আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2575

বগুড়ায় কোভিড-১৯ এ আরও ১২৮

:: সংবাদদাতা, বগুড়া::

বগুড়ায় করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে নারী ও শিশুর। রোববার জেলায় ৪০ নারী ও ১০ শিশুসহ নতুন করে আরও ১২৮ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ১ হাজার ৪০২ জনে। বগুড়ার  সিভিল সার্জন অফিসের ডা. ফারজানুল ইসলাম নির্ঝর রোববার রাত ৯টায় এ তথ্য জানান।
ডা. নির্ঝর জানান, শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের পিসিআর ল্যাবে বগুড়ার ১৮৮টি পরীক্ষার ফলাফলে নতুন করে ৯৪জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া টিএমএসএস এর পিসিআর ল্যাবে বগুড়ার ৬৮টি পরীক্ষার ফলাফলে নতুন করে ৩৪ জন করোনায় আক্রান্ত শনাক্ত হন। তিনি আরও জানান, নমুনার ফলাফল বিলম্বে আসায় আক্রান্তের উপজেলাওয়ারী ঠিকানা জানা যায়নি। তবে নতুন করে ১২৮ জনের মধ্যে পুরুষ ৭৮ জন, নারী ৪০ জন এবং ১০ জন শিশু রয়েছে।
১২৮ জনের বয়সভিত্তিক বিশ্লেষণে তিনি জানান, ১ থেকে ১৭ বছরের নিচে রয়েছে ১০ জন, ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে ৬৪ জন, ৪১ থেকে ৫০ জনের মধ্যে ২১ জন, ৫১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে ৩২ জন এবং ৭০ বছরের উপরে নতুন করে একজব আক্রান্ত হয়েছেন।
ডা. নির্ঝর বলেন, ‘এ পর্যন্ত জেলায় মোট ১ হাজার ৪০২ জন করোনায় আক্রান্ত হলেন। তবে জেলায় ২৪ ঘন্টায় নতুন করে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা যাননি এবং কেও সুস্থও হননি। তাই মারা যাওয়ার সংখ্যা ১৪ এবং সুস্থতার সংখ্যা ৮৬ জনেই অপরিবর্তিত রয়েছে।’

লকডাউনে খাবার ফুরিয়ে যাওয়া সেই ব্যাংক কর্মকর্তার পাশে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী

::প্রতিনিধি,  সাতক্ষীরা::

সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলার নলতা ইউনিয়নের নওয়াপাড়া গ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ব্যাংক কর্মকর্তার পাশে দাঁড়িয়েছেন সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি ডা. আ ফ ম রুহুল হক। গত শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় করোনা আক্রান্ত ব্যাংক কর্মকর্তার সঙ্গে ফোনে কথা বলে সাহস জোগান ও সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এর আগে তিনি জানান, বাড়ির খাদ্যসামগ্রী ফুরিয়ে গেছে এবং সে পর্যন্ত কোন মাধ্যমই তার খোঁজ খবর রাখেনি।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে ওই ব্যাংক কর্মকর্তা বলেছেন, ‘করোনা আক্রান্ত হওয়ায় ৮ জুন থেকে আমার বাড়ি লকডাউন করে দিয়েছে প্রশাসন। তারপর থেকে বাড়িতেই রয়েছি। এখনও কেউ খোঁজ নেয়নি। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকেও এক মিনিট ফোনে কথা বলেনি। বাড়ির খাদ্যসামগ্রী ফুরিয়ে গেছে। করোনা শনাক্ত হওয়ায় আশপাশের লোকজনও আসে না। কাকে বলব বুঝতে পারছি না। আমার বাড়িতে কোনো খাবার নেই।’

তার এই বিষয়টি নলতা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান, কালিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শেখ তৈয়েবুর রহমান ও কালিগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোজাম্মেল হক রাসেলকে জানানো হয়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোজাম্মেল হক রাসেল ঘটনাটি জেনে ব্যবস্থা নিচ্ছি বলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো ব্যবস্থা নেননি। অন্যরা বিষয়টি নিয়ে ভাবেননি।

সন্ধ্যায় ওই ব্যাংক কর্মকর্তা  বলেন, ‘দুপুরে স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শরীর কেমন আছে জানতে চেয়েছিলেন। সারা দিনে আর কেউ খোঁজখবর নেয়নি। সন্ধ্যায় এমপি রুহুল হক ফোন দিয়ে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।’

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাতক্ষীরা-৩ আসনের এমপি ডা. আ ফ ম রুহুল হক বলেন, ‘বাড়ি লকডাউন করে ওই ব্যক্তির খোঁজখবর না রাখা খুবই দুঃখজনক। এটি ঠিক নয়। তার বাড়িতে খাবার সামগ্রী পৌঁছে দেয়া উচিত। আমি সবার সঙ্গে কথা বলব। কেন তার সঙ্গে এমন আচরণ করা হলো।’ তিনি বলেন, ‘আমি ওই ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলেছি, খোঁজখবর নিয়েছি। সব বিষয় আমি দেখব বলে আশ্বস্ত করেছি। তার বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।’

দৌলতদিয়ায় বাড়ছে ঘাট

::সংবাদদাতা, রাজবাড়ী::

বর্ষা মৌসুমে জরুরি মুহূর্তে যাত্রী ও যানবাহন পারাপারে দৌলতদিয়ায় লঞ্চ ও ৬টি ফেরিঘাটের বিপরীতে বিকল্প আরেকটি ঘাট তৈরির কাজ করছে বিআইডব্লিউটিএ। গত বছরের বর্ষার ভয়াবহ নদী ভাঙনে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয় দৌলতদিয়ায়। ওই সময় দৌলতদিয়া প্রান্তের ৬টি ফেরি ঘাটের ২টি ঘাট সম্পূর্ণ নদী গর্ভে চলে যায় এবং লঞ্চ ঘাটসহ বাকি ফেরি ঘাটগুলোতেও পড়ে ভাঙনের প্রভাব। ফলে ব্যাহত হয় যাত্রী ও যানবাহন পারাপার। এ সময় নদীর তীব্র স্রোত ও ভাঙনে বন্ধ হয়ে যায় লঞ্চ চলাচল এবং সীমিত আকারে চলে ফেরি।

এদিকে গত বছরের ভয়াবহ ভাঙনের বিষয় চিন্তা করে এবার আগেই নড়েচড়ে বসেছে ঘাট রক্ষার সাথে সংশ্লিষ্ট বিআইডব্লিউটিএ কর্তৃপক্ষ। ফলে এ বছরের শুষ্ক মৌসুমের মার্চ থেকে দৌলতদিয়া ১নং ফেরিঘাটের আপ থেকে ৬নং ফেরিঘাটের ডাউন পর্যন্ত ফেরিঘাট রক্ষার্থে ভাঙনরোধে বালুর বস্তা ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলার কাজ শুরু করেছে বিআইডব্লিউটিএ।যা এখনও চলমান। এছাড়া জরুরি ভিত্তিতে জিও ব্যাগ ফেলতেও প্রস্তুতিও রয়েছে তাদের।

অপরদিকে, গত বছরের তীব্র ভাঙনে লঞ্চ ঘাটসহ সবগুলো ফেরিঘাট বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রী ও চালকরা। এ কারণে পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে ৬নং ফেরিঘাটের ডাউনে বিকল্প একটি ঘাট তৈরির কাজ করছে বিআইডব্লিউটিএ। ঘাটটি তৈরির জন্য ইতোমধ্যে দৌলতদিয়া বাইপাস সড়ক থেকে প্রায় দেড় হাজার ফিটের একটি সংযোগ সড়ক স্থাপনের কাজ শুরু হয়েছে। আগামী দু’এক দিনের মধ্যে সড়কটিতে ড্রেজারের বালু দিয়ে ভরাট করা হবে। পরবর্তীতে ব্রিক সোলিংয়ের মাধ্যম সম্পন্ন করা হবে বিকল্প নতুন ঘাটের কাজ।

এ বছর এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা নেই। তবে নদীর পানি বৃদ্ধির সাথে ভাঙনের তীব্রতায় লঞ্চ ঘাটসহ কোনো ফেরিঘাটে সমস্যা দেখা দিলে তাৎক্ষণিক পন্টুন সেট করে নতুন ঘাট দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন চলাচলের ব্যবস্থা করা হবে।

বিআইডব্লিউটিএ এর আরিচা অঞ্চলের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শাহ আলম বলেন, ঘাট রক্ষার্থে তারা মার্চ মাস থেকে প্যাকেজ অনুযায়ী জিও ব্যাগ ফেলার কাজ করছেন। এখন পর্যন্ত পরিস্থিতি ভালো আছে। জরুরিভিত্তিতে কোথাও ফেলার প্রয়োজন হলে সেই প্রস্তুতিও তাদের আছে।এছাড়া গত বছরের ভাঙনের কথা চিন্তা করে নতুন বিকল্প ঘাট নির্মাণের কাজ করছেন। যা দ্রুত সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবে। লঞ্চ ঘাট ফেরিঘাটের কোনো একটিতে সমস্যা হলে তাৎক্ষণিক সেই পন্টুন এখানে সেট করে চলাচলের উপযোগী করবেন।

রাজবাড়ী পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সফিকুল ইসলাম শেখ বলেন, ঘাট এলাকার ভাঙন রক্ষার্থে বিআইডব্লিউটিএ কাজ করছে এবং ঘাট এলাকার স্থাপনা ও ঘর-বাড়ি ভাঙনরোধে তিনজন ঠিকাদার নিয়োগ দিয়ে প্রক্রিয়া শুরু করেছেন। দ্রুত সময়ের মধ্যে কাজ শুরু করা হবে বলেও তিনি জানান।

জানা গেছে, গত বছরের অক্টোবরে হঠাৎ নদীর তীব্র স্রোতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দেয় দৌলতদিয়া লঞ্চ ও ফেরিঘাট এলাকায়। ওই সময় ফেরিঘাটের সাথে ওই এলাকার প্রায় সহস্রাধিক বাড়ি ভাঙনের কবলে পড়ে। ভাঙন রক্ষার্থে জরুরি ভিত্তিতে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও বিআইউডব্লিউটিএ কাজ করলেও দৌলতদিয়া ১ ও ২নং ফেরিঘাট বিলীন হয়ে যায়। এছাড়া অন্যান্য ঘাটেও পড়ে ভাঙনের প্রভাব। বন্ধ হয়ে যায় লঞ্চ চলাচল। এতে করে চরম ভোগান্তি পড়ে দক্ষিণ পশ্চিমঞ্চলের ২১ জেলা থেকে অাসা ঢাকামুখি যাত্রী ও যানবাহনের চালকরা। দীর্ঘ প্রায় এক মাস চলতে থাকে পদ্মার এ ভাঙন তাণ্ডব।

প্রধানমন্ত্রী ভিআইপিদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিচ্ছেন : রিজভী

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, সাধারণ মানুষ চিকিৎসা না পেয়ে রাস্তায় মারা যাচ্ছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী তাদের কোন খবর নিচ্ছেন না। তিনি নিজের দলের মন্ত্রী, এমপি, মেয়র, নেতা ও ভিআইপিদের চিকিৎসার দায়িত্ব নিচ্ছেন।
গতকাল রোববার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর কাছে ভিআইপি লাইফস ম্যাটার। তাদের জন্য দ্রুততার সঙ্গে সিএমএইচ, এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, হেলিকপ্টার, আইসিইউ, ভেন্টিলেটরসহ সব সুবিধা নিশ্চিত করছেন।
তিনি বলেন, ‘করোনায় আক্রান্তরা চিকিৎসা সেবা পাচ্ছেন না। ঢাকায় কোনো হাসপাতালেই আইসিইউ বেড খালি নেই। কোন কোন বেসরকারি হাসপাতালে করোনার ওয়ার্ড খুললেও আইসিইউ বেড ও চিকিৎসার জন্য গলাকাটা দাম নিচ্ছে। তিন মাসে করোনা উপসর্গ নিয়ে অসংখ্য মানুষের মৃত্যু হয়েছে। এদের অধিকাংশই হাসপাতালে চিকিৎসা পাননি। বেঁচে থাকা অবস্থায় নমুনা পরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হতে পারেননি তারা করোনা আক্রান্ত কিনা।’
রিজভী বলেন, ‘সরকারের অবহেলার কারণে করোনা শনাক্তকরণও সঠিকভাবে হচ্ছে না। করোনা শনাক্তকরণ পরীক্ষা কিটও ত্রুটিপূর্ণ। জাপানে বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের চাটার্ড ফ্লাইট চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে জাপান সরকার। কারোনার নেগেটিভ সার্টিফিকেট নিয়েও চার বাংলাদেশীর শরীরে করোনা সংক্রামণ ধরা পড়ায় এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে দেশটি।’
তিনি বলেন, ‘করোনাত্তোর অর্থনৈতিক মন্দাকে সামনে রেখে বিভিন্ন দেশে সরকারি ব্যয় সংকোচনের পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন দেশের প্রেসিডেন্ট-প্রধানমন্ত্রী নিজেদের ব্যয় কমিয়ে দৃষ্টান্ত করার চেষ্টা করেছেন। পক্ষান্তরে সরকার হাঁটছে উল্টো দিকে।’

ফের ছুটি বাড়ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে 

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আরেক দফা বাড়ানো হচ্ছে। আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা সোমবার (১৫ জুন) শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জারি করার কথা রয়েছে। শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। এর আগে গত ২৮ মে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য ১৫ জুন পর্যন্ত ছুটি বাড়ানো হয়। এই ছুটির শেষ দিনে আবারও ছুটি বাড়ানোর নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আকরাম-আল-হোসেন বলেন, ‘চলতি মাস (৩০ জুন) পর্যন্ত ছুটি বাড়ছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আজ (রবিবার) কথা হয়েছে। কাল সিদ্ধান্ত নেবো।’

প্রসঙ্গত, করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধ ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তায় এ পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি কয়েক দফা বাড়ানো হয়। গত ১৭ মার্চ থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সাধারণ ছুটির সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। ছুটির সময় শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এমনকি ঘরে বসেই শিক্ষার্থীদের অনলাইনে পাঠদানের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ছুটি বাড়াতে মন্ত্রণালয়ের দুটি প্রস্তাবনা রয়েছে। একটি হলো ৩০ জুন পর্যন্ত এবং আরেকটি হচ্ছে ৩০ জুনের পরও ছুটি বাড়ানো। তবে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ছুটির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘আমার ঘরে আমার স্কুল’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ক্লাস চলছে এবং ইউটিউব চ্যানেলে ভিডিও ক্লাস আপলোড করা হচ্ছে। এছাড়া, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য ‘ঘরে বসে শিখি’ শিরোনামে সংসদ টেলিভিশনে ভিডিও ক্লাস চলছে। এই নামে একটি ওয়েব পোর্টালও ডেভেলপ করা হচ্ছে।

‘আত্মহত্যা’ করলেন বলিউড তারকা সুশান্ত সিং রাজপুত

::বিনোদন ডেস্ক::

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুত আত্মহত্যা করেছেন, এমনটাই বলছে মুম্বাই পুলিশ। ঘটনা রোববার (১৪ জুন) সকালের। বান্দ্রার ফ্ল্যাটে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া গেছে তার মরদেহ। ঘরের দরজা ভেঙে লাশ উদ্ধার করা হয়। পুলিশ থেকে প্রাথমিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, তিনি গত ছয় মাস ধরে হতাশায় ভুগছিলেন। তার বন্ধুরাও বলেছেন একই কথা। সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে।
বড় পর্দায় ব্যস্ত হওয়ার আগে সুশান্ত ছোট পর্দায় বেশ নাম করেছেন সিরিয়ালের মাধ্যমে। বিশেষত ‘পবিত্র রিশতা’ তাকে এনে দেয় তারকা খ্যাতি। চেতন ভগতের বেস্ট সেলিং বই ‘দ্য থ্রি মিস্টেকস অব মাই লাইফ’ অবলম্বনে অভিষেক কাপুরের ‘কাই পো চে’ দিয়ে সুশান্তর বড় পর্দায় অভিষেক হয়।
২০১৩ সালের ‘কাই পো চে’র পরে সুশান্ত বেশ কয়েকটি বড় বাজেটের ছবিতে কাজ করেছিলেন। থিতু হয়েছেন বলিউডে।
শ্রদ্ধা কাপুরের বিপরীতে তাকে ‘ছিচোরে’তে দেখা গিয়েছিল সর্বশেষ।
প্রসঙ্গত, এই অভিনেতার প্রাক্তন ম্যানেজার দিশা স্যালিয়ানকে কিছু দিন আগে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল।

রেড জোনে  ঢাকার ৪৫ এলাকা, সারা দেশে আরও ১৪

::তুষার আহসান::

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৪৫টি এলাকা ‘রেড জোন’ চিহ্নিত হয়েছে বলে। আর চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ১০ এলাকা ছাড়াও দেশের আরও তিনটি জেলার বিভিন্ন এলাকা রয়েছে রেড জোনে। যার মধ্যে গাজীপুরের সব উপজেলা রেড জোনের আওতায় পড়েছে। করোনাভাইরাস প্রতিরোধে গঠিত জাতীয় কমিটি এই তালিকাপ্রস্তুত করেছে। জনসংখ্যার অনুপাতে কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা বেশি পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে এই তালিকা তৈরি হয়েছে। চিহ্নিত এলাকায় কবে থেকে লডডাউন শুরু হবে, তা এখনও নিশ্চিত করে বলেননি কেউ। জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘লকডাউনের জন্য এলাকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এটা চূড়ান্ত করবে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তালিকা চূড়ান্ত হওয়ার ৭২ ঘণ্টা পর লকডাউন কার্যক্রম শুরু হবে।’ স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলছেন, ‘খুব তাড়াতাড়ি’ এসব এলাকায় লকডাউন দেওয়া হবে।

কবে থেকে লক ডাউন হচ্ছে রেড জোনে এমন প্রশ্নে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক রোববার  জানান, তারা প্রস্তুতি শেষ করেছেন, এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছেন। লক্ডাউন বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর প্রস্তুতির ওপর নির্ভর করছে তা কবে থেকে হবে। তিনি বলেন, ‘কাল থেকে লকডাউনে যেতে পারবে, এমন আমি শুনি নাই। আমরা এলাকাগুলো চিহ্নিত করেছি। বাস্তবায়ন করবে সেসব সংস্থা, তাদের প্রস্তুতি থাকলে তা কাল থেকেই হতে পারে। দুদিন পরেও হতে পারে। তবে ঢাকায় প্রস্তুতি এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি।’

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে শনিবারের সভার কার্যবিবরণীতে বলা হয়েছে, জেলার জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন এবং পুলিশ সুপার মিলে এসব জোনের মধ্যে সুনির্দিষ্টভাবে লাল এলাকা চিহ্নিত করবেন।

ঢাকার দুই সিটি ও চট্টগ্রামের যেসব এলাকায় প্রতি এক লাখ জনসংখ্যার মধ্যে গত ১৪ দিনে ৬০ জন আক্রান্ত হয়েছে, সেসব এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ঢাকার বাইরে এই অনুপাত লাখে ১০। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের ৪৫টি ‘রেড জোন’র মধ্যে দক্ষিণে ২৮টি এবং উত্তরে ১৭টি এলাকা। চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকার রয়েছে ১১টি এলাকা।

এসব এলাকায় সোমবার থেকেই লকডাউন হবে কি না- জানতে চাইলে উত্তর সিটি করপোরেশনের প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. মোমিনুর রহমান মামুন  জানান, তালিকা তারা পেয়েছেন। তবে এ বিষয়ে আরও কাজ করতে হবে। এটা এখনও খসড়া তালিকা, চুড়ান্ত কোনো নয়। এটা নিয়ে আমরা স্টাডি করছি। এলাকাগুলোকে আরও সুনির্দিষ্ট করতে হবে। আর এসব এলাকায় কাল থেকে লডডাউন হবে কি না এ ধরনের কোনো সিদ্ধান্তের কথা আমার জানা নেই।’

রোববার (১৪ জুন) জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন বলেন, ‘৩১ মে থেকে ১৫ জুন পর্যন্ত সারাদেশে যে অবস্থায় ছিল, ঠিক একই অবস্থা চলমান থাকবে।’ ফরহাদ হোসেন বলেন, ‌‘এখন আমরা করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের ভিত্তিতে জোনিং করেছি। অধিক সংক্রমিত এলাকাকে ‘রেড জোন’ ঘোষণা করে এসব স্থানে সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণার প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

ঢাকা দক্ষিণের যেসব এলাকা

যাত্রাবাড়ী, ডেমরা, মুগদা, গেন্ডারিয়া, ধানমন্ডি, জিগাতলা, লালবাগ, আজিমপুর, বাসাবো, শান্তিনগর, পল্টন, কলাবাগান, রমনা, সূত্রাপুর, মালিবাগ, কোতোয়ালি, টিকাটুলি, মিটফোর্ড, শাহজাহানপুর, মতিঝিল, ওয়ারী, খিলগাঁও, পরীবাগ, কদমতলী, সিদ্ধেশ্বরী, লক্ষ্মীবাজার, এলিফ্যান্ট রোড, সেগুনবাগিচা।

ঢাকা উত্তরের যেসব এলাকা

বসুন্ধরা, গুলশান, বাড্ডা, ঢাকা সেনানিবাস, মহাখালী, তেজগাঁও, রামপুরা, আফতাবনগর, মোহাম্মদপুর, কল্যাণপুর, মগবাজার, এয়ারপোর্ট, বনশ্রী, রায়েরবাজার, রাজাবাজার, উত্তরা, মিরপুর।

চট্টগ্রামের যেসব এলাকা

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকার ৩৭ ও ৩৮ নম্বর ওয়ার্ড, পতেঙ্গার ৩৯ নম্বর ওয়ার্ড, পাহাড়তলির ১০ নম্বর ওয়ার্ড, কোতোয়ালীর ১৬, ২০, ২১ ও ২২ নম্বর ওয়ার্ড, খুলশীর ১৪ নম্বর ওয়ার্ড, হালিশহর এলাকার ২৬ নম্বর ওয়ার্ড।

এছাড়া

আরও তিনটি জেলার কয়েকটি উপজেলা ‘রেড জোন’র আওতায় পড়েছে। নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার, রূপগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ সদর এবং পুরো সিটি করপোরেশন এলাকাকে ‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গাজীপুরের সব উপজেলা রেড জোনের আওতায় পড়েছে। নরসিংদীর সদর মডেল থানা, মাধবদী ও পলাশ এলাকা পড়েছে রেড জোনের মধ্যে।

করোনাভাইরাসের বিস্তার রোধে গত ২৫ মার্চের পর থেকে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে সরকার। ৩১ মে থেকে বেশিরভাগ বিধিনিষেধ তুলে নেয়া হলে প্রতিদিন সংক্রমণ বাড়তে দেখা যায়। পরে সংক্রামণ ঠেকাতে লাল, সবুজ ও হলুদ জোনে ভাগ করে প্রয়োজন অনুযায়ী বিধিনিষেধ আরোপের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। তার ভিত্তিতে রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজার পরীক্ষামূলকভাবে অবরুদ্ধ রয়েছে।

লকডাউনে স্বাস্থ্য, খাদ্য ও অন্যান্য ব্যবস্থাপনা

‘রেড জোন’ হিসেবে চিহ্নিত এলাকা ১৪-২১ দিনের জন্য লকডাউন করা হবে। লকডাউন পরিপালন হচ্ছে কি না তার জন্য পৌরসভা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডভিত্তিক মনিটরিং কমিটি করা হবে। রেড জোনে থাকা কেউ যাতে ওই এলাকার বাইরে যেতে না পারে এবং বাইরের লোকজন যাতে সেখানে ঢুকতে না পারে তার জন্য সংশ্লিষ্ট পয়েন্টগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অবস্থান নেবে। একেবারে বড় ধরনের প্রয়োজন ছাড়া ওই এলাকা থেকে কেউ বের হতে বা ঢুকতে পারবে না। শুধু ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, নিত্যপণ্যের দোকান খোলা থাকবে। কাঁচাবাজার, রেস্টুরেন্ট, চায়ের দোকান, শপিং মলসহ সব ধরনের বাণিজ্যিক কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। আক্রান্ত রোগীদের বাড়িতে খাদ্যসামগ্রী ও অন্যান্য নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য পৌঁছে দেওয়ার জন্য স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করবে। আক্রান্ত রোগীকে আইসোলেশনে রাখা এবং আক্রান্ত রোগীর পরিবারকে কোয়ারেন্টিনে রাখার বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে। জনসমাগম এড়াতে কাঁচাবাজার বন্ধ রেখে ভ্রাম্যমাণ ভ্যান ও মাথায় ডুলি নিয়ে চলা ফেরিওয়ালাদের সংশ্লিষ্ট এলাকায় পণ্য বিক্রি করতে দেওয়া হবে।

বগুড়ায় যুবলীগ নেতাকে গলা কেটে হত্যা

সংবাদদাতা বগুড়া : বগুড়া শহরের আকাশতারা এলাকায় প্রকাশ্যে দিন দুপুরে যুবলীগ নেতা আবু তালেবকে (৩০) গলাকেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। রবিবার দুপুর অনুমা দেড়টায় আকাশতারা এলাকায় তার নিজ বাড়ীর নিকটে তাকে গলা কেটে হত্যা করা হয়। নিহত আবু তালেব আকাশতারা গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। বর্তমানে সে বগুড়া শহর যুবলীগের সাবগ্রাম বন্দর কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আবু তালেব সাবগ্রাম বাজার থেকে বাজার করে বাড়ী ফিরছিলেন। বাড়ী থেকে অল্প কিছু দ‚রে একদল দুর্বৃত্ত তার পথরোধ করে। এরপর তাকে টেনে হেঁচড়ে রাস্তার পাশে একটি কচুক্ষেতে ফেলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করে পালিয়ে যায়। আকাশতারা এলাকায় দিনের বেলা এই হত্যাকান্ডের সময় বগুড়া-গাবতলী সড়ক দিয়ে অসংখ্য মানুষ ও যানবাহন চলাচল করলেও কেউ তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। নিহত আবু তালেব বগুড়া শহরের হকার্স মার্কেটে ব্যাগের ব্যবসা করতেন। এছাড়া তিনি আকাশতারা এলাকায় বালু ব্যবসার সাথেও জড়িত ছিলেন।
আরও জানা যায়, ২০১৫ সালে আবু তালেবের ঘনিষ্ট বন্ধু যুবলীগ নেতা মানিক খুন হন। সে সময় মানিক হত্যা মামলার আসামী আল আমিন নামের এক যুবককে ধরে মারপিট করে পা ভেঙ্গে দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেন আবু তালেব। সেই আল আমিন ও তার সহযোগী রাফি গত শুক্রবারে একই এলাকায় সংঘটিত শাকিল হত্যা মামলার আসামী হয়ে পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। আল আমিনের সহযোগী রাফিও যুবলীগ নেতা মানিক হত্যা মামলার আসামী ।
আবু তালেব হত্যাকান্ডের পর বগুড়ার মানবিক পুলিশ সুপার আলী আশরাফ ভ‚ঞা বিপিএম (বার) ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সনাতন চক্রবর্তী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের পরিবারের সাথে কথা বলেছেন।
বগুড়া সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এসএম বদিউজ্জামান এ প্রতিবেদক-কে বলেন, হত্যাকান্ডের কারণ নিশ্চিত করা যায়নি। দিনের বেলা এই হত্যাকান্ড সংঘটিত হওয়ায় অনেকেই খুনিদের দেখেছেন। সেই প্রত্যক্ষদর্শীদের তথ্যের ভিত্তিতে জড়িতদের সনাক্ত করে গ্রেফতার অভিযান অব্যহত আছে। নিহত আবু তালেবের লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ জুন-২০২০/জেডএন

গাইবান্ধায় নকল নারী পুলিশ আটক

সংবাদদাতা, গাইবান্ধা : গাইবান্ধায় শিখা (২৬) নামে এক নকল নারী পুলিশকে আটক করেছে সদর থানা পুলিশ। রোরবার সকালে শহরের বাসটার্মিনাল এলাকা হতে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত নকল পুলিশ সদস্যের বাবার বাড়ি রাজশাহী জেলার রাজপাড়া উপজেলার বাসুয়া গ্রামে।
পুলিশ জানায়, অভিযুক্ত শিখা নকল পুলিশ সেজে দ্রব্যাদী ক্রয় করে থাকে এবং নিজেকে পুলিশ হিসাবে তাকে বিশ্বাস করাতে দোকান থেকে বাঁকিতে পুলিশি রংয়ের কাপড় কিনে পার্শ্ববর্তী টেইলার্সে তৈরি করতে দেয়।
বেশ কিছু দিন পার হলেও তাকে খুঁজে পায় না দোকানদার। কয়েকদিন পরে আবারো বাসস্ট্যান্ড এলাকায় তার আচরণে ও কথাবার্তায় সন্দেহ হলে থানায় লিখিত অভিযোগ করে ভুক্তভোগী। এর প্রেক্ষিতে তাকে আটক করে পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা খান মো: শাহরিয়ার বিষয়েটি নিশ্চিত করে আলোকিত প্রতিদিনকে বলেন, অভিযুক্ত নকল নারী পুলিশের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ফরিদপুর মধুখালীতে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: ফরিদপুরের মধুখালীতে কোরকদি ইউনিয়নের বর্তমান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ মুকুল হোসেনের সন্ত্রাসী বাহিনীর অত্যাচার নির্যাতন ও ঘরবাড়ী ভাংচুরের প্রতিবাদে ও চেয়ারম্যানের বিচার এবং অপসারনের দাবীতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (১৪ জুন) রোববার বেলা সাড়ে ১২ টায় কোরকদি ইউনিয়নের কাটাখালী গ্রামের দাউদের চাতালের সামনে ঘন্টা ব্যাপি প্রায় অর্ধসহাশ্রাধিক মানুষের মানববন্ধন ও বিক্ষোভে চেয়ারম্যান মো. মুকুল হোসেনের অপসারণ , বিচার এবং সাধারন মানুষের উপর জুলুম নির্যাতন বন্ধ করতে বক্তব্য রাখেন সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. সোহরাব হোসেন শেখ, ভুক্ত ভোগি মো. আবুল হাসেম শেখ, মোঃ কুরাদ মুন্সী,আয়সা বেগম,সুমাইয়া, মুন্নী,আংগুরা বেগমসহ অনেকেই। মানববন্ধন পরবর্তী বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। উল্লেখ্য, ৯ জুন রোপনকৃত মরিচ গাছের ক্ষতিসাধনকে কেন্দ্র করে মারপিটের ঘটনা ঘটে। উপজেলার কোরকদি ইউনিয়নের চরবাশপুরের আব্দুর রহমানের রোপনকৃত মরিচের চারা বর্তমান চেয়ারম্যানের লোকজন উঠিয়ে ফেলে। উক্ত ঘটনায় মধুখালী থানাপুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে ফিরে আসার পর মকুল বাহিনী তাদের মারপিট করে গুরুতর আহত করে। সন্ত্রাসী হামলায় আব্দুর রহমান, সিদ্দিক মুন্সী ও মোসাঃ ছবেদা বেগম গুরুতর আহত হয়। বর্তমান আহতরা ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন।তাদের অবস্থা আশংকাজনক।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ জুন ‘২০/এসএএইচ