আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 303

চূড়া*ন্ত বিজ#য় ছাড়া আপনি আমি কেউই নিরাপদ নয়: রাশেদ খান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চূড়ান্ত বিজয় না আসা পর্যন্ত বিপ্লবী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন গণ অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। চূড়ান্ত বিজয় ছাড়া কেউ নিরাপদ নয় বলে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

আজ শুক্রবার নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন রাশেদ খান। ফেসবুক পোস্টে তিনি আরো বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে কোন সরকারের পতনের পর ‘বিজয়’ উদযাপন তখনই করা যায়, যখন ওই সরকারের তৈরি ফ্যাসিবাদী কাঠামোর পুরোপুরি বিনাস করা যায়।

আর একারণেই গণ অভ্যুত্থানের শক্তির মধ্যে একতা দরকার আমাদের। আমাদের কেউ লক্ষ্যচ্যূত হলে, বাকিদের দায়িত্ব চূড়ান্ত বিজয়ের পথে সকলকে আহ্বান করা, সকলকে ঐক্যবদ্ধ রাখা। রাশেদ খান বলেন, গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে আওয়ামী সরকারের যে পতন হয়েছে, ঠিক প্রতিঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে তারা আমাদেরকে হটিয়ে আবারও ফিরে আসবে। সুতরাং বিপ্লবী শক্তি এক থাকুন, একতাবদ্ধ থাকুন আপনারা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আর কোনো রিট শুনব না : হাইকোর্ট

আলোকিত ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদারের রিট শুনতে অপরাগতা প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট।

আদালত বলেছেন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আপিল বিভাগে সিদ্ধান্ত হয়েছে। আমরা ডাকসু নির্বাচন নিয়ে কোনো রিট শুনব না। ৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী ও বিচারপতি ফয়েজ আহমেদের হাইকোর্ট বেঞ্চ এসব মন্তব্য করেন।

বেঞ্চের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি আকরাম হোসেন চৌধুরী রিটকারীর আইনজীবী সরদার আবুল হোসেনকে উদ্দেশ্যে করে বলেন, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আগে রিট নিয়ে এসেছিল। আমরা ফিরিয়ে দিয়েছি। ঢাবির ভিসি আমার আত্মীয়। তা ছাড়া, ডাকসু নির্বাচন নিয়ে আপিল বিভাগ ইনটারফেয়ার করেছে। তাই আমরা ডাকসু নির্বাচন নিয়ে কোনো রিট শুনব না।

আদালত বলেন, আপনারা ভুল বুঝিয়ে রিটটি মেনশন করেছেন। আমরা যদি জানতাম এটা ডাকসু নির্বাচন নিয়ে, তাহলে এটা নিতাম না।

পরে আদালত রিট আবেদনটি কার্যতালিকা থেকে বাদ দেন। এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে আইনজীবী শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর পুনর্বহালের নির্দেশনা চেয়ে রিট করেন মো. জুলিয়াস সিজার তালুকদার; যিনি ডাকসু নির্বাচনে ভিপি প্রার্থী হয়েছিলেন। চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় নাম ও ব্যালট নম্বর পুনর্বহাল না করা পর্যন্ত ডাকসু নির্বাচন স্থগিতের নির্দেশনা চাওয়া হয়েছে রিটে। ডাকসু নির্বাচনের পাশাপাশি ডাকসু হল সংসদ নির্বাচনও স্থগিতের নির্দেশনা চাওয়া হয়।

জুলিয়াস সিজার তালুকদারের নাম ও ব্যালট নম্বর চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না, মর্মে রুল জারির আরজি জানানো হয় রিটে।

প্রসঙ্গত, ডাকসু নির্বাচনে জুলিয়াস সিজার তালুকদার ভিপি প্রার্থী হয়েছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ের পর গত ২৬ আগস্ট নির্বাচন কমিশন ডাকসু নির্বাচনের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে। চূড়ান্ত তালিকায় ভিপি প্রার্থী হিসেবে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের নাম ছিল। তার ব্যালট নম্বর ছিল ২৬।

চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের পর সলিমুল্লাহ মুসিলিম হলের হাউজ টিউটর ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা নির্বাচন কমিশনে জুলিয়াস সিজার তালুকদারের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগ দেন। পরে অভিযোগের বিষয়ে নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে শুনানি হয়। কিন্তু নির্বাচনী আপিল ট্রাইব্যুনালে তার প্রার্থিতার বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত না দিয়ে নির্বাচন কমিশনে সুপারিশ পাঠায়। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন জুলিয়াস সিজারের প্রার্থিতা ও ব্যালট নম্বর বাদ দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে জুলিয়াস সিজার তালুকদারকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়ার কথা উল্লেখ করে গত ২৭ আগস্ট চিফ রিটার্নিং কর্মকর্তাকে আইনি নোটিশ দেওয়া হয়। এতে কাজ না হওয়ায় প্রার্থিতা ফিরে পাওয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন জুলিয়াস সিজার।

আইন-শৃঙ্খলা র*ক্ষা বাহিনীর চাকরিচ্যুতরা অ#পরাধে জড়িয়ে পড়ছেন : ডিসি মাসুদ

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেছেন, ‘আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর চাকরিচ্যুত সদস্যরা অপরাধ কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। কোনো না কোনো অনৈতিক কাজে যুক্ত থাকায় তারা চাকরি হারিয়েছেন বলে তিনি জানান।

বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে মিন্টো রোডে ডিবি পরিচয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের সদস্য গ্রেপ্তারসংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। প্রতারকচক্রের কৌশল প্রসঙ্গে ডিসি মাসুদ  বলেন, ‘তাদের প্রচুর পেইড সোর্স রয়েছে।

 

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে অপরাধচক্রের যোগসাজশ আছে কি না জানতে চাইলে ডিসি মাসুদ আলম জানান, এমন কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

উদাহরণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘গ্রেপ্তার অপরাধী দীন ইসলাম ওরফে কাউসার আহমেদ নিজেকে পুলিশ ইন্সপেক্টর পরিচয় দেওয়ার জন্য ভুয়া আইডি কার্ড তৈরি করেছিলেন, যা আসল থেকে আলাদা করা কঠিন। তার নামে অন্তত ১০টি ডাকাতি মামলা রয়েছে।’

আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভুয়া সদস্যদের চেনার উপায় প্রসঙ্গে ডিসি মাসুদ বলেন, ‘জনবহুল এলাকা থেকে যদি কেউ বাহিনীর পরিচয়ে কাউকে তুলে নিতে আসে, তখন আশপাশের মানুষকে জিজ্ঞেস করতে হবে কোন বিভাগ বা কোন বাহিনীর সদস্য তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ইউক্রেন চুক্তিতে রাজি না হলে সামরিকভাবেই লক্ষ্য পূরণ করবে রাশিয়া: পুতিন

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ইউক্রেন যদি শান্তিচুক্তিতে রাজি না হয়, তবে সামরিকভাবেই রাশিয়া তার লক্ষ্য অর্জন করবে। এমনই হুঁশিয়ারি দিয়েছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। তবে তিনি আলোচনার সম্ভাবনা পুরোপুরি বাতিল করেননি।

৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি। প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, ইউক্রেন যদি কোনো চুক্তিতে রাজি না হয়, তবে রাশিয়া সামরিকভাবেই নিজেদের সব লক্ষ্য অর্জন করবে। চীনে সামরিক কুচকাওয়াজে যোগ দেওয়ার পর দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।অনুষ্ঠানটিকে অনেকেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাবশালী বিশ্বব্যবস্থার প্রতি চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন। অবশ্য ট্রাম্প বারবার পুতিনকে যুদ্ধ থামাতে রাজি করানোর চেষ্টা করেছেন। তবে পুতিন তার “আন্তরিক প্রচেষ্টা”র প্রশংসা করলেও এখনো তা মানেননি।

অন্যদিকে ইউক্রেন সফরে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষামন্ত্রী জন হিলি বিবিসিকে বলেন, ট্রাম্প অন্তত পুতিনকে আলোচনার টেবিলে এনেছেন। প্রয়োজনে যুক্তরাজ্যসহ মিত্ররা রাশিয়ার ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ দেবে এবং ইউক্রেনকে আরও সামরিক সহায়তা দেবে।

গত মাসে আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করে আন্তর্জাতিক বিচ্ছিন্নতা থেকে তাকে টেনে বের করেন ট্রাম্প। তিনি ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সঙ্গে পুতিনের সাক্ষাতেরও চেষ্টা করেছিলেন।

পুতিন এ বিষয়ে বলেন, “আমি কখনোই এমন বৈঠকের সম্ভাবনা বাতিল করিনি। তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এর কোনো লাভ হবে কি না। দেখা যাক।”

তিনি আরও বলেন, যেকোনো বৈঠকের আগে যথাযথ প্রস্তুতি প্রয়োজন। এমনকি জেলেনস্কি চাইলে মস্কোতেও আসতে পারেন। তবে ইউক্রেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সঙ্গে সঙ্গে এটিকে “সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য” বলে প্রত্যাখ্যান করেন।

জেলেনস্কি পুতিনের এ অনীহাকেই যুক্তরাষ্ট্রের কাছে রাশিয়ার ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও ইউক্রেনের প্রতিরক্ষা জোরদারের যুক্তি হিসেবে তুলে ধরছেন। রাশিয়া ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইউক্রেনে পূর্ণমাত্রার আগ্রাসন শুরু করে।

বুধবার ট্রাম্প বলেন, পুতিন ভালোভাবেই জানেন তিনি কোথায় অবস্থান করছেন। তার কাছে আমার আলাদা কোনো বার্তা নেই। তিনি জানেন আমি কোথায় আছি, সিদ্ধান্ত নেবেন একদিকে বা অন্যদিকে।

হোয়াইট হাউসে পোল্যান্ডের সদ্য নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট কারোল নাভরোকিকে স্বাগত জানানোর সময় এক সাংবাদিক প্রশ্ন করলে ট্রাম্প জানান, রাশিয়ার বিরুদ্ধে ভারতকে লক্ষ্য করে নেওয়া দ্বিতীয় পর্যায়ের নিষেধাজ্ঞাই প্রমাণ করে তিনি ব্যবস্থা নিয়েছেন। আপনি এটাকে কোনো পদক্ষেপ মনে করেন না? এখনো দ্বিতীয় ধাপ আর তৃতীয় ধাপে যাইনি।

বেইজিংয়ে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের এক সাংবাদিক যখন যুদ্ধ শিগগির শেষ হতে পারে কি না জানতে চাইলে পুতিন বলেন, “টানেলের শেষে সামান্য আলো দেখা যাচ্ছে। সাধারণ জ্ঞান কাজ করলে গ্রহণযোগ্য সমাধান পাওয়া সম্ভব। না হলে সামরিকভাবেই আমাদের লক্ষ্য পূরণ করতে হবে।”

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, দনবাস অঞ্চল রাশিয়া ছাড়বে না। আবারও তিনি দাবি করেন, ইউক্রেন ন্যাটোতে যোগ দেবে না এবং রুশভাষীদের বিরুদ্ধে বৈষম্য বন্ধ করবে।

তিনি ইঙ্গিত দেন, ভবিষ্যতে শান্তিচুক্তি হলেও পশ্চিমা নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দনবাসের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না, কারণ ওই এলাকার জনগণ রাশিয়ার সঙ্গে যুক্ত হওয়ার পক্ষে ভোট দিয়েছে— যা আন্তর্জাতিকভাবে ব্যাপক সমালোচিত।

বেইজিংয়ে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠকের পর কিম বলেন, রাশিয়ার সেনাবাহিনীকে সমর্থন দেওয়া তাদের “ভ্রাতৃত্বপূর্ণ দায়িত্ব”। উত্তর কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানায়, পুতিন কিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে রাশিয়া-উত্তর কোরিয়ার সম্পর্ককে “বিশেষ আস্থা, বন্ধুত্ব ও জোটের সম্পর্ক” বলে উল্লেখ করেন।

এদিকে বৃহস্পতিবার ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ইউক্রেনের মিত্রদের নিয়ে ‘কোয়ালিশন অব দ্য উইলিং’-এর বৈঠক আয়োজন করছেন। এলিসি প্রাসাদের একটি সূত্র জানায়, বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্রকে পাশে রেখে ইউক্রেনের জন্য নিরাপত্তা নিশ্চয়তা এবং রাশিয়ার কাছ থেকে যুদ্ধবিরতি আদায়ের চেষ্টা হবে।

সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে তারেক রহমান নির্দোষ: কায়সার কামাল

নিজস্ব প্রতিবেদক:
বিএনপির আইনবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ন্যায়বিচার পেয়েছেন। সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে তারেক রহমান নির্দোষ।
৪ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকালে বহুল আলোচিত ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় আপিল বিভাগের খালাসের রায়ের পর তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান।
ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, ‘শেখ হাসিনা ব্যক্তিগত জিঘাংসা থেকে তারেক রহমানকে একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় অন্যায়ভাবে অর্ন্তভুক্ত করেছিলেন। সর্বোচ্চ আদালতের মাধ্যমে প্রমাণিত হয়েছে তারেক রহমান নির্দোষ, এ কারণে তিনি খালাস পেয়েছেন। এই রায়ের মাধ্যমে এটাও প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, শেখ হাসিনা প্রকৃত অর্থে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার চাননি। যদি শেখ হাসিনা প্রকৃত অপরাধীদের বিচার চাইতেন, আইভী রহমান হত্যার বিচার চাইতেন তাহলে জিঘাংসার বশবর্তী হয়ে তারেক রহমানকে অর্ন্তভুক্ত করতেন না। আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছি।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামির খালাসের হাইকোর্টের রায় বহাল রাখেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলা নতুন করে তদন্তে হাইকোর্ট যে পর্যবেক্ষণ দিয়েছিলেন তা বাদ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

গত ১ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলার মামলায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত তারেক রহমান ও মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবরসহ সব আসামিকে খালাস দেন হাইকোর্ট। বিচারিক আদালতের রায় বাতিল করে বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ও বিচারপতি সৈয়দ এনায়েত হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. জসিম সরকার, রাসেল আহমেদ এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল লাবনী আক্তার। আবদুস সালাম পিন্টুসহ দণ্ডিত বেশ কয়েকজনের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী এস এম শাহজাহান। এছাড়া লুৎফুজ্জামান বাবরসহ আরও তিন আসামির পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। এছাড়াও বিএনপি নেতাদের পক্ষে ছিলেন অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন ও ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, অ্যাডভোকেট আমিনুল ইসলাম, গাজী কামরুল ইসলাম সজল, জাকির হোসেন, ছিদ্দিক উল্লাহ মিয়া, মাকসুদ উল্লাহ প্রমুখ।

২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর বিচারিক আদালত সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড দেন। একইসঙ্গে বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান (বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান) তারেক রহমানসহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হয় অপর ১১ আসামিকে। পরে ওই বছরের ২৭ নভেম্বর মামলার বিচারিক আদালতের রায় প্রয়োজনীয় নথিসহ হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছে। পাশাপাশি কারাবন্দি আসামিরা আপিল করেন। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে এ মামলার আপিল শুনানি বিচারপতি সহিদুল করিমের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে শুরু হয়। এর মধ্যে ওই বেঞ্চ পুনর্গঠন হয়। এ কারণে নতুন বেঞ্চে আবার শুনানি শুরু হয়।

বিচারিক আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন—লুৎফুজ্জামান বাবর, আব্দুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হুজির সাবেক আমির ও ইসলামিক ডেমোক্রেটিক পার্টির আহ্বায়ক মাওলানা শেখ আবদুস সালাম (কারাগারে মারা যান), কাশ্মীরি জঙ্গি আব্দুল মাজেদ ভাট, আবদুল মালেক ওরফে গোলাম মোস্তফা, মাওলানা শওকত ওসমান, মহিবুল্লাহ ওরফে মফিজুর রহমান, মাওলানা আবু সাঈদ ওরফে ডা. জাফর, আবুল কালাম আজাদ ওরফে বুলবুল, মো. জাহাঙ্গীর আলম, হাফেজ মাওলানা আবু তাহের, হোসাইন আহমেদ তামিম, মঈন উদ্দিন শেখ ওরফে মুফতি মঈন, মো. রফিকুল ইসলাম, মো. উজ্জ্বল, এনএসআই’র সাবেক মহাপরিচালক মেজর জেনারেল (অব.) রেজ্জাকুল হায়দার চৌধুরী, ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবদুর রহিম (কারাগারে মারা যান), হানিফ পরিবহনের মালিক বিএনপি নেতা মোহাম্মদ হানিফ। পরিকল্পনা ও অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে হত্যা করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে তাদের মৃত্যু না হওয়া পর্যন্ত ফাঁসিতে ঝুলিয়ে রাখার নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ১ লাখ টাকা করে জরিমানা করেন আদালত।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন—তারেক রহমান, খালেদা জিয়ার সাবেক রাজনৈতিক উপদেষ্টা হারিছ চৌধুরী, বিএনপি নেতা কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, হুজি সদস্য হাফেজ মাওলানা ইয়াহিয়া, শাহাদাৎ উল্লাহ ওরফে জুয়েল, মাওলানা আবদুর রউফ (কারাগারে মারা যান), মাওলানা সাব্বির আহমেদ, আরিফ হাসান ওরফে সুমন, আবু বকর ওরফে হাফেজ সেলিম মাওলাদার, মো. আরিফুল ইসলাম, মহিবুল মুত্তাকিন ওরফে মুত্তাকিন, আনিসুল মুরছালিন ওরফে মুরছালিন, মো. খলিল ওরফে খলিলুর রহমান, জাহাঙ্গীর আলম বদর, মো. ইকবাল ওরফে ইকবাল হোসেন, লিটন ওরফে মাওলানা লিটন, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আব্দুল হাই, রাতুল আহমেদ ওরফে রাতুল বাবু। তাদের দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা, অনাদায়ে আরও এক বছর সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এছাড়া পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি) মো. আশরাফুল হুদা ও শহুদুল হক, বিএনপি চেয়ারপারসন ও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ভাগনে লেফটেন্যান্ট কমান্ডার (অব.) সাইফুল ইসলাম ডিউক, লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দ্দার, ডিজিএফআই’র মেজর জেনারেল (অব.) এটিএম আমিন, ডিএমপির সাবেক উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) খান সাঈদ হাসান, আরেক সাবেক উপ-কমিশনার (পূর্ব) ওবায়দুর রহমান খান, সাবেক অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক খোদা বক্স চৌধুরী, সিআইডির সাবেক বিশেষ সুপার মো. রুহুল আমিন, সাবেক এএসপি আবদুর রশিদ, সাবেক এএসপি মুন্সি আতিকুর রহমানকে দুই বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। আরেকটি ধারায় খোদা বক্স চৌধুরী, রুহুল আমিন, আবদুর রশিদ ও মুন্সি আতিকুর রহমানকে তিন বছর করে কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ছয় মাস করে কারাদণ্ড দেন আদালত।

প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলাটি চালানো হয়। অল্পের জন্য ওই হামলা থেকে প্রাণে বেঁচে যান আওয়ামী লীগ সভাপতি ও তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা। তবে হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক, সাবেক রাষ্ট্রপতি (প্রয়াত) জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভী রহমানসহ ২৪ জন নিহত হন। আহত হন দলের তিন শতাধিক নেতাকর্মী। ঘটনার পরদিন মতিঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক আহদ বাদী হয়ে মামলা করেন। তদন্ত শেষে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময় ২০০৮ সালের ১১ জুন দেওয়া অভিযোগপত্রে বিএনপি নেতা আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন ও হুজি নেতা মুফতি আব্দুল হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের পর অধিকতর তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত।

দুই বছর তদন্তের পর ২০১১ সালের ৩ জুলাই ৩০ জনকে আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এর ফলে এ মামলায় মোট আসামির সংখ্যা হয় ৫২। মোট ৫২ আসামির মধ্যে আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ ও মুফতি হান্নান এবং তার সহযোগী শাহেদুল ইসলাম বিপুলের মৃত্যুদণ্ড অন্য মামলায় কার্যকর হয়। তিনজনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় এ মামলার আসামির সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৯ জনে। এ ৪৯ জনের মধ্যে রায় দেওয়ার সময় ৩১ জন কারাগারে ছিলেন। পলাতক ছিলেন বাকি ১৮ জন।

তারা হলেন—তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, এটিএম আমিন, সাইফুল ইসলাম জোয়ার্দার, খান সাঈদ হাসান, ওবায়দুর রহমান, মুফতি শফিকুর রহমান, মুফতি আবদুল হাই, রাতুল বাবু, মোহাম্মদ হানিফ, আবদুল মালেক, শওকত ওসমান, মাওলানা তাজউদ্দিন, ইকবাল হোসেন, মাওলানা আবু বকর, খলিলুর রহমান ও জাহাঙ্গীর আলম।

জামিন পেয়েই পালিয়েছে*ন এসআই আকবর!

আলোকিত ডেস্ক, জামিন পেয়ে পালিয়েছেন সিলেটের পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে রায়হান আহমদকে হত্যা মামলার প্রধান আসামি, পুলিশের বহিষ্কার হওয়া উপপরিদর্শক (এসআই) আকবর হোসেন ভূঁইয়া।

২০২০ সালের ১০ অক্টোবর ওই হত্যাকাণ্ডের পর ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন আকবর। পরে তাকে সীমান্ত এলাকা থেকে কৌশলে গ্রেপ্তার করেন পুলিশ।

তবে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে জামিন পেয়ে গত ১১ আগস্ট সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে ছাড়া পান আকবর। এ নিয়ে দেশব্যাপী আলোচনা শুরু হলে ১৪ আগস্ট হাইকোর্টের চেম্বার জজ আদালত তার জামিন স্থগিত করে ১০ দিনের মধ্যে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।

আজ বুধবার সিলেট মহানগর জজ আদালতে বিচারাধীন এ মামলার ধার্য তারিখেও আকবর আদালতে হাজির হননি। বিচারক অনুপস্থিত থাকার কারণে আজ আদালতে মামলার শুনানি হয়নি। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর এই মামলার পরবর্তী তারিখ ধার্য্য করা হয়েছে।

আকবরের জামিনের খবর জানাজানির পরই রাহয়ানের মা সালমা বেগম আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন, আকবর দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে পারেন বলে তিনি জানান।

রায়হান হত্যা মামলার আইনজীবী ব্যারিস্টার ফজল চৌধুরী জানান, হাইকোর্টের চেম্বার জজ আদালত সাবেক এসআই আকবরের জামিন বাতিল করে ১০ দিনের মধ্যে নিম্নআদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু আত্মসমর্পণের সময় পেরিয়ে গেলেও তিনি আদালতে এসে হাজির হননি। ফলে তিনি এখন পলাতক।

এসআই আকবর ছাড়া এ মামলায় আরও ৩ আসামি আগে জামিন পেয়েছিলেন। এর মধ্যে সাবেক এসআই হাসান উদ্দিন শুরু থেকেই পলাতক। বন্দরবাজার ফাঁড়ির সাবেক কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশীদ জামিন পাওয়ার পর এক তারিখ এসে আদালতে হাজিরা দিয়েছিলেন। বর্তমানে কারান্তরীণ রয়েছে মামলার অপর আসামি সাবেক এএসআই আশেক এলাহী। এ ছাড়া মামলার ৬ নম্বর আসামি কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিক আব্দুল্লাহ আল নোমান ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন। তিনি ফ্রান্সে বসবাস করছেন বলে জানিয়েছেন তার স্বজনরা।

পরিবারের অভিযোগ, পুলিশের নির্যাতনেই রায়হানের মৃত্যু হয়েছিল। এ ঘটনায় পুলিশি হেফাজতে মৃত্যু নিবারণ আইনে রায়হানের স্ত্রীর করা মামলার পর মহানগর পুলিশের একটি অনুসন্ধান কমিটি তদন্ত করে। তারা ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের সত্যতা পায়। ফাঁড়ির ইনচার্জের দায়িত্বে থাকা এসআই আকবর হোসেন ভূঁইয়াসহ চারজনকে ১২ অক্টোবর সাময়িক বরখাস্ত ও তিনজনকে প্রত্যাহার করা হয়। আকবরকে ৯ নভেম্বর সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নেত্রকোনা সদর উপজেলা ও পৌর বিএনপির আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালি

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে নেত্রকোনায় আলোচনা সভা ও বর্ণাঢ্য র‍্যালী অনুষ্ঠিত হয়েছে।গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যের ৪৭তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় ছোট বাজারস্থ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোঃ মজিবুর রহমান খান এর সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক তাজ উদ্দিন ফারাস সেন্টু’র সঞ্চালনায় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর আলোচনা সভায় অন্যানের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দিন খান, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক এডভোকেট মাহফুজুল হক, সাবেক যুগ্ম আহবায়ক তাজেজুল ইসলাম ফারাস সুজাত, পৌর বিএনপির সভাপতি মেহেরুল আলম রাজু, সাধারণ সম্পাদক এস এম মোয়াজ্জেম হোসেন, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আকিকুর রেজা খান খোকন, জেলা যুবদলের সাবেক নেতা মনি চেয়ারম্যান,
জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি সোলায়মান হাসান রুবেল, জেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ শামসুল হুদা শামীম প্রমুখ।আলোচনা সভা শেষে দলীয় কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ র‍্যালী বের হয়ে জেলা শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরাতন কালেক্টরেট ভবনের উন্মুক্ত প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়। বর্ণাঢ্য র‍্যালীতে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ গ্রহণ করেন।

ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়াতে ইনবক্সে মেসেজ,পুলিশের নম্বর দিলেন পিয়া!

বিনোদন ডেস্ক:
তারকাদের জন্য ভক্তদের নানা পাগলামির গল্পই শোনা যায়। কখনো কখনো সেসব আবার সীমা অতিক্রম করে বাড়াবাড়ি পর্যায়ে চলে যায়।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রায়ই বিড়ম্বনার শিকার হন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা। তাদেরকে উদ্দেশ্যে করে নানা কুরুচিপূর্ণ মেসেজও পাঠান নেটিজেনরা।

এবার তেমনই এক ঘটনা সামনে আনলেন অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক ব্যক্তি ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন অভিনেত্রীর ইনবক্সে। সেই মেসেজের স্কিনশট ফেসবুকে পোস্ট করে বিষয়টি জানিয়েছেন পিয়া নিজেই।

নিজেকে পিয়ার ভক্ত দাবি করে এই ব্যক্তি লেখেন, “আমি কোনো বেঈমান অথবা বাজে ছেলে নই। আমি দীর্ঘদিন থেকে আপনার প্রতি খুব বেশি সীমাহীনভাবে দুর্বল এবং আপনার এক অন্ধভক্ত প্রেমিক বন্ধু। আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না।”

ওই ব্যক্তি আরও লেখেন, “আমার কলিজা থেকে বলছি, চিরদিনের জন্য আপনাকে আমার পার্সোনাল বন্ধু, একান্ত আপনজন ভাবছি। শুধু আপনার আর আমার মধ্যে ব্যক্তিগত ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তৈরি করতে চাই। আপনি-আমি ছাড়া আমাদের গভীর প্রেমের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক পৃথিবীর কেউ জানবে না। আল্লাহর কসম।”

পরে পিয়ার ফোন নম্বর চেয়ে লেখেন, “প্রতিটি মুহূর্ত আপনার দিকে তাকিয়ে আছি, আশা করি বিশ্বাস করবেন। দয়া করে আপনার ফোন নাম্বার, হোয়াটসআপ নাম্বার দিন—প্লিজ।”

এসব মেসেজের জবাবে তিনি একটি ফোন নাম্বার দেন; যা গুলশান থানার নম্বর। সেই স্ক্রিনশটও আবার পোস্টের সঙ্গে জুড়ে দেন অভিনেত্রী।

পিয়ার এই পোস্ট সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। অনেকেই অভিনেত্রীর বুদ্ধিমত্তার প্রশংসা করেছেন। অনেকে ভক্তদের এসব কর্মকাণ্ড করা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন।

নির্বাচনের আগে ২ হাজার এএসআই নিয়ো*গ দেওয়া হবে: আইজিপি!

আলোকিত ডেস্ক, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে ২ হাজার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) নিয়োগ দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন পুলিশেরমহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া আরও ২ হাজার জনকে পদোন্নতি দিয়ে এএসআই করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি। আজ বুধবার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান আইজিপি।

এ সময় জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোখলেস উর রহমান বলেন, আগামী নির্বাচন রোল মডেল হিসেবে করতে চায় সরকার। সে অনুযায়ী মাঠ প্রশাসনকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচনে কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্ব করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। গত তিনটি নির্বাচনের মতো, আগামী নির্বাচন করার সাহস কেউ দেখাবে না।

আগামী নির্বাচনের আগে লটারির মাধ্যমে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) পদায়নের খবর সঠিক নয় বলেও জানান জনপ্রশাসন এই সচিব।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

র‌্যাব পরিচয়ে কাউকে অপ#হরণ করে হত্যার নির্দেশ আসতো শেখ হাসিনার দপ্তর থেকে!

বিশেষ প্রতিনিধি, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে নির্যাতন, অপহরণ করে হত্যা করত র‌্যাবের কর্মকর্তা আলেপ উদ্দিন ও মহিউদ্দিন ফারুকি। র‌্যাব পরিচয়ে কাউকে উঠিয়ে নেয়ার নির্দেশ আসতো শেখ হাসিনার দপ্তর থেকে।

মঙ্গলবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে জবানবন্দিতে এসব কথা জানান আসামি থেকে রাজসাক্ষী হওয়া সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন।

 জাতীয় নির্বাচনের আগের রাতে ৫০ শতাংশ ভোট ব্যালট বাক্সে ভরে রাখতে শেখ হাসিনাকে পরামর্শ দিয়েছিলেন ওই সময়ের আইজিপি জাবেদ পাটোয়ারী। তিনি জানান, লেথাল উইপেন ব্যবহারের নির্দেশনা এসেছিল শেখ হাসিনার কাছ থেকে। আর সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান হাবিব, ডিবির হারুন ছিলেন মারণাস্ত্র ব্যবহারে অতিউৎসাহী।

মামুন জবানবন্দিতে আরো  বলেন, র‌্যাব-১ এ টিআইএফ নামে গোপন বন্দিশালা ছিল। অন্যান্য র‌্যাবের ইউনিটে ছিল এমন বন্দিশালা। রাজনৈতিক ভিন্নমত ও সরকারের জন্য হুমকি হয় এমন মানুষদের ধরে আনা হতো এখানে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি