আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2568

বগুড়ায় বজ্রপাতে এক শিশুর মৃত্যু

সংবাদদাতা,বগুড়াঃ বগুড়ার ধুনট উপজেলার ছাতিয়ানি গ্রামে নানার বাড়ীতে বেড়াতে এসে সমাপ্তি খাতুন (৮) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। নিহত সমাপ্তি সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার পানিবাড়ী গ্রামের মুরশিদ আলমের মেয়ে। শুক্রবার (১৯ জুন)দুপুর ১টায় এ ঘটনা ঘটে। জানা যায়, উপজেলার ছাতিয়ানি গ্রামে সমাপ্তি খাতুন কয়েকদিন আগে নানা আব্দুল মান্নানের বাড়ীতে বেড়াতে আসে। দুপুরে নানার বাড়ীর আঙ্গিনায় বৃষ্টির পানিতে ভিজে খেলতে ছিল সমাপ্তি। এ সময় মেঘের গর্জনের এক পর্যায়ে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই সমাপ্তির মৃত্যু হয়। ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, বজ্রপাতে শিশু মৃত্যুর খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি এসময় নিহত সমাপ্তির অভিভাবকেরা দাফন করতে চাইলে ময়না তদন্ত ছাড়াই তার লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

 

সুন্দরগঞ্জে করোনাঃ ইউএনও’র বাসভবনসহ ২৩ পরিবার লকডাউন

সংবাদদাতা,সুন্দরগঞ্জ(গাইবান্ধা): বিশ্ব মহামারী করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাসের আক্রান্ত হওয়ার কারণে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনসহ ২৩ টি পরিবারকে লকডাউন করা হয়েছে।  শুক্রবার (১৯ জুন) বিকেলে এ তথ্য  নিশ্চিত করেছেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ আশরাফুজ্জামান সরকার।

তিনি জানান, উপজেলায় এপর্যন্ত মোট ১৬ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। এরমধ্যে ২ জন সুস্থ হয়েছেন। একজন ইতোমধ্যেই মারা গেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাজী লুতফুল হাসানসহ বাকী ১৩ জন চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এই ১৩ টি পরিবারসহ তাদের সংস্পর্শে আসা ২৩টি পরিবারকে লকডাউন করেছেন উপজেলা করোনা প্রতিরোধ কমিটি। এ ২৩ পরিবারের সদস্য সংখ্যা প্রায় শতাধিক হবে বলে জানা গেছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

 

 

 

নোয়াখালীতে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্য করায় ওসি প্রত্যাহার

সংবাদদাতা,নোয়াখালীঃ কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়েও আসামিকে নিয়ে অভিযানে যাওয়ায় নোয়াখালীর সোনাইমুড়ি থানার ওসি আব্দুস সামাদকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।জেলার পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন (১৯ জুন) শুক্রবার বলেন, বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে ওসি সামাদকে প্রত্যহার করে জেলা সদরের শহীদ ভুলু স্টেডিয়ামে স্থাপিত অস্থায়ী কোভিড -১৯ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।তার জায়গায় সোনাইমুড়ি থানার ওসির দায়িত্বে এসেছেন ফেনীর পুলিশ পরিদর্শক মুহাম্মদ গিয়াস উদ্দিন। পুলিশ সুপার বলেন, করোনা ভাইরাসের উপসর্গ দেখা দিলে গত ৯ জুন নোয়াখালীর আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজে ওসি আব্দুস সামাদের নমুনা পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। ১৫ জুন তার রিপোর্টে করোনা ভাইরাস পজিটিভ আসে।নিয়ম অনুযায়ী এরপর তার আইসোলেশনে থাকার কথা। কিন্তু সামাদ তা না করে গত ১৭ জুন ঢাকার কদমতলী থানার মোহাম্মদবাগ এলাকা থেকে গ্রেফতার হওয়া হত্যা মামলার আসামি মীর হোসেন মীরাকে (২০) নিয়ে সোনাইমুড়ি থানা এলাকায় অস্ত্র উদ্ধারে বের হন বলে জানান পুলিশ সুপার আলমগীর।“এতে মীরা ছাড়াও একাধিক পুলিশ সদস্য ওসির সংস্পর্শে যান। বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সমালোচনা হয়।” পুলিশ সুপার বলেন, “একজন পুলিশ কর্মকর্তার দায়িত্ব হল মানুষকে নিয়ম কানুন মেনে চলতে উদ্বুদ্ধ করা। কিন্তু সামাদ নিজেই নিয়ম ভেঙ্গে কর্তব্যে অবহেলা করেছেন; সেই সঙ্গে পুলিশের ভারমূর্তি ক্ষুণ্য় করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

 

সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধঃ উপকূলীয় জেলে পরিবারের হাহাকার

সংবাদদাতা, রাঙ্গাবালী(পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় সমুদ্রে মাছ শিকার বন্ধ থাকায় চরম বিপাকে পরেছে বঙ্গোপসাগর সংলগ্ন জেলেরা। এদিকে মাছ শিকার বন্ধ, অন্যদিকে করোনার কারণে বিকল্প কাজও নেই। এ কারণে সাগর উপকূলের জেলেদের চরম দুর্দিন যাচ্ছে। সংসারের ব্যয়ভার বহন ও মহাজনের নিকট থেকে আনা দাদনের টাকা শোধ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পরেছেন জেলেরা। আয় রোজগারের পথ বন্ধ হওয়ায়  দীর্ঘদিন বেকার সময় কাটাতে হচ্ছে। যার ফলে অনেকের ঘরের চুলায় এখন আগুন জ্বলছে না। এমন অবস্থায় উপকূলের জেলে পল্লীগুলোতে শত শত জেলে হাহাকার করছেন।  মৎস বিভাগসূত্রে জানা যায়, দেশের মৎস সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে প্রতিবছর সমুদ্রে সকল প্রকার মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করে সরকার। এবছর ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত টানা ৬৫ দিনের অবরোধ ঘোষণা করা হয়েছে। তাই বর্তমানে সমুদ্রে সকল প্রকার মাছ শিকার বন্ধ রয়েছে। তবে মৎস বিভাগ ঘোষিত নিষেধাজ্ঞার আগ থেকেই করোনার কারণে উপকূলে ইলিশ শিকার প্রায় বন্ধ ছিল। করোনার প্রভাবে গত ২৬ মার্চ দেশব্যাপী লকডাউন ঘোষিত হওয়ায় বরফ সংকট ও মাছ চালান দিতে না পারায় অনেক জেলেই মাছ ধরতে যায়নি। এরপরে আবার লকডাউন শিথিল হতে না হতেই ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা জাড়ি হয়। এতে প্রায় ৩ মাস ধরে ইলিশ শিকার বন্ধ রয়েছে উপকূলের জেলেদের। জেলেরা জানান, সরকারী নিষেধাজ্ঞার কারণে বঙ্গোপসাগরে মাছ শিকারে যেতে পারছেননা তারা। এদিকে করোনার কারণে গ্রামেও অন্য কোন কাজ নেই। বিগত বছরগুলোতে মাছ ধরা বন্ধ থাকলে জেলেরা সমুদ্র থেকে উঠে এসে এলাকায় দিনমুজুরি বা অন্যকোন কাজ করে সংসার চালাতো। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে কোন কাজ পাওয়া যাচ্ছেনা। এ কারণে ঘরে বসেই বেকার সময় পার করতে হচ্ছে জেলেদের। সংসারে ব্যয়ভারের একমাত্র মাধ্যম ছিল জেলে পেশা। এখন বিকল্প কোন আয়ের উৎস না থাকায় বিপাকে পরেছেন তারা। অন্যদিকে মাছের ব্যবসার জন্য মহাজনের নিকট থেকে আনা দাদনের টাকা কিভাবে শোধ করবে, তা নিয়েও চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে জেলেরা। জেলেরা আরও জানান, সরকার মৎস আহরণে বিরত থাকা জেলেদের জন্য যে প্রণোদনাদেন তা খুবই সামান্য। এ দিয়ে কোন মত দু’বেলা ভাত খাওয়া সম্ভব। কিন্তু সংসারের অন্যসব ব্যায়ভার বহন সম্ভব নয়। এর মধ্যে আবার যেসব জেলেদের নিবন্ধন তালিকায় নাম নেই। কিন্তু সমুদ্রগামী প্রকৃত জেলে, তারা সরকারী সহায়তা থেকে বঞ্চিত হয়। গঙ্গীপাড়ার জেলে জসিম কাজী বলেন, ‘আমরা ইলিশ শিকারী জেলে। বঙ্গোপ সাগরে ইলিশ শিকারই আমাদের পেশা। বছরে তিন-চার বার মাছ ধরায় নিষধাজ্ঞা থাকে। এর মধ্যে আবারও যোগ হয়েছে করোনা ও লকডাউন। এবছর সাগরে ভালোভাবে ১ মাসও মাছ ধরতে যাইতে পারি নাই। তাহলে আমাগো পুরা বছরের সংসার কিভাবে চালামু। সরকার যে সহায়তা দেয় তাও সামান্য।’ চরমোন্তাজ স্লইসঘাট এলাকার জেলে আব্দুল মৃধা জানান, রাঙ্গাবালী উপজেলায় বিদ্যুৎ না থাকায় এখানে কোন বরফ কল নেই। ঢাকা ও জেলা শহর পটুয়াখালী থেকে লঞ্চযোগে বরফ আনতে হয়। কিন্তু লকডাউনের কারণে যথা সময়ে বরফ না পাওয়ায় আমরা মাছ ধরতে পারি নাই। এছাড়াও লঞ্চ চলাচল বন্ধ থাকায় মাছ চালান করতে না পেরে আমরা প্রায় দুই মাস যাবৎ ইলিশ ধরতে যাইনি। এরপর লকডাউন উঠানো হলে  আবার কিছুদিন মাছ ধরতে সাগরে যাই। জালে ইলিশ ভালোই ধরা পরছিলো। কিন্তু হঠাৎ করে আবার ৬৫ দিনের অবরোধ। যার কারণে সাগরে মাছ ধরতে পারছিনা। মাছের বোট করার জন্য মহাজনের কাছ থেকে যে টাকা এনেছি, এখন সেই টাকা পরিশোধের জন্য মহাজন বারবার চাপ দিচ্ছে। কিন্তু মাছ ধরা বন্ধ, আমরা টাকা পামু কই। একই এলাকার জেলে কামাল ব্যাপারী জানান, ‘উপকূলের অধিকাংশ মানুষ জেলে। এখানে মাছ ধরাই অনেকের একমাত্র পেশা। এর মধ্যে এই বছর ভালোভাবে ১ মাসও মাছ ধরতে পারেনাই। তাহলে কি দিয়া এখানকার জেলেরা সংসার চালাইবে। ধার দেনায় জর্জরিত হয়ে মানুষ এখন হাহাকার করছে। ব্যাক্তিগতভাবে আমি দেনা নিয়ে খুবি টেনশনে আছি। কি দিয়া দেনা দিমু, কি দিয়া সংসার চালামু আর কি দিয়া ছেলে-মেয়েদের লেখাপাড়া করামু।  রাঙ্গাবালী উপজেলা মৎস কর্মকতা মোঃ জাহিদুল ইসলাম জানান, মৎস সম্পদ বৃদ্ধির লক্ষ্যে সমুদ্রে সকল প্রকার মাছ শিকারে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই সময়ে সমুদ্রে মাছ শিকার থেকে বিরত থাকা জেলেদেরকে সরকার খাদ্য সহায়তা হিসেবে নিবন্ধিত প্রতি জেলেকে দুই ধাপে ৮৬ কেজি করে চাল দেয়। এছাড়াও সমুদ্রগামী যেসব জেলে নিবন্ধিত তালিকায় নেই, তাদেরকে নতুন করে তালিকাভুক্ত করার পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯জুন’২০/এসএএইচ

 

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আক্রান্ত ৩২৪৩, মৃত্যু ৪৫

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ৪৫ জন মারা গেছেন। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মারা যাওয়ার সংখ্যা দাড়ালো ১ হাজার ৩৮৮ জনে। একই সময়ে করোনা ভাইরাসে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ২৪৩ জন। ফলে এ নিয়ে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাড়ালো ১ লাখ পাঁচ হাজার ৫৩৫ জনে। শুক্রবার (১৯ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়। অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা অনলাইনে বুলেটিন পড়েন। তিনি জানান, করোনা ভাইরাস শনাক্তে ২৪ ঘণ্টায় ১৬ হাজার ৩২৭টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ৪৫টি। এ নিয়ে দেশে নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৫ লাখ ৮২ হাজার ৫৪৮টি। নতুন পরীক্ষায় করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ২৪৩ জনের মাঝে। ফলে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ১ লাখ ৫হাজার ৫৩৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৪৫ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো ১ হাজার ৩৮৮ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছে আরও ২ হাজার ৭৮১ জন।ফলে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৪২ হাজার ৯৪৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের ৩২ জন পুরুষ ও ১৩ জন নারী। এদের মধ্যে ১১ থেকে ২০ বছরের ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের ৩ জন, ত্রিশোর্ধ্ব ৪জন, চল্লিশোর্ধ্ব ১০ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৯জন, ষাটোর্ধ্ব ১১ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৪জন, ৮০ বছরের বেশি বয়সী ৩জন রয়েছেন। ৩২ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং ১৩ জন মারা গেছেন বাসায়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন;২০/এসএএইচ

 

ময়মনসিংহের ভালুকায় করোনা উপসর্গ নিয়ে ব্যবসায়ীর মৃত্যু

সংবাদদাতা,ভালুকা (ময়মনসিংহ): ময়মনসিংহের ভালুকায় করোনা উপসর্গ নিয়ে এক  ব্যবসায়ীর মৃত্যু হয়েছে ।  জ্বর ও শ্বাসকষ্টের মত করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া ব্যবসায়ীর নাম ইব্রাহিম খলিল আলম (৪৫)। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন)  রাত ১০ টার দিকে উপজেলার হবিরবাড়ী ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামের নিজ বাড়ী থেকে হাসপাতালে নেয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয়রা জানায়, নিহত আলম বেশ কিছুদিন যাবত জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলো। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তার তীব্র শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে স্বজনরা তাকে হাসপাতালে নেয়ার সময় পথেই তার মৃত্য হয়। নিহত আলম উপজেলার রাজৈ ইউনিয়নের উরাহাটি গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

 

 

গাইবান্ধায় আরও ৫ জন করোনায় আক্রান্ত,মোট ১৯৩

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় আরও ৫ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যাক্তির সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ১৯৩ জনে। গত (১৮ জুন) বৃহস্পতিবার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ১,পলাশবাড়ীতে ১,সাদুল্লাপুরে ১ এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ৮১ জন, গাইবান্ধা সদরে ৩০, ফুলছড়িতে ৮, সাঘাটায় ১৫, পলাশবাড়ীতে ২২, সুন্দরগঞ্জে ১৬ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২১ জন রয়েছে। গত ১১ দিনে গাইবান্ধায় ১০৯ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।এ পর্যন্ত জেলায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ২৫ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৬২ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৬ জন। এদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ২ জন, সাদুল্লাপুরে ১ জন,পলাশবাড়ীতে ২ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

 

 

কলাপাড়ায় গ্লোবাল উন্নয়ন সেবা’র উদ্যোগে ত্রাণ বিতরণ

সংবাদদাতা, কলাপাড়া (পটুয়াখালী): কলাপাড়ায় লতাচাপলী ইউনিয়নে বেসরকারী সংস্থা গ্লোবাল উন্নয়ন সেবা’র উদ্যোগে ও বাংলাদেশ রিজেনারেশন ট্রাস্ট’র সহায়তায় অসহায় দুস্থ, দরিদ্র পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকালে লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদের নীচ তলায় ১৫০ জন মানুষের মাঝে এ ত্রাণ বিতরণ করা হয়। ত্রাণ বিতরণে লতাচাপলী ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো.আনছার উদ্দিন মোল্লা’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবু হাসনাত মো.শহিদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গ্লোবাল উন্নয়ন সেবা সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কে.এম.এনায়েত হোসেন , মহিপুর প্রেসক্লাব সভাপতি মো.মনিরুল ইসলাম, কুয়াকাটা প্রেসক্লাব সাধারণ সম্পাদক কাজী সাঈদ, সাংবাদিক হোসাইন আমির, শহিদুল ইসলাম, মহিবুল্লাহ পাটোয়ারী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, সংস্থাটির এডমিন কর্মকর্তা মো: মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রকল্প সমন্বয়কারী শামিমা নাসরীন, আই.টি অফিসার মো.মোরশেদুজ্জামান সজল, হিসাব রক্ষক গোপাল মল্লিক ও স্বেচ্ছাসেবী কে.এম.জাহিদ হোসেন প্রমুখ।  প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বর্তমান বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাসের সময় চলমান ৬৫দিনের অবরোধ ও গত একসপ্তাহের টানা বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের জন্য গ্লোবাল উন্নয়ন সেবা সংস্থাকে ধন্যবাদ জানান। উপকূলীয় অঞ্চলে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে আগামী দুই মাস কিস্তির টাকা আদায় কার্যক্রম বন্ধ রাখার জন্য অনুরোধ করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

বেনাপোলে মালবাহি ট্রেনের ধাক্কায় ট্রাক খাদে

সংবাদদাতা,বেনাপোলঃ বেনাপোল থেকে ছেড়ে যাওয়া মালবাহি ট্রেনের ধাক্কায় একটি ট্রাক খাদে পড়েছে। বেনাপোলের দিঘিরপাড় নামক বাইপাস সড়কে রেল ক্রসিং পার হওয়ার সময় একটি লোহার কুচি বোঝাই ট্রাককে ধাক্কা দিলে ট্রাকটি দুমড়ে মুচড়ে খাদে পড়ে যায়। তবে কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। শুক্রবার রাত ৩.৪০ এর সময় ভারত থেকে আমদানিকৃত পন্য পেয়াজ বোঝাই মালবাহি ট্রেনটি বেনাপোল থেকে নওয়াপাড়ার উদ্দেশ্য ছেড়ে যায়। মাত্র ১ কিলোমিটার পথ যেয়ে বেনাপোলের দিঘিরপাড় নামক স্থানে বাইপাস সড়ক পার হওয়ার সময় সিলেট-ট-০০১১৮১ নং লোহার কুচি বোঝাই ট্রাকটিকে ট্রেনটি ধাক্কা দিলে ট্রাকটি রাস্তার খাদে দুমড়ে মুচড়ে পড়ে যায়। তবে ট্রাকের চালক ও হেলপার এর কোন ক্ষয় ক্ষতি হয়নি। বেনাপোল রেল ষ্টেশন মাস্টার সাইদুর রহমান বলেন, বাইপাস সড়কের রেল পারাপারের ওই জায়টি স্থানীয় প্রকৌশলীদের জায়গা হওয়ায় সেখানে রেল কর্তৃপক্ষের কোন গেটম্যান নেই। যার ফলে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। দুর্ঘটনা কবলিত স্থান রেল কতৃপক্ষ পরিদর্শন করেছেন। রেল চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে তিনি জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন’২০/এসএএইচ

দেবীদ্বারে করোনায় আক্রান্ত আরও ১৯, মোট ২৫৮

সংবাদদাতা,দেবীদ্বার (কুমিল্লা): কুমিল্লার দেবীদ্বারে এক চিকিৎসক ও মুক্তিযোদ্ধাসহ নতুন করে আরও ১৯ জন করোনা পজেটিভ সনাক্ত হয়েছে।ফলে মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাড়ালো ২৫৮ জনে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) বিকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পিসিআর ল্যাব থেকে প্রাপ্ত ৩৪ টি নমুনার রিপোর্টে ১৯টি পজিটিভ পাওয়া যায়। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আইসোলেশন ইউনিটে দায়িত্ব পালনকারী ১ জন চিকিৎসক, পরিবার পরিকল্পনা অফিসের ১ জন স্টাফ এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা আলফু ফকিরসহ মোট ১৯ জনের করোনা পজিটিভ সনাক্ত হয়েছে। এছাড়া বনকুট ১ জন, মোহাম্মদপুর ২ জন, ইষ্টগ্রাম ১ জন, ভিংলাবাড়ি ১ জন, তুলাগাও ১ জন, স্বপ্নিল টাওয়ার ১ জন, বাগমারা ১ জন, আবদুল্লাহপুর ১ জন, গোমতী আবাসিক এলাকা ১ জন, ইউসুফপুর ১ জন, মোহনপুর ১ জন, জাফরগঞ্জ ২ জন, চরবাকর ১ জন, গুনাইঘর ১ জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে । বৃহস্পতিবার দেবীদ্বারের ভানী ইউনিয়নের বরাট গ্রামের মা ও ছেলে ২ জন পজিটিভ রোগীকে সুস্থ ঘোষণা করা হয়েছে। এরা হলেন- ঝর্না রানী দেবনাথ (৫০),মাধব দেবনাথ (৩২)। উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আহাম্মদ কবীর জানান, এখন পর্যন্ত দেবিদ্বার থেকে মোট নমুনা প্রেরণ করা হয়েছে ১৩৪৬টি, মোট প্রাপ্ত রিপোর্ট ১২৩৫টি, এতে পজিটিভ সনাক্ত হয়েছে ২৫৮ জন, মৃত্যুবরণ করেছেন ১৬ জন। সুস্থ হয়েছেন ১৩২ জন। আক্রান্তদের মধ্যে হোম আইসোলেশনে আছেন ১০৫ জন এবং হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৫ জন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুন ‘২০/এসএএইচ