আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 301

রাজনৈতিক নেতাদের তেল দেবেন না,নিরপেক্ষ থেকে জনগণের স্বার্থে কাজ করুন : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

আলোকিত প্রতিবেদক:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পুলিশকে কোনও রাজনৈতিক দলের নেতাদের তোষামোদ বা বিশেষ সুবিধা না দিতে সতর্ক করেছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেছেন, পুলিশকে নিরপেক্ষ থেকে শুধু জনগণের স্বার্থে কাজ করতে হবে।

৭ সেপ্টেম্বর রবিবার দুপুরে রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আয়োজিত নির্বাচনি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ আহ্বান জানান।

পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, ‘কোনও রাজনৈতিক দলকে বিশেষ সুবিধা দেবেন না, নিজেকে রাজনৈতিক কর্মী ভাববেন না। মনে রাখবেন, পেশিশক্তি কখনও শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারে না। আপনারা যদি এখন থেকেই তেল দেওয়া শুরু করেন, নির্বাচনের পর কিন্তু সেই তেল শেষ হয়ে যাবে। তাই যার কাছে যতটুকু তেল আছে, সেটা রিজার্ভ করে রাখুন। দল নয়, জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনারা কোনও দলের দিকে ঝুঁকবেন না। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ করাটাই আপনাদের দায়িত্ব। জনগণের স্বার্থে কাজ করতে হবে।’

স্বামী বাড়ি না থাকলেই প্রেমিকের সঙ্গে থাকেন শিল্পা শেঠি

বিনোদন, বলিউডের অন্যতম গ্ল্যামার গার্ল শিল্পা শেঠি। তবে সময়টা ভালো যাচ্ছে না তার। শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা, দুজনেরই বেশ কঠিন সময় পার করছেন। সম্প্রতি তাদের বিরুদ্ধে ‘লুকআউট’ নোটিশ জারি করেছে মুম্বাই পুলিশ।

৬০ কোটি রুপি প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। এর মা‌ঝেই নাকি বাড়ি ছেড়েছেন শিল্পার স্বামী, আর এমন সময় শোনা গেল, অন্য কারও প্রেমে মজেছেন শিল্পা শেঠি

শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে রাজ কুন্দ্রা অভিনীত ছবি ‘মেহার’। ছবি মুক্তির আগে তিনি ঘোষণা করেছিলেন, প্রথম দিনের আয় পাঞ্জাবের বন্যার্তদের জন্য দান করবেন তিনি। এরইমধ্যে মিডিয়ায় ভাইরাল হলো এক ভিন্নধর্মী খবর।

তার স্ত্রী নাকি ভুলতে বসেছেন তাকে! সম্প্রতি ফারহা খান আসেন শিল্পার বাড়িতে, তাঁর নতুন চ্যানেলের অনুষ্ঠানের জন্য। বাড়িতে ঢুকে ফারহা রাজের কথা জিজ্ঞেস করতেই শিল্পা জানান, তিনি তাঁর স্বামী নয় বরং প্রেমিকের সঙ্গে এই বাড়িতে থাকেন। অভিনেত্রীর এমন কথা শুনেই চক্ষু ছানাবড়া ফারহার! তিনি পাল্টা বলেন, ‘‘এই তো জীবন। স্বামী যেতে না যেতেই প্রেমিক এলো বাড়িতে।’’

শিল্পা জানান, তিনি এক সর্দারজির প্রেমে পড়েছেন। সেই সর্দারজি আসলে আর কেউ নন, শিল্পার স্বামী রাজ। তার ‘মেহার’ নামে যে ছবিটি মুক্তি পেয়েছে সেখানে তাকে সর্দারের চরিত্রেই দেখা গেছে। বলা যায়, শিল্পা কোমর বেঁধে স্বামীর প্রচারে মাঠে নেমেছেন।

 এ বছর তার তিনটি পাঞ্জাবি সিনেমা মুক্তির সম্ভাবনা। সব মিলিয়ে এ বছরের শুরুটা ভাল হয়েছিল রাজের। হঠাৎ করে প্রতারণা মামলায় নতুন করে বিতর্কে জড়াবেন, ঘুণাক্ষরেও তা বোধহয় টের পাননি রাজ-শিল্পা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

দুয়েকটি রাজনৈতিক দল নির্বাচন বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে: আমিনুল হক 

ইমরান হোসেন : বিশেষ প্রতিনিধি। 
প্রকাশ,৬ সেপ্টেম্বর রোজ শনিবার ২০২৫ ইং
 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক বলেছেন, দেশের জনগণ দীর্ঘ ১৫ বছর ভোটাধিকার থেকে বঞ্চিত। এখন মানুষ অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের জন্য। তিনি দৃঢ়ভাবে ঘোষণা দেন- আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনে জনগণের ভোটের মাধ্যমে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ গড়ে তুলে, বাংলাদেশে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা হবে।
শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর পল্লবীতে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল-ডেন্টাল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আমিনুল হক বলেন, দেশে দুই একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করছে নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য। আমরা তাদেরকে আহ্বান জানাই – ভুল পথে ধাবিত হবেন না। আগামী ফেব্রুয়ারিতে যে জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে, সেখানে সকল দলের অংশগ্রহণের মাধ্যমে আমরা অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচন চাই। জনগণ যেন ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে।
তিনি আরও বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার পাশাপাশি, স্থানীয় সমস্যার স্থায়ী সমাধান করা হবে। বর্তমানে আমরা রাজনৈতিক কর্মী, নাগরিক ও আপনাদের এলাকার সন্তান হিসেবে পাশে আছি। কিন্তু অনেক সমস্যা রয়েছে যেগুলো সমাধান করা সরকারের দায়িত্ব। জনগণের ভোটে বিএনপি সরকার গঠন করলে, ইনশাল্লাহ, সব সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।
স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধনী বক্তব্যে আমিনুল হক জানান, প্রতি মাসেই নিয়মিতভাবে এই ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প আয়োজন করা হবে। ভবিষ্যতে প্রতিটি ওয়ার্ডে কমিউনিটি ক্লিনিক, মাতৃসদন হাসপাতাল ও সরকারি হাসপাতাল স্থাপন করা হবে। এছাড়া নিম্ন আয়ের মানুষের সন্তানদের জন্য বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মাণের প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।
সামাজিক পরিবর্তন ও কর্মসংস্থান কথা জানিয়ে তিনি বলেন, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে দেশের শিক্ষিত বেকার যুবকদের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়া হবে। খেলাধুলার প্রসার ঘটিয়ে একটি সুস্থ ও যোগ্য জাতি গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও ব্যক্ত করেন আমিনুল হক।
নেতাকর্মীদের প্রতি নির্দেশনা দিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি সতর্ক বার্তা দিয়ে বলেন, আওয়ামী স্বৈরাচার সরকার গত ১৭ বছর মানুষের উপর যেভাবে প্রভাব বিস্তার করেছে, বিএনপি কোনোদিন তা করবে না। আমি নেতাকর্মীদের বলছি-আপনারা জনগণের সাথে একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে মিশবেন, বিএনপি নেতা পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করা যাবে না। অনুষ্ঠানে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি এবং অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

তারা অসংখ্য আলেমদেরকে হত্যা করেছে: সুলতান সালাউদ্দিন টুকু

বিশেষ প্রতিনিধি,  না’রায়ে রিসালাত ইয়া রাসুলাল্লাহ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে ওঠে টাঙ্গাইল পৌর উদ্যানসহ পুরো শহর। শনিবার ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত  ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদযাপনকালে এ ধ্বনিতে মুখরিত হয়।

টাঙ্গাইল জেলা ঈদে মিলাদুন্নবী উদযাপন কমিটির আয়োজনে শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে জশনে জুলুসে ঈদে মিলাদুন্নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকাল ৭টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াত, হামদ ও নাতে রাসুল পরিবেশনের মধ্য দিয়ে  দিনটির উদযাপন শুরু হয়। এরপর প্রিয় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জীবন ও কর্মের উপর আলোচনায় অংশ নেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, আলেম ও পীরমাশায়েখগণ।
আলোচনায় কেন্দ্রীয় বিএনপির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এড. ফরহাদ ইকবাল অংশ নেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পীরে তরিকত আলহাজ্ব প্রফেসর আব্দুল কুদ্দুস খুসরু (হাজীবাগ দরবার শরীফ)। উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার সভাপতি অধ্যক্ষ মোঃ আব্দুল হাই। স্বাগত বক্তব্য রাখেন করটিয়া আহমাদাবাদ শরীফ বিশিষ্ট খলিফা মোহাম্মদ শাহজালাল।
বক্তব্য রাখেন -আলালপুর ফাজিল মাদ্রাসার সাবেক ভাইস প্রিন্সিপাল আলহাজ্ব শাহ সুফি মাওলানা আব্দুল ওহাব সিরাজি,করটিয়া সরকারি সা’দত বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. সাইফুল মালেক আনসারী, বিভাগীয় প্রধান, অর্থনীতি বিভাগ, ঘাটাইল আমুয়াবইদ মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা হারুন অর রশিদ, ময়মনসিংহ দারুন্নাজাত সিদ্দিকিয়া মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল হযরত মাওলানা মুফতি সৈয়দ মাহবুব আল হুসাইন, টাঙ্গাইল কাদেরিয়া তৈয়বিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসার সুপার হাফেজ মাওলানা মুফতি মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক জালালী প্রমুখ। এছাড়াও স্থানীয় ওলামায়ে কেরাম ও সমাজের বিশিষ্ট গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন।
  গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখার প্রচারক প্রকাশনা সম্পাদক ও টাঙ্গাইল জেলা তাহলে সুন্নাত ওয়াল জামাত যুব পরিষদের আহ্বায়ক ডাক্তার মোহাম্মদ মোরশেদ আলম মাসুদ এর অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব শাহ সুফি মুহাম্মদ সাইফুল্লাহহিল কাতেয়ী, পীর সাহেব আহমাদাবাদ শরীফ, করটিয়া,আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ শাহ সুফি হাবিবুল্লাহ আল আহমাদী, পীর সাহেব আহমাদাবাদ দরবার শরীফ, বান্দাবাড়ি, দেলদুয়ার, আলহাজ্ব ডা. সৈয়দ শাহ সাইদুল্লাহ কাদরী, মাহবুবীয়া দায়রা শরীফ, টাঙ্গাইল,শাহ সুফি আহমদ আলী, পীর সাহেব,মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান আবু আলী, বিশ্ব সোয়াব রেসানি দরবার শরীফ, সখিপুর। সম্মানিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল সরকারি এম এম আলী কলেজ এর উপাধ্যক্ষ প্রফেসর খন্দকার আরিফ মাহমুদ, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ ফরিদ হোসেন খান, সরকারি কুমুদিনী কলেজের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ আবুল কালাম আজাদ, গাউছিয়া কমিটি বাংলাদেশ টাঙ্গাইল জেলা শাখা সেক্রেটারি ও নাগরপুর জনতা ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ মাসুদ আলম খান, বাংলাদেশ গাউসিয়া কমিটি টাঙ্গাইল জেলা শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক আলী আশরাফ খান,  জয়নাল আবেদীন তৈয়বিয়া তাহেরিয়া সুন্নিয়া মাদ্রাসা, সাপুয়া, টাঙ্গাইল।আলহাজ্ব শাহ সুফি মুহাম্মদ সাইফুল্লাহহিল কাতেয়ী, পীর সাহেব আহমাদাবাদ শরীফ, করটিয়া,আলহাজ্ব হাফেজ ক্বারী মাওলানা মোহাম্মদ শাহ সুফি হাবিবুল্লাহ আল আহমাদী, পীর সাহেব আহমাদাবাদ দরবার শরীফ, বান্দাবাড়ি, দেলদুয়ার, আলহাজ্ব ডা. সৈয়দ শাহ সাইদুল্লাহ কাদরী, মাহবুবীয়া দায়রা শরীফ, টাঙ্গাইল শাহ সুফি আহমদ আলী, পীর সাহেব,মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান আবু আলী, বিশ্ব সোয়াব রেসানি দরবার শরীফ, সখিপুর।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপির) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রচার সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু তার বক্তব্যে বলেন- এ সমাজ ব্যবস্থায় বিগত দিনে একটি সরকার ক্ষমতায় ছিল । তখন কিন্তু  সঠিকভাবে আমাদের কথা বলা এবং ধর্ম পালনে বিভিন্নভাবে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়েছিল। তারা পার্শ্ববর্তী দেশের নির্দেশ অনুযায়ী এই দেশের মানুষের উপরে, মুসলমানদের  দাড়ি-টুপি দেখলেই তাদের জঙ্গিবাদ বলা হতো । তারা অসংখ্য আলেমদেরকে হত্যা করেছে। পরে বর্ণাঢ্য র‍্যালি, মিলাদ কিয়াম, দোয়া ও তাবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘটে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আসন্ন দূর্গা পূজা উদযাপন উপলক্ষ্যে মুরাদনগর থানায় মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

নাজমুল হাসান।
শারদীয় দূর্গা পূজা-২০২৫ উপলক্ষ্যে মুরাদনগর থানায় নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
আজ ৬ সেপ্টেম্বর শনিবার বিকেল ৩ টায় মুরাদনগর থানার মধ্যে এসআই পীযূষ কান্তি দাস এর সঞ্চালনায় আসন্ন শারদীয় দূর্গা পূজা- ২০২৫ উপলক্ষ্যে মুরাদনগর উপজেলার পূজা উদযাপন কমিটি নেতৃবৃন্দের সাথে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় সভাপতি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ.কে এম কামরুজ্জামান (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) মুরাদনগর। আসন্ন শারদীয় দূর্গাপূজা-২০২৫  উপলক্ষ্যে সকল পূজা মন্ডপে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে সকলকে তাদের নিজ নিজ দায়িত্ব যথাযথভাবে পালনসহ পূণার্থী, সেবায়েত, পূজারী সহ আগত দর্শনার্থীরা বিশেষ করে মহিলা দর্শনার্থীগণ নির্বিঘ্নে যাতে পূজ উদযাপন করতে পারে সে বিষয়টি নিশ্চিতকল্পে সভায় আলোচনা হয়। মুরাদনগর উপজেলা মোট ৮৮টি মন্ডবের সার্বিক নিরাপত্তা করতে হবে। পূজা মন্ডপে অপ্রীতিকর কোন ঘটনা যাতে না ঘটে সে বিষয়ে সতর্কতার সঙ্গে সকলকে সর্বাত্মক দৃষ্টি রাখার অনুরোধ এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বিনির্মানে সকলেই উৎসব পালনের অঙ্গীকার করে সভার সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মুরাদনগর থানা ইনচার্জ জাহিদুর রহমান, আমিন কাদের খান ( ওসি তদন্ত), উপজেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দুলাল দেবনাথ,  মুল্লা মজিবুল হক, উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব। অমর দেব (কামাল্লা পূজারী) দীলিপ সাহ (মালিশাই পূজারী), বিজন কুমার দাস, সদস্য সচিব পূজা উদযাপন ফ্রন্ট, দ্বিন দয়াল পাল (আহবায়ক পূজা উদযাপন ফ্রন্ট) অরূপ নারায়ণ পুদ্দার (পিংকু), শংকর রায়, সভাপতি, হিন্দু, বদ্ধ, খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ সহ উপজেলা শারদীয় দূর্গা পূজা কমিটি বৃন্দ।

 

গৈদ্দারটেক বাসীর আতঙ্কের নাম বাবুল মিস্ত্রি

বিশেষ প্রতিনিধি : রাজধানীর মিরপুর এলাকার দারুসসালাম থানার অন্তর্গত গৈদ্দারটেক এলাকায় চাঁদাবাজ ও ভূমি দস্যু দখলবাজদের হাত থেকে মুক্তি চেয়ে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হকের কাছে গৈদ্দারটেক বাসী লিখিত অভিযোগ করেছেন এ প্রতিবেদককে জানিয়েছে এলাকাবাসী। অভিযোগে লিখেছেন, একচ্ছত্র আধিপত্য ও রাজত্ব কায়েম করছেন বাবুল মিস্ত্রি গং,তারা এতোই বেপরোয়া ও ভয়ংকর যে তারা যেকোনো সময় যেকোনো ঘটনা ঘটাতে পিছপা হয়না।

এই বাবুল মিস্তিরি দারুসসালাম থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক। তার দাপটে এলাকার লোকজন বসবাস করাও মুসকিল হয়ে পড়েছে।এলাকার মানুষ এক হয়ে বাবুল ও তার সহযোগীদের বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হকের কাছে মৌখিক ও লিখিত অভিযোগ করেছেন । বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ১০ নং ওয়ার্ড বাসীকে এই দখলদার ও চাদাঁবাজ সন্ত্রাসীর হাত থেকে মুক্ত করার জন্য আহ্বান জানিয়েছে এলাকাবাসী ।অভিযোগে আরও বলেন, আমরা ১০ নং ওয়ার্ডর চাকুরিজিবী, দোকানদার, ব্যাবসায়ী এবং প্রবাসী আমরা সবাই বিএনপির ভোটার ও বিএনপির সমর্থক।

দারুসসালাম থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক বাবুল মিস্ত্রির ছোট ভাই (বাতেন ভূমি দখলকারী) ও বাবুল মিস্ত্রির ছেলে বাদল আওয়ামী লীগের নেতা এবং” এমপি আসলামের” সন্ত্রাসী বাহিনী (১. শরীফুল ইসলাম সইনা) (২. আজাদ) (৩.মহসীন) (৪. বিল্লাল) (৫. পলাশ) (৬. বাদল) নবনির্বাচিত এমপি (নিখিল) এর মহিলা বিষয় সম্পাদক” (রিথী) প্রচার সম্পাদক দারুসসালাম থানা, ওরফে মাদক ব্যাবসায়ী “(রেহেনা) আওয়ামী নেতাদের ফর্মা (রিথি)”এরা আওয়ামী লীগের সৈরাচার সরকার এর দোসর (হেলমেট বাহিনি) এরা গাবতলী বাস কাউন্টার ও পুলিশ ফারিতে ভাঙ্গচুর করে। বিএনপির নেতাকর্মীদের উপর”দেশী বিদেশি” অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায় ।

৫ আগস্ট২০২৪ এ তাদের অবস্থান ছাত্রদের বিরুদ্ধে ছিল বলে জানা যায় । বর্তমানে গাবতলী (গৈদ্দারটেক) এলাকাবাসীর জমি দখল ও দোকান পাট হতে চাদাঁ তোলে এলাকাবাসী বাধা দিলে মিথ্যা মামলায় ফাঁসিয়ে দিবে ও মারধরের হুমকি প্রধান করে আসছে। এলাকাবাসীর কাছে ছবি, ভিডিও ফুটেজ আছে,যাহা প্রমানসহ দেওয়া হবে,বলে এ প্রতিবেদককে জানিয়েছেন। এ বিষয়টি দারুস সালাম থানা বিএনপির আহবায়ক ঢাকা ১৪ আসনের কান্ডারী (এস’ এ সিদ্দিক সাজু)কে অবগত করা হলে তিনি বিষয়টি আমলে নিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ প্রদান করেন। ঢাকা মহানগর উত্তর এর আহবায়ক (আমিনুল হক) কে অবগত করার জন্য বলেন এবং কোর্টে মামলা করার পরামর্শ দেন তিনি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির সাধারণ জনগণকে দখলদার, চাদাঁবাজ ও সন্ত্রাসীর হাত থেকে মুক্ত করে এলাকাবাসীকে রক্ষার আহবান জানান। দলের নিবেদিত প্রাণ সৎ ও যোগ্য কর্মীদের কাজ করার সুযোগ দেওয়ার অনুরোধ করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে রাজধানীতে জাঁকজমকপূর্ণ জশনে জুলুস

আলোকিত প্রতিবেদক:

পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.) ও ১২ রবিউল আউয়াল উপলক্ষ্যে রাজধানীতে অনুষ্ঠিত হয়েছে জাঁকজমকপূর্ণ জশনে জুলুস শোভাযাত্রা। প্রতি বছরের মতো এবারও রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সুফিবাদী জনতার অংশগ্রহণে এ শোভাযাত্রার আয়োজন করে আঞ্জুমানে রহমানিয়া মইনীয়া মাইজভাণ্ডারীয়া।

৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সংগঠনের সভাপতি ও বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) চেয়ারম্যান শাহসূফী ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারীর নেতৃত্বে এ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সকালে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের পশ্চিম গেট থেকে শুরু হওয়া শোভাযাত্রা দোয়েল চত্বর, শিক্ষা ভবন ও কদম ফোয়ারা সড়ক প্রদক্ষিণ করে আবার উদ্যানে এসে শান্তি মহাসমাবেশে মিলিত হয়। এর আগে ভোর থেকেই দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ধর্মপ্রাণ সুফিবাদী জনতা রাজধানীতে সমবেত হতে থাকেন।

বিশাল ব্যানারে লেখা ছিল—‘ইয়া নবী সালামু আলাইকা’, ‘ইয়া রাসূল সালামু আলাইকা’। অংশগ্রহণকারীরা হাতে কালেমা খচিত পতাকা, প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন বহন করেন। এ ছাড়া, বিশাল জাতীয় পতাকা নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশ নিয়ে রাজধানীর রাস্তাঘাট মুখরিত করে তোলেন তারা।

শোভাযাত্রা শেষে শান্তি সমাবেশে ড. সৈয়দ সাইফুদ্দীন আহমদ মাইজভাণ্ডারী বলেন, মহানবী (সা.) সমগ্র মানবজাতির জন্য আল্লাহর পক্ষ থেকে বিশেষ রহমত। তাঁর আদর্শ অনুসরণ করলেই শান্তিপূর্ণ, ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণকর সমাজ গড়ে তোলা সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) আমাদের সম্প্রীতি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার দীক্ষা দিয়েছেন। অথচ আজ বিশ্বজুড়ে চলছে যুদ্ধ-বিগ্রহ, সন্ত্রাস ও অমানবিকতা। স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো প্রিয় নবীর শিক্ষা বাস্তবায়ন।

বিএসপি চেয়ারম্যান উপস্থিত জনতাকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, আমাদের উচিত ঈদে মিলাদুন্নবী (দ.)-এর পবিত্র বার্তা হৃদয়ে ধারণ করে ব্যক্তি, পরিবার এবং রাষ্ট্রীয় জীবনে তা প্রয়োগ করা। তবেই সমাজে শান্তি, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার আলো ছড়িয়ে পড়বে।

কয়েক সপ্তাহের মধ্যে দেশে ফিরবেন তারেক রহমান: ডা. জাহিদ!

বিশেষ প্রতিনিধি, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফিরছেন বলে জানিয়েছেন দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

শনিবার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক অনুষ্ঠানে এ তথ্য জানান তিনি।

জাতীয় নির্বাচনের বহু আগেই দেশে থেকে তারেক রহমান দলকে নেতৃত্ব দেবেন জানিয়ে ডা. জাহিদ বলেন, ‘যারা নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্র করছে সেই ষড়যন্ত্র কাজে দেবে না, ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ‘পতিত স্বৈরাচার পেছন দিক দিয়ে এসে জনগণের অধিকার হরণ করার পাঁয়তারা করছে। ’ বিএনপির এই স্থায়ী কমিটির এই সদস্য আরো বলেন, ‘যারা দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বে বিশ্বাসী নয়, তারা ষড়যন্ত্র করছে।

পিআর পদ্ধতি বেআইনি আবদার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সংবিধান ইচ্ছা করলেই ডাস্টবিনে ফেলে দেওয়া যায় না। আবেগী না হয়ে জন-আকাঙ্ক্ষা বুঝতে হবে আপনাদের।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

হাতে পায়ে ব্যান্ডে*জ নিয়ে হাসপাতালে বিয়ে, দুঃসময়ে পাশে থাকতে চান কনে

আলোকিত ডেস্ক, হাতে-পায়ে ব্যান্ডেজ অবস্থায় মাথায় টোপর পরে মানিকগঞ্জ শহরের আফরোজা বেগম জেনারেল হাসপাতালে বেডে শুয়ে আছেন নতুন বর। আর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে পান পাতায় মুখ ঢেকে তাকে প্রদক্ষিণ করছেন নববধূ। পুরোহিতের মন্ত্র উচ্চারণের সঙ্গে মালাবদল আর উলুধ্বনির মধ্য দিয়ে হাসপাতালেই হয় বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শুরু।

ঢাকার অদূরে মানিকগঞ্জ জেলা শহরের চানমিয়া লেনের বাসিন্দা অরবিন্দ সাহার ছেলে আনন্দ সাহা এবং একই জেলার ঘিওরের বানিয়াজুড়ি এলাকার বাসিন্দা স্নাতক প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী অমৃতা সরকারের হাসপাতালে বিয়ের এই ঘটনা ব্যাপক আলোড়ন ফেলেছে।

প্রিয়জনের এমন সংকটময় সময়ে পাশে থাকার সিদ্ধান্ত নেন অমরিতা। তাই দুই পরিবারের আলোচনায় বিয়ের আয়োজন এগিয়ে আনা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মাজার ভাঙছি এবং লাশ পুড়িয়ে দিচ্ছি এটা রাসুলের শিক্ষা নয়: রিজভী

আলোকিত ডেস্ক:

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আজ আমরা নিজেরা দ্বিধাবিভক্ত। আমরা কারো মাজার ভাঙছি। কোনো লাশ পুড়িয়ে দিচ্ছি। এটা তো রাসুলের শিক্ষা নয়।

৬ সেপ্টেম্বর শনিবার সকালে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে মিলাদ এবং দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আজ আমরা গণতন্ত্রের চেতনাই বলি, আমরা রাষ্ট্রীয় চেতনাই বলি– পৃথিবীর কাছে নিদর্শন দিয়ে গেছেন আরবের সেই মহামানব। আমরা সেখান থেকে শিক্ষা না নিয়ে আমরা নিজেদের যে ধর্ম, নিজেদের যে ইসলাম, সেটাকেই আমরা কত ফেরকা, কত ফিতা, কত ধরনের কথাবার্তা দিয়ে শুধু বিভাজন করছি। অথচ ঐক্যের প্রতীকই ছিলেন আমাদের মহানবী।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আজ যে মহামানবকে নিয়ে এখানে আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে, মিলাদের আয়োজন করা হয়েছে, তার সম্পর্কে আমার মতো একজন ক্ষুদ্র মানুষের বিস্তারিত বলা খুবই কঠিন ব্যাপার। এটা সম্ভব নয়। শুধু তার রেখে যাওয়া যে আদর্শ এবং তিনি আল্লাহর কাছ থেকে প্রাপ্ত যে বাণী সমগ্র বিশ্বের মানুষের কাছে ছড়িয়ে দিয়েছেন, ছড়াতে গিয়ে তিনি যে অনুপম নিদর্শন এবং তার ব্যক্তিগত চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য তিনি রেখে গেছেন। যদি আমরা সামান্যতম অনুকরণ করতাম বা আমরা লালন করতাম তাহলে এই দেশ থেকে অন্যায়-অনাচার, কুপ্রবৃত্তি, পাপাচার, হানাহানি রক্তারক্তি সব বন্ধ হয়ে যেত। তিনি বলেন, যিনি আমাদের মডেল, যিনি আমাদের আদর্শের প্রতীক, তাকে আমরা কেউ অনুসরণ করি না। তাকে আমরা কেউ অনুকরণ করি না। এটাই হলো মুসলিম সমাজের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, আজ যে দেশে বাস করছি, সেই দেশের যিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন, তিনিও মুসলমান ছিলেন, কাজে না হলেও নামে ছিলেন। একবার বলেছিলেন মদিনা চার্টার অনুযায়ী দেশ চালাবেন, সেটা আমরা কি দেখলাম– তার এক মন্ত্রীর ১৪০টা বাড়ি লন্ডনে, তার বাড়ি থাকার পরও তার ছেলেমেয়ের নামে পূর্বাচলে ৬০ কাঠা জায়গা।

রুহুল কবির রিজভী বলেন, আমাদের ওপর বিপদ আসে, আমরা দেশেই থাকি, আমাদের নেত্রী দেশেই থাকেন, মিথ্যা মামলায় পাঁচ-ছয় বছর তিনি নির্যাতনে কারাবন্দি অবস্থায় থাকেন, আমরা কোনো পন্থি দল নই, বাংলাদেশপন্থি দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল। আপনারা কি পন্থি আপনারা নিজেরাই প্রমাণ করেছেন। ১৯৮১ সালের দেশে যখন ফিরলেন, জিয়াউর রহমান যখন আপনাকে ফেরার অনুমতি দিলেন, দেশে ফিরলেন কোন দেশ থেকে? আপনি এসেছিলেন, আবার ৫ আগস্টে কোন দেশে পালিয়ে গেলেন?  আপনাদের অধিকাংশ লোক কোন দেশে পালিয়ে গেছে? এটা জনগণ দেখেছে। এখনো দেখছি। আবার ওই দেশ থেকেই আমরা অডিও বার্তা, ভিডিও বার্তা শুনি যে তোমরা উল্টে দাও, পাল্টে দাও, কারো হাত ভেঙ্গে দাও, কারো পা ভেঙ্গে দাও, এটা কীভাবে সম্ভব।

তৌহিদী জনতার নামে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে জানিয়ে বিএনপির এ নেতা বলেন, বাংলাদেশ একটি উদার নৈতিক দেশ। বাংলাদেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক পাশাপাশি শান্তিপূর্ণভাবে বাস করে। এই দেশের পূজামণ্ডপ পাহারা দেয় আলেম-লামারা। সেই দেশে মাজার ভেঙে সেখানে লাশ পুড়িয়ে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। এটার আমি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি, প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবশ্যই এর পেছনে আন্তর্জাতিক কোনো ষড়যন্ত্র আছে। বিএনপির আমলে চক্রান্ত করেছিলেন শেখ হাসিনা। বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে কলঙ্কিত করার জন্য এখন আবার সেই প্রচেষ্টা চলছে কি না, এটা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে খতিয়ে দেখতে হবে।

মিলাদ মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, অ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম আজাদ, কেন্দ্রীয় নেতা মীর শরাফত আলী শফু। এতে মোনাজাত পরিচালনা করেন ওলামা দলের আহ্বায়ক মাওলানা সেলিম রেজা।