আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2572

বেকারত্ব দূর করতে একজন সামরিক কর্মকর্তার ভাবনা

সংবাদদাতা, রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী): বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা বেকারত্ব। এই বেকারত্ব মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি নিয়ে আমরা কথা বলেছি রাঙ্গাবালী উপজেলাবাসীর গর্ব বাংলাদেশ সেনাবাহিন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ তোফায়েল আহমেদ পিএসসি (অবঃ) এর সাথে। তিনি দেশের ক্লান্তিকালে মহামারি করোনা ভাইরাস থেকে সচেতন থাকার জন্য দেশেবাসীকে আহ্বান জানান। তিনি বেকারত্ব থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে বলেন যে, শুরুতেই বলে নেয়া ভালো যে আমি কোনো বেকারত্ব দূর করার ডাক্তার কিংবা বিশেষজ্ঞ নই।একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আমার নিজস্ব অভিজ্ঞতার আলোকে কিছু মতামত এবং সুপারিশ উপস্থাপন করব আপনার সাথে এবং সুপারিশগুলো বাস্তবায়নের জন্য কিছু পদ্ধতিও আলোচনা করবো। এই বলাটা শুধুমাত্র বেকারদের জন্য নয়। যারা বর্তমান অবস্থানে সন্তুষ্ট নয় এবং আরও অনেক কিছু করতে আগ্রহী তাঁরাও এখান থেকে কিছু দিক নির্দেশনা পেতে পারেন। একটা প্রচলিত কথা আছে যে, “সামর্থ্যবান মানুষ তাকায় তার বাহুর দিকে; আর অকর্মারা তাকায় তার কপালের দিকে।” ‘আমার ভাগ্যে নেই তাই কোন কিছু হচ্ছে না’, এটা না বলে বরং আমাদের বলতে হবে; ‘নিশ্চয়ই আমার চেষ্টার কমতি ছিল, আমার সাধ্যের সবটুকু নিয়োগ করলে সাফল্য ধরা দিতে বাধ্য।’ সবচেয়ে প্রথম কাজ হচ্ছে অর্জন করা সম্ভব কিন্তু একদম সহজ নয় আবার ভীষণ কঠিনও নয়, এমন একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করা। অর্থাৎ চ্যালেন্জিং টার্গেট ঠিক করো। সেটা চাকরি হতে পারে, ব‌্যবসা হতে পারে অথবা অন্য কিছু হতে পারে। এটা নির্ভরকরে প্রত্যেকের নিজস্ব শিক্ষা, আর্থসামাজিক অবস্থা, অভিজ্ঞতা, জীবনের স্বপ্ন, আরও অনেক কিছুর উপর। আমার নিজের কথা বলি। ক্লাস নাইনে পড়া অবস্থায় যখন আমাদের সংসারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আমার বাবা মারা যান, তখন আমাকে দ্রুত নিজের পায়ে দাঁড়ানোর মত‌ একটা লক্ষ্য নির্ধারণ করতে হয়েছে। আমার বাবার ইচ্ছে ছিলো আমি যেন ডাক্তার হয়ে মানব সেবায় নিজেকে উৎসর্গ করি। কিন্তু ডাক্তারি পড়তে যে পরিমান খরচ এবং সময় লাগবে, তা আমার পরিবারের পক্ষে যোগান দেয়া সম্ভব ছিল না। ফলে ইন্টারমিডিয়েট পরীক্ষা শেষ হওয়ার আগেই আমি আর্মি, এয়ারফোর্স, মেরিন ইত্যাদির জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে শুরু করে ছিলাম। একটা কথা আমি আমার নিজের জীবন থেকে উপলদ্ধি করেছি যে, আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত, চাকরি নেয়া নয় বরং চাকরি দেয়া। লক্ষ্য ঠিক করার পরের ধাপ হলো লক্ষ্য অর্জনের জন্য নিজেকে তৈরি করা। নিজের স্বপ্ন পূরণের জন্য এবং লক্ষ্য অর্জনের জন্য সাধ্যের সবটুকু দিয়ে নিজেকে তৈরি করতে হবে। সকলের সামর্থ্য একরকম থাকে না। অনেকে মেধার কথা বলেন।‌ আমি নিজেকে কখনো’ই মেধাবী মনে করিনি। আমি বিশ্বাসকরি কঠোর পরিশ্রম এর উপর। যারা এখনো শিক্ষা জীবন শেষ করেননি তাদের জন্য বলছি, কঠোর পরিশ্রম করে এমন ফলাফল অর্জন করার চেষ্টা করুন যেন আপনার চাকরি খুঁজতে না হয়; বরং চাকরি যেন আপনাকে খুঁজে।আর যারা সেই সুযোগ হাড়িয়ে ফেলেছেন তাদের জন্য বলছি, এখন ও সবকিছু শেষ হয়ে যায়নি। অনেক কিছু করার আছে -*প্রথমত, নিজেকে নতুন করে যুগোপযোগী করে তৈরি করুন। নতুন নতুন প্রযুক্তি যেমন কম্পিউটার নলেজ, মেডিকেল ইকুইপমেন্ট নলেজ, নতুন ব্যবসা বাণিজ্য সম্বন্ধে জ্ঞান অর্জন, একাউন্টিং, ট্যাক্স ফাইলিং, নানান কিছু শেখা যায়।
*দ্বিতীয়ত, দেশে বিভিন্ন অঞ্চলে মাটি এবং পানির কোন অভাব নেই। যা কিছুই আমরা মাটিতে থ্রো করি, তাই কিন্তু অল্প পরিশ্রমে গ্ৰো করে । নতুন পদ্ধতিতে বিভিন্ন দামি সবজি যেমন ক্যাপসিকাম, বেবিকর্ন, ব্রোকলি ইত্যাদি উৎপাদন করে শহরে বিক্রি করে অনেক টাকা উপার্জন করা সম্ভব।
*তৃতীয়ত, আজকাল গ্রামে নানান রকম কাজে নিজেকে নিয়োজিত করা যায়। যেমন হাউজ ওয়ারিং, রাজমিস্ত্রির কাজ তদারকি, ওয়েল্ডিং, মোবাইল, কম্পিউটার, রেডিও-টিভি মেরামত ইত্যাদি নানান কিছু করা যায়।
*চতুর্থত, দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অনেক পুকুর এবং জলাশয় আছে। সেগুলোতে উন্নত পদ্ধতিতে মাছ চাষ করা যায়। অ্যাকুরিয়ামের রঙিন মাছ চাষ করে কোটিপতি হয়ে গেছেন অনেকে।
*পঞ্চমত, বিভিন্ন রকমের ফল এবং মসলার গাছ লাগানো যায়। যেমন তেজপাতা, দারুচিনি, লবঙ্গ, এলাচি, আদা, হলুদ ইত্যাদি। এখন বর্ষাকাল, গাছ লাগানোর জন্য এখনই সময়।
*ষষ্ঠত, মহিলারা বুটিক, টাইডাই, কুটির শিল্প ও নানান কিছু করতে পারে। যা কাজে লাগিয়ে অর্থ আয় করা যায়।
*সপ্তমত, পশুপালন (ছাগল, ভেড়া), গরু মোটাতাজাকরণ, দুগ্ধ শিল্প (মাখন, চীজ, ঘি ইত্যাদি) একটা বড় বানিজ্য এলাকা।
*অষ্টমত, শিক্ষা সহায়তা পেশা হিসেবে নেয়া। আমাদের স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীদের উন্নত তথা ঢাকার লেভেলে আনার জন্যে ভালো কোচিং এর খুব দরকার। অর্থাৎ আমরা যদি একটু বুদ্ধি খাটিয়ে একটু কষ্ট করি; তাহলেই বেকারত্বের অভিশাপ থেকে মুক্ত হতে পারি।
অমুক আমার জন্য ওটা করল না, অমুকের কাছে গিয়েছিলাম, আমাকে সহযোগিতা করলনা; এগুলো বলে লাভ নেই। কারণ দিনশেষে আমাদের জীবন, একান্তই আমাদের। আপনি যদি সফল হন, সেই সাফল্য আপনার। আপনি যদি ব্যর্থ হন, সেই ব্যর্থতার জন্য আপনি পৃথিবীর সবাইকে দায়ী করতে পারেন; ব্যর্থ মানুষ কিন্তু আপনি নিজেই। সুতরাং কাউকে দোষারোপ করে নয়, নিজের সামর্থ্যের উপর আস্থা রাখতে হবে। বিশ্বাস রাখুন, “অন্যরা পারলে, আপনিও পারবেন।” নষ্ট করার মতো সময় আর এক মিনিটও নেই, চলুন কাজে লেগে যাই। অনেকে হয়তো বলবেন মূলধন নেই। এটা আসলে একটা অজুহাত। পৃথিবীতে অনেক ব্যবসা-বাণিজ্য আছে যেগুলোর জন্য মূলধন প্রয়োজন হয় না। প্রয়োজন হয় বুদ্ধি, প্রয়োজন হয় কঠিন পরিশ্রম, প্রয়োজন হয় কমিটমেন্ট রাখতে পারা, প্রয়োজন হয় নিজেকে প্রেজেন্ট করা; ইত্যাদি। তিনি আরো বলেন, ভালো পরিকল্পনা হলে অনেক ব্যাংক এবং এনজিও সহায়তা করতে পারে।আজ আমি এ পর্যন্তই বলবো। এরপর আমি আপনাদের বিভিন্ন কমেন্ট, পরামর্শ, পরিকল্পনা, আলোচনা, সমালোচনা এবং ক্রিটিসাইজ শুনার অপেক্ষায় থাকবো। ধন্যবাদ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ

ফরিদপুর সালথায় দ্বিতীয় দিনেও পাট চাষীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: উন্নত প্রযুক্তিনির্ভর পাট ও পাটবীজ উৎপাদন এবং সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ফরিদপুরের সালথায় দ্বিতীয় দিনেও দিনব্যাপী পাট চাষী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০ টায় উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে এ প্রশিক্ষন কর্মশালার আয়োজন করেন পাট উন্নয়ন অধিদপ্তর। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকারের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষনের মধ্যেই এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন ফরিদপুর জেলা পাট উন্নয়ন অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) জিয়ারত আলী আকন্দ, উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রুপা বেগম, ভাওয়াল ইউপি চেয়ারম্যান ফারুকুজ্জামান ফকির মিয়া, জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা তারেক মোঃ লুৎফর রহমান, সালথা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জীবাশু দাস, উপজেলা সহকারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার গোপাল চন্দ্র বিশ্বাস, উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল বারি প্রমূখ। দিনব্যাপি ফরিদপুর জেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা পাট চাষীদের প্রশিক্ষন প্রদান করেন। দিনব্যাপী পাট চাষী প্রশিক্ষণে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের পাট চাষীরা অংশগ্রহন করেন। উল্লেখ্য গত কাল সোমবারও পাট চাষীদের পাট চাষ সম্পর্কে প্রশিক্ষন প্রদান করা হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় ট্রাক চাপায় নারীর মৃত্যু

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের ধাপেরহাট জিসান ফিলিং ষ্টেশন এলাকায় ট্রাক চাপায় শ্রী মতি বানভাসি (৩৫) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে। নিহত নারী শ্রী মতি গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মতুরা গ্রামের অতেন চন্দ্রের স্ত্রী। মঙ্গলবার (১৬ জুন) দুপুর সাড়ে বারোটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, চলমান সি,এন,জি থেকে যাত্রী মহাসড়কের উপর পড়ে গেলে পিছন থেকে আসা একটি ট্রাক তার উপর দিয়ে চলে যাওয়ায় ঘটনাস্থলেই পিষ্ট হয়ে মা মারা গেলেও ভাগ্যক্রমে বেচে যায় ৩ বছরের ছেলে সন্তান। পুলিশ জানায়, ঘটনারপর ধাপেরহাট তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে গোবিন্দগঞ্জ হাইওয়ে পুলিশকে হস্তান্তর করেন। ঘাতক ট্রাক ও সিএনজি বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে আছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু, আহত -১

সংবাদদাতা,চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার বারঘরিয়া নতুন বাজার এলাকায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে বাবুল আখতার (৪৫) নামে এক নিরাপত্তা প্রহরীর মৃতু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকাল ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহত বাবুল আখতার হচ্ছেন, বারঘরিয়া নতুন বাজার এলাকার মৃত ইব্রাহিম আলীর ছেলে। এ সময় ইউসুফ ও হাকিম নামে দু’জন রাজমিস্ত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তিনি চাঁপাইনবাবগঞ্জ লাক্ষা গবেষণা কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং তিনি বারঘরিয়ায় শশুর বাড়িতে থাকতেন। সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ জিয়াউর রহমান পিপিএম জানান, বারঘরিয়ায় একটি নির্মাণাধীন বাড়ির সাটারিংয়ের কাজ করার সময় লোহার রড বিদ্যুতের তারে লেগে বিদ্যুতায়িত হয়ে এই দুর্ঘটনা ঘটে। উল্লেখ্য, নিহত বাবুল আখতার রানা এর আগে ভোলাহাট উপজেলায় আনসার ভিডিপি’র সদস্য হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং কিছুদিন আগে সেই চাকরি ছেড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ লাক্ষা গবেষণা কেন্দ্রের নিরাপত্তা প্রহরী হিসেবে যোগদান করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় প্রাণি সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্টের বেহাল অবস্থা

সংবাদদাতা, গাইবান্ধা : গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৭টি প্রাণি সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্টে চলছে প্রাণি সম্পদ কল্যাণ ও কৃত্রিম প্রজনন কার্যক্রম। মাসিক ৫শত টাকা সম্মানির বিনিময়ে নিরলসভাবে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন এসব কেন্দ্রে নিয়োজিত প্রজননকর্মীগণ। জানা যায়, ১৯৮৬ সালে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বামনডাঙ্গা প্রাণি সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্টের জন্য একটি ভবন নির্মিত হয়। তখন থেকে স্থানীয়দের গৃহপালিত পশু -পাখির সেবা ও প্রজনন কার্যক্রম চালিয়ে আসছে। এ পয়েন্টে প্রথম পর্যায়ে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল একজন উপ-সহকারী প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা (ভিএসএ) ও একজন প্রজননকর্মী। ১৯৮৭ সালে শোভাগঞ্জ পশু-পাখি কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্টের কার্যক্রম শুরুর পর উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন গুলোতে ১৫টি প্রাণি সম্পদ বা পশু-পাখি কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্ট স্থাপন করা হয়। এসব পয়েন্টে কাজ পরিচালনার জন্য ২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি করে ভবন নির্মিত হয়। এছাড়া, তিস্তা ও ব্হ্মপুত্র নদী বেষ্টিত কাপাসিয়া ও বেলকা ইউনিয়নে একটি করে সাব-কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হয়। নিয়োগ দেয়া হয় প্রতিটি কেন্দ্রে ১জন করে উপ-সহকারী প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা (ভিএসএ) ও ১ জন করে প্রজননকর্মী (এ আই)। এসব কেন্দ্রের দীর্ঘদিন ধরে কোন প্রকার সংস্কার হয়নি। প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র ও প্রজনন সংশ্লিষ্ট সরঞ্জামাদী সরবরাহ না করাসহ সু-নজর না থাকায় পয়েন্টগুলো বর্তমানে চরম দুর্দশাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। তবুও থেমে নেই পশু-পাখির সেবামূলক কার্যক্রম। উপজেলার ১৭ জন এ আই (কৃত্রিম প্রজননকর্মী) মাসিক ৫শত টাকা করে সম্মানি দিয়ে পরিবারের খাবারের নিশ্চয়তা না থাকলেও নিরলসভাবে চালিয়ে যাচ্ছে সেবা। তারা এ সম্মানী পাচ্ছেন কৃত্রিম প্রজনন প্রকল্প থেকে। এসব প্রজননকর্মী এখন মানুষের বাড়িতে গিয়ে গৃহপালিত গরু, ছাগল, মহিষকে প্রজননসহ চিকিৎসা সেবা ও পাখির চিকিৎসা সেবা প্রদান প্রয়োজনীয় ফি ও ঔষধের মূল্য গ্রহণ করে। বামনডাঙ্গা পয়েন্টে প্রজননকর্মী না থাকলেও নিয়োজিত রয়েছেন উপ-সহকারী প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আ: ওয়াহাব মন্ডল। শোভাগঞ্জ পয়েন্টে রয়েছেন এআই কর্মী হীরালাল চৌহান। শোভাগঞ্জ পয়েন্টের নিজস্ব ২০ শতক জায়গার মধ্যে ১ লাখ ২৭ হাজার টাকা ব্যায়ে ২ কক্ষ বিশিষ্ট একটি ভবন নির্মাণ হয়। উক্ত ভবনের প্রতি কোন সু-নজর না থাকায় সরাঞ্জামাদি, আসবাবপত্র এমনকি ইট, টিন, কাঠগুলো খুঁইয়ে যাচ্ছে। বামনডাঙ্গা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র সীমানাভ্যন্তরে অবস্থিত বামনডাঙ্গা প্রাণি সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্টের ভাল নেই অবকাঠামোসহ সরঞ্জামাদি। একই অবস্থায় রয়েছে অন্যান্য পয়েন্টগুলো। অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালনায় স্থানীয় জন প্রতিনিধিসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের হস্তক্ষেপ কামনা করেন সচেতন মহল।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ফজলুল করিম বলেন, এসব পয়েন্টর উন্নয়নকল্পে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য স্থানীয়ভাবে পদক্ষেপ গ্রহণ করা দরকার। এবিষয়ে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হবে। গাইবান্ধা সদর, পলাশবাড়ী, ফুলছড়ি, সাঘাটা, সাদুল্লাপুর ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার প্রাণি সম্পদ কল্যাণ কেন্দ্র ও কৃত্রিম প্রজনন পয়েন্টগুলার ভরনের অবস্থাও ঝুঁকিপুর্ন। কৃত্রিম প্রজনন ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছে মানুষের বাড়ীতে গিয়ে। গাইবান্ধা জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুস সামাদ বলেন, পয়েন্টগুলোর খোঁজ-খবর নিয়ে সার্বিক উন্নয়নকল্পে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে অবগত করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন’২০/জেডএন

শিবগঞ্জে দিনব্যাপি কৃষক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা, শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) :  করোনা পরবর্তী খাদ্য চাহিদা যথাযথভাবে পূরণের লক্ষ্যে এ কর্মসূচী হাতে নিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। তারই অংশ হিসেবে চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জে কন্দাল ফসল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দিনব্যাপি এক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৫জুন) শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে এ কর্মশালার উদ্ধোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো: নজরুল ইসলাম। এ সময় শিবগঞ্জ উপজেলা কৃষি অফিসার এস এম আমিনুজ্জামান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সুনাইন বিন জামানসহ কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
কর্মশালায় ৬০ জন কৃষক অংশগ্রহন করেন।
আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন’২০/জেডএন

সাতক্ষীরায় জব্দকৃত সরকারি গম আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত হতদরিদ্রদের মাঝে বিতরণ

সংবাদদাতা, সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ থেকে জব্দকৃত প্রায় ৪৮ মেট্রিকটন সরকারি গম অবশেষে আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকুলীয় এলাকা শ্যামনগর ও আশাশুনির ৬ টি ইউনিয়নের সাড়ে ৬ হাজার হতদরিদ্র বানভাসী মানুষের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকালে সাতক্ষীরার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান নিজ হাতে এ গম বিতরণ করেন। এ সময় তাকে এ কাজে সহায়তা করেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা।
এ সময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কালিগঞ্জ সার্কেল) জামিরুল ইসলাম, সহকারী পুলিশ সুপার (দেবহাটা সার্কেল) ইয়াছিন আলী, জেলা বিশেষ শাখার পরিদর্শক মিজানুর রহমান, শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা, আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম বারী, অনলাইন পত্রিকা ডেইলি সাতক্ষীরার সম্পাদক হাফিজুর রহমান মাসুম, সাংবাদিক ফয়জুল কবির বাবু প্রমুখ।
পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান এ সময় বলেন, আদালতের নির্দেশনা মোতাবেক আম্পানে ক্ষতিগ্রস্ত উপকূলীয় এলাকা শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা, বুড়িগোয়ালিনী, পদ্মপুকুর ও কৈখালী এবং আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ও শ্রীউলার সাড়ে ৬ হাজার হতদরিদ্র বানভাসী মানুষের মাঝে ১৪ কেজি করে এই গম বিতরণ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, তিনি আদালতের নির্দেশনা বাস্তবায়ন করছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন’২০/জেডএন

মাদারীপুরে লিবিয়ায় মানব পাচার চক্রের সাথে জড়িত পিতা-পুত্র র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার

সংবাদদাতা, মাদারীপুর : লিবিয়ায় মানব পাচার চক্রের সাথে জড়িত মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার উত্তর আড়াইপাড়া গ্রামের দালাল পিতা-পুত্রকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব ৮। রাজশাহী জেলার রাজপাড়া থানাধীন তেরখাদিয়া গ্রাম হতে রোববার গভীর রাতে তাদের দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। এরা হলেন উত্তর আড়াইপাড়া গ্রামের হানিফ বয়াতী (৬০) ও তার ছেলে নাসির বয়াতী(২৭)। গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে মাদারীপুরের রাজৈর থানায় হস্তান্তরের বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
সোমবার বিকেলে র‌্যাব-৮ মাদারীপুর ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-৮ এর একটি দল রোববার গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে লিবিয়ায় মানব পাচারকারী চক্রের সক্রিয় সদস্য মাদারীপুরের রাজৈর উপজেলার হানিফ বয়াতী (৬০) ও তার ছেলে নাসির বয়াতী (২৭) কে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত আসামীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে ওই চক্রের সক্রিয় সদস্য বলে স্বীকার করে। দালাল হানিফ বয়াতী ও তার ছেলে নাসির বয়াতী বাংলাদেশ হতে লিবিয়ায় মানব পাচারের যাবতীয় আর্থিক লেনদেন ও লোক সংগ্রহের কাজ সম্পাদন করে। গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে মাদারীপুরের রাজৈর থানা ও ঢাকার পল্টন থানায় মানব পাচার মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃত আসামিদেরকে মাদারীপুরের রাজৈর থানায় হস্তান্তরের বিষয় প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ২৮ মে রাত ৯টায় লিবিয়ার মিজদাহ এলাকায় ২৬ বাংলাদেশিসহ ৩০ অভিবাসীকে গুলি চালিয়ে হত্যা করে মানব পাচারকারীরা। এ ঘটনায় আহত হয় ১১জন। এদের মধ্যে নিহত ১১জন ও আহত ৪ জনের বাড়ি মাদারীপুরে। লিবিয়ার মিজদায় হত্যাকান্ডের ঘটনায় মাদারীপুরের বিভিন্ন থানায় ৫টি মামলা দায়ের করেন নিহতদের স্বজনেরা। এ সব মামলায় র‌্যাব-৮ ও পুলিশ এ পর্যন্ত নারী দালালসহ ১০ আসামিকে গ্রেফতার করেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন-২০২০/জেডএন

বড়াইগ্রামে পাট ক্ষেত থেকে লাশ উদ্ধার

সংবাদদাতা,নাটোর: নাটোরের বড়াইগ্রামে পাটের ক্ষেত থেকে মোবারক হোসেন (৩৮) নামের এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে বড়াইগ্রাম থানা পুলিশ। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যা ৭ টার দিকে উপজেলার সোনাবাজু উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে পাট ক্ষেতে লাশ দেখতে পেয়ে এলাকাবাসী পুলিশকে খবর দিলে, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে। মৃতব্যক্তি উপজেলার ইকোরি গ্রামের খইর উদ্দিনের পুত্র। এ বিষয়ে বড়াইগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) দিলীপ কুমার দাস জানান, গলায় রশি দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা হতে পারে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে, রিপোর্ট পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন /১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ

নীলফামারীতে করোনায় আক্রান্ত আরও ৪, মোট ২৫৯

সংবাদদাতা,নীলফামারী: নীলফামারীতে নতুন করে আরও ৪ জন করোনা (কভিড -১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ নিয়ে জেলায় মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়ালো ২৫৯ জনে। সোমবার (১৫ জুন) সন্ধ্যায় সিভিল সার্জন ডাঃ রনজিৎ কুমার বর্মন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব হতে ১১ জুনের প্রেরিত নমুনার রিপোর্টে এ তথ্য পাওয়া গেছে। নতুন ৪ জন করোনা আক্রান্তরা হলেন- নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য), একই দপ্তরের গাড়ি চালক, নিউজ ২৪ এর জেলা প্রতিনিধি ও সৈয়দপুর উপজেলা শহরের নিউ বাবু পাড়ার একজন। এ নিয়ে নীলফামারী সদরে মোট ৮৪ জন এবং সৈয়দপুর উপজেলায় মোট ৩৫ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। জেলায় ২৫৯ জন আক্রান্তের মধ্যে মৃত্যুবরণ করেছেন ৬ জন। সুস্থ্য হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২২ জন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ