আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2566

 মানিকগঞ্জে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে দুই নারীর মৃত্যু, মোট আক্রান্ত ৪৯৬

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জে করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ডে দুই নারীর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (২১ জুন) বিকেলে ও রাতে তাদের মৃত্যু হয়। আজ সোমবার (২২ জুন) সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ। ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ জানান, নিহত একজনের বাড়ি ঘিওর উপজেলার মৌহালী গ্রামে। ৪১ বছরের ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হয় বেলা দুইটার দিকে। তিনি মারা যান রাত ১১টার দিকে। নিহত অন্যজনের নাম হামিদা বেগম। তার বাড়ি মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার জয়রা হাট এলাকায়। ৫১ বছরের ওই নারীকে হাসপাতালে নেওয়া হয় পৌনে দুইটায় এবং মারা যান আড়াইটার দিকে। মৃত্যুরপর তাদের শরীর থেকে নমুনা সংগ্রহ করে সাভার প্রাণী সম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে। রিপোর্ট পেলে নিশ্চিত হওয়া যাবে তারা করোনায় আক্রান্ত ছিলেন কিনা। এ নিয়ে জেলায় করোনা উপসর্গ নিয়ে মারা গেলেন ১৮ জন। এর মধ্যে পাঁচজনের করোনা শনাক্ত হয় বলে জানান তিনি। এদিকে, এ পর্যন্ত জেলায় মোট শনাক্ত ৪৯৬ জনের মধ্যে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৪১ জন, সাটুরিয়ায় ৯৫ জন, সিঙ্গাইরে ৯৬ জন, ঘিওরে ৭৬ জন, হরিরামপুরে ৪০ জন, শিবালয়ে ৩১ জন এবং দৌলতপুর উপজেলায় রয়েছেন ১৭ জন জন। করোনায় সংক্রমিত ব্যাক্তিদের মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২৮৬ জন এবং মারা গেছেন পাঁচ জন। এছাড়া, ২২ জন জেলার বিভিন্ন হাসপাতালে এবং অন্যরা নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন বলে জানান মানিকগঞ্জ জেলা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. আরশ্বাদ উল্লাহ ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২২ জুন’২০/এসএএইচ

 

 

কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের ১ লাখ চারা রোপনের উদ্যোগ

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে ১ লাখ চারা রোপনের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে সমুদ্রের তীর ঘেঁষে গড়ে উঠা মেরিন ড্রাইভ সড়ক সবুজায়নে ২৫ হাজার বিভিন্ন ফলজ- বনজ এবং  ঔষধি গাছের চারা রোপন করা হয়েছে।  গত ১০ জুন কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে.কর্ণেল ফোরকান আহমদ উক্ত গাছের চারা রোপন উদ্বোধন করেন। পর্যায়ক্রমে কউকের আওতাধীন  সাত উপজেলায় বাকি ৭৫ হাজার চারা রোপন কার্যক্রমও সম্পন্ন করবেন বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার  উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ। কউক অধিক্ষেত্রের মেরিন  ড্রাইভ সড়কে পাটুয়ারটেক থেকে টেকনাফ পর্যন্ত  প্রায় ৫০ কি. মিটার রাস্তার  ২৫ হাজার চারা গাছ লাগানো হয়েছে। এলাকা ভিত্তিক গাছগুলোর পরিচর্যার জন্য পরিবেশপ্রেমী স্বেচ্ছাসেবক, ছাত্রলীগ নেতৃবৃন্দসহ জনগোষ্ঠীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। গাছের চারা রোপন  উদ্বোধনের সময় বনবিভাগ, পরিবেশ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৬ ইসিবি, পুলিশ বিভাগ ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধনকালে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান লে. কর্ণেল অব ফোরকান আহমদ বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা যে নির্দেশনা দিয়েছেন কউক সে সকল নির্দেশনা বাস্তবায়নে একাগ্রচিত্তে কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধপরিকর। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে কক্সবাজারবাসীর সেবা করার জন্য নিয়োগ দিয়েছেন। জীবন দিয়ে হলেও আমি নীতি নৈতিকতায় অবিচল থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কক্সবাজারের প্রতি স্বপ্ন এবং ইশতেহার বাস্তবায়নে বিবিধ সেবামূলক এবং জনমুখী উদ্যোগ সম্পাদন করবো। তিনি আরো বলেন, কক্সবাজারের যে নৈসর্গিক সৌন্দর্য রয়েছে তা পর্যটক বান্ধব হিসেবে এবং পর্যটকদের উপভোগ করার জন্য কউক বিভিন্ন শৈল্পিক এবং উন্নয়নমুখী পরিকল্পনা হাতে নিয়েছে। ইতিমধ্যে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে শহরের বিভিন্ন  পুকুরের সৌন্দর্যবর্ধনের কাজ শেষ পর্যায়ে।  কউক কক্সবাজারবাসী এবং পর্যটকদের আকর্ষিত করতে সৃজনশীল কাজ বাস্তবায়নে সর্বদা নিয়োজিত এবং সকল ষড়যন্ত্রকে মোকাবেলা করে দুর্বার গতিতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর  স্বপ্ন বাস্তবায়নে অংশীদার হবেন।  এছাড়াও বন বিভাগের যেসকল পরিকল্পনা রয়েছে সেগুলো বাদ দিয়ে তাদের সাথে সমন্বয় করে ঝাউ গাছ ও অন্যান্য গাছ লাগানো হবে। ১ লাখ চারা গাছ রোপণের  পাশাপাশি সৈকত এলাকায় জীব বৈচিত্র্য রক্ষার্থে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান নির্দিষ্ট করে তা সংরক্ষণের জন্য ইতোমধ্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২২ জুন’২০/এসএএইচ   

 

 

 

বিএপিএ’র উদ্যোগে এএমসির অধীনে ১৪৩ পদে দ্রুত চিকিৎসক নিয়োগের দাবিতে মানববন্ধন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ বাংলাদেশ অল্টারনেটিভ প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএপিএ) উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে । আজ রবিবার (২১ জুন) রাজধানীর মহাখালীতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সামনে বাংলাদেশ অল্টারনেটিভ প্র্যাকটিশনার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিএপিএ) সভাপতি খন্দকার ফারুক আহমেদ ও মহাসচিব মাইন উদ্দিন মামুনের নেতৃত্বে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয় । অল্টারনেটিভ মেডিক্যাল কেয়ার (এএমসি) অধীনে ১৪৩ পদে ইউনানি, আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তিদেয় সরকারের স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। দীর্ঘ ৯ মাস পার হলেও সেই নিয়োগ এখনো না দেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আবেদনকারী চিকিৎসকেরা।ঘোষিত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী দ্রুত নিয়োগ বাস্তবায়নের দাবিতে এ মানবব্ন্ধন করেন আয়ুর্বেদিক ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকেরা। মানববন্ধনে বলা হয়, দীর্ঘ ৯ মাস অতিবাহিত হলেও নিয়োগ প্রক্রিয়ায় কোনো অগ্রগতি পরিলক্ষিত হচ্ছেনা। দেশের এই ক্লান্তিলগ্নে দ্রুত নিয়োগের ব্যবস্থা করলে বিশ্ব মহামারী করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাস মোকাবিলায় এবং দেশের জনগনের জীবন রক্ষার্থে এএমসির চিকিৎসকরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এসময় ইতিপূর্বে নিয়োগ পাওয়া এএমসির চিকিৎসকরা করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাস মোকাবিলায় নিরসলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন উল্লেখকরে তারা আরো বলেন, দেশের এই ক্রান্তিকালে বিভিন্ন জেলা,উপজেলা ও মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে এএমসির মেডিক্যাল অফিসাররা নিরলসভাবে জনগণকে স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে যাচ্ছেন। চিকিৎসাসেবা দিতে গিয়ে ইতোমধ্যে প্রায় ২০ জন এএমসি চিকিৎসকও কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

চিকিৎসকরা সংক্ষিপ্ত মানববন্ধন শেষে দ্রুত নিয়োগ বাস্তবায়নের দাবিতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর একটি স্মারকলিপিও প্রদান করেন ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

কলাপাড়ায় বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় সেতু ক্ষতিগ্রস্থ,দুর্ঘটনার আশংকা করছে এলাকাবাসী

সংবাদদাতা,কলাপাড়া (পটুয়াখালী):  কলাপাড়ায় চাকামাইয়া-টিয়াখালী ইউনিয়নের সংযোগ নদীর উপর নির্মিত বাংলাদেশ-ডেনমার্ক মৈত্রী-সেতুর একটি পাইল এবং একটি পাইলের উপরের নীচের অংশ বালুবহনকারী বাল্কহেডের থাক্কায় কংক্রিটের ঢালাই ভেঙ্গে রড বের হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে ব্রিজটি, ফলে যে কোনো সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে এমন আশংকা এলাকাবাসীর। চৌরাস্তার বাজারের স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রমতে জানা যায়,, শনিবার (২০ জুন) বালুবহনকারী ‘এমবি সিরাজ এন্টার প্রাইজ এসমাইল এন্ড আজমাইলের’ ধাক্কায় সেতুর এমন ক্ষতিসাধন হয়েছে। স্থানীয়রা এ নিয়ে সেতুটির ক্ষতির শঙ্কা প্রকাশ করছেন। বাল্কহেডের স্টাফরা জানায়, বালু খালাশ করে ফেরার পথে অসাবধানতাবশত সেতুর পাইল ও স্লাবের সঙ্গে ধাক্কা লেগে যায়। এবং বাল্কহেডটি সেতুর নিচে আটকে যায়। ব্যবসায়ী রিয়াজ তালুকদার জানান, বালু বোঝাই এসব বাল্কহেড চলাচলের সময়  সেতুতে ধাক্কা লাগে। পাইল এবং পাইলের উপরের স্লাবের নিচের পাথরের ঢালাই ভেঙ্গে  রড বের হয়ে গেছে (যার ওপরে গার্ডার সেট করা হয়েছে)। টিয়াখালী-নিশানবাড়িয়া-চাকামইয়া দোন নদীর ওপর নির্মিত এ সেতুর এমন ক্ষতিতে মানুষ ব্যাপক উদ্বেগ ও আশংকা প্রকাশ করেছেন। কলাপাড়া পৌরশহর থেকে চাকামইয়া-তালতলী-তারিকাটাসহ কয়েকটি ইউনিয়নের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য সেতুটি ২০১০ সালের ৭ জুলাই উদ্বোধন করা হয়। ডেনমার্কের রাষ্ট্রদূত মিঃ এইনার হেবোগার্ড জেনসন সেতুটির উদ্বোধন করেন। ফলে হাজার হাজার মানুষ যানবাহন চলাচলে এক নতুন দিগন্তের সূচনা ঘটে। ডেনমার্ক সরকারের অর্থায়নে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদফতর সেতুটি নির্মাণ করে। কলাপাড়া এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) মহর আলী জানান, বাল্কহেডটি আটকে দেয়া হয়েছে এবং ক্ষয়ক্ষতি যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক জানান, খবরটি শোনার পরেই স্থানীয় চেয়ারম্যান এবং এলজিডির প্রকৌশলীকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

করোনামুক্ত হলেন চট্টগ্রামের প্রথম আক্রান্ত হওয়া ইউএনও

সংবাদদাতা,চট্টগ্রামঃ দীর্ঘ ২৩ দিন হোম আইসোলেশনে থাকারপর অবশেষে করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস পজিটিভ হবারপর দুই শিশু সন্তানসহ সম্পূর্ণ সুস্থ হলেন চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাসুদুর রহমান। আজ রবিবার (২১ জুন) নিজের ফেসবুক আইডিতে স্ট্যাটাস দিয়ে করোনা মুক্ত হওয়ার বিষয়টি তিনি নিজেই নিশ্চিত করেন। সেই সাথে স্থানীয় সাংসদ ও তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদসহ করোনাকালে যারা তাঁর খোঁজখবর রেখেছেন সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন তিনি। উল্লেখ্য, তিনি গত ৩০ মে পরীক্ষার জন্য নমুনা দিয়েছিলেন। এরপর সোমবার (১ জুন) দিনগত রাতে তাঁর রিপোর্টে করোনা পজিটিভ আসে। পরে মঙ্গলবার (২ জুন) রাঙ্গুনিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রায়হানুল ইসলামের বরাত দিয়ে প্রথম জানা যায়, ইউএনও মাসুদুর রহমান করোনা পজিটিভ শনাক্ত হয়েছেন। তিনিই চট্টগ্রামের প্রথম ইউএনও যিনি প্রথম করোনা আক্রান্ত হয়েছিলেন। এর কয়েকদিনপর তার চার বছর এবং দুই বছর বয়সী দুই শিশুরও করোনা পজিটিভ এসেছিল। পরে চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি উপজেলার সরকারি বাসায় আইসোলেশনে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। চিকিৎসা নেয়ার দীর্ঘ ২৩ দিন পর তিনি সপরিবারে করোনা মুক্ত হলেন। প্রসঙ্গত, একজন মানবিক ইউএনও হিসেবে রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় মাসুদুর রহমান লকডাউন অবস্থায় মৃত্যুভয়ে ভীত এক জনপদে দিনরাত সমানে কাজ করে গেছেন। করোনাকালে তাঁর কাজ রাঙ্গুনিয়াবাসীর মন জয় করেছে। তিনি সকাল-সন্ধ্যা-রাত অবধি কাজ করেছেন। যখনই কোনো করোনা রোগীর খবর পেয়েছেন সঙ্গে সঙ্গে সেখানে ছুটে গেছেন। লকডাউন করেছেন করোনা আক্রান্ত রোগীর বাড়ি। তাদের জন্য ত্রাণের ব্যবস্থা নিশ্চিত করেছেন। সবসময় তাঁদের খোঁজখবর রেখেছেন। করোনা সংক্রমণরোধে উপজেলার হাটবাজার বন্ধসহ সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁর এই সাহসী কাজের জন্য রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় করোনা সংক্রমণ ততটা ছড়াতে পারেনি। তিনি ভয়ভীতি দূরে রেখে করোনা আক্রান্ত রোগীদের পাশে ছুটে গেছেন। করোনাভয়ে সবাই যখন নিজেকে বাঁচানোর সর্বোচ্চ চেষ্টায়লিপ্ত, ঠিক তখনি এই মানুষটি নিজের পরিবারের নিরাপত্তার কথা না ভেবে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। তাঁর এমন সাহসী ভূমিকা নিঃসন্দেহে সকলের নিকট প্রশংসনীয় হয়েছে। বিশেষ করে তিনি রাঙ্গুনিয়া উপজেলায় নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করারপর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রভূত উন্নতি হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

 

গাইবান্ধায় ভূয়া শিল্পমন্ত্রী গ্রেফতার 

সংবাদদাতা,গাইবান্ধাঃ শিল্পমন্ত্রীর পরিচয় দিয়ে ডিআইজি, জেলা প্রশাসক ও বিভিন্ন জেলার পুলিশ সুপারকে ফোন করে প্রতারণার অভিযোগে নাসির উদ্দিন (২৮) নামে এক প্রতারককে গ্রেফতার করেছে গাইবান্ধা পুলিশ। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে পুলিশ সুপার কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানানো হয়। শনিবার (২০ জুন) রাতে অভিযান চালিয়ে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ওই প্রতারককে গ্রেফতার করে পুলিশ। সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ জানায়, গ্রেফতারকৃত নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে সুন্দরগঞ্জ থানায় হাফ ডজন মামলা রয়েছে। সে বিভিন্ন সময়ে শিল্পমন্ত্রীর পরিচয় দিয়ে কন্ঠ নকল করে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের ফোন দিয়ে বদলি ও নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে তদবির করত।  সম্প্রতি রংপুর রেঞ্জের ডিআইজিকে ফোন দিয়ে এক পুলিশ সদস্যের বদলির বিষয়ে কথা বললে বিষয়টি নিয়ে সন্দেহ হওয়ায়  ফোন নাম্বার ট্র্যাকিং করে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করে পুলিশ প্রতারণার বিষয়টি নিশ্চিত হয় । পরে অভিযান চালিয়ে সুন্দরগঞ্জ থেকে প্রতারক নাসিরকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে প্রতারণার দায়ে মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রতারক নাসির উদ্দিন গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার বৈদ্যনাথ গ্রামের জাহিদুল ইসলামের ছেলে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

নাটোরে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ পক্ষ কর্মসূচীর উদ্বোধন

সংবাদদাতা,নাটোরঃ নাটোরে করোনা (কভিড-১৯) ভাইরাস প্রতিরোধের লক্ষে জনগণকে সচেতন করার জন্য ২১ জুন থেকে ৫ জুলাই পর্যন্ত করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস প্রতিরোধ পক্ষ পালন করা হবে। নাটোর করোনা ভাইরাস নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কমিটির উদ্যোগে আজ রবিবার (২১ জুন) পথসভা, পিকেটিং ও সাধারণ মানুষের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে। রবিবার কানাইখালী পুরাতন বাসস্ট্যান্ডে বেলা সাড়ে ১০ টা থেকে সাড়ে ১১ টা পর্যন্ত ঘন্টাব্যাপী এ কর্মসূচী পালন করা হয়। এ সময় বক্তব্য রাখেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজ, পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, নাটোরের সিভির সার্জন ডাঃ কাজী মিজানুর রহমান, নাটোর পৌরসভার মেয়র উমা চৌধুরী প্রমুখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আশরাফুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবুল হাসনাত, নাটোর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলমসহ সরকারী কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ ,সামাজিক দুরত্ব মেনে চলা এবং মাস্ক পরিধানের উপর গুরুত্বারোপ করেন। একই সাথে আজকে থেকে মাস্ক পরিধান না করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের হুশিয়ারী প্রদান করেন। পরে পথচারী , অটো ও রিকাসা চালকদের মধ্যে মাস্ক বিতরণ করেন জেলা প্রশাসক মোঃ শাহরিয়াজ , পুলিশ সুপার লিটন কুমার সাহা, পৌর মেয়র উমা চৌধুরী জলি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

 

 

বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত ২ জনের মৃত্যু

সংবাদদাতা,বগুড়াঃ বগুড়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে মোঃ সালাউদ্দিন (৫৪) নামে এক প্রকৌশলীর মৃত্যু হয়েছে। তিনি শহরের জলেশ্বরীতলা এলাকায় বসবাস করতেন। তার গ্রামের বাড়ী পাবনা জেলায়। রবিবার (২১ জুন) সকাল ৮টায় তার মৃত্যু হয়। নিহত সালাউদ্দিন ঢাকা সদর দপ্তরের রাজশাহী উন্নয়ন প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন । লকডাউনের পরথেকে তিনি বগুড়ায় পরিবারের সাথেই থাকতেন। এর আগে সালাউদ্দিন নারায়নগঞ্জের নির্বাহী প্রকৌশলী ছিলেন। টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের মুখপাত্র আব্দুর রহিম বলেন, মোঃ সালাউদ্দিন করোনা পরীক্ষার জন্য টিএমএসএস এ গত ৩১ মে নমুনা দেন। পরেরদিন ১ জুন সেই নমুনার ফলাফলে তার করোনা পজিটিভ আসে। ৪ জুন বিকেল ৪টায় টিএমএসএস মেডিকেল কলেজ ও রফাতউল্লাহ কমিউনিটি হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হন। দীর্ঘ ১৭ দিন চিকিৎসাধীন থেকে রবিবার সকালে তার মৃত্যু হয়। অপরদিকে সকাল ৮টায় বগুড়া মোহাম্মদ আলী হাসপাতালের আইসলোশনে সাফিউল আলম (৫৯) নামে করোনা আক্রান্ত এক শিক্ষকের মৃত্যু হয়। এই নিয়ে অত্র জেলায় একই সময়ে দুইজন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

শ্রীপুরের ২নং সিএন্ডবি বাজার থেকে কেওয়া বাজার পর্যন্ত রাস্তার বেহালদশা, ভোগান্তিতে ৫ গ্রামের মানুষ

আলমগীর হোসেন,শ্রীপুর(গাজীপুর) প্রতিনিধি: একটি গ্রামীণ রাস্তা, সংযোগ করেছে দু’টি গুরুত্বপূর্ণ সড়ককে। একদিকে জেলা সদর ও রাজধানী ঢাকা যাতায়াতের জন্য ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক। অন্যদিকে, উপজেলা সদরে যাতায়াতের জন্য শ্রীপুর-মাওনা সড়ক। প্রতিদিন যাতায়াত করেন ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কয়েকশত শিক্ষার্থী, বিভিন্ন শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রায় পাঁচ হাজার শ্রমকি ও স্থানীয় বাসিন্দা।এছাড়াও চলে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন। ওই রাস্তা পাকা ও সংস্কার করার জন্য এলাকার বাসিন্দারা অনেকদিন ধরেই দাবি জানিয়ে আসছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকটে। আজও তাদের দাবি পূরণ হয়নি। এ সড়কে চলাচলকারী পথচারী ও ভোগান্তিতে পড়া যাত্রীদের প্রশ্ন সড়কটি কবে সংস্কার করা হবে? বেহাল এই সড়কের ইট উঠে বড় বড় গর্ত আর খানাখন্দে পানি জমে পুকুরর-জলাশয়ের রূপ নিয়েছে। গাজীপুরের শ্রীপুর পৌরসভার ৭নং ওয়ার্ডের ২নং সিএন্ডবি বাজারের গ্রামীণ এ সড়কের এক কিলো মিটার বেহাল দশায় ৫ গ্রামের প্রায় ২০ হাজার বাসিন্দার ভোগান্তি এখন চরম আকার ধারণ করেছে। এ সড়কে চলাচলকারী স্থানীয় বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সড়কটি সংস্কারের কোনো ছোঁয়া লাগেনি বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটির ইট উঠে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সিএনজি, ইজিবাইক, নসিমন, ভটভটি, অটোবাইক ও ভ্যান চলাচল করছে। দুর্ঘটনাও ঘটছে প্রতিনিয়তই। স্থানীয় কৃষক ফজলুল হক ও তাইজুদ্দিন মোড়ল বলেন, তাঁদের উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিপণ্য বিক্রির জন্য উপজেলা সদরের হাটবাজারে নিতে হয়। কিন্তু এই ভাঙ্গাচোরা সড়কের কারণে ভ্যানচালকেরা যেতে চান না। ভ্যানচালকেরা গেলেও এ জন্য অতিরিক্ত পরিবহন ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাঁদের। দ্রুত এ সড়কটি সংস্কার করা দরকার। ২নং সিএন্ডবি বাজারের ব্যবসায়ী তাইজ উদ্দিন অভিযোগ করেন, বেহাল এই রাস্তার কারণে মার খাচ্ছে তাঁদের ব্যবসা। বর্ষাকালে রাস্তায় যাতায়াত করাটাই বিপদজনক। আশপাশের অনেক রাস্তা পাকা করা হলেও এরকম গুরুত্বপূর্ণ একটি রাস্তাকে পাকা করার ব্যাপারে টালবাহনা করা হচ্ছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও গাজীপুর আদালতের আইনজীবি নজরুল ইসলাম জানান, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে রাস্তাটি সংস্কার না হওয়ায় চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে পোহাতে এলাকার বাসিন্দারা অতিষ্ঠ হয়ে গেছে। সংস্কারের নামে কয়েকবার সড়কটির মাপামাপি করা হলেও কাজের কোনো খবর নেই। সরেজমিনে দেখে ও এলাকার কয়েকজন বাসিন্দার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সড়কটির তিন কিলো মিটারের মধ্যে শ্রীপুর-মাওনা সড়কের কেওয়া বাজার থেকে দুই কিলো মিটার কার্পেটিং করে। বাকি এক কিলো মিটার শ্রীপুর পৌর কর্তৃপক্ষ ইট দিয়ে চলাচল উপযোগী করে। দীর্ঘদিন যাবত উন্নয়ন না করায় ইট উঠে মাটি বের হয়ে গেছে। ২নং সিএনডবি বাজারের এক কিলোমিটার অংশ গর্ত হয়ে ছোট খালে পরিণত হয়েছে। ভ্যানচালক আব্দুর রশীদ বলেন, ভাঙ্গাচোরা রাস্তার জন্য বেশি মাল নেওয়া যায় না। এ ছাড়া ভ্যানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পেটের দায়ে বাধ্য হয়ে ভাঙ্গাচোরা রাস্তায় চলাচল করতে হচ্ছে। শ্রীপুরের বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত স্থানীয় শিক্ষার্থী হাসিবুল হাসান শান্ত, জাকারিয়া মারি মম ও সানজিদা আক্তার বলেন, সড়কের বেহাল অবস্থার জন্য তাঁদের অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হচ্ছে। প্রায়’ই পা ফসকে ময়লা ও দুর্গন্ধযুক্ত পানিতে পড়ে গিয়ে জামা-কাপড় নষ্ট হয়ে যায়। তখন ওই দিনের জন্য স্কুল-কলেজ কামাই (অনুপস্থিত) দিতে হয়। যানবাহনে এ সড়ক দিয়ে চলাচল করলে কষ্ট হয়, সময়ও বেশি লাগে। ৭নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাবেক যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক আবুল হোসেন জানান, সড়কটি দিয়ে যাতায়াতে প্রায়ই নষ্ট হচ্ছে গাড়ি। স্থায়ীভাবে কোনও উন্নয়ন কাজ হচ্ছে না সড়কটিতে। আমাদের দাবি, সড়কটি যেন দ্রুত সংস্কার করা হয়। শ্রীপুর মুক্তিযোদ্ধা রহমত আলী সরকারী কলেজের প্রভাষক ও স্থানীয় বাসিন্দা শাহিদুল ইসলাম সুজন অভিযোগ করেন, গুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তা পাকা করার জন্য শ্রীপুর পৌর মেয়রের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি স্থানীয় কাউন্সিলরের সাথে যোগাযোগ করতে বলেন। স্থানীয় কাউন্সিলরের (৭নং ওয়ার্ড) কাছে আবেদন জানালে তিনি বলেন এ রাস্তা উন্নয়নে বাজেট না থাকায় সংস্কার করা হচ্ছে না। তরুণ সমাজ সেবক স্থানীয় বাসিন্দা নূরুল ইসলাম মিষ্টার বলেন, পৌর কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা ও স্থানীয় কাউন্সিলরের গাফিলতির কারনে জনগুরুত্বপূর্ণ এ রাস্তাটির উন্নয়ন কাজ বাধাগ্রস্থ হয়ে আছে। শ্রীপুর পৌরসভার প্রকৌশলী তবিবুর রহমান বলেন, এ মুহুর্তে বরাদ্দ না থাকা ও অর্থ সংকট থাকায় রাস্তার উন্নয়ন করা সম্ভব হচ্ছে না। বরাদ্দ এলে প্রস্তাব অনুযায়ী সড়কটিতে উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ শুরু করা হবে।  শ্রীপুর পৌরসভার মেয়র আনিছুর রহমান জানান, ২নং সিএন্ডবি বাজার থেকে কেওয়া বাজার পর্যন্ত রাস্তাটি যত দ্রুত সম্ভব উন্নয়ন ও সংস্কারে উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন’২০/এসএএইচ

দেশে ২৪ ঘন্টায় করোনায় আরও মৃত্যু ৩৯, নতুন আক্রান্ত ৩৫৩১

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৯ জন মৃত্যুবরণ করেছে । এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট ১ হাজার ৪৬৪ জনের মৃত্যু হলো। একই সময়ে করোনা ভাইরাসে নতুন করে শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৫৩১ জন। ফলে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ১ লাখ ১২ হাজার ৩০৬ জনে। রবিবার (২১ জুন) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনাভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। দেশজুড়ে ৬০টি ল্যাবে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে বুলেটিনে বলেন, করোনা ভাইরাস শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫ হাজার ৭১০টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়।এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১৫ হাজার ৫৮৫টি। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৬ লাখ ১২ হাজার ১৬৪টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৫৩১ জন। ফলে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাড়ালো ১ লাখ ১২ হাজার ৩০৬ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন ৩৯ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুবরণ করলেন ১ হাজার ৪৬৪ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৪ জন। দেশে এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা এখন ৪৫ হাজার ৭৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের পুরুষ ৩৫ জন এবং নারী ৪ জন। এদের মধ্যে ০ থে‌কে ১০ বছ‌রের ১ জন, ২১ থেকে ৩০ বছরের ১জন, ত্রিশোর্ধ্ব ৬ জন, চল্লিশোর্ধ্ব ১২ জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১২ জন, ষাটোর্ধ্ব ৪ জন, সত্তরোর্ধ্ব ২ জন এবং ৮০ বছরের বেশি বয়সী ১ জন রয়েছেন। ৩৩ জন মারা গেছেন হাসপাতালে এবং ৬ জন বাসায়। এদের ১৬ জন ঢাকা বিভাগে, ১১ জন চট্টগ্রাম বিভাগে, ৪ জন খুলনা বিভাগে, ২ জন রাজশাহী বিভাগে, ৪ জন ব‌রিশাল বিভা‌গে এবং ১ জন করে রংপুর ও সিলেট বিভাগে মারা গেছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুন ‘২০/এসএএইচ