আজ শনিবার, ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৪ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 271

নবীনগরে মা ইলিশ প্রজন্ম রক্ষার্থে মেঘনা নদীতে অভিযান

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
“মা ইলিশ কে ২২ দিন ডিম ছাড়ার সুযোগ দিন।ইলিশ সম্পদ বৃদ্ধিতে সহায়তা করুন” এই প্রতিপাদ্য কে সামনে রেখে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেলা মৎস্য অফিস ও সলিমগঞ্জ নৌ পুলিশের যৌথ অভিযানে সরকারের নির্ধারিত মা ইলিশ প্রজন্ম রক্ষার্থে মেঘনা নদীতে ধরাভাঙ্গা,বড়িকান্দি ও মানিকনগর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করা হয়।শনিবার(০৪ অক্টোবর)দুপুরে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়।জানা যায়,৪ অক্টোবর থেকে ২৫ অক্টোবর ২২ দিন প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরা বন্ধ রাখতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সরকারি সিদ্ধান্তে।এসময়ে মাছ আহরণ,বাজারজাতকরণ ক্রয় ও বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়েছে।এরই অংশ হিসেবে নবীনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার আক্কাস আলী ও সলিমগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক হায়দার তালুকদার অভিযানে নেতৃত্ব দেন।এসময় সলিমগঞ্জ নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আসাদুজ্জামান সহ অন্যান্যা পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
পরে অভিযানে আনুমানিক দেড় লাখ টাকার অবৈধ জাল উদ্ধার করে প্রকাশ্যে মেঘনা নদীর পাড়ে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত শিশুর লাশ উদ্ধার

মোঃ নিশাদুল ইসলাম:

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঢাকা-সিলেট-চট্টগ্রাম রেল পথের বিজয়নগর উপজেলার মিরাশানী এলাকার রেললাইনের পাশ থেকে অজ্ঞাত আনুমানিক (১২) বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করেছে আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ। ৫  অক্টোবর রবিবার সকাল ১১ টার দিকে রেল লাইনের পাশে এ লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী রেলওয়ে থানায় খবর দিলে আখাউড়া রেলওয়ে থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। তবে তারা উদ্ধারকৃত লাশের কোন নাম পরিচয় সনাক্ত করতে পারেনি। এ ব্যাপারে আখাউড়া রেলওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ এস. এস. শফিকুল ইসলাম জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে রেললাইনের পাশ থেকে শিশুর লাশ উদ্ধারের জন্য পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অজ্ঞাত লাশটি উদ্ধার করেছে। এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় আইগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

নারী বিশ্বকাপে ‘নো হ্যান্ডশেক’ বিতর্ক, টসের সময় মুখ ফেরালেন হারমানপ্রীত-ফাতিমা!

ক্রিয়া ডেস্ক, ভারত ও পাকিস্তান ক্রিকেটে করমর্দন না করার ধারা বজায় রইল। কলম্বোর আর প্রেমাদাসা স্টেডিয়ামে নারী বিশ্বকাপের হাই-ভোল্টেজ ম্যাচের আগে টসের সময় পাকিস্তানি অধিনায়ক ফাতিমা সানার সঙ্গে করমর্দন করতে অস্বীকৃতি জানান ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর।

সম্প্রতি শেষ হওয়া পুরুষদের এশিয়া কাপেও দুই দেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে এই শীতল সম্পর্ক দেখা গিয়েছিল, যা এবার নারী ক্রিকেটেও স্থানান্তরিত হলো।

 

নারী বিশ্বকাপে দুই দল মুখোমুখি হলে কী হবে, তা নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে জল্পনা চলছিল। বিসিসিআই সচিব দেবজিৎ সাইকিয়া এ বিষয়ে কোনো স্পষ্ট উত্তর না দিয়ে জানিয়েছিলেন যে পাকিস্তানের বিষয়ে বোর্ডের অবস্থান অপরিবর্তিত রয়েছে। অবশেষে ম্যাচের দিন সেই জল্পনার অবসান ঘটল।

টসের সময় ভারতীয় অধিনায়ক হারমানপ্রীত এবং পাকিস্তানি অধিনায়ক ফাতিমা সানা আলাদাভাবে মাঠে প্রবেশ করেন এবং একে অপরের দিকে তাকানওনি। টসের পর দুই অধিনায়ক উপস্থাপিকা মেল জোন্সের সঙ্গে কথা বলে নিজেদের পথে চলে যান। একে অপরের থেকে তারা পুরো সময়টাই দূরত্ব বজায় রাখেন।

টস জিতে পাকিস্তান অধিনায়ক ফাতিমা সানা প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত নেন।

উল্লেখ্য, নারী বিশ্বকাপে ভারত তাদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে পরাজিত করেছে, অন্যদিকে পাকিস্তান তাদের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের কাছে হেরেছে পাকিস্তান।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

মানিকগঞ্জে স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতি বাধা দেওয়ায় ছুরিকাঘাতে দোকান মালিক আহত 

মো: মহিদ:
মানিকগঞ্জ শহরের পশ্চিম দাশড়া এলাকায় একটি স্বর্ণালংকারের দোকানে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় বাধা দিতে গেলে ছুরিকাঘাতে দোকান মালিক শুভ দাস (৩৫) গুরুতর আহত হন। ৪ অক্টোবর শনিবার রাতে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে দোকান থেকে প্রায় ২০ থেকে ২২ ভরি স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে গেছে বলে ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও পুলিশ জানিয়েছে। পুলিশ জানায়, রাত আনুমানিক ১২টা ১৫ মিনিটে পশ্চিম দাশড়ার স্বর্ণকারপট্টির পান্ডব ভবনের নিচতলায় অবস্থিত ‘অভি অলংকার’ নামের দোকানে ১-২ জন দুর্বৃত্ত প্রবেশ করে। তারা দোকান মালিক শুভ দাসের গলায় দেশীয় অস্ত্র ঠেকিয়ে লকার ভেঙে প্রায় ৩৬ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার লুট করে নেয়। পালানোর সময় শুভ দাস বাধা দিলে তাকে পিছন থেকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি আঘাত করে দুর্বৃত্ত ডাকাতেরা, এতে তিনি গুরুতর আহত হন। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক মানিকগঞ্জ সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এবং মানিকগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং প্রাথমিক তদন্ত শুরু করেন। আহত শুভ দাসকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মানিকগঞ্জ থানার অফিসার ইন ইনচার্জ (ওসি) এস এম আমান উল্লাহ জানান, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশি অভিযান চলছে।
আলোকিত প্রতিদিন/০৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

যুদ্ধবিমানের ধ্বংসস্তূপের নিচেই কবর দেওয়া হবে ভারতকে, হুমকি পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের সামরিক ও রাজনৈতিক নেতাদের উসকানিমূলক বক্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছে পাকিস্তান। দেশটির প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ বলেছেন, এবার ভারতকে তাদের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের নিচেই কবর দেওয়া হবে।

পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও সতর্ক করে জানিয়েছে, নতুন করে সংঘাত বাঁধলে ফল হবে “বিপর্যয়কর ধ্বংসযজ্ঞ”। ৫ অক্টোবর রবিবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

সম্প্রতি ভারতের সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী ইসলামাবাদকে উদ্দেশ করে বলেন, পরেরবার ভারত আর সংযম দেখাবে না, পাকিস্তান যদি “সন্ত্রাসবাদে পৃষ্ঠপোষকতা” চালিয়ে যায়, তবে তার অস্তিত্বই হুমকির মুখে পড়বে। গত বৃহস্পতিবার ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংও সতর্ক করে বলেন, পাকিস্তান যদি সির ক্রিক সীমান্তে কোনো “অ্যাডভেঞ্চার” করে, তবে “ইতিহাস ও ভূগোল বদলে দিতে পারে” এমন কঠোর জবাব দেবে ভারত।

মূলত ‘সির ক্রিক’ হলো ভারতের গুজরাট ও পাকিস্তানের সিন্ধ প্রদেশের মধ্যে ৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি বিতর্কিত উপসাগরীয় অঞ্চল।

আর এরপরই তীব্র প্রতিক্রিয়া জানান পাকিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী খাজা আসিফ। রবিবার ভোরে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, “এইবার ভারতকে তাদেরই যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষের নিচে কবর দেওয়া হবে, ইনশাআল্লাহ।”

আসিফ আরও বলেন, ভারতের রাজনৈতিক ও সামরিক নেতাদের সাম্প্রতিক মন্তব্য তাদের ব্যর্থতা ও চাপের প্রতিফলন। তিনি লেখেন, “এমন ৬–০ পরাজয়ের পর যদি তারা আবারও চেষ্টা করে, পাকিস্তানের স্কোর আরও ভালোই হবে।”

পাকিস্তানের এই প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, “পাকিস্তান আল্লাহর নামে প্রতিষ্ঠিত একটি রাষ্ট্র, আমাদের সৈন্যরা আল্লাহর সৈনিক। এবার ভারত নিজের যুদ্ধবিমানের ধ্বংসাবশেষেই সমাহিত হবে ইনশাআল্লাহ। আল্লাহু আকবর।”

ভারতের সামরিক উসকানিমূলক মন্তব্যের জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনীও কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর মিডিয়া উইং ইন্টার-সার্ভিসেস পাবলিক রিলেশনস (আইএসপিআর) বলেছে, ভারতের উচ্চপদস্থ নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের “উসকানিমূলক ও যুদ্ধংদেহী বক্তব্য” দক্ষিণ এশিয়ায় শান্তি এবং স্থিতিশীলতার জন্য মারাত্মক হুমকি তৈরি করছে এবং এগুলো “বিপর্যয়কর ধ্বংস” ডেকে আনতে পারে।

আইএসপিআর জানায়, এসব মন্তব্যের মাধ্যমে ভারত আবারও “মনগড়া অজুহাতে আগ্রাসনের ভিত্তি তৈরি” করার চেষ্টা করছে। তারা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছে, নতুন করে যুদ্ধ শুরু হলে পাকিস্তান “কোনও দ্বিধা ছাড়াই দৃঢ়ভাবে জবাব দেবে” এবং “প্রতিক্রিয়া হবে দ্রুত, কঠোর ও ধ্বংসাত্মক।”

তারা আরও বলেছে, “যারা নতুন স্বাভাবিকতা প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখছে, তারা জেনে রাখুক- পাকিস্তানও তার নিজস্ব ‘নতুন স্বাভাবিকতা’ তৈরি করেছে এবং এর জবাব হবে দৃঢ় ও তীব্র।”

আইএসপিআর আরও জানায়, ভারত যদি পাকিস্তানকে মানচিত্র থেকে মুছে ফেলতে চায়, তবে “সে জানুক, এমন পরিস্থিতিতে মুছে যাওয়া হবে পারস্পরিক।”

সম্প্রতি ভারতের বিমানবাহিনীর প্রধান অমর প্রীত সিং দাবি করেন, মে মাসে দুই দেশের সংঘর্ষে ভারত পাকিস্তানের অন্তত পাঁচটি যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। তবে তিনি এ দাবির পক্ষে কোনও প্রমাণ দেননি।

এর জবাবে পাকিস্তান সেনাবাহিনী বলেছে, ভারত দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ‘ভুক্তভোগী’ হিসেবে তুলে ধরছে, অথচ বাস্তবে দক্ষিণ এশিয়ায় সহিংসতা ও সন্ত্রাস ছড়ানোর মূল উৎস তারাই।

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন খুব শিগগিরই: আলী রীয়াজ

আলোকিত প্রতিবেদক:

খুব শিগগিরই জাতীয় ঐকমত্য কমিশন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে বলে জানিয়েছেন কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

৫ অক্টোবর রবিবার সকালে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কমিশন সভাপতি এবং প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের এক বৈঠকে এ কথা জানান তিনি।

প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে জুলাই সনদের বিষয়বস্তু এবং এর বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মনোভাব ও এবিষয়ে ঐকমত্য কমিশনের অবস্থান সম্পর্কে সভাকে অবহিত করা হয়।

বৈঠকে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস ঐকমত্য কমিশনের কাজের অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, ঐকমত্য কমিশন সব রাজনৈতিক দল থেকে ব্যাপকভাবে সহযোগিতা পেয়েছে। এছাড়া, গণমাধ্যমগুলো ঐকমত্য কমিশনকে অকল্পনীয় সমর্থন দিয়েছে।

কমিশন সভাপতি ও প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূস কমিশনের সব সদস্যকে ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা জানিয়েছেন। কমিশনের কাজের চূড়ান্ত অগ্রগতি সম্পর্কে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাকে জানানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

আজকের বৈঠকে কমিশনের পক্ষ থেকে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি প্রফেসর আলী রীয়াজ, কমিশন সদস্য বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, ড. মো. আইয়ুব মিয়া এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন।

পাশাপাশি, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান, আসিফ নজরুল এবং আদিলুর রহমান খান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/০৫ অক্টোবর ২০২৫/মওম

জামায়াত ধর্মের জন্য ক্ষতিকর : বিএনপি নেতা আমিনুল হক

ইমরান হোসেন :বিশেষ প্রতিনিধি। প্রকাশ, ৪ অক্টোবর রোজ শনিবার ২০২৫ ইং

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির আহবায়ক আমিনুল হক বলেছেন, আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে ঘিরে কিছু রাজনৈতিক মহল নির্বাচনকে বিলম্বিত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি বলেন, দু’একটি দল এবং একটি ইসলামিক দল পিআর-এর নামে ও নানা অজুহাতে নির্বাচনের সময়সূচি পেছানোর চেষ্টা করছে। এই প্রচেষ্টা গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকারবিরোধী। শনিবার (৪ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানীর পল্লবীর প্যারিস রোড শাহীন স্কুল প্রাঙ্গণে পল্লবী ও রূপনগর থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আমিনুল হক বলেন, ধূমপান যেমন স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর, ঠিক তেমনি জামায়াত ধর্মের জন্য ক্ষতিকর। তারা ধর্মকে রাজনৈতিক সুবিধার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে। ধর্ম বিক্রি করে তারা রাজনীতি করছে, যা ধর্ম ও সমাজ- উভয়ের জন্যই বিপজ্জনক। তিনি আরও বলেন, আমরা মুসলমান হিসেবে সব ধর্মকে সম্মান করি। কিন্তু ধর্মকে বিকৃতভাবে ব্যবহার করে যারা নিজেদের রাজনৈতিক সুবিধা নিতে চায়, তারা কখনোই সফল হবে না। গতকাল এক জামায়াত নেতা বলেছেন, রোজা আর পূজা নাকি একই মুদ্রার এপিট ওপিঠ। এই ধরনের শিরকি বক্তব্য বাংলাদেশের মানুষ কখনোই মেনে নেবে না। বিএনপি নেতা বলেন, আমরা একটি অসাম্প্রদায়িক, সম্প্রীতির বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান -সবাই মিলেমিশে ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতার সঙ্গে বাস করতে পারবে। কিন্তু একটি রাজনৈতিক গোষ্ঠী ধর্মকে বিক্রি করে নতুন করে রাজনীতি শুরু করেছে, যা দেশের শান্তি ও সম্প্রীতির জন্য হুমকিস্বরূপ। বিএনপির লক্ষ্য ও দর্শন তুলে ধরে আমিনুল হক বলেন, বিএনপি রাজনীতি করে শুধুমাত্র সাধারণ মানুষের কল্যাণে, এদেশের উন্নয়নে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর শিক্ষা ও স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে নাগরিকের মৌলিক অধিকার ও মানবিক মর্যাদা প্রতিষ্ঠিত হবে। পরে পল্লবী থানার ৫ নং ওয়ার্ডের বাউনিয়াবাধ ডি ব্লক বেরিবাধ সংলগ্ন আরবান শিশু পার্কে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশ নেন আমিনুল হক। এসময় ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক গাজী রেজাউনুল হোসেন রিয়াজ, মাহাবুব আলম মন্টু, স্বেচ্ছাসেবকদল ঢাকা মহানগর উত্তরের সাবেক সভাপতি মোঃ আনোয়ার হোসেন,পল্লবী থানা বিএনপি আহবায়ক কামাল হোসাইন খান, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আশরাফ আলী গাজী,দারুসসালাম থানা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক এইচ এম ইমরান,পল্লবী থানা যুবদলের সভাপতি হাজী নূর সালাম প্রমুখ নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নির্বাচন বিলম্বিত হলে আবার ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি হবে : সালাহউদ্দিন

বিশেষ প্রতিনিধি, নির্বাচন বিলম্বিত হলে আবার ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন।

আজ শনিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে জাতীয়তাবাদী সমমনা জোটের সংগঠন ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এনডিপি) ৩৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

নির্বাচনে অস্থিরতা সৃষ্টি করা, বিলম্বিত এবং বানচাল করার জন্য যে শক্তি কাজ করছে, তার পক্ষে একটি রাজনৈতিক দল কাজ করছে বলে সন্দেহ সালাহউদ্দিন আহমদের। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশে যদি নির্বাচন বিলম্বিত হয়, তাহলে ফ্যাসিবাদের উৎপত্তি হবে আবার।

গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে জনগণের অভিপ্রায় প্রকাশ হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা যখনই একটা বৈধ প্রক্রিয়ার কথা বলি, তখন তারা বলে জনগণের অভিপ্রায় এখানে চূড়ান্ত। হ্যাঁ জনগণের অভিপ্রায় চূড়ান্ত।

সংখ্যানুপাতিক–পদ্ধতি (পিআর) নিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘বাংলাদেশের ৫৬ শতাংশ মানুষ যে পিআরপদ্ধতি বোঝেই না সেই পদ্ধতি কি আমরা চাইতে পারি? সুতরাং এসব কথাবার্তা বলে জাতিকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা না করাই উচিত।’

বিএনপির শীর্ষ নীতিনির্ধারক ফোরামের এই নেতা বলেন, এখন কথা উঠছে যে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ভিত্তিতেই নাকি আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে হবে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের মাধ্যমে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সেগুলো বাস্তবায়িত হয়ে যাচ্ছে বলেন তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সারিয়াকান্দিতে সাদা কাশফুল দেখতে দর্শনার্থীদের ভিড়

মাইনুল হাসান মজনু: বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে বিভিন্ন চলাঞ্চলে ফুটেছে নয়নাভিরাম সাদা কাশফুল। যা নীল মেঘের নীচে আলাদা সৌন্দর্যের সৃষ্টি করেছে। কাশফুলের শুভ্রতার ছোঁয়ায় আকৃষ্ট হচ্ছেন পর্যটকরা। ফুলের সাথে নিজেকে ক্যামেরাবন্দী করতে বিভিন্ন এলাকা থেকে পর্যটকরা ভীড় করছেন, যমুনা নদীর তীরে।
এই উপজেলায়১২ টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬ টি ইউনিয়ন যমুনা নদী দ্বারা বিধৌত। তাই এ উপজেলার বিশালাকার চরাভূমি রয়েছে। এসব চরাভূমির উপরে দীগন্ত বিস্তৃত নীল আকাশ। নীল আকাশের নীচেই ফুটে রয়েছে সারি সারি কাশফুল। যা প্রখর রোদের সাথে মিতালি করে এক ভিন্ন ধারার সৌরভ ছরাচ্ছে। যে সৌন্দর্য আকৃষ্ট করছে প্রকৃতি প্রেমিদের। উপজেলার চরাঞ্চলে বিশালাকার কাশফুলের বাগান রয়েছে। সেখানে যেতে হয় নেীকাযোগে। তবে উপজেলার কালিতলা গ্রোয়েনবাঁধ, প্রেম যমুনার ঘাট এবং মথুরাপাড়া গ্রোয়েনবাঁধের সামনে জেগে ওঠা চরেও ফুটেছে কাশফুল। এসব পয়েন্টে পায়ে হেটেই যাতায়াত করা যাচ্ছে অনায়াসে। তাই পর্যটকরা এসব পয়েন্টে কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এবং নিজেকে কাশফুলের সাথে ক্যামেরাবন্দী করতে ভীর জমাচ্ছেন প্রতিনিয়নত। প্রতিদিন এসব পয়েন্টে শতশত তরুন তরুণীদের আগমন ঘটছে।
বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর যমুনা বক্ষে জেগে ওঠা চর কাজলা, বাটিয়া, শালুকা, কুড়িপাড়া, পাকুরিয়া, বাগবেড়, দিঘলকান্দি, মথুরাপাড়া, নাড়াপালাসহ বিভিন্ন কাশবনে শ্বেত-শুভ্র কাশফুল মুগ্ধতা ছড়িয়ে বাতাসের দোলায় ঢেউ খেলে যাচ্ছে। কাশফুল শুধু মুগ্ধতাই ছড়ায় না, এর অর্থনৈতিক নানা দিকও রয়েছে। কাশফুল ও এর পাতা মাটিতে ঝরে জৈবসার তৈরি করে, যা জমির উর্বরতা শক্তি বাড়ায়। সবুজ কাশ গোখাদ্য হিসেবে ব্যবহূত হয়। কাশফুলের বাগানেই উপজেলার মহিষের বাথানের খাবারের একমাত্র অবলম্বন। প্রতি বছর শরৎকাল এলেই যমুনার তীরে জন্ম নেয়া এসব কাশফুল নতুন করে প্রাণ এনে দেয় চরে। কাঠখোট্রা বালুচরে এ যেন এক নতুন সৌরভ। নদীর ধারে দাঁড়িয়ে দোল খায় সাদা কাশফুল, বাতাসে দুলে দুলে জানান দেয় ঋতুর আগমনবার্তা। সূর্যের আলো ছড়িয়ে পড়তেই কাশফুলগুলো ঝলমল করে উঠে এক অপার্থিব সৌন্দর্যে।
পৃথিবীর ৪টি প্রধান ঋতুর একটি হচ্ছে শরৎকাল। শরতে সাদা কাশফুল আর শিউলির আধিপত্য ছাড়াও ফোটে আরও অনেক সহচরী ফুল। তীব্র গরম আর কাঠফাটা রোদে ময়ূরের মতো কাশফুলের পালকের অপরূপ সৌন্দর্য মন জুড়ায় সব বয়সী মানুষের। উপজেলার যমুনা নদীর ধারে, চলাঞ্চলের মাঠে-ঘাটে শোভা পাচ্ছে কাশফুল। মূলত ছন গোত্রীয় এই ঘাস কমবেশি দেশের সব অঞ্চলেই দেখা যায়। কাশফুল পালকের মতো নরম এবং রং ধবধবে সাদা। গাছটির চিরল পাতা খুব ধারালো, খসখসে। গ্রামে এগুলো জ্বালানি, ঝাড়ু এবং ঘর ও পানের বরজের ছাউনি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কাশফুলের গাছগুলো প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম হয়। বেড়ে ওঠার সময় চোখে না পড়লেও ফুল ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই সবার দৃষ্টি আকর্ষণ হয়।
উপজেলার পৌর এলাকার সিরাজুল ফুল বলেন, কাশফুলের সৌন্দর্য উপভোগ করতে এ উপজেলায় প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষরা বিভিন্ন উপজেলা থেকে বেড়াতে আসেন। বিভিন্ন বয়সী এসব মানুষের মধ্যে তরুন তরুনীদের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশি। তবে এ ফুল বেশিদিন থাকে না। ২০ থেকে ২৫ দিনের মধ্যেই ফুলগুলো বাতাসের সাথে উড়ে যায়। অর্থাৎ কয়েকদিন পরেই এ ফুল আর দেখা যাবে না।
সারিয়াকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: আতিকুর রহমান বলেন, কাশফুল এবং যমুনা নদীর সৌন্দর্য উপভোগ করতে বগুড়া জেলাসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে সারিয়াকান্দিতে পর্যটকদের আগমন ঘটে। পর্যটকদের রিাপত্তায় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। তারা নির্বিঘ্নে এ উপজেলায় বিভিন্ন ধরনের সৌন্দর্য উপভোগ করে নিরাপদে নিজ বাড়ীতে ফিরছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

শরতের স্নিগ্ধতা ছড়াচ্ছে শ্বেত-শুভ্র কাশফুল!

অনলাইন ডেস্ক, বাংলাদেশের ঋতু বৈচিত্র্যের অন্যতম হচ্ছে শরৎ কাল। শরৎকালের প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কাশফুল। এই কাশফুলের গরম ছোঁয়া, সাদা শুভ্রতা ও সাদা মেঘের ভেসে যাওয়ার দৃশ্য সবারই মন কেড়ে নিয়ো যায়। তেমনি মাদারীপুরেও বেশ কয়েকটি জায়গায় কাশফুল দেখতে মানুষজন ভিড় করছেন এখন।

খোজ নিয়ে জানা যায়, মাদারীপুর সদর উপজেলার চরমুগরিয়ার হাজরাপুর ও মাদারীপুর-শরীয়তপুর আঞ্চলিক সড়কের মাদারীপুর সদর উপজেলার মহিষেরচর এলাকার বিসিক শিল্প নগরীর বিশাল এলাকাজুড়ে রয়েছে কাশবন। প্রতিদিনই সৌন্দর্য পিপাসু অসংখ্য মানুষ ছুটে যাচ্ছেন সেখানে কাসফুল দেখতে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি