আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 299

সুষ্ঠু ভোট হলে ফ*লাফল যা-ই হোক মেনে নেব, ছাত্রদল সভাপতি

বিশেষ প্রতিনিধি, ডাকসু নির্বাচনে সুষ্ঠু ভোট হলে ফলাফল যা-ই হোক মেনে নেবেন বলে জানিয়েছেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। তিনি বলেছেন, সুষ্ঠু ভোট হলে ফলাফল যা-ই হোক মেনে নেব আমরা।

মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকালে ডাকসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বিষয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

যথেষ্ট পোলিং এজেন্ট না থাকায় সমস্যা তৈরি হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, বুথের তুলনায় যথেষ্ট পোলিং এজেন্ট নেই, যা সমস্যা তৈরি করছে বলে আমরা মনে করছি।
একজন ভোটারকে দু’টো ব্যালট পেপার দেয়ারও অভিযোগ আছে। আজ সকাল ৭টার দিকে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট বাক্স পৌঁছে দেয়া হয় এবং সাংবাদিক ও পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে তা উন্মুক্ত করা হয়।দীর্ঘ ছয় বছর পর মঙ্গলবার সকাল ৮টায় শুরু হয় ডাকসুর ভোটগ্রহণ। বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলবে এই ভোটগ্রহণ।
এবারের নির্বাচনে ডাকসুর ২৮টি পদে ৪৭১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে নারী প্রার্থী ৬২ জন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

মানিকগঞ্জে জামায়াতের এমপি প্রার্থীর উদ্যোগে ফ্রি হেলথ ক্যাম্প

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি: মানিকগঞ্জ -১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর এমপি প্রার্থী ডাঃ আবু বকর সিদ্দিকের উদ্যোগে শিবালয় উপজেলার নালী উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে দিনব্যাপী ফ্রি হেলথ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ৯টা হতে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা চলে এ হেলথ ক্যাম্প। এসময় বিভিন্ন এলাকা হতে আগত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত প্রায় ১৫০০ জন রোগীকে ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা দেয়া হয়। ডাঃ আবু বকর সিদ্দিকের নেতৃত্বে ঢাকা থেকে আগত ১০ জন ডাক্তার, ৮ জন টেকনেশিয়ান, ১৫ জন এসিস্ট্যান্ট ও ২০ জনের স্বেচ্ছাসেবী সারা দিন রোগীদের সেবা প্রদান করেন। দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত এ হেলথ ক্যাম্পে চিকিৎসা সেবা দেয়ার পাশাপাশি রোগীদের ব্লাড পেশার, ব্লাড সুগার, ব্লাড গ্রুপিং টেস্ট সহ আরো কিছু সেবা দেয়া হয়।

 

এসময় জামায়াতের এ আসনের নির্বাচন পরিচালক ওমর ফারুক, জামায়াতের থানা আমির হাফেজ হাতেম আলি, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী আয়ুব তালুকদার সহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। আগত সেবা গ্রহনকারী রোগীরা বলেন, আমরা নদী ভাঙ্গন এলাকার দরিদ্র মানুষ। আমাদের পক্ষে ঢাকায় গিয়ে এই মানের বড় বড় ডাক্তার দেখানো সম্ভব নয়। আজ আমাদের এলাকার এমপি প্রার্থী ডাঃ আবু বকর সিদ্দিক নিজে সারা দিন আমাদের চিকিৎসা পরামর্শ ও সেবা দিয়েছেন।

 

আবার ঢাকা থেকে বড় বড় ডাক্তার সাথে করে নিয়ে এসেছেন। যা কোন প্রার্থীর নিকট হতে আমরা কখনও পাইনি।আমাদের দাবি তিনি তার এ সেবা অব্যাহত রাখবেন।আমারা তার এ মহৎ কাজে মুগ্ধ এবং মহান আল্লাহর নিকট তার জন্যে প্রাণ খুলে দোয়া করছি। এ বিষয়ে ডাঃ আবু বকর সিদ্দিক বলেন, আমি ডাক্তার মানুষ, আমার পক্ষে মানুষের সেবায় যতটুকু কাজ করা সম্ভব আমি তা করবো ইনশাআল্লাহ। আমি এমপি হই আর না হই, সেটা কোন বিষয় না। আমার নদী ভাঙ্গন এলাকার দরিদ্র মানুষের আমার নিকট হতে সেবা পাবার অধিকার রয়েছে। আমি তাদের পাশে আছি এবং থাকবো ইনশাআল্লাহ। তিনি এই হেলথ ক্যাম্পে সার্বিক সহযোগিতার জন্যে এলাকাবাসীকে ধন্যবাদ জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তায় ডিএমপি

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী এনডিসি বলেছেন, আসন্ন ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে ডিএমপি। ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসি চত্বরে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, এবারের ডাকসু নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের জন্য আটটি চেকপোস্ট স্থাপন করা হবে। ভোট কেন্দ্র ভিত্তিক নিরাপত্তার পাশাপাশি পুলিশের ফুট প্যাট্রোল ও মোবাইল প্যাট্রোল টিম নিয়োজিত থাকবে। সাদা পোশাকে ডিবি সদস্য মোতায়েন থাকবে এবং সিটিটিসির বিশেষায়িত ইউনিট সমূহ প্রস্তুত থাকবে।
সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, জনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ব্যতীত, ৮ সেপ্টেম্বর রাত আট ঘটিকা হতে ১১ সেপ্টেম্বর বেলা ১২ ঘটিকা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও সংলগ্ন এলাকায় সকল প্রকার আগ্নেয়াস্ত্র, বিস্ফোরক বহন ও প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকবে।
ডাকসু নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠানের জন্য ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে কাজ করবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ডাকসু নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সাইবার বুলিংসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোন অপপ্রচার রোধ করতে কাজ করছে ডিএমপি।
সংবাদ সম্মেলনে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশকমিশনার (ডিবি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস) হাসান মোঃ শওকত আলীসহ ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

শেখ হাসিনার পতন আর মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার পতন এক কথা না: কাদের সিদ্দিকী 

সাইফুল ইসলাম সবুজ, টাঙ্গাইল:
কৃষক শ্রমিক জনতালীগের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী বীরউত্তম বলেছেন, ‘শেখ হাসিনার পতন মানে মুক্তিযুদ্ধের পতন নয়, শেখ হাসিনার পতন আর বঙ্গবন্ধুর পতন এবং স্বাধীনতার পতন এক কথা নয়’। এই বিষয়গুলো কেউ কেউ বুঝতে চাচ্ছেন না।
৮ সেপ্টেম্বর সোমবার বিকেলে পূর্ব ঘোষিত কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের জরুরি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব বলেন।
কাদের সিদ্দিকী বলেন, ‘আমার বাড়ি ধ্বংস করে দিয়ে যদি দেশে শান্তি হয় আমি তাতেই রাজি। এখন আমার বয়স ৮০ বছর, আমি চলে যেতে পারলেও খুশি হবো।
তিনি অভিযোগ করে বলের, ‘যারা ২৪ শে বিজয়ী হয়েছেন, তারা যদি ব্যর্থ হন, ভবিষ্যতে যদি কেউ স্বৈরাচার হয়ে ওঠে, সাধারণ মানুষ তখন আর রুখে দাঁড়াবে না-এটাই আমার ভয়।
টাঙ্গাইলের বাসাইলে ১৪৪ ধারা জারি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের মিটিংয়েও বাধা দেওয়া হচ্ছে। অথচ এই দেশ মুক্তিযোদ্ধারাই পয়দা করেছেন।
সরকারের উচিত ছিল দেশে সুন্দর স্মৃতি ফিরিয়ে আনা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা।
তিনি আরও বলেন, ‘আমার বাসায় আক্রমণ করা হয়েছে। যদি এটা সম্ভব হয়, তবে সবার বাসায় আক্রমণ করা সম্ভব। কারো নিরাপত্তা নেই। দেশ যদি পাকিস্তান হয়ে যেত, আমি পাকিস্তান ভেঙেছিলাম বলে আইন অনুযায়ী আমার ফাঁসি হতো। তাতেও আমার আপত্তি থাকত না। এখনো নেই। তাই বলছি দেশে আইনশৃঙ্খলা নেই। ’
আলোকিত প্রতিদিন/ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

বদরুদ্দীন উমরের ম*রদেহে সর্বস্তরের মানুষের শ্রদ্ধা!

বিশেষ প্রতিনিধি, প্রখ্যাত লেখক, গবেষক ও জাতীয় মুক্তি কাউন্সিলের সভাপতি প্রবীণ রাজনীতিক বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন সর্বস্তরের মানুষ। আজ সোমবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে শুরু হয় এই শ্রদ্ধা নিবেদনপর্ব।

বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হচ্ছে। এ ছাড়া ব্যক্তিগত ভাবে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন।

এর আগে শেষ শ্রদ্ধা জানানোর জন্য সকাল ১০টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয় বদরুদ্দীন উমরের মরদেহ।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বদরুদ্দীন উমরের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা শারমিন এস মুরশিদ ও ফরিদা আখতার।তার প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিপুলসংখ্যক মানুষ কেন্দ্রীয় শহীদে মিনারে এসেছেন।

আরও জানা গেছে, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বদরুদ্দীন উমরের মরদেহ নেওয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে। বাদ জোহর জানাজার পর জুরাইন কবরস্থানে বদরুদ্দীন উমরকে তার মা-বাবার কবরে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হবে।

উল্লেখ্য, গতকাল রবিবার রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে মারা যান বদরুদ্দীন উমর। তার বয়স হয়েছিল ৯৪ বছর। দীর্ঘদিন ধরে বার্ধক্যজনিত নানা জটিলতায় ভুগছিলেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

পরিবারের দাবি হত্যা সুরতহালের রিপোর্ট তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি,সুমাইয়ার ফাঁসির ঘরে অজ্ঞাতের গোপন প্রবেশ আলামত ধবংস

প্রতিনিধি,শাজাহানপুর(বগুড়া):

বগুড়া শাজাহানপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর সুমাইয়া আক্তার(৩২) রহস্যজনক ভাবে নিহতের ঘটনায় পুলিশের তদন্তে অপমৃত্যু হয়েছে। আড়িয়া ইউনিয়নের রহিমাবাদ শালুকগাড়ি গ্রামে পুকুরপাড় এলাকায় অহেদ আলী(৭০) এর ভাড়া বাড়িতে ২৫জুন সকালে ঘরের তীরের সাথে গলায় ওড়না পেঁচানো ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার হয় সুমাইয়ার। আরো ২/৩ দিন আগে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলছেন পুলিশ।

লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন করা অফিসার এবং থানার ওসি পরস্পর বিরোধী বক্তব্য দিয়েছেন এঘটনায়। সুমাইয়াকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে দাবি করছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। আর সুরতহাল প্রতিবেদনে লাশের প্রকৃত তথ্য গোপন করে পুলিশ তদন্তে অপমৃত্যু হয়েছে বলছেন

তাঁরা। পুলিশের সুরতহালের স্বাক্ষী এবং লাশ নামানো কাজে পুলিশকে সহায়তা করা ব্যক্তিরাও বলছেন সুরতহালে লাশের তথ্য গোপন করা হয়েছে।

গত রোজার মধ্যে উপজেলার খরনা ইউনিয়নের ধাওয়াপাড়া গ্রামের হায়দার আলীর ছেলে রাজু (৩৮) তারা স্বামী স্ত্রী পরিচয়ে ওই বাসা ভাড়া নিয়েছিলেন। রাজুর ভাতিজা পরিচয়ে ধাওয়াপাড়া গ্রামের মতিউর রহমান মতুল এর ছেলে রাকিবুল ইসলাম(৩৬) ওই বাড়িতে প্রায়ই যাতায়াত করতেন।

নিহত সুমাইয়া আক্তার উপজেলার আশেকপুর ইউনিয়নের পারতেখুর মধ্যপাড়া গ্রামের মৃত জহুরুল ইসলামের মেয়ে।  প্রায় ৮বছর আগে মাঝিড়া ইউনিয়নের ডোমনপুকুর নতুনপাড়া(টিকাদারপাড়া) গ্রামে বাপ্পী(৪২) নামের এক যুবকের সাথে তার বিয়ে হয়েছিলো। এঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা বা অন্য কোন মামলাও হয়নি বলে জানিয়েছেন সুরতহাল প্রতিবেদনকারী শাজাহানপুর থানার উপ-পরিদর্শক(এসআই) রাসেল আহম্মেদ। গলায় রশি পেঁচিয়ে সুমাইয়া আত্বহত্যা করেছে। ময়না তদন্ত প্রতিবেদনে এমনটাই পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এদিকে নিহত সুমাইয়ার সেই ভাড়া বাসায় প্রায় এক সপ্তাহ আগে গভীর রাতে অজ্ঞাত কেউ ঢুকে আলামত ধবংস করে ঘরের জিনিসপত্র ওলটপালট করেছে এবং লাশ উদ্ধার হওয়া ঘরটির জিনিসপত্র পরিপাটি করে গুছিয়ে রেখেছে।  লাশ উদ্ধারের পর পুলিশের নির্দেশে পুরো বাসাটি তালাবদ্ধ করে রেখেছিলেন বাড়ির মালিক। ঘটনাটি জানাজানি হলে ওই এলাকায় নতুন করে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের সদস্যরা দাবি করছেন, সুমাইয়াকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করেছে রাজু এবং তাঁর সহযোগীরা।  পুলিশ লাশের সুরতহালে তথ্য গোপন করে ময়নাতদন্ত ভিন্ন খাতে নেয়ার কথা করছেন।

সুমাইয়ার লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছেন এসআই রাসেল আহম্মেদ। সেই প্রতিবেদন ফরমে জখমের বর্ণনা ঘরে লেখা রয়েছে, মাথা স্বাভাবিক। মুখমন্ডল গোলাকার। চোখ বন্ধও ফোলা। মুখ বন্ধ, সামান্য জিহ্বা লাগানো। গলায় অর্ধচন্দ্রাকৃতির দাগ পরিলক্ষিত হয়। হাত দুটি শরীরের সাথে লাগানো। মৃতদেহ অর্ধ পচন হওয়ায় এবং লাশ ফুলে যাওয়ায় শরীরে তেমন কোন চিহ্ন স্বাভাবিক ভাবে দেখা বা বোঝা সম্ভব হচ্ছেনা।  মৃতের শরীরে ছিলা ছিলা ভাব ছিল পা দুটি লম্বালম্বি। যৌন

নিপীড়ণ বা ধর্ষণ লক্ষন কলামে লেখা হয়েছে, ২/৩দিন পূর্বে (২৫জুন লাশ উদ্ধারের) ভিকটিমের মৃত্যু হয়েছে মর্মে প্রাথমিক ধারনা হচ্ছে।

স্থানীয়দের জিজ্ঞাসাবাদে জানাযায়-মৃত তাঁর স্বামীর সঙ্গে বাসা ভাড়া নিয়ে থাকতো। প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে গলায় রশি দিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্বহত্যা করেছে।

মৃতদেহ ময়না তদন্তের জন্য পাঠানোর ফরমে জানামতে মৃত্যুর কারন কলামে লেখা হয়েছে, গলায় রশি দিয়ে।  মৃতদেহের সঙ্গে পাঠানোর কাপড় ও জিনিসপত্র সমন্ধে মন্তব্য কলামে লেখা হয়েছে, পরিহিত গায়ের জামা, পরনের পেটিকোট ও গলায় প্যাঁচানো ওরনা আলামত হিসেবে জব্ধ।

পুলিশের সুরতহালের স্বাক্ষী মোঃ ইমন(২৭) বলেন, লাশ উদ্ধারের সময় পুলিশের সাথে আমি সেদিন শুরু থেকেই ছিলাম। লাশ নামানোর কাজে পুলিশকে সহযোগিতা করেছি।  শুরু থেকে শেষ অবধি আমিসহ আরো কয়েকজন মোবাইল ফোনে তা ধারণ করেছি।

ইমন বলেন, নিহত সুমাইয়ার বাসার বারান্দার গ্রিল ভিতর থেকে তালাবদ্ধ ছিলো।  পুলিশ এসে গ্রীলের বাহির থেকে ভিতরের সেই তালা ভেঙে বাসার ভিতরে প্রবেশ করে। সুমাইয়া যে ঘরে ঝুলছিলো সেই ঘরের দড়জা ভিতর থেকে হ্যাজবোল্ড(লোহার সিটকিরি) আটকানো ছিলো। পরের ঘরের দরজা বাহির থেকে হ্যাজবোল্ড আটকানো ছিলো।  পুলিশ বাহিরের হ্যাজবোল্ড খুলে ভিতরে প্রবেশ করেন। দুই ঘরের মাঝখানে খোলা অবস্থায় প্লাস্টিকের আরেকটি দরজা ছিলো। সেখান দিয়ে ঢুকে সুমাইয়ার ঝুলন্ত লাশ দেখতে পাওয়া যায়। লাশের পায়ের কাছেই কোলবালিশ পড়ে ছিলো। ঘরে এমন কিছু পাওয়া যায়নি, যার উপরে দাঁড়িয়ে ঘরের তীরের সাথে ওড়না পেঁচানো যায়।

ইমন আরো বলেন, লাশের পড়নে ডোরাকাটা সেমিজ ধরণের হাতাকাটা গেঞ্জি ছিলো আর নীল রঙের পেটিকোট ছিলো। গেঞ্জির বুকের অংশে অনেকটা জায়গা জুড়ে রক্ত ছিলো এবং পেটিকোট উল্টো করে পড়া ছিলো (ফিতা বাঁধার অংশ কোমড়ের পিছনে বাঁধা ছিলো)। ২হাত  ছড়ানো ছিলো এবং ২হাতের কুনুই থেকে নিচ পর্যন্ত রক্তাত্ব জখম ছিলো। হয়তো কেউ তাকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করে

লাশ ঝুলিয়ে পালিয়ে গেছে বলে ইমন ধারণা করেন। পুলিশের সুরতহালে আমি স্বাক্ষর করেছি তবে কাগজে কি লেখা ছিলো তা পড়ে দেখিনি বলে জানান ইমন।

ভাড়া বাড়ির মালিক অহেদ আলীর স্ত্রী(৬০) বলেন, গত রোজার মধ্যে ইফাতারের কিছু সময় আগে রাজু এবং সুমাইয়া আমাদের কাছে বাসা ভাড়া নেয়ার জন্য আসে। বাসায় রাজুর ভাতিজা পরিচয়ে রাকিবুল ইসলাম নামের একজন যাতায়াত করতো। তাঁর ৪মাস থাকার পর সুমাইয়ার ঝুলন্ত লাশ ঘরের ভিতরে পাওয়া যায়।

সুরতহালের স্বাক্ষী এবং আড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য তাজুল ইসলাম বলেন, লাশ এবং বাড়ির পরিবেশ দেখে আমার কাছে আত্বহত্যা মনে হয়নি। কেননা কেউ আত্বহত্যা করার পর দরজা বাহির থেকে লাগিয়ে দিতে পারে না।  লাশের গেঞ্জিতে বুকের অংশের অনেকটা জুড়ে রক্ত ছিলো।  দুই হাতে জখমের মত চিহ্ন ছিলো এবং কুনুইয়ের নিচ থেকে রক্ত জমাট বাঁধার মত ছিলো।

রাজু নামের একজনের সাথে স্বামী পরিচয়ে থাকলেও লাশ দেখতে সে আসেনি। রাজু তার প্রকৃত স্বামী ছিলোই না।

সুমাইয়ার মা আবেদা খাতুন বলেন, আমার মেয়েকে পরিকল্পিত ভাবে রাজু এবং তাঁর সহযোগীরা হত্যা করেছে।  পুলিশ রাজুকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করেনি। আমার মেয়ের গেঞ্জিতে বুকের অংশে রক্ত ছিলো কিন্তু পুলিশ সুরতহালে তা উল্লেখ করেনি। আমার মেয়ের লাশে হাত ছড়ানো এবং জখম থাকলেও পুলিশ সুরতহালে তা উল্লেখ করেনি। হাত সোজা ছিলো এবং শরীরে জখমের চিহ্ন নাই বলে সুরতহালে মিথ্যা লিখেছে।

সুমাইয়ার সাথে স্বামী পরিচয়ে থাকা রাজু পলাতক থাকায় তাঁর সাথে কথা বলা সম্ভব হয় নাই। রাজুর ভাতিজা পরিচয়ে ভাড়া বাসায় যাতায়াত করা রাকিবুল ইসলাম মোবাইল ফোনে বলেন, আমি খড়না ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক কমিটির সাবেক সদস্য। বর্তমানে মাটি বালু ব্যবসা করি। রাজু আমার

ব্যবসায়িক অংশিদার ছিলো।  রাজুর সাথে আমার সেরকম যোগাযোগ ছিলো না। দেখা হলে কখনো একসাথে চা টা খেতাম।

রাকিবুল আরো বলেন, সুমাইয়াকে নিয়ে রাজু বাসা ভাড়া নেয়ার প্রায় দেড়মাস পর আমি ওই বাড়িতে গিয়েছিলাম।  রাজু আমাকে ব্যবসা করার জন্য টাকা দিত। যখন টাকার দরকার হতো তখনি রাজুর কাছে ওই বাড়িতে যেতাম। সুমাইয়ার লাশ উদ্ধার হওয়ার এক সপ্তাহ আগে আমি ওই বাড়িতে গিয়েছিলাম। সুমাইয়ার মৃত্যুর ঘটনায় আমার কোন ধরণের সম্পৃক্ততা নাই। কি ভাবে মৃত্যু হয়েছে তাও জানি না।

খরনা ধাওয়া পাড়া গ্রামে এবং খরনা হাট এলাকার অনেকেই পরিচয় গোপন রাখার শর্তে বলেন, রাজু এক সময় মাইক্রো বাস চালাতেন। রাকিবুলকে কেউ মাটি বালু ব্যবসায়ী হিসেবে চিনেনা পুলিশের পরস্পর বিরোধী বক্তব্য, পরিবারের দাবি হত্যা, সুরতহালে তথ্য নিয়ে বিভ্রান্তি, সুমাইয়ার ঘরে আলামত ধবংসে অজ্ঞাতের গোপন প্রবেশ।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

জনগণকে সঙ্গে নিয়েই সমস্যা সমাধান করব: আমিনুল হক

খাল পরিষ্কার অভিযানে বিএনপি এবং সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করছে উল্লেখ করে আমিনুল হক বলেন, এলাকাবাসী এ ধরনের কার্যক্রমকে স্বাগত জানাচ্ছে। আশা করি, এই উদ্যোগ এলাকায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে গরমে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে কচুরিপানার ফুল

জয়ন্ত রায়, স্টাফ রিপোর্টার। নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলার নদী-নালা,খাল-বিল ও ডোবাসহ বিভিন্ন জলাশয়ে কচুরিপানা ফুলের সৌন্দর্য প্রকৃতিতে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। প্রকৃতির যেখানে-সেখানে নদী-নালা,খাল-বিল, পুকুর-ডোবাসহ বিভিন্ন জলাশয়ে সবুজ পাতার মাঝে সাদা, বেগুনি ও হালকা গোলাপি রঙের কচুরিপানা ফুল যেন চাদরে ঢাকা পড়েছে। মুক্ত জলাশয়ে এসব দৃষ্টিনন্দন ফুলের সৌন্দর্য সকল পথচারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে কিংবা কাছে টানছে। অনেকে এই সৌন্দর্যকে ক্যামেরা বন্দী করছেন। কচুরিপানা ফুলের গন্ধ না থাকলেও এর সৌন্দর্য সবাইকে মুগ্ধ করে। দেখা গেছে উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের পাশে রাস্তার ধারে ডোবার অল্প পানিতে সাদা, বেগুনি ও হালকা গোলাপি রঙের অজস্র ফুল ফুটে মুগ্ধতা ছড়াচ্ছে। পাশ দিয়ে যাতায়াতের হাজার হাজার পথচারী মুগ্ধ হচ্ছে কচুরিপানা ফুলের সৌন্দর্যে।

উপজেলার চাঁদখান ইউনিয়নের কেল্লাবাড়ি  বাসিন্দা করিম হোসেন জানায়,কচুরিপানার সৌন্দর্য  ফুল ও পাতার সমাহার থেকে আসে, যা জলাশয়কে সবুজ এবং সাদা, বেগুনি ও গোলাপি রঙের ফুলে ঢেকে এক নান্দনিক রূপ দেয়। এই ফুল জলাশয়ের বুকে শান্তির পরশ বুলিয়ে দেয় এবং এর প্রস্ফুটিত রূপ প্রকৃতিপ্রেমীদের মুগ্ধ করে।প্রস্ফুটিত কচুরিপানার ফুল জলাশয়ের সৌন্দর্যকে অনেক বাড়িয়ে তোলে ও প্রকৃতিতে এক নির্মল, স্নিগ্ধ ও মন মুগ্ধকর পরিবেশ তৈরি করে। সদর ইউনিয়নের আরেক ব্যক্তি জানান,কচুরিপানার ফুল সৌন্দর্য বিলানোর পাশাপাশি মানুষ ও প্রকৃতির নানা উপকারে আসে। এটি দেশীয় মাছের বংশবিস্তার ও জলাশয়ের পানি ঠান্ডা রাখতে সহায়তা করে থাকে। কিছু কিছু মাছ এটিকে খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করে। এটি থেকে তৈরি জৈব সার কৃষিকাজে রাসায়নিক সারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি 

প্রিয় বিড়ালের সঙ্গে ছবি ভা#ইরাল, প্রশংসায় ভাসছেন তারেক রহমান!

আলোকিত ডেস্ক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের একটি নতুন ছবি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে, যা ইতোমধ্যেই নেটিজেনদের মন জয় করেছে নিয়েছে।

রবিবার (৭ সেপ্টেম্বর) ফেসবুকে প্রকাশিত ছবিটিতে দেখা যায়- তারেক রহমান কম্পিউটারে মনোযোগ দিয়ে কাজ করছেন, আর পাশে শান্তভাবে বসে থাকা প্রিয় বিড়ালটিকে আদর করছেন তিনি।

ছবিটি পোস্ট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তা ভাইরাল হয়ে যায় নেট দুনিয়ায়। শুধু সাধারণ অনুসারীরাই নয়, বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরাও এই ছবির প্রতি তাদের উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন।

বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সেলিমুজ্জামান সেলিম ছবিটি শেয়ার করে লিখেছেন, “বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, তারেক রহমান।

ছাত্রদল ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাবেক সভাপতি সেলিনা সুলতানা নিশিতা ছবিটি পোস্ট করে শুধু একটি শব্দেই তার আবেগ প্রকাশ করেছেন—‘ভাইয়া’, সঙ্গে যুক্ত করেছেন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকার ইমোজি।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বলেন, “তারেক রহমান এখন জাতীয় রাজনীতির কেন্দ্রীয় একজন নেতা। রাষ্ট্র ও সমাজের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো নিয়ে যেমন তিনি ভাবছেন, তেমনি তাঁর ব্যক্তি জীবনের মানবিক দিকগুলোও সামনে আসছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

কোনও ষড়যন্ত্রই আবিদদের থামাতে পারবে না: ছাত্রদল সভাপতি

বিশেস প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ছাত্রদল প্যানেলের ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম আবিদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় করার পেছনে ষড়যন্ত্র খুঁজে পাচ্ছেন কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব এক ফেসবুক পোস্টে এমনটাই জানান। তিনি শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াতে অনুরোধ জানিয়েছেন সবাইকে।

আজ সোমবার নিজের ফেসবুক হ্যান্ডেলে পোস্ট দিয়ে রাকিব বলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি পদপ্রার্থী আবিদুল ইসলাম খানের আইডি সকালে একবার ডিজেবল করে দেওয়ার পর পুনরুদ্ধার করা হয়েছিল তখন।
এখন আবারো ডিজেবল করে দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সজাগ থাকুন আপনারা। আপনারা পাশে থাকলে, কোনো ষড়যন্ত্রই আবিদদের থামাতে পারবে না ইনশাআল্লাহ।  ছাত্রদলের একজন সদস্য বলছেন, বাংলাদেশ বিরোধীরা কখনোই বিজয়ী হতে পারে না।
বিজয় আমাদেরই হবে ইনশাআল্লাহ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুগণ, আপনারাই পারেন স্বাধীনতা বিরোধীদের রুখে দিতে। যাতে তারা আর কখনোই মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে না থাকতে পারে। আসুন আমরা সকলে মিলে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাই এবং বাংলাদেশের পক্ষে থাকা প্যানেল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল প্যানেলকে ভোট দিয়ে সুন্দর বাংলাদেশ গঠনের শপথ নিয়ে আগামী দিনের পথ চলাতে সাহায্য করুন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি