আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2573

যুক্তরাষ্ট্রে এক করোনা রোগির চিকিৎসা খরচ সাড়ে ৯ কোটি টাকা

সংবাদদাতা,নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত ৭০ বছরের এক বৃদ্ধ সুস্থ হতে হাসপাতালে তার ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ২২ হাজার ৫০১ ডলার বা ৯ কোটি ৫৩ লাখ, ৯০ হাজার ১ শ ৩৫ টাকা। তিনি প্রায় মারাই যাচ্ছিলেন। একপর্যায়ে হাসপাতালের নার্স তার স্ত্রী ও সন্তানকে শেষ বিদায় জানানোর ফোন দিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত তিনি সুস্থ হয়েছেন। এর জন্য হাসপাতালে তার ব্যয় হয়েছে ১১ লাখ ২২ হাজার ৫০১ ডলার। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। খবরে বলা হয়েছে, ৪ মার্চ মাইকেল ফ্লোর নামের ব্যক্তি সিয়াটলের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় একটি হাসপাতালে ভর্তি হন। ৬২ দিন চিকিৎসার পর ৫ মে সুস্থ হলে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তার হাসপাতাল ত্যাগের সময় চিকিৎসাকর্মীরা করতালি দিয়ে অভিনন্দন জানান। হাসপাতাল থেকে মাইকেল ফ্লোরকে ১৮১ পৃষ্ঠার বিল দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে রয়েছে ইন্টেনসিভ কেয়ার রুমের প্রতিদিন ৯ হাজার ৭৩৬ ডলার, ৪২ দিন তার কক্ষ জীবাণুমুক্ত করতে ৪ লাখ ৯ হাজার ডলার, ২৯ দিন ভেন্টিলেটর ব্যবহারের জন্য ৮২ হাজার ডলার এবং প্রায় ১ লাখ ডলার দুই দিন মুমূর্ষু অবস্থায় চিকিৎসার জন্য।
খবরে বলা হয়েছে, প্রবীণদের জন্য সরকারি স্বাস্থ্যবিমা মেডিকেয়ারের আওতায় থাকায় হাসপাতালের বিল ফ্লোরকে দিতে হবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্রে চিকিৎসা ব্যয় সবচেয়ে বেশি এবং এর সামাজিকীকরণ নিয়ে বিতর্ক থাকায় ফ্লোর নিজেকে ‘অপরাধী’ ভাবছেন। কারণ, তার চিকিৎসার ব্যয় করদাতাদের অর্থে বহন করা হচ্ছে। মাইকেল ফ্লোর বলেন, আমার জীবন বাঁচাতে দশ লাখের বেশি ডলার ব্যয় হয়েছে। অবশ্যই আমি জানি যে তা সঠিক কাজে লেগেছে। কিন্তু জানি যে হয়তো একমাত্র আমিই এমন কথা বলছি। যুক্তরাষ্ট্রে করোনায় আক্রান্তদের সহযোগিতার জন্য হাসপাতাল ও বেসরকারি বিমা কোম্পানির জন্য ১০০ মিলিয়ন ডলারের আর্থিক সহযোগিতা পরিকল্পনা ঘোষণা করা হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ জুন ‘২০/এসএএইচ

‘রেড জোন’ মানিকগঞ্জ, ৭ এলাকা ৪ জুলাই পর্যন্ত লকডাউন ঘোষণা

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জ জেলার সদর, সাটুরিয়া ও সিংগাইর উপজেলার ৭টি এলাকাকে রেড জোনের আওতায় এনে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।  করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সোমবার (১৫ জুন) রাত ৮টা থেকে ৪ জুলাই পর্যন্ত এই লকডাউন বলবৎ থাকবে বলে জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক গণ-বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
এ উপলক্ষ্যে সোমবার (১৫ জুন) বিকেল ৪ টার দিকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের সমন্বয়ে শহরের শহীদ রফিক চত্বর হতে রেড জোনের আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। এসময় জনগনকে সচেতন করতে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে একটি র‌্যালী পৌর এলাকা প্রদক্ষিণ করে সবাইকে রেড জোনের সকল নিয়ম কানুন মেনে চলার আহবান জানান জেলা প্রশাসক। লকডাউনের আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার উত্তর সেওতা, পশ্চিম দাশড়া, গঙ্গাধরপট্টি, শহরের শহীদ রফিকসড়ক, গার্লস স্কুল সড়ক, গঙ্গাধরপট্টি থানা রোড, খালপাড় থেকে মানিকগঞ্জ বাসস্ট্যান্ডের পূর্ব পর্যন্ত শহীদ স্বরণি ও মানিকগঞ্জ বাজার এলাকা, সাটুরিয়া উপজেলার ধানকোরা ও সাটুরিয়া ইউনিয়ন এবং সিংগাইর উপজেলার জয়মন্টপ ইউনিয়ন ও সিংগাইর পৌরসভা, নির্দেশনা অনুযায়ী রেড জোন ঘোষিত এলাকার কোনো ব্যক্তি ঘর থেকে বের হতে পারবেন না। এই এলাকার কেউ বাইরে কিংবা বাইরের কেউ এই এলাকায় আসা যাওয়া করতে পারবেন না। সকল ধরনের শপিং মল, দোকানপাট বন্ধ থাকবে।মসজিদে নামাজের সময় ইমাম মুয়াজ্জিনসহ ৫ জন এবং জুম্মার নামাজে সর্বোচ্চ ১০ জন থাকতে পারবেন। যথারীতি আওতামুক্ত থাকবে সাংবাদিকসহ জরুরি সেবায় নিয়োজিত ব্যাক্তি , সরকারি ও ব্যাংকসহ আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিল্প কারখানায় কর্মরত ব্যক্তি ও তাদের বহনকারী গাড়ি।উল্লেখিত রেড জোন ঘোষিত এলাকাগুলোতে আরোপিত আইন বাস্তবায়নে তিনটি উপজেলায় গঠন করা হয়েছে ৪ সদস্যের ভিজিলেন্স টিম। সিংগাইর উপজেলা ভিজিলেন্স টিমের প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. মনিরুজ্জামানকে, সাটুরিয়া উপজেলা ভিজিলেন্স টিমের প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার এবং মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা ভিজিলেন্স টিমের প্রধান করা হয়েছে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোছাঃ নাদিরা আখতার। প্রতিটি টিমে সদস্য করা হয়েছে সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, একজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার-ইন-চার্জকে। মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসন, জেলা পুলিশ ও সংশ্লিষ্ট পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদ কর্তৃপক্ষ থাকবে সার্বিক দায়িত্বে। মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস বলেন, আদেশে বর্ণিত সকল আইন কঠোরভাবে পালন করা হবে। ঘোষিত এলাকাগুলোর চারপাশে বেষ্টনীর মাধ্যমে আটকে দেওয়া হবে। আদেশ অমান্যকারীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশ, আনসারসহ বিপুল সংখ্যক স্বেচ্ছাসেবক থাকবেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে ওয়ার্ড কমিটির সাথে স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করবেন। প্রতিটি ওয়ার্ডে ভ্রাম্যমাণ দোকান থাকবে। কুইক রেসপন্স টিমের সদস্যরা বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ওষুধ পৌঁছে দিবে। রেড জোন ঘোষিত এলাকায় নির্দেশিত আইন মান্য করে চলতে এবং আইন প্রয়োগের ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতা চেয়েছেন জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

ফরিদপুর সালথায় সংসদ উপনেতার পক্ষে শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্যদ্রব্য বিতরণ

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি ও তার কনিষ্টপুত্র শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর পক্ষথেকে ফ‌রিদপু‌রের সালথা উপ‌জেলায় ক‌রোনা ভাইরাসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরন করা হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে উপজেলার রামকান্তপুর ইউনিয়নের নিধুপট্রি গ্রামের মোঃ জাফর মোল্লার বাড়িতে অসহায় কর্মহীন পরিবারের মাঝে এ খাদ্যদ্রব্য বিতরন করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মাদ হাসিব সরকার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ফারুক উজ্জামান ফকির মিয়া, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওহাব, বাংলাদেশ আওয়ামী সাংস্কৃতিক ফোরাম আসাফো’র কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ সেলিম মোল্লা, উপজেলা যুবলীগের সহ-সভাপতি শওকত হোসেন মুকুল, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি ইমারত হোসেন পিকুল, শ্রমিক লীগের সাধারণ সম্পাদক চৌধুরী মাহমুদ আশরাফ টুটু, যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বাদল হোসেন, আওয়ামী লীগ নেতা রাশেদ মাতুব্বর প্রমুখ। সালথা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বর ব‌লেন, মাননীয় সংসদ উপনেতা সৈয়দা সাজেদা চৌধুরী এমপি ও শাহদাব আকবর লাবু চৌধুরীর পক্ষথেকে আমরা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ত্রাণ বিতরণ করে আসছি। এরই ধারাবাহিকতায় সোমবার রামকান্তপুর ইউনিয়নের শতাধিক পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। সর্বশেষ তিমি জরুরী প্র‌য়োজন ছাড়া বা‌ড়ি থে‌কে বের না হতে এবং নিরাপ‌দে থেকে করোনা সম্পর্কিত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রতি আহবান জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

শিবগঞ্জে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে কাজ বন্ধ, অতঃপর কাজ শুরু

সংবাদদাতা,চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণে ৩ দফা অনিয়মের অভিযোগে কাজ বন্ধের পর নির্মাণ ত্রুটি নিয়েই আবারো কাজ শুরু হবার অভিযোগ উঠেছে।তবে এ অনিয়মের অভিযোগ সংশ্লিষ্ট সাব ঠিকাদার অস্বীকার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, নির্মাণকাজে বালির তুলনায় কম পরিমানে সিমেন্ট প্রদান, ওয়াটার লেবেল না করা, পুরাতন ইট-রড ব্যবহার করা, সঠিক মাপে বেইজ ও বিম ঢালায় না করাসহ নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করার। সোমবার (১৫ জুন) জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দুর্লভপুর ইউনিয়নের নামোজগন্নাথপুর-ফিল্টের হাটে কমিউনিটি ক্লিনিকের নির্মাণ কাজে এসব অনিয়মের অভিযোগ করেছে গ্রামবাসীরা । আর অভিযোগের সত্যতা মিলেছে সরেজমিন পরিদর্শনেও। এলাকাবাসীর অভিযোগ স্থানীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক, সিভিল সার্জন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার , উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের কাছে লিখিত অভিযোগ করার পর ৩ বার কাজ বন্ধ হলেও অদৃশ্য ক্ষমতার জোরে নির্মাণত্রুটি নিয়েই দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে এর নির্মাণ কাজ। এর জন্য জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উদাসীনতাকে দায়ী করছে স্থানীয়রা। সংশ্লিষ্ট গ্রামের মোঃ জাফর ইকবাল জানান, সিলেকশন বালু না দেয়াসহ পিলারের বেইজ ঢালায় ৫ ফিট ৬ ইঞ্চি হওয়ার কথা থাকলেও তা সাড়ে ৩ ফিট/৪ ফিট করার অভিযোগে গত ১৭ রমজান এলাকাবাসী কাজে প্রথম বাঁধা দেয়। তিনি আরও জানান, পুরাতন রডের বালা দিয়ে পিলার ঢালায় এবং ওয়াটার লেবেল ছাড়াই ১০ ইঞ্চির ঢালায় ৬ ইঞ্চি করে দেয়া হয়েছে। অনুসরণ করা হচ্ছেনা পাস হওয়া ভবনের ড্রয়িং। সেসময় স্থানীয় প্রশাসন, স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনপ্রতিনিধিদের জানানো হলে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাংসদ ডা. শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করার কথা বললেও কয়েকদিন কাজ বন্ধ থাকার পর লিখিত কোন পদক্ষেপ না থাকায় আবারো কাজ শুরু হয়। এভাবে বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগের প্রেক্ষিতে ২ দফা কাজ বন্ধ হলেও পরে আবার শুরু হয়। সংশ্লিষ্ট ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাকিব রাজু তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি অভিযোগ পাওয়াত পরও এখন পর্যন্ত নির্মাণ কাজ পরিদর্শন করতে আসেননি। গ্রামের স্থানীয় নেতা মোঃ শফিকুল মন্ডলের অভিযোগ, কাজ বন্ধ করার পর গ্রামবাসীর পক্ষে ৫ সদস্যের একটি কমিটিকে কাজ দেখভালের দায়িত্ব দেয়া হয়। কিন্তু কমিটিকে অগ্রাহ্য করে কমিটির এক সদস্য ও দুর্লভপুর ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. হাসান আলীর ইন্ধনেই এলাকাবাসীর বাঁধার মুখেও কাজ চলছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করে আ.লীগ নেতা হাসান আলী জানান, আমি এই কাজের ভালো মন্দ বুঝি না। তাই কাজ কেমন হচ্ছে এব্যাপারে আমি কিছুই জানি না এবং আমার কোন দায়িত্ব নেই। তবে আমিও চাই, কাজটি ভালোভাবে হোক।
অন্যদিকে কাজের শুরু থেকেই পুরাতন রড, ইট, নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন গ্রামের পঞ্চাশোর্ধ মুখলেসুর রহমান। তবে কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণ কাজের ঠিকাদার নবাব আলীর কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি জানান , তার কাজটি তিনি সাব ঠিকাদারের কাছে হস্তান্তর করেছেন।তাই এ ব্যাপারে তার কিছু জানা নাই।আর সাব-ঠিকাদার আনোয়ারুল ইসলাম জানান, সব নিয়ম-কানুন মেনে সঠিকভাবে কাজ চলছে। কোন অনিয়ম হচ্ছে না এবং কোন পুরাতন সামগ্রী এ নির্মাণকাজে ব্যবহার হচ্ছেনা। এবিষয়ে দুর্লভপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাকিব রাজু মুঠোফোনে জানান, আমি নিজে উপস্থিত হতে পারিনি। কিন্তু ফোনে কয়েকজনের সাথে কথা বলে জানতে পেরেছি, কাজ ভালোই হচ্ছে। তবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষথেকে আলাদাভাবে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রতিবেদন জমা দেয়া হলে বিষয়টি তিনি জানাতে পারবেন।। অন্যদিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনের সাংসদ ডা. শামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল বলেন, এবিষয়ে আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। যথাযথ কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে। আওয়ামীলীগ নেতা, ঠিকাদার, সরকারি কর্মকর্তা যেই হোক না কেন, স্বাস্থ্যখাতে সরকারি কাজে কোন অনিয়ম করলে ছাড় দেয়া হবে না।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

নিজ শহরের মাটিতেই চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন মেয়র কামরান

সংবাদদাতা,সিলেট: নিজ শহরের মাটিতে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন সিলেট সিটির সাবেক মেয়র বদর উদ্দিন আহমদ কামরান । সোমবার (১৫ জুন) সিলেট নগরের মানিকপীর টিলায় দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে তাঁরই শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী মা-বাবার কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়েছে সিলেট সিটির সাবেক এই জননন্দিত মেয়রকে। জোহরের নামাজ শেষে ছড়ারপার জামে মসজিদে তাঁর প্রথম জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। স্বাস্থ্যবিধি মেনে অল্প সংখ্যক লোক জানাজার নামাজে অংশগ্রহণ করেন। প্রথম জানাজার পর দ্বিতীয় জানাজার জন্য বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের মরদেহ মানিকপীর কবরস্থানে নেওয়া হয়। সেখানে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়। দাফন শেষে বদর উদ্দিন আহমদ কামরানের রুহের মাগফেরাত কামনা করে মুনাজাত করা হয়। এর আগে দ্বিতীয় জানাযা শেষে মরদেহে ফুল দিয়ে নেতাকর্মীরা তাঁকে শেষ শ্রদ্ধা জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

শিবালয়ের আরিচাঘাট এলাকায় সওজের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জ: মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার আরিচা ঘাট এলাকায় সওজের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) সকাল ১০টা থেকে মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের রাস্তার দু’পাশের জায়গা উদ্ধারে দিনব্যাপি এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন সড়ক ও জনপদ বিভাগের যুগ্নসচিব ও আইন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান ফারুকী। এ সময় মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার গাউস-উল-হাসান মারুফ, উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী আনিসুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। মানিকগঞ্জ সড়ক বিভাগের এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার গাউস-উল-হাসান মারুফ বলেন, আরিচা লঞ্চ ঘাট এলাকার ড্রেন নির্মাণ এবং উন্নয়ন কাজের স্বার্থে আমাদের এই উচ্ছেদ অভিযান। উচ্ছেদ অভিযানের আগে তাদেরকে সতর্কতা নোটিশ প্রদান ও মাইকিং করা হয়েছিল।এরপরেও যারা স্থাপনা সরিয়ে নেয়নি তাদের স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্ছেদ অভিযানে আরিচাঘাট এলাকার অবৈধ ২০টি দোকান-পাট, ঘর-বাড়ি উচ্ছেদ করা হয়। তিনি আরো জানান,রাস্তা প্রশস্তকরণ ড্রেন নির্মানের কাজের জন্য সড়কের দুই পাশে সকল ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। তবে এর আগে অনেকবার সড়ক ও জনপদের রাস্তা দখলকারীদের উচ্ছেদের নোটিশ দিলেও তারা নিজেরা সড়ক ও জনপদের রাস্তা ছেড়ে না দেয়ায় সর্বশেষ এই অভিযান পরিচালনা করেন সড়ক ও জনপথ বিভাগ। উচ্ছেদ অভিযানে পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস কর্মী, পল্লী বিদ্যুৎ এবং নিরাপদ সকড় চাই সংগঠনের সদস্যবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

বীরগঞ্জে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত, জরিমানা আদায় ১৪৫০০

বীরগঞ্জ (দিনাজপুর) থেকে শাহিনুর ইসলাম: বীরগঞ্জ উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাত ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর জরিমানা আদায় করা হয়েছে। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সরকারি বিধিনিষেধ অমান্য করায় বীরগঞ্জ উপজেলায় ৭ জন দোকানদারকে ১৪ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। নির্ধারিত সময়ের পরে সরকারি আদেশ অমান্য করে মুদি দোকান খোলা রাখায় এ জরিমানা সহ কয়েকজন ব্যবসায়ীকে সতর্ক করা হয়। এ সময় মোবাইল কোর্টের পাশাপাশি সচেতনতামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। প্রতিদিনের ন্যায় করোনা প্রাদুর্ভাবের মধ্যেই গত ১৩ জুন/২০২০ইং তারিখ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার পৌর বাজার, বিজয় চত্বর, বলাকা মোড়, কবিরাজহাট সহ বিভিন্ন বাজারে অভিযান পরিচালনা করেন বীরগঞ্জ উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোঃ ডালিম সরকার। এই অভিযানকে সাধুবাদ জানান সচেতন মহল।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩০৯৯, মৃত্যুবরণ করেছে ৩৮

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস আরও ৩৮ জনের প্রাণ কেড়ে নিয়েছে । এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ১ হাজার ২০৯ জনে। একই সময়ে নতুন করে ৩ হাজার ৯৯ জন নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে। ফলে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ৯০ হাজার ৬১৯ জনে।
সোমবার (১৫ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা।
তিনি ৫৮টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৭৩৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ৩৮টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৫ লাখ ১৬ হাজার ৫০৩টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় নতুন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৯৯ জন। ফলে ভাইরাসটিতে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ৯০ হাজার ৬১৯ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৮ জন। এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা দাড়ালো ১ হাজার ২০৯ জনে। গত ২৪ ঘন্টায় আরও সুস্থ হয়েছেন ১৫ হাজার ২৯৬ জন। ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৩৪ হাজার ২৭ জন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

চট্টগ্রামের ৯ উপজেলাকে রেডজোন ঘোষণা, আসছে লকডাউন

সংবাদদাতা,চট্টগ্রাম: চট্টগ্রাম নগরীর ১০ ওয়ার্ডের সাথে ৯ উপজেলাকেও রেডজোন হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। এর মধ্যে মঙ্গলবার রাতে প্রথম লকডাউন করা হচ্ছে নগরীর ১০ নম্বর উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড। আর মঙ্গলবার ১৬ জুন মধ্যরাত ১২টার পর থেকে ২১ দিনের জন্য লকডাউন হচ্ছে পুরো উত্তর কাট্টলী ওয়ার্ড এলাকা। এই সময়ের মধ্যে ঘর থেকে কোনো মানুষ বের হতে পারবে না। এমনকি ওষুধের দোকানও বন্ধ থাকবে। আর পুরো এলাকার লোকদের সহায়তার জন্য থাকবে সিটি কর্পোরেশন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন। এদিকে করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ায় চট্টগ্রামের ৯ উপজেলাকে রেডজোন, ২ উপজেলাকে হলুদ ও অপর দুই উপজেলাকে গ্রীনজোন হিসেবে চিহিৃত করা করেছে। রেডজোন উপজেলাগুলো হলো- হাটহাজারী, পটিয়া, সীতাকুন্ড, বোয়ালখালী,চন্দনাইশ, বাঁশখালী, রাঙ্গুনিয়া, রাউজান ও আনোয়ারা। সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি উপজেলা হলুদ জোন এবং সন্ধীপ, মিরসরাইকে গ্রীন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি জানান, গত ১৪ দিনে আক্রান্ত বিবেচনায় এসব জোন ভাগ করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদফতর ও চট্টগ্রামের স্বাস্থ্য বিভাগ যৌথভাবে চট্টগ্রামের ৯ উপজেলাকে রেড জোন হিসেবে শনাক্ত করেছে। মূলত প্রতি ১ লাখ জনসংখ্যায় গত ১৪ দিনে ১০ জন আক্রান্ত হয়েছে এমন এলাকাগুলোকেই রেডজোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।’ সিভিল সার্জন শেখ ফজলে রাব্বি জানান, রেডজোন ঘোষিত উপজেলাগুলোর প্রশাসনকে এ বিষয়ে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলাগুলোকে লকডাউনের আওতায় আনা হবে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী লকডাউন চলাকালীন সময়ে চিহ্নিত এলাকায় সরকারি আধাসরকারি, স্বায়িত্বশাসিত এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে সাধারণ ছুটি হিসেবে গণ্য হবে। লকডাউন চলাকালীন সময়ে চিহ্নিত ওয়ার্ডে যানবাহন, জন চলাচল ও দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। এ ছাড়া প্রত্যেককেই অবশ্যই ঘরে থাকতে হবে। তিনি আরও জানান, লকডাউন চলাকালীন সময়ে এলাকার অধিবাসীরা নিজের এলাকায় থাকবেন এবং বাইরের কেউ এলাকায় প্রবেশ করতে পারবেন না। যারা ঘরে আবদ্ধ থাকবেন তাদের প্রয়োজন ও চাহিদা পূরণের জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে নিয়ন্ত্রণ কক্ষ স্থাপন করা হবে। এই নিয়ন্ত্রণ কক্ষের নির্দিষ্ট টেলিফোন নম্বরে এলাকাবাসীর চাহিদা মোতাবেক ন্যায্য বাজারমূল্যে খাদ্য,ওষুধপত্রসহ দৈনন্দিন স্বাভাবিক জীবন যাপনের উপকরণ ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা থাকবে। যারা হতদরিদ্র তাদের অবস্থার কথা বিবেচনা করে খাদ্য সহায়তা দেয়া হবে। জানা গেছে, জেলা প্রশাসনের সাথে সমন্বয় করে সংশ্লিষ্ট উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা, স্বাস্থ্য ও পুলিশ প্রশাসন রেডজোন গুলোতে লংডাউনের কার্যক্রম চালাবেন। মঙ্গলবার (১৬ জুন) থেকেই উপজেলাগুলোতে লকডাউন কার্যক্রম শুরু হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় করোনায় আক্রান্ত আরও ৬,মোট ১৬৪

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় আরও ৬ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়ালো ১৬৪ জনে। (১৪ জুন) রবিবার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সাঘাটায় ১,ফুলছড়িতে ১,সাদুল্লাপুরে ৩ এবং পলাশবাড়ী উপজেলার ১ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৬৬ জন, গাইবান্ধা সদরে ২৭, ফুলছড়িতে ৮, সাঘাটায় ১৪, পলাশবাড়ীতে ১৭, সুন্দরগঞ্জে ১৩ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ১৯ জন রয়েছে। গত ৭ দিনে গাইবান্ধায় ৮০ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া গেছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৫ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৩৪ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ২ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন,পলাশবাড়ীতে ১ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুন ‘২০/এসএএইচ