আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2570

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বৃদ্ধাকে গলাকেটে হত্যার ঘটনায় নিহতের জামাইসহ গ্রেফতার ৩

সংবাদদাতা,চাঁপাইনবাবগঞ্জ: চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহারাজপুরে বৃদ্ধা নারী রোকেয়া বেগমকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় মুলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে সদর মডেল থানা পুলিশ।এ কর্মকান্ড বাস্তবায়নের জন্য খুনি ভাড়া করা হয়েছিলো। হত্যাকান্ডে ব্যবহৃত হাসুয়াটি উদ্ধার করেছে পুলিশ। জমিজমার দখল নিতেই এই হত্যাকান্ড বলে স্বীকার করেছে গ্রেফতারকৃত মূলহোতা রোকেয়ার সৎ জামাই সেকান্দার আলী। এই কিলিং মিশনে ৫০ হাজার টাকায় ৪জন কিলারকে ভাড়া করা হয়। এদের মধ্যে বড় সাহেব ও বারোতেরো নামে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং অন্যদের গ্রেফতারে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে জেলা পুলিশ অফিসে প্রেসব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান পুলিশ সুপার এইচএম আব্দুর রাকিব। এর আগে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দিয়েছেন সেকান্দার আলী। পুলিশ সুপার এইচএম আব্দুর রাকিব সংবাদ ব্রিফিংয়ে জানান, গত ১৩ জুন সকালে সদর উপজেলার মহারাজপুর ইউনিয়নের পূর্বটিকরা গ্রামের নিজ ঘর থেকে রোকেয়া বেগমের গলাকাটা ও বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। এ ঘটনারপর সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইশবাল হোছাইনের নেতৃত্বে ক্লু-লেস এই হত্যাকান্ডের তদন্তে নামেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ওসি অপারেশন মিন্টু রহমান। তারা গোপন তথ্যের ভিত্তিতে রোকেয়ার সৎ মেয়ের জামাই পশ্চিম টিকরা গ্রামের মৃত লুথু মন্ডলের ছেলে সেকান্দার আলীকে গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে আটক করে এবং জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে রোকেয়া বেগমকে হত্যার ঘটনা স্বীকার করেন তিনি। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সেকান্দার জানায় তারা সম্পত্তির লোভে অপর চার জামাই সাড়ে ১২ হাজার করে টাকা চাঁদা উঠিয়ে ৪জন কিলারকে ভাড়া করে এবং কিলারদের সাথে সেও হত্যাকান্ডে অংশ নেয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী কিলার গ্রুপের বড়সাহেব ও বারোতেরো নামে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়। সে আরও স্বীকার করে তিনি গত বছরের ঠিক একই দিন অর্থাৎ ১২ জুন রাতে শশুর শুকুরদিকে গলা টিপে হত্যার পর মরদেহ রশি দিয়ে ঝুলিয়ে রেখে আত্মহত্যা বলে চালানো হয়েছিল।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘ ২০/এসএএইচ

অনুসন্ধানের নামে সাংবাদিক তলব স্বাধীন সংবাদ প্রবাহের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ : ডিইউজ

::নিজস্ব প্রতিবেদক::
অনুসন্ধানের নামে সাংবাদিকদের তলব স্বাধীন সংবাদ প্রবাহের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ বলেছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) নেতৃবৃন্দ। উচ্চপদস্থ এক পুলিশ কর্মকর্তার অনৈতিক তৎপরতার অভিযোগের সংবাদ গণমাধ্যমে প্রচারের পর অন্তত ১০ জন সাংবাদিককে তদন্ত কমিটি তলব করায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ও এ ধরনের পদক্ষেপের প্রতিবাদ জানিয়েছেন ডিইউজে সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু। এদিকে সংবাদপত্র, অনলাইন বার্তা সংস্থা ও টেলিভিশনে ব্যাংকের বিজ্ঞাপন প্রদান বন্ধ রাখার বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস-এর (বিএবি) সিদ্ধান্তে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে সাংবাদিকদের এই সংগঠনটি।এ ধরণের ঘোষণা থেকে বিএবি-কে সরে আসার আহ্বান জানিয়েছেন নেতৃবৃন্দ।
ডিইউজে নেতৃবৃন্দ আজ বুধবার (১৭ জুন) এক বিবৃতিতে বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) দপ্তর থেকে কয়েকদিন আগে পাঠানো এক চিঠিতে ‘সুষ্ঠু অনুসন্ধানের নিমিত্তে’ নির্ধারিত সময়ে ১০ জন সাংবাদিককে হাজির হতে বলা হয়েছে। ডিইউজে নেতৃবৃন্দ মনে করেন, পুলিশী অপরাধ সংক্রান্ত পুলিশ বিভাগের তদন্তে সাংবাদিকদের তলব করা এবং জিজ্ঞাসাবাদের পদক্ষেপ স্পষ্টতই প্রচলিত আইন ও রেওয়াজের পরিপন্থী। এ ধরণের চিঠি এক ধরণের মনস্তাত্বিক চাপ তৈরি করছে। যা স্বাধীন সংবাদ প্রবাহের সাথে অসঙ্গতিপূর্ণ।’
বিবৃতিতে ডিইউজে নেতৃবৃন্দ এই ধরনের হয়রানী ও মনস্তাত্বিক চাপমূলক উদ্দেশ্যপূর্ণ চিঠি অবিলম্বে প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, দেশের প্রচলিত আইনে সাংবাদিকদের কাছে তথ্যের সূত্র জানতে চাওয়ার কোনও অবকাশ নেই। কেননা, সূত্রের গোপনীয়তা রক্ষা করা একজন সাংবাদিকের মৌলিক ও পবিত্র দায়িত্বের অংশ হিসেবে স্বীকৃত। তাছাড়া, সাংবাদিকদের কাজ হচ্ছে গোপনীয়তার বেড়াজাল ভেঙ্গে সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ তথ্য জনগণকে অবহিত করা।

বিএবি’র সিদ্ধান্তে ডিইউজের উদ্বেগ

সংবাদপত্র, অনলাইন বার্তা সংস্থা ও টেলিভিশনে ব্যাংকের বিজ্ঞাপন প্রদান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি)। ব্যাংক মালিকদের এ ধরণের ঘোষণায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন (ডিইউজে) সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আলম খান তপু।
সাংবাদিক সংগঠনটির দফতর সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌস চৌধুরীর পাঠানো এক বিবৃতিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আজ বুধবার বলেছেন, গণমাধ্যমে ব্যাংকের বিজ্ঞাপণ বন্ধ রাখার ঘোষণা মূলত গণমাধ্যমের সম্প্রসারণ ও স্বাধীন মতপ্রকাশের পথে প্রতিবন্ধকতা তৈরি করার সামিল।
ডিইউজে নেতৃবৃন্দ বলেন, ‘গণমাধ্যমের আয়ের অন্যতম প্রধান উৎস্ বিজ্ঞাপণ। করোনা দুর্যোগের এই কঠিন সময়ে কোনও সংগঠন বা সংস্থা থেকে বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা গণমাধ্যমের জন্য সুবিবেচনাপ্রসূত আচরণ হবে না। দেশ ও জাতি গঠনে গণমাধ্যমের যে ভূমিকা রয়েছে, এই ঘোষণায় তা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।’ নেতৃবৃন্দ আরও মনে করেন, ঘোষণা দিয়ে বিজ্ঞাপণ বন্ধ করা মিডিয়ার সাথে বৈরি আচরণের শামিল। যা খুবই হতাশা ও দুর্ভাগ্যজনক।

গাইবান্ধায় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত-১, আহত -৪

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধা সদর উপজেলার বাদিয়াখালীতে সড়ক দুর্ঘটনায় এক শিশু নিহত হয়েছে। আহত হয়েছেন আরও ৪ জন। জানাযায়, আজ বুধববার (১৭ জুন) সকালে ফেনী থেকে আগত ৭ জন যাত্রী গাইবান্ধা থেকে সিএনজি অটোরিকশা যোগে তাদের নিজ বাড়ি সাঘাটার ভরতখালী ইউনিয়নের ভাঙ্গামোড়ে আসারপথে সিএনজিটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাদিয়াখালীর রিফাইতপুর বটতলা মসজিদের দানবাক্সের সাথে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই শিশু খালেকুল (১০) মারা যায়। এছাড়াও মারাত্বক আহত হয়েছেন মা খুকি বেগম, বড়বোন আফরিন ( ১৪), ছোট বোন বিবি আয়সা( ৭)এবং চাচি লাজু বেগম । আহতদের উদ্ধার করে প্রথমে গাইবান্ধা সদর হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ

টাঙ্গাইলে করোনায় আরও আক্রান্ত ৩০, মোট ৩৫৯

প্রতিনিধি,টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলে প্রতিদিনই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসে নতুন আক্রান্তের সংখ্যা। জেলায় নতুন করে ৩০ জন করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলার মোট শনাক্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩৫৯ জনে। বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে টাঙ্গাইলের সিভিল সার্জন ডা. মো. ওয়াহীদুজ্জামান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এসময় তিনি জানান, করোনা ভাইরাস পরিক্ষার জন্য ১০২টি নমুনা পাঠানো হয়েছিল। তার মধ্যে ৩০ জনের মাঝে করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে মির্জাপুর উপজেলায় ১৩ট, সদর উপজেলায় ১০, বাসাইল উপজেলায় ৪, কালিহাতী উপজেলায় ২ এবং নাগরপুর উপজেলায় ১ জনের করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছে।এ নিয়ে টাঙ্গাইলে সর্বমোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ৩৫৯ জনে। এর মধ্যে মির্জাপুর ৮৯, সদর ৫৯, নাগরপুর ৩৩, কালিহাতী ৩২, মধুপুর ২৮, দেলদুয়ার ২৬, ঘাটাইল ২১, ধনবাড়ী ২০, গোপালপুর ১৭, ভূঞাপুর ১৩, সখিপুর ১৩ এবং বাসাইলের ৮ জন রয়েছেন। জেলায় সর্বমোট ৬ জন করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। অপরদিকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ১২৭ জন।

 

আলোকিত প্রতিদিন /১৭ জুন ‘ ২০/এসএএইচ

ফরিদপুরের সালথায় গাঁজার গাছসহ যুবক গ্রেফতার

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: ফরিদপুরের সালথায় গাঁজা গাছসহ নাসির মাতুব্বার (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) রাতে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের গোয়ালপাড়া গ্রাম থেকে তাকে আটক করা হয়। এঘটনায় থানায় একটি মাদক আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সালথা থানা পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ’র নেতৃত্বে এসআই মোস্তফা কামাল ও এএসআই মিলন হোসেনসহ একটি পুলিশ টিম মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে গোয়ালপাড়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে আওয়াল মাতুব্বারের ছেলে নাসির মাতুব্বারকে আটক করে। এসময় আটককৃত মাদক ব্যবসায়ীর বসতঘরের দক্ষিনপাশ থেকে বড় একটি গাঁজার গাছ উদ্ধার করে পুলিশ। সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আলী জিন্নাহ বলেন, গাঁজার গাছসহ আটককৃত নাসির মাতুব্বারের বিরুদ্ধে অবৈধ মাদকদ্রব্য গাজা গাছ বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে রোপন ও পরিচর্যা করার অপরাধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয়। বুধবার ধৃত আসামীকে ফরিদপুর বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ

কক্সবাজারে করোনা রোগীদের জন্য জেলা পুলিশের উদ্যোগে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস

আবু সায়েম,কক্সবাজারঃ করোনা ভাইরাস সারা বিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশের পাশাপাশি কক্সবাজারে আনুপাতিকহারে আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মানুষকে জনসচেতনতা এবং ঘরমুখো করতে কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের পক্ষথেকে কক্সবাজার পৌরসভার ১২ টি ওয়ার্ড এবং কক্সবাজারের অন্যান্য কয়েকটি উপজেলাকে রেডজোন ঘোষণা করে লকডাউন করা হয়েছে। কিন্তু জেলা প্রশাসনের এ রেড জোন বাস্তবায়নে একাগ্রচিত্তে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ। ইতিমধ্যে মাঠে ময়দানে ঝুঁকি নিয়ে কাজ করায় কক্সবাজারে ৫০ পুলিশ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। তবুও থেমে নেই কক্সাবাজার জেলা পুলিশের মানবিক কার্যক্রম। কক্সবাজার জেলা পুলিশের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বিপিএম (বার) ,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম এবং কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাঃ শাহজাহান কবিরসহ পুরো টিম করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে লকডাউন পর্যন্ত নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত পরিবারে খাবার পৌঁছানো,জরুরি খাদ্য সহায়তা কার্যক্রম, হতদরিদ্র পথশিশু ছিন্নমূল এবং পাগলদের মাঝে খাবার বিতরণ, ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস,স্থানীয় ভাষায় মাইকিং করে জনসচেতনতা, লিফলেট বিতরণসহ যাবতীয় কার্যক্রম সম্পাদন করে যাচ্ছেন। জীবনের মায়া ত্যাগ করে কক্সবাজার জেলাবাসীকে সুস্থ ও নিরাপদ রাখার জন্য জেলা পুলিশ দিন রাত ২৪ ঘন্টা কাজ করে মানবিকতার অনন্য নজির স্থাপন করেছেন। সরেজমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার জেলা পুলিশের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন এর নির্দেশে সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাঃ শাহজাহান কবিরের নেতৃত্বে করোনা ভাইরাসরোধে মাঠে ময়দানে মানুষকে সচেতনতা এবং ঘরমুখো করতে কক্সবাজারের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে চেক পোস্ট স্থাপন করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করছেন এবং শক্ত অবস্থানে থেকে করোনা সংক্রমণরোধে ভূমিকা পালন করছেন। বর্তমানে কক্সবাজার জেলা পুলিশের টিম চমৎকার কাজ করছেন। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রত্যেকটি পুলিশ কর্মকর্তা সৃজনশীলতার বহিঃপ্রকাশ। মানবকল্যাণে নিয়োজিত থেকে বাস্তবায়ন করছেন সৃষ্টিশীল নানামুখী সেবামূলক কার্যক্রম। তারই অংশ হিসেবে বর্তমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্তস্থাপন করে কক্সবাজার জেলা পুলিশের উদ্যোগে শুরু হয়েছে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। গতকাল (১৬ জুন) মঙ্গলবার পুলিশ সুপার কার্যালয়ের সামনে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটির শুভ সূচনা করে জেলাবাসীর করোনা রোগীদের জন্য উন্মুক্ত করেন পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন। এসময় কক্সবাজার জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( হেডকোয়ার্টার) রেজওয়ান আহমেদসহ পুলিশ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সূত্র মতে, করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে কক্সবাজার জেলা পুলিশ “মুজিববর্ষের অঙ্গিকার, পুলিশ হবে জনতার প্রতিপাদ্য বিষয়কে সামনে রেখে এ স্লোগান কে ধারণ করে সর্বদা প্রত্যক্ষভাবে মানুষের পাশে থেকে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। সৃষ্টিশীল এবং সৃজনশীলতার জোরে মানবিকতার দিকে নজর দিয়ে চালু করলেন ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস। পুলিশের এমন উদারতা দেখে ইতিমধ্যে কক্সবাজারে এ অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসটি সুনাম কুড়িয়েছে। দেশের চলমান এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের এমন কার্যক্রমকে জেলাবাসী কৃতজ্ঞতার চিত্তে স্মরণ করছেন। অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন বলেন, শুধুমাত্র করোনা রোগীদের ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস দেওয়া হবে। এই সেবা পেতে করোনা রোগীর পরিবারের পক্ষ থেকে পুলিশের ০১৭২৭-৬৬৬৬৬৬ নম্বর এবং ০৩৪১-৬৪০৪৮ টিএনটি ফোনে যোগাযোগ করে অবগত করতে হবে। দিন রাত ২৪ ঘন্টা ফোন ২ টি খোলা থাকবে। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বিপিএম( বার) বলেন,কক্সবাজার জেলা পুলিশ মানবসেবায় সর্বদা নিয়োজিত আছেন। করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে বর্তমান লকডাউন ও রেড জোন ঘোষণা হওয়ার পর থেকে মাঠে ময়দানে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে স্বতঃস্ফূর্ত ভূমিকা পালন করছেন। জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কাজ করতে গিয়ে জেলা পুলিশের ৫০ সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। মানুষের দুঃখ দুর্দশা এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে কষ্ট দেখে ভোগান্তি রোধে ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস উদ্বোধন করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, করোনা ভাইরাসের আক্রান্তের দিক দিয়ে কক্সবাজার চতুর্থ অবস্থানে রয়েছেন। নিজের জীবন, পরিবারের সুখ শান্তি ও নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে অধিকতর সচেতন এবং ঘরে থাকার আহ্বান জানান। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত করোনা রোগীদের জন্য ফ্রি অ্যাম্বুলেন্স সেবা প্রদান করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ

রেড-ইয়েলো জোনের বিজ্ঞপ্তিতে নেই রাঙ্গাবালী

সংবাদদাতা,রাঙ্গাবালী: সারাবিশ্বের ন্যায় বাংলাদেশে করোনা ভাইরাস (কোভিভ-১৯) এর সংক্রমনে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এজন্য দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ লকডাউন পার করছে। ফলে‌ জনসাধারণরা ভুগছেন দৈনিক চাহিদা পূরণে। অপরদিকে দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা দিন দিন হ্রাস পাচ্ছে। এ বিষয় নিয়ে চিন্তিত জনগণসহ দেশের সরকার। এজন্য দেশের অভ্যন্তরে করোনা ভাইরাস মহামারী মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার বর্তমানে যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন, জোন ভিত্তিক (রেড, ইয়েলো, গ্রীন) তা বর্তমান সরকারের একটি যুগান্তকারী সাফল্য পাওয়া পদক্ষেপ। বর্তমানে পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালী উপজেলাটি ভয়াবহ জোন (রেড, ইয়েলো) থেকে মুক্ত একটি জোন, যেটি হচ্ছে গ্রীন জোন। গত ১৫ জুন ২০২০ ইং রোজ সোমবার সিভিল সার্জন কার্যালয় (পটুয়াখালী) থেকে সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম স্বাক্ষরিত (স্মারক নং : সিএস/পটুয়া/প্রশাসন/২০২০/১৬৪৯) একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে পটুয়াখালী জেলার আওতাধীন ৮টি উপজেলার বর্তমান করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরা হয়। সেই তথ্যসূত্র থেকে পাওয়া রাঙ্গাবালী উপজেলা বর্তমান রেড-ইয়েলো মুক্ত একটি জোন। যেটি‌ রাঙ্গাবালী উপজেলাবাসী মনে করেন তাদের জন্য এটি একটি কালজয়ী আশীর্বাদ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ

সাভারে একটি মুদি দোকানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা

প্রতিনিধি,সাভার: সাভারে একটি মুদি দোকানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। মঙ্গলবার(১৬ জুন) দিবাগত রাত ১টার দিকে সাভার সদর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ড দেওগাঁও পশ্চিমপাড়া এলাকায় একটি মুদি দোকানে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। দোকান মালিক কাজম আলী জানান,প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল রাত ১১.৩০ মিনিটের দিকে দোকান বন্ধ করে নিজ ঘরে শুয়ে পরেন তিনি।পরে পরিবারের সদস্যদের ডাক চিৎকারে ঘর থেকে বের হয়ে দেখেন তার দোকানের ভিতরে পেট্রোল দিয়ে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।পরে স্থানীয়দের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তিনি আরো জানান, দুর্বৃত্তদের আগুনে তার দোকানের আসবাবপত্রসহ বেশ কিছু মালামাল পুড়ে যায়।এতে দোকানের প্রায় ৫০ হাজার টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।কে বা কারা কি কারণে তার দোকানে আগুন দিয়েছে এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না।তবে এই বিষয়ে সাভার মডেল থানায় একটি সাধারণ ডাইরি করবেন বলে জানান তিনি।স্থানীয়রা জানান,রাত ১টার দিকে হঠাৎ বাহির থেকে পোড়া গন্ধ এবং মানুষের ডাকচিৎকারে ছুঁটে আসেন এবং দেখতে পান কাজম আলীর মোদি দোকানে আগুন দিয়েছে দুর্বৃত্তরা।পরে সকলের সহযোগীতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।এই ঘটনার সাথে কারা জড়িত এই বিষয়ে কিছুই জানেন না তারা। সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত সাইফুল ইসলামকে বিষয়টি অবগত করলে তিনি বলেন,ভুক্তভোগীরা থানায় লিখিত অভিযোগ দিলে সুষ্ঠ তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় আরও ১০ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ১৭৯

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় আরও ১০ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা দাড়ালো ১৭৯ জনে। গত (১৬ জুন) মঙ্গলবার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৭, সাঘাটায় ১, গাইবান্ধা সদরে ১, এবং পলাশবাড়ী উপজেলার ১ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৭২ জন, গাইবান্ধা সদরে ২৮, ফুলছড়িতে ৮, সাঘাটায় ১৫, পলাশবাড়ীতে ২১, সুন্দরগঞ্জে ১৫ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২০ জন রয়েছে। গত ৯ দিনে গাইবান্ধায় ৯৫ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৫ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৪৯ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৫ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ২ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন,পলাশবাড়ীতে ১ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ

কানেকটিকাটের ম্যানচেস্টারে সাধু আন্তনীর তীর্থোৎসব পর্ব অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা,নিউইয়র্ক: প্রতি বছরের ন্যায় এবারো যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যে খ্রীষ্ট সম্প্রদায়ের কাছে পরম আরাধ্য ব্যক্তিত্ব সাধু আন্তনীর তীর্থোৎসব পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে। নয়দিন নভেনা প্রার্থনারপর গত শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যায় ম্যানচেস্টার প্রবাসী খ্রীষ্টভক্ত মীরা ও সুধীর পালমার বাসভবনে অনুষ্ঠিত হয় এ অনুষ্ঠান। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। ২০০৮ থেকে খ্রীষ্টভক্ত মীরা ও সুধীর পালমার ব্যক্তিগত উদ্যোগে এবং কানেকটিকাটে বসবাসরত সকল খ্রীষ্টভক্তদের সহযোগিতায় সার্বজনীনভাবে মহান সাধু আন্তনীর তীর্থোৎসব পর্ব অনুষ্ঠিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে সাধু আন্তনীর মধ্যস্ততায় সর্বশক্তিমান ঈশ্বরের পদতলে সমবেতভাবে প্রার্থনা নিবেদন করা হয়। ধর্মীয় ভাবগাম্ভির্যের মধ্য দিয়ে বরিশাল ডায়োসিস এর বিশপ লরেন্স সুব্রত হাওলাদার সিএসসি-এর পরিচালনায় খ্রীষ্টযাগ প্রার্থনায় অংশনেন উপস্থিত সকল খ্রীষ্টভক্ত। খ্রীষ্টযাগে সংগৃহিত অর্থ বাংলাদেশের আর্তমানবতার সেবায় ব্যয় করা হবে বলে আয়োজকবৃন্দরা জানান। খ্রীষ্টভক্তরা মনে করেন সাধু আন্তনীর মধ্যস্থতায় প্রাথর্না করলে মনকামনা পুরণ হয় এবং অসুস্থ ব্যাক্তি সুস্থতা লাভ করেন।খ্রীষ্ট সম্প্রদায়ের মতে, মহান সাধু আন্তনীর জীবনে তিনি পিতা ঈশ্বরের দেয়া সদ্গুণ মানুষের কল্যাণে ব্যবহার করেছেন। তিনি মাত্র ১৭ বৎসর বয়স থেকে ঈশ্বরের কাজে নিবেদিত হয়েছিলেন এবং আমৃত্যু ঈশ্বরের রাজ্য বিস্তারে কাজ করেছেন। তিনি প্রায় একযুগ ধরে যারা ঈশ্বরের প্রতি, তাঁর একমাত্র পুত্র প্রভু যীশু খ্রিষ্টের প্রতি এবং মা মারীয়ার প্রতি যাদের বিশ্বাস ছিল না তাদের বিশ্বাসকে দৃঢ় করেছেন বক্তিমা দিয়ে। তিনি তাঁর জিহ্বা ব্যবহার করে খ্রীষ্ট ধর্মের প্রচার করেছেন। তাঁর মনমুগ্ধকর কথা শুনার জন্য দূর দূরান্ত থেকে মানুষ আসতো তাঁর কাছে। মহান সাধু আন্তনী প্রভু যীশু খ্রীষ্টের মত অনেক আশ্চর্য কাজ করেছেন যা তার জীবদ্দশায় তাঁকে করেছে মহান। তাঁর জীবনের অনেক ঘটনা আমরা বিভিন্ন পুস্তিকা পড়ে জানতে পেরেছি এবং আজও কোন দ্রব্য হারিয়ে গেলে সাধু আন্তনীর কাছে প্রার্থনা করলে তা পাওয়া যায় বলে ভক্তদের বিশ্বাস। তার মৃত্যুর এতো বৎসর পরও সাধু আন্তনীর নিকট প্রার্থনা করলে ফল পাওয়া যায়। সাধু আন্তনী অলৌকিক ক্ষমতার অধিকারী আধ্যাতিক পুরুষ ছিলেন।তিনি দুরারোগ্য ব্যাধিগ্রস্তকে ছুঁয়ে দিলে রোগী সুস্থ হয়ে উঠত।সাধু আন্তনী ১১৯৫ খ্রিস্টাব্দে ইউরোপে (বর্তমান পর্তুগাল) জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর কর্মজীবন কাটে ইতালির পাদুয়ায়। সাধুর অনুসারীরা বিশ্বাস করেন তাঁর সঙ্গে শিশু যিশুর সাক্ষাৎ ঘটেছিল। এর মধ্য দিয়ে সাধু আন্তনী অলৌকিক ক্ষমতা অর্জন করেন। তার অনুসারীদের মতে, সাধু আন্তনীর নাম মুখে নিলে অন্তরে ভক্তিভাবের জন্ম নেয় এবং হারানো জিনিস ফিরে পাওয়ার জন্য সাধু আন্তনীর কাছে প্রার্থনা করলে সুফল পাওয়া যায়। মাত্র ৩৯ বছর বয়সে ক্ষণজন্মা এ মহাপুরুষ ইহলোক ত্যাগ করেন। কানেকটিকাট অঙ্গরাজ্যের ম্যানচেস্টারসহ পার্শ্ববর্তী বেশ কয়েকটি শহরের প্রচুর সংখ্যক খ্রীষ্টভক্ত উক্ত অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও পরদিন শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় জুম ভার্চুয়াল সভায় কানাডা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া, ম্যারিল্যান্ড ও কানেকটিকাটে বাসবাসরত প্রবাসী খ্রীষ্টভক্তরা অংশ নেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুন ‘২০/এসএএইচ