আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2578

গাইবান্ধায় করোনায় আক্রান্ত আরও ৪, মোট ১৫১

সংবাদদাতা,প্রতিনিধি: গাইবান্ধায় আরও ৪ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা দাড়ালো ১৫১ জনে। গত (১২ জুন) শুক্রবার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ১, সুন্দরগঞ্জে ১ এবং সাঘাটা উপজেলার ২ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬৩ জন, গাইবান্ধা সদরে ২৭, ফুলছড়িতে ৫, সাঘাটায় ১২, পলাশবাড়ীতে ১৬, সুন্দরগঞ্জে ১২ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১৬ জন রয়েছে। গত ৫ দিনে গাইবান্ধায় ৬৭ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া গেছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৪ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১২২ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ২ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ জুন ‘২০/এসএএইচ

যৌতুকের বলি গৃহবধু শারমিন: পুলিশ সুপার নীলফামারী

সংবাদদাতা,নীলফামারী: স্বামীর দাবি ছিল অভিমান করে তার স্ত্রী হাবিবা আক্তার শারমিন (১৯)বিষপান করে আত্মহত্যা করেছে।স্ত্রীকে বাঁচাতে নিয়েও এসেছিল নীলফামারী সদর জেনারেল হাসপাতালে তবে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় শারমিনকে জরুরী ভাবে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরিত করে চিকিৎসকরা। খবর পেয়ে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থেকে ছুটে আসেন শারমিনের বাবা মা ও আত্মীয়স্বজনেরা।কিন্তু শারমিনকে নিয়ে রংপুর যাবার পথে নীলফামারী উত্তরা ইপিজেড এলাকা পার হতে না হতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন শারমিন। এ্যাম্বুলেন্সটি পুনরায় সদর জেনারেল হাসপাতালের দিকে ফেরার পথে এ্যাম্বুলেন্স থেকে নেমে পালিয়ে যায় স্বামী মোমিনুল ইসলাম।জামাই পালিয়ে যাওয়ায় রহস্য দানা বাধে শারমিনের বাবার মনে। নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে মেয়ের লাশ ফিরে এনে তিনি নীলফামারী থানায় বিষয়টি অবগত করেন। পুলিশ ছুটে এসে সব কিছু জানার পর পুলিশ সুপারের দিক নির্দেশনায় থানা পুলিশ মাঠে নেমে পড়েন তদন্তে। ঘটনার ২৪ ঘন্টার মাথায় পুলিশের জালে আটক হন শারমিনের স্বামী দিনাজপুর জেলার খানসামা উপজেলার সীমানায়। সেই সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয় শারমিনের শ্বশুড় লাল মাহমুদকেও। জিজ্ঞাসাবাদে যৌতুকের বকেয়া ৪০ হাজার টাকার জন্য বাবা ছেলে মিলে শারমিনের উপর প্রচন্ডভাবে শারিরিক নির্যাতন চালানোর কথা স্বীকার করেন তারা। শারমিনের অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় হাসপাতালে নিয়ে এসে কাহিনী সাজায় স্বামীর উপর অভিমান করে শারমিন বিষপান করেছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে বাবা ও ছেলে সব কিছু স্বীকার করেন। এরপর পুলিশ তাদের বাড়ি হতে শারমিনকে নির্যাতনের কাজে ব্যবহৃত খাটের রোলার, মাথায় আঘাত করা একটি স্টীলের বড় মগ উদ্ধার করে। এভাবে বেরিয়ে আসে শারমিন বিষপানে নয় যৌতুকের বলি হবার কাহিনী।শুক্রবার(১২ জুন)দুপুরে পুলিশ সুপারের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোখলেছুর রহমান (বিপিএম-পিপিএম) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরে বলেন, গত বুধবার(১০ জুন) দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বাবা ও ছেলে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী প্রদান করেন। এ ঘটনায় শারমিনের বাবা হাবিল শেখ বাদী হয়ে ১০ জুন নীলফামারী থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করেন। এদিন জেলার মর্গে শারমিনের লাশের ময়না তদন্ত করা হয়। লাশের সুরতহাল রিপোর্টে শরীরে নির্যাতনের অসংখ্য দাগ পাওয়া যায়। পুলিশ সুপার জানান,দিনাজপুর জেলার বীরগঞ্জ উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামে শারমিনের বাবার বাড়ি। এক বছর আগে নীলফামারী সদরের খোকশাবাড়ি ইউনিয়নের সাবুল্লিপাড়া গ্রামে মোমিনুলের সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল। বিয়ের সময় যৌতুক ঠিক হয়েছিল এক লাখ ২০ হাজার টাকা। শারমিনের বাবা নগদ ৮০ হাজার টাকা প্রদান করলেও বাকী ৪০ হাজার টাকা প্রদান করতে পারেননি। দীর্ঘদিনেও ৪০ হাজার টাকা না পাওয়ায় স্বামী ও শ্বশুড় শারমিনের উপর অমানবিক নির্যাতন শুরু করে। এই নির্যাতনের মাত্রা বৃদ্ধি পায় ঘটনার দিন ৯ জুন দুপুর ১২টার দিকে। সে সময় শারমিনের হাত পা বেধে ছেলে ও বাবা শারিরিক নির্যাতন চালায় শারমিনের শরীরে।তিনি জানান,মামলার তদন্ত ও স্বীকারোক্তি সব পুলিশের কাছে রয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলেই আসামীদের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে প্রদান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(প্রশাসন) আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) রবিউল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সৈয়দপুর সার্কেল) অশোক কুমার পাল, নীলফামারী সদর থানার ওসি মোমিনুল ইসলাম, ওসি (তদন্ত) মাহমুদ-উন নবী ও ডিআইও ওয়ান লাইছুর রহমান প্রমুখ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ জুন ‘২০/এসএএইচ

সুন্দরগঞ্জে মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালিত: জরিমানা ও কারাদণ্ড প্রদান

সংবাদদাতা,সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা): গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সরকারী কাজে বাধা প্রদানের দায়ে ৫ জনকে অর্থ জরিমানা এবং অপর ২ জনকে কারাদন্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত। গত (১১ জুন) বৃহস্পতিবার বিকালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কাজী লুতফুল হাসান ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এ আদেশ প্রদান করেন। এর আগে দন্ডিতরা সকলেই স্বেচ্ছায় হাজির হয়ে স্ব-স্ব দোষ স্বীকার করে। অর্থ দন্ডেদন্ডিতরা হলেন উপজেলার শান্তিরাম ইউনিয়নের পাঁচগাছি শান্তিরাম গ্রামের আজিম উদ্দিন বেপারীর পুত্র মোসলেম আলী (৩৬), চাঁন মিয়ার পুত্র শরিফুল ইসলাম (৩৮), মৃত হোসেন আলীর পুত্র লাল মিয়া (৫২), হেলাল উদ্দিনের পুত্র আব্দুর রহিম (৫৫), আব্দুল জব্বারের পুত্র আব্দুল লতিফ (৪৮)। এদের প্রত্যেককে ৫শত টাকা করে মোট ২ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করা হয়। এছাড়া একই ঘটনায় গুরুতর অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় একই গ্রামের মৃত হোসেন আলীর পুত্র আকবর আলী (৫৫) ও সাইদুর রহমানের পুত্র জামিউল ইসলাম (৩৮) কে ৭ দিন করে বিনাশ্রম কারাদন্ডাদেশ প্রদান করা হয়। অপরদিকে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় সরকারি আদেশ না মেনে জোর করে ঋণের কিস্তি আদায় করায় দুই এনজিও’র ৪ জন মাঠ কর্মীকে জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালতের বিচারক নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী লুতফুল হাসান। গত বুধবার বিকালে পৌর সভার পশ্চিম বাইপাস এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করেন ভ্রাম্যমান আদালত। এরা হলেন বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘আশা’র মাঠকর্মী জাহাঙ্গীর আলম, নুর আহাম্মদ এবং বাংলাদেশ এডুকেশন এক্সটেনশন (বিজ) এর মাঠ কর্মী শরিফুল ইসলাম ও ফজলে রাব্বি। এরপর সরকারি আদেশ অমান্য করায় ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে তাদের প্রত্যেকের এক হাজার করে ৪ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ জুন ‘২০/এসএএইচ

কবি রোকেয়া ইসলাম প্রশিকার নতুন চেয়ারম্যান, আলোকিত প্রতিদিন সম্পাদকের অভিনন্দন

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

কবি, গল্পকার ও নাট্যকার রোকেয়া ইসলাম ‘প্রশিকা’র নতুন চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানিয়েছেন আলোকিত প্রতিদিন সম্পাদক সৈয়দ নুরুল হুদা রনো। অন্যধারা সাহিত্য সংসদের অন্যতম উপদেষ্টা রোকেয়া ইসলামকে সংগঠনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়ে এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘কবির কাব্যিক ছোঁয়ায় দেশের প্রথম সারির এনজিও প্রশিকা নতুন করে প্রাণ পাবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘একজন কবির চোখ সর্বস্তরে পৌঁছে; নজর থাকে সৃজনশীলতায়। কবির চোখ অনেক দূর দেখতে পায়, যা সাধারণের চোখ এড়িয়ে যায়। নন্দিত কবি রোকেয়া ইসলাম কবি হওয়ার পাশাপাশি দক্ষ সংগঠক ও বলিষ্ট নেত্রীও। তার নেতৃত্বে নতুন নতুন পরিকল্পনা প্রশিকাকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাবে বলেই বিশ্বাস রাখি।’
গত মঙ্গলবার (৯ জুন) রাজধানীর মিরপুর-২ বিপিএমই ভবনে রোকেয়া ইসলামের সভাপতিত্বে প্রশিকার পরিচালনা পর্ষদের ১৪২তম সভা অনুষ্ঠিত হয়। ২ মে প্রশিকার চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদের মৃত্যুতে পদটি শূন্য হয়ে পড়লে সংস্থাটির নিয়ম অনুযায়ী এই সভা থেকে নতুন সিদ্ধান্ত আসে। এর আগে ভাইস চেয়ারম্যান  ছিলেন নন্দিত এই কবি ও গল্পকার। নতুন কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ জহিরুল ইসলাম ভাইস চেয়ারম্যান এবং রফিকা আক্তার কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন।
সভায় প্রশিকার চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আব্দুল ওয়াদুদ এবং উপ-প্রধান নির্বাহী সিরাজুল হকসহ অন্যদের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করা হয় এবং বৈশ্বিক প্রাদুর্ভাব করোনা ভাইরাস প্রতিরোধকল্পে সামাজিক নিরাপত্তা ও দরিদ্র মানুষদের পাশে থেকে সচেতনতা ও ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য বাজেট অনুমোদন দেয়া হয়। এ সময়  প্রধান নির্বাহী সিরাজুল ইসলামসহ অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
টাঙ্গাইলের নাগরপুরে জন্ম নেয়া কবি রোকেয়া ইসলাম মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান আরজুর সহধর্মিনী। তিনি সাহিত্যের বিভিন্ন ধারায় অবদান রেখে নজরুল সন্মাননা পদক ও ড. আশরাফ সিদ্দিকী স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছেন।

সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বজ্রপাতে নিহত-১

সংবাদদাতা,সাতক্ষীরাঃ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় বজ্রপাতে সজিব হোসেন (১৩) নামে এক স্কুল ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (১২জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের পানিকাউরিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। সজিব হোসেন উপজেলার ১১নং দেয়াড়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড দলুইপুর গ্রামের মোজাম্মেল হোসেনের ছেলে। নানার বাড়ি পার্শ্ববর্তী কুশোডাঙ্গা ইউনিয়নের পানিকাউরিয়া বেড়াতে গিয়েছিলো নিহত সজিব। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কলারোয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলহাজ্ব শেখ মুনীর-উল-গীয়াস। ওসি জানান, ‘সজিব হোসেন খোরদো হাইস্কুলের ৯ম শ্রেনির ছাত্র। সে তার নানা পানিকাউরিয়া গ্রামের সোলায়মান গাজীর বাড়ীতে বেড়াতে যায়। শুক্রবার সকালে মাছ ধরাতে গিয়ে বজ্রপাতের ঘটনায় তার মৃত্যু হয়।’ কুশোডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আসলামুল আলম আসলাম জানান, ‘বজ্রপাতের ঘটনায় আহত সজিবকে সাথে সাথে কলারোয়া সরকারি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’ দলুইপুর গ্রামের স্কুল শিক্ষক আহাদ আলী জানান, ‘সজীব তার নানাবাড়ি বেড়াতে যায়। সেখানে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে মাঠে ফুটবল খেলতে গিয়ে বজ্রপাতে আহত হলে সাথে সাথে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। হাসপাতালে জরুরী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’ সজীবের এমন মৃত্যুতে নানাবাড়িসহ দেয়াড়া ও দলুইপুর এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৩ জুন ‘২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় আরও ১২ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ১৪৭

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় আরও ১২ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়ালো ১৪৭ জনে। নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গাইবান্ধা সদরে ৫, পলাশবাড়ীতে ৫, সুন্দরগঞ্জে ১ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলার ১ জন রয়েছে। গত ১১ জুন বৃহস্পতিবার রাতে গাইবান্ধার সিভিল সার্জন ডা. এবিএম আবু হানিফ এ তথ্য জানান। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬৩ জন, গাইবান্ধা সদরে ২৬, ফুলছড়িতে ৫, সাঘাটায় ১০, পলাশবাড়ীতে ১৬, সুন্দরগঞ্জে ১১ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১৬ জন রয়েছে। গত ৪ দিনে গাইবান্ধায় ৬৩ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। গত ২৪ ঘন্টায় (১১ জুন) বৃহস্পতিবার নতুন করে ৭৩ জনসহ ৬০৪ জন হোম কোয়ারেন্টাইনে রয়েছে। এরমধ্যে সুন্দরগঞ্জে ৯৮, গোব্দিন্দগঞ্জে ১৯৭, গাইবান্ধা সদরে ১১৪, ফুলছড়িতে ৩২, সাঘাটায় ১৪, পলাশবাড়িতে ২৪ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১২৫ জন রয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১২ জুন ‘২০/এসএএইচ

মানিকগঞ্জে করোনার অব্যাহত সংক্রমণ:তিনটি উপজেলা লকডাউনের সিদ্ধান্ত,মোট আক্রান্ত ৩৮৭

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জে আশঙ্কাজনকহারে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে থাকায় জেলাকে আবারও লকডাউনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। সেই অনুযায়ী মানিকগঞ্জ সদর, সাটুরিয়া ও সিংগাইর উপজেলায় সর্বোচ্চ কঠোরভাবে লকডাউন পালন করা হবে বলে জানান করোনা প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির প্রধান এবং জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস। আজ শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস তার অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে গণ-বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করেন। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এই আদেশ বলবৎ থাকবে বলে জানান তিনি। তিনি বলেন, করোনা প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির সদস্যদের মতামত এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের নির্দেশনায় এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। গণ-বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখিত নির্দেশনা অনুযায়ী, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া জনসাধারণকে ঘর থেকে বের হতে বারণ করা হয়েছে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া রাত ৮টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত কেউ বাইরে থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। শপিং মল, দোকানপাট ও কাঁচাবাজার যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন পূর্বক খোলা রাখা যাবে। তবে আবশ্যিকভাবে বিকেল চারটার মধ্যে বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়াও জেলার বাইরে যাওয়া যাবে না এবং অন্য জেলা থেকে এই জেলার অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে পারবেন না। যৌক্তিক কারণে জেলার বাইরে থেকে আগত ব্যক্তিদের অবশ্যই নিজ ঘরে ১৪ দিনের কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। জনসংখ্যা এবং পরীক্ষার আনুপাতিকহারে আক্রান্তের পরিসংখ্যান অনুযায়ী মানিকগঞ্জ সদর, সাটুরিয়া এবং সিংগাইর উপজেলাকে হট স্পট ধরা হচ্ছে।
এ কারণে গত সোমবার করোনা প্রতিরোধে গঠিত জেলা কমিটির প্রধান এবং জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌসের আহবানে তার কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম, সিভিল সার্জন ডা. আনোয়ারুল আমিন আখন্দসহ কমিটির সদস্যরা ওই সভায় উপস্থিত থেকে মানিকগঞ্জের অব্যাহত করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন এবং কঠোরভাবে লকডাউন পালনের সিদ্ধান্ত নিতে অনুরোধ জানানো হয়।
সরকারি হিসেব মতে, এ পর্যন্ত মোট চার হাজার ১০ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য ঢাকার বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়েছিল। এর মধ্যে তিন হাজার ৭১৬ টির রিপোর্ট পাওয়া গেছে। যাতে পজিটিভ পাওয়া গেছে ৩৮৭ জনের দেহে। এর মধ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ১১০ জন, সিংগাইর উপজেলায় ৭৬ জন, সাটুরিয়া উপজেলায় ৭৪ জন, ঘিওর উপজেলায় ৫২ জন, হরিরামপুর উপজেলায় ৩৩ জন, শিবালয় উপজেলায় ২৭ জন ও দৌলতপুর উপজেলায় রয়েছেন ১১ জন। আক্রান্তদের মধ্যে বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন ৩২ জন এবং নিজ বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন ২৪৮ জন। এছাড়া সুস্থ হয়েছেন ১০৪ জন এবং মারা গেছেন ৩ জন।
উল্লেখ্য, ১৯ এপ্রিল মানিকগঞ্জ জেলাকে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল। কিন্তু সরকারি আদেশে ৩১ মে থেকে লকডাউন শিথিল করলে দোকানপাট, অফিস আদালত ও গন-পরিবহন চলাচল শুরু হয়। এরপর থেকে মানিকগঞ্জে করোনা শনাক্তের সংখ্যা আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১২ জুন ‘২০/এসএএইচ

২৪ ঘণ্টায় করোনায় সর্বোচ্চ মৃত্যু ৪৬, আক্রান্ত ৩৪৭১

সৈয়দ এনামুল হুদা: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্ব মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। এটা একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। ফলে এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃত্যুর সংখ্যা দাড়ালো মোট ১ হাজার ৯৫ জনে। একই সময়ে ভাইরাসটি নতুন করে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ৩ হাজার ৪৭১ জন। এটাও একদিনে সর্বোচ্চ শনাক্তের রেকর্ড। ফলে এ নিয়ে করোনায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৮১ হাজার ৫২৩ জনে। শুক্রবার (১২ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা ভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। নতুন সংযুক্ত ৩ টিসহ মোট ৫৯টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে ডা. নাসিমা জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৯৫০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ৯৯০টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৪ লাখ ৭৩ হাজার ৩২২টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৪৭১ জন। ফলে এ আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৮১ হাজার ৫২৩ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৪৬ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাড়ালো ১ হাজার ৯৫ জনে।গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ৫০২ জন। ফলে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরলেন মোট ১৭ হাজার ২৫০ জন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১২ জুন ‘২০/এসএএইচ

রাঙ্গুনিয়ায় শ্বাসকষ্টে শিক্ষকের মৃত্যু: লাশ দাফনে এলাকাবাসীর বাধা,প্রশাসনের হস্তক্ষেপে দাফন

সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় জ্বর-শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যাওয়া সৈয়দা সেলিমা কাদের চৌধুরী ডিগ্রি কলেজের শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলামের লাশ তার নিজ গ্রাম রাউজানে দাফন করতে নিয়ে যাওয়া হলে গ্রামবাসী তার লাশ দাফন করতে দেয়নি। এমনকি শিক্ষকের স্বজনরাও তার লাশ গ্রহণ করেনি। পরে ওই শিক্ষকের লাশ ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় তাঁর কর্মস্থল রাঙ্গুনিয়ায়। সেখানেও লাশ দাফন বাধা দেওয়া হয়। পরে কোনো উপায় না দেখে কান্নায় ভেঙে পড়েন অসহায় পরিবারটির সদস্যরা। খবর পেয়ে গভীর রাতে ফোর্স নিয়ে ছুটে আসেন রাঙ্গুনিয়া থানার এস আই ইসমাঈল হোসেন জুয়েল ও গাউছিয়া কমিটির একটি টীম। তাদের উদ্যোগে ভোর ৪ টায় ওই শিক্ষকের লাশ দাফন করা হয়।
আজ শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলামের (৫৯) বাড়ি রাউজান উপজেলার নোয়াপাড়া এলাকায় হলেও তিনি কর্মসূত্রে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার মরিয়মনগর ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দবাড়ি গ্রামে পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকতেন। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৮ টার দিকে তিনি শ্বাসকষ্ট নিয়ে মারা যান। তিনি ওই কলেজের জীববিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। সন্ধ্যায় হঠাৎ তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় গুরুতর অবস্থায় তাকে রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। তবে দীর্ঘদিন ধরেই তিনি শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন বলে তার পারিবারিক সূত্র জানিয়েছে। এরপরও ৯ জুন তার করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য নমুনা প্রদান করা হয়েছে।ফলাফল এখনো পাওয়া যায়নি। এদিকে বৃহস্পতিবার (১১ জুন) রাত ৮ টায় রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে কলেজ শিক্ষক আনোয়ারুল ইসলামের মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ারপর রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার লাশ নিয়ে যাওয়া হয় নিজ উপজেলা রাউজানের নোয়াপাড়ায়। কিন্তু সেখানে তার স্বজনদের কেউই তাঁর লাশ গ্রহণ করেনি। এমনকি প্রতিবেশীরাও এ সময় খারাপ আচরণ করেন। লাশ দাফনে এমন অভাবনীয় বাধা পেয়ে ওই শিক্ষকের পরিবার লাশ নিয়ে আবার রাঙ্গুনিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা হয়।শুক্রবার (১২ জুন) দিবাগত রাত ১ টায় লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সটি রাঙ্গুনিয়ার মরিয়মনগর ইউনিয়নের পূর্ব সৈয়দবাড়ি গ্রামে ফেরত আসে। যেখানে তিনি ভাড়া থাকতেন। কিন্তু সেখানেও লাশ দাফনে বাধা দেওয়া হয়। কোনো উপায় না দেখে মরিয়ম নগরের পাগলা মামার মাজার এলাকায় লাশ নিয়ে অসহায় পরিবারটির সদস্যরা কান্নায় ভেঙে পড়েন।
খবর পেয়ে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ ও গাউছিয়া কমিটির সদস্যরা এগিয়ে আসে। এলাকার উদ্যমী তরুণদের সঙ্গে নিয়েই খোঁড়া হয় কবর। সব রীতি মেনে সেখানেই তাঁকে দাফন করা হয়। রাঙ্গুনিয়া থানার এসআই ইসমাঈল হোসেন জুয়েল জানান, ‘এই শিক্ষকের লাশ রাউজানের তার নিজ গ্রাম থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে খবর পাওয়ার পর রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ দাফনের দায়িত্ব নেয়। এলাকার তরুণদের সাথে নিয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে তার লাশ দাফন করা হয়েছে।’ এই শিক্ষকের মৃত্যুর খবরে এলাকায় ছাত্র-ছাত্রী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১২ জুন ‘২০/এসএএইচ

দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী সব কাজ করতে প্রস্তুত: সাতক্ষীরায় সেনা প্রধান

সংবাদদাতা,সাতক্ষীরা: সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ বলেছেন,দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী বেড়িবাঁধ নির্মাণসহ যেকোন কাজ করবে। বড় বড় ড্রেজিংয়ের কাজ, চট্রগ্রামের জলাবদ্ধতার মেগা প্রজেক্ট সেনাবাহিনী করছে। সিরাজগঞ্জ ও জামালপুরে বাঁধ রক্ষার কাজ সেনাবাহিনী সফলভাবে করছে। উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধ নির্মাণের কাজ সেনাবাহিনীর দায়িত্বে দিলে সাগ্রহসহকারে সেনাবাহিনী করবে বলে জানান সেনাপ্রধান। তিনি (১১ জুন) বৃহস্পতিবার সকালে সাতক্ষীরা সার্কিট হাউজে ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনের আগে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। জেনারেল আজিজ আহমেদ আরো বলেন,সূপেয় পানি সংকটেও সহায়তা করতে প্রস্তুত আছে সেনাবাহিনী। সংশ্নিষ্টরা চাইলে ওয়াটার ট্রিটমেন্ট প্লান্ট সরবরাহ করা হবে। এছাড়া ঘর নির্মাণসহ খাদ্য সহায়তাও দিয়ে যাচ্ছে সেনাসদস্যরা। এছাড়া মাসব্যাপী গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসা সেবা দিবে মেডিক্যাল কোরের সদস্যরা। লকডাউনের বিষয়ে সেনাপ্রধান বলেন, স্থানীয় প্রশাসনের প্রয়োজনে সেনাবাহিনী কাজ করছে করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায়। তারাই সিদ্ধান্ত নেবেন কতটুকু কঠোরতা প্রয়োজন। পরে সেনাপ্রধান ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা দেখতে আশাশুনি ও কয়রাতে যান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১২ জুন ‘২০/এসএএইচ