আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 262

যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক  ব্যবসায়ী মোমিন গ্রেপ্তার

মোঃ লাভলু:
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম চিওড়া ইউনিয়নের ডিমাতলি থেকে যৌথ বাহিনীর অভিযানে  এক মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করা হয়েছে।
১২ অক্টোবর রবিবার দিবাগত রাত ১২টায় গোপন তথ্যের ভিত্তিতে চিওড়া ইউনিয়নের অন্তর্গত ডিমাতলিতে  যৌথ বাহিনীর শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। অভিযানে ডিমাতলি মৃত আব্দুল হালিমের বাড়িতে অভিযান কালে তার ছোট ছেলে আব্দুল মোমিন (৪২) কে আটক করা হয়েছে। বড় ছেলে পলাতক   আবুল হোসেনের বাসায় তল্লাশী করে সিলিং থেকে ২ কেজি গাজা উদ্ধার করা হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে দীর্ঘদিন যাবত আব্দুল মোমিন ও আবুল হোসেন মাদক ব্যবসা করে  আসছে এ তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
চৌদ্দগ্রাম থানার অফিসার ইনচার্জ হেলাল উদ্দিন বলেন, চিওড়া ডিমাতলিতে মাদক কারবার চলছে বলে আমাদের নিকট অভিযোগ ছিল। সেই তথ্যের ভিত্তিতে গতকাল রাতে যৌথবাহিনীর অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।  বিভিন্ন জায়গায় অভিযানকালে আমরা আব্দুল মোমিন কে ধরতে সক্ষম হই। পলাতক আবুল হোসেনকে ধরার প্রক্রিয়া চলছে এবং অভিযানও চলমান থাকবে আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা করা হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩অক্টোবর ২০২৫/মওম

জিম্মিদের মুক্তি উপলক্ষে স্ত্রী-কন্যাসহ ইসরায়েলে ট্রাম্প

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

গাজায় আটক ইসরায়েলি জিম্মিদের মুক্তি উপলক্ষে ইসরায়েল সফরে গিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ১৩ অক্টোবর সোমবার স্থানীয় সময় সকাল ১০টার দিকে ইসরায়েলের বাণিজ্যিক রাজধানী তেল আবিবের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে অবতরণ করে তাকে বহনকারী মার্কিন বিমানবাহিনীর ‘এয়ারফোর্স ১’ উড়োজাহাজটি।

তার স্ত্রী মেলানিয়া ট্রাম্প এবং বড় মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্পও তার সফরসঙ্গী হয়েছেন বলে জানা গেছে।

ইসরায়েলের প্রধামন্ত্রীর দপ্তরের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আজ সোমবার ইসরায়েলের পার্লামেন্ট নেসেটে বক্তব্য দেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গেও মত বিনিময় করবেন। পাশাপাশি ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি এবং সেখানে আটক জিম্মিদের মুক্তি নিশ্চিত করতে নেতৃস্থানীয় ভূমিকার জন্য তাকে দেওয়া হবে ইসরায়েলের সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা ‘প্রেসিডেন্সিয়াল মেডেল অব অনার’। ইসরায়েলের প্রেসিডেন্ট ইসাক হেরজগ আজ নেসেটে তাকে এ সম্মাাননা দেবেন।

নেসেটে বক্তৃতা প্রদান, সম্মানা গ্রহণ এবং জিম্মিদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মত বিনিময়ের পর মিসরের রাজধানী কায়রোর উদ্দেশে রওনা হবেন ট্রাম্প। আজ থেকে কায়রোতে শুরু হচ্ছে গাজা শান্তি সম্মেলন। মিসরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ এল সিসি এবং প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যৌথভাবে সেই সম্মেলনের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে আছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩অক্টোবর ২০২৫/মওম

শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছে সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা

আলোকিত ডেস্ক:

অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি আইন-২০২৫’ চূড়ান্ত করে অধ্যাদেশ জারির দাবিতে রাজধানীর শিক্ষা ভবনের সামনে বিক্ষোভ করছেন সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।

১৩ অক্টোবর সোমবার সকালে সাত কলেজের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে মিছিল নিয়ে শিক্ষার্থীরা শিক্ষা ভবনের সামনে অবস্থান নেন। এতে সচিবালয় অভিমুখী সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। শিক্ষার্থীদের অগ্রসর ঠেকাতে সেখানে ব্যারিকেড বসিয়েছে পুলিশ।

সকাল ১১টার দিকে রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ এবং কবি নজরুল সরকারি কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী মিছিল নিয়ে শিক্ষা ভবনের সামনে এসে অবস্থান নেন। পরে ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ ও সরকারি তিতুমীর কলেজের শিক্ষার্থীরাও  তাদের সাথে যোগ দিতে থাকেন।

dhakapost

এ সময় তাদের ‘অধ্যাদেশ নিয়ে টালবাহানা, চলবে না চলবে না’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে দেখা গেছে।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী বলেন, সরকার সাত কলেজকে একত্র করে সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি করার ঘোষণা দিয়েছে, কিন্তু এখনো আইন বা অধ্যাদেশ জারি করা হয়নি। আমরা আজই অধ্যাদেশ চাই। বিলম্ব হলে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

মূলত, চলতি বছরের ২৬ মার্চ সরকার রাজধানীর সাত সরকারি কলেজকে পৃথক করে নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের ঘোষণা দেয়। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রস্তাবিত নাম নির্ধারণ করে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’। সাত কলেজের মধ্যে রয়েছে— ঢাকা কলেজ, ইডেন মহিলা কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, কবি নজরুল সরকারি কলেজ, মিরপুর বাঙলা কলেজ এবং সরকারি তিতুমীর কলেজ।

আলোকিত প্রতিদিন/১৩অক্টোবর ২০২৫/মওম

ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে

রাহাত সরকার: 
সমন্বিত উদ্যোগ, প্রতিরোধ করি দুর্যোগ”এই স্লোগানে টাঙ্গাইলের ঘাটাইলে আন্তর্জাতিক দুর্যোগ প্রশমন দিবস পালিত হয়েছে।
১৩ অক্টোবর সোমবার সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে ঘাটাইল ব্রাহ্মণ শাসন মহিলা কলেজ মাঠ প্রাঙ্গনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে দিবসটি উপলক্ষে র‌্যালি, ভূমিকম্প ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে মহড়া এবং আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ আবু সাঈদ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক, উপজেলা একাডেমিক কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম ও ঘাটাইল ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ওয়ার হাউস ইন্সপেক্টর রতন কুমার দেবনাথ,প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোহাম্মদ রাফিউল ইসলামসহ শিক্ষক শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশনের সদস্যরা অগ্নিকাণ্ড ও দুর্যোগে প্রতিরোধ এবং উদ্ধারকাজের উপর সচেতনতামূলক মহড়া প্রদর্শন করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৩অক্টোবর ২০২৫/মওম

বাঘায় দেশীয় অস্ত্রসহ ৪ যুবক আটক, উদ্ধার মোবাইল ও মোটরসাইকেল

আব্বাদুল আলিম (বাঘা-রাজশাহী) প্রতিনিধি:- রাজশাহীর বাঘায় মনিগ্রাম ইউনিয়নের বেড়হাসাবপুর গ্রামের গোরস্থান সংলগ্ন  এলাকা থেকে একটি দেশীয় লোহার তৈরী একনলা বিশিষ্ট ওয়ান শুটার গানসহ  ৪জনকে আটক করে পুলিশের নিকট সোপর্দ করে স্থানীয় জনতা।
আটককৃতরা হলেন- উপজেলার মনিগ্রাম ইউনিয়নের গঙ্গারামপুর গ্রামের এলিম মন্ডলের ছেলে  জনি ইসলাম (২০),বাউসা ইউনিয়নের আড়পাড়া (কুবলিকান্দি) গ্রামের মৃত ইজদার আলীর ছেলে ওয়ালিউল ইসলাম ওরফে রুমন ইসলাম (১৯),কুষ্টিয়ার  দৌলতপুর উপজেলার রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের মরারপাড়া গ্রামের মোহর আলীর ছেলে মনিরুল ইসলাম (২০) সহ নাটোরের লালপুর উপজেলার বালিতিতা ইসলামপুর গ্রামের মৃত ইউনুস আলীর ছেলে ভিকটিম- ইউসুফ আলী(১৭) নামে একজন।  শনিবার( ১১/১০/২০২৫) রাতে তাদের আটক করা হয়।
 স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৮টায় চিৎকার শুনে বেড়হাসাবপুর গ্রামের গোরস্থান সংলগ্ন এলাকায় গিয়ে ৪জনকে আটক করে স্থানীয় মাহাতাবের বাসায় রেখে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পরে পুলিশ তাদের হেফাজতে নিয়ে থানায় নিয়ে আসে । আটকের সময় একজন কৌশলে পালিয়ে যায়।
লালপুরের ইব্রাহীম (পিতা-বাবুল মন্ডল) নামে একজন জানান,বন্ধুদের ডাকে বাঘায় আসেন। পরে উপজেলার খেড়ুর মোড় এলাকায় গিয়ে চা খেয়ে নিজ বাড়ী লালপুর যাওয়ার কালে অভিযুক্তগণ  বল প্রয়োগ করে পথরোধ ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অস্ত্র ঠেকিয়ে তার ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন ও একটি হিরো এক্সট্রিম ১২৫ সিসি মোটর সাইকেল জোরপূর্বক কেড়ে নেয়। পরে দুইজন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে বিনোদপুর বাজারে রেখে যায়।
বাঘা থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) আফমআছাদুজ্জামান জানান, পরবর্তীতে অভিযান পরিচালনা করে ছিনতাইকৃত মোবাইল ফোন  ও মোটর সাইকেল উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে দ্রুতবিচার ও অস্ত্র আইনে আলাদা দুটি মামলা রুজু করা হয়েছে। উপ পরিদর্শক রবিউল ইসলাম বাদি হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা করেছে। এ মামলায় আসামী করা হয়েছে- জনি ইসলাম, ওয়ালিউল ইসলাম ওরফে রুমন, মনিরুল ইসলাম সহ অজ্ঞাতদের।  মামলায় ইউসুফ আলীকে  ভিকটিম ও ইব্রাহীমকে স্বাক্ষী করা হয়েছে। দ্রুতবিচার আইনে মামলাটি করেছেন ইউসুফ আলী। মামলায় ৮জনকে আসামী করা হয়েছে। আসামীরা হলেন- জনি ইসলাম, ওয়ালিউল ইসলাম ওরফে রুমন , মনিরুল ইসলাম,রজব আলী,শান্ত,আনোয়ারুল হক,মিন্টু ও বকুল সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

 সাদুল্লাপুরে টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫ উদ্বোধন 

উপজেলা প্রতিনিধি:মোঃ ফিরোজ প্রধান, গাইবান্ধার সাদুল্লাপুর উপজেলায় আজ রোববার (১২ অক্টোবর ২০২৫) থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে “টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন ২০২৫”। ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করেন সাদুল্লাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কাজী মোঃ অনিক ইসলাম। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা, বিভিন্ন ইউনিয়নের স্বাস্থ্যকর্মী, শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
উদ্বোধনকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব কাজী মোঃ অনিক ইসলাম বলেন, “টাইফয়েড একটি সংক্রামক ব্যাধি, যা দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে ছড়ায়। এই টিকাদান কর্মসূচির মাধ্যমে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে এবং আমরা একটি সুস্থ প্রজন্ম গড়ে তুলতে পারব।” স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, ১২ অক্টোবর থেকে ২৬ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এ টিকাদান ক্যাম্পেইন। এ সময় উপজেলার ৬ মাস থেকে ১৫ বছর বয়সী সকল শিশু-কিশোরকে টাইফয়েড প্রতিরোধী টিকা প্রদান করা হবে। ক্যাম্পেইনের সফল বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

‘গুম ও মানবতাবিরোধী অপরাধ’ হেফাজতে ১৫ সেনা কর্মকর্তা!

আলোকিত ডেস্ক, আওয়ামী লীগ শাসনামলে সংঘটিত গুমের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের (আইসিটি) চার্জশিটে নাম আসা কর্মরত ১৫ জন সেনা কর্মকর্তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। তাদের সঙ্গে অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে (এলপিআর) থাকা আরও একজন কর্মকর্তাও হেফাজতে রয়েছেন।

তবে অভিযুক্তদের মধ্যে মেজর জেনারেল কবির নামে একজন কর্মকর্তা গত ৯ অক্টোবর থেকে ‘নিখোঁজ’ রয়েছেন বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। শনিবার বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের আর্মি মেসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সেনাবাহিনীর অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল মেজর জেনারেল মো. হাকিমুজ্জামান।

তিনি জানান, গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পর সেনাবাহিনী স্বপ্রণোদিত হয়ে অভিযুক্ত কর্মকর্তাদের হেফাজতে নেওয়ার এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। যদিও আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রাইব্যুনালের চার্জশিট বা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা এখনো হাতে পায়নি সেনাবাহিনী।

মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান বলেন, “গত ৮ অক্টোবর আইসিটিতে প্রথম দুটি চার্জশিট জমা পড়ে। এরপর তৃতীয় আরেকটি চার্জশিট জমা পড়ে। আমরা টিভি স্ক্রলের মাধ্যমে জানতে পেরেছি চার্জশিট জমা পড়েছে এবং ট্রাইব্যুনাল তা গ্রহণ করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “চার্জশিটগুলোর মধ্যে একটি ছিল গুম সংক্রান্ত, যেখানে ডিজিএফআইয়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের একটি বড় অংশের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। আরেকটি ছিল র‍্যাবের টিএফআই সেল নিয়ে এবং অন্যটি ৪-৫ আগস্টের রামপুরার ঘটনা নিয়ে।”

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির বিষয়ে তিনি বলেন, “সাথে সাথে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়ে গেল। নিয়ম অনুযায়ী পরোয়ানা আইজিপির কাছে চলে যায় এবং ২২ তারিখ পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তবে আমরা এখন পর্যন্ত কোনো চার্জশিট কিংবা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাইনি।”

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, চার্জশিটে আসা মোট ২৫ জন সেনা কর্মকর্তার মধ্যে ৯ জন অবসরে, একজন এলপিআরে এবং ১৫ জন কর্মরত আছেন।

সেনাবাহিনীর আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার কথা উল্লেখ করে অ্যাডজুট্যান্ট জেনারেল বলেন, “বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সংবিধান স্বীকৃত বাংলাদেশের সকল আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত ৮ তারিখে কর্মরত ১৫ ও এলপিআরে থাকা ১ জন সেনা কর্মকর্তাকে সেনা হেফাজতে আসার জন্য একটি আদেশ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। আদেশে তাদের বলা হয়েছে ৯ তারিখে তারা যেন ঢাকা সেনানিবাসে সেনা হেফাজতে চলে আসে।”

তিনি বলেন, “আমরা কিন্তু এখনো গ্রেপ্তারি পরোয়ানা পাইনি বা পুলিশও আমাদেরকে কিছু জানায়নি। তারপরও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার কারণে স্বপ্রণোদিত হয়ে এসব কর্মকর্তাদের হেফাজতে আসার জন্য আদেশ দিয়ে দেয়।”

মেজর জেনারেল হাকিমুজ্জামান জানান, এটি সেনাবাহিনীর নিয়মিত অনুশীলনের অংশ। তিনি বলেন, “যাদের নামে অভিযোগ ওঠে, প্রথমে তাদেরকে আমরা হেফাজতে নিয়ে নিই। এরপর কোর্ট মার্শালের রায় অনুযায়ী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।”

তবে হেফাজতে আসার নির্দেশনা পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে একজন অনুপস্থিত রয়েছেন বলে জানান তিনি। “আমরা যাদেরকে হেফাজতে আসতে বলেছি, তাদের মধ্যে সবাই সাড়া দিয়েছেন কিন্তু শুধু একজন সাড়া দেননি। ওই কর্মকর্তা ৯ তারিখ পর্যন্ত কোনো সাড়া দেননি। তিনি হলেন মেজর জেনারেল কবির।”

নিখোঁজ মেজর জেনারেল কবিরের বিষয়ে তিনি বলেন, “১০ তারিখে আমরা তার সঙ্গে এবং তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করি। আমরা জানতে পারি, উনি ৯ অক্টোবর সকালে বাসা থেকে একজন আইনজীবীর সঙ্গে দেখা করার কথা বলে বের হয়েছিলেন। কিন্তু পরে তিনি আর বাসায় ফেরত আসেননি। এরপর থেকে তার মোবাইল ফোনও বন্ধ, পরিবারের সঙ্গেও কোনো যোগাযোগ স্থাপন হয়নি।”

গত বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল দুটি মামলায় চার্জশিট আমলে নিয়ে ৩০ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। এর মধ্যে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে আটকে রেখে নির্যাতনের মামলায় ১৭ জন এবং জয়েন্ট ইন্টারোগেশন সেলে (জেআইসি) বন্দি রেখে নির্যাতনের মামলায় ১৩ জন আসামি রয়েছেন।

দুই মামলাতেই প্রধান আসামি করা হয়েছে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে। এছাড়া তার বেয়াই ও তৎকালীন প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা বিষয়ক উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল তারিক আহমেদ সিদ্দিক এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক পাঁচ মহাপরিচালকের নামও আসামির তালিকায় রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, দুই মামলার ৩০ আসামির মধ্যে ২৫ জনই সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পর্যায়ের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তা। তাদের মধ্যে ১৫ জন বর্তমানে চাকরিরত এবং একজন এলপিআরে আছেন। এই ১৬ জনের মধ্যে ১৫ জনকে সেনাবাহিনীর হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং একজন পলাতক রয়েছেন এখনও।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

আনোয়ারায় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুভ উদ্বোধন

আনোয়ারা প্রতিনিধি, দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আজ থেকে শুরু হয়েছে জাতীয় টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন কর্মসূচি । রোববার (১২ অক্টোবর) সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয় চট্টগ্রামের আনোয়ারা সদর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে । ৯ মাস থেকে ১৫ বছরের কম বয়সী প্রায় ৫ কোটি শিশুকে এই টিকার আওতায় আনার লক্ষ্য নিয়েছে সরকার। একমাস ব্যাপী এ ক্যাম্পেইনে শিশুদের বিনামূল্যে ইনজেকটেবল টাইফয়েড টিকা দেওয়া হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আনোয়ারা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট দীপক ত্রিপুরা। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, আনোয়ারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনির হোসেন, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সানাউল্লাহ কাউছার, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা দেবরাত চক্রবর্তী, উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক নুর বেগম, আনোয়ারা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কে এম সরোয়ার হোসেন প্রমুখ । উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি দীপক ত্রিপুরা বলেন, ‘টাইফয়েডে এখনও আমাদের শিশুদের মৃত্যু হয়। এটা আমাদের লজ্জা। সরকার ডায়রিয়া, রাতকানার মতো রোগ নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়েছে। আশাকরি এবার টাইফয়েড প্রতিরোধেও সফল হব। উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাহতাবউদ্দিন চৌধুরী বলেন ‘টাইফয়েড এমন একটি রোগ, যা সচেতনতা ও টিকাদানের মাধ্যমে সম্পূর্ণরূপে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। যত বেশি শিশু টিকার আওতায় আসবে, ততই হাসপাতালের ওপর চাপ কমবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করার পথে এই কর্মসূচি একটি বড় পদক্ষেপ। মাহতাব বলেন, “টাইফয়েড টিকাদান ক্যাম্পেইন শুধু একটি স্বাস্থ্য প্রকল্প নয়—এটি বাংলাদেশের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। বিশেষ করে নিম্নআয়ের পরিবারের শিশুদের জন্য এই উদ্যোগ একটি বড় পরিবর্তন আনবে।” তিনি বলেন জন্মসনদ না থাকলেও কোনো শিশু বাদ যাবে না। সব শিশুকে টিকার আওতায় আনাই এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য। এই কর্মসূচিতে ব্যবহৃত টিকাটি সরবরাহ করেছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট, আর সরকারের পক্ষ থেকে তা পেয়েছে আন্তর্জাতিক ভ্যাকসিন সহায়তা সংস্থা গ্যাভি–র সহায়তায়।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জামায়াতকে হায়েনার ছোবল থেকে রক্ষা করেছি: এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত

মোঃ ফরহাদ রেজা দেওয়ানগঞ্জ। জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ সাবেক সংসদ সদস্য এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেছেন, “আমরা জামায়াতকে হায়েনার ছোবল থেকে রক্ষা করেছি। স্বৈরাচার হাসিনার জুলুম-নির্যাতন থেকে তাদের রক্ষা করার পরও তারা এখন বিএনপির সমালোচনা করছে।”
শনিবার বিকেলে সানন্দবাড়ি ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত সানন্দবাড়ি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মিল্লাত আরো বলেন, এ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী রয়েছে। নদীভাঙন রোধসহ এলাকার সার্বিক উন্নয়নে যাকে যোগ্য মনে হবে তাকে যেন মানুষ ভোট দেয়। পিআর পদ্ধতি নিয়ে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ পিআর বোঝে না। জামায়াত কয়েক শতাংশ ভোট পেলে কয়েকটি আসন পাবে বলেই তারা এ পদ্ধতির কথা বলছে।”
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি সতর্ক করে বলেন, “কোনো অন্যায় কাজে জড়ানো যাবে না। যেকোন অপকর্মের দায়ভার সংশ্লিষ্ট নেতার নিজের, দল তার দায় নেবে না।” চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মো. নুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ খেলায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাবু শ্যামল চন্দ, আব্দুর রশিদ সাদা, ড. হুমায়ুন কবির, শাহ মো. মনিরুর রহমান, মঞ্জু ইসলাম, আতিকুর রহমান, মাসুদ হাবিব পলিন এবং চরআমখাওয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আবুল হাসেম মাস্টারসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ। ফাইনাল খেলায় বকবান্দা (রৌমারী) ফুটবল একাদশ ২-১ গোলে সানন্দবাড়ি ক্রিড়াচক্রকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়। বিজয়ী দলকে প্রথম পুরস্কার হিসেবে একটি মোটরসাইকেল এবং রানার্সআপ দলকে একটি ফ্রিজ প্রদান করা হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

সড়কে চলাচলে জনসচেতনতার লক্ষ্যে রূপগঞ্জে শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত

রিপন পাল: 
“পথ যেনো হয় শান্তির, মৃত্যুর নয়” এই প্রতিপাদ্যে গঠিত নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র উদ্যোগে
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শিক্ষার্থীদের সড়কে চলাচলে জনসচেতনতার লক্ষ্যে শিক্ষার্থী সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাতীয় নিরাপদ সড়ক দিবস-২০২৫ উপলক্ষে সারাদেশের ন্যায় নিসচা’র নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজিত মাসব্যাপী নানান কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ সভার আয়োজন করা হয়।
১১ অক্টোবর শনিবার সকালে উপজেলার ভুলতা ইউনিয়নের নাহাটি এলাকার “জামিয়া হাশেমীয়া ইমদাদুল উলুম নাহাটি মাদ্রাসা” অডিটোরিয়ামে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় মাদ্রাসার মুফতি ইমদাদুল হাশেমীর সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের নারায়ণগঞ্জ জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক জামান মিয়া, সমাজ সেবক নজরুল ইসলাম, সংগঠনের সহ-সভাপতি মোহাম্মদ গোলাম সাদেক, যুগ্ম সম্পাদক ও সাংবাদিক সোহেল কিরণ, দপ্তর সম্পাদক হাফিজুর রহমান, প্রকাশনা সম্পাদক রমজান মৃধা, কার্যকরী সদস্য হাবিবুল্লাহ প্রমুখ।
এসময় বক্তারা বলেন, সারাদেশে প্রতিবছর হাজার হাজার মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় মারা যাচ্ছেন। আবার অনেকে সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে পঙ্গুত্ব জীবণ কাটাচ্ছেন। একটি দুর্ঘটনা সারা জীবনের কান্না। দূর্ঘটনায় হতাহতরা শুধু নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না। স্বজনদের কষ্টের কারণ হয়ে দাড়াচ্ছেন। তাই সড়কে চলাচলের ক্ষেত্রে নিয়ম মেনে চললে আর  সবাই সচেতন হলে সড়ক দুর্ঘটনা অনেকটাই কমে যাবে।
পরে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-আহত সহ সকলের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়।\
আলোকিত প্রতিদিন/১১অক্টোবর ২০২৫/মওম