আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2576

টাঙ্গাইলে করোনা পরিস্থিতি : প্রথম শতক ৭৯ দিনে, দ্বিতীয় ১১ দিনে, তৃতীয় ৯ দিনে

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলেও করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে। আর এই সংক্রমনের উর্ধ্বগতিতে আতঙ্কিত ও উদ্বিগ্ন জেলার সতেচন মহল। টাঙ্গাইলকে পরিপূর্ণ কঠোর লকডাউনের আওতায় আনার দাবি জানান তারা।

টাঙ্গাইলে প্রথম আক্রান্ত রোগী পাওয়া যায় ০৮ মার্চ। সেই দিন থেকে ৭৯তম দিনে জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা একশ’তে পৌঁছায়। আর তার ১০ দিন পর অর্থাৎ ৫ জুন জেলার আক্রান্তের সংখ্যা দুইশ’ পেরিয়ে হয় ২১৯ জনে। আর তার ৮ দিন পর অর্থাৎ ১৪ জুন জেলার আক্রান্তের সংখ্যা তিনশ’ পেরিয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কিত টাঙ্গাইলবাসী।

আজ রোববার (১৪ জুন) তারিখ পর্যন্ত জেলার মোট করোনা আক্রান্ত সংখ্যা ৩১৯ জন। এর মধ্যে মির্জাপুর ৭৫, সদর ৪৬, নাগরপুর ৩২, কালিহাতী ৩০, মধুপুর ২৮, দেলদুয়ার ২৬, ঘাটাইল ১৯, ধনবাড়ী ১৮, গোপালপুর ১৭, ভূঞাপুর ১২, সখিপুর ১২ এবং বাসাইল ৪।

এবিষয়ে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের সভাপতি জাফর আহমেদ বলেন, প্রথমদিকে টাঙ্গাইলকে যেভাবে লকডাউনের আওতায় হয়েছিল তাতে করে টাঙ্গাইলের করোনা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে লকডাউন শিথিল করে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া, ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-গাজীপুর থেকে লোক প্রবেশ করায় সংক্রমনের হার দ্রæত গতিতে বেড়ে যায়। এই মূহুর্তে টাঙ্গাইলকে কঠোর লকডাউনের আওতায় আনা দরকার।

অপরদিকে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. ওয়াহীদুজ্জামান বলছেন যে, টাঙ্গাইলের সংক্রমনের হার সত্যিই উদ্বেগজনক। প্রথমদিকে জেলার আক্রান্তের হার পরিপূর্ণ নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই ছিল। কিন্তু পরবর্তীতে সপিং মল খুলে দেয়া ও বিভিন্ন জেলা থেকে লোকজনের আসা-যাওয়ায় সংক্রমনের হার অতি দ্রæত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই বিষয়ে অঞ্চল ভিত্তিক লকডাউন করে প্রাথমিক ভাবে নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হবে। তবে এখনো কোন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। দ্রুতই এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

সংক্রমনের উর্ধ্বগতির বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. শহীদুল ইসলাম জানান, কেন্দ্রীয় ভাবে টাঙ্গাইলকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। প্রথম দিকে আক্রান্তের হার কম থাকলেও বর্তমানে আক্রান্তের হার খুবই বেশি। জেলার সব মহলের সাথে আলোচনা করে এই বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।

এবিষয়ে টাঙ্গাইল জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফজলুর রহমান খান মুঠো ফোনে জানান, পরিস্থিতি প্রথম দিকে ভালো থাকলেও পরবর্তী সময়ে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খোলা-বন্ধ, খোলা-বন্ধ ও সেই সময় মানুষের এলোমেলো চলাফেরা ফেরা সংক্রমন বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সরকার নির্দেশিত রেড, ইয়োলো ও গ্রীণ জোন সঠিক ও কঠোর ভাবে মেনে চললে এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ জুন-২০২০/জেডএন

জোটকে সংহত করতে মোহাম্মদ নাসিম ছিলেন অনন্য: তথ্যমন্ত্রী

::  নিজস্ব প্রতিবেদক::
আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলীয় জোটকে সংহত করতে মোহাম্মদ নাসিমের অনন্য ভূমিকা ছিল বলে মনে করেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ। রোববার (১৪ জুন) বনানী কবরস্থানে মোহাম্মদ নাসিমের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন, ফাতেহা পাঠ ও দোয়া শেষে একথা বলেন তিনি।

হাছান মাহমুদ বলেন, ‘আমাদের নেতা সবার শ্রদ্ধাভাজন জাতীয় চারনেতার অন্যতম শহীদ এম মনসুর আলীর সুযোগ্য পুত্র মোহাম্মদ নাসিম যে শুধু আমাদের দলের নেতা বা সাবেক মন্ত্রী ছিলেন, তা নয়, তিনি দেশের একজন প্রথিতযশা রাজনীতিবিদ ছিলেন এবং তার মৃত্যু দেশ, রাজনীতি ও একইসাথে আওয়ামী লীগের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি। তার মৃত্যুতে আমরা একজন একনিষ্ঠ কর্মী, নেতা ও আমাদের নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘনিষ্ঠজনকে হারিয়েছি। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে ১৪ দলকে সংহত করতে মোহাম্মদ নাসিমের ভূমিকা ছিল অনন্য। তার মৃত্যু দেশ, রাজনীতি ও একইসাথে আওয়ামী লীগের জন্য এক অপূরণীয় ক্ষতি।’

তথ্যমন্ত্রী এসময় ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর প্রতিও গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, ‘আপনারা জানেন, গত রাতে হঠাৎ করে আমাদের অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন মাননীয় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ইন্তেকাল করেছেন। তিনি ছাত্রজীবন থেকে রাজনীতি করে এসেছেন ও দীর্ঘদিন গোপালগঞ্জ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। তার মৃত্যুও আমাদের দেশ ও দলের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।প্রকৃতপক্ষে একইদিনে আমরা আমাদের দু’জন নেতাকে হারালাম, যা অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং এ বেদনা ঢেকে রাখা সম্ভব নয়।’

তথ্যমন্ত্রী এসময় স্বাস্থ্য সচিবের সদ্যপ্রয়াত স্ত্রী এবং সম্প্রতি মৃত্যুবরণকারী সবার আত্মার শান্তি কামনা করেন।

‘কালো তালিকাভুক্ত’ করতে ১৪ ঠিকাদারকে চিঠি

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

বিভিন্ন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের যন্ত্রপাতি কেনাকাটায় দুর্নীতি-অনিয়মে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ১৪ ঠিকাদারকে কালো তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সুপারিশে গত ৯ জুন স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপ-সচিব হাসান মাহমুদের স্বাক্ষরে এক চিঠিতে তাদেরকে কালো তালিকাভুক্ত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। চিঠিতে সংশ্লিষ্ট ‘অসাধু’ ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ও মালিকদের বিরুদ্ধে দুদকে একাধিক মামলা থাকা এবং তাদের কালো তালিকা করতে দুদকের সুপারিশের কথা উল্লেখ করা হয়।

যাদেরকে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে তারা হলেন- রহমান ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল স্বত্ত্বাধিকারী রুবিনা খানম। তিনি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাব রক্ষক মো. আবজাল হোসেনের স্ত্রী। দুর্নীতির মাধ্যমে অর্জিত প্রায় ২৮৫ কোটি টাকা পাচার এবং ৩৪ কোটি টাকার বেশি অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে গত বছর এই দম্পতির বিরুদ্ধে দুইটি মামলা করেছিল দুদক। এছাড়া মেসার্স অনিক ট্রেডার্সের স্বত্ত্বাধিকারী আব্দুল্লাহ আল মামুন, মেসার্স আহমেদ এন্টারপ্রাইজের মুন্সী ফররুখ হোসাইন, মেসার্স ম্যানিলা মেডিসিন অ্যান্ড মেসার্স এস কে ট্রেডার্সের মনজুর আহমেদ, এমএইচ ফার্মার মোসাদ্দেক হোসেন, মেসার্স অভি ড্রাগসের মো. জয়নাল আবেদীন, মেসার্স আলবিরা ফার্মেসির মো. আলমগীর হোসেন, এস এম ট্রেডার্সের মো. মিন্টু, মেসার্স মার্কেন্টাইল ট্রেড ইন্টারন্যাশনালের মো. আব্দুস সাত্তার সরকার ও মো. আহসান হাবিব, বেঙ্গল সায়েন্টিফিক অ্যান্ড সার্জিকেল কোম্পানির মো. জাহের উদ্দিন সরকার, ইউনির্ভাসেল ট্রেড কর্পোরেশনের মো. আসাদুর রহমান, এ এস এলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আফতাব আহমেদ এবং ব্লেয়ার এভিয়েশনের মো. মোকছেদুল ইসলামকে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

এ বিষয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক হাবিবুর রহমান খান  বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতে দুর্নীতির দায়ে কয়েকটি প্রতিষ্ঠানকে তালিকাভুক্ত করতে দুদক আমাদের কাছে একটি চিঠি পাঠিয়েছে। আমরা সেটা অনুসন্ধান করে দেখব। কী ব্যবস্থা নেওয়া হবে, সেটা এখনই বলতে পারব না।’

গত ১২ ডিসেম্বর মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে একটি চিঠি দেয় দুদক। দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখতের স্বাক্ষরে ওই চিঠির অনুলিপি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকেও দেওয়া হয়। দুদকের অনুসন্ধানের কথা উল্লেখ করে চিঠিতে বলা হয়, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট মেডিকেল কলেজ, হাসপাতাল ও প্রতিষ্ঠানের এক শ্রেণির অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারীর যোগসাজশে কতিপয় ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান প্রয়োজন না থাকা সত্ত্বেও প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে এমএসআর, ভারী যন্ত্রপাতি, সেবা ইত্যাদি ক্রয় করে। এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে মালামাল সরবরাহ না করেও বিল পরিশোধের ঘটনা ঘটেছে বলে চিঠিতে বলা হয়।

চিঠি অনুযায়ী, ‘অসাধু ঠিকাদারগণ সিন্ডিকেট গঠন করে এ ধরনের টেন্ডারে অংশগ্রহণ করে। সিন্ডিকেটের কারণে প্রতিযোগিতামূলক দর না পাওয়ায় প্রচলিত বাজার মূল্যের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি দামে বর্ণিত সামগ্রী ক্রয় করতে হয়। এর ফলে বিপুল পরিমাণ সরকারি অর্থ ক্ষতিসাধনসহ আত্মসাতের সুযোগ সৃষ্টি হয়।’ সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরাসহ কেনাকাটায় স্বচ্ছতা আনা এবং দুর্নীতি, প্রতারণা ও চক্রান্তমূলক কার্যক্রম প্রতিরোধ করতে ওইসব ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানসহ স্বত্ত্বাধিকারীদের কালো তালিকাভুক্ত করতে সুপারিশ করা হয় ওই চিঠিতে।

এ বিষয়ে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত  বলেন, ‘স্বাস্থ্য খাতের দুর্নীতি ও অনিয়ম দেখার জন্য আমাদের একটি প্রাতিষ্ঠানিক টিম আছে। এই টিমের অনুসন্ধানের ভিত্তিতে স্বাস্থ্যখাতের নানা দুর্নীতির ঘটনায় বেশকিছু মামলা করা হয়েছে। আবার টিমের অনুসন্ধান প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমরা বিভন্ন সময় সরকারকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছি।’

নাটোরের বড়াইগ্রামে মাইক্রোবাস- ট্রাকের সংঘর্ষে নিহত-১

সংবাদদাতা,নাটোর: নাটোরের বড়াইগ্রামে মাইক্রোবাস ও ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে শরিফুল ইসলাম (৩৫) নামের মাইক্রোচালক নিহত হয়েছে। আজ (১৪ জুন) রবিবার ভোর ৬ টার দিকে নাটোর-বন পাড়া মহাসড়কের গড়মাটি কদমতোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত চালক চট্রগ্রাম জেলা মিরশরাইল উপজেলার মিসরাই গ্রামের মরহুম মখলেসুর রহমানের ছেলে। বনপাড়া ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, পাবনা থেকে চট্রগ্রামগামী মাইক্রোবাস (ঢাকা মেট্রো ঢ ১৬-০৬৩৫) নাটোর থেকে পাবনা গামী একটি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো ট ২২-৪৫৪৬) গড়মাটি কদমতোলা পৌছালে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই মাইক্রোচালক নিহত হয়। বনপাড়া ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন,মাইক্রোবাসটি পাবনার ঈশ্বরদীতে যাত্রী নামিয়ে ঢাকায় ফিরছিলো। মাইক্রোবাস ও ট্রাক আটক করা হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ জুন ‘২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় আরও ৭ জন করোনায় আক্রান্ত , মোট ১৫৮

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় আরও ৭ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়ালো ১৫৮ জনে। ( ১৩ জুন )শনিবার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুন্দরগঞ্জে ২,ফুলছড়িতে ১ এবং গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ৪ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬৭ জন, গাইবান্ধা সদরে ২৭, ফুলছড়িতে ৬, সাঘাটায় ১৩, পলাশবাড়ীতে ১৬, সুন্দরগঞ্জে ১৩ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১৬ জন রয়েছে। গত ৬ দিনে গাইবান্ধায় ৭৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৪ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১২৯ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ২ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ জুন ‘২০/এসএএইচ

আমরা হারিয়েছি বঙ্গবন্ধুর আদর্শের একজন পরীক্ষিত সৈনিককে: প্রধানমন্ত্রী

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালনে ব্যস্ততার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ৭ মে তার নির্বাচনি এলাকার (টুঙ্গীপাড়া-কোটালীপাড়া) উন্নয়ন প্রতিনিধির দায়িত্ব দিয়েছিলেন ধর্ম প্রতিমন্ত্রী অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহকে। ধর্ম প্রতিমন্ত্রীর সহকারী একান্ত সচিব শেখ নাজমুল হক সৈকত জানান, শনিবার রাত ১১টা ৪৫ মিনিটে হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ ‍মৃত্যু হয়।

তার পিআরও আনোয়ার হোসেন জানান, গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শনিবার রাত ১০টায় তাকে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালের (সিএমএইচ) আইসিউতে ভর্তি করা হয়।

শেখ আব্দুল্লাহ ২০১৯ সালের ৭ জানুয়ারি ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন। তিনি ১৯৪৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর গোপালগঞ্জ জেলার মধুমতী নদীর তীরবর্তী কেকানিয়া গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত ধার্মিক মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা শেখ মো. মতিউর রহমান এবং মাতা মরহুমা আলহাজ্ব মোসাম্মৎ রাবেয়া খাতুন। চার ভাই তিন বোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ফ্রন্ট মুজিব বাহিনীর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত হয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন তিনি। ১৯৭৩ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন তিনি। কিন্তু রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশ সেবা করার লক্ষ্যে চাকরির পরিবর্তে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ এবং তার নেতৃত্বে রাজনীতি করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। এরপর কাউন্সিলের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন তিনি এ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি জাতীয় পর্যায়ে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

করোনামুক্ত ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনামুক্ত হয়েছেন। গত শনিবার (১৩ জুন) সকালে গণস্বাস্থ্য উদ্ভাবিত কিটে পরীক্ষা করে তার করোনা নেগেটিভ পাওয়া গেছে। রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেন গণস্বাস্থ্য কিট উদ্ভাবক দলের প্রধান বিজ্ঞানী ড. বিজন কুমার শীল। তিনি বলেন, ‘ডা. জাফরুল্লাহ করোনামুক্ত। উনি ভাইরাস নেগেটিভ এবং এন্টিবডি পজিটিভ। এখন তিনি সুস্থ। গতকালই তাকে হাসপাতাল থেকে বাসায় পাঠানো হয়েছে।’

শনিবার ড. বিজন কুমার বলেন, ‘গতকাল উনি নমুনা পাঠিয়েছিলেন। আজ সকাল ৭টার দিকে পরীক্ষা করেছি। এখন উনি খুব দুর্বল। তার বিশ্রাম দরকার। তাই তিনি আরও ৫ দিন সম্পূর্ণ বিশ্রাম নেবেন। অফিসিয়াল কাজ-কাম করতে পারবেন না। একদম রেস্ট।’ এখন আর পিসিআর টেস্ট দরকার নেই বলেও জানান বিজন কুমার শীল।

গত ২৫ মে জানা যায়, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত। গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষা হলে তার করোনা পজিটিভ আসে। পরের দিন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) পিসিআর পরীক্ষাতেও তার করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।

রেড জোনে ঘরেই পড়তে হবে নামাজ

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
করোনা সংক্রমিত ‘রেড জোনের’ বাসিন্দাদের বাসায়া নামাজ আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে ধর্ম মন্ত্রণালয়। শনিবার জারি করা নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে ‘রেড জোন’ ঘোষিত এলাকার বাসিন্দাদের নিজ নিজ ঘরে ইবাদত, উপাসনা করতে হবে।

এরআগে গত ৬ এপ্রিল বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সারাদেশে এ নিয়ম চালু করা হয়েছিল। ওয়াক্তের নামাজে মসজিদ সম্পৃক্ত অনধিক পাঁচজন এবং জুমায় ১০ জনের  জামাতের অনুমতি দেওয়া হয়। এক মাস পর ৬ মে থেকে মসজিদে বহিরাগত মুসল্লি প্রবেশে বাধা তুলে নেওয়া হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে মসিজদে জামাতের অনুমতি দেওয়া হয়।

ধর্ম মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, লাল জোন হিসেবে চিহ্নিত এলাকায় মসজিদের খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমগণ ব্যতীত বাকিরা বাসায় নামাজ আদায় করবেন। মসজিদে নামাজ চালু রাখতে প্রয়োজনে খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ অনধিক ৫ জন জামাত করবেন। জুমার জামাতে অনধিক ১০ জন অংশ নেবেন।

রেড জোনে মন্দির, গির্জাসহ কোনো উপসনালয়ে সমাবেত হওয়া যাবে না। শুধু রেড জোন নয় দেশের কোথাও ওয়াজ মাহফিল, তাফসির মাহফিল, তাবলিগের তালিম বা মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা যাবে না। অন্যান্য  ধর্মীয় ও সামাজিক আচার অনুষ্ঠানের জন্য সমবেত হওয়া যাবে না। কেউ নির্দেশ অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ার করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ আবদুল্লাহ আর নেই

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো. আবদুল্লাহ আর নেই। তিনি রাজধানীর সম্মিলিতি সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) মারা গেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার (১৩ জুন) দিনগত রাত ১২টার দিকে তার একান্ত ব্যক্তিগত সহকারী (এপিএস) নাজমুল হক সৈকত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া বলেন, কয়েকদিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। শনিবার রাতে তার হার্ট অ্যাটাক করে। রাত ১১টার দিকে তাকে সিএমএইচে নেওয়া হয়। সেখানে নেওয়ার পর দ্বিতীয়বার তার হার্ট অ্যাটাক করে। এর পরপরই তিনি রাত সাড়ে ১১টার দিকে মারা যান।

সরকার দেশবাসীকে নিরাপদ রাখতে সর্বদা সচেষ্ট : ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি মধু

::জোছনা মেহেদী::

যুবলীগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাঈনুল হাসান খান নিখিলের পক্ষে হতদরিদ্র ও মধ্যেবৃত্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণকালে দক্ষিণ যুবলীগ সিনিয়র সহ-সভাপতি আহম্মদ উল্লাহ মধু বলেছেন, ‌‌‘আমাদের সরকার দেশবাসীকে নিরাপদ রাখতে সর্বদা সচেষ্ট। বর্তমানে পরীক্ষামূলক রাজাবাজারসহ দুইটি এলাকা পুরোপুরি লকডাউন করা হয়েছে। সেখানে মানুষ যেন অসহায়ত্ব বোধ না করে সেজন্য খাদ্য সরবরাহ করেছে। ওষুধের জরুরি সেবা চালু রেখেছে।;
মধু বলেন, ‘আমাদের যুবলীগ চেয়ারম্যান ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাঈনুল হাসান খান নিখিল আপনাদের পাশে ছিলেন, আছেন। করোনাকালীন যে কোন পরিস্থিতিতে ভয় পাবেন না। নিজে নিরাপদ থাকুন, অন্যকে নিরাপদ রাখুন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এই মানবিক পরিস্থিতিতেও অনেকে বিভিন্নভাবে প্রতারণা করছেন। আপনারা প্রতারিত হচ্ছে। এটা দুঃখজনক। আমাদের নেতা সব বিষয়ে নজর রাখছেন। কাউকেই তিনি ছাড় দেবেন না। আপনারা সজাগ থাকুন।’

শুক্রবার রাজধানীর ভিক্টোরিয়া পার্ক, কোতয়ালী থানা, গেন্ডারিয়া থানা, বংশাল থানা ও সূত্রাপুর থানার বিভিন্ন অঞ্চলে ১ হাজার হতদরিদ্র ও মধ্যেবৃত্ত পরিবারের মাঝে ত্রান বিতরন করা হয়। মানবতার ফেরিওয়ালা খ্যাত আহাম্মদ উল্লাহ মধুর নেতৃত্বে ত্রাণ বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
এসময় আহমেদ উল্লাহ মধু বলেন, ‘বাংলাদেশ যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস পরশ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ফজলে নূর তাপসের নেতৃত্বে ঢাকা দক্ষিণ যুবলীগের ত্রান কার্যক্রম অব্যহত থাকবে। করোনা মহামারির শুরু থেকেই রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঢাকা দক্ষিণের যুবলীগের নেতৃবৃন্দ ত্রাণ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে। দেশ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এ ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচি চলতে থাকবে।’
ত্রাণ কার্যক্রমের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন যুবলীগ নেতা মনির হোসেন সাহিন, এহসানুল আলম প্রিন্স সাইফুল ইসলাম।
উপস্থিত ছিলেন ৩৮ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আহমেদ ইমতিয়াজ মান্নাফি গৌরব এবং ৪০ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর আবুল কালাম মিন্টু, ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের উপদপ্তর সম্পাদক আরিফুর জামান আরিফ, আওয়ামীলীগের ধর্মবিষায়ক উপ কমিটিরসদস্য এ কে আজাদ সরকার, যুবলীগ মহানগর দক্ষিণের সহসম্পাদক ইমরান খান, যুবলীগ নেতা শেখ তিতাস, মাহফুজুর রহমান, নজরুল ইসলাম বাবু, আহাসান উল্লাহ রাসেল, রফিকুল ইসলাম রুবেল প্রমুখ।