আজ রবিবার, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৪ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2603

নিউইয়র্কে আরও দুই প্রবাসীর প্রাণ গেল করোনায়

:: প্রতিনিধি, নিউইয়র্ক::
যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও দুই বাংলাদেশি মারা গেছেন। তারা হলেন- রেস্টুরেন্ট ব্যবসায়ী সমীর চন্দ্রদেব (৫৪) এবং কয়সর আহমেদ (৭২)।
হাসপাতাল এবং স্বজনের উদ্ধৃতি দিয়ে বাংলাদেশ সোসাইটির সভাপতি আব্দুর রহিম হাওলাদার এবং সেক্রেটারি রুহুল আমিন সিদ্দিকী জানান, টানা ১৪দিন নিউ ইয়র্কের কর্নেল হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ার পর ৩ মে ভোর ৬টায় মারা যান সমীর চন্দ্রদেব (৫৪)। একইদিন বিকেল সোয়া ৫টায় এলমহার্স্ট হাসপাতালে মারা যান ইস্ট এলমহার্স্ট এলাকার অধিবাসী এবং মৌলভীবাজারের সন্তান কয়সর আহমেদ।

ভ্যানের ওপর গৃহবধুর সন্তান প্রসবের ভিডিও ভাইরাল, চিকিৎসায় গাফেলতি খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি

::প্রতিনিধি, সাতক্ষীরা::
চিকিৎসক না পেয়ে ভ্যানের উপর এক গৃহবধুর সন্তান প্রসবের একটি ভিডিও কয়েকদিন ধরে ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। আঙুল উঠেছে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা খাতে। ফলে নড়ে চড়ে বসেছে সাতক্ষীরা স্বাস্থ্যবিভাগ। চিকিৎসায় গাফেলতি আছে কিনা খতিয়ে দেখতে গঠন করা হয়েছে তদন্ত কমিটি। ভুক্তভোগী গৃহবধু সদর উপজেলার মাছখোলা ঝুটিতলা ঋষিপাড়া এলাকার বাসিন্দা।
সাতক্ষীরার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ হুসাইন সাফায়েত জানান, এ বিষয়ে জরুরী ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হচ্ছে। এরপর তদন্ত কমিটি রিপোর্ট দেয়ার পর ওই সময়ে দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে পরবর্তী ব্যবস্থা নেয়া হবে।
জানা যায়, গত শুক্রবার (১ মে) সদর হাসপাতালে চিকিৎসক ছিল, ছিল নার্সও। কিন্তু চিকিৎসা মেলেনি গৃহবধূর। চিকিৎসক না পেয়ে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের বাইরে যাত্রীটানা ভ্যানের ওপরে সন্তান প্রসব করেন ওই গৃহবধু। এসময় অনেকেই দাঁড়িয়ে প্রত্যক্ষ করলেও বিয়ষটি নিয়ে কেউ কথা বলেননি। এই ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হলে এটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড় ওঠে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ওই সময় দায়িত্বরত চিকিৎসক ও নার্সদের ওই গৃহবধূর স্বজনরা ডেকেও পাননি। গৃহবধূর স্বজন ও প্রতিবেশীরা জানান, বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে গেলে করোনা ভাইরাসের ভয়ে কেউ তাকে ভর্তি নেননি। উপায় না পেয়ে সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক ও নার্সরা সেখানে থাকা শর্তেও এই রোগী ভর্তি নেননি। কোন উপায় না পেয়ে ভ্যানে তার সন্তানের ডেলিভারি হয়।

চীনে বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সংগঠনের নতুন কমিটি

::ডেস্ক প্রতিদিন::
এ এ এম মুজাহিদকে সভাপতি ও মুহম্মদ শাহানুল ইসলামকে সাধারণ সম্পাদক করে চীনে নিজেদের নতুন কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ-চীন ইয়ুথ স্টুডেন্টস অ্যাসোসিয়েশন’ (বিসিওয়াইএসএ)। স্থানীয় সময় শনিবার রাতে ২০২০-২১ মেয়াদে ২০ সদস্যের নতুন এ কমিটি ঘোষণা করা হয় বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায় সংগঠনটি। এতে প্রধান বার্তা সম্পাদক পদে মোহাম্মদ ছাইয়েদুল ইসলাম ও নির্বাহী বার্তা সম্পাদক পদে ইফতে খাইরুল হক ইমন নির্বাচিত হয়েছেন। আগামী এক বছরের জন্য তারা সংগঠনটির নেতৃত্ব দেবেন।
প্রার্থী বাছাইয়ে ও নির্বাচনে দায়িত্ব পালন করেছেন মোহাম্মদ সাহাবুল হক, বিসিওয়াইএসএ এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মোহাম্মদ তৌহিদ ও বিসিওয়াইএসএ এর প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মুহম্মদ রাশেদুজ্জামান। কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সহ সভাপতি পদে মো. বশির উদ্দিন খান, মারুফ হাসান, আগা মোস্তাফিজুর রহমান চৌধুরী, মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক পদে তানভিরুল ইসলাম এবং নুজহাত ফারহানা, মো. রাইসুল হাসান রাসেল (অফিস সহকারি), মো. আন নাজমুস সাকিব খান (প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক), এ বি এম হাসান লিমন (অর্থ সম্পাদক), মাহমুদুল হাসান (কার্যনির্বাহী সদস্য), মাহজাবিন তাবাসসুম (কার্যনির্বাহী সদস্য), মো. রিশাদ আহমেদ (কার্যনির্বাহী সদস্য), মো. আব্দুর রহমান রুবেল (কার্যনির্বাহী সদস্য), মো. আরিফুল হক (কার্যনির্বাহী সদস্য), গাজী তৌফিক এজাজ (উপ বার্তা সম্পাদক) ও সাব্বির আহমেদ (উপ বার্তা সম্পাদক)।

ঈদের ছুটিতে সরকারি চাকুরেদের কর্মস্থল ত্যাগে মানা, বন্ধ থাকবে আন্তঃজেলা পরিবহন

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
নতুন করে ৭ থেকে ১৬ মে পর্যন্ত ‘সাধারণ ছুটি’ ঘোষণা করে সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় যে আদেশ জারি করেছে সেখানে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিকে এবার রোজার ঈদের সময় আন্তঃজেলা যাত্রী পরিবহন বন্ধ থাকবে বলে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন নিয়ে সোমবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক আদেশে বলা হয়েছে, “ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না। ওই সময়ে আন্তঃজেলা গণপরিবহন বন্ধ থাকবে।”
এই আদেশ বেসরকারি চাকরিজীবীদের জন্যও প্রযোজ্য হবে কি না জানতে চাইলে জনপ্রশাসন সচিব শেখ ইউসুফ হারুন বলেন, “সরকারি আদেশে শুধু সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ঈদের ছুটিতে কর্মস্থলে অবস্থানে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।” এছাড়া চলমান ‘সাধারণ ছুটির’ সময় এক জেলা থেকে আরেক জেলা এবং এক উপজেলা থেকে আরেক উপজেলায় জন সাধারণের চলাচল কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করতে জেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে বেসরকারি চাকুরেদের ছুটি থাকলেও এবার ঈদের সময় বাড়ি যাওয়ার সুযোগ হবে না।
চাঁদ দেখা সাপেক্ষে আগামী ২৫ মে বাংলাদেশে রোজার ঈদ হতে পারে, যা মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। সরকারের ছুটির আদেশে আরও বেশ কিছু বিষয়ে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
জরুরি সেবা যেমন- বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি, ফায়ার সার্ভিস, বন্দর (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়োজিত যানবাহন ও কর্মীরা সাধারণ ছুটির বাইরে থাকবেন।
সড়ক ও নৌপথে সকল প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়োজিত ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল চলাচল অব্যাহত থাকবে।
কৃষিপণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচা বাজার, খাবার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এসবের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ ছুটি প্রযোজ্য হবে না।
চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ওষুধসহ চিকিৎসা সরঞ্জাম বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যমে (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্টি মিডিয়া) নিয়োজিত কর্মীরা এ ছুটির আওতায় পড়বেন না।
ঔষধশিল্প, উপৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সকল কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ প্রণীত ‘বিভিন্ন শিল্প কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা’ প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।
পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে শিল্প-কারখানা, কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলো ও পরিবহন পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করা হবে।
ছুটির সময় কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলা রাখা যাবে না।
রমজান, ঈদ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা বিবেচনায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে।
সকল মন্ত্রণালয়, বিভাগ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অফিসগুলো প্রয়োজন অনুসারে খোলা রাখবে। সেইসঙ্গে তারা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।
পাশাপাশি সবাইকে যার যার বাড়িতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হলে বিশ্বের আরও অনেক দেশের মত বাংলাদেশের ১৭ কোটি মানুষও ঘরবন্দি দশার মধ্যে পড়ে, যাকে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে বর্ণনা করা হচ্ছে ‘লকডাউন’ হিসেবে। এরপর সেই ‘ছুটির’ মেয়াদ কয়েক দফায় ১৬ মে পর্যন্ত বাড়ানো হল। তবে এতদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ায় যে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তা দুই ঘণ্টা শিথিল করা হয়েছে।
নতুন আদেশে বলা হয়েছে, “জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না।” দেশের সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও কোচিং সেন্টার ১৭ মার্চ থেকেই বন্ধ রাখা হয়েছে। ১ এপ্রিল থেকে নির্ধারিত এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও স্থগিত হয়ে গেছে করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে।

১০ মে থেকে শপিংমল খোলা

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
রোজার ঈদ সামনে রেখে আগামী ১০ মে থেকে দোকান-পাট ও শপিংমল খোলার অনুমতি দিয়েছে সরকার। বেশ কয়েকটি শর্ত মেনে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারা দেশের শপিংমলগুলো খোলা রাখা যাবে জানিয়ে জননিরাপত্তা বিভাগ, সুরক্ষা সেবা বিভাগ ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সব বিভাগীয় কমিশনার এবং জেলা প্রশাসকদের সোমবার নির্দেশনা পাঠিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের যুগ্ম-সচিব (জেলা ও মাঠ প্রশাসন অধিশাখা) মো. মুশফিকুর রহমান বলেন, “আগের আদেশে বিকাল ৫টা পর্যন্ত শপিংমল খোলা রাখার কথা বলা হলেও সেটা বিকাল ৪টা পর্যন্ত করা হয়েছে।”
সারা দেশে হাট-বাজার, ব্যবসা কেন্দ্র, দোকানপাট ও শপিংমলগুলো সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টার মধ্যে সীমিত পরিসরে খোলা রাখা যাবে বলে জানান তিনি। শর্তের মধ্যে রয়েছে- বড় শপিংমলের প্রবেশমুখে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা ও স্যানিটাইজারের ব্যবস্থা রাখতে হবে। শপিংমলে আসা যানবাহনকে অবশ্যই জীবাণুমুক্ত করার ব্যবস্থা রাখতে হবে। বেচাকেনার সময় ক্রেতা-বিক্রেতাদের পারস্পরিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে। দোকানপাট এবং শপিংমল বিকাল ৪টার মধ্যে অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের প্রেক্ষাপটে সরকার প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সব অফিস আদালত বন্ধ ঘোষণা করে। সেই সঙ্গে সারা দেশে সব ধরনের যানবাহন চলাচলেও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়, শপিং মলও বন্ধ রাখতে বলা হয়। সেই ছুটির মেয়াদ ইতোমধ্যে ১৬ মে পর্যন্ত বাড়িয়েছে সরকার। এতদিন সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা ছিল। এখন তা দুই ঘণ্টা শিথিল করা হয়েছে। আদেশে বলা হয়েছে, “জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কোনোভাবেই বাড়ির বাইরে আসা যাবে না।”

রংপুরে ত্রাণের দাবিতে সড়ক অবরোধ, বিক্ষোভ

::প্রতিনিধি, রংপুর::
করোনাভাইরাস মহামারীতে ঘরে থাকার নির্দেশনার মধ্যে রংপুরে ত্রাণের দাবিতে বিক্ষোভ হয়েছে। আজ সোমবার সকাল থেকে বেলা ১টা পযর্ন্ত সিটি করপোরেশন ভবনের সামনে প্রধান সড়কে তারা এই বিক্ষোভ দেখান। শহরের কামাল কাচনা এলাকার রিকশা চালক জুলমত মিয়া (৫০) বলেন, “মুই কার কাচত জাইম বাহে। এ্যালাও মোক কেউ চাউল দেয় নাই। হামারা আজ অবরোধ করছি। চাউল নিয়ে যাব মেয়রের কাছ থেকে।”
ছানারুল ইসলাম (৩৫) নামে একজন রিকশা চালক এ পর্যন্ত কোনো ত্রাণ পাননি বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি বলেন, “হামার তো কিছুই নাই বাহে। ভ্যান চালাই। কিন্তু ভ্যান চালাতে দেয় না পুলিশ। সরকার বলে বাড়ি বাড়ি খাবার দিবে। হামাক কেউ এক কেজি চাউল দিল না। হয় ভ্যান চালাতে দিবে না হয় মেয়র সাহেব চাউল দিবে।”
বিক্ষোভের খবর পেয়ে বেলা ১২টার দিকে মেয়র মোস্তাফিজার রহমার মোস্তফা ঘটনাস্থলে যান। তিনি ত্রাণ দেওয়ার আশ্বাস দিলে বেলা ১টার দিকে সবাই রাস্তা ছেড়ে চলে যান। রংপুরের জেলা প্রশাসক হাসান হাবিব বলেন, “আমি শুনেছি এবং মেয়র সাহেব ও মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি সেখানে গিয়েছেন। তারা অবরোধকারীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করেছেন। অবরোধ উঠিয়ে নিয়েছেন। তাদের নামের তালিকা হলে যাচাই-বাচাই করে ত্রাণ দেওয়া হবে।”

সরকারি অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে খুলবে : প্রধানমন্ত্রী

:: নিজস্ব প্রতিবেদক::
করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে সরকারের ‘ছুটির’ মেয়াদ আরও দশ দিন বাড়লেও সরকারি অফিস-আদালত সীমিত পরিসরে চালু করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ সোমবার গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সে রংপুর বিভাগের আট জেলার কর্মকর্তাদের সঙ্গে মত বিনিময়ে এ সিদ্ধান্ত জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সরকারি অফিস আদালত সব সীমিত আকারে আমরা চালু করে দিচ্ছি, যাতে মানুষের কষ্ট না হয়। সামনে ঈদ। ঈদের আগে কেনাকাটা বা যা যা দরকার সেগুলোও যেন মানুষ করতে পারে।” কিন্তু লকডাউন শিথিল হলেও মানুষ যেন সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখার নিয়ম এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে, সে বিষয়ে সতর্ক করেন সরকারপ্রধান।
শেখ হাসিনা বলেন, “এখানে একটা জিনিস মাথায় রাখতে হবে, খুব বেশি মেলামেশা সবার সাথে… এক জায়গায় জড়ো হওয়া বা খুব বড় জনসমাগম… এই জায়গা থেকে সবাইকে মুক্ত থাকতে হবে। কারণ সেখানেই কিন্তু সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে আমরা ছুটি ঘোষণা দিয়েছি। ৫ মে পর্যন্ত ঘোষণা দিয়েছিলাম, সেটাকে আমরা ১৫ মে পর্যন্ত বৃদ্ধি করতে চাচ্ছি। কিন্তু সাথে সাথে যেহেতু রমজান মাস, এই রমজান মাসে যাতে কেনাবেচা চলতে পারে… দোকানপাট খোলা, যেহেতু রোজার সময় ইফতারি কেনা বা সেহরি খাওয়া বা বাজারঘাট করা- সেগুলো যাতে চলতে পারে, সেদিকে বিশেষভাবে দৃষ্টি রেখে আমরা সেগুলো খোলারও… মানে চালু রাখার নির্দেশ দিয়ে দিয়েছি।”
শেখ হাসিনা বলেন, প্রতিটি জেলায় যেসব ক্ষুদ্র শিল্প কারখানা রয়েছে সেগুলো চালানো যাবে। অর্থনীতির চাকা যাতে গতিশীল থাকে, সরকার সেভাবেই নির্দেশনা দিয়েছে। সেখানে মানুষকে সুরক্ষিত রেখে, মানুষের স্বাস্থ্যের দিকে নজর রেখে সেগুলো যেন পরিচালিত হতে পারে, তার জন্য যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া… এ ব্যাপারে বেশ কতগুলো নির্দেশনা আপনারা শিগগিরই পাবেন। এটা আমাদের কেবিনেট ডিভিশন থেকে ঘোষণা দেওয়া হবে।”
করোনাভাইরাসের এ সঙ্কট যে পুরো বিশ্বকেই বিপদে ফেলে দিয়েছে, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, “আমরা এই ব্যাপারে যথেষ্ট সতর্কতা অবলম্বন করায় একটা ভালো ফলাফলও পাচ্ছি। সেজন্য আমি দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাই।” শেখ হাসিনা বলেন, দেশকে সুরক্ষিত করা, দেশের মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, এই ভাইরাসের কারণে মানুষ যেন ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সেদিকে বিশেষ দৃষ্টি দেওয়া- এটাই সরকারের লক্ষ্য। “আর সেই লক্ষ্য নিয়ে আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিচ্ছি। যেহেতু এটা অত্যন্ত সংক্রামক একটি রোগ, হাঁচি-কাশির মাধ্যমে সংক্রমিত হয়, সেজন্য দেশবাসীকে আমি অনুরোধ করব, যেহেতু রোজার মাস, আমরা বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছি, ধীরে ধীরে আমরা কিছু কিছু জিনিস উন্মুক্ত করে দিচ্ছি। কিন্তু সেখানে আপনাদের সবাইকে নিজেকে সুরক্ষিত করতে হবে। আবার অপরকেও সুরক্ষিত রাখতে হবে “
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষে থেকে দেওয়া নির্দেশনা মেনে চলার পাশাপাশি সবাইকে মুখে মাস্ক ব্যবহারের আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

করোনাভাইরাস মোকাবেলায় সরকারের দেরিকে প্রত্যাখ্যান ট্রাম্পের

::ডেস্ক প্রতিদিন::
নতুন করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাব মোকাবেলায় সাড়া দিতে তার সরকার দেরি করেছে, এমন অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। রোববার ফক্স নিউজের ভার্চুয়াল ‘টাউন হল’ টক শো-তে ট্রাম্প এ কথা বলেন বলে জানিয়েছে বিবিসি। করোনাভাইরাস প্রাদুর্ভাবের কারণে সমাবেশের বদলে এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তার নির্বাচনী প্রচারণা ফের শুরু করা হল বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে এক লাখের মতো লোক মারা যেতে পারে বলে সতর্ক করেছেন ট্রাম্প।
ইতোমধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে কোভিড-১৯ এ মৃতের সংখ্যা ৬৭ হাজার ছাড়িয়ে গেছে এবং আক্রান্ত দাঁড়িয়েছে সাড়ে ১১ লাখেরও বেশি। এই রোগের একটি টিকা উৎপাদনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, চলতি বছরের শেষ নাগাদ এ ধরনের একটি টিকা প্রস্তুত হয়ে যাবে। কিন্তু এ ধরনের একটি টিকা পেতে ১২ থেকে ১৮ মাস লাগতে পারে বলে জানিয়েছিলেন দেশটির স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা।
তা সত্ত্বেও ফক্স নিউজকে তিনি বলেন, “আমার ধারণা বছরের শেষ দিকে আমরা একটি টিকা পেতে যাচ্ছি। চিকিৎসকরা বলতে পারেন, এটি আপনি বলতে পারেন না। আমি বলবো আমি মনে করি, অতো পরে না তার আগেই একটি টিকা পাবো।”
মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই আশাবাদের সঙ্গে যারা দ্বিমত পোষণ করতে পারেন তাদের মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ ড. অ্যান্থনি ফাউচি, ইংল্যান্ডের প্রধান চিকিৎসা কর্মকর্তা ক্রিস উয়িটি থাকতে পারেন। এ ধরনের একটি টিকা উৎপাদনে ১৮ মাসের মতো লাগতে পারে বলে জানিয়েছিলেন ড. ফাউচি, আর গত মাসে অধ্যাপক উয়িটি বলেছিলেন, আগামী বছরের মধ্যে কার্যকরী একটি টিকা বা অন্য কোনো চিকিৎসা পাওয়ার সম্ভাবনা ‘অত্যন্ত কম’।
প্রাদুর্ভাবের শুরুতে তার প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে যে অভিযোগ আছে তা প্রত্যাখ্যান করে ট্রাম্প বলেন, “আমরা সঠিক কাজই করেছি।” এ পর্যায়েও ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের বিস্তার বন্ধ করতে না পারার জন্য ফের চীনকে দায়ী করেন তিনি। ট্রাম্প বলেন, “আমি মনে করি তারা ভয়ানক ভুল করেছে আর তারা তা স্বীকার করতে চায়নি। আমরা ভিতরে ঢুকতে চেয়েছিলাম, কিন্তু তারা আমাদের সেখানে চায়নি।” তবে ট্রাম্প কিছু দায় যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা কর্মকর্তাদেরও দিয়েছেন। তারা ২৩ জানুয়ারির আগে প্রাদুর্ভাবের বিষয়ে উদ্বেগ জানায়নি বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। কিন্তু মার্কিন সম্প্রচার সংস্থা সিএনএন ও এবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রেসিডেন্টের গোয়েন্দা ব্রিফিংয়ে ৩ জানুয়ারিতেই করোনাভাইরাসের কথা উল্লেখ করা হয়েছিল।

ইতিহাসের এই দিনে : ৪ এপ্রিল

আজ ৪ এপ্রিল, সোমবার। ইতিহাসে আজকের এই দিনে ঘটে গেছে নানা ঘটনা। তারই উল্লেখযোগ্য কিছু তথ্য নিয়ে আলোকিত প্রতিদিনের আজকের আয়োজন ‘ইতিহাসের এই দিনে : ৪ এপ্রিল’। ১৯৭৯ সালের এই দিনে পাকিস্তানি সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভূট্টো এর ফাঁসি কার্যকর হয়। আর ১৯৪৯ সালের এই দিনে ন্যাটো প্রতিষ্ঠিত হয়। অন্যান্য ঘটনাবলী…

১৯৬০ : ইতিহাসের এই দিনে সেনেগাল স্বাধীনতা লাভ করে। সেনেগাল পশ্চিম আফ্রিকার একটি দেশ। এর রাজধানীর নাম ডাকার। সেনেগাল নদী থেকে দেশটির নামকরণ করা হয়।

১৯৬৮ : যুক্তরাষ্ট্রের কৃষ্ণাঙ্গ নেতা মার্টিন লুথার কিং আততায়ীর হাতে নিহত হন।

১৯৭২ : বাংলাদেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের স্বীকৃতি প্রদান করে।

১৯৭৯ : পাকিস্তানি সাবেক প্রধানমন্ত্রী জুলফিকার আলী ভূট্টো এর ফাঁসি কার্যকর হয়। তিনি পাকিস্তান পিপলস্‌ পার্টির প্রধান ছিলেন। হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে ১৯৭৯ সালে সামরিক আদালত তাকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে।

১৯৮৪ : ভারতীয় নভোচারী রাকেশ শর্মা সোভিয়েত সহযোগিতায় মহাকাশ অভিযান করে। তিনি ভারতীয় প্রথম নভোচারী। রাকেশ ছিলেন ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্সের পাইলট। তিনি সারা বিশ্ব ভ্রমণ করেছেন।

যশোরে মেসভাড়া ৬০ শতাংশ মওকুফ, বাড়িভাড়ায় সিদ্ধান্ত নেই

::প্রতিনিধি, যশোর::
যশোরে শিক্ষার্থীদের মেসভাড়া ৬০ শতাংশ মওকুফ করতে মেসের মালিকদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছেন জেলা প্রশাসন। তবে শিক্ষার্থী ব্যতীত বাসাবাড়ির ভাড়ার বিষয়ে কোন নির্দেশনা আসেনি। আজ সোমবার (৪ মে) বেলা ১২টায় যশোর সার্কিট হাউজে এক জরুরী সভায় মেসমালিক, শিক্ষার্থী ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে মত বিনিময়ের পর এই সিদ্ধান্ত জানায় জেলা প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের কথা ভেবে, তাদের বিভিন্ন অভিযোগের প্রেক্ষিতে আজ এই জরুরী সভা থেকে এমন সিদ্ধান্ত এলো।
এদিকে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অসদাচরণ প্রসঙ্গে মেসমালিকদের সতর্ক করে দিয়ে সভার সভাপতি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান বলেন, ‘কোন মালিক যদি এই সিদ্ধান্ত না মেনে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেন, তবে আইনগত ব্যবস্থা নেবে পুলিশ প্রশাসন। কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীদের দরকারি জিনিসপত্র ঘরের বাইরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। এটা কোনভাবেই করা যাবে না।’ এ সময় তিনি ও সহকারী পুলিশ সুপার গোলাম রাব্বানী তাদের মুঠোফোনে এসএমএস এর মাধ্যমে মেস মালিক কিংবা শিক্ষার্থীদের কোন অসুবিধা হলে জানানো জন্য বলেন।
অন্যান্যের মধ্যে প্রেসক্লাব যশোর সভাপতি জাহিদ হাসান টুকুন, সরকারি এমএম কলেজের সমাজ বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হামিদুল হক, সন্দীপন যশোরের সভাপতি সুলতান আহমেদ, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুর রহমান, শিক্ষার্থী প্রতিনিধি হারুন অর রশীদসহ শহরতলীর মেসমালিকদের একাংশ উপস্থিতি ছিলেন।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রফিকুল হাসান বলেন,‘সভায় মেস মালিকদের প্রস্তাবনার ভিত্তিতেই ৬০ শতাংশ ভাড়া মওকুফের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’ রফিকুল বলেন, ‘কোন বাড়ির মালিক যদি মানবিক বিবেচনায় পুরো ভাড়া মওকুফ করেন, তাহলে তাকে ধন্যবাদ।’ তিনি জানান, গত ৩০ এপ্রিল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেন দেশজুড়ে করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে ক্ষতির সম্মুখীন হওয়া শিক্ষার্থীদের মানবিক দিক বিবেচনা করে বাসা বাড়ির মালিকদেরকে মেসের সিট ভাড়া মওকুফের আহ্বান জানিয়ে জেলা প্রশাসককে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানান। সেই চিঠির প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের নির্দেশনায় এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
মেসের ভাড়া ৬০ শতাংশ মওকুফে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় শিক্ষার্থীরা জেলাপ্রশাসন ও মেস মালিকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। যশোর এমএম কলেজের শিক্ষার্থী ও এই সভায় শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি হারুন অর রশীদ বলেন, ‘বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি এই মানবিক সিদ্ধান্ত ইতিহাস হয়ে থাকবে। যশোর সব সময় সব সঠিক সিদ্ধান্ত শুরুতেই গ্রহণ করে, এটা তার আরেকটি নজির। শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে আমরা জেলা প্রশাসন ও মেসমালিকদের সাদুবাদ জানাই।’
তবে সভা শেষে ৬০ শতাংশ মওকুফের তথ্য ছড়িয়ে পড়লে অনেক মেসমালিক মিশ্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, যশোর শহরতলীতের শতাধিক মেস রয়েছে। যা বাসা বাড়ি হিসাবে তৈরি হলেও ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। যেখানে কোনটিতেই ব্যবসায়িক কোন আইন মানা হয়নি। এমনকি এদের কেউই ‘বাড়ী ভাড়া নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৯১’ মেনে চলেন না বলে রয়েছে অভিযোগ।