আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2579

ফরিদপুরে বৈশ্বিক দুর্যোগেও জনসেবা অব্যাহত, ই ফাইলিং এ প্রথম ফরিদপুর ‘জেলা প্রশাসন’

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: বৈশ্বিক মহামারী করোনা মোকাবেলায় সার্বিক কর্মকান্ডের সাথে সাথে ইলেকট্রনিক ফাইলিং (ই ফাইলিং) এ পিছিয়ে নেই ফরিদপুর জেলা। গত দু মাসের প্রথম হওয়ার ধারাবাহিকতায় এ মাসের ফলাফলে আবারো প্রথম স্থান অর্জন করেছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। এ নিয়ে পরপর তিনবার ই ফাইলিং এ প্রথম স্থান অর্জন করলো ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। মূলতঃ সচেতনতা সৃষ্টি, স্বাস্থ্য সেবায় সতর্ক দৃষ্টি, কর্মহীন ও দুঃস্বদের জরুরী ত্রাণ তৎপরতাসহ নানা ক্ষেত্রে জনসেবা অব্যাহত রেখেছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। একই সাথে করোনা ভাইরাসের কারণে বৈশ্বিক দূর্যোগের সময়ও জনসেবায় পিছিয়ে নেই ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। একসেস টু ইনফরমেশন (এ টু আই) সূত্রে জানা যায়, দেশের ৬৪ টি জেলার মধ্যে ই ফাইলিং এ ক্ষেত্রে এ ক্যাটাগরির জেলা ২৫ টি। আর এই এ ক্যাটাগরির ২৫ টি জেলার মধ্যে এপ্রিল মাসের ফলাফলে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। ১৮ হাজার ৫শত ৭৬ টি ডাক নিষ্পন্নের মাধ্যমে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন প্রথম স্থান অর্জন করে। একই সাথে ফরিদপুর জেলা প্রশাসনে স্ব-উদ্যোগে সৃজিত নোটের সংখ্যা ২হাজার 88 টি, ডাক থেকে সৃজিত নোট ২ হাজার ২শত ৭২ টি, মোট পত্রজারী ২ হাজার ১শত ৭৩ টি। এর আগে গত ফেব্রুয়ারি ও মার্চ মাসের ফলাফলেও প্রথম স্থান অর্জন করে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। চলমান বৈশ্বিক করোনা দূর্যোগেও জনসেবা এবং ই ফাইলিং এ যেন ফরিদপুর জেলা প্রশাসন পিছিয়ে না থাকে সেজন্য কর্মরত সকলকে কাজ করার প্রতি আহবান জানান জেলা প্রশাসক জনাব অতুল সরকার। তার আহবানে স্ব স্ব অবস্থান থেকে কর্মরত সকলেই স্বেচ্ছাপ্রনোদিত হয়ে কর্মকান্ডে এগিয়ে আসে। দুর্যোগ মোকাবেলা ও ই ফাইলিং এ একযোগে কাজ করছে জেলা প্রশাসনে কর্মরত সকলে। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৩ জুন ফরিদপুরের জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান করেন জনাব অতুল সরকার। প্রথম দিনেই তিনি জেলা প্রশাসনে কর্মরতদের সাথে আলোচনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অংশ হিসেবে ই ফাইলিং এর উপর গুরুত্বারোপ করেন। এরপর প্রতি নিয়তই এ বিষয়ে তিনি নিবিড় তদারকি করছেন। তার নিরলস প্রচেষ্টায় দেশের মধ্যে ই ফাইলিং অবস্থানে সর্ব নিম্নের কাছাকাছি থেকে উপরে উঠতে থাকে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। ফলশ্রুতিতে গত মাসে ই ফাইলিং এ অব্যাহতভাবে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ফরিদপুর জেলা প্রশাসন। মূলত সরকারি অফিসে গতি-স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে জনগণকে সেবা প্রদান ও কাগজের ব্যবহার কমিয়ে পরিবেশবান্ধব অফিস সৃষ্টির লক্ষ্যে ই-ফাইলিং সিস্টেমের যাত্রা শুরু করেছে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগ। ই-ফাইলিং সরকার ও জনগণের দূরত্ব কমিয়ে জবাবদিহিতার সুযোগ বাড়াচ্ছে। জনগণ ও সরকারের সার্বক্ষণিক যোগাযোগের সুযোগ তৈরি করছে এটি। এটি এখন ক্ষেত্র বিশেষের বিজ্ঞান নয়, সার্বজনীন বিজ্ঞানে পরিণত হয়েছে। সারা বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে কাজ চালানো যায় এ সুবিধা দিয়ে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১২ জুন ‘২০/এসএএইচ

মানিকগঞ্জে কৃষকের আড়াই বিঘা ধান কাটলো ছাত্রলীগ নেতা ফারাবী এবং যুবলীগ নেতা নাহিদ

সৈয়দ এনামুল হুদা: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপনের দিক নির্দেশনায়, মানিকগঞ্জ জেলা আ’লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেলের আহবানে এবং সদর উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকারের অনুপ্রেরণায় মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বকজুরি গ্রামের প্রান্তিক কৃষক শুভ মিয়ার আড়াই বিঘা জমির পাকা ধান কেটে দিয়েছে যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। জানা যায়, আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সদর উপজেলার বকজুরি গ্রামের কৃষক শুভ মিয়া জমির পাকা ধান করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে দিনমজুরের অভাবে কেটে ঘরে তুলতে পারছিলেন না। এ খবর শুনেই হাজির যুবলীগ এবং ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। জেলা ছাত্রলীগের সাবেক উপ-তথ্য সম্পাদক ও সদর উপজেলা ছাত্রলীগের উপ-প্রচার সম্পাদক মাহদী আল ফারাবী এবং পৌর যুবলীগ নেতা নাহিদুল ইসলাম হৃদয়ের নেতৃত্বে যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের একদল নেতাকর্মীরা তার জমির ধান কেটে দিয়েছে। এ বিষয়ে মাহদী আল ফারাবী বলেন , মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনা কৃষকদের পাশে থাকার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন সেই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সভাপতি এবং সাধারণ সম্পাদকের দিক নির্দেশনায় এবং মাননীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রী জাহিদ মালেক স্বপন ও জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সুলতানুল আজম খান আপেল এবং সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আফসার উদ্দিন সরকারের আহবানে পৌর যুবলীগ এবং জেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা মিলে পৌরসভার বকজুরি গ্রামের কৃষক শুভ মিয়া চাচার আড়াই বিঘা জমির ধান কেটে দিয়েছি। “কৃষক বাঁচলে বাঁচবে দেশ শেখ হাসিনার বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে আমাদের আজকের এই কর্মসূচি। এই ধারাবাহিকতা আগতদিনগুলিতেও অব্যাহত থাকবে। বকজুরি গ্রামের কৃষক শুভ মিয়া জানান, দেশে চলমান করোনা ভাইরাসের কারণে জমির ধান পাঁকার পরও শ্রমিক সঙ্কটে ধান কাটতে পারছিলাম নাহ। কিন্তু যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের এ নেতাকর্মীরা সংবাদ পেয়ে এসে আমার জমির ধান কেটে দিলেন। এতে আমি উপকৃত হয়েছি। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, জেলা ছাত্রলীগের সদস্য ও পৌর মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চের সভাপতি সামিউর রহমান কম্পন, খানবাহাদুর আওলাদ হোসেন কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ পলাশ মাহমুদসহ যুবলীগ এবং ছাত্রলীগের অনেকেই ধান কাটায় সহযোগিতা করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ জুন ‘ ২০/এসএএইচ

সিংগাইরে পিকআপ চাপায় নিহত বড় বোন,আহত ছোট বোন

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইরে পিকআপ ভ্যান চাপায় নয় বছরের এক শিশু নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় ইশা নামে নিহতের ছোট বোন আহত হয়ে হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বিকেল পৌনে ৩টার দিকে উপজেলার হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ সড়কের বাস্তা-গাজিন্দা মাদ্রাসা এলাকায় এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত সুবর্ণা ও আহত ইশা উপজেলার ধল্লা ইউনিয়নের পশ্চিম বাস্তা গ্রামের রিকশাচালক ইস্রাফিল হোসেনের মেয়ে। ঘটনার পর থেকে ঘাতক পিকআপ ভ্যান চালক ও তার সহকারি পলাতক রয়েছে। পারিবারিক ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকাল পৌনে তিনটার দিকে শিশু সন্তান সুবর্ণা ও ইশাকে বাড়ি সংলগ্ন হেমায়েতপুর-মানিকগঞ্জ সড়কের পাশে দাড় করিয়ে রেখে তাদের মা মোবাইল ফোনে টাকা লোড করার জন্য পার্শ্ববর্তী দোকানে যান। এসময় ঢাকাগামী একটি পিকাপ ভ্যান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ওই শিশুকে চাপা দিয়ে ছিটকে সড়কের পাশে পড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই বড় বোন সুবর্ণা নিহত ও ছোট বোন ইশা গুরুতর আহত হন। পরে মুমূর্ষু অবস্থায় শিশু ইশাকে ঢাকার সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে স্বজনরা। তার অবস্থা সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এদিকে এঘটনায় স্থানীয় বাস্তা-গাজিন্দা মাদ্রাসার প্রতিবন্ধী শিক্ষক হাফেজ ছানোয়ার হোসেন অল্পের জন্য প্রাণে বেচে গেছেন। তিনি সড়কের পাশ দিয়ে মাদ্রাসায় যাচ্ছিলেন। সিংগাইর থানার পুলিশ পরিদর্শক (ওসি তদন্ত) আবুল কালাম জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। পিকআপ ভ্যানটি জব্দ করা হয়েছে। এঘটনায় ঘাতক পিকআপ চালকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ জুন ‘২০/এসএএইচ

মাদারীপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় চালকসহ নিহত-২

সংবাদদাতা,মাদারীপুর: মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় চালক সহ ২জন নিহত হয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) সকাল ৮ টায় টেকের হাটের তুলাতলা নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মস্তফাপুর হাইওয়ে পুলিশ এসে লাশ ২টি উদ্ধার করে এবং ট্রাক ও নসিমন জব্দ করে। নিহতরা হলেন নসিমন চালক সোহেল মুন্সি ও ব্যাবসায়ি সেলিম খলিফা। মস্তফাপুর হাইওয়ে ফারির ইনচার্জ দ্বীন মোহাম্মাদ জানান, আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮ টার সময় টেকের হাটের তুলাতলা নামক স্থানে দাড়ানো গ্যাস বোঝাই ট্রাকের পিছনে মাদারীপুর থেকে আসা নসিমন টি সজোরে আঘাত করে এতে ঘটনা স্থানেই ২জনের মৃত্যু হয়। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান,মৃতরা হলেন মাদারীপুর সদরের মিঠাপুর গ্রামের শাহজাহান মুন্সির ছেলে নসিমন চালক সোহেল মুন্সি (৩৮)ও উত্তর দুধখালি গ্রামের নুর উদ্দিন খলিফার ছেলে পিয়াজ ব্যাবসায়ি সেলিম খলিফা (৪৫)। খবর পেয়ে মস্তফাপুর হাইওয়ে পুলিশ এসে লাশ ২টি উদ্ধার করে এবং ট্রাক ও নসিমন জব্দ করেন। মস্তফাপুর হাইওয়ে ফারীর ইনর্চাজ দ্বীন মোহাম্মাদ জানান, খবর পেয়ে আমরা এসে লাশ ২টি উদ্ধার করি এবং ট্রাক ও নসিমন জব্দ করি।এবং লাশ উদ্ধারের সময় পিয়াজ ব্যাবসায়ি সেলিম খলিফার নিকট ১৮ হাজার ৫শত টাকা পাই যা আমাদের কাছে আছে। যথাযতভাবে ওই টাকা তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ জুন ‘২০/এসএএইচ

বোস্টনে ক্রিস্টোফার কলম্বাসের মূর্তি ভাংচুর

সংবাদদাতা,নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস অঙ্গরাজ্যের বোস্টনে আমেরিকা আবিষ্কারক হিসেবে খ্যাতি পাওয়া ক্রিস্টোফার কলম্বাসের একটি মূর্তি ভেঙ্গে দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভের জেরে বোস্টন শহরের আটলান্টিক এভিনিউয়ের ক্রিস্টোফার কলম্বাস পার্কের ওই মূর্তিটির মাথা গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। বুধবার সকালে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী ঘটনাস্থলটিকে ‘ক্রাইম সিন’ হিসেবে চিহ্নিত করে রাখে।মার্কিন সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। ১৪৯২ সালের ১২ অক্টোবর আমেরিকা আবিষ্কার করেন ইতালীয় নাগরিক ক্রিস্টোফার কলম্বাস। স্পেনের তৎকালীন রানির অর্থানুকূল্যে এ ভূখণ্ডে অবতরণ করেন তিনি। তবে আমেরিকার আবিষ্কারক হিসেবে কলম্বাসের ভাবমূর্তি যুক্তরাষ্ট্রে ক্রমেই ম্রিয়মান হয়ে পড়ছে। সমালোচকদের অনেকেই তাকে আমেরিকায় ইউরোপীয় উপনিবেশবাদের হোতা এবং স্থানীয় আদিবাসীদের ওপর গণহত্যার অগ্রদূত হিসেবে আখ্যায়িত করে থাকেন। জর্জ ফ্লয়েড হত্যাকাণ্ডের জেরে যুক্তরাষ্ট্রে শুরু হওয়া বর্ণবাদ বিরোধী বিক্ষোভের সময়ে কলম্বাস বিরোধী মনোভাব জোরালো হয়েছে। ভার্জিনিয়া অঙ্গরাজ্যে তার একটি ভাস্কর্যে আগুন দেয় বিক্ষোভকারীরা। স্থানীয় সময় ৯ জুন মঙ্গলবার রাতে ভার্জিনিয়ার রিচমন্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ভাংচুর ও অগ্নিসংযোগের পর ভাস্কর্যটি লেকের পানিতে ফেলে দেয় তারা। বোস্টন শহরে আক্রান্ত হওয়া কলম্বাসের মূর্তিটি এর আগেও আক্রান্ত হয়েছে। ২০০৬ সালেও একবার মূর্তিটির মাতা ভেঙ্গে ফেলা হয়। ২০১৫ সালের জুন মাসে মূর্তিটির গোড়ায় লিখে দেওয়া হয় ব্ল্যাক লাইভস ম্যাটার।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ জুন ‘২০/এসএএইচ

আশুলিয়ায় রাজু গ্রুপের একটি নতুন প্রতিষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন

মো:আলী হোসেন,সাভার: সাভারের আশুলিয়ায় রাজু গ্রুপের একটি নতুন প্রতিষ্ঠান বালু বিক্রয়ের গদি’র শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। বুধবার (১০ জুন) বিকেলে আশুলিয়ার ব্রিজ সংলগ্ন রাজু ব্রিকফিল্ডের সামনে বালু বিক্রয়ের একটি প্রতিষ্ঠান শুভ উদ্বোধন করেন আশুলিয়ার কৃতিসন্তান বিশিষ্ট শিল্পপতি রাজু গ্রুপের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ নেতা রাজু আহাম্মেদ। এসময় বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের হাত থেকে মুক্তি কামনা করে বিশেষ দোয়া করা হয়। উদ্বোধন শেষে রাজু আহাম্মেদ বলেন, আজ রাজু গ্রুপ অফ ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের সাথে নতুন একটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হলো বালু বিক্রির গদি।এখান থেকে আপনারা সুলভ মূল্যে মান সম্মত বিভিন্ন ধরণের বালু ক্রয় করতে পারবেন। তিনি আরো বলেন,বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকেই গৃহবন্দি কর্মহীন গরীব ও অসহায় মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করেছি।এরই ধারাবাহিকতায় যতদিন বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রভাব থাকবে ততোদিন এই সকল গরীব ও অসহায় মানুষ গুলোর পাশে থাকবো। করোনা ভাইরাসের ব্যাপারে সতর্ক করে দিতে বলেন, বৈশ্বিক মহামারি করোনা ভাইরাসের হাত থেকে বাঁচতে হলে আমাদেরকে সতেচন থাকতে হবে এবং অন্যকে সতেচন করতে হবে।সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে।প্রয়োজন ছাড়া ঘরের বাহিরে নয়।ঘরে থাকুন, নিজে সুস্থ থাকুন এবং পরিবারকে সুস্থ রাখুন। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, রাজু আহাম্মেদের পিতা আলহাজ্ব শহীদুল ইসলাম,এক মাত্র শিশু কন্যা রোমানা আক্তার নিরা,আশুলিয়ার বিভিন্ন মসজিদের ইমামসহ আরো অনেকেই।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১১ জুন ‘২০/এসএএইচ

বিশেষ ব্যবস্থায় সংসদের বাজেট অধিবেশন শুরু

:অর্থনৈতিক প্রতিবেদক::

শুরু হলো একাদশ জাতীয় সংসদের অষ্টম অধিবেশন। করোনাভাইরাস সংক্রমণজনিত বৈশ্বিক মহামারির মধ্যে বুধবার (১০ জুন) বিকাল ৫টায় সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে বৈঠকের শুরুতেই সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন দেওয়া হয়। মনোনীত সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হলেন, মুহম্মদ ফারুক খান, ক্যাপ্টেন এবি তাজুল ইসলাম, মুহিবুর রহমান মানিক, কাজী ফিরোজ রশীদ ও মেহের আফরোজ চুমকি। স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরাই সংসদের বৈঠক পরিচালনা করেন। এদিকে করোনাভাইরাস সংক্রমণকালে অনুষ্ঠেয় বাজেট অধিবেশনে স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নানা পদক্ষেপ নিয়েছে সংসদ। সংসদ সচিবালয়ের বাজেট সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বাইরে অন্যদের সংসদে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। সংসদ ভবনে দর্শনার্থী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রবেশও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। অন্যদিকে প্রতিদিন ৮০ থেকে ৯০ জন সংসদ সদস্যের উপস্থিতি নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত প্রথম দিনেই অনুসরণ করা হয়েছে।

এই অধিবেশনেই বৃহস্পতিবার ২০২০-২১ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন করা হবে। এটি হবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামালের দ্বিতীয় বাজেট উপস্থাপন। অবশ্য গত বছর বাজেট পেশের সময় শারীরিক অসুস্থতার কারণে অর্থমন্ত্রী পুরো সময়টা বক্তব্য দিতে পারেননি। তার পক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাজেট বক্তব্য দেন।

অধিবেশনের শুরুতে স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী সবাইকে স্বাগত জানান। করোনাকালে বিশেষ ব্যবস্থায় অধিবেশন পরিচালনার কথা জানান। বাজেট অধিবেশন অতি গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বৈশ্বিক মহামারি করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে সব স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে, মাস্ক ও গ্লাভস পরে, সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এ অধিবেশন চলবে। অধিবেশনের সব সদস্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার মধ্য দিয়ে বাজেট অধিবেশনকে কার্যকর ও সক্রিয় করে তুলবেন।’

রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী-এসএসএফের সুপারিশ অনুযায়ী সংসদ অধিবেশনে কাজ করবেন এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কোভিড-১৯ পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে সংক্রমণ পাওয়া গেছে ৪৩ জনের। শারীরিকভাবে অসুস্থ এবং বয়স্ক সংসদ সদস্যদের অধিবেশনে যোগ দিতে নিরুৎসাহিত করা হচ্ছে। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সুস্থ হওয়া এমপিদেরও অধিবেশনে যোগ দিতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

অধিবেশন চলাকালে কক্ষের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায়ও বড় ধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনে সাময়িকভাবে আসন বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আশপাশের বেশ কয়েকটি আসন ফাঁকা রাখা হয়েছে। এক্ষেত্রে সংসদের প্রধান হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরীকে আরও এক সারি পিছনে এবং প্রধানমন্ত্রীর ডান পাশের আসনের সংসদ সদস্য মতিয়া চৌধুরীসহ অন্যদের আরও কয়েক আসন দূরে বসানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ঠিক পাশেই সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী বয়স বিবেচনায় অধিবেশনে যোগ দেননি।

প্রথম দিনের অধিবেশনে সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মনোনয়নের পরপরই আইনমন্ত্রী অ্যাডভোকেট আনিসুল হক তিনটি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করেন। অধ্যাদেশগুলো হলো- আদালত কর্তৃক তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার অধ্যাদেশ ২০২০, মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০২০ এবং আয়কর সংশোধন (অধ্যাদেশ) ২০২০। এর পরপরই স্পিকার সংসদে শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন। চলতি সংসদের সদস্য (ঢাকা-৫) হাবিবুর রহমান মোল্লাসহ বিগত সপ্তম অধিবেশন থেকে এ পর্যন্ত সাবেক মন্ত্রী, এমপি এবং যত বিশিষ্টজন মারা গেছেন তাদের জন্য শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয়। শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করা হয় দেশে-বিদেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা ব্যক্তিবর্গের জন্যও।

কলাপাড়ায় পল্লী বিদ্যুতের অনিয়ম : নাগরিক উদ্দ্যোগের আয়োজনে দুর-বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা

সংবাদদাতা,কলাপাড়া (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় নাগরিক উদ্দ্যোগ আয়োজিত পল্লী বিদ্যুতের ভৌতিক বিল, দূর্নীতি, লুটপাট, স্বেচ্ছাচারিতা, বিদ্যুৎ বিলে অসংগতি ও সকল প্রকার অনিয়মের বিরুদ্ধে দূর-বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা করেছে স্থানীয় সাধারন জনগন। বুধবার (১০ জুন) ১১টায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্থানীয় মনোহরী পট্টিস্থ শহীদ সুরেন্দ্র মোহন চৌধুরী সড়কে এ দূর-বন্ধন ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। নাগরিক উদ্যোগের আহবায়ক কমরেড নাসির তালুকদারের সভাপতিত্বে সভায় বক্তব্য রাখেন কলাপাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি মেজবাহ উদ্দিন মান্নু, লালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন তপন বিশ্বাস, প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব সভাপতি মিজানুর রহমান বুলেট ও নাগরিক উদ্যোগের সদস্য দিবাকর সরকার পিন্টু। বক্তারা পল্লী বিদ্যুতের ঘনঘন লোডসেডিং,মিটার ভাড়া, ডিমান্ড চার্জ, তিন মাসের বিল একত্রে প্রদান ও ৯৯% বিলের নামে গ্রাহকের কাছ থেকে কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার প্রতিবাদ জানান। এছাড়া ভবিষ্যতে প্রতি মাসের বিল প্রতি মাসে গ্রাহকের হাতে পৌছে দেয়ার দাবি জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১০ জুন ‘২০/এসএএইচ

মৃত্যু যখন অবধারিত তাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই: প্রধানমন্ত্রী

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির মধ্যেও দেশের জন্য, দেশের মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখার জন্য কাজ করে যাচ্ছেন জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, মৃত্যু যখন অবধারিত সেটাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভয় পাইনি। কখনো ভয় পাবো না। আল্লাহ জীবন দিয়েছেন, একদিন সে জীবন নিয়ে যাবেন। তাই এই নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

বুধবার ( ১০ জুন) জাতীয় সংসদে এক শোক প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙ্গা করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী সংসদ অধিবেশনে অংশ নেয়ায় নিজের আশঙ্কা প্রকাশ করেন। এ আশঙ্কার ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসে মরি, গুলি খেয়ে মরি, অসুস্থ হয়ে মরি, মরতে একদিন হবেই। এই মৃত্যু যখন অবধারিত সেটাতে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। আমি ভয় পাইনি। কখনো ভয় পাবো না। আমি যখন বাংলাদেশে ফিরে আসি, সেটা ছিল সেই বাংলাদেশ, যেখানে আমার মা-বাবা, ভাই, বোন, শিশু ভাইটিকে পর্যন্ত হত্যা করা হয়েছিল। আমাদের পরিবারের বহুজনের সদস্য বুলেটবিদ্ধ, আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকর্মী বুলেটবিদ্ধ বা স্প্লিন্টার নিয়ে বেঁচে আছেন।’

করোনা কাজ হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়া মানুষের জন্য সরকারের পদক্ষেপ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনাভাইরাসের কারণে সবার কাজ করার সুযোগ ছিল না। যারা নিয়মিত চাকরির বেতন পান তার বাইরে কিছু লোক থাকেন, যারা ছোটখাট কাজ করে খান, ব্যবসা করে খান। এমন প্রতিটি মানুষের খবর নিয়ে নিয়ে তাদের ঘরে ঘরে খাবার দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। এমনকি রিকশার পেছনে যারা আর্ট করে, সংস্কৃতি কর্মী, তাদেরকে কিছু সরকারিভাবে, কিছু আমাদের ত্রাণ তহবিল থেকে সাহায্য-সহযোগিতা করেছি। আর্টিস্ট বা শিল্পী কিংবা শিল্পীদের সহযোগিতা করে যারা, তাদের কথা কেউ ভাবে না। এই ভাবনাটা কিন্তু আমার নিজের না, সত্যিকারের কথা বলতে কি- এটা শেখ রেহানার চিন্তা। সে-ই কিন্তু খুঁজে খুঁজে তাদের সাহায্য দেয়ার ব্যবস্থা করেছে। প্রত্যেক জেলা প্রশাসকের কাছে এজন্য আলাদাভাবে ত্রাণ দিয়ে রেখেছি, যেন তারা সাহায্য পান। আমাদের দলের নেতাকর্মীরা যে যেখানে আছে, যে যেটুকু পেরেছে প্রত্যেকেই সাহায্য করেছে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষও সাহায্য করেছে।’

করোনাভাইরাসে মৃত্যুর পর মরদেহ গ্রহণ বা লাশ দাফনের ক্ষেত্রে স্বজনদের অমানবিক আচরণের বিষয়টি তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনার কারণে কেউ মারা গেলে আত্মীয়-স্বজন লাশ ফেলে চলে যায়। সেই লাশটা টানে পুলিশ। তারা নিয়ে কবর দিচ্ছে, জানাজা দিচ্ছে। ভয়ে আপনজন কেউ থাকছে না। মানুষ ভীত হয়ে এরকম অমানবিক আচরণ করবে, এটাও কিন্তু দুঃখজনক। আরেকটি বিষয় আমি না বলে পারব না, যেমন আমাদের ছাত্রলীগ আমার নির্দেশে ধান কেটেছে। এমনকি এই লাশ নিয়ে এসে তাদের দাফনের ব্যবস্থা, যারা অসুস্থ তাদের হাসপাতালে পৌঁছে দেয়া, সেবা-শুশ্রুষা করার কাজগুলো কিন্তু ছাত্রলীগ, যুবলীগ, কৃষক লীগ, শ্রমিক লীগ করে যাচ্ছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘আল্লাহ জীবন দিয়েছেন, একদিন সে জীবন নিয়ে যাবেন। আর আল্লাহ মানুষকে কিছু কাজ দেন। সেই কাজটুকু যতক্ষণ পর্যন্ত শেষ না হবে ততক্ষণ হয়তো আমি কাজ করে যাব। যখন কাজ শেষ হয়ে যাবে, সময় শেষ হবে, তখন আমি চলে যাব। তাই এই নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।’ মানুষের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সরকারের তৎপরতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই করোনার সময় অনেক দেশ বাজেট দিতে পারছে না। কিন্তু আমরা একদিকে যেমন করোনা মোকাবিলা করবো, পাশাপাশি আমরা দেশের মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করবো। তারা যেন কষ্ট না পায় সেজন্য যা যা করণীয় করে যাবো। আমি তো এখানে বেঁচে থাকার জন্য আসিনি। আমি তো জীবনটা বাংলার মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে এসেছি, এটাতে তো ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ভয়ের কী আছে?’

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে করোনা আক্রান্তদের জন্য কুইক রেসপন্স টিম

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের করোনা আক্রান্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সহায়তার জন্য কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়েছে। বুধবার এই টিম গঠন করে আদেশ জারি করা হয়েছে। পাঁচ সদস্যের এই টিমের টিম লিডার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের উপসচিব (সাধারণ সেবা অধিশাখা) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান। টিমের সদস্য হিসেবে রয়েছেন- সিনিয়র সহকারী সচিব (সরকার গঠন ও রাষ্ট্রাচার শাখা) তানবীর মোহাম্মদ আজিম, প্রটোকল অফিসার (সাধারণ সেবা অধিশাখা) মো. ইমদাদুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা (প্রশাসন ও শৃঙ্খলা শাখা) শাহেনা খানম ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (মন্ত্রিপরিষদ সচিবের দফতর) মো. নেছারুল হাসান।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনায় আক্রান্ত হলে এই টিম তার বা তার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। প্রয়োজনে তাদের চাহিদার ভিত্তিতে খাদ্য, ওষুধ, চিকিৎসাসহ অন্যান্য বিষয়ে সার্বিক সহযোগিতা দেবেন। আক্রান্তদের তথ্য সংগ্রহ করে তা প্রতিবেদন আকারে যুগ্মসচিবের (প্রশাসন) কাছে দাখিল করতে বলা হয়েছে আদেশে।

এর আগে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের করোনা আক্রান্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সহায়তার জন্যও এমন কুইক রেসপন্স টিম গঠন করা হয়।