আজ শনিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৪ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 289

সাতকানিয়ায় তালাবদ্ধ কক্ষ থেকে ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

নিজস্ব প্রতিবেদক: 

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় নিজ বাসার তালাবদ্ধ একটি কক্ষ থেকে সুলতান মাহমুদ আরজু (২৮) নামের এক ব্যবসায়ীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে উপজেলার খাগরিয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মহাজনপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।

আরজু ওই এলাকার ওয়ার আহমদ ও নিলু আক্তারের পুত্র। তিনি স্থানীয়ভাবে ভাড়া বাসায় থাকতেন এবং মহাজনপাড়া আমিন সেন্টারে একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীর সঙ্গে পারিবারিক কলহ চলছিল তার। ৩-৪ দিন আগে স্ত্রীকে বাবার বাড়িতে পাঠিয়ে দেন তিনি। এরপর থেকে আরজু ঘর থেকে বের হননি। তার দোকানও কয়েকদিন ধরে বন্ধ ছিল।

বুধবার থেকে আশপাশের লোকজন দুর্গন্ধ টের পায়। বৃহস্পতিবার সকালে ঘরের জানালায় মাছির উপদ্রব লক্ষ্য করে সন্দেহ হলে স্থানীয়রা তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করেন। পরে তারা গলায় ফাঁস লাগানো অবস্থায় আরজুর ঝুলন্ত মরদেহ দেখতে পান।

ঘটনার খবর পেয়ে সাতকানিয়া থানার একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ উদ্ধার করে।

সাতকানিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জাহেদুল ইসলাম জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে এটি আত্মহত্যা। তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

সাভারের আশুলিয়ায় এক বিশাল জনসভার আয়োজন করেছে বিএনপি 

শহিদুল্লাহ সরকা:
বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে গ্রাম পর্যায়ে বিএনপির তৃণমূল নেতাকর্মীদের সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে আগামীকাল সাভারের আশুলিয়ায় এক বিশাল জনসভার আয়োজন করেছে বিএনপি। শুক্রবার দুপুর তিনটায় দোশাইদ অধন্য কুমার স্কুল এন্ড কলেজ মাঠে এ জনসভার আয়োজন করেছেন বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সহ পরিবার কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা ১৯ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ডাক্তার দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন বাবু। এসময় জনসভায় প্রায় কয়েক হাজার লোকজনের উপস্থিত হবেন বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে। দীর্ঘদিন পরে সেখানে অনেক বড় জনসভার আয়োজন করায় বিএনপি’র তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের মাঝে চাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। ইতিমধ্যে স্টেজ তৈরী সহ সব কার্যক্রম শেষ হয়েছে জনসভা মঞ্চস্থলের আশপাশে ব্যানার ফেস্টুন দিয়ে সাজানো হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে-ডিএমপি কমিশনার

এমএইচ চৌধুরীঃ
১৮ সেপ্টেম্বর ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে আয়োজিত প্রস্তুতি সভায় ডিএমপি কমিশনার শেখ মোঃ সাজ্জাত আলী এনডিসি বলেন, এ বছর উৎসবমুখর পরিবেশে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমানে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং পূর্বের ন্যায় সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা অনুকূল পরিবেশে ও নির্বিঘ্নে অনুষ্ঠিত হবে।
সভার প্রারম্ভে ডিএমপি’র যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (অপারেশনস) মোঃ শহীদুল্লাহ, পিপিএম আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা ও পরিকল্পনা উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, এ বছর ঢাকা মহানগরীতে ২৫৮ টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। মণ্ডপ ভিত্তিক নিরাপত্তা পরিকল্পনার বাইরে পৃথক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও থাকবে। এছাড়া প্রতিমা বিসর্জনের দিন সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করা হবে।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন) মোঃ সরওয়ার, বিপিএম পূজামণ্ডপে  আগত দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে রাস্তাঘাটের প্রয়োজনীয় সংস্কার ও তা পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এছাড়া অগ্নি নিরাপত্তা সংক্রান্তে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান করেন। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) এস এন মোঃ নজরুল ইসলাম পিপিএম বলেন, পূজা মণ্ডপ গুলো যেন কোনভাবেই অরক্ষিত না থাকে। সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা বাড়াতে হবে। এছাড়া পূজা চলাকালীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোন প্রকার ভুলতথ্য বা অপতথ্য সম্পর্কে সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন তিনি।
নিরাপত্তা প্রস্তুতি সভায় বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ, মহানগর পূজা উদযাপন পরিষদ, হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ, উপাধ্যক্ষ রামকৃষ্ণ মিশন মঠসহ সংশ্লিষ্ট নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তারা আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ কর্তৃক গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
উক্ত সভায় ডিএমপি’র অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সিটিটিসি) মোঃ মাসুদ করিম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোঃ শফিকুল ইসলাম বিপিএম, পিপিএম, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (লজিস্টিকস) হাসান মোঃ শওকত আলী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মোঃ জিললুর রহমানসহ ডিএমপির উর্ধ্বতন কর্মকতাগণসহ সশস্ত্রবাহিনী, বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও সেবা সংস্থার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে সৌদির নিরাপত্তায় প্রধান সঙ্গী পাকিস্তান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছে পাকিস্তান এবং সৌদি আরব। দুই দেশের নতুন এই প্রতিরক্ষা চুক্তিকে উপসাগরীয় নিরাপত্তার মোড় ঘোরানো পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।

তাদের মতে, এই জোট কেবল দুই দেশের সম্পর্ককে গভীর করবে না,বরং যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিকল্প হিসেবে নতুন বাস্তবতা তৈরি করবে। ১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য নিউজ ইন্টারন্যাশনাল।

বিশ্লেষকদের মতে, বুধবার পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তি উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তার মানচিত্র পাল্টে দেবে। এতে স্পষ্ট হচ্ছে— আরব দেশগুলোর আস্থায় পরিবর্তন এসেছে এবং যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চয়তার ওপর নির্ভরশীলতা কমছে।

পররাষ্ট্রনীতি বিশ্লেষক উজাইর ইউনুস বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান বহু বছর ধরে আরব উপদ্বীপের প্রধান নিরাপত্তা রক্ষক হিসেবে অবস্থান করবে। তিনি মনে করেন, কাতারের দোহায় সাম্প্রতিক হামলাগুলোই নিরাপত্তা চাহিদায় দ্রুত পরিবর্তন এনে এ উদ্যোগকে ত্বরান্বিত করেছে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক পাকিস্তানের সাবেক কূটনীতিক তৌকির হুসেইন বলেন, এটি আসলে দশকের পর দশক ধরে চলে আসা দীর্ঘ কৌশলগত অংশীদারত্বের পুনঃনিশ্চয়ন।

তার মতে, চুক্তির সময়টাই বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ, যা দোহা সম্মেলনের পরপরই এই চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। এটি প্রমাণ করে, উপসাগরীয় দেশগুলো কেবল বক্তব্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং বাস্তব পদক্ষেপ নিচ্ছে।

তিনি বলেন, পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকে পড়া যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নতুন অংশীদারত্ব খোঁজার এই সূচনা চীনের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদার এবং ইরানের সঙ্গে টানাপোড়েন কমাতেও ভূমিকা রাখতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রনির্ভর নিরাপত্তার প্রতি আরব দেশগুলোর আস্থা অনেকটাই হারিয়ে গেছে।

অভিজ্ঞ কূটনীতিক জাভেদ হুসেইন ১৯৯৭ থেকে ২০০৩ সাল পর্যন্ত ইরানে পাকিস্তানের রাষ্ট্রদূত ছিলেন। তিনি বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে পাকিস্তান-সৌদি সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ ছিল। নতুন এই চুক্তি তাদের নিরাপত্তা সহযোগিতা আরও গভীর করবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য হলো সেই ধারা, যেখানে এক দেশের ওপর আক্রমণ মানে অপর দেশের ওপরও আক্রমণ— যা ভারত বা ইসরায়েলের মতো দেশগুলোকে স্পষ্ট বার্তা দেবে।

লাহোর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন ড. রাবিয়া আখতার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, এ চুক্তি দীর্ঘদিনের অনানুষ্ঠানিক সামরিক সহযোগিতাকে আনুষ্ঠানিক রূপ দিয়েছে। তবে পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতার দিক থেকে এটি কোনো নীতিগত পরিবর্তন নয়, বরং একটি পরোক্ষ আশ্বাস।

তার মতে, পাকিস্তান আনুষ্ঠানিকভাবে সৌদি আরবকে তার পারমাণবিক ছাতার নিচে আনবে না, তবে এ নিয়ে ধোঁয়াশাই সৌদি স্বার্থে কাজ করবে।

সাংবাদিক ও বিশ্লেষক সৈয়দ তালাত হুসেইন বলছেন, বিপুল সম্পদ ও শক্তিশালী সামরিক দক্ষতা মিলিত হয়ে এ চুক্তিকে ‘গেম-চেঞ্জার’ বানিয়ে দিয়েছে। এটি সময়োপযোগী এবং কৌশলগতভাবেও গুরুত্বপূর্ণ।

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ হুমা বাকাই মনে করেন, এই প্রতিরক্ষা চুক্তি আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে পারে এবং দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের ক্ষমতার ভারসাম্যে প্রভাব ফেলতে পারে।

তিনি বলেন, ভারতের সঙ্গে সাম্প্রতিক যুদ্ধ সবার কাছে পাকিস্তান ও চীনের আধিপত্য প্রতিষ্ঠা করেছে, যা সম্ভবত এ চুক্তির পেছনে ভূমিকা রেখেছে। তার মতে, এর ফলে অন্যান্য উপসাগরীয় এবং আরব দেশও এমন চুক্তির পথে হাঁটতে পারে।

পাকিস্তানের সাবেক পররাষ্ট্রসচিব এবং রাষ্ট্রদূত আইজাজ চৌধুরী সৌদির সঙ্গে পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা চুক্তিকে ‘বড় অগ্রগতি’ আখ্যা দিয়ে বলেন, সৌদিরা তাদের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য বন্ধুর দিকেই হাত বাড়িয়েছে। যদিও আগে থেকেই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা ছিল, তবে এই নতুন ধারায় এক দেশের ওপর আক্রমণকে অপর দেশের ওপরও আক্রমণ হিসেবে গণ্য করার বিষয়টি একেবারেই অভূতপূর্ব।

বিজিবিতে চাকরি পেলেন সেই ফেলানীর ছোট ভাই!

আলোকিত ডেস্ক, সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে নিহত কিশোরী ফেলানীর মর্মান্তিক ঘটনার এক যুগ পর তার ছোট ভাই এবার যোগ দিচ্ছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশে (বিজিবি)।

বৃহস্পতিবার (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৫) লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তরে এক অনুষ্ঠানে ব্যাটালিয়ন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী ইমাম পিএসসি আনুষ্ঠানিকভাবে নিয়োগপত্র তুলে দেন। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর তিনি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে যোগ দেবেন বলে জানা যায়।

২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের অনন্তপুর সীমান্তের শূন্যরেখায় বিএসএফের গুলিতে প্রাণ হারান ১৫ বছরের কিশোরী ফেলানী খাতুন। কাঁটাতারে ঝুলে থাকা তার মরদেহের হৃদয়বিদারক ছবি দেশ-বিদেশে আলোড়ন তোলে। সেই ফেলানীর ছোট ভাই আজ একই বাহিনীতে যোগদান করায় পরিবারের মধ্যে নতুন আশার আলো জ্বলেছে।

“বিজিবি সবসময় ফেলানীর পরিবারের পাশে আছে। তার ভাই যোগ্যতার মাধ্যমে বিজিবিতে নির্বাচিত হয়েছেন। আমরা আশা করি, প্রশিক্ষণ শেষে তিনি একজন দক্ষ সদস্য হয়ে সীমান্ত রক্ষায় দায়িত্ব পালন করবেন।”তিনি আরও বলেন, “ফেলানী হত্যার মতো নৃশংস ঘটনা আর কখনও না ঘটে সে বিষয়ে বিজিবি সর্বদা সীমান্তে সতর্ক রয়েছে।”

ফেলানীর ছোট ভাইয়ের এই যোগদানকে স্থানীয়রা সীমান্তে ন্যায় ও নিরাপত্তার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

হানিয়া আমিরের সঙ্গে দেখা করার স্বপ্ন এখন হাতের মুঠোয়!

বিনোদন ডেস্ক:

সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমের পাতায় চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে, নেটিজেন থেকে শুরু করে ভক্ত-অনুরাগীরা পাকিস্তানের অভিনেত্রী হানিয়া আমিরকে নিয়ে বেশ আলোচনা করছে। ইতোমধ্যেই হানিয়া এক ভিডিও বার্তায় ঘোষণা দিয়েছে খুব শিগগিরই তিনি বাংলাদেশে আসবেন।

সানসিল্ক বাংলাদেশের আমন্ত্রণে তিনি ঢাকায় আসবেন। একটি সাধারণ ভিডিও বানিয়েই আপনি পেয়ে যেতে পারেন হানিয়া আমিরের সঙ্গে সরাসরি দেখা করার সুযোগ।

সানসিল্ক বাংলাদেশের সোশ্যাল মিডিয়ায় পেজে প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে জানানো হয়েছে এই দারুণ খবর। সানসিল্ক ব্ল্যাক শাইনের উদ্যোগে আয়োজিত এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে হলে আপনাকে বানাতে হবে একটি ‘গেট রেডি উইথ মি’ ভিডিও।

ভিডিওতে বিস্তারিত জানানো হয়েছে অংশগ্রহণের নিয়মাবলী। মাত্র তিনটি সহজ ধাপে আপনি তৈরি করতে পারেন আপনার ভিডিও।

১. আপনার সেরা কালো পোশাকটি বেছে নিন।

২. সানসিল্ক ব্ল্যাক শাইন ব্যবহার করে চুলকে দিন ঝলমলে উজ্জ্বলতা। সাথে আপনার উজ্জ্বল গয়না, ব্যাগ ও জুতো বেছে নিতে ভুলবেন না।

৩. এই সাজের একটি সুন্দর ভিডিও ধারণ করে তা সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করুন।

এই সহজ ধাপগুলো অনুসরণ করে আপনিও অংশ নিতে পারেন এই প্রতিযোগিতায় এবং জিতে নিতে পারেন হানিয়া আমিরের সঙ্গে সাক্ষাতের টিকিট।

প্রসঙ্গত,পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে জন্মগ্রহণ করা এ অভিনেত্রী খুব অল্প সময়েই তিনি প্রাণবন্ত অভিনয় ও উচ্ছ্বল ব্যক্তিত্বের মাধ্যমে দর্শকদের মনে স্থান করে নেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

সাঈদী কে বিএনপির গুরুত্বপূর্ণ পদে দেখতে চান উপজেলাবাসী

বিশেষ প্রতিনিধি: নেতৃত্ব মানে জনগণকে অনুপ্রাণিত করা, সততা ও দূরদর্শিতার মাধ্যমে সামনে এগিয়ে নেওয়া। ভালো নেতৃত্বের জন্য যেমন শক্তিশালী যোগাযোগ প্রয়োজন, তেমনি প্রয়োজন সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও সৃজনশীল উদ্ভাবনী চিন্তা। এই গুণাবলী ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর মধ্যে স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়েছে তাঁর কর্মে। তিনি তরুণ প্রজন্মের কাছে অনুপ্রেরণার প্রতীক ও আইডল হিসেবে পরিচিত। তাঁর সততা, কর্মদক্ষতা, দূরদর্শিতা ও দায়বদ্ধতা যুব সমাজকে মুগ্ধ করেছে। স্থানীয় তরুণ প্রজন্ম বিশ্বাস করে, তাঁর মতো যোগ্য নেতৃত্বই এলাকার রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে পারে। যুব সমাজ তাকে নকলা উপজেলা বিএনপি সদস্য সচিব হিসেবে দেখতে চায়।
জানা যায়, সম্প্রতি চৌধুরী ছবরুন্নেসা মহিলা কলেজের গভর্নিং বডিতে বিদ্যোৎসাহী সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন সাঈদী। এলাকাবাসী ও তরুণ সমাজ তাঁকে প্রাণঢালা শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বিভিন্ন মাধ্যমে। তাদের বিশ্বাস, শিক্ষা উন্নয়নে তাঁর সম্পৃক্ততা কলেজকে আরও সমৃদ্ধ করবে।
এছাড়া, ৩৬শে জুলাই ছাত্র জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের বর্ষপূর্তিকে স্মরণীয় করতে সাঈদীর পক্ষ থেকে শেরপুরের উদ্দেশ্যে এক বিশাল বিজয় র‌্যালির আয়োজন করা হয়। এতে ব্যাপক সাড়া পড়ে এবং এলাকার যুব সমাজের অংশগ্রহণে র‌্যালি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।
ইন্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসাইন সাঈদী নকলা উপজেলার টালকী ইউনিয়নের বাজিদবাড়ী গ্রামে বিএনপি সমর্থক এক পরিবারে জন্মগ্রহন করেন। তাঁর বাবা আব্দুল লতিফ একাধারে ২০ বছর স্থানীয়  ইউপি সদস্য (মেম্বার) ছিলেন । এছাড়া তিনি উপজেলা বিএনপির সম্মানিত সদস্য ও ওয়ার্ড শাখার সভাপতি ছিলেন দীর্ঘ সময়। ইন্জিনিয়ার সাঈদী ও তার পরিবারের সদস্যরা ২০১৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে নকলা-নালিতাবাড়ীতে বিএনপির অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীদের উপর মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, হামলা থেকে রক্ষা ও চিকিৎসায় সহযোগিতা করে সামনের সারি থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। জানা যায়,  ইঞ্জিনিয়ার দেলোয়ার হোসেন সাঈদী আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে EEE (Electrical and Electronic Engineering) তথা বিদ্যুৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছেন। এছাড়া একই বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিও অর্জন করেছেন। পরবর্তীতে তিনি আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি , বাংলাদেশে প্রভাষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে Aayat Properties Limited-এ ম্যানেজিং ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নকলার রাজনৈতিক পরিবর্তনের দ্বার উন্মোচন করবে সাঈদী তাই, নকলা উপজেলা জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)র কমিটি তে তাকে গুরুত্বপূর্ণ পদে প্রত্যাশা করছেন তার শুভাকাঙ্ক্ষীসহ উপজেলাবাসী।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি  

৭ দিনের মধ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারি না হলে লংমার্চের আল্টিমেটাম

আলোকিত প্রতিবেদক:

এক সপ্তাহের মধ্যে প্রস্তাবিত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাদেশ জারি না হলে শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লং মার্চের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

১৮ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় ঢাকা কলেজের শহীদ মিনারের পাদদেশে সংবাদ সম্মেলনে এ আল্টিমেটাম দেওয়া হয়। সংবাদ সম্মেলনে যৌথভাবে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ঢাকা কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান এবং ইডেন কলেজের শিক্ষার্থী স্মৃতি আক্তার।

লিখিত বক্তব্যে তারা বলেন, আগামী ২৪ সেপ্টেরের মধ্যে ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির (প্রস্তাবিত) অধ্যাদেশ জারি ও উপদেষ্টা পরিষদে ও অধ্যাদেশের চূড়ান্ত অনুমোদনের দাবি জানাচ্ছি। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধ্যাদেশ জারি না হলে শিক্ষার্থীরা আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয় অভিমুখে লং মার্চ করবে।

প্রস্তাবিত ইউনিভার্সিটি নিয়ে নানামুখী ষড়যন্ত্র চলছে উল্লেখ করে তারা বলেন, এখন আবার নতুন করে ইউনিভার্সিটির কার্যক্রমের বিপক্ষে একটি পক্ষ ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের উসকে দিচ্ছে। ঐতিহ্য রক্ষার নামে তারা শেষ মুহূর্তে এসেও সরকারের কাজে বাধা সৃষ্টি করতে কিছু শিক্ষার্থীকে ব্যবহার করছে।

কিছু শিক্ষক সংগঠিত হয়ে আন্দোলনে নেমেছেন জানিয়ে সাত কলেজের এই শিক্ষার্থীরা বলেন, ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার কলেজে কলেজে ক্লাস-পরীক্ষা বাদ দিয়ে শিক্ষার্থীদের বাসে চড়িয়ে তারা ইউজিসিতে গিয়ে কর্মসূচি করেছেন। কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের সুবিধাভোগী কিছু শিক্ষক এতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন বলে আমরা শুনেছি।

শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের প্রতি ক্ষোভ জানিয়ে তারা বলেন, ব্যানারে আজকে আমরা শিক্ষকদের কিছু দাবি-দাওয়া দেখেছি। সেসব দেখে আমাদের মনে হয়েছে, আমরা যে শিক্ষা সিন্ডিকেট ভেঙে স্বাধীন-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের স্বপ্ন দেখছি, সেটাকে বাধাগ্রস্ত করবে। আমাদের আবার নতুন কোনও অধিভুক্তির বেড়াজালে আবদ্ধ করার অপচেষ্টা চলছে। সেটা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, রাজধানীর সরকারি সাত কলেজকে নিয়ে স্বতন্ত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থীরা আন্দোলন করছেন। তবে এবার এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠামোর বিরোধিতা করে সাত কলেজের শিক্ষকরা আন্দোলন নেমেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে আজ অধ্যাদেশ জারি এবং শিক্ষকদের আন্দোলনের বিরোধিতা করে ক্লাস পরীক্ষা বর্জনে বিক্ষোভ এবং সংবাদ সম্মেলনের করেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

মুরাদনগরে নিখোঁজের ৩৬ দিন পর অটোরিক্সা চালকের ক’ঙ্কা’ল উদ্ধার

নাজমুল হাসান: 
মুরাদনগরে নিখোঁজের ৩৬ দিন পর মেহেদী হাসান (১৮) নামের এক অটোরিকশা চালকের ক’ঙ্কা’ল উদ্ধার করেছে পুলিশ। ১৭ সেপ্টেম্বর বুধবার বিকেলে উপজেলার নবীপুর পশ্চিম ইউনিয়নের উত্তর ত্রিশ এলাকার মক্কা ব্রিক্স সংলগ্ন গোমতী নদীর বেড়িবাধেঁর ভেতরের একটি ঝোপ থেকে মুরাদনগর থানা পুলিশের সহযোগিতায় মাথার খু’লি ও হা’ড়গো’ড় উদ্ধার করে বাঙ্গরা বাজার থানা পুলিশ।
নি’হ’ত মেহেদী হাসান বাঙ্গরা বাজার থানার দীঘিরপাড় গ্রামের মৃত মোস্তফার ছেলে। পেশায় তিনি অটোরিকশা চালক ছিলেন। এই ঘটনায় জড়িত ঘা’ত’ক খাইরুল(২১)কে নারায়নগঞ্জের বন্দর এলাকা থেকে আটক করে পুলিশ।
জানা যায়, গত ১১ আগস্ট রাতে বাঙ্গরা বাজার থেকে অটোরিকশা নিয়ে কোম্পানীগঞ্জের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার পর থেকে মেহেদী নিখোঁজ হয়। পরদিন তার পরিবার বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। কোন খোজঁ না পেয়ে ২০শে আগস্ট ভিকটিমের মা জোসনা বেগম বাদী হয়ে দীঘিরপাড় গ্রামের আইনুল হকের ছেলে খাইরুলকে আসামি করে বাঙ্গার বাজার থানায় হ’ত্যা’র উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলা করেন।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাহিদ হাসান জানান, মামলার তদন্তের মাধ্যমে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ঘটনার সাথে জড়িত খাইরুলের বাবা আইনুল হককে রাঙ্গামাটি জেলার কাউখালি থানা এলাকা থেকে গ্রে’ফ’তা’র করা হয়। আইনুল হককে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার দেয়া স্বীকারোক্তিতে কুমিল্লার অশোকতলা থেকে তার ভাই ফুল মিয়াকে আটক করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্যে কুমিল্লার একটি গ্যারেজ থেকে অটো রিক্সাটি উদ্ধার করা হয়। প্রধান আসামি খাইরুলকে গ্রেফতারে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অভিযান করে পুলিশ। অবশেষে গোপন সূত্রের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১১টায় নারায়নগঞ্জ জেলার বন্দর থানাধীন সালা পাগলার মাজার এলাকা থেকে ঘাতক খাইরুল ইসলাম আটক করা হয়। আসামিকে সাথে নিয়ে বুধবার বিকেলে তার দেখানো স্থান থেকে নিহত মেহেদী হাসানের ক’ঙ্কা’ল উদ্ধার করা হয়।
তদন্ত কর্মকর্তা আরো জানান, গ্রে’ফ’তা’র’কৃত খাইরুলকে কুমিল্লা আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত ৩ দিনের রি’মা’ন্ড মঞ্জুর করেছেন।
বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি মাহফুজুর রহমান জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি খাইরুল হ’ত্যা’র কথা স্বীকার করেছে। পরে তার দেখানো স্থান থেকেই ক’ঙ্কা’ল উদ্ধার করা হয়। ঘটনাস্থলে থাকা কাপড়ের মাধ্যমে ভিকটিমকে শনাক্ত করেন পরিবারের সদস্যরা। এই ঘটনায় তিনজনকে গ্রে’প্তা’রসহ অটোরিকশাটি উদ্ধার করা হয়েছে।
আর কেউ জড়িত আছে কি না জানতে আ*সামিকে রি’মা’ন্ডে আনা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

ফিলিস্তিনকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতির দাবিতে পিটিশন ইসরায়েলে,স্বাক্ষর হাজারো ইসরায়েলির