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে নিজ বাবাকে অতিরিক্ত পরিমাণে ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে হত্যার অভিযোগে ছেলে জামিল খানকে (২০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গত ২২ আগস্ট উপজেলার চকপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটলেও সম্প্রতি বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।

এ ঘটনায় বুধবার (২৭ আগস্ট) রাতে জামিলকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

জানা যায়, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ কোনোভাবেই ছেলে মানতে পারছিলেন না কলেজশিক্ষার্থী জামিল খান। অনেক বোঝানোর পরও বাবা-মাকে নিয়ে আসতে পারেননি এক ছাদের তলে তাদের আনতে। এতে অবনতি হয় বাবা ছেলের সম্পর্কের। বাবাকে হত্যার পরিকল্পনা আঁটেন জামিল। লাশ গুম করতে তিন দিন আগে বাড়ির পাশে খুঁড়ে রাখেন কবর। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে প্রাথমিকভাবে এমনই স্বীকারোক্তি দিয়েছেন তিনি।

নিহত রাশিদুল হক খান সুমন (৪৭) ঘাটাইল উপজেলার সন্ধানপুর ইউনিয়নের চকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। তিনি পার্শ্ববর্তী ধলাপাড়া বাজারে ‘খান ফার্মেসি’ নামে একটি ওষুধের দোকান পরিচালনা করতেন। এ ঘটনায় বুধবার রাতে থানায় মামলা করেছেন তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক খান (৮২)।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে আরো জানা যায়, সুমন খান তার স্ত্রীকে তিন বছর আগে তালাক দেন এবং অন্যত্র আরেকটি বিয়ে করার জন্য চেষ্টা করছেন বলে সন্দেহ করতেন তার ছেলে। বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ কোনোভাবেই মানতে পারছিলেন না ছেলে। এটি নিয়ে পিতা-পুত্রের পারিবারিক সমস্যা চলে আসছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে ধারণা তাদের। কয়েকদিন ধরে সুমন খান অসুস্থ থাকার সুযোগে ছেলে জামিল ওষুধ খাওয়ানোর নাম করে তাকে অতিমাত্রায় ঘুমের ওষুধ সেবন করিয়ে মৃত্যু নিশ্চিত করে তিনি।

স্থানীয়রা জানান, জামিল খান তার বাবাকে হত্যার পরিকল্পনা আগে থেকেই করে রেখেছিলেন। এ জন্য তিনি তাদের বসতঘরের পাশে একটি কবর বা গর্ত খুঁড়ে রেখেছিলেন, যেন লাশ পুঁতে ফেলে সেটি গোপন বা ধামাচাপা দেওয়া যায়। অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে জামিল তার বাবাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার পর সেটিকে একটি স্ট্রোকজনিত মৃত্যু বলে প্রচারণা চালিয়ে এলাকাবাসী ও তার পরিবারের সদস্যদের সহযোগিতায় তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করে।

স্থানীয়রা আরও জানায়, সুমন খানের আকস্মিক এই মৃত্যু নিয়ে আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয়দের মধ্যে সন্দেহের উদ্রেগ হলে তারা জামিলের সঙ্গে নানাভাবে আলাপচারিতা চালায়। একপর্যায়ে জামিল খান বলে, ‘তার (বাবা) জন্য কবর খুঁড়ে রেখেছিলাম বাড়ির পাশে, কিন্তু তাকে অন্যখানে দাফন করা হলো কেন।’

এই কথার পরিপ্রেক্ষিতে সন্দেহ ঘনীভূত হয়। স্থানীয়রা বলতে থাকেন, মৃত্যুর আগেই কেন কবর খুঁড়ে রাখবে ছেলে। পরে জামিল খানকে আত্মীয়স্বজন এবং স্থানীয়রা ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করার একপর্যায়ে সে স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে, জামিল তার বাবাকে কৌশলে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাওয়াইয়ে হত্যা করেছে। পরে তারা পুলিশকে বিষয়টি জানানো।

নিহতের বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল হক খান জানান, রাশিদুল হক খান সুমন আমার ছেলে। আর সুমনের একমাত্র ছেলে জামিল। প্রায় বছর চারেক আগে পারিবারিক কলহের জেরে সুমনের স্ত্রীর সঙ্গে তার ছাড়াছাড়ি হয়। এটি নিয়ে পিতা-পুত্রের কলহ চলছিল। কী কারণে আমার নাতি তার বাবাকে হত্যা করল তা বুঝতে পারছি না। আমি এ হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই।

পুলিশ জানায়, গত ২২ আগস্ট সুমন খান মারা যান। পরে আত্মীয়স্বজনদের কাছে তার ছেলে জামিল স্বীকার করে যে তিনি তার বাবাকে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ প্রয়োগের মাধ্যমে হত্যা করেছে। পরে থানায় বিষয়টি জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে জামিলকে আটক করে।

ঘাটাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশাররফ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে বাবাকে অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন জিসান। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। আসামিকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে জেলেহাজাতে পাঠানো হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইতিহাসের সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ নির্বাচন হবে এবার: ইসি আনোয়ারুল!

আলোকিত ডেস্ক, নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আনোয়ারুল ইসলাম সরকার বলেছেন, আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের ইতিহাসে যতগুলো নির্বাচন হয়েছে তার মধ্যে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হবে, এতে কোনো সন্দেহ নেই বলে জানিয়েছেন।

শুক্রবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে এ মন্তব্য করেন তিনি।

তিনি বলেন, কমিশনের প্রধান দায়িত্ব একটি সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজন করা হবে। এর বিকল্প কোনো পথ নেই। জীবন চলে যেতে পারে কিন্তু নির্বাচনে ফাঁকিবাজি, ধোঁকাবাজি করা যাবে না বলে তিনি জানান। কমিশন ও মাঠপর্যায়ের সবাইকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে।

আনোয়ারুল ইসলাম আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচন কমিশনের প্রাতিষ্ঠানিক স্মৃতি বা ‘ইনস্টিটিউশনাল মেমোরি’ দুর্বল হয়ে যাওয়ায় অনেক ক্ষেত্রেই কমিশন হোঁচট খাচ্ছে। তিনি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান, গোপনীয়তা রক্ষা ও দায়িত্বশীলতার মাধ্যমে কমিশনের মর্যাদা অক্ষুণ্ন রাখতে হবে আমাদের।

তিনি বলেন, ভালো নির্বাচন ছাড়া আমাদের সামনে দ্বিতীয় কোনো বিকল্প নেই। এ নির্বাচনের মূল কেন্দ্রবিন্দু হবে প্রিজাইডিং অফিসার। তাদের শক্তিশালী ও দক্ষ করে তুলতে পারলেই একটি সুন্দর নির্বাচন সম্ভব হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সাবেক মন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জন কা*রাগারে!

বিশেষ প্রতিনিধি, রাজধানীর শাহবাগ থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় সাবেক মন্ত্রী আব্দুল লতিফ সিদ্দিকীসহ ১৬ জনকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ শুক্রবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সারাহ ফারজানা হকের আদালত এ আদেশ দেন তিনি।

এ মামলার অন্য আসামিরা হলেন- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমান (কার্জন), মো. আব্দুল্লাহ আল আমিন, মঞ্জুরুল আলম,  কাজী এটিএম আনিসুর রহমান বুলবুল, গোলাম মোস্তফা, মো. মহিউল ইসলাম ওরফে বাবু,  মো. জাকির হোসেন, মো. তৌছিফুল বারী খাঁন, মো. আমির হোসেন সুমন, মো. আল আমিন, মো. নাজমুল আহসান, সৈয়দ শাহেদ হাসান, মো. শফিকুল ইসলাম দেলোয়ার, দেওয়ান মোহম্মদ আলী ও মো. আব্দুল্লাহীল কাইয়ুম।

এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক তৌফিক হাসান তাদের কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন  তিনি। আবেদনে বলা হয়, আব্দুল লতিফ সিদ্দিকী ‘মঞ্চ ৭১’-এর ব্যানারকে পুজি করে প্রকৃতপক্ষে দেশকে সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র ও উপস্থিত অন্যদের প্ররোচিত করে বক্তব্য প্রদান করছিল তিনি।

তার এই ষড়যন্ত্রমূলক বক্তব্যের জন্য উপস্থিত লোকজন তাদেরকে ঘেরাও করে আওয়ামী ফ্যাসিস্ট বলে স্লোগান দেয়। তারা পরস্পর সহায়তাকারী হিসেবে দেশকে অস্থিতিশীল করে বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্র ও প্ররোচনার অপরাধ করেছে তারা।

সকাল ১১টায় ঢাকার রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ)-তে অনুষ্ঠান শুরু হয়। এর মধ্যেই একদল ব্যক্তি হট্টগোল করে স্লোগান দিয়ে সভাস্থলে ঢুকে পড়েন।

একপর্যায়ে তারা অনুষ্ঠানস্থলের দরজা বন্ধ করে দেন। অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কয়েকজনকে লাঞ্ছিতও করেন। হট্টগোলকারীরা গোলটেবিল আলোচনার ব্যানার ছিঁড়ে ফেলেন এবং আলোচনায় অংশ নেওয়াদের অবরুদ্ধ করে রাখেন। একপর্যায়ে অতিথিদের অনেককেই বের করে দেওয়া হলেও আবদুল লতিফ সিদ্দিকী এবং অধ্যাপক শেখ হাফিজুর রহমানকে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে পুলিশ এসে ১৬ জনকে আটক করে। এ ঘটনায় শুক্রবার রাজধানীর শাহবাগ থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশের উপপরিদর্শক আমিরুল ইসলাম। পরবর্তী সময় এ মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

কেয়া পায়েলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তৌহিদ আফ্রিদির: রাহী

বিনোদন ডেস্ক, কেয়া পায়েলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল তৌহিদ আফ্রিদির, এমনটাই জানালেন আলোচিত কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের বন্ধু রাহী। একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

রাহী বলেন আমি শুনছি পায়েল আপুর সঙ্গে তৌহিদ আফ্রিদির সম্পর্ক ছিল। আমি অনেক আগেই এটা শুনছিলাম এটুকুই।

প্রেমের গুঞ্জন শোনা যেত আফ্রিদির। অভিনেত্রী দিঘীর সঙ্গে ছিল তার সখ্য। এক বার বার ‘বন্ধুত্ব’ বলে এড়িয়ে যেতেন তিনি। জানা যায়, অভিনেত্রী কেয়া পায়েলের সঙ্গেও প্রেম ছিল আফ্রিদির।

পরে রিসা নামের এক তরুণীকে বিয়ে করেন তিনি। গত রাতে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, আটকের সময় আফ্রিদি বলছেন, তার স্ত্রী অন্তসত্ত্বা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সন্ত্রাস অত্যাচার নির্যাতনের মধ্যেও বীরদর্পে চলেছি: এ্যানি

এস এম বেলাল:

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, হাসিনার বিরুদ্ধে যখন এক দফার আন্দোলন, তখন বার বার জেলে গিয়েছি। হামলা, মামলা, অত্যাচার, নির্যাতন হয়েছে আমিসহ আমাদের সকল নেতাকর্মীর উপর। যত প্রতিবাদি হয়েছি, তত গ্রেপ্তার হয়েছি। আমরা কখনোই হাসিনার কাছে মাথানত করি নাই। আমাদের অনেক নেতাকর্মী গুমের শিকার, খুনের শিকার, রক্তাক্ত হয়েছে। আমরা কেউ কাউকে ছেড়ে যাইনি। সন্ত্রাস, অত্যাচার, নির্যাতনের মধ্যেও বীরদর্পে চলেছি।
বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে লক্ষ্মীপুর পৌর বিএনপির সম্মেলনে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।
এ্যানি বলেন, আমার বাড়িতে হামলা হয়েছে, নেতাকর্মীদের বাড়িতে হামলা হয়েছে। তারপরও আমরা পালিয়ে যাইনি। অনেক এসপি, ডিসির রক্তচক্ষু দেখেছি, আর গডফাদার তাহের (প্রয়াত আ.লীগ নেতা) বাহিনী তো সাধারণ ব্যাপার ছিল। কিন্তু সবসময় বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এ জেলায় (লক্ষ্মীপুর) আমরা নেতৃত্ব দিয়েছি। মাথানত করে নেতৃত্ব দিই নাই।

বলেন, ৫ আগস্টের পর আমাদের ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমান যখন মনে করলেন রাজনীতি এবং রাজনীতিবিদদের যে একটা গুণগত পরিবর্তন প্রয়োজন এবং সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি করা দরকার, আগামি যে নির্বাচন, আগামি দিনে দেশ গড়ার যে চ্যালেঞ্জ, বাংলাদেশ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে আমাদের সকলের ঐক্যবদ্ধ ভূমিক প্রয়োজন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে আন্দোলন সংগ্রাম করে আমরা ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে নিচ্ছি। তিনি যে কথাগুলো বলতেছেন, সাধারণ মানুষের আস্থা এমনভাবে বেড়ে চলেছে বাংলাদেশের সঠিক যে একটা নেতৃত্ব দরকার, তিনিই হলেন তারেক রহমান। তিনি আস্থা সৃষ্টি করেছেন, বিশ্বাস স্থাপন করেছেন। তার অপেক্ষায় রয়েছি, তিনি এ দেশে

আসবেন। একটা সুন্দর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। সে জনগণের সরকার বাংলাদেশ জাতীয়বাদী দলের সরকার হবে।
এ্যানি বলেন, আমরা ৩১ দফার কথা বারবার বলেছি। আমরা যারা ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলন করেছি, লড়াই করেছি, সংগ্রাম করেছি, সবাইকে নিয়ে আমরা জাতীয় ঐক্য মতের সরকার গঠন করবো। সেই সরকারের নেতৃত্ব দিবেন তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়ে।
বলেন, আমাদেরকে এখন নতুন বাংলাদেশ গড়তে হবে তারেক রহমান নেতৃত্বে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূঁইয়া।

জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাসিবুর রহমানের সঞ্চালনায় এবং পৌর বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান লিটনের সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন জেলা বিএনপির সদস্য সচিব সাহাব উদ্দিন সাবু, বিএনপির সহ শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক এবিএম আশরাফ উদদিন নিজান, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হারুনুর রশিদ, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের জেলা সভাপতি হাফিজুর রহমান, বাফুফের সহ-সভাপতি ওয়াহিদ উদ্দিন চৌধুরী হ্যাপী, বিএনপি নেতা নিজাম উদ্দিন ভূঁইয়া প্রমুখ।

আলোকিত প্রতিদিন/২৮ আগস্ট ২০২৫/মওম