আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 298

বার্সায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে লড়াই করবেন লিওনেল মেসি

স্পোর্টস ডেস্ক, আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসি তার ক্যারিয়ারের শেষ প্রান্তে চলে এলেও এবার তিনি মাঠের বাইরের নতুন এক লড়াইয়ে নামতে চলেছেন। স্প্যানিশ গণমাধ্যম জানিয়েছে, তিনি স্প্যানিশ ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার আসন্ন নির্বাচনে কোনোভাবে অংশ নিতে পারেন। তার এই অংশগ্রহণ প্রত্যক্ষ নাকি পরোক্ষ হবে, তা এখনো নিশ্চিত নয়।

বার্সেলোনার ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ সময় ধরে সভাপতি থাকা লাপোর্তা আগামী নির্বাচনে চতুর্থ দফায় প্রার্থী হতে যাচ্ছেন। কিন্তু পরিস্থিতি এখনো তার পক্ষে পুরোপুরি স্থিতিশীল নয়। কারণ ২০২১ সালে মেসিকে দলে রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন লাপোর্তা কিন্তু আর্থিক সংকটের অজুহাতে সেই চুক্তি বাতিল করতে বাধ্য হন। এরপর মেসি পিএসজিতে চলে যান এবং মেসি ও তার পরিবারের পক্ষ থেকে কিছু বলা না হলেও এটিকে বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখেছিলেন অনেকেই।

 বার্সেলোনার সর্বকালের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে মেসির সমর্থন একজন প্রেসিডেন্ট প্রার্থীর পক্ষে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। যদি মেসি ভিক্টর ফন্ট বা জোয়ান কামপ্রুবির মতো কোনো প্রার্থীকে সমর্থন করেন, তবে নির্বাচনে তা বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। নির্বাচনের বছর ঘনিয়ে আসায় লাপোর্তার জন্য এটি অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে মেসি প্রকাশ্যে কোনো প্রার্থীকে সমর্থন দেবেন কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। বর্তমানে তিনি মেজর লিগ সকারে ইন্টার মায়ামির হয়ে খেলছেন, তবে ক্যাম্প ন্যুতে তার প্রভাব যে এখনো প্রাসঙ্গিক, তা অস্বীকার করার উপায় নেই।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

কাতারের রাজধানীতে ইসরায়েলি হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ তারেক রহমানের

নিজস্ব প্রতিবেদক:

কাতারের রাজধানী দোহায় ইসরায়েলি হামলার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ১০ সেপ্টেম্বর বুধবার এক বিবৃতিতে তারেক রহমান কাতারের জনগণ ও আমির শেখ তামিম আল থানির প্রতি দৃঢ় সংহতি জানান।

বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভীর গণমাধ্যমে পাঠানো বিবৃতিতে তারেক রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক সংশ্লিষ্ট পক্ষদের এই সামরিক হামলার বিরুদ্ধে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক নিয়ম ও নীতিমালা লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার আমরা আহ্বান জানাই।

তিনি বলেন, আমাদের উচিত একটি জরুরি যুদ্ধ বিরতি, বন্দীদের মুক্তি এবং মানবতা সুরক্ষার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

আলোকিত প্রতিদিন/১০সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

কিরগিজস্তান থেকে দেশে ফিরলেন প্রতারণার শিকার ১৮০ বাংলাদেশি 

আলোকিত ডেস্ক:
গার্মেন্টস ও নির্মাণ খাতে ভালো বেতনে চাকরির লোভ দেখিয়ে কিরগিজস্তানে যাওয়ার পরে সেখানে কাজ না পাওয়া এবং প্রতারণার শিকার হওয়া ১৮০ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন।
১০ সেপ্টেম্বর বুধবার ভোর সাড়ে ৩টায় একটি বিশেষ ফ্লাইটে তারা ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক ও সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম বিদেশ থেকে ফেরত আসা এই মানুষদেরকে বিমানবন্দরে তাদের অর্থ ও জরুরি সহায়তা প্রদান করেছে।

ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক (মাইগ্রেশন প্রোগ্রাম ও ইয়ুথ প্ল্যাটফর্ম) শরিফুল হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘বিদেশে বেশি বেতনের কাজের লোভ দেখিয়ে এই মানুষগুলোকে কিরগিজস্তানে নেওয়া হয়েছিল। অথচ সেখানে গিয়ে অনেকে কাজ পাননি, বেতন পাননি, ফলে নথিপত্রহীন হয়ে পড়েন। অনেকে ভয়াবহ নির্যাতনের শিকার হন। অনেকের পরিবার মুক্তিপণ দিতেও বাধ্য হয়েছে।’

ফেরত আসা একজন লালমনিরহাটের আদিতমারীর মো. শহীদুল ইসলাম (৪৫)।  তিনি জানান, ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করে বেশি বেতন পাবেন এই আশায় ২০২৪ সালের ৩ জুন বিশকেক পৌঁছানোর পরের দিনই ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে যায় তার। এরপর সেখানে নানা কাজ করে টিকে থাকার চেষ্টা করেছেন। বেতন ছাড়া কাজ করেছেন সাত মাস। পরে কিরগিজ কর্তৃপক্ষের কাছে ধরা দেন। তিন মাস জেল খেটে দেশে ফিরলেন তিনি।

ইউরোপ পাঠানোর কথা বলে শরীয়তপুরের সখীপুরের প্রিন্স মিয়াকে (২১) দুবাই নিয়ে গিয়েছিল দালাল চক্র। সেখান থেকে এ বছরের ১৯ মে তাকে বিশকেক নিয়ে যাওয়া হয়। আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল সেখানে কিছু দিন কাজ করার পরে তাকে ইতালি নিয়ে যাওয়া হবে। দালালকে এ কাজের জন্যে ৪ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে মধ্য এশিয়ার জেলে ৪৪ দিন আটক ছিলেন তিনি।

কিরগিজস্তানে নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলে জানান, কুষ্টিয়ার মিরপুরের মো. মিলন আলী (৩৮)। ওয়েল্ডিংয়ের কাজ করতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হলেও তিনি কোনও সহায়তা পাননি নিয়োগকর্তার কাছ থেকে। টানা চার মাস বেতন না পাওয়ায় তিনি নিজেই সেদেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে ধরা দিয়েছেন। তিন মাসেরও বেশি সময় অনিয়মিত অভিবাসী হিসেবে সেখানকার কারাগারে ছিলেন তিনি।

ব্র্যাক জানিয়েছে, ‘বিমানবন্দরে বিদেশ-ফেরতদের জরুরি সহায়তা দিতে গত আট বছর ধরে কাজ করছে ব্র্যাক মাইগ্রেশন ওয়েলফেয়ার সেন্টার। সিভিল এভিয়েশন, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ, প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক, এপিবিএনসহ সবার সহযোগিতায় গত আট বছরে ৩৫ হাজারেরও বেশি মানুষকে নানা ধরনের সহযোগিতা করা হয়েছে। শুধু ২০২৪ সালেই ৪০ জন প্রবাসীকে বিশ্বের নানা দেশ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১০সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

শীর্ষ ৩ পদে শিবির-সমর্থিতরা জয়ী!

বিশেষ প্রতিনিধি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে ভিপি পদে ছাত্রশিবির-সমর্থিত প্রার্থী মো: আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং জিএস পদে এস এম ফরহাদ ও এজিএস পদে মহিউদ্দিন খান জয়ী হয়েছেন। এই নির্বাচনে ছাত্র সংসদ ও হল সংসদের অন্যান্য পদেও শিবির-সমর্থিত প্রার্থীরা বেশিভাগ জয়ী হয়েছেন তারা।

ভিপি পদে সাদিক কায়েম সর্বোচ্চ ভোট পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।

জিএস পদে শিবির সমর্থিত প্রার্থী এস এম ফরহাদ পেয়েছেন ১০ হাজার ৭৯৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত শেখ তানবীর বারী হামিম পেয়েছেন ৫ হাজার ২৮৩ ভোট।

সহ-সাধারণ সম্পাদক বা এজিএস পদে শিবির সমর্থিত প্যানেলের মো: মহিউদ্দিন খান বিজয়ী হয়েছেন। তিনি পেয়েছেন ১১ হাজার ৭৭২ ভোট।

তবে আনুষ্ঠানিকভাবে সকাল সোয়া ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচনের প্রধান রিটার্নিং কর্মকর্তা অধ্যাপক মোহাম্মদ জসীম উদ্দিন।

নির্বাচন সামগ্রিকভাবে গ্রহণযোগ্য হয়েছে বলে মন্তব্য করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের পর্যবেক্ষক দল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ডাকসু নির্বাচনের ভোট গ্রহণ প্রক্রিয়া নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক সামিনা লুৎফা বলেন, এত সংখ্যক ভোটার সামলানোর যথেষ্ট প্রস্তুতি কর্তৃপক্ষের ছিল না।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্কের আরেক সদস্য অধ্যাপক গীতি আরা নাসরীন বলেন, ‘আমরা ছোট ছোট কিছু অসঙ্গতি বা ব্যবস্থাপনার যে ভুলগুলো, এ বাদে আমরা মনে করিনি যে বড় কোনো ধরনের অসঙ্গতি ছিল এবং নির্বাচন গ্রহণযোগ্য না, এটা আমাদের কখনো মনে হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

দেশজুড়ে লুটপাট, হামলা বন্ধ করুন : নেপালের সেনাপ্রধান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

আন্দোলনের নামে দেশজুড়ে লুটপাট এবং হামলা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন নেপালের সেনাপ্রধান জেনারেল অশোক রাজ সিগদেল। সেই সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সড়কে বিক্ষোভ কর্মসূচির সমাপ্তি টেনে আলোচনার টেবিলে আসতে বলেছেন জেনারেল সিগদেল।

শিক্ষার্থী ও তরুণ প্রজন্মের তীব্র আন্দোলনের মুখে গতকাল পদত্যাগ করেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি এবং প্রেসিডেন্ট ও সরকারপ্রধান রাম কুমার পৌদেল। তাদের দু’জনের পদত্যাগের পর ক্ষমতা গ্রহণ করে সেনাবাহিনী।

গতকাল মঙ্গলবার টেলিভিশনে সম্প্রচারিত এক ভাষণে জাতির উদ্দেশে জেনারেল সিগদেল বলেন, “আমরা কঠিন একটি সময় পার করছি এবং কিছু গোষ্ঠী এ পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে লুটপাট, হামলা সরকারি-বেসরকারি সম্পদ ধ্বংস করছে।” “আমরা আন্দোলনকারীদের অনুরোধ করছি— আপনারা প্রতিবাদ কর্মসূচি থামান এবং দেশে শান্তি স্থাপনের স্বার্থে আলোচনার জন্য এগিয়ে আসুন। আমাদের এখন বর্তমান কঠিন পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক করতে হবে; সেই সঙ্গে রক্ষা করতে হবে আমাদের ঐতিহাসিক এবং জাতীয় ঐতিহ্য, জনগণ এবং তাদের সহায়-সম্পদ এবং বিদেশি কূটনীতিকদের।”

ফেসবুক, টুইটার, ইউটিউব, ইনস্টাগ্রামসহ ২৬টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিষেধাজ্ঞা আরোপ এবং সরকারের দুর্নীতির বিরুদ্ধে শিক্ষার্থী এবং তরুণ প্রজন্মের মাত্র দুই দিনের তীব্র আন্দোলনে নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলির নেতৃত্বাধীন সরকারের পতন হয়েছে।

নিরপত্তা বাহিনীর গুলিতে ৮ সেপ্টেম্বর ১৯ জন আন্দোলনকারী নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন আর ও শতাধিক। পরের দিন ৯ সেপ্টেম্বর বিক্ষোভ ভয়াবহ সহিংস রূপ নেয়। আন্দোলনকারীরা পার্লামেন্ট, মন্ত্রি এমপিরেদ বাসভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ করা শুরু করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে গতকাল দুপুরের পর পদত্যাগ করেন প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা অলি, সন্ধ্যায় পদত্যাগ করেন প্রেসিডেন্ট ও সরকারপ্রধান রামচন্দ্র পাওদেল।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে সেনাপ্রধান বলেন, “পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দেশজুড়ে কারফিউ জারি আছে। আমি সবপক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি। গত দুই দিনে যথেষ্ট ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আরও ক্ষতি করা থেকে বিরত থাকুন এবং আলোচনার টেবিলে আসুন। একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের সব দাবি আলোচনার ভিত্তিতে সমাধান সম্ভব।”

“আর যারা সেনাবাহিনীর এ আহ্বান উপেক্ষা করে প্রতিবাদ, ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, হামলা প্রভৃতি চালিয়ে যেতে চান, তাদের উদ্দেশে বলছি— এখন থেকে এ ধরণের কর্মকাণ্ডকে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে বিবেচনা করা হবে এবং যারা এসব কার্যক্রমে লিপ্ত থাকবেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর পদক্ষেপ নেবে।”

সূত্র : এনডিটিভি ওয়ার্ল্ড

আলোকিত প্রতিদিন/১০সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙক্ষা ও শহীদদের বিজয় হয়েছে: সাদিক কায়েম

আলোকিত ডেস্ক:

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) নব-নির্বাচিত সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম বলেছেন, ‘ডাকসু নির্বাচনে জয় অথবা পরাজয়ের কিছু নেই। ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাই প্রজন্মের বিজয় হয়েছে। ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিজয়ী হয়েছে। ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে জুলাইয়ের আকাঙক্ষার বিজয় হয়েছে, শহীদদের বিজয় হয়েছে।’

১০ সেপ্টেম্বর বুধবার সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সিনেট ভবনে সংবাদ সম্মেলনে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া একথা বলেন তিনি। এ সময় সাদিক কায়েম জুলাই শহীদদেরে স্মরণ করে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ এবং নব্বইয়ের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের শহীদদের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান তিনি।

সাদিক বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা আমাদের প্রত্যাশা। আমরা ক্যাম্পাসকে স্বপ্নের ক্যাম্পাস হিসেবে গড়ে তুলব। ডাকসু নির্বাচনের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের কাছে আমানত রেখেছে, সেটি রক্ষা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের কাছে ডাকসুর ভিপি হিসেবে পরিচিত হতে চাই না। আমি কাম্পাসের বোনদের একজন ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই, আমি ক্যাম্পাসের ছোট ভাইদের একজন ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই, বড় ভাইদের স্নেহের ছোট ভাই হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। একজন বন্ধুর বন্ধু হিসেবে পরিচয় দিতে চাই। শিক্ষকদের ছাত্র হিসেবে পরিচয় দিতে চাই।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি কথা দিচ্ছি, সাদিক কায়েমকে আগেও যেভাবে দেখেছেন। এখনও সেভাবেই পাবেন। শিক্ষার্থীদের যেকোনও সমস্যায় পাশে থাকব।’

ডাকসুর নব-নির্বাচিত ভিপি বলেন, ‘আবাসন, গবেষণাসহ সব বিষয় নিয়ে কাজ করা হবে। শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষাই আমাদের আকাঙ্ক্ষা। স্বপ্নের ক্যাম্পাস না হওয়া পর্যন্ত আমাদের এ লড়াই চলবে।’  ‘নির্বাচন আয়োজনে শিক্ষার্থীরা রাতদিন এক করে কাজ করেছেন। নির্বাচন সফল করতে শিক্ষার্থীদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল। যে ধর্মের, মতের, পথের হোক না কেন— সবাই একসাথে এগিয়ে যাবো। ঢাবিকে পূর্ণাঙ্গ একাডেমিক ইনস্টিটিউট হিসেবে গড়ে তুলবো। নিরাপদ ক্যাম্পাস হবে নারীদের জন্য।’

উল্লেখ্য, চূড়ান্ত ফলাফল অনুযায়ী ভিপি পদে ছাত্রশিবির সমর্থিত ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোটের সাদিক কায়েম পেয়েছেন ১৪ হাজার ৪২ ভোট । তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রদল সমর্থিত ভিপি প্রার্থী আবিদুল ইসলাম খান পেয়েছেন ৫ হাজার ৭০৮ ভোট।ৎ

আলোকিত প্রতিদিন/১০সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

ঋতুপর্ণা ও মৌসুমীকে সঙ্গে নিয়ে প্রকাশ্যে এলেন ফেরদৌস

বিনোদন ডেস্ক:
প্রথমবারের মতো জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১০ আসনে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়ী হয়েছিলেন ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ।

তবে নির্বাচনের পর এক বছরও সংসদ সদস্য হিসেবে থাকার সৌভাগ্য হয়নি এই নায়কের। ছাত্র-জনতার এক দফা দাবির জেরে গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান।

শেখ হাসিনার দেশত্যাগের খবরের পর সরকারের অনেক মন্ত্রী, এমপিরাও দেশ ছাড়েন। একদিন পরই ভেঙে দেওয়া হয় সংসদ। আওয়ামী লীগ সমর্থিত তারকারা গা ঢাকা দেওয়ার পাশাপাশি অনেকেই দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন।

ভাইরাল হওয়া এক ভিডিওতে দেখা গেছে  তাদেরকে। যেখানে ওপার বাংলার অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত ও বাংলাদেশের চিত্রনায়িকা মৌসুমীও ছিল। ভিডিওতে ফেরদৌস জানান, এই প্রথমবার তারা একসঙ্গে নিউইর্য়কে গেছেন। তার কথায়, ‘এই দুই মহান নায়িকার সমন্ধে কিছু বলা যায়, আমরা তিনজন প্রচুর কাজ করেছি। আমরা তিনজন শুধুমাত্র একটা সিনেমায় কাজ করেছে।’

তাদেরকে বেশ খোশ মেজাজে দেখা গেছে। এদিকে ভিডিওতে মৌসুমী বলেন, ‘অনেকবার চেষ্টা করেছি তিনজন একসঙ্গে আসার জন্য, কখনোই হয়নি।’

আলোকিত প্রতিদিন/ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

বয়স ১৬ বছর হলেই পাবে এনআইডি : ইসি সচিব

আলোকিত প্রতিবেদক:

বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হলেই জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) নিবন্ধনের জন্য বাংলাদেশি যেকোনো নাগরিক আবেদন করতে পারবেন বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। নিবন্ধন হওয়ার পর তাদের এনআইডি দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

০৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, যার বয়স ১৬ বছর পূর্ণ হবে তিনিই আবেদন করতে পারবেন এখানে ওই পহেলা জানুয়ারি পহেলা মার্চ বা এরকম কোনো কিছু নাই। তবে ভোটের নিয়ম সাংবিধানিকভাবে ১৮ বছর। সেক্ষেত্রে তারা ভোট দিতে পারবেন না।

তিনি আরও বলেন, যে এনআইডি কার্ড হারিয়ে গেলে জিডি করার একটা প্রভিশন ছিল ওটাকে আমরা বলেছি এটা লাগবে না। মানুষের অসুবিধা হয়, সময় এবং সুযোগের স্বল্পতা আছে।  তার থেকে বরং জিডি ছাড়াই দ্বিতীয়টা কার্ড পাওয়ার সুবিধা আছে।

সকালে ইসির সামনে সীমানা নির্ধারণ নিয়ে মানববন্ধন হয়েছে, এক্ষেত্রে সীমানা পুণঃনির্ধারণের সুযোগ আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, সীমানা পুনঃনির্ধারণের বিষয় যেটা হচ্ছে, আপনারা যদি সীমানা নির্ধারণ সংক্রান্ত আইনটা দেখেন ওটাতে বলা আছে, সাত ধারার ছয় এবং সাতে আমাদেরকে চূড়ান্ত যে করা হবে এবং সাত ধারায় বলা আছে– এটার পরে এ ব্যাপারে সংশোধন করতে গেলে আইনগতভাবে আদালতেও যাওয়ার সুবিধা সীমিত।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

টানা বিক্ষোভের মুখে পদত্যাগ করলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

 

নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন। টানা দুইদিনের বিক্ষোভের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে গেলেন তিনি। ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি পদত্যাগ করেছেন বলে তার সচিবালয় এক বিবৃতিতে নিশ্চিত করেছে।

কেপি শর্মা ওলি এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, চলমান সংকটের সংবিধানসম্মত সমাধানের পথ সুগম করার জন্য তিনি পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার ভোর থেকে রাজধানী কাঠমান্ডুসহ সারা নেপালে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল। এ সময় উত্তেজিত জনতা একাধিক প্রভাবশালী নেতার বাসভবনে হামলা এবং ভাঙচুর চালায়। আক্রমণের শিকার হয় ওলি ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবার বাসভবনও। রাজনৈতিক দলগুলোর কার্যালয়ও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়।

সিভিল সার্ভিস হাসপাতালের নির্বাহী পরিচালক মোহন রেগমি বিবিসিকে জানিয়েছেন, মঙ্গলবারের বিক্ষোভে অন্তত দুজন নিহত হয়েছেন। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন আরও ৯০ জন।

এর আগে তরুণদের আন্দোলনে নিরাপত্তা বাহিনীর দমনপীড়নের পর দেশজুড়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ার পর সংকট নিরসনে সর্বদলীয় বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি।

পদত্যাগের আগে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে ওলি জানান, বৈঠকটি সন্ধ্যা ৬টায় অনুষ্ঠিত হবে। তবে কোথায় বৈঠক বসবে তা উল্লেখ করা হয়নি। তিনি বলেছিলেন, এই সংকটের সমাধান একমাত্র আলোচনার মাধ্যমেই সম্ভব।

তিনি আরও বলেন, “রাজধানীসহ সারা দেশে সোমবারের বিক্ষোভ এবং পরবর্তী ঘটনাগুলো আমাকে দুঃখিত করেছে। কোনো ধরনের সহিংসতা দেশের স্বার্থে ভালো নয়। শান্তিপূর্ণ ও আলোচনাভিত্তিক সমাধানই এখন প্রয়োজন।”

আলোকিত প্রতিদিন/ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

 

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে যা বলছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

আলোকিত ডেস্ক:

দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির একটি তুলনামূলক চিত্র প্রকাশ করেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং। ৯ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম গণমাধ্যমে একটি তুলনামূলক প্রতিবেদন পাঠান। সেখানে উল্লেখ করা হয়, ২০২০ সাল থেকে ২০২৫ সালের আগস্ট পর্যন্ত অপরাধের তুলনামূলক চিত্র এখানে তুলে ধরা হয়েছে।

হত্যাকাণ্ড প্রসঙ্গে প্রতিবেদনে বলা হয়, অন্তর্বর্তী সরকারের গত ১৩ মাসে হত্যাকাণ্ডের হার বেশি বলে মনে হয়েছে। এটি আংশিকভাবে মনে হচ্ছে এই কারণে যে, হাসিনার ১৬ বছরের শাসনামলে কমপক্ষে ১ হাজার ১৩০টি হত্যাকাণ্ডের মামলা কেবল বিপ্লবের পরে (২০২৪ সালের ৬ আগস্ট থেকে এই বছরের আগস্টের পর্যন্ত) দায়ের করা হয়েছিল। অনেক হত্যার মামলা এর আগে ক্ষমতাসীন দলের গুন্ডাদের দ্বারা দায়ের করতে বাঁধা দেওয়া হয়েছে এবং পুলিশকে মামলা নিতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছিল এবং সেসব মামলা কেবল সরকার পরিবর্তনের পরে প্রকাশিত এবং রেকর্ড করা হয়েছিল।

প্রতিবেদনে বলা হয়, আগের বছরগুলোর তুলনায় ২০২৫ সালে অপরাধের অনেক ক্যাটাগরিও বেড়েছে। এটি সহিংসতার নতুন ঢেউ সম্পর্কে কম এবং বিলম্বিত বিচারের কারণে বেশি হয়েছে। রাজনৈতিকভাবে সুরক্ষিত অপরাধীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করতে নাগরিকদের আর বাধা দেওয়া হচ্ছে না।

ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা ভুক্তভোগীদের মামলা দায়ের থেকে বিরত রেখেছিল, বিশেষ করে যখন অপরাধীরা তাদের দলের কর্মী ছিল, তখন শেখ হাসিনার আমলে অপরাধের তথ্য নিম্নমুখী হয়েছিল। ক্ষমতাসীন দলের লোকদের বিরুদ্ধে মামলা করতেও নারাজ ছিল পুলিশ বিভাগ।

অপরাধের পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে প্রেস উইং জানায়, ডাকাতি ১ হাজার ৪০৫ (২০২৪ সালে) থেকে ১ হাজার ৩১৪ (২০২৫ সালে) এ নেমে এসেছে, তবে ২০২৩ সালের আগের স্তরের তুলনায় এখনও বেশি আছে। এর কারণ হচ্ছে—প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপ ছাড়াই এখন থানায় ডাকাতির সমস্ত মামলা রেকর্ড করা হচ্ছে। উপরন্তু, থানাগুলোর মধ্যে একটি সহায়ক পরিবেশ স্থাপন করা হয়েছে, নাগরিকদের ভয় বা দ্বিধা ছাড়াই অপরাধের অভিযোগ দায়ের করতে উৎসাহিত করা হয়েছে।

আইন ও শৃঙ্খলা বিঘ্নিত (দ্রুত বিচার) আইনের অধীনে অপরাধগুলো ১ হাজার ২২৬ (২০২৪ সালে) থেকে  ৬৫১ (২০২৫) এ কমেছে। সহিংস সংঘর্ষ ১২৫ (২০২৪ সাল) থেকে ৫৯ (২০২৫ সাল) এ নেমে এসেছে।

চুরির মামলা উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে। ২০২৪ সালে ৮ হাজার ৬৫২টি মামলা দায়ের হলেও ২০২৫ সালে ৬ হাজার ৩৫৪টি মামলা দায়ের হয়েছে।

প্রেস উইং বলছে, সহিংস অপরাধ (হত্যার ঘটনা) বাড়ছে বলে মনে হচ্ছে, তবে সাধারণ অপরাধগুলোর নিম্নমুখী প্রবণতা রয়েছে, যা আরও ভালো আইনের প্রয়োগ এবং আরও সঠিক মামলা দায়ের—উভয়ের দিকে ইঙ্গিত করে।

২০২৪ সালের আগস্ট থেকে হত্যা এবং নির্দিষ্ট অপরাধের বৃদ্ধি সম্পূর্ণরূপে সহিংসতার বৃদ্ধি নয়—এটি দীর্ঘ-অবদমিত মামলাগুলো অবশেষে দায়ের করাকে প্রতিফলিত করে। এমনকি গত ১৩ মাসে রেকর্ড করা কিছু হত্যা মামলার ঘটনাগুলো ২০০৯-২০১৩ সালেও সংঘটিত হয়েছে।

প্রেস উইং বলছে, ফৌজদারি জবাবদিহিতা উন্নত হয়েছে। ভুক্তভোগীরা এখন রাজনৈতিক সন্ত্রাসীদের ভয় ছাড়াই অভিযোগ করতে পারবেন। পুলিশ কর্মকর্তারা এখন আর মানুষকে ফৌজদারি মামলা দায়ের করতে নিরুৎসাহিত করছে না। কিছু ক্যাটাগরি বিশেষ করে চুরি, নতুন পরিস্থিতিতে হ্রাস পাচ্ছে, যা নির্ভয়ে অভিযোগের সুযোগ তৈরি করার পাশাপাশি উন্নত আইন-শৃঙ্খলার ইঙ্গিত দিতে পারে।

আলোকিত প্রতিদিন/ ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম