আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2607

মাদ্রাসা ছাত্রকে গাছে বেঁধে নির্যাতন, অভিযোগ যৌন হয়রানির

প্রতিনিধি, দিনাজপুর
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে মিনহাজ (১৫) নামে এক মাদ্রাসা ছাত্রের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে। মধ্যযুগীয় কায়দায় করা নির্যাতনের সেই ভিডিও এরই মধ্যে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
জানা গেছে, উপজেলার পাল্টাপুর ইউনিয়নের ঘোড়াবান্দ কেরানী পাড়ার ছইদুল ইসলামের ছেলে মিনহাজ দিনাজপুর জেলা সদরের ফরিদপুর গোরস্তান মাদ্রাসার নাজেরা ক্লাসের ছাত্র। করোনার কারণে মাদ্রাসা বন্ধ থাকায় সে বাড়িতে এসেছে। ছুটিতে প্রতিবেশী আবু বক্কর সিদ্দিকের স্ত্রী রমেনা বেগম, মেয়ে আফরোজা খাতুন (১০) এবং ছেলে রুহান ইসলাম (৮)কে সে আরবি পড়াতো। বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকাল সাড়ে ৭টায় পড়ানোর সময় আবু সিদ্দিকের পরিবার মিনহাজের বিরুদ্ধে তার মেয়েকে যৌন হয়রানির চেষ্টার অভিযোগ এনে মারধর শুরু করে। এসময় মিনহাজ পালিয়ে যায়। একইদিন দুপুরে মিনহাজকে তার নানার বাড়ি নাটুয়া পাড়া এলাকা থেকে ধরে এনে আবু বক্কর তার বাড়ির সামনে সুপারি গাছে বেঁধে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন চালায়। এসময় তাকে উদ্ধার করতে আসা পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা চালায়। পরে প্রতিবেশীদের সহযোগিতায় পরিবারের লোকজন মিনহাজকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
গাছে বেঁধে নির্যাতন এ ব্যাপারে মিনহাজ বলে, ‘ছয় মাস ধরে সে ওই বাড়িতে আরবি পড়াচ্ছে। এ পর্যন্ত এক মাসের বেতন পেয়েছে। ঘটনার দিন ভুল পড়ায় আফরোজাকে মার দেই। এতে সে ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে মার দেয় এবং তর্ক করে। পরে সে কাঁদতে কাঁদতে বিষয়টি তার মাকে গিয়ে বলার পর পরিবাবের লোকজন এসে আমাকে মারধর শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে আমি পালিয়ে যাই। পরে দুপুরে আমাকে ধরে নিয়ে এসে গাছে বেঁধে লাঠি দিয়ে পেটায়।’
এ ব্যাপারে আবু বক্করের স্ত্রী রমেনা বলেন, ‘আররি পড়ার এক পর্যায়ে আমি বাড়ির বাইরে যাই। এসময় মিনহাজ আমার মেয়েকে আরবি বই শপথ করিয়ে না বলার শর্তে টিউবল পাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে সে জামা খোলার এবং ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। মেয়ের চিৎকারে আমরা ছুটে এলে সে পালিয়ে যায়। পরে তাকে আটক করে শাসন করেছি। তাকে পুলিশে না দিয়ে নিজে শাসন করা ভুল হয়েছে।’
মিহাজের বাবা ছইদুল ইসলাম বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি বৃহস্পতিবার বীরগঞ্জ থানায় মামলা করেছি। এখন আসামিরা আমার ছেলে এবং আমার পরিবারসহ যারা ভিডিও করেছে তাদের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন মামলা করার হুমকি দিচ্ছে। মা মরা ছেলেটাকে নির্মম ভাবে মেরেছে। আমি ছেলে নির্যাতনে বিচার দাবি করছি।’
মামলার তদন্তকারী অফিসার এসআই আলন চন্দ্র রায় জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে আবু বক্কর ও আশরাফুল ইসলাম নামে দু’জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বীরগঞ্জ থানার ওসি আব্দুল মতিন বলেন, ‘মামলার তদন্ত চলছে। আসামিদের গ্রেফতার করে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুষ্টিয়ার ৬৭ করোনা পজিটিভ ঢাকায় এসে হলো ২

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। তবে অন্যান্য দেশের তুলনায় কম নমুনা পরীক্ষা করে দেশে বেশি রোগী শনাক্ত হচ্ছে। তার মধ্যেও জটিলতা তৈরি হচ্ছে দেশের বিভিন্ন স্থানে করোনা শনাক্তের ফলাফল নিয়ে। পিসিআর ল্যাবে করোনা পজেটিভ শনাক্ত হলেও অন্য ল্যাবে তার ফল আসছে নেগেটিভ। কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে ৬৭ জনের নমুনা পরীক্ষার ফলাফল নিয়ে এমনই ঘটনা ঘটেছে।
কুষ্টিয়া পিসিআর ল্যাবে ৬৭ জনের করোনা পজিটিভ হলেও ইনস্টিটিউট অব পাবলিক হেলথে (আইপিএইচ) ৬৫ জনের নেগেটিভ এসেছে। মাত্র দুইজনের করোনা পজিটিভ বলে সেখান থেকে জানানো হয়েছে।
কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে স্থাপিত ল্যাবে সোমবার চার জেলার ১৭৩ নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে কুষ্টিয়াসহ আরও তিন জেলার ৬৭ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। আগের তুলনায় পজিটিভ রোগীর সংখ্যা অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় চিন্তায় পড়ে কর্তৃপক্ষ।
দুদিন পর কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে জানানো হয়, ৬৭ জনের পজিটিভ শনাক্তের ফলাফল স্থগিত করা হয়েছে। নতুন করে নমুনা আইপিএইচে পাঠানো হয়েছে। সেখান থেকে পুণরায় পরীক্ষা করে চূড়ান্ত ফলাফল দেয়া হবে। পরে বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকা থেকে ৬৭ জনের করোনা পরীক্ষার ফলাফল পাঠানো হয়। এর মধ্যে মেহেরপুর ও চুয়াডাঙ্গা জেলার দুইজনের করোনা পজিটিভ এবং বাকি ৬৫ জনের নেগেটিভ এসেছে। ওই ফলাফলে কুষ্টিয়ার কারো শরীরে করোনা শনাক্ত হয়নি।
কুষ্টিয়ার সিভিল সার্জন ডা. এইচ এম আনোয়ারুল ইসলাম সমকালকে জানান, সোমবার কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেুরপুর জেলার ১৭৩ টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে ৬৭ জনের পজিটিভ আসে। কিন্তু সন্দেহ হওয়ায় পুনরায় পরীক্ষা করার জন্য আইপিএইচে পাঠানো হয়। বৃহস্পতিবার রাতে পুনরায় পরীক্ষার ফল এসেছে। তাতে ৬৫ জনের নেগেটিভ এসেছে।
কুষ্টিয়া ল্যাবের প্রধান নাজমীন রহমান এ ব্যাপারে বলেন, ‌‘৬৭ টির মধ্যে একটির ব্যাপারে আমরা ক্লিয়ার (স্পষ্ট) ছিলাম। ৬৬ টি নিয়ে আমাদের সন্দেহ ছিল।’

করোনার উৎপত্তি নিয়ে চীনা তদন্তে অংশ নিতে চায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা

::ডেস্ক প্রতিদিন::

করোনাভাইরাসের উৎপত্তি নিয়ে চীনের তদন্তে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। চীনের চলমান তদন্তে তাদের অংশ নেওয়ার আহ্বান জানাবে বলে শুক্রবার আশা প্রকাশ করেছে সংস্থাটি। ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে পাঠানো এক ইমেইলে একথা জানিয়েছেন সংস্থাটির মুখপাত্র তারিক জাসারেভিক।
বিশ্ব জুড়ে মহামারির আকার নেওয়া করোনাভাইরাস গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহান শহর থেকে ছড়িয়ে পড়তে শুরু করে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের অভিযোগ উহান ইনস্টিটিউট অব ভাইরোলোজি থেকে এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো এবিষয়ে কোনও প্রমাণ না পাওয়ার কথা জানালেও বৃহস্পতিবার ট্রাম্প দাবি করেছেন এই সংক্রান্ত প্রমাণ তিনি দেখেছেন। তবে বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ বিশ্বাস করে থাকেন ভাইরাসটি উহানের একটি বণ্যপ্রাণী বিক্রি হওয়া বাজার থেকে মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে ভাইরাসটির উৎপত্তি নিয়ে আরও ভালো বোঝাপড়ার জন্য চীনে বেশ কয়েকটি তদন্ত চলছে বলে বুঝতে পেরেছে তারা। বর্তমানে এসব তদন্তের সঙ্গে ডব্লিউএইচও’র কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। তবে শুক্রবার এএফপিকে পাঠানো ইমেইলে সংস্থাটির মুখপাত্র তারিক জাসারেভিক বলেন, ‘পশু থেকে ভাইরাসটির উৎপত্তি নিয়ে চীন সরকারের তদন্তে অংশ নেওয়ার আহ্বানে সাড়া দিতে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগীদের সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ডব্লিউএইচও।’
করোনাভাইরাসের মহামারি নিয়ে চীন সরকারের পাশাপাশি ডব্লিউএইচও’র কঠোর সমালোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভাইরাসটির তীব্রতা অগ্রাহ্য করা এবং চীনের বেশি ঘনিষ্ঠ হয়ে ওঠার অভিযোগে সম্প্রতি ডব্লিউএইচও’তে তহবিল বন্ধের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে শুরু করলে জানুয়ারির শেষ দিকে চীন সফরে যান বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আডানোম গেব্রিয়াসিস। ভাইরাস মোকাবিলায় চীন সরকারের ভূমিকা বুঝতে ওই সফরে তিনি প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এর সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। এই সপ্তাহে গেব্রিয়াসিস জানিয়েছেন, ওই সফরের জের ধরে ফেব্রুয়ারিতে চীনের পরিস্থিতি তদন্তে যায় আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা। এতে চীন, জার্মানি, জাপান, কোরিয়া, নাইজেরিয়া, রাশিয়া, সিঙ্গাপুর এবং যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষজ্ঞরাও ছিলেন। তবে বর্তমানে চীনে ভাইরাসটির উৎপত্তি নিয়ে তদন্ত নতুন করে গতি পেয়েছে। তবে ডব্লিউএইচও এর অংশ নয়। সংস্থাটির মুখপাত্র তারিক জাসারেভিক বলেন ধারনা করা হচ্ছে এই তদন্তে ২০১৯ সালের শেষ দিকে উহানের আশেপাশে আক্রান্ত মানুষের লক্ষণ, ভাইরাসটি প্রথম যেখানে মানুষকে আক্রান্ত করেছিল সেখানকার পরিবেশগত নমুনায়ন এবং ওই বাজারে যেসব বণ্য ও চাষ করা প্রাণী বিক্রি হয় তার বিস্তারিত রেকর্ড সংগ্রহ করে দেখা। তিনি বলেন, কোভিড-১৯ নিয়ন্ত্রণে গবেষণায় অগ্রাধিকার হিসেবে ডব্লিউএইচও প্রাণী ও মানুষের স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, বিভিন্ন দেশের সরকার এবং সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় অব্যাহত রেখেছে। এসব গবেষণার মধ্যে ভাইরাসটির উৎপত্তির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা চলছে বলেও জানান তিনি।

অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লাস-পরীক্ষা ও ভর্তির সিদ্ধান্ত

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে অনলাইনে ক্লাস, পরীক্ষা, মূল্যায়ন ও ভর্তি কার্যক্রম শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গুণগত মান বজায়সহ এজন্য বেশকিছু শর্ত মেনে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনির সভাপতিত্বে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠিত সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

এ সময় শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাববুব হোসেন, ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক কাজী শহীদুল্লাহ, বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শেখ কবির, ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ আলমগীর, সদস্য অধ্যাপক দীল আফরোজাসহ একাধিক পরিচালক উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ারবাজার ১০ মে চালু করতে চায় ডিএসই

::নিজস্ব প্রতিবেদক ::
শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির আপত্তি না থাকলে আগামী ১০ মে থেকে শেয়ারবাজারের লেনদেন চালু করতে চায় ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই)। বৃহস্পতিবার দেশের প্রধান স্টক এক্সচেঞ্জটির পরিচালনা পর্ষদ ভার্চুয়াল সভা করে এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন সমকালকে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, এ সময়ের মধ্যে করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব বাড়লে এ সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়েও যেতে পারেন তারা।
ডিএসই লেনদেন চালুর বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিলেও দেশের দ্বিতীয় শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ (সিএসই) এখনো এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। সিএসইর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মামুন রশীদ সমকালকে বলেন, শেয়ারবাজারের লেনদেন চালু করতে হলে সব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়সহ সব শাখা দিনে অন্তত চার ঘণ্টা খোলা থাকতে হবে। ব্যাংকিং চেক ও অনলাইন লেনদেন ক্লিয়ারিংয়ের জন্য ক্লিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট পুরোপুরি কার্যকর থাকা অত্যাবশ্যক। তাছাড়া সেন্ট্রাল ডিপোজিটরি প্রতিষ্ঠান সিডিবিএল ও নিয়ন্ত্রক সংস্থার সাভিল্যান্স বিভাগও চালু থাকতে হবে। এসব শর্ত পূরণ হলে এবং ডিএসই লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নিলে সিএসইও একই সিদ্ধান্ত নেবে বলে জানান তিনি।
করোনাভাইরাস সংক্রমণের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২৬ মার্চ থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। জরুরি সেবার বাইরে অন্য সব খাত এ সাধারণ ছুটির আওতায় রয়েছে। এরই মধ্যে তিন দফা সাধারণ ছুটির মেয়াদ বাড়ানো হয়েছে, যা চলবে আগামী ৫ মে পর্যন্ত। তবে এরপর ছুটির মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে কি-না, সে বিষয়ে এখনও সিদ্ধান্ত হয়নি।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে শ্রীলঙ্কা, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশ শেয়ারবাজার সাময়িক বন্ধ করে। এ মহামারির কারণে বিশ্বের সব বড় শেয়ারবাজারে ব্যাপক দরপতন হয়। দরপতন মাত্রা ছাড়িয়ে সার্কিট ব্রেকার স্পর্শ করলে যুক্তরাষ্ট্র, ভারতসহ কয়েকটি দেশের শেয়ারবাজার লেনদেনের মাঝে সাময়িক বিরতি দেয়। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত দেশগুলোর কোনোটিতেই শেয়ারবাজার এখন বন্ধ নেই। ।
ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন বলেন, করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখার বিকল্প নেই। এ কারণে সরকারের আহ্বানে সাড়া দিয়ে স্টক এক্সচেঞ্জের লেনদেন বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে লেনদেন বন্ধ থাকায় শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ থেকে আয়ের ওপর যেসব ব্যক্তি পুরোপুরি নির্ভরশীল, তারা বিপাকে পড়েছেন। জরুরি প্রয়োজনে যারা বিনিয়োগ থেকে কিছু তুলে নিতে চান, তারা সে সুযোগ পাচ্ছেন না। এছাড়া ব্রোকারেজ হাউসসহ শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর আয় বন্ধ। এ অবস্থায় সকলের স্বার্থে পুনরায় লেনদেন চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে এক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সম্মতি লাগবে।
বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সাইফুর রহমান জানান, লেনদেন চালুর ক্ষেত্রে কিছু প্রতিবন্ধকতা আছে। কেননা এখানকার বাজার এখনো পুরোপুরি অটোমেটেড নয়। তাছাড়া করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সরকার ঘোষিত জরুরি সেবার মধ্যে শেয়ারবাজারের লেনদেন পড়ে না। ফলে কমিশন এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত দেবে তা এখনই বলা সম্ভব নয়।

অতিপ্রয়োজন ছাড়া সবাই ঘরেই থাকুন : মেয়র তাপসের ত্রাণ বিতরণকালে যুবলীগ নেতা মধু

::জোছনা মেহেদী::
‘অতিপ্রয়োজন ছাড়া সবাই ঘরেই থাকুন। আমরা আমাদের নব নির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের ত্রাণ সহযোগিতা নিয়ে আপনাদের পাশে আছি।’
আজ (৩০ এপ্রিল) উত্তর মুগদাপড়া ও সবুজবাগ মায়াকাননের ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ড এলাকায় মেয়র তাপসের পক্ষে ত্রাণ বিতরণকালে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের দক্ষিণ মহানগর জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি আহাম্মদ উল্লাহ্ মধু এসব কথা বলেন।

মধু বলেন, ‘অন্যান্য দেশের তুলনায় আল্লাহর রহমতে এখনো অনেকাংশে আমরা ভালো আছি। জননেত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সব বিষয়েই খেয়াল রাখছেন, করোনাকালীন সংকট মোকাবেলায় নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আমাদের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপস নেত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে সব শ্রেণির মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।’
ত্রাণ বিতরণকালে উপস্থিত ছিলেন সবুজবাগ থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক লায়ন চিত্ত রঞ্জন দাস, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগ সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রাজা, ঢাকা মহানগর দ. যুবলীগ নেতা এমএকে আজাদ, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি বর্তমান যুবলীগ দক্ষিণ মহানগরের নেতা ইসমাইল হোসেন তপু, যুবনেতা তান কাশেম দ্বীপ, নজরুল ইসলাম বাবু, এনামুল হক হিল্টন, উদয়ন সানিয়াল, মো. সিদ্দিক, মো. সাগর, মাহফুজ উর রহমান, হাজী রফিকুল ইসলাম রুবেল প্রমুখ। কাজে সহযোগিতা করেন যুবলীগের অন্যান্য নেতাকর্মী ও সেচ্ছাসেবী। এ সময় ৭৫০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ তুলে দেওয়া হয়।
মধু বলেন, ‘আজ ৫৪ দিন আমাদের এই সোনার বাংলা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। গত ৩৬ দিন ধরে মানুষ ঘরে বসে আছেন। অনেকের অবস্থাই আজ নাজুক। আমাদের নবনির্বাচিত মেয়র ব্যারিস্টার ফজলে নূর তাপসের পক্ষ থেকে এই ত্রাণ কার্যক্রম আগামীতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে।’

ছেলের মা হলেন বরিস জনসনের বাগদত্তা

:: ডেস্ক প্রতিদিন ::

যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন ও তার বাগদত্তা ক্যারি সিমন্ডস ছেলে সন্তানের মুখ দেখেছেন। লন্ডনের একটি হাসপাতালে সন্তান জন্ম দেন সিমন্ডস। মা ও শিশু দুইজনই পুরোপুরি সুস্থ বলে বুধবার জানিয়েছেন ডাউনিং স্টিটের মুখপাত্র।
সন্তানের জন্ম ভালভাবে হলেও গত কয়েক সপ্তাহ দুঃসহ অভিজ্ঞতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে জনসন এবং সিমন্ডস দু’জনকেই। কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে মাসখানেক ধকল পোহাতে হয়েছে জনসনকে। অবশেষে সুস্থ হয়ে গত সোমবার জনসন কাজে ফিরেছেন। ওদিকে, সিমন্ডসেরও কোভিড-১৯ এর লক্ষণ ছিল। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন সময় কেটেছে তারও। তবে তিনি দ্রুতই সেরে ওঠেন।
জনসন গতবছর জুলাইয়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর বান্ধবী ক্যারি সিমন্ডসকে নিয়ে ডাউনিং স্ট্রিটে থাকতে শুরু করেন। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এ সরকারি বাসভবনে তারাই প্রথম অবিবাহিত যুগল।
গতবছরের শেষদিকে সিমন্ডসের সঙ্গে বাগদানে আবদ্ধ হন জনসন। ব্রুয়ারিতে এ যুগল জানান, তারা প্রথম সন্তানের অপেক্ষায় আছেন। এরপরই বুধবার তারা ছেলে সন্তান জন্মের খবর জানালেন। ভালোয় ভালোয় সবকিছু হওয়ার জন্য ন্যাশনাল হেলথ সার্ভিস (এনএইচএস) এর চিকিৎসকদের ধন্যবাদও জানিয়েছেন জনসন ও সিমন্ডস।
জনসনের বাবা হওয়ার খবরে তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন রাজনীতিবিদরা। জনসনের বাবা স্ট্যানলি জনসনও নাতি হওয়ার খবরে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
ক্যারি সিমন্ডসের আগে জনসনের স্ত্রী ছিলেন মারিনা হুইলার। তাদের চার সন্তান ছিল বলে জানা যায়। ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে তারা বিচ্ছিন্ন থাকতে শুরু করেন এবং এবছরের শুরুর দিকে তাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়।

অসহায় কৃষকের ধান কেটে ঘরে তুলে দিলো টেকনাফ পৌর ছাত্রলীগ

:: আবু সায়েম, কক্সবাজার ::

দুই বিঘা জমির ধান নুয়ে পড়েছে মাটিতে। লকডাউনে মিলছে না শ্রমিক। কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলার কৃষক মোহাম্মদ বশরের চিন্তার শেষ নেই। ধান বাঁচলে চাল হবে, মানুষ বাঁচবে, বাঁচবে দেশ, সঙ্গে নিজেও। কিন্তু কীভাবে ধান কাটবেন, বাড়ি নেবেন, মাড়াই করবেন, কীভাবে অর্থের সংস্থান হবে?

এমন সব চিন্তায় যখন বশর অস্থির তখন এগিয়ে আসেন জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও টেকনাফ পৌরসভার ছাত্রলীগের সভাপতি সাংবাদিক মোহাম্মদ শাহীন। কৃষক বশরের অবস্থার কথা জেনে বুধবার (২৯ এপ্রিল) সকালে তার বাড়িতে ছুটে যান শাহীনসহ ছাত্রলীগের ১৫-২০ জন নেতাকর্মী। নেমে পড়েন টেকনাফ খাংকার পাড়ার ওই ধান ক্ষেতে। সোনালি ধান কেটে ঘরে তুলে দেন কৃষক বশরের।
স্থানীয়রা জানান, দেশে করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউন থাকায় কৃষিশ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে। মাঠে ধান পাকলেও সেই ধান কাটার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। এই অবস্থায় অসহায় হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে ছাত্রলীগের একদল কর্মী।
কৃষক মোহাম্মদ বশর বলেন, ‘সবাই যদি এভাবে পাশে দাঁড়ায় তাহলে আমরা বড় রকম ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পাবো।’ তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছাত্রলীগ রাজনীতির পাশাপাশি মানুষের উপকারও করে। আমি খুবই আনন্দিত।’ তিনি প্রধানমন্ত্রী ও ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি মোহাম্মদ শাহীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এই কাজ আমরা করছি এবং এই ধারা অব্যাহত রাখব। যদি কারও সাহায্যের প্রয়োজন হয় আমাদের জানালে আমরা ওই কৃষকের পাশে দাঁড়াব। এছাড়া আমরাও সাধ্যমত খোঁজখবর রাখছি।’
টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র আবদুল্লাহ মনির বলেন, ‘সামাজিক দূরত্ব বজায়ে রেখে ওই কৃষকের দুই বিঘা জমির ধান ছাত্রলীগ কেটে মাথায় করে বাড়িতে পৌঁছে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, মাড়াইও করে দিয়েছেন। ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা যেভাবে কৃষকের ধান কেটে দিয়েছে, এতে প্রমানিত হয় ছাত্রলীগ মানব সেবাসহ দেশের উন্নয়ন কাজেও গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে।
ধান কাটার সময় উপস্থিত ছিলেন ১নং ওয়ার্ডের জসীম উদ্দীন জনি, জসিম উদ্দিন জয়, মো. সাহেল, ৩নং ওয়ার্ডের আবদুল্লাহ আল নোমান, মো. রবিন, মুহাইমিনুল ইসলাম, মো. সায়েম, ৪ নং ওয়ার্ডের মো. রুবেল উদ্দিন, মজিবুর রহমান, ৫নং ওয়ার্ডের মো. শফিক, মো. ইদ্রিস, ৬নং ওয়ার্ডের মো. ওমর সাদেক, ৭নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ আরকান শিহাব, ৯নং ওয়ার্ডের মোহাম্মদ ফরহাদ শরীফ, আবদুল্লাহ আল সাফিসহ অনেকে।

রিজার্ভ ধসে সৌদি আরব

:: ডেস্ক প্রতিদিন ::
গত ২০ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে সৌদি আরবের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ। গত মার্চে এই রিজার্ভ কমে যাওয়ার গতি দুই দশকের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। তেল বিক্রির পরিমাণ কমে যাওয়ায় অর্থ বছরের প্রথম চার মাসেই দেশটির বাজেট ঘাটতি নয়শো কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছেছে। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স এই খবর জানিয়েছে।
সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল জাদান
বিশ্বের সবচেয়ে বেশি তেল রফতানিকারক দেশ সৌদি আরব। করোনাভাইরাসের মহামারির কারণে বর্তমানে তেলের মূল্য ঐতিহাসিকভাবে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। তেলের মূল্য কমে যাওয়ায় দেশটির যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের অর্থনৈতিক সংস্কার পরিকল্পনার আকার ও গতি কমিয়ে আনতে হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার রাতে সৌদি আরবের মুদ্রা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বৈদেশিক সম্পদের মোট পরিমাণ মার্চ মাসে ৪৬ হাজার চারশো কোটি মার্কিন ডলারে নেমে এসেছে। এই সম্পদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে জমা রাখা সম্পদও রয়েছে। গত ১৯ বছরের মধ্যে এটাই সর্বনিম্ন সৌদি সম্পদ।
গত দুই দশকের মধ্যে এক মাসে সবচেয়ে বেশি প্রায় দুই হাজার সাতশো কোটি ডলারের সম্পদ কমেছে সৌদি আরবের। গত সপ্তাহে সৌদি আরবের অর্থমন্ত্রী মোহাম্মদ আল জাদান বলেন, এই বছর রিজার্ভ থেকে সর্বোচ্চ তিন হাজার দুইশো কোটি ডলার তোলা হবে।
উল্লেখ্য সৌদি আরবে এখন পর্যন্ত ২০ হাজারের বেশি করোনাভাইরাসে আক্রান্ত শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মৃত্যু হয়েছে ১৫২ জনের। মহামারির কারণে এবারে দেশটির বাজেট ঘাটতি পাঁচ হাজার কোটি ডলারে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ গার্মেন্টস খাতে বৈশ্বিক ক্রয়াদেশ পূরণে সক্ষম হবে : প্রধানমন্ত্রী

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব থাকলেও বাংলাদেশ তৈরি পোশাক খাতে (আরএমজি) বৈশ্বিক ক্রেতাদের ক্রয়াদেশ পূরণ করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ বুধবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর দুইটার দিকে সুইডিস প্রধানমন্ত্রী স্টিফেন লোফভেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে টেলিফোন করলে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। দুই নেতা প্রায় ১৫ মিনিট নানা বিষয়ে কথা বলেন। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম দুই নেতার টেলিকথোপকথন সাংবাদিকদের অবহিত করেন।
প্রেস সচিব বলেন, ‘সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী বুধবার দুপুর দুইটার আশেপাশের সময়ে টেলিফোন করে শেখ হাসিনার সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। প্রায় ১৫ মিনিটের কথোপকথনে উভয় নেতা ব্যবসা-বাণিজ্য, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাত নিয়ে কথা বলেন।’ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা আশাবাদী, আমরা সুইডেনসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের তৈরি পোশাক সংক্রান্ত ক্রয়াদেশ পূরণ করতে সক্ষম হবো। যদিও করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ায় বর্তমান অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।’
এ সময় সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেন যে, তার দেশ তৈরি পোশাক সম্পর্কিত বাংলাদেশের কোনও ক্রয়াদেশই বাতিল করবে না। স্টিফেন লোফভেন বলেন, ‘আমরা বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি অব্যাহত রাখবো।’ জবাবে শেখ হাসিনা বলেন, ‘বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের মালিকরা স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখে তাদের কারখানা চালু করেছেন।’
প্রেস সচিব আরও জানান, দুই দেশের করোনাভাইরাস পরিস্থিতি উভয় নেতার আলোচনায় উঠে আসে। তারা করোনা মহামারি মোকাবিলায় দুই দেশের গৃহীত পদক্ষেপের প্রশংসা করেন। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কোভিড-১৯ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একযোগে কাজ করার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেন।