আজ রবিবার, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৫ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 294

রাজধানীতে ঝটিকা মিছিলের সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীকে গ্রেফতার

এম এইচ চৌধুরী, গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে ঝটিকা মিছিলে অংশগ্রহণকারীসহ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের আরও ৯জন নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করেছে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
গ্রেফতারকৃতরা হলো-১। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের ১০ নং ওয়ার্ড সেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো: মকছেদুর ওরফে মোকসেদুর রহমান মোল্লা কিশোর (৪৭) ২। মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রীনগর থানা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাবেক সভাপতি মোঃ এনামুল হুদা লালু (৬০) ৩।  ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী যুবলীগের ০৯ নং ওয়ার্ডের সাবেক সদস্য ও মতিঝিল থানা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুল গাফফার (৫৬) ৪। লালবাগ থানার ২৪ নং ওয়ার্ডের ৫ নং ইউনিটের আওয়ামী লীগের সভাপতি  বাহারুল ইসলাম টিটু (৪৬) ৫। মিরপুর থানা ছাত্রলীগের সক্রিয় কর্মী মোঃ সাইফুল ইসলাম লিয়ন (২৪) ৬। ঢাকা মহানগর দক্ষিন আওয়ামী লীগের তথ্য ও গবেষনা বিষয়ক সাবেক সম্পাদক ও বন ও পরিবেশ বিষয়ক বর্তমান সম্পাদক নাঈম নোমান(৬০) ৭। ডেমরা থানার ৬৬ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ হুমায়ুন কবির রাজন (৪২) ৮। ভোলা জেলার সদর উপজেলার চরসামাইয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও চরসামাইয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোঃ মহিউদ্দিন মাতব্বর (৪৩) ও ৯। ভাটারা থানা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও টাঙ্গাইল জেলা শাখা শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদের সহ-সভাপতি শিকদার সোহেল হাজারী (৩০)।
ডিবি সূত্রে জানা যায়, শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) সন্ধ্যা আনুমানিক ০৬:০০ ঘটিকায় ডিবি-মতিঝিল বিভাগ রাজধানীর তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মো: মকছেদুর ওরফে মোকসেদুর রহমান মোল্লা কিশোরকে গ্রেফতার করে। একই দিন রাত আনুমানিক ০৮:০৫ ঘটিকায় কলাবাগান থানার ইস্টার্ন প্লাজা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ এনামুল হুদা লালুকে গ্রেফতার করে ডিবি-লালবাগ বিভাগের লালবাগ জোনাল টিম। মোঃ আব্দুল গাফফারকে ডিবির একটি টিম পৃথক অভিযানে গ্রেফতার করে।
ডিবি সূত্রে আরও জানা যায়, শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫) রাত আনুমানিক ১১:৪৫ ঘটিকায় ডিবি-ওয়ারী বিভাগ লালবাগ থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে বাহারুল ইসলাম টিটুকে ও রাত আনুমানিক ১১:৫৫ ঘটিকায় মিরপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে মোঃ সাইফুল ইসলাম লিয়নকে গ্রেফতার করে। একই তারিখ রাত আনুমানিক ১১:১৫ ঘটিকায় পল্লবী মডেল থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে নাঈম নোমানকে গ্রেফতার করে ডিবি- মিরপুর বিভাগের সংঘবদ্ধ অপরাধ ও গাড়ি চুরি প্রতিরোধ টিম।

অন্যদিকে শনিবার দিবাগত রাত (১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫) আনুমানিক ০০:৪৫ ঘটিকায় ডেমরা থানার ডগাইর এলাকায় অভিযান

পরিচালনা করে মোঃ হুমায়ুনকে গ্রেফতার করে ডিবি-ওয়ারী বিভাগ। একই তারিখ সন্ধ্যা আনুমানিক ০৭:৩০ ঘটিকায়  ডিবি- গুলশান বিভাগের ক্যান্টনমেন্ট জোনাল টিম ধানমন্ডি থানা এলাকা থেকে  মোঃ মহিউদ্দিন মাতব্বরকে গ্রেফতার করে।  শিকদার সোহেল হাজারীকে ভোর আনুমানিক ০৪:৩০ ঘটিকায় কাফরুল থানাধীন সেনপাড়া পর্বত এলাকা থেকে গ্রেফতার করে ডিবি-মতিঝিল বিভাগের একটি টিম।

গ্রেফতারকৃত সকলের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগে বিভিন্ন থানায় মামলা রয়েছে। তারা সংঘবদ্ধ হয়ে আইনশৃঙ্খলা বিনষ্টের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করাসহ রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে ঝটিকা মিছিল করার মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত ছিল। গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন বলে জানান ডিএমপি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

বিশ্বে প্রথমবার দেখা গেলো বিরল প্রজাতির সোনালি হাঙর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বে প্রথমবার দেখা গেলো বিরল সোনালি হাঙর। সম্প্রতি কোস্টারিকা উপকূলে হাঙরটিকে দেখতে পান স্থানীয় ক্রীড়া মৎস্যশিকারিরা। গত গ্রীষ্মে তোর্তুগুয়েরো ন্যাশনাল পার্কের কাছে মাছ ধরতে গিয়ে তাদের জালে ধরা পড়ে ছয় ফুট লম্বা এক নার্স হাঙর। এর চোখ ছিল সাদা আর শরীর ছিল সোনালি রঙের। এমন রঙের হাঙর এর আগে কেউ কখনোই দেখেননি।

হাঙরটিকে সঙ্গে সঙ্গে ছেড়ে দেওয়া হলেও মৎস্যশিকারিরা ছবি তুলে পাঠান স্থানীয় গবেষকদের কাছে। প্রথমে অনেকে ছবিকে ভুয়া বলে সন্দেহ করলেও পরে বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত করেন, এটি আসল। তারা জানান, হাঙরটির অস্বাভাবিক রং এসেছে অ্যালবিনো-জ্যানথোক্রোমিজম নামে এক বিরল ত্বকজনিত সমস্যার কারণে।

গবেষকরা বলছেন, সাধারণত এ দুটি আলাদা আলাদা দেখা যায়। কিন্তু একইসঙ্গে উভয় বৈশিষ্ট্য পাওয়ার ঘটনা এটাই প্রথম।

নার্স হাঙর সাধারণত বাদামি রঙের হয়, যাতে তারা সমুদ্রতলের বালির সঙ্গে মিশে থাকতে পারে। এ ছদ্মবেশই তাদের শিকার ধরতে এবং শিকারি থেকে বাঁচতে সাহায্য করে। কিন্তু এই সোনালি রঙের  হাঙর স্পষ্টতই আলাদা।তবু আশ্চর্যজনকভাবে হাঙরটি ছিল পূর্ণবয়স্ক ও সুস্থ।

হাঙর গবেষক মেলিসা ক্রিস্টিনা মার্কেজ এ আবিষ্কারকে ‘মুগ্ধকর’ উল্লেখ করে বলেন, আমরা যে প্রজাতিগুলোকে অনেক চিনি বলে মনে করি, তার মধ্যেও এত ভিন্নতা থাকতে পারে, এটি তারই প্রমাণ।

গবেষক দানিয়েল নারাঞ্জো বলছেন, এই হাঙরের উপস্থিতি শুধু বিজ্ঞানের জন্য নয়, কোস্টারিকার জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। ভবিষ্যতে পর্যটকরাও হয়তো একে কাছ থেকে দেখার আশায় সমুদ্রে নামবেন।

সূত্র: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক

আলোকিত প্রতিদিন/১৪সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য,চাকরি করার জন্য নয়: প্রধান উপদেষ্টা

আলোকিত প্রতিবেদক:

মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য, চাকরি করার জন্য নয়- এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।

১৪ সেপ্টেম্বর রবিবার সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ) ভবন-২ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, মানুষ কারো চাকরি করার জন্য আসেনি। মানুষের জন্ম হয়েছে উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য। কাজেই সেদিকে যেন আমরা যেতে পারি, সবাইকে সেই সুযোগ যেন দিতে পারি।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, এখন মানুষ বহু রকমের উদ্যোক্তা হয়েছে। আমরা কারও তালিকা করে রাখিনি। কাজেই আরও সুযোগ আসছে। এর বড় কারণ হলো প্রযুক্তি। প্রযুক্তি আমাদেরকে সমস্ত কাজে একেবারে বিশ্বের সঙ্গে যুক্ত করে দিয়েছে। এখন প্রযুক্তিকে ব্যবহার করার সময় এসেছে।

তিনি বলেন, আমরা প্রতিটি মানুষকে তার নিজের সক্ষমতাকে কেন্দ্র করে যেখানে যেতে চায় সেখানে যাওয়ার সুযোগ করে দিতে চাই। আশা করি, এই কাজে পিকেএসএফ নতুন ভবনে এসে নতুন যাত্রা শুরু করবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, পিকেএসএফ এখন আগের কাঠামো নিশ্চয়ই পরিবর্তন করেছে। অনেক নিয়মকানুনের মধ্যে পরিবর্তন হয়েছে। বিনিয়োগের মধ্যে যেতে পারলে তো বড় আকারের একটা কিছু হতে পারে। এখনকার ছেলেমেয়েরা ৮০ সালের ছেলেমেয়ের মতো না। তারা অনেক পরিবর্তিত, অনেক দূর এগিয়ে গেছে।

তিনি আরও বলেন, ছেলেমেয়ে সবাই মিলে কয়েক লাখ বিনিয়োগকারী হয়েছে, উদ্যোক্তা হয়েছে। আইনকানুনের মধ্যে যেসব দূরত্ব সৃষ্টি হয়েছে, ইতোমধ্যে সেগুলো সংশোধন করা যায় কি না তা পরীক্ষা করে দেখার প্রয়োজন আছে। নিজস্ব আইন যেটা আছে, এটাকে আরও সম্প্রসারণ করা যায় কি না সেটিও দেখতে হবে।

পিকেএসএফ প্রতিষ্ঠার স্মৃতি তুলে ধরে প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বিশ্বব্যাংক থেকে ২০ কোটি টাকার একটি ফান্ড এসেছিল। ওই ২০ কোটি টাকাকে কেন্দ্র করে পুরো ঘটনা ঘটেছে। সেই ২০ কোটি টাকা উপলক্ষ্য না হলে পিকেএসএফ-এর জন্ম এভাবে হতো না, অন্য কোনোভাবে কোনোদিন হতে পারত। ধাক্কাটাও আসত না। আর এর পেছনে লেগে গিয়েছিল স্বয়ং প্রেসিডেন্ট (এরশাদ)। কাজেই ধাক্কাটা জোরেসোরে এসেছে। উনি চাচ্ছিলেন, টাকাটা থাকুক। উনি (এরশাদ) ভরসা করে আমাকে চাচ্ছিলেন যে, আমি একটু সমর্থন করি। আমি বলেছিলাম, টাকাটা ফেরত দিয়ে দিন। এই টাকাটা মানুষ খেয়ে ফেলবে। দারিদ্র্য নিরসনের অন্য কোনো দেশে এ রকম হয়েছে বলে মনে হয় না। একেবারে গোড়াতে গিয়ে যে মানুষের সঙ্গে কাজ করা, সেদিকে যথেষ্ট কাজ হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করেছে। আমরা ফাইন্যান্সিয়াল সিস্টেমকে গড়ে তুলতে পারলে সত্যি সত্যি মানুষকে উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে পারি।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

নিমসার বাজারে সওজ’র কোটি কোটি টাকার জায়গা বেদখল!

মোঃ ফয়েজ আহমেদ:  

দেশের অন্যতম বৃহৎ সব্জির পাইকার বাজার নিমসার বাজার এলাকায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের কোটি কোটি টাকার মুল্যবান জায়গা দখল করে একটি প্রভাবশালী মহল অবৈধভাবে ব্যবসায়ীদের কাছে ভাড়া দিয়ে বিপুল পরিমান টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এতে করে সরকার বিপুল পরিমান রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে প্রতিবছর। কখনো মাইকিং করে এসব স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও বেলা শেষে আবারো দখল করে নিচ্ছে সিন্ডিকেট সদস্যরা।কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের নিমসার এলাকা। জাতীয় প্রধান ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে থাকা অখ্যত এই জায়গাটিতে এক সময় এলাকার দানবীর জুনাব আলী নিজ নামে একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা করলে স্থানটির গুরুত্ব বেড়ে যায়। পরবর্তীতে বিগত শতাব্দির ’৮০’র দশকের মাঝামাঝি কলেজ সংলগ্ন মহাসড়কের পাশজুড়ে স্থানীয় কৃষকরা তাদের উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করতে শুরু করলে প্রথমে সাপ্তাহিক হাট ও পরবর্তীতে দৈনিক বাজার হিসেবে গুরুত্ব বাড়তে থাকে। একসময় যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে বাজারটির প্রসার ও প্রচার বাড়তে থাকলে বিভিন্নস্থান থেকে পাইকাররাও পণ্য নিয়ে আসতে শুরু করে। আর এভাবে চলতি শতকের শুরুতে বাজারটি সারাদেশে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, বাজারটির শুরুতে নিজস্ব কোন জায়গা ছিল না। মহাসড়কের দুপাশে বিক্রেতারা তাদের নানা পণ্যনিয়ে সড়কের পাশেই কেনা-বেচাঁ করতো। পরবর্তীতে পণ্যের সমাগমবাড়ার সাথে সাথে ক্রেতাদের ভীড় বাড়তে থাকলে আস্তে আস্তে সড়কের দু’পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে অস্থায়ী ঘর নির্মান করতে থাকে স্থানীয় রাজনৈতিক পরিচয়ে প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সদস্যরা। এরপর এসব ঘর পাইকারদের কাছে আড়ৎ হিসেবে এককালীন মোটা অঙ্কের ও  মাসিক নির্দিষ্ট টাকায় ভাড়া দেয়।
আর এভাবেই আস্তে আস্তে নিমমার এলাকায় মহাসড়কের পাশে সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রায় ৩’শ মিটার এলাকা দখলে নিয়ে কয়েক শত অস্থায়ী ঘর তুলে ভাড়ায় খাটাচ্ছে ওই প্রভাবশালী সিন্ডিকেট সদস্যরা রাজনৈতিক পরিচয়ে। আর এথেকে এককালীন মোটা অঙ্কের টাকাছাড়াও প্রতি মাসে লাখ লাখ টাকা আয় করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক সচেতন মানুষ জানান, বাজারটির জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে নির্দিষ্টজায়গা বরাদ্দ ছাড়াও ব্যক্তি মালিকানাধীন বিশাল এলাকাজুড়ে অস্থায়ী স্থাপনা নির্মান করে শত শত ব্যবসায়ী ব্যবসা করলেও প্রভাবশালী রাজনৈতিক সিন্ডিকেট সদস্যরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গা দখল করে অবৈধভাবে বিপুল পরিমান টাকার ভাড়া আদায় করছে। তারা আরো বলেন, কখনো কখনো সড়ক ও জনপথ বিভাগের লোকজন মাইকিং করে স্থাপনা সরিয়ে নেওয়া বা উচ্ছেদের ঘোষনা দেয়। কখনো উচ্ছেদর করে। তবে, অজ্ঞাত কারণে উচ্ছেদের পরপরই আবারো দখলদাররা সেখানে স্থাপনা নির্মান করে ফেলে। বাজারের একাধিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র জানায়, মহাসড়কের দক্ষিণ পাশে সড়ক বিভাগের বিশাল জায়গাজুড়ে কয়েক শত বিভিন্ন দোকান বা পাইকারী আড়ৎ রয়েছে। প্রতিটি দোকান থেকে দখলদাররা ১ থেকে ৩/৪ লাখ টাকা অগ্রিমসহ প্রতি মাসে ২ থেকে ৫/৬ হাজার টাকা করে নিচ্ছে। সর্বশেষ গত ৩০ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের নিমসার এলাকায় মহাসড়কের উভয় পাশের সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিগ্রহনকৃত ভূমিতে অবৈধভাবে নির্মিত স্থাপনাসমুহ উচ্ছেদের তারিখ নির্ধারিত ছিল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র জানায়, এসময় রাজনৈতিক পরিচয়ধারী একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেট প্রশাসনকে ম্যানেজ করে উচ্ছেদ অভিযান ঠেকায়। তখন প্রচারনা চালায়, আমের এই ভর মৌসুমে ব্যবসায়ীদের হঠাৎ উচ্ছেদে বিপুল পরিমান ক্ষয়ক্ষতি হবে, তাই আপাতত আগামী কিছুদিনের জন্য উচ্ছেদ অভিযান স্থগীত করা হউক। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সুত্র আরো জানায়, এই উচ্ছেদ অভিযান স্থগীত করতেও মোটা অঙ্কের চাঁদাবাজি করা হয়। আর এভাবেই সড়ক ও জনপথ বিভাগের জায়গায় অবৈধ স্থাপনা করে একটি সিন্ডিকেট বিপুল পরিমান টাকা আয় করলেও সরকার বিপুল অংকের রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। নিমসার বাজার এলাকায় অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদের ঘোষনা দিয়েও পিছিয়ে যাওয়ার কারণ জানতে চাইলে কুমিল্লা সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী খন্দকার গোলাম মোস্তফা বলেন, সড়ক ও জনপদের জায়গা দখল করে যারা বাজার কিংবা দোকান গড়ে তুলেছে, আমরা অচিরেই উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করবো।
আলোকিত প্রতিদিন/১৪সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

মুরাদনগরে বেকারত্ব দূরীকরণে কর্মসংস্থানের নতুন দিগন্তের প্রতিশ্রুতি দিলেন: কে এম মজিবুল হক

নাজমুল হাসান:

এক টুকরো আশার আলো ছড়িয়ে গেল মুরাদনগরের আকাশে। বহু বছর ধরে বেকারত্বের বোঝা বয়ে বেড়ানো হাজারো তরুণ-যুবকের জীবনে নতুন স্বপ্নের বীজ বপন করলেন কে এম মজিবুল হক। তিনি অঙ্গীকার করলেন—মুরাদনগরে কর্মসংস্থানের সুব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে, আর এই কর্মসংস্থানই বদলে দেবে এলাকার ভাগ্য।

তিনি আবেগভরে বলেন, “যুব সমাজই একটি জাতির শক্তি। এ শক্তিকে বেকারত্বের অন্ধকারে হারিয়ে যেতে দেওয়া যাবে না। মুরাদনগরের প্রতিটি তরুণকে দক্ষ করে তুলতে হবে, কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। তার এই প্রতিশ্রুতি শুনে স্থানীয় মানুষের চোখে-মুখে ঝলমল করে উঠেছে আশার দীপ্তি। উপস্থিত জনতা মনে করছেন, যদি এ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয় তবে আর কোনো তরুণকে ভাগ্য অন্বেষণে বিদেশে পাড়ি জমাতে হবে না। বরং তারা নিজ মাটিতেই গড়ে তুলতে পারবে নিজের স্বপ্নের পৃথিবী।

কে এম মজিবুল হক আরও জানান, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তি তৈরি করে তাদের জন্য ক্ষুদ্র শিল্প, ব্যবসা ও প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের সুযোগ তৈরি করা হবে। পাশাপাশি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের জন্য সহজ ঋণের ব্যবস্থা করা হবে, যাতে তারা নিজেই নিজের কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারে।

স্থানীয় জনসাধারণ এ প্রতিশ্রুতিকে যুগান্তকারী উদ্যোগ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। অনেকেই বলছেন, এটি বাস্তবায়িত হলে মুরাদনগর শুধু উন্নয়নের পথে এগোবে না, বরং সারাদেশের জন্য একটি দৃষ্টান্ত হয়ে উঠবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৪সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

বরেণ্য লোকসংগীত শিল্পী ফরিদা পারভীন আর নে*ই!

বিনোদন, না ফেরার দেশে চলে গেলেন বাংলাদেশের লোকসংগীতের অমর কণ্ঠস্বর ফরিদা পারভীন। শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা ১৫ মিনিটে রাজধানীর ইউনিভার্সেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশীষ কুমার চক্রবর্তী তার মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। তিনি স্বামী ও চার সন্তান রেখে গেছেন।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় কয়েকদিন আইসিইউতে ছিলেন ফরিদা পারভীন। ডায়ালাইসিসের পর হঠাৎ তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে। এরপর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অবস্থার আরও অবনতি হলে গত বুধবার তাকে ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। চিকিৎসকদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা সত্ত্বেও শেষরক্ষা হয়নি।

১৯৫৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর নাটোরের সিংড়া থানায় জন্মগ্রহণ করেন ফরিদা পারভীন। মাত্র ১৪ বছর বয়সে, ১৯৬৮ সালে শুরু হয় তার পেশাদার সংগীতজীবন। পারিবারিক পরিবেশেই গানের প্রতি ভালোবাসা জন্মায় তার। গানের প্রতি ছিল বাবার গভীর অনুরাগ; দাদিও ছিলেন সংগীতানুরাগী।

দীর্ঘ ৫৫ বছরের সংগীতজীবনে ফরিদা পারভীন হয়ে উঠেছিলেন বাংলাদেশের লোকসংগীতের এক অনন্য প্রতীক। বিশেষ করে লালন সংগীত পরিবেশনায় তার অবদান অমর হয়ে থাকবে সংগীতপ্রেমী মানুষের হৃদয়ে।

বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এই শিল্পীর মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

জাকসুর ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু, জিএস মাজহারুল ইসলাম

শহিদুল্লাহ সরকার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় জাকসু নির্বাচনে বিজয়ীদের নাম ঘোষণা  ভিপি- আব্দুর রশিদ
জিতু (স্বতন্ত্র শিক্ষার্থী প্যানেল)
২. জিএস- মো: মাজহারুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
৩. এজিএস (পুরুষ)- ফেরদৌস আল হাসান (শিবির প্যানেল)
৪. এজিএস (নারী)- আয়েশা সিদ্দীকা মেঘলা (শিবির প্যানেল)
৫. শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক- আবু ওবায়দা ওসামা (শিবির প্যানেল)
৬. পরিবেশ ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক- মো. শাফায়েত মীর (শিবির প্যানেল)
৭. সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক- মো. জাহিদুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
৮. সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মহিবুল্লাহ শেখ জিসান (স্বতন্ত্র) / আলী জাকি শাহরিয়ার (শিবির প্যানেল)
৯. সহ সাংস্কৃতিক সম্পাদক- মো: রায়হান উদ্দীন (শিবির প্যানেল)
১০. নাট্য সম্পাদক- মো রুহুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
১১. ক্রীড়া সম্পাদক-মাহমুদুল হাসান কিরন (স্বতন্ত্র)
১২. সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (নারী)- ফারহানা আক্তার লুবনা (শিবির প্যানেল)
১৩. সহ-ক্রীড়া সম্পাদক (পুরুষ)- মো. মাহাদী হাসান (শিবির প্যানেল)
১৪. তথ্য প্রযুক্তি ও গ্রন্থাগার সম্পাদক- মো. রাশেদুল ইসলাম লিখন (শিবির প্যানেল)
১৫. সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক- আহসাব লাবিব (গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-বাগছাস)
১৬. সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (নারী)- নিগার সুলতানা (শিবির প্যানেল)
১৭. সহ-সমাজসেবা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন বিষয়ক সম্পাদক (পুরুষ)- মো. তৌহিদ হাসান (শিবির প্যানেল)
১৮. স্বাস্হ্য ও খাদ্য নিরাপত্তা বিষয়ক সম্পাদক- হুসনী মোবারক (শিবির প্যানেল)
১৯. পরিবহন ও যোগাযোগ সম্পাদক- মো. তানভীর রহমান (শিবির প্যানেল)
২০. কার্যকরী সদস্য—
পুরুষ-১: মো. তরিকুল ইসলাম (শিবির প্যানেল)
পুরুষ-২: মো. আবু তালহা (শিবির প্যানেল)
পুরুষ-৩: মো. মহসিন (শিবির প্যানেল)
নারী-১: নাবিলা বিনতে হারুণ (শিবির প্যানেল)
নারী-২: ফাবলিহা জাহান (শিবির প্যানেল)
নারী-৩: নুসরাত জাহান ইমা (শিবির প্যানেল)
আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন ড. ইউনূস

বিশেষ প্রতিনিধি, নেপালের অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী সুশীলা কার্কিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ শনিবার এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে এবং আমার নিজের পক্ষ থেকেও আমি নেপালের  অন্তর্বর্তী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আপনার নিয়োগে আন্তরিক অভিনন্দন জানাই তাকে।

অধ্যাপক ড. ইউনূস বলেন, নেপালের জনগণের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রতিফলন হিসেবে সুশীলা কার্কির দায়িত্বগ্রহণকে বাংলাদেশ গুরুত্ব সহকারে দেখছে।

তিনি বলেন, ‘একজন দীর্ঘদিনের বন্ধু ও প্রতিবেশী হিসেবে আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি,আপনার দক্ষ নেতৃত্বে নেপাল ও এর দৃঢ়চেতা জনগণ শান্তি, উন্নয়ন ও স্থিতিশীলতার পথে এগিয়ে যাবে আমি মনে করি।

প্রধান উপদেষ্টা নেপালের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলীতে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর শোক প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘আমরা নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই এবং আহতদের দ্রুত ও পূর্ণ আরোগ্য কামনা করি।

অধ্যাপক ইউনূস আশা প্রকাশ করেন যে বাংলাদেশ ও নেপালের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্ব, সহযোগিতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধার সম্পর্ক তার নেতৃত্বে আরও জোরদার হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

টাঙ্গাইলে কাউন্সিলরের বাড়ি থেকে মাদক উদ্ধারের ঘটনায় বিপাকে ৪ কর্মকর্তা 

প্রতিনিধি,টাঙ্গাইল:
টাঙ্গাইলে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে এলাকাবাসীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের অভিযানে মাদক উদ্ধারের চাঞ্চল্যকর ঘটনায়, সাসপেন্ড হয়ে তদন্তাধীন অবস্থায় রয়েছে ৪ কর্মকর্তা। এ কারণে ভুঞাপুর উপজেলার ওই এলাকায় পরবর্তীতে কোন অভিযান না হওয়ায় মাদকের তৎপরতা বেড়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর ছালেহা বেগম (৫৭) ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসার অভিযোগে, ২০২৪ সালের ১১ আগস্ট এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে পুলিশ সুপার বরাবর লিখিত অভিযোগ করা হয়।
ওই অভিযোগ থেকে জানা যায়, এলাকায় হেরোইন, ফেনসিডিল ও ইয়াবা বিক্রির কারণে কিশোর কিশোরী’সহ যুবসমাজ সহজেই মাদকের চক্রে জড়িয়ে পড়ছে। যা দিন দিন ভয়াবহ আকার ধারণ করছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ১৮ জুন টাঙ্গাইল জেলা মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম এর নেতৃত্বে ৮-১০ সদস্যের একটি টিম ভূঞাপুর উপজেলার বাহাদীপুর গ্রামের ছালেহা বেগমের বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় তাদের বাড়ি থেকে ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করা হয়।অভিযানের ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, ছালেহা বেগম নিজেই মাদক উদ্ধারের বিষয়টি স্বীকার করেন এবং তল্লাশির সময় কিছু খোয়া যায়নি বলেও উল্লেখ করেন। কিন্তু অভিযানের এক সপ্তাহ পর তিনি অভিযোগ করেন, ঘর তল্লাশির নামে কর্মকর্তারা আলমারি, শোকেস ও ড্রয়ার ভেঙে তার ও তার ছেলের জমানো ৮ লাখ ৪৬ হাজার টাকা নিয়ে গেছে।
তিনি আরও দাবি করেন, তিন ঘণ্টার তল্লাশির পর মাত্র ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার দেখানো হয়েছে এবং জোড়পূর্বক মিথ্যা জবানবন্দি ভিডিও করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২ জুলাই তিনি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তদন্ত শেষে জেলা পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম’সহ ৪ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করা হয়। গত ৭ জুলাই রাতে অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হাসান মারুফ স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
সম্প্রতি  সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে ফোনালাপের অডিও রেকর্ড ও নতুন তথ্যের ভিত্তিতে জানা যায়, অভিযোগকারী অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে। সম্প্রতি ফাঁস হওয়া একটি অডিও রেকর্ডিংয়ে তিনি বলেছেন, ১০ লাখ টাকা দিলে অভিযোগ প্রত্যাহার করবেন। এলাকাবাসীর দাবি, ছালেহা বেগমের ছেলে রনি দীর্ঘদিন ধরে তার মামা দুলাল চকদারের প্রভাব খাটিয়ে মাদক ব্যবসা চালাচ্ছেন।
তারা জানান, ছালেহার বাড়িতে মাদক পাওয়া গেছে এটি সত্য। তবে এতগুলো টাকার বিষয়ে কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। এত টাকা একসাথে কোন উৎস থেকে কিভাবে এলো? হয়তো দোষ ঢাকতে, উল্টো কর্মকর্তাদের ফাঁসানোর চেষ্টা চলছে। মাদক ব্যবসার কারণে এলাকার যুব সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে, অথচ ভয়ের কারণে অনেকেই মুখ খুলতে পারছেন না। অভিযানের নেতৃত্ব দেওয়া পরিদর্শক সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা সেদিন শুধুমাত্র ১০ বোতল ফেনসিডিল উদ্ধার করেছি, যা এলাকাবাসীর সামনে প্রমাণিত। কিন্তু আমাদের হেয় প্রতিপন্ন করতে এবং তার ছেলে রনিকে মাদক মামলা থেকে বাঁচাতে ছালেহা বেগম মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করেছেন।
 মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর টাঙ্গাইলের উপ পরিচালক মুকুল জ্যোতি চাকমা জানান, আমি টাঙ্গাইলে এ বছর ১৬ জুলাই যোগদান করেছি। এখানে এসে আমি জানতে পেরেছি ভুঞাপুরের ওই ঘটনাটি। সাবেক মহিলা মেম্বারের অভিযোগের পর যে ৪ জন সাসপেন্ড হয়েছে, এখনো সেই তদন্ত চলছে। তদন্তের স্বার্থে সাময়িকভাবে তাদের বরখাস্ত করে প্রধান কার্যালয়ে সংযুক্ত করা হয়েছে। এটা একটি চলমান প্রক্রিয়া, আইনগত পদ্ধতিতেই এগুবে। সেখানে ওই ঘটনা ঘটার পর থেকে, ইন্টেলিজেন্স কার্যক্রম চলমান রয়েছে, আমাদের স্টাফদের বিরুদ্ধে যে সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে, তাকে উপজীব্য করে, ওই এলাকার মাদক ব্যবসায়ীরা আরো উৎসাহিত হতে পারে। এজন্য আমরা সজাগ দৃষ্টি রাখছি। এই ঘটনার পর থেকে আমাদের লোকজন ওখানে আভিযানিক তৎপরতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে কিছুটা দ্বিধাদ্বন্দে রয়েছে। আমি স্পষ্টভাবে বলে দিয়েছি, যে বিষয়ে তদন্ত চলছে, সেটা আমি যোগদানের পূর্বের ঘটনা। নতুনভাবে যেই ঘটনা ঘটুক না কেন, মাদক ব্যবসার কোন প্রসার ঘটতে দেয়া যাবে না। যেহেতু ওখানে একটি মামলা হয়েছে, তদন্ত কার্যক্রম স্বাভাবিক গতিতেই আইনগত ভাবে চলবে। ওই ঘটনা ঘটছে বলেই মামলার তদন্ত বাধাগ্রস্ত হবে বলে মনে করি না। আইন বিধি-বিধান অনুসারে সুষ্ঠুভাবে তদন্ত কার্যক্রম চলবে। আমরা অবশ্যই আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেব।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তাদের ভোটার অধিকার নিষিদ্ধ হয়নি: উপদেষ্টা ফাওজুল করিম

শহিদুল্লাহ সরকার: 
আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধ হলেও তাদের ভোটার অধিকার নিষিদ্ধ না তাই তারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোন দলে ভোট দিবে তা কেউ বলতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ জ্বালানী ক্ষনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোহাম্মদ ফাওজুল করিম খান।  ঢাকার ধামরাই উপজেলা পরিষদে জাতীয় রূপটপ সোলার কর্মসূচি বিষয়ক মতবিনিময় সভায় যোগ দিয়ে তিনি এই মন্তব্য করেন। উপদেষ্টা এসময় আরো বলেন, অন্তবর্তী কালীন সরকারের কোন দল নেই তাই অন্তবর্তী কালীন সরকার নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু নিরপেক্ষ করবে অন্তবর্তী কালীন সরকার, সেই নির্বাচনে কে জিতল কে হারলো এটা তাদের দেখার বিষয় না, নির্বাচনে কোন সরকারি কর্মকর্তারা কারো পক্ষ নিতে পারবে না কেউ কোন দলের পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন,নির্বাচনে যে দলেই জিতুক না কেন সরকারি কর্মকর্তারা সেই দলের পক্ষেই কাজ করবে, নির্বাচনে ডিসি এসপিও ওসিরা কারো পক্ষ নিলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি আরো বলেন,আওয়ামী লীগ ২০১৮ সালে যে নির্বাচন করেছিল সেটা দিনের ভোট রাতে হয়েছে সেটা ছিলো লায়লাতুল নির্বাচন জানিয়ে তিনি আরও বলেন,এখন বিদ্যুৎ সংকট নেই কারখানাগুলোতে কিছুটা গ্যাসের সংকট আছে তা ঠিক হয়ে যাবে,সবসময় সরকার বিদ্যুৎ এর লোডশেটিং মনিটরিং করেন জানিয়ে তিনি আরো বলেন,বাচ্চা প্রসাব করলে যেমন একটু মানুষের কষ্ট হয় সে রকম ঢাকা আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতে নির্মাণ কাজ চলায় মানুষের কিছুটা দুর্ভোগ হচ্ছে উন্নয়ন কাজে দুর্ভোগ হলে সেটা কিছুই না বলেও বলেন তিনি। পরে তিনি বিভিন্ন উপজেলা ইউএনও ও পল্লী বিদ্যুৎতের কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় করেন।
এসময়ন স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ রেজাউল মাকছুদ জাহেদী,বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব ফারজানা মমতাজসহ আরো অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম