আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 296

এমন কোনও নির্বাচন আয়োজন উচিত নয়, নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে : ডা. জাহিদ

আলোকিত ডেস্ক: 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র সংসদ (ডাকসু ও জাকসু) নির্বাচনের ‘নিরপেক্ষতা’ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক এ জেড এম জাহিদ হোসেন।

১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার শেরে বাংলা নগরে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে পুস্পমাল্য অর্পণের পরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ দাবি করেন।

ডা. জাহিদ বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের মধ্যে ছাত্র সংসদের যে নির্বাচন হচ্ছে এটি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। গতকালকে যে জাকসু নির্বাচন হয়েছে সেখানে শুধু ছাত্র দলের কথা কেন বলেন, সেখানে বিভিন্ন প্যানেল, স্বতন্ত্র প্রার্থী, ইভেন শিক্ষকরা পর্যন্ত নির্বাচন থেকে অনেকেই সরে দাঁড়িয়েছেন। নিশ্চয়ই সেখানে কোনো কারণ আছে।

বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘কাজেই আমার বক্তব্য অত্যন্ত সুস্পষ্ট দেশের মানুষ ২০০৯ এ ভোট দিতে পারেনি। ২০১৪-তে ভোটারবিহীন নির্বাচন হয়েছে, ২০১৮-তে দিনের ভোট রাতে হয়েছে, ২০২৪-এ আমি-ডামি নির্বাচন হয়েছে। মানুষ নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি আস্থা রাখতে চায়। সংশ্লিষ্টদের উচিৎ হবে এমন কোনো নির্বাচন আয়োজন না করা যে নির্বাচন নিয়ে মানুষের মধ্যে প্রশ্ন আসবে, মানুষ দ্বিধাগ্রস্ত হবে, নির্বাচন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বি দলসমূহ সরে যাবে।

ডাকসু নির্বাচনে পেশাগত দায়িত্বপালনকালে সাংবাদিক তরিকুল ইসলাম এবং জাকসুতে নির্বাচনের দায়িত্ব পালনকালে শিক্ষক জান্নাতুলফেরদৌসের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেন জাহিদ।

‘বিভক্তিতে স্বৈরাচার ফেরার পথ সুগম হবে’ বলে উল্লেখ করে জাহিদ হোসেন বলেন, কোনো বিভেদ-বিভাজন আপনাকে আমাকে শক্তিশালী করবে না। মনে রাখতে হবে স্বৈরাচার পালিয়েছে… স্বৈরাচার ফেরত আসার পথ সুগম হবে না। কিন্তু কেউ যদি স্বৈরাচারকে পুনর্বাসিত করতে চান তাহলে এই ধরনের প্রহসনমূলক ব্যবস্থার আয়োজন করবেন যেটি সত্যিকার অর্থে শেষ বিচারে ভালো বলে পরিগণিত হবে না।

তিনি বলেন, এখনো সময় আছে, সবার প্রতি আহ্বান ঐক্যবদ্ধ হন। গণতন্ত্রের জন্য যারা লড়াই করেছেন তারা কোনো অবস্থাতেই বিভাজনের রাজনীতিতে যাবেন না। ঐক্যের রাজনীতিতে আসুন। জনগণের মনের ভাষা বুঝতে চেষ্টা করুন। জনগণের উপর দায়িত্ব দিন।

ডা. জাহিদ বলেন, যারা নির্বাচন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পৃক্ত তাদের বলব, বামেও যাবেন না ডানেও যাবে না…মধ্যবর্তী অবস্থা অবলম্বন করুন এবং ভোটারদের সঙ্গে জনগণ ও পরিবেশের সঙ্গে খাপ খাইয়ে চলুন। কোনদিকে হেলে পড়ার দরকার নেই। আপনি আপনার নিরপেক্ষতা দিয়েই প্রমাণ করবেন এবং আগামী দিনের ভবিষ্যৎ স্বীকৃতি দেবে আপনার অবস্থান কি ছিল। কেউ নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াবে, সেই নির্বাচনের সঙ্গে সম্পৃক্ত কর্মকর্তারা শিক্ষকরা সরে দাঁড়াবে এটা গ্রহণযোগ্য নয়।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, জনগণই সিদ্ধান্ত নেবে আগামী দিনের সংবিধান কী হবে, সংস্কার কী ধরনের হওয়া উচিৎ। জনগণ যাদেরকেই নির্বাচিত করে সংসদে ঠাবে তারাই ৩৬ জুলাইয়ের যে আদর্শ এবং উদ্দেশ্য সর্বোপরি এ দেশের মানুষের আকাঙ্ক্ষার ওপর ভিত্তি করেই আগামী দিনে সংসদে সংস্কার হবে। সেই সংস্কারের মাধ্যমেই বাংলাদেশ ভবিষ্যৎমুখী বাংলাদেশ অর্থাৎ আগামীর বাংলাদেশ ৩১ দফার আলোকে বিনির্মাণে বিএনপির দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নেতৃত্ব দেবেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১২সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের দুদিন পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

আরএম সেলিম শাহী, শেরপুর প্রতিনিধি, শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে নিখোঁজের দুদিন পর ইলিয়াস (১০) নামে এক শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (১২সেপ্টেম্বর) গভীর রাতে উপজেলার গান্ধিগাঁও কালীস্থান সংলগ্ন কালঘোষা নদী থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় নাজমুল নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত ইলিয়াস স্থানীয় ব্র্যাক স্কুলের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং গান্ধিগাঁও এলাকার কালু গাজীর ছেলে। নিহতের পরিবার জানায়, বুধবার ভোরে ইলিয়াস নিখোঁজ হয়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরে শুক্রবার গভীর রাতে বাড়ির পাশের নদীতে তার মরদেহ ভেসে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ জানায়, ইলিয়াসের শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, আটককৃত নাজমুলের মুরগির খামারে বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে শিশুটির মৃত্যু হয়। পরে লাশ গুম করার উদ্দেশ্যে নদীতে ফেলে দেওয়া হতে পারে। ঝিনাইগাতী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আল আমিন বলেন, “শিশুর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। সন্দেহভাজন নাজমুলকে আটক করা হয়েছে। ডাক্তারি প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে না,এই জায়গা আমাদের:নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

কোনো ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা হবে না বলে মন্তব্য করেছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডকে নিয়ে তিনি বলেছেন, ‘এই জায়গা আমাদের’।

এমনকি পশ্চিম তীরে নতুন বসতি স্থাপন প্রকল্প অনুমোদনও দিয়েছেন তিনি। বিশ্লেষকরা বলছেন, এ পদক্ষেপ কার্যত ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠনের সব সম্ভাবনা নষ্ট করে দেবে।

১২ সেপ্টেম্বর শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু অধিকৃত পশ্চিম তীরে নতুন বসতি স্থাপন প্রকল্প আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন দিয়েছেন। বিশ্লেষকদের মতে, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ভবিষ্যতে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র গঠন কার্যত অসম্ভব হয়ে পড়বে।

বৃহস্পতিবার নেতানিয়াহু এই প্রকল্পে সই করেন, যা পশ্চিম তীরকে দুই ভাগে বিভক্ত করবে। মা’লে আদুমিম বসতিতে এক অনুষ্ঠানে নেতানিয়াহু বলেন, “আমরা আমাদের প্রতিশ্রুতি পূরণ করছি— কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র হবে না। এ জায়গা আমাদের।” তিনি বলেন, শহরের জনসংখ্যা দ্বিগুণ করা হবে।

১২ বর্গকিলোমিটার জমির ওপর গড়ে ওঠা এই বসতিটি “ইস্ট ১” বা “ই-ওয়ান” নামে পরিচিত। এখানে ৩ হাজার ৪০০ নতুন বাড়ি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। এ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে পশ্চিম তীরের একটি বড় অংশ দখলকৃত পূর্ব জেরুজালেম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে, একইসঙ্গে ওই অঞ্চলের হাজারো ইসরায়েলি বসতি একে অপরের সঙ্গে সংযুক্ত হবে।

পূর্ব জেরুজালেমকে ভবিষ্যৎ ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের রাজধানী হিসেবে দেখে আসছে ফিলিস্তিনিরা। তবে ১৯৬৭ সাল থেকে দখল করা পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের সব বসতি আন্তর্জাতিক আইন অনুসারে অবৈধ বলে গণ্য হয়, এমনকি সেগুলো ইসরায়েলের অনুমোদন পেলেও।

আল-জাজিরার প্রতিবেদক হামদাহ সালহুত জানান, এই সম্প্রসারণ পরিকল্পনা পশ্চিম তীর ও পূর্ব জেরুজালেমের ভৌগোলিক সংযোগ ধ্বংস করবে। এর ফলে ভবিষ্যতে কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের সম্ভাবনা আরও ক্ষীণ হবে।

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র নাবিল আবু রুদেইনাহ বৃহস্পতিবার বলেন, পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রই এই অঞ্চলে শান্তির চাবিকাঠি। তিনি একে এবং দ্বিরাষ্ট্র সমাধানকে “অপরিহার্য” বলে উল্লেখ করেন।

তিনি ইসরায়েলি বসতিগুলোকে আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী আখ্যা দিয়ে অভিযোগ করেন, নেতানিয়াহু সমগ্র অঞ্চলকে “অন্ধকার গহ্বরে ঠেলে দিচ্ছেন”। রুদেইনাহ বলেন, ইতোমধ্যেই জাতিসংঘের ১৪৯ সদস্য রাষ্ট্র ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে। তিনি বাকি দেশগুলোকে অবিলম্বে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি দেওয়ার আহ্বান জানান।

নেতানিয়াহু দীর্ঘদিন ধরেই অধিকৃত ভূখণ্ডে বসতি স্থাপনের পক্ষে এবং ইসরায়েল-ফিলিস্তিনি শান্তি প্রক্রিয়ার বিরোধী। ১৯৯০–এর দশকে স্বাক্ষরিত অসলো চুক্তির বিরুদ্ধেও তিনি সরব ছিলেন। ২০০১ সালে ফাঁস হওয়া এক ভিডিওতে নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন, তিনি কার্যত ওই চুক্তির ইতি টেনেছেন।

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম মেয়াদে (১৯৯৭ সালে) নেতানিয়াহু পূর্ব জেরুজালেমে হার হোমা নামের বসতি গড়ে তুলতে সহায়তা করেন। পরবর্তী সময়ে তিনি বলেন, তার ক্ষমতায় থাকাকালে কোনো ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র কখনোই গঠিত হবে না।

সম্প্রতি ইসরায়েলের কট্টর উগ্র ডানপন্থি অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচও বলেছেন, ই-ওয়ান–এর মতো বসতি ফিলিস্তিনকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১২সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

জাকসু নির্বাচন বর্জনের মহোৎসব

জাহিদ হাসান হৃদয় : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণ, ভোটকেন্দ্রে বিশৃঙ্খলা, পোলিং এজেন্টদের হয়রানি, জাল ভোট, ভোটারের অতিরিক্ত ব্যালট কেন্দ্রে পাঠানো, ব্যালট পেপার ফ্লোরে পড়ে থাকা ও পুরো ভোটকেন্দ্র শিবিরকে মনিটর করার সুযোগ দেওয়াসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলসহ আরও পাঁচ সংগঠন নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন। এতে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল, ‘ছাত্র ইউনিয়ন’ (একাংশ), ‘সম্প্রীতির ঐক্য’, ‘সংশপ্তক পর্ষদ’, ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট প্যানেল সংহতি জানায়।

গতকাল ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার দেড় ঘণ্টা আগে বেলা সাড়ে ৩টার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) প্রার্থী তানজিলা হোসেন বৈশাখী। এদিকে নানা অভিযোগ এনে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে সম্প্রীতির ঐক্য ও স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ প্যানেলসহ পাঁচজন স্বতন্ত্রপ্রার্থী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় এ ঘোষণা দেন তারা। এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত জাকসুতে মোট ছয়টি প্যানেল ভোট বর্জন করেছে। এদিকে এবার জাল ভোট ও ভোটারের অতিরিক্ত ব্যালট কেন্দ্রে পাঠানোসহ জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছে ‘সংশপ্তক পর্ষদ’। গতকাল বিকেল ৫টার দিকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। ভোট শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রান্সপোর্ট চত্বরে চারটি প্যানেলের পক্ষে এ ঘোষণা দেন ছাত্র ইউনিয়ন (একাংশ) সমর্থিত ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ প্যানেলের সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদপ্রার্থী শরণ এহসান। এতে ‘ছাত্র ইউনিয়ন’ (একাংশ), ‘সম্প্রীতির ঐক্য’, ‘সংশপ্তক পর্ষদ’, ‘স্বতন্ত্র অঙ্গীকার পরিষদ’ এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট প্যানেল সংহতি জানায়। শরণ এহসান তার বক্তব্যে বলেন, “পুরো নির্বাচনের ক্রেডিবিলিটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। একটি সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায় জাকসু নির্বাচন আমাদের আজীবনের দাবি। জাহাঙ্গীরনগরের আপামর শিক্ষার্থী অপেক্ষা করেছে এই নির্বাচনের জন্য। কিন্তু চূড়ান্ত রকমভাবে আমরা ক্ষুদ্ধ, হতাশ। আমরা এই অনিয়মের নির্বাচনকে বয়কট করছি এবং দ্রুত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানাচ্ছি।” এদিকে, জাকসু বর্জনের ঘোষণা দিয়ে সংশপ্তক পর্ষদ তাদের বিজ্ঞপ্তিতে কয়েকটি অভিযোগের কথা উল্লেখ করেন। সেগুলো হলো- ১. ছাত্রী সংস্থার মেয়েদের জাল ভোটের একটি অভিযোগ পাওয়া গেছে ১৫ নম্বর ছাত্রী হল কেন্দ্রে ভোট দেওয়ার জায়গায় পূরণ করা ব্যালট পাওয়া গেছে। ২. শহীদ সালাম বরকত হলে ভোটার সংখ্যা ২৯৯ জন হলেও ভোটকেন্দ্রে মোট ব্যালটপেপার গিয়েছে ৪০০টি। ৩. ভোটার তালিকায় ছবি যুক্ত করা হয়নি। যে কেউ এসে ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। রফিক-জব্বার হলে তার প্রমাণও মিলেছে। ৪. প্রতিটি হলেই বিভিন্ন সংগঠনের বহিরাগতের অবস্থান দেখা গেছে। ৫. বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষপাতমূলক আচরণ পরিলক্ষিত হয়েছে। ৬. এছাড়া অন্যান্য অভিযোগও আমরা দেখতে পেয়েছি। এদিকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচন বর্জনের পর নির্বাচন কমিশন অফিসের সামনে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল। গতকাল রাত সোয়া ৯টার দিকে বিক্ষোভ করেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। এসময় ‘ভোট চুরির জাকসু, মানি না মানবো না’, ‘ভোট চুরির জাকসু, ভেঙে দাও গুঁড়িয়ে দাও’ স্লোগান দেন তারা। মিছিলে ছাত্রদল প্যানেলের প্রার্থীরাসহ জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক, সদস্য সচিব, যুগ্ম সচিব উপস্থিত ছিলেন। দ্রুত সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য প্রক্রিয়ায় পুনরায় নির্বাচনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোনও বিকল্প আমাদের কাছে নেই : প্রধান উপদেষ্টা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোনো বিকল্প এ সরকারের কাছে নেই। নির্বাচনের আগে মৌলিক সংস্কারগুলোর কাজ শেষ করতে তাগিদও দিয়েছেন তিনি।

১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন, “নির্বাচনকে সামনে রেখে আমাদেরকে অবশ্যই মৌলিক সংস্কারগুলো চুড়ান্ত করে ফেলতে হবে। একই সঙ্গে মাথায় রাখতে হবে, ফেব্রুয়ারির প্রথমার্ধে নির্বাচনের কোন বিকল্প আমাদের হাতে নেই।”

নির্বাচনের মতো জুলাই সনদও অন্তর্বর্তী সরকারের কাছে গুরুত্বপূর্ণ— উল্লেখ করে অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধানতম তিনটি ম্যান্ডেটের অন‍্যতম হচ্ছে সংস্কার। তাই নির্বাচন এবং বিচারের মতোই সমান গুরুত্ব দিয়ে জুলাই সনদের বিষটিকে দেখতে হবে।”

“আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় নির্বাচন শুধুমাত্র একটি সাধারণ নির্বাচনই নয়, এটি হচ্ছে একটি ফাউন্ডেশনাল ইলেকশন যার মাধ্যমে নির্ধারিত হবে আগামীর বাংলাদেশের পথরেখা।”

দুই ঘণ্টার এ বৈঠকে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ঐকমত্য কমিশনের প্রস্তাব এবং এ সংক্রান্তে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রস্তাব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

কমিশন সদস্যরা জানান, খুব শিগগিরই কমিশন তাদের প্রতিবেদন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে জমা দিবে। এই বিষয়টিকে সামনে এগিয়ে নিতে আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আবারো বৈঠক করবে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে গঠিত ছয় সদস্যবিশিষ্ট কমিটির প্রস্তাবনাগুলোও বৈঠকে তুলে ধরা হয়।

কমিশনের পক্ষ থেকে বৈঠকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

অপরদিকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল, সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১২সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

জাকসুতে ভোট গণনাকালে, নারী পোলিং অফিসারের মৃ#ত্যু

বিশেষ প্রতিনিধি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোট গণনা অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে পোলিং অফিসার দায়িত্ব পালনকালে চারুকলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জান্নাতুল ফেরদৌসের মৃত্যু হয়েছে।

শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) সকালে তিনি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন তিনি।

 

জান্নাতুল ফেরদৌস ২০১৮ এবং ২০১৬ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা (চিত্রকলা শৃঙ্খলা) বিভাগ থেকে এমএফএ এবং বিএফএ সম্পন্ন করেন। বর্তমানে তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগে (শৃঙ্খলা:চিত্রকলা) প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার গবেষণার মধ্যে রয়েছে- চিত্রকলা, মুসলিম শিল্প এবং শিল্পের ইতিহাস।

উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটারের সংখ্যা ১১ হাজার ৮৯৭ জন। কেন্দ্রীয় সংসদের ২৫ পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নেমেছিলেন ১৭৭ প্রার্থী। বামপন্থি, শিবির, ছাত্রদল ও স্বতন্ত্রদের সমর্থিত মিলিয়ে সর্বমোট ৮টি প্যানেল ছিল এবারের জাকসু নির্বাচনে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

জাকসু নির্বাচন: এখনো ভোট গণনা চলছে, ফল প্রকাশ বিকেলে

বিশেষ প্রতিনিধি, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন শেষে চলছে ভোট গণনা শুরু। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টায় এই ভোট গণনা শুরু হয়ে এখনো চলমান রয়েছে।

এখন পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, মোট ১২টি হলের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। এখন শহিদ রফিক-জব্বার, ২১নং ছাত্র হলের ভোট গণনা চলছে বলে জানা গেছে।

মানুয়ালি ভোট গণনার কারণে ফল প্রকাশে দেরি হচ্ছে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল এলাহী। তিনি বলেন, ‘আশা করি আমরা বিকেল ৪টার মধ্যে ফল ঘোষণা করতে পারব।’

এর আগে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের তিনি জানান, ‘এখন পর্যন্ত তিনটি হলের ভোট গণনা শেষ হয়েছে। সারারাত ভোট গণনা চলেছে। দ্রুত গণনা সম্পন্ন করতে সকালে অভিজ্ঞ লোকবল আনার চিন্তা করছে কমিশন।’

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ভোটগ্রহণ চলে। তবে নির্ধারিত সময়ের বাইরে, শেষ মুহূর্তে ভোটারদের ভিড় বেড়ে যাওয়ায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম হল ও তাজউদ্দীন আহমদ হলে ভোট শেষ হতে দেরি হয়। পরে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট হলে ভোট গণনা শুরু হয়। আর সেই দৃশ্য এলইডি স্ক্রিনে সরাসরি দেখানো হচ্ছে।

এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৭ জন। বিভিন্ন পদে মোট ১৭৮ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর মধ্যে সহসভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

জাকসু নির্বাচন বর্জন করল ছাত্রদল প্যানেল

আলোকিত ডেস্ক, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু) নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে বর্জন করেছে ছাত্রদল সমর্থিত প্যানেল। তাদের অভিযোগ, শিবির সমর্থিত প্যানেলকে জেতাতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জামায়াতের সঙ্গে আঁতাত করেছে তারা।

বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে এক সংবাদ সম্মেলনে ছাত্রদল সমর্থিত জিএস পদপ্রার্থী তানজিলা হোসাইন বৈশাখী নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন তিনি। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার এক ঘণ্টারও বেশি সময় আগে ভোট বর্জনের ঘোষণা এলো।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

কলাপাড়ায় এলাকাবাসীর তোপের মুখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মান কাজ বন্ধ

মো: সোহাগ: 
 পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে বিদ্যালয়ের ভবন নির্মানের কাজ করায় এলাকাবাসীর তোপের মুখে নির্মান কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে  এলজিইডি কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে কলাপাড়া পৌরশহরের বড় শিকদার বাড়ী সংলগ্ন “কলাপাড়া সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের” এ নির্মান কাজ বন্ধ করে দেয়া হয়।
এলাকাবাসী জানায়, বিদ্যালয়ের তিন টি অতিরিক্ত শ্রেনীকক্ষের প্রয়োজনে  দ্বিতল বিশিষ্ট একটি  ভবন নির্মানের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি।
 ৮১ লাখ ৭২ হাজার ৫৪৬ টাকা ব্যয়ের এ ভবনের নির্মান কাজ পায় মেসার্স গাজী কনষ্ট্রাকশন নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।
 ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে নির্মান কাজ শুরুর পর থেকে  নিম্নমানের রড ও সিডিউল বহির্ভূত নিম্নমানের  সামগ্রী ব্যবহারে বারবার অভিযোগ তোলেন এলাকাবাসী।  দীর্ঘদিনেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেয়ায় এলাকাবাসীর তোপের মুখে কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় এলজিইডি।
 বড় সিকদার বাড়ী এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক মো.মাইনুল হাসান জানান,সিডিউল মোতাবেক কাজ করতে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারকে অনুরোধ করা সত্বেও তারা তা কখনো কানে তোলেন নি। বরং খাম খেয়ালীপনা করে নিন্মমানের ইট,বালু দিয়ে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল।
এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বক্তব্য  নিতে  একাধিকবার তার মোবাইল ফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
কলাপাড়া এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী সাদেকুর রহমান সাদীক বলেন, এলাকাবাসীর  অভিযোগ পাওয়ায় নির্মান কাজ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১১সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

সাতকানিয়ায় ভূমি জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন

নুরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম দক্ষিণ:
সাতকানিয়ার নলুয়ায় জোরপূর্বক অন্যায়ভাবে ভূমি জবর দখলের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেছে ভুক্তভোগী মহল ও এলাকাবাসী।
১১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বিকালে নলুয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন মরফলা বাজারের পশ্চিমে হারাধন মেম্বারের বাড়ির পাশে এ কর্মসূচী পালিত হয়। এতে সাতকানিয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি মিলন দাশ এবং তার ভাই সুব্রত দাশকে ভূমিদস্যু আখ্যা দিয়ে তাদেরকে আইনের আওতায় আনার দাবী জানিয়ে গণমাধ্যমের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম কলেজের সাবেক ভাইস-প্রিন্সিপ্যাল প্রফেসর অজিত কুমার দাশের ছোট ভাই সুধীর দাশ ও মন্টু দাশ, হারাধন মেম্বারের পুত্র অমল কান্তি দাশ, স্থানীয় সুধীর দাশ, অমল দাশ, রণি দাশ, স্বপ্না দাশ, রীনা দাশ, স্বরস্বতী দাশ, কলি দাশ প্রমূখ।
তারা বলেন, “স্থানীয় পুলেন বিহারী দাশের দুই পুত্র ভূমিদস্যু ও আওয়ামী ডেভিল মিলন দাশ ও সুব্রত দাশ মিলে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে দলীয় ক্যাডার বাহিনী ও ভাড়াটে সন্ত্রাসী গ্রুপের সহায়তায় আমাদের এক একরের অধিক জায়গা জোরপূর্বক দখল করে নেয়। তারা আমাদের ভিটার প্রায় দশ লাখ টাকার গাছ লুট করে নেয়। এমনকি তারা শ্মশ্বানের জায়গাও দখল করে নেয়। আমাদের বাড়ি-ঘর পর্যন্ত রক্ষা পায়নি। তাদের সন্ত্রাসী হামলায় আমাদের অনেকেই বেশ কয়েকবার মারাত্মকভাবে আহত হয়েছে। এখন আমরা নিজেদের জায়গায় বাড়ী নির্মাণের উদ্যোগ নিলে তারা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছে।”
অত্র ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার আবু তাহের এবং নির্মল কান্তি দাশ মানববন্ধনস্থলে এসে বলেন, “কারো জায়গা জোরপূর্বক দখল করা চরম অন্যায়। রেকর্ড মোতাবেক যার জায়গা তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধানের বহু চেষ্টা করা হয়েছে। রক্তক্ষয়ী সংঘাত এড়াতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন।”
এ বিষয়ে বুধবার একটি লিখিত অভিযোগ সাতকানিয়া থানায় দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই বেলাল হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি তদন্ত করছি। এ ব্যাপারে যথাযথ আইনী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।”

আলোকিত প্রতিদিন/১১সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম