আজ শনিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৪ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 279

গাজীপুরে ১০ বছরের শিশু ধ*র্ষণ,অভিযুক্ত বৃদ্ধ গ্রে*ফতার 

বিশেষ প্রতিনিধি:
গাজীপুরে ১০ বছর বয়সী শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে। এ ঘটনায় জালাল নামে এক বৃদ্ধ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫ টার দিকে গাজীপুর মহানগরীর কোনাবাড়ী আমবাগ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত জালাল মিয়া (৬০) রাজশাহী জেলা মোহনপুর থানার বেলনা গ্রামের মৃত খেতু মিয়ার ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের সঙ্গে আমবাগ এলাকায় একই বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকেন।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে জানা যায়, একই বাড়িতে থাকার সুবাদে প্রতিবেশী হিসেবে জালাল মিয়া শিশুটির সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে অভিযুক্ত জালাল মিয়া শিশুটিকে প্রলোভন দেখিয়ে তার নিজের ঘরে নিয়ে যান এবং সেখানে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
এ বিষয়ে পাশের রুমের এক প্রতিবেশী মাসুদ জানান, তিনি কাজ শেষে বাসায় ফিরে এসে লোকজনের ভিড় দেখে এগিয়ে যান এবং ঘটনাটি জানতে পারেন। তিনি সঙ্গে সঙ্গে ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে খবর দেওয়ার পরামর্শ দেন।
স্থানীয়দের বরাতে আরও জানা যায়, প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত জালাল মিয়ার পক্ষ থেকে ঘটনাটি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ভুক্তভোগীর পরিবারকে অর্থের প্রলোভন দেখানো হয়। একপর্যায়ে, ভুক্তভোগীর পরিবার আপোষ না হওয়ার শর্তে এবং এলাকাবাসীর সহযোগিতায় কোনাবাড়ী থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করে।
খবর পেয়ে শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে ভুক্তভোগীর পরিবার এবং অভিযুক্ত জালাল মিয়াকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।
গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের (জিএমপি) কোনাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সালাউদ্দিন আহমেদ জানান, অভিযুক্তকে আটক করে থানায় নিয়ে আসা হয়, পরবর্তীতে ভুক্তভোগী পরিবার থানায় ধর্ষণ মামলা করলে অভিযুক্তকে গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

পিআর পদ্ধতি চালুসহ ৫ দাবিতে কালিহাতীতে জামায়াতের সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে পিআর (প্রোপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে জাতীয় নির্বাচনসহ পাঁচ দফা দাবিতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে সমাবেশ ও মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৭ সেপ্টেম্বর  শনিবার বিকেল ৫টায় উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পুলিশ বক্স সংলগ্ন এলাকায় এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে নির্বাচন, আগামী জাতীয় নির্বাচনে উভয় কক্ষে পিআর পদ্ধতি চালু, অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা, ফ্যাসিস্ট সরকারের সকল অপরাধের বিচার দৃশ্যমান করা, স্বৈরাচারের দোসর জাতীয় পার্টি ও ১৪ দলের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা।
এসময় উপরোক্ত দাবিগুলো আদায়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড থেকে মিছিল সহকারে আগত নেতাকর্মীরা ব্যানার, দলীয় প্রতীক ও স্লোগানে এলাকা মুখরিত করে তোলেন। পরে সমাবেশস্থল থেকে একটি মিছিল বের হয়ে পুরাতন ভূঞাপুর রোড প্রদক্ষিণ করে এলেঙ্গা পুলিশ ফাঁড়ির সামনে যায় এবং সেখান থেকে কলেজ মোড় চত্বরে ফিরে শেষ হয়।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কালিহাতী উপজেলা সেক্রেটারী এস এম এনামুল হকের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় মজলিসে সূরা সদস্য ও জেলা নায়েবে আমীর এবং টাঙ্গাইল-৪ কালিহাতী আসনে মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক খন্দকার আব্দুর রাজ্জাক।
এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আমীর মাওলানা মোহাম্মদ আলী, সাবেক উপজেলা সেক্রেটারি হাফিজ উদ্দিন আকন্দ, এলেঙ্গা পৌর জামায়াতের সেক্রেটারী রুহুল আমিনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, “দেশে একটি গোষ্ঠী জোর করে ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে চাইছে। কিন্তু জনগণ আর প্রহসনের নির্বাচন মেনে নেবে না। পিআর পদ্ধতিতে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনই এখন সময়ের দাবি। জুলাই ঘোষণা ও জুলাই সনদ বলতে শুধু মুখের বুলি নয়, বাস্তবায়ন দেখতে হবে।”
এসময় বক্তারা প্রধান উপদেষ্টার সাথে সফরসঙ্গী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়া এনসিপি প্রতিনিধির গায়ে ডিম নিক্ষেপের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, ‘রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকতেই পারে, কিন্তু শারীরিক আক্রমণ বা অপমানের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয় না।’
বক্তারা আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “পাঁচ দফা দাবি মানতে সরকার গড়িমসি করলে রাজপথেই তার জবাব দেওয়া হবে।”
শান্তিপূর্ণ এ কর্মসূচিতে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

সাদুল্লাপুরে কীটনাশক গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে কিশোরীর মৃত্যু, তদন্তে পুলিশ

মোঃ ফিরোজ প্রধান, গাইবান্ধা জেলার সাদুল্লাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ইউনিয়নের পূর্ব খামার দশলিয়া গ্রামে কীটনাশক গ্যাস ট্যাবলেট সেবনে নুপুর (১৮) নামের এক কিশোরীর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। নিহত নুপুর ওই গ্রামের লুৎফর রহমানের মেয়ে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার সকালে নিজ বাড়িতে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন নুপুর। পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি টের পেয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নিলেও তার শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটে এবং একপর্যায়ে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। খবর পেয়ে সাদুল্লাপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালের মর্গে পাঠায়।
এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি কী কারণে নুপুর আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন। পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ, দারিদ্র্য, শিক্ষাগত সমস্যা অথবা অন্য কোনো সামাজিক কারণ এর পেছনে ভূমিকা রেখেছে কি না — তাও স্পষ্ট নয়। পুলিশ জানিয়েছে, ময়নাতদন্ত রিপোর্ট ও তদন্ত সম্পন্ন হলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তা*ণ্ড*বে বিএনপির কর্মীরা রেহাই পায়নি: রিজভী 

রিপন পাল:
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীদের তা*ণ্ড*বে বিএনপির নেতা কর্মীরা রেহাই পায়নি। শেখ হাসিনা বলেছিলেন- দরকার হলে আকাশ থেকে হেলিকপ্টার দিয়ে বোম্বিং করো। এমন রক্ত পিপাসু খুনি মানসিকতার ব্যক্তি এতদিন দেশ চালিয়েছিলেন। পত্র-পত্রিকায় ও অডিও রেকর্ডে তাদের এমন কথোপকথন দেশবাসী শুনেছে। গতকাল ২৭ সেপ্টেম্বর শনিবার আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা দোলন ভুঁইয়াকে দেখতে তার ভুলতা ইউনিয়নের আতলাশপুর গ্রামের বাড়িতে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত রূপগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদল নেতা দোলন ভুঁইয়ার চিকিৎসার দায়িত্ব নিয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ সময় তিনি তারেক রহমানের পক্ষ থেকে দোলনের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা তুলে দেন এবং তার চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর একটি প্রতিনিধি দল দোলনের বাড়িতে আসেন। আহত ছাত্রদল নেতা দোলনের প্রতি তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা তাঁরা পৌঁছে দেন এবং সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব ও সংগঠনটির প্রধান উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর আহ্বায়ক আতিকুর রহমান, সংগঠনের উপদেষ্টা ইঞ্জিনিয়ার মোস্তফা-ই-জামান সেলিম, সদস্য মাসুদ রানা লিটন, শাকিল আহমেদ, ফরহাদ আলী সজীব, শাহাদত হোসেন, জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ডা. জাহিদুল কবির জাহিদ, নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সদস্য সচিব মশিউর রহমান রনি, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি জামিল হোসেন, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আবু হানিফ, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আরিফুর রহমান তুষার, যুবদল নেতা সাইয়াম সিকান্দার পাপ্পু, ছাত্রদল নেতা মশিউর রহমান প্রমুখ।
উল্লেখ্য ২০২৪ সালের ৪ সেপ্টেম্বর আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী হামলায় দোলন ভুঁইয়া ডান হাত সম্পূর্ণ অকেজো হয়ে মারাত্মক ভাবে আহত হন
আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

কুমারখালীতে ছেলের আঘাতে বাবার মৃত্যু,পরে ছেলের আত্মহত্যা

প্রতিনিধি,কুষ্টিয়া:

পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রীকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারছিল ছেলে। তা দেখে ঠেকাতে যান বৃদ্ধ বাবা। এ সময় ছেলের আঘাতে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাবাকে বাড়িতেই চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে রাত ১১টার দিকে অসুস্থ বাবা মারা যান। আর বাবা মৃত্যুর খবর শুনে ছেলে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি স্বজনদের। কুষ্টিয়ার কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের উদয় নাতুরিয়া গ্রামে বৃহস্পতিবার এমন চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন ওই গ্রামের শুম্ভু চরন বিশ্বাস (৮০) ও তার মেঝো ছেলে বিজয় কুমার (৩২)। তিনি পেশায় মাছ বিক্রেতা ছিলেন। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে। পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি শুম্ভু চরন বিশ্বাসের ছাগল বিক্রির নয় হাজার টাকা নিয়ে পূজার কেনাকাটা করে ছেলে বিজয় কুমার। এরপর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে বিজয় ফের টাকা চান বাবার কাছে। এ নিয়ে স্ত্রী মিনতির সঙ্গে বিজয়ের পারিবারিক কলহ বাঁধে। এক পর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারধর শুরু করলে তার বাবা ঠেকাতে যান। এ সময় আঘাতে বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে পল্লী চিকিৎসক ডেকে পারিবারিকভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর রাত ১১ টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শুম্ভু চরন। আর ২৬ সেপ্টেম্বর শুক্রবার সকালে বাড়ির পাশের বাদাম গাছ থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশকে খবর দেয় স্বজনরা। খবর পেয়ে সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে সুরতাল করে বাবা- ছেলের মরদেহ কুষ্টিয়া সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ। বাগুলাট ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সদস্য মনিরুল ইসলাম বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে বৃহস্পতিবার বিকেলে স্ত্রীকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মারছিল ছেলে। এ সময় ঠেকাতে গেলে বাবার শরীরে একটা আঘাত লাগে। এতে অসুস্থ হয়ে পড়লে বাড়িতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে মারা যায় শুম্ভু। আর বাবার মৃত্যুর খবর শুনে ছেলে আত্মহত্যা করেছে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছাঁয়া নেমে এসেছে। সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, টিনশেড ঘরের বারান্দায় পাশাপাশি রাখা রয়েছে বাবা ছেলের মরদেহ। পাশেই আহাজারি করছেন স্বজনরা। তাদের ঘিরে দাঁড়িয়ে আছেন প্রতিবেশী ও উৎসুক জনতা। তারা স্বজনদের শান্ত্বনা দেওয়ার চেষ্টা করছেন। সেখানে আইনী কার্যক্রম পরিচালনা করছে পুলিশ। নিহত শুম্ভুর বাম হাতে আঘাতের চিহৃ রয়েছে। এ সময় নিহত শুম্ভুর ছোট ছেলে ও বিজয়ের ভাই  বিজন কুমার বলেন, টাহা নিয়ে বাঁধিছিল। এ সময় বউ মারতি গিয়ে এটুফোঁটা মুরব্বীর গায় লাগিলি অসুস্থ হয়ছিল। ডাক্তার আনে চিকিৎসা দিছিলাম। তবুও রাতে মুরব্বী মারা গেছে। সেই অনুরাগে ভাই গলাঁয় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে। এখানে অন্যকিছু নেই। তবে নিহত বিজয়ের স্ত্রী মিনতি বলেন, পূজার চাঁদা দেওয়া নিয়ে বাবার সাথে দুই কথা বাঁধেছে। বাপ টাকার টেনশনে স্ট্রোক করে মারা গেছে। আর ওই জন্য মনের ভিতর খারাপ লাগেছে বলে ও ( স্বামী) গলায় দড়ি নেছে। তাঁর ভাষ্য, শ্বশুর মারা গেছে রাতে। আর স্বামীর মরার খোঁজ পাওয়া গেছে সকালে। রাতের স্বামী কোথায় ছিলেন তা তিনি জানেন না। আর নিহত শুম্ভুর স্ত্রী বিলাসী বলেন, একবার ছাগল বিক্রির ৯ হাজার টাকা নিয়ে পূজার কেনাকাটা করেছিল বিজয়। আবার পরদিন ছেলে ফের টাকা চাইলে স্বামী শোকে স্ট্রোক করে। পরে রাতে মারা গেছেন। আর ছেলে গলাঁয় দড়ি নিছে। কুমারখালী থানার ওসি খন্দকার জিয়াউর রহমান বলেন, ঝগড়াঝাঁটির জেরে বাবা ছেলের মৃত্যু হয়েছে। স্বজনদের দাবি বাবা স্ট্রোক করে মারা গেছে। তবে মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত নয়। আর ছেলে গলাঁয় ফাঁস নিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানা গেছে। তাঁদের মৃত্যুর ঘটনা নিশ্চিত হওয়ার জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন আসলে প্রকৃত ঘটনা জানা যাবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

কুড়িগ্রামে বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত

রাশেদুল ইসলাম:
“টেকসই  উন্নয়নে পর্যটন”-প্রতিপাদ্য নিয়ে কুড়িগ্রামে যথাযোগ্য উৎসাহ-উদ্দীপনার মাঝে  র‍্যালি ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে  বিশ্ব পর্যটন দিবস পালিত হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে শনিবার সকাল ১১ টায় একটি র‍্যালি জেলা প্রশাসক কার্যালয় চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে সেখানেই এসে সমাপ্ত হয়।
পরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসক  সিফাত মেহনাজের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মুক্তারুজ্জামান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আসাদুজ্জামান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) জেনারেল হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাক্তার নুরে নেওয়াজ, ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ আনম মোহাইমেন রাসেল, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইসমাইল হোসেন, কুড়িগ্রাম প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মাহফুজার রহমান খন্দকারসহ অন্যান্যরা ।
বক্তারা পর্যটন দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে কুড়িগ্রাম জেলার সম্ভাব্য পর্যটন এলাকা চিহ্নিত করেন। সেসব এলাকায় স্থানীয় উদ্যোক্তাদের সমন্বয়ে সমৃদ্ধ পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তুলতে উদ্যোগ গ্রহণে মতামত প্রদান করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

নেত্রকোনায় বিজিবির অভিযানে সীমান্তে ৯৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন (৩১বিজিবি) সীমান্ত এলাকায় পৃথক পৃথক স্থানে মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিক বিহীন অবস্থায় ৯৭ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করেছে।নেত্রকোনা ব্যাটালিয়ন(৩১ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল এ এস এম কামরুজ্জামান শনিবার বিকাল সাড়ে ৩ টার দিকে সাংবাদিকদের কাছে প্রেরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানান, বরুয়াকোনা বিওপি’র একটি টহল টিম গোয়েন্দা তথ্যের বিত্তিতে শুক্রবার রাত ৮টার দিকে কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের পাতলাবন এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিক বিহীন অবস্থায় ৬৩ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে। অপরদিকে ভরতপুর বিওপির একটি টহল টিম গোয়েন্দা তথ্যের বিত্তিতে শুক্রবার রাত ৭ টার দিকে দূর্গাপুর উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী গাজীপুর এলাকায় মাদক বিরোধী বিশেষ অভিযান চালিয়ে মালিক বিহীন অবস্থায় ৩৪ বোতল ভারতীয় মদ জব্দ করে।জব্দকৃত মদ মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কাছে জমা করা হয়েছে।
আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

নোয়াখালীতে প্রযুক্তি দক্ষতা এবং উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা ‘২৫ অনুষ্ঠিত

নোয়াখালী প্রতিনিধি: ‘একটাই লক্ষ্য, হতে হবে দক্ষ’ এমন প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বেগমগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজে দক্ষতা এবং উদ্ভাবন প্রতিযোগিতা ২০২৫ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
শনিবার ( ২৭ সেপ্টেম্বর)  সকালে বেগমগঞ্জ সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল এ্যান্ড কলেজ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে ইংরেজি বিভাগের ইন্সট্রাকটর মইনুল হাছান মোর্শেদের সঞ্চালনায় ও অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ নূর নবী সভাপতিত্বে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এ্যাসেট ( Asset) এর প্রজেক্ট এ্যানালিস্ট তারেক আহম্মেদ, গ্লোব সফট ড্রিংকসের ম্যানেজার আবদুল ওয়াহাব মানিক,প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার সাংবাদিক, প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী ছাত্র ছাত্রী প্রমুখ।
আলোচনায় অংশ নিয়ে সভাপতি অধ্যক্ষ প্রকৌশলী মোহাম্মদ নূর নবী বলেন,আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে উদ্ভাবিত প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী সকল শিক্ষার্থীকে অভিনন্দন জানিয়ে তিনি আরো বলেন,আজ যাঁরা প্রথম বা দ্বিতীয় হতে পারেনি তাঁরা হতাশ হবে না,ভেঙে পড়বে না,তোমাদের সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে দেশকে এগিয়ে নিতে কাজ করবে’।
এর আগে, অতিথিরা শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত বিভিন্ন প্রযুক্তি পরিদর্শন করেন। প্রতিযোগিতায় তিন ক্যাটাগরিতে যথাক্রমে ইলেকট্রনিকস বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত Laser home security systemকে প্রযুক্তি প্রর্দশন করে প্রথম স্হান অর্জন করে।ইলেকট্রিক্যাল বিভাগের শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবিত Automatic water dispenser machines এর জন্য দ্বিতীয় স্হান।Carbon absorptions air filter প্রযুক্তি উদ্ভাবনের জন্য অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা তৃতীয় স্হান অর্জন করে নেয়।
এছাড়াও প্রতিযোগিতায় বিজনেস কার্ড ডিজাইন, লোগো ডিজাইন, অটোমেটিক ব্যাটারি চার্জার প্রযুক্তি নিয়ে শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে জাতিসংঘে প্রধান উপদেষ্টার ভাষণ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল: মির্জা ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন নিয়ে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের দেওয়া ভাষণ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনে শুক্রবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে যোগদানের পর নিউইয়র্কের গ্র্যান্ড হায়াত হোটেলে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভাষণ যথেষ্ট শক্তিশালী ছিল। সাম্প্রতিক দিনগুলোতে তিনি (অধ্যাপক ইউনূস) এসব বিষয় বারবার উল্লেখ করছেন। এ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর কোনও সন্দেহ নেই। আমরা নিশ্চিত যে, নির্বাচন ফেব্রুয়ারিতেই হবে।

প্রধান উপদেষ্টার ভাষণকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, ওই ভাষণে সরকারের সংস্কার কর্মসূচি এবং জাতীয় ঐক্য উভয়ই প্রতিফলিত হয়েছে।

ফখরুল বলেন, প্রধান উপদেষ্টা তার ভাষণে নিঃসন্দেহে সেই উদ্দেশ্যের কথাই বলেছেন, যার ভিত্তিতে তাদের সরকার গঠিত হয়েছিল। দ্বিতীয়ত, তারা এমন সময়ে দায়িত্ব নিয়েছিলেন যখন গণঅভ্যুত্থানের পর দেশে শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। রাজনৈতিক দল এবং শিক্ষার্থীরা একসঙ্গে তাদের সেই দায়িত্ব দিয়েছিল।

তিনি আরও বলেন, দেশের অর্থনীতি ও রাজনীতি যে ভয়াবহ অবস্থায় ছিল এক বছরের মধ্যেই সরকার আপেক্ষিকভাবে ভালো অবস্থায় আনতে চেষ্টা করেছে। এসব বিষয়ও তার ভাষণে প্রতিফলিত হয়েছে।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, অধ্যাপক ইউনূস ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে তার সরকার কাজ শুরু করেছে এবং অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার পাশাপাশি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সংস্কারের দাবিও মোকাবিলা করেছে।

তিনি বলেন, আমরা বিএনপির পক্ষ থেকে দীর্ঘদিন ধরেই এ ধরনের প্রস্তাব দিয়ে আসছি। বেগম খালেদা জিয়া প্রথম ২০১৬ সালে ভিশন ২০৩০ উপস্থাপন করেছিলেন, যেখানে কাঠামোগত ও রাজনৈতিক সংস্কারের কথা বলা হয়েছিল। এছাড়া তারেক রহমান ২০২২ সালে ৩১ দফা কর্মসূচি ঘোষণা করেছিলেন, যেখানে রাষ্ট্র কাঠামোর সংস্কার এবং অর্থনৈতিক সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

তিনি বলেন, একদিকে রাষ্ট্র কাঠামো পরিবর্তন এবং অন্যদিকে অর্থনৈতিক কাঠামো সংস্কার না করলে জাতিকে এগিয়ে নেওয়া কঠিন হতো। এ কাজই তারা শুরু করেছেন। আজ তিনি সেই বিষয়গুলো জাতির সামনে যেমন উপস্থাপন করেছেন, তেমনই জাতিসংঘের বৈশ্বিক ফোরামেও তুলে ধরেছেন।

প্রধান উপদেষ্টার অন্তর্ভুক্তিমূলক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা খুব খুশি, ইতিহাসে প্রথমবার তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে সরকারের কাজে অন্তর্ভুক্ত করেছেন এবং তাদের জাতিসংঘে সঙ্গে নিয়েছেন। তার প্রধান উদ্দেশ্য ছিল জাতির ঐক্য প্রদর্শন।

তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি, এটি এক অনন্য উদ্যোগ এবং বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। এ জন্য আমরা পূর্ণ সহযোগিতা দিয়েছি এবং আমাদের নেতা তারেক রহমানও এটিকে সমর্থন করেছেন।

জামায়াতে ইসলামী অনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব (পিআর) ইস্যুতে আন্দোলন চালাচ্ছে– এ প্রসঙ্গে বিএনপির অবস্থান পরিষ্কার করে ফখরুল বলেন, আমরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছি, বিএনপি নিম্নকক্ষে পিআরের পক্ষে নয়, এমনকি উচ্চকক্ষেও এর পক্ষে আমরা কথা বলিনি। এ ধরনের বিষয়গুলো পরবর্তী সময়ে আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা হবে।

সূত্র: বাসস

আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

ফিলিস্তিনের স্বীকৃতি প্রদান মানে ইসরায়েলের গলায় ছুরি ধরা : নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ফিলিস্তিনকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে ইউরোপীয় দেশগুলো ইসরায়েলকে আত্মহত্যার দিকে ঠেলছে বলে অভিযোগ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি প্রদানকে ইসরায়েলের গলায় ছুরি ধরার সঙ্গেও তুলনা করেছেন তিনি।

শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে দেওয়া ভাষণে এ অভিযোগ করেন তিনি। অবশ্য তিনি ভাষণ দিতে ওঠার পর সাধারণ পরিষদ মিলনায়তনে উপস্থিত রাষ্ট্রদূত এবং কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিদের অধিকাংশই মিলনায়তন থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। ফাঁকা মিলনায়তনে উত্তেজিত কণ্ঠে নেতানিয়াহু বলেন, “ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে স্বীকৃতি প্রদানের মাধ্যমে আপনারা আসলে ইহুদি হত্যাকে সমর্থন করেছেন। একটি সন্ত্রাসী রাষ্ট্র আমাদের গলায় ছুরি ধরে থাকবে— তা আমরা কখনও মেনে নেবো না।”

ইউরোপীয় নেতাদের কটাক্ষ করে নেতানিয়াহু বলেন, “নিষ্ঠুর মিডিয়া এবং ইহুদিবিরোধী মবের মুখোমুখি হওয়ার সাহস আপনাদের নেই। তাই ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আপনারা হামাসকে পুরস্কৃত করছেন, আর ইসরায়েলকে আত্মহত্যার পথে ঠেলছেন। কিন্তু আমরা এটা কখনও মানব না।”

ফিলিস্তিনকে স্বাধীন এবং সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করতে গত সোমবার বৈশ্বিক সম্মেলন হয়েছে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে। ফ্রান্স এবং সৌদি আরবের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সেই সম্মেলনের সময় এবং তার আগে ও পরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দিয়েছে ফ্রান্স, বেলজিয়াম, পর্তুগাল, যুক্তরাজ্য, লুক্সেমবার্গসহ বেশ কয়েকটি দেশ। সম্মেলনে মধ্যপ্রাচ্যের আল আকসা অঞ্চলে জাতিসংঘের প্রস্তাবতি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান বাস্তবায়ন এবং পশ্চিম তীর অঞ্চলে ইসরায়েলের দখল কার্যক্রম বন্ধের দাবি উঠেছে জোরেশোরে।

তবে জাতিসংঘে প্রদান করা বক্তব্যে পশ্চিম তীরে ইসরায়েলের দখল কার্যক্রম নিয়ে একটি কথাও বলেননি নেতানিয়াহু। তিনি ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট এবং পশ্চিম তীর অঞ্চলে ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিনি সরকারকে ‘আপাদমস্তক দুর্নীতিগ্রস্ত’ বলে উল্লেখ করেন।

প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহু তার রাজনীতি জীবনের শুরু থেকেই দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের বিরোধী। গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিষ্ঠুর অভিযান বন্ধে দুই বছরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব বহুভাবে নেতানিয়াহুকে চাপ দিয়েছে, কিন্তু তিনি অভিযান বন্ধের নির্দেশ দেননি।

নেতানিয়াহুর ভাষণের প্রতিক্রিয়ায় এক বিবৃতিতে পশ্চিম তীরে ক্ষমতাসীন ফিলিস্তিন সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আদেল আতিয়েহ বলেছেন, “জাতিসংঘে নেতানিয়াহুর এই ভাষণ আসলে একজন পরাজিত মানুষের জবানবন্দি।”

সূত্র : এএফপি

আলোকিত প্রতিদিন/২৭সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম