যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক ব্যবসায়ী মোমিন গ্রেপ্তার
জিম্মিদের মুক্তি উপলক্ষে স্ত্রী-কন্যাসহ ইসরায়েলে ট্রাম্প
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
গাজায় আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি উপলক্ষে ইসরায়েল সফরে গিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৩ অক্টোবর সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘এয়ারফোর্স ১’ উড়োজাহাজটি।
তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং বড় মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পও তার সফরসঙ্গী হয়েছেন বলে জানা গেছে।
ইসরায়েলের প্রধামন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আজ সোমবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে বক্তব্য দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মত বিনিময় করবেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি এবং সেখানে আটক জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকার জন্য তাকে দেওয়া হবে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব অনার’। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট ইসাক হেরজগ আজ নেসেটে তাকে এ সম্মাাননা দেবেন।
নেসেটে বক্তৃতা প্রদান, সম্মানা গ্রহণ এবং জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মত বিনিময়ের পর মিসরের রাজধানী কায়রোর উদ্দেশে রওনা হবেন ট্রাম্প। আজ থেকে কায়রোতে শুরু হচ্ছে গাজা শান্তি সম্মেলন। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল সিসি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যৌথভাবে সেই সম্মেলনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩অক্টোবর ২০২৫/মওম
শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছে সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা
আলোকিত ডেস্ক:
অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ চূড়ান্ত করে অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
১৩ অক্টোবর সোমবার সকালে সাত কলেজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এতে সচিবালয় অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের অগ্রসর ঠেকাতে সেখানে ব্যারিকেড বসিয়েছে পুলিশ।
সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে এসে অবস্থান নেন। পরে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও তাদের সাথে যোগ দিতে থাকেন।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী বলেন, সরকার সাত কলেজকে একত্র করে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি করার ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু এখনো আইন বা অধ্যাদেশ জারি করা হয়নি। আমরা আজই অধ্যাদেশ চাই। বিলম্ব হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
মূলত, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সরকার রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে পৃথক করে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের ঘোষণা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত নাম নির্ধারণ করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’। সাত কলেজের মধ্যে রয়েছে— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩অক্টোবর ২০২৫/মওম
ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে
বাঘায় দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ যুবক আটক, উদ্ধার মোবাইল ও মোটরসাইকেল
সাদুল্লাপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ উদ্বোধন
‘গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হেফাজতে ১৫ সেনা কর্মকর্তা!
আলোকিত ডেস্ক, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত গুমের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চার্জশিটে নাম আসা কর্মরত ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) থাকা আরও একজন কর্মকর্তাও হেফাজতে রয়েছেন।
তবে অভিযুক্তদের মধ্যে মেজর জেনারেল কবির নামে একজন কর্মকর্তা গত ৯ অক্টোবর থেকে ‘নিখোঁজ’ রয়েছেন বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। শনিবার বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।
তিনি জানান, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সেনাবাহিনী স্বপ্রণোদিত হয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালের চার্জশিট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এখনো হাতে পায়নি সেনাবাহিনী।
মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, “গত ৮ অক্টোবর আইসিটিতে প্রথম দুটি চার্জশিট জমা পড়ে। এরপর তৃতীয় আরেকটি চার্জশিট জমা পড়ে। আমরা টিভি স্ক্রলের মাধ্যমে জানতে পেরেছি চার্জশিট জমা পড়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করেছে।”
তিনি আরও বলেন, “চার্জশিটগুলোর মধ্যে একটি ছিল গুম সংক্রান্ত, যেখানে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। আরেকটি ছিল র্যাবের টিএফআই সেল নিয়ে এবং অন্যটি ৪-৫ আগস্টের রামপুরার ঘটনা নিয়ে।”
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে তিনি বলেন, “সাথে সাথে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে গেল। নিয়ম অনুযায়ী পরোয়ানা আইজিপির কাছে চলে যায় এবং ২২ তারিখ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো চার্জশিট কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাইনি।”
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চার্জশিটে আসা মোট ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ৯ জন অবসরে, একজন এলপিআরে এবং ১৫ জন কর্মরত আছেন।
সেনাবাহিনীর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার কথা উল্লেখ করে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংবিধান স্বীকৃত বাংলাদেশের সকল আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ তারিখে কর্মরত ১৫ ও এলপিআরে থাকা ১ জন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য একটি আদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আদেশে তাদের বলা হয়েছে ৯ তারিখে তারা যেন ঢাকা সেনানিবাসে সেনা হেফাজতে চলে আসে।”
তিনি বলেন, “আমরা কিন্তু এখনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাইনি বা পুলিশও আমাদেরকে কিছু জানায়নি। তারপরও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কারণে স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব কর্মকর্তাদের হেফাজতে আসার জন্য আদেশ দিয়ে দেয়।”
মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান জানান, এটি সেনাবাহিনীর নিয়মিত অনুশীলনের অংশ। তিনি বলেন, “যাদের নামে অভিযোগ ওঠে, প্রথমে তাদেরকে আমরা হেফাজতে নিয়ে নিই। এরপর কোর্ট মার্শালের রায় অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।”
তবে হেফাজতে আসার নির্দেশনা পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানান তিনি। “আমরা যাদেরকে হেফাজতে আসতে বলেছি, তাদের মধ্যে সবাই সাড়া দিয়েছেন কিন্তু শুধু একজন সাড়া দেননি। ওই কর্মকর্তা ৯ তারিখ পর্যন্ত কোনো সাড়া দেননি। তিনি হলেন মেজর জেনারেল কবির।”
নিখোঁজ মেজর জেনারেল কবিরের বিষয়ে তিনি বলেন, “১০ তারিখে আমরা তার সঙ্গে এবং তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। আমরা জানতে পারি, উনি ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে একজন আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি আর বাসায় ফেরত আসেননি। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ, পরিবারের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ স্থাপন হয়নি।”
গত বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দুটি মামলায় চার্জশিট আমলে নিয়ে ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এর মধ্যে র্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে আটকে রেখে নির্যাতনের মামলায় ১৭ জন এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) বন্দি রেখে নির্যাতনের মামলায় ১৩ জন আসামি রয়েছেন।
দুই মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এছাড়া তার বেয়াই ও তৎকালীন প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকের নামও আসামির তালিকায় রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে চাকরিরত এবং একজন এলপিআরে আছেন। এই ১৬ জনের মধ্যে ১৫ জনকে সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং একজন পলাতক রয়েছেন এখনও।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
আনোয়ারায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুভ উদ্বোধন
আনোয়ারা প্রতিনিধি, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আজ থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন কর্মসূচি । রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয় চট্টগ্রামের আনোয়ারা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে । ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। একমাস ব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে শিশুদের বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানাউল্লাহ কাউছার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেবরাত চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুর বেগম, আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম সরোয়ার হোসেন প্রমুখ । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দীপক ত্রিপুরা বলেন, ‘টাইফয়েডে এখনও আমাদের শিশুদের মৃত্যু হয়। এটা আমাদের লজ্জা। সরকার ডায়রিয়া, রাতকানার মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। আশাকরি এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী বলেন ‘টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যত বেশি শিশু টিকার আওতায় আসবে, ততই হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পথে এই কর্মসূচি একটি বড় পদক্ষেপ। মাহতাব বলেন, “টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়—এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জন্য এই উদ্যোগ একটি বড় পরিবর্তন আনবে।” তিনি বলেন জন্মসনদ না থাকলেও কোনো শিশু বাদ যাবে না। সব শিশুকে টিকার আওতায় আনাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এই কর্মসূচিতে ব্যবহৃত টিকাটি সরবরাহ করেছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট, আর সরকারের পক্ষ থেকে তা পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভি–র সহায়তায়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

