আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2562

‘মেমসাহেব’-এর স্রষ্টা নিমাই ভট্টাচার্য অন্যলোকে

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

পাঠিকা-পাঠক, লেখকদের অতিপরিচিত উপন্যাসের নাম ‘মেমসাহেব’। নাড়া ও সাড়া জাগানো সেই উপন্যাসের স্রষ্টা কথাসাহিত্যিক ও সাংবাদিক নিমাই ভট্টাচার্য শরীরত্যাগ করেছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সকালে টালিগঞ্জের বাড়িতে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৮৯ বছর। বেশ কয়েক বছর ধরেই বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় ভুগছিলেন নিমাই ভট্টাচার্য।
নিমাই ভট্টাচার্যের জন্ম ১৯৩১ সালের ১০ এপ্রিল। যশোর জেলায় জন্ম হয় তার। মাত্র তিন বছর বয়সে মাকে হারান তিনি। বাবা সুরেন্দ্রনাথ ভট্টাচার্যই তাকে মানুষ করেন। ১৯৪৮ সালে ম্যাট্রিক পাশ করে কলকাতার রিপন কলেজে ভর্তি হন। কলেজে পড়তেই সাংবাদিকতা শুরু করেন তিনি। তবে তার সাহিত্যগুলির আড়ালে ঢাকা পড়ে গিয়েছে দীর্ঘ সাংবাদিক জীবন। মেমসাহেব তার অন্যতম সৃষ্টি তা ছাড়াও পিয়াসা, ম্যারেজ রেজিস্ট্রার, অষ্টাদশী, ডিপ্লোম্যাট, নাচনী, ইমন কল্যাণ, ব্যাচেলারের মতো অসংখ্য উপন্যাস লিখেছিলেন তিনি।
কলেজ পড়তেই সাংবাদিকতা শুরু করেছিলেন তিনি। ১৯৫০ সালে ‘লোকসেবক’ পত্রিকা দিয়ে সাংবাদিকতা জীবনের শুরু তাঁর। তারপর দিল্লিতে গিয়ে বেশ কয়েকটি কাগজের সংসদ, কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক করেসপন্ডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন।
১৯৫০ থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত ৩০ বছরের সাংবাদিকতা জীবনের বড় সময়টা কাটিয়েছেন দিল্লিতে। কাজ করেছেন পাঁচটি কাগজে। অধিকাংশই সর্বভারতীয় সংবাদপত্র।
দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনে জওহরলাল নেহরু, লাল বাহাদুর শাস্ত্রী, ভি কে কৃষ্ণমেনন, মোরারজী দেশাই, ইন্দিরা গান্ধী-সহ অনেকের স্নেহভাজন ছিলেন তিনি। জোট নিরপেক্ষ শীর্ষ সম্মেলন, কমনওয়েলথ সম্মেলনসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী-সহ বিখ্যাত নেতৃবৃন্দের সফরেসঙ্গী হওয়ার অভিজ্ঞতা ছিল তার।
সাংবাদিকতা থেকে অবসর নেওয়ার পর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পত্রিকায় কলম লিখতেন তিনি। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের বিষয়েও অগাত পাণ্ডিত্য ছিল নিমাই ভট্টাচার্যের।

 কালীগন্জে বালু নদী থেকে তরুনীর লাশ উদ্ধার

সংবাদদাতা,কালীগঞ্জ (গাজীপুর): গাজীপুরের কালীগঞ্জ উপজেলার নগরভেলা গ্রাম সংলগ্ন বালু নদী থেকে অজ্ঞাত এক তরুণীর (২৪) লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে নিহতের লাশ উদ্ধার করা হয়। সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাছেদ মিয়া। নিহত তরুণীর নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি। কালীগঞ্জ থানার উলুখোলা পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাছেদ মিয়া বলেন, অজ্ঞাত ওই তরুণীর লাশ বালু নদীতে ভাসতে থাকা অবস্থায় স্থানীয়দের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে সন্ধ্যা পৌণে ছয়টার দিকে লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহতের পরনে চেক সালোয়ার ও লালচে রংয়ের জামা রয়েছে। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ৪ থেকে ৫ দিন আগে লাশটি নদীতে ফেলা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত তরুণীর শরীরে আঘাতের কোন চিহ্ন নেই। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে বলেও জানান তিনি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জুন’২০/এসএএইচ

 

 

গাইবান্ধায় আরও ৮ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ২২৮

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: গাইবান্ধায় আরও ৪ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২২৮ জনে। গত (২৪ জুন) বুধবার নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৬,গাইবান্ধা সদরে ১ ও পলাশবাড়ী উপজেলার ১ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় ১০৩ জন, গাইবান্ধা সদরে ৩২, ফুলছড়িতে ৮, সাঘাটায় ১৫, পলাশবাড়ীতে ২৫, সুন্দরগঞ্জে ১৭ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ২৮ জন রয়েছে। গত ১১ দিনে গাইবান্ধায় ১৪৪ জনের শরীরে করোনা ভাইরাস পজেটিভ পাওয়া যায়। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে সুস্থ হয়েছে ৫৪ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ১৬৬ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ৮ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৩,গাইবান্ধা সদরে ১, সাদুল্লাপুরে ১,পলাশবাড়ীতে ২ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জুন’২০/এসএএইচ

 

রাঙ্গাবালীতে নৌপথে যাত্রীদের ভোগান্তি

সংবাদদাতা,রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী): পটুয়াখালীর সর্ব দক্ষিনে অবস্থিত রাঙ্গাবালী উপজেলার বড়বাইশদিয়া ইউনিয়নে কোন লঞ্চ টার্মিনাল না থাকায় যাত্রীদের দূর্ভোগ এখন নিত্যদিনের সঙ্গী। প্রতিদিন ৩ টি যাত্রীবাহী একতলা লঞ্চ মৌডুবীর নিজকাটা থেকে ছেড়ে গলাচিপা ও কলাপাড়া নৌপথে যাতায়াত করে। এতে লঞ্চগুলোকে গাইয়াপাড়া, বালিয়াতলী, টুঙ্গিবাড়িয়া, ফেলাবুনিয়া, ১২ নং ডিগ্রী, চালিতাবুনিয়া, কোড়ালিয়া, পানপট্টিসহ অন্তত ৭/৮ টি ঘাট অতিক্রম করতে হয়। কিন্তু কোড়ালিয়া এবং পানপট্টি ব্যাতিত কোন ঘাটে টার্মিনাল না থাকায় লঞ্চগুলো নদীর চরে ভিড়ে ফলে ভোগান্তিতে পরে যাত্রীরা। ভাটার সময় হাটু কাঁদা পেরিয়ে লঞ্চে আরোহন করে আর জোয়ারের সময় সহায়ক হয় ঝালকাঠি বা কুষ্টিয়ার গামছা। মহিলা ও শিশুদের দূর্ভোগের সীমা থাকে না। বোরখা কাপর ভিজিয়ে আদরের সন্তান কোলেকাঁধে নিয়ে বহু কষ্টে লঞ্চে ওঠে। বিকল্প কোন যাতায়াত ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন এমন দূর্ভোগ পোহাতে হয় বলে যাত্রীরা জানান। তারা আরও জানান, গাইয়াপড়া লঞ্চঘাটে অভ্যন্তরীন নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ একটি টার্মিনাল দিলেও অজানা কারণে তা ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের কোড়ালিয়া লঞ্চঘাটে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ কারণে অন্যান্য ঘাটেরমত ঐ ঘাটেও প্রতিদিন যাত্রীদের দূর্ভোগ পোহাতে হয়। এ ব্যপারে লঞ্চ মালিক পক্ষ জানায়, কোনো ঘাটে র্টামিনাল না থাকায় বাধ্য হয়ে নদীর চরে লঞ্চ ভিড়াতে হয়। ফলে যাত্রীদের ওঠানামায় কোন সহায়তা দেয়া তাদের পক্ষে সম্ভব হয় না। এসব ঘাটগুলোয় টার্মিনাল দেয়া হলে, যাত্রীদের দূর্ভোগ এড়ানো সম্ভব। অবিলম্বে এসব ঘাটগুলোর দিকে সদয় দৃষ্টি দেয়া একান্ত প্রয়োজন বলে মনে করছেন ইউনিয়ন বাসী।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জুন’২০/এসএএইচ

 

মানিকগঞ্জ থানা প্রাঙ্গণে শিশুদের মানসিক বিকাশে শিশু পার্ক নির্মাণ

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জঃ পুলিশে কর্মরত কর্মকর্তা ও সদস্যদের শিশু সন্তানদের মানসিক বিকাশের জন্য মানিকগঞ্জ সদর থানা প্রাঙ্গনে নির্মাণ করা হয়েছে শিশু পার্ক। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরে পার্কের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. রকিবুজ্জামানের উদ্যোগে পার্কটি নির্মাণ করা হয়। পার্কের ভেতরে রয়েছে বিভিন্ন প্রকারের খেলনা। এসময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ হাফিজুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ভাস্কর সাহা, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ডিএসবি) হামিদুর রহমান সিদ্দীকী, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুজ্জামান, পরিদর্শক (তদন্ত) হানিফ সরকার, সেকেন্ড অফিসার এসআই হারেস শিকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। পার্ক উদ্বোধনকালে পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম বলেন, থানার ভেতরে শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগটি নি:সন্দেহে ব্যতিক্রমী।পার্কটি থানায় কর্মরত পুলিশ সদস্যদের সন্তান ও স্থানীয় শিশুদের মানসিক ও শারীরিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পার্কটি সবেমাত্র শুরু হয়েছে। এতে আরো বেশ কিছু রাইড, আলোকসজ্জ্বা এবং ফোয়ারা বসানো হবে। এছাড়াও পার্কের সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য নানা প্রকারের ফুলের গাছ লাগানো হবে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রকিবুজ্জামান জানান, বর্তমান সময়ে শিশুদের খেলাধুলা ও বিনোদনের জন্য পর্যাপ্ত জায়গা নেই। দুই একর জায়গার মধ্যে প্রতিষ্ঠিত সদর থানার ভেতরে বেশকিছু খালি জায়গা ছিল। পুলিশ সুপার মহোদয়ের সার্বিক নির্দেশনায় পার্কটি নির্মাণ করা হয়। পুলিশ সদস্যদের সন্তান ছাড়াও বাইরের শিশুদের জন্য পার্কটি উন্মুক্ত থাকবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জুন’২০/এসএএইচ

বগুড়ায় নতুন ডিসি জিয়াউল হক

সংবাদদাতা,বগুড়াঃ বগুড়াসহ দেশের ৯ জেলায় নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত আদেশ জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে সিনিয়র সহকারি সচিব শেখ রাসেল হাসান এই প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক মোঃ জিয়াউল হক কে বগুড়ায় জেলা প্রশাসক (ডিসি) হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার। বর্তমান জেলা প্রশাসক (ডিসি) ফয়েজ আহাম্মদ ২০১৮ সালের ৯ অক্টোবর যোগদান করেন। এর আগে তিনি গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রীর একান্ত সচিব পদে কর্মরত ছিলেন। গত ৫জুন তিনি যুগ্ম সচিব হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জুন’২০/এসএএইচ

 

অতিরিক্ত পুলিশ সুপারসহ কক্সবাজার সদরে ৭ জন করোনা পজিটিভ 

আবু সায়েম,কক্সবাজারঃ সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলামসহ কক্সবাজার সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) খায়রুজ্জামান, পরিদর্শক ( ইন্টেলিজেন্স)  মফিদুল হক, এসআই আবুল কালাম আজাদ, এএসআই মাসুম খান, কামাল হোসেন,  ইমাম হোসেন এবং রাশেদ খানসহ মোট ৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  হয়েছেন।  কক্সবাজার মেডিকেল কলেজ থেকে গত ২১ থেকে ২৪ জুনের নমুনা টেষ্টে তাদের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। করোনা ভাইরাস পরিস্থিতিতে ফ্রন্টলাইনে থেকে মানুষকে প্রত্যক্ষ সেবা দিয়ে যাচ্ছেন কক্সবাজার জেলা পুলিশ। তারই অংশ হিসেবে কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের ৭ জন সদস্য করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। পুলিশ সূত্রে জানায়, চেকপোস্টসহ মানুষকে প্রত্যক্ষ সেবা দেওয়ায় কক্সবাজার জেলা পুলিশের এখন পর্যন্ত মোট ১০৩ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। উপসর্গ অনুযায়ী তাদের চিকিৎসাসেবা প্রদান করছেন বলে জানিয়েছেন জেলা পুলিশ। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাঃ শাহজাহান কবির জানান, চেকপোস্টে ডিউটি, ইমার্জেন্সি ফুড সার্ভিস, মধ্যবিত্তদের খাদ্য সহায়তাসহ জনগণকে প্রত্যক্ষ সেবা দেওয়ায় দুইজন পরিদর্শক, একজন এসআইসহ মোট ৭ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইনের দিক নির্দেশনা মোতাবেক করোনা রোগীদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। এ ব্যাপারে কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন বিপিএম ( বার) বলেন, দায়িত্ব ও জনগণকে সেবা প্রদান করতে গিয়ে বর্তমানে কক্সবাজার জেলা পুলিশের ১০৩ জন করোনা ভাইরাসের আক্রান্ত হয়েছেন উপসর্গ অনুযায়ী তাদের চিকিৎসা সেবা প্রদান করা হচ্ছে। যারা স্বাভাবিক আছেন তাদেরকে হোটেল ভাড়া করে আলাদা রুমে রাখা হচ্ছে। যাবতীয় খাদ্যসহ সকল সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে।  আর যাদের অবস্থা আরেকটু খারাপ তাদেরকে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল এবং উখিয়া আইসোলেশন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। আর যাদের খুবই ভয়াবহ অবস্থা তাদেরকে ঢাকা পুলিশ হেডকোয়ার্টারের অধীনে আইলোশেন হাসপাতালে পাঠানো হচ্ছে। তিনি আরো জানান, জেলা পুলিশের পক্ষথেকে করোনা রোগীদের ব্যাপারে প্রতি মুহুর্তে খোঁজ খবর নেওয়া হচ্ছে। ইনশাআল্লাহ তারা সকলে সুস্থ হয়ে আবার আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। জেলা পুলিশের সকল করোনায় আক্রান্ত রোগীদের সুস্থতার জন্য জেলাবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন পুলিশ সুপার।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৫ জুন’২০/এসএএইচ

মানিকগঞ্জে উপবৃত্তি পেলেন ২২৬ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী

প্রতিনিধি,মানিকগঞ্জঃ মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার ২২৬জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা উপবৃত্তির ২১ লক্ষ ৫১ হাজার টাকার চেক দেওয়া হযেছে। আজ বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা অফিসার্স ক্লাব মিলনায়তনে তিনজন শিক্ষার্থীর হাতে চেক তুলে দিয়ে চেক হস্তান্তর কাজের শুভ সূচনা করেন জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস।এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার শাখার উপ-পরিচালক ফৌজিয়া খান, মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ইসরাফিল হোসেন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইকবাল হোসেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ও মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লাভলী খানম। জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস বলেন, সমাজের সবশ্রেণীর মানুষের প্রতি সরকারের সুদৃষ্টি রয়েছে। একারণেই বাদ পড়েনি-প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরাও। বিভিন্ন স্তরের প্রতিবন্ধী শিশুরা যাতে পড়া-লেখা করে এগিয়ে যেতে পারে, সেই বিবেচনায় তাঁদেরকে দেওয়া হচ্ছে শিক্ষা ভাতা। এই ভাতার টাকা লেখা-পড়ার কাজে ব্যয় করার অনুরোধ করেন। মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা লাভলী খানম জানান, প্রাথমিক, মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক ও উচ্চতর-এই চারটি স্তরের মোট ২২৬ জনকে মানিকগঞ্জ সদর উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে। প্রাথমিক স্তরের ১৪৩ জনকে ৭৫০টাকা হিসেবে ১২ মাসের জন্য মোট ১২ লক্ষ ৮৭ হাজার, মাধ্যমিক স্তরের ৬৭জনকে ৮০০টাকা হিসেবে ৬ লক্ষ ৪৩ হাজার ২০০টাকা, উচ্চমাধ্যমিক স্তরের ৬ জনকে ৯০০ টাকা হিসেবে ৬৪ হাজার ৮০০ টাকা এবং উচ্চতর স্তরের ১০জনকে ১৩০০ টাকা ১ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা দেওয়া হচ্ছে। তিনি বলেন, সমাজসেবা কার্যালয়ের মাধ্যমে দেশের সব উপজেলাতেই প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য অনুরুপভাতা দেওয়া হচ্ছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জুন’২০/এসএএইচ

 

সাভারে এক নারী শ্রমিককে গণধর্ষণের ঘটনায় আটক-৩ 

প্রতিনিধি,সাভার: ঢাকার সাভারে এক নারী পোশাক শ্রমিককে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় সাভার মডেল থানা পুলিশ দিনভর অভিযান চালিয়ে ভুক্তভোগী ওই নারীর দায়ের করা মামলার আসামী ফজর আলী, শাহাদাৎ ও ইসমাইল নামে তিন ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে। এছাড়া এ ঘটনায় জড়িত সাইফুল নামে আরো এক যুবক পলাতক রয়েছে। তাকে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। থানা পুলিশ জানায়, বুধবার (২৪জুন) সকালে গণধর্ষনের শিকার ওই নারী শ্রমিক সাভার মডেল থানায় লিখিত অভিযোগটি দায়ের করেন। পরে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে পুলিশ দিনভর অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ৩ ধর্ষককে গ্রেফতার করে। এর আগে গত ৭ জুন সাভারের সাদাপুর এলাকায় এ গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে বলে মামলায় উল্লেখ করেছেন ওই নারী পোশাক শ্রমিক। সাভার মডেল থানার উপ-পরিদর্শক  (এসআই) এখলাস উদ্দিন জানান, গত ৭ জুন ভুক্তভোগী ওই নারী পোশাক শ্রমিক কাজ শেষে রাতে বাসায় ফেরার পথে সাভারের সাদাপুর এলাকায় ৪ যুবক তাকে রাস্তা থেকে তুলে নিয়ে যায়। পরে একটি খালি বাউন্ডারির ভিতরে নিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোরপূর্বক গণধর্ষণ করে। একপর্যায়ে তাকে ভয়-ভীতি দেখিয়ে ছেড়ে দিলে, ওই নারী পোশাক শ্রমিক ফরিদপুরে গ্রামের বাড়ি চলে যায়। পরে স্বজনদের সাথে পরামর্শ করে সাভার মডেল থানায় আজ সকালে প্রধান অভিযুক্ত ফজর আলীসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৩ জনের নামে মামলা দায়ের করলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফজর আলীসহ আরো দুজনকে গ্রেফতার করে। এছাড়া এই ঘটনায় জড়িত সাইফুল নামে আরো একজনকে গ্রেফতারে অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানায় পুলিশ। সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জুন’২০/এসএএইচ

কলাপাড়ায় গভীর রাতে খাসের পুকুর থেকে লক্ষ টাকার মাছ উধাও

সংবাদদাতা,কলাপাড়া (পটুয়াখালী)প্রতিনিধিঃ কলাপাড়ায় মধ্যরাতে সরকারী খাস পুকুরের কয়েক লক্ষ টাকার মাছ ধরে নিয়ে যান ভূমি অফিসের নাজির । মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত তিনটার দিকে পৌর শহরের থানার পিছনে অবস্থিত সরকারি এ পুকুরটির মাছ ধরেন ভূমি অফিসের নাজির মিহির কুমার দে। বিষয়টি জানা জানি হলে এ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী কমিশনার ভূমি অবগত আছেন বলে তাঁরা সাংবাদিকদের জানিয়েছেন। তবে মধ্যরাতে মাছ ধরার সময় নির্ধারন, কি পরিমাণ মাছ ও কতো টাকা বিক্রী হয়েছে তার সঠিক কোন সন্তোষজনক তথ্য জানাতে পারেনি উপজেলা প্রশাসন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হঠাৎ করে মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে বেশ কয়েকজন শ্রমিক নিয়ে পৌর শহরের থানার পিছনের সরকারি বড় খাস পুকুরটির মাছ ধরা শুরু করেন নাজির মিহির কুমার দে। প্রায় ভোর পর্যন্ত নাজির মিহির কুমার দে’র নেতৃত্ব বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ধরা চলে। এবং প্রত্যুষের পূর্বেই আহরিত মাছ বিক্রী করা হয়। এ বিষয়ে কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি)অফিসের নাজির মিহির কুমার দে বলেন, শ্রমিকরা দিনে ব্যস্ত থাকায় তারাই মাছ ধরার জন্য রাত তিনটায় ওই সময় নির্ধারন করেন। যাতে সকালের বাজারে মাছ বিক্রী করা যায়। তিনি আরও বলেন, শুধুমাত্র দেড় মন পাঙ্গাস মাছ ধরা পড়েছে। বাকী মাছ জাল থেকে বেরিয়ে গেছে। তবে কত টাকা বিক্রী হয়েছে তা এখনও শ্রমিকরা জানায়নি। কলাপাড়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) জগৎবন্ধু মন্ডল বলেন, মাছ ধরার বিষয়টি তিনি জানেন। নাজির সাহেব তাঁকে জানিয়ে মঙ্গলবার রাত তিনটার দিকে মাছ ধরেন। মাছ বিক্রীর কত টাকা হয়েছে তাকে এখনও জানানো হয়নি। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি)  বিষয়টি জানিয়েছেন। মাছ বিক্রীর টাকা দিয়ে অন্য ২/৩টি খাসপুকুরের কচুরিপানা পরিস্কার করার কথা তিনি বলেছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জুন’২০/এসএএইচ