ক্রীড়া ডেস্ক, বয়স মাত্র ১৪ বছর, কিন্তু বৈভব সূর্যবংশী ব্যাট হাতে বিশ্ব ক্রিকেটকে ইতোমধ্যেই তিনি চমকে দিয়েছেন। অস্ট্রেলিয়া অনূর্ধ্ব-১৯ দলের বিপক্ষে ব্রিসবেনের ইয়ান হিলি ওভালে যুব টেস্টে খেলতে নেমে তিনি মাত্র ৭৮ বলে সেঞ্চুরি হাঁকান এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৮৬ বলে ১১৩ রান করে হেইডেন শিলারের বলে আউট হলেও, ৮টি ছক্কা ও ৯টি চারে ইনিংসটি সাজান রাজস্থান রয়্যালসের এই ব্যাটার। ম্যাচে ভারতের আরেক তরুণ ভেদান্ত ত্রিবেদীও দারুণ খেলেন। তিনি ১৯২ বলে ১৪০ রানের দুর্দান্ত ইনিংস উপহার দেন।
ধামরাইয়ে আলাউদ্দিন পার্কে দেহ ব্যবসা ও মাদক ব্যবসার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ
গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার জাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা ইসরায়েলের
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গাজার দিকে এগিয়ে যাওয়া গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার কয়েকটি জাহাজ ইসরায়েলের আসোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া এবং বাকি জাহাজগুলোকে ডুবিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করছে দখলদার ইসরায়েল।
১ অক্টোবর বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম ইয়েনেত নিউজ। প্রায় ৪০টি জাহাজে ত্রাণ নিয়ে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার দিকে যাচ্ছেন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অসংখ্য অধিকারকর্মী।
ইয়েনেত জানিয়েছে, ইসরায়েলি নৌবাহিনী জাহাজগুলো আটকের প্রস্তুতি নিচ্ছে। অধিকারকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়ে জাহাজগুলো জব্দ করার পরিকল্পনা তাদের।
জাহাজগুলো জব্দের সময় অধিকারকর্মীদের মধ্যে হতাহতের ঘটনা ঘটতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে আসোদ বন্দরের আশপাশের হাসপাতালগুলোতে ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে রাখতে বলা হয়েছে। আসোদ বন্দরে প্রায় ৫০০ পুলিশ সদস্য মোতায়েন করেছে ইসরায়েল।
ইয়েনেত জানিয়েছে, গাজার কাছে আসার পর ইসরায়েলি নৌবাহিনী এলিট ইউনিট সায়েতেত ১৩-এর সেনারা জাহাজগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেবেন। ওই সময় পুরো নৌবাহিনীকে এতে যুক্ত করা হবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অধিকারকর্মীদের ইসরায়েলি নৌবাহিনীর জাহাজে তুলে তাদের আসোদ বন্দরে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর তাদের কেতজিয়োত কারাগারে নেওয়া হবে। যারা ইসরায়েলিদের নির্দেশনা মানবে তাদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হবে। নির্দেশনা না মানলে তাদের কারাগারেই আটকে রাখা হবে। জাহাজের কিছু আসোদ বন্দরে আনা হবে। আর বাকিগুলো ডুবিয়ে দেওয়া হবে।
এদিকে ইসরায়েলি নৌ সেনারা যে কোনো সময় গ্লোবাল গাজা ফ্লোটিলায় হামলা চালাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ বহরে থাকা একাধিক অধিকারকর্মী এ তথ্য জানিয়েছে।
সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী জাহাজগুলো গাজা উপকূল থেকে ২০০ কিলোমিটারের কম দূরত্বে অবস্থান করছে।
সূত্র: আলজাজিরা
আলোকিত প্রতিদিন/০১ অক্টোবর ২০২৫/মওম
শরৎকালের বৃষ্টিতে ডুবেছে ঢাকা, চরম দুর্ভোগ জনজীবনে
আলোকিত ডেস্ক:
আশ্বিন মাসের বৃষ্টিতে ঢাকার অনেক রাস্তা ডুবে গেছে। টানা বৃষ্টির ফলে বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে জনজীবনে চরম দুর্ভোগ সৃষ্টি হয়েছে।
৩০ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাত থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে শহরের বিভিন্ন জায়গায় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নিউমার্কেট, মালিবাগ, শান্তিনগর, সায়াদাবাদ, শনির আখড়া, পুরান ঢাকা, বংশাল, নাজিমুদ্দিন রোড, ধানমন্ডি, মিরপুর ১৩, হাতিরঝিলের কিছু অংশ, আগারগাঁও থেকে জাহাঙ্গীর গেট যেতে নতুন রাস্তায়, খামারবাড়ি থেকে ফার্মগেট, ফার্মগেট-তেজগাঁও ট্রাক স্ট্যান্ড সংলগ্ন এলাকা, ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকায়, মোহাম্মদপুর, ইসিবি, কালশিসহ বিভিন্ন সড়ক এবং অলিগলিতে জলবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা উত্তর এবং দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের একাধিক টিমকে কাজ করতে দেখা গেছে। তারা সড়কের ম্যানহোলগুলো খুলে পানি নিষ্কাশন করতে কাজ করছেন। এছাড়াও ডিএসসিসির ওয়ার্ড ভিত্তিক ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমকে কাজ করতে দেখা গেছে।

রাজধানীর কালশি এলাকার বাসিন্দা বলেন, সকাল থেকেই এই এলাকায় জলাবদ্ধতা ছিল, হাটু পানি মারিয়ে চলাচল করতে হচ্ছিলো। পরে সিটি কর্পোরেশনের লোকেরা এসেছে। তারা পানি অপসরণের কাজ করছে।
মিরপুর ১ এর বাসিন্দা বলেন, মিরপুর ১ এলাকা এখনও ডুবে আছে। পানি নামাতে সিটি কর্পোরেশনের কর্মীরা কাজ করলেও এখনও জলাবদ্ধতা আছে। বিভিন্ন অলিগলি এখনো ডুবে আছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ অক্টোবর ২০২৫/মওম
ফিলিপাইনে রাতের আঁধারে ভয়াবহ ভূমিকম্প, বেড়েই চলেছে নিহতের সংখ্যা
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশ ফিলিপাইনে রাতের আঁধারে আঘাত হানা ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬৯ জনে। ধ্বংসস্তূপে উদ্ধার তৎপরতা চলছে এবং কিছু এলাকায় বিদ্যুৎ এবং পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।
যদিও উদ্ধার তৎপরতার পাশাপাশি বিদ্যুৎ-পানি সরবরাহ পুনরায় সচল করতে কাজ শুরু করেছে সরকারি সংস্থাগুলো। ১ অক্টোবর বুধবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা রয়টার্স।
মঙ্গলবার স্থানীয় সময় রাত প্রায় ১০টার দিকে সেবু প্রদেশের উপকূলে ৬ দশমিক ৯ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। ভূকম্পন কেন্দ্রের কাছাকাছি বোগো শহরের হাসপাতাল এখন রোগীতে উপচে পড়েছে বলে জানিয়েছেন সেখানকার সিভিল ডিফেন্স কর্মকর্তা রাফি আলেহান্দ্রো।

সিভিল ডিফেন্স দপ্তরের আঞ্চলিক তথ্য কর্মকর্তা জেন আবাপো বলেন, নিহতের সংখ্যা প্রাথমিকভাবে ৬৯ হলেও তা এখনো যাচাই-বাছাই চলছে। আহত হয়েছেন আরও দেড় শতাধিক মানুষ।
এদিকে প্রেসিডেন্ট ফার্ডিনান্ড মার্কোস জুনিয়র ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত সহায়তার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, মন্ত্রিসভার সদস্যরা সরাসরি ত্রাণ কার্যক্রম তদারকি করছেন। নিহতদের পরিবারের প্রতি শোকও জানিয়েছেন তিনি।
রয়টার্স বলছে, ফিলিপাইনের অন্যতম পর্যটন কেন্দ্র সেবুতে ৩৪ লাখ মানুষ বসবাস করেন। ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও দেশের দ্বিতীয় ব্যস্ততম ম্যাকতান-সেবু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর সচল রয়েছে।
ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোর একটি হচ্ছে সান রেমিজিও। এই শহরে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে। শহরের সহকারী মেয়র আলফি রেইনেস জানিয়েছেন, বৃষ্টির কারণে উদ্ধারকাজ ব্যাহত হচ্ছে, বিদ্যুৎ নেই, আর পানির সরবরাহ লাইন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় তীব্র সংকটে পড়েছে মানুষ। এই পরিস্থিতিতে খাদ্য, পানি এবং ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে জরুরি সহায়তার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে পিলার শহরের বাসিন্দা আর্চেল কোরাজা জানান, ভূমিকম্প আঘাত হানার সময় তার পরিবারের সবাই ঘুমাচ্ছিলেন। হঠাৎ প্রচণ্ড কাঁপুনি শুরু হলে তিনি পরিবারকে নিয়ে দ্রুত রাস্তায় বেরিয়ে যান। কোরাজা বলেন, ভূমিকম্পের পর তিনি দেখেন, সাগরের পানি তীর থেকে সরে যাচ্ছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিওতে দেখা যায়, মানুষ ঘর থেকে দৌড়ে বেরিয়ে আসছে এবং ভবন ধসে পড়ছে। এমনকি শতবর্ষী একটি গির্জাও ভেঙে পড়েছে। রেইনেস জানিয়েছেন, নিহতদের মধ্যে কয়েকজন সান রেমিজিওর একটি ক্রীড়া কমপ্লেক্সে বাস্কেটবল খেলছিলেন। ভূমিকম্পে ওই ভবনটি আংশিক ধসে পড়ে।
ভূমিকম্প পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো বলছে, সর্বশেষ এই কম্পনের গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার। এরপর একাধিক আফটারশক রেকর্ড করা হয়েছে, এর মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালীটির মাত্রা ছিল ৬। তবে সুনামি সতর্কতা জারি করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, ফিলিপাইন প্রশান্ত মহাসাগরের ‘রিং অব ফায়ার’-এ অবস্থিত হওয়ায় দেশটিতে প্রায়শই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাত ঘটে থাকে। চলতি বছরের জানুয়ারিতেই দেশটিতে দুটি বড় ভূমিকম্প হয়েছিল, যদিও তাতে কেউ নিহত হয়নি। এর আগে ২০২৩ সালে ৬ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে দেশটিতে অন্তত আটজনের মৃত্যু হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ অক্টোবর ২০২৫/মওম
এনসিপিকে প্রতীক গ্রহণ করতে হবে ইসির তালিকা থেকেই
আলোকিত প্রতিবেদক:
ইসির তালিকা থেকেই জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতীক বাছাই করতে হবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। এছাড়াও রাজনৈতিক দল হিসেবে এনসিপি এবং বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।৩০সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে নিজ দফতরের সামনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
আখতার আহমেদ বলেন, ‘১৪৩টি দল আবেদন করেছিল। এর মধ্যে ২২টি দলের তথ্য মাঠে পর্যালোচনা হয়েছে। এর মধ্যে দুটি দল (এনসিপি) ও বাংলাদেশ জাতীয় লীগকে নিবন্ধন দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। এছাড়া ১৩টি দলকে পর্যালোচনাধীন রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রতীক নিয়ে একটা বিষয় অনিষ্পন্ন আছে। তারা যে প্রতীক চেয়েছে, সে প্রতীকটা আমাদের প্রতীক সংক্রান্ত যে বিধিমালার তফসিল, সেখানে নেই। এবং না থাকার কারণে আমরা তাদের কাছে একটা প্রতীক নিশ্চিত করার জন্য একটা চিঠি দেবো। সে চিঠিটা পাওয়ার পরে তারা আমাদের যে প্রতীকটা বলবেন, সেই প্রতীক উল্লেখ করে আমরা তাদের নামে বিজ্ঞপ্তি দেবো। আর অন্য দলটি হচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় লীগ, তাদের প্রতীকের ব্যাপারটা ঠিক আছে। তারা একটা প্রতীকের কথা বলেছেন সেটা ঠিক আছে।’
এদিকে এনসিপি প্রথমে ‘শাপলা’, ‘কলম’ ও ‘মোবাইলে ফোন’-এর যেকোনো একটি প্রতীক তাদের দেওয়ার জন্য আবেদন জানায়। পরবর্তীতে সে আবেদনে সংশোধন এনে ‘শাপলা’, ‘সাদা শাপলা’ এবং ‘লাল শাপলা’ দেওয়া আবেদন জানায়।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর ইসি সচিব বলেছিলেন, ‘এনসিপি শাপলা প্রতীক পাচ্ছে না। আমাদের ১১৫টার যে শিডিউল করা হয়েছে সেখানে শাপলা প্রতীক নেই। নিয়মটা হচ্ছে যে, সংরক্ষিত প্রতীক যেটা আছে সে প্রতীকের মধ্য থেকে একটা নিতে হবে। সে প্রতীকে যদি শাপলা না থাকে তাহলে দেওয়ার সুযোগটা কোথায়?’
গত ২২ সেপ্টেম্বর জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটওয়ারী বলেছেন, ‘আমরা আজকেও শাপলা, সাদা শাপলা, লাল শাপলা চেয়েছি। এই সিদ্ধান্ত থেকে সরছি না। এটা নিয়ে ষড়যন্ত্র চলছে। কিন্তু এই তিনটি প্রতীকের মাধ্যমেই নিবন্ধন হতে হবে।’
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন বলেন, ‘রাজনৈতিক নেতারা অনেক কথা বলেন। এটা তাদের বলার অধিকার আছে। তারা বলতে পারেন আমরা তো আর সেরকম জবাব দিতে পারবো না। আমরা শুনতে পারবো। আমরা শ্রোতা হিসাবে অত্যন্ত উত্তম, অত্যন্ত উত্তম। আমরা শুনেই যাব এবং আমরা যথারীতি আইন মোতাবেক কাজ করেই যাব। আমরা মোটেও হুমকি মনে করি না। কারণ উনারা তো দেশের দ্রোহী না, দেশের প্রেমিক। তাদের এগুলাকে আমি হুমকি মনে করি না। তারাও দেশের প্রেমিক, দেশের মঙ্গল চান, দেশের ভালো চান। যে ধরনের কর্মকাণ্ড করলে দেশের মঙ্গল হবে সেটা তারাও বুঝেন। আমি এটাকে দেশের জন্য হুমকি মনে করি না, আমাদের জন্য কোনও হুমকি মনে করি না।’
উল্লেখ্য, সংশোধিত নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা অনুযায়ী ১১৫টি প্রতীক হলো- আপেল, আনারস, আম, আলমিরা, ঈগল, উটপাখি, উদীয়মান সূর্য, একতারা, কাঁচি, কবুতর, কলম, কলস, কলার ছড়ি, কাঁঠাল, কাপ-পিরিচ, কাস্তে, কেটলি, কুমির, কম্পিউটার, কলা, কুড়াল, কুলা, কুঁড়ে ঘর, কোদাল, খাট, খেজুর গাছ, গরুর গাড়ি, গাভী, গামছা, গোলাপ ফুল, ঘণ্টা, ঘুড়ি, ঘোড়া, চাকা, চার্জার লাইট, চাবি, চিংড়ি, চেয়ার, চশমা, ছড়ি, ছাতা, জগ, জাহাজ, টিউবওয়েল, টিফিন ক্যারিয়ার, টেবিল, টেবিল ঘড়ি, ট্রাক, টেলিফোন, টেলিভিশন, ডাব, ঢেঁকি, তবলা, তরমুজ, তারা, থালা, দাঁড়িপাল্লা, দালান, দেয়াল ঘড়ি, দোয়াত কলম, দোলনা, ধানের শীষ, নোঙ্গর, নৌকা (স্থগিত), প্রজাপতি, ফুটবল, ফুলকপি, ফুলের টব, ফুলের মালা, ফ্রিজ, বক, বাঘ, বই, বটগাছ, বাঁশি, বেঞ্চ, বেগুন, বাইসাইকেল, বালতি, বেলুন, বৈদ্যুতিক পাখা, মই, মগ, মাইক, মটরগাড়ি (কার), মশাল, ময়ূর, মাছ, মাথাল, মিনার, মোমবাতি, মোবাইল ফোন, মোড়া, মোরগ, রকেট, রিকশা, লাউ, লিচু, লাঙ্গল, শঙ্খ, সোনালী আঁশ, সেলাই মেশিন, সোফা, সিংহ, স্যুটকেস, হরিণ, হাত (পাঞ্জা), হাতঘড়ি, হাতপাখা, হাঁস, হাতি, হাতুড়ি, হারিকেন, হুক্কা ও হেলিকপ্টার।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ অক্টোবর ২০২৫/মওম
ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ১৯ কিলোমিটারে তীব্র যানজট
অনলাইন ডেস্ক:
শারদীয় দুর্গাপূজায় টানা চার দিনের ছুটিকে কেন্দ্র করে রাজধানী এবং আশপাশ থেকে গ্রামের পথে মানুষের ঢল নেমেছে। এতে প্রধান দুটি সড়ক ঢাকা-চট্টগ্রাম এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। শনিরআখরা থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত প্রায় ১৯ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের বিভিন্ন অংশেও গাড়ির ধীরগতি ও থেমে থেমে চলার খবর পাওয়া গেছে।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বলেন, বৈরী আবহাওয়া ও ছুটির কারণে সড়কে স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় কয়েক গুণ বেশি গাড়ির চাপ বেড়েছে। এতে যানবাহনের গতি কমে গিয়ে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়েছে।যাত্রীরা জানান, পূজার ছুটি শুরু হওয়ায় সবাই গ্রামের বাড়ি যেতে রওনা হয়েছেন। সাধারণ দিনে সাইনবোর্ড থেকে মেঘনা টোলপ্লাজা পর্যন্ত যেতে যেখানে আধাঘণ্টা সময় লাগে, আজ সেখানে তিন থেকে চার ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে।
এক মহিলা যাত্রী বলেন, প্রতি বছর পূজার ছুটিতে আমরা গ্রামে যাই। কিন্তু এ বছর যানজট এত ভয়াবহ যে, কখন পৌঁছাতে পারব সেটি নিয়েই দুশ্চিন্তায় আছি। শুধু চট্টগ্রামমুখী সড়ক নয়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কেও একই চিত্র। ভৈরব, নরসিংদী ও আড়াইহাজার অংশে যানবাহন ধীর গতিতে চলছে।পুলিশ জানায়, ছুটির চাপের পাশাপাশি বৈরী আবহাওয়া যুক্ত হওয়ায় সড়কে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বজায় রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই দীর্ঘ যানজট প্রভাব পরছে রায়েরবাগ ও শনির আখরা পর্যন্ত।
কাঁচপুর হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আরও বলেন, আমরা বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছি। তবে গাড়ির চাপ অনেক বেশি হওয়ায় যানজট নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে। একাধিক টিম কাজ করছে, আশা করছি দ্রুত পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/০১ অক্টোবর ২০২৫/মওম
বিশা*ল ৮ ছক্কা ও ৯ চারে টেস্টে ৭৮ বলে সেঞ্চুরি বৈভব সূর্যবংশীর!
জাতীয় প্রেসক্লাব কবিতাপত্র পরিষদের নিয়মিত আসর
প্রেস বিজ্ঞপ্তি : আজ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫, মঙ্গলবার, বিকেল ৪ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের মওলানা আকরাম খাঁ-হলে অনুষ্ঠিত হয় কবিতাপত্রের অনুষ্ঠান । আসরে সভাপতিত্ব করেন, কবিতাপত্রের সভাপতি কবি শাহীন চৌধুরী। আসারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক তারুন্যের কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। আসরের শুরুতে “কবিতায় ভাষার ব্যহার” নিয়ে আলোচনা করেন কবি আসাদ কাজল। কবিতা পাঠ করেন কবি নাজমূল হাসান, কবি সৈয়দ রনো,- কবি তন্ময় হারিস, কবি মিলি হক, কবি রফিক হাসান, কবি তারিফ রহমান, কবি বজলুর রায়হান, কবি মোজাফফর বাবু, কবি লিলি হক, কবি জয়নুল আবেদীন জয়, কবি নাসরীন গীতি, কবি আইয়ুব আনসারী, কবি আলী মাহমুদ , কবি আতিকুজ্জামান খান, কবি শ্যামলী মন্ডল, কবি নূরুল আলাম খোকন, কবি প্রসপারিনা সরকার, কবি জুহুরুল ইসলাম মঞ্জু, কবি সালাম জোবায়ের, কবি আহমদ মঈন, কবি আ, কা, আজাদ, কবি মোহাম্মদ শওকত আলী, কবি কামার ফরিদ, কবি মিলি হক, কবি চান মিয়া চান্দু, কবি কায়সার কামাল, কবি আতিকুল ইসলাম প্রমুখ।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
ধামরাইয়ে ৩০ পুড়িয়া হেরোইনসহ যুবক আ*টক
ট্রাম্পের ২০ দফা পরিকল্পনা নিয়ে কী বলছেন বিশ্ব নেতারা
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গাজায় প্রায় দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধের অবসানে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রস্তাবিত ২০ দফা পরিকল্পনায় সমর্থন জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। পরিকল্পনাটি ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সশস্ত্র গোষ্ঠী হামাস পর্যালোচনা করে দেখছে। তবে এই শান্তি পরিকল্পনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনও সিদ্ধান্ত জানায়নি গোষ্ঠীটি।
ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘‘আমি গাজায় যুদ্ধ শেষ করার আপনার পরিকল্পনায় সমর্থন জানাই; যা আমাদের যুদ্ধের সব লক্ষ্য অর্জন করবে। এই পরিকল্পনা আমাদের সব জিম্মিকে ইসরায়েলে ফিরিয়ে আনবে, হামাসের সামরিক সক্ষমতা ধ্বংস করবে, তাদের রাজনৈতিক শাসনের অবসান ঘটাবে এবং নিশ্চিত করবে গাজা আর কখনো ইসরায়েলের জন্য হুমকি হবে না।’’
• ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষের বিবৃতি বলা হয়েছে, ‘‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড জে ট্রাম্পের গাজায় যুদ্ধ শেষ করার আন্তরিক ও দৃঢ় প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানায় ফিলিস্তিন রাষ্ট্র। একই সঙ্গে শান্তির পথে এগিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে তার সক্ষমতার ওপর আস্থা পুনর্ব্যক্ত করছে ফিলিস্তিন।’’
• ইসরায়েলের অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ বলেছেন, ‘‘এটি ঐতিহাসিক এক সুযোগ… এবং আমার ধারণা, এটি শেষ পর্যন্ত চোখের জলে শেষ হবে। আমাদের সন্তানদের আবার গাজায় লড়াই করতে বাধ্য হতে হবে। আমরা পরামর্শ ও বিবেচনা করবো এবং সিদ্ধান্ত নেব। কিন্তু গতকাল থেকে যে উদযাপন চলছে, তা একেবারেই হাস্যকর।
• গাজার সশস্ত্র গোষ্ঠী ইসলামিক জিহাদের প্রধান জিয়াদ আল-নাখালা বলেছেন, ‘‘ইসরায়েল যুক্তরাষ্ট্রের মাধ্যমে এমন কিছু চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, যা সে যুদ্ধে অর্জন করতে পারেনি। তাই আমরা এই মার্কিন-ইসরায়েলি ঘোষণাকে গাজা উপত্যকাকে গুঁড়িয়ে দেওয়ার রসদ হিসেবে বিবেচনা করি।’’
• ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া ক্যালাস বলেছেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের গাজা পরিকল্পনা একটি স্থায়ী শান্তির সুযোগ। এটি যুদ্ধ শেষ করার সর্বোত্তম সুযোগ এনে দিয়েছে। ইইউ এই পরিকল্পনার সাফল্যে সহায়তা করতে প্রস্তুত। ইসরায়েল ইতোমধ্যে পরিকল্পনায় সই করেছে। এখন হামাসকে দেরি না করে এটি মেনে নিতে হবে। জিম্মিদের তাৎক্ষণিক মুক্তির মাধ্যমে পরিকল্পনার বাস্তবায়ন শুরু করতে হবে।’’
• সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, কাতার, মিসর, জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা যুক্তরাষ্ট্র ও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর সঙ্গে ইতিবাচক এবং গঠনমূলক কাজ করার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন। যাতে চুক্তি চূড়ান্ত করা যায় এবং এর বাস্তবায়ন নিশ্চিত হয়। এর মাধ্যমে ওই অঞ্চলের জনগণের জন্য শান্তি, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে।
• জাতিসংঘের মুখপাত্র আলেসান্দ্রা ভেলুচ্চি বলেছেন, আমরা শান্তি প্রচেষ্টার বিষয়ে বিভিন্ন পক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা সব ধরনের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। আমরা মানবিক সহায়তা প্রদানসহ যেকোনো ধরনের শান্তি পরিকল্পনায় সমর্থন জানাতে প্রস্তুত রয়েছি।
• তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান বলেছেন, ‘‘আমি গাজায় রক্তপাত বন্ধ এবং যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রচেষ্টা ও নেতৃত্বের প্রশংসা করি। তুরস্ক ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য এই প্রক্রিয়ায় অবদান রাখবে, যা সব পক্ষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে।’’
• ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেছেন, ‘‘রাশিয়া সব সময়ই ট্রাম্পের এমন প্রচেষ্টায় সমর্থন ও স্বাগত জানায়; যা চলমান মর্মান্তিক ঘটনার অবসান ঘটাতে চায়। আমরা এই পরিকল্পনার বাস্তবায়ন ও মধ্যপ্রাচ্যের সব সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাপ্তি চাই।’’
• জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রেডরিখ মার্জ বলেছেন, ‘‘আমরা গতকাল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রকাশিত গাজা শান্তি পরিকল্পনায় স্বাগত জানাই। এই পরিকল্পনাই যুদ্ধ শেষ করার সর্বোত্তম উপায়। ইসরায়েলের এই পরিকল্পনায় সমর্থন জানানো গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। এখন হামাসকে রাজি এবং শান্তির জন্য পথ পরিষ্কার করতে হবে।
• ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ বলেছেন, ‘‘আমি গাজার যুদ্ধের অবসান এবং সব জিম্মি মুক্তির জন্য প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতিকে স্বাগত জানাই। আশা করছি, ইসরায়েল এই প্রক্রিয়ায় দৃঢ়ভাবে অংশ নেবে। হামাসের কোনো বিকল্প নেই—তাদের এখনই সব জিম্মিকে মুক্তি দিতে হবে এবং এই পরিকল্পনা মেনে চলতে হবে।
• যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার বলেছেন, ‘‘গাজা যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নতুন উদ্যোগ অত্যন্ত সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য এবং আমি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞ। আমরা দৃঢ়ভাবে তার প্রচেষ্টার প্রতি সমর্থন জানাই। যাতে যুদ্ধ বন্ধ, জিম্মিদের মুক্তি এবং গাজার জনগণের জন্য জরুরি মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা যায়। এটিই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার এবং তাৎক্ষণিকভাবে এই চুক্তির বাস্তবায়ন দরকার।’’
সূত্র: রয়টার্স।
আলোকিত প্রতিদিন/৩০সেপ্টেম্বর ২০২৫/মওম

