আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 255

নেত্রকোণার কলমাকান্দায় মাদক ব্যবসায়ী,মাদকসেবী ও চোরাকারবারীদের নির্মূলের দাবিতে মানববন্ধন

শহীদুল ইসলাম রুবেল:
নেত্রকোণার সীমান্তবর্তী উপজেলা কলমাকান্দায় মাদক ব্যবসায়ী,মাদকসেবী, চোরাকারবারীদের নির্মূল তাদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবীতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শুক্রবার(১৭অক্টোবর)  বিকেলে কলমাকান্দা উপজেলার সীমান্তবর্তী রংছাতী ইউনিয়নের সীমান্তে জিরো পয়েন্ট এলাকায় প্রায় ৩কিলোমিটার সীমান্ত  সড়ক জুড়ে রংছাতী ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দল এই মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করে।মানববন্ধনে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির আইনবিষয়ক সম্পাদক ও জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের মহাসচিব ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, একটি প্রতিবেশী দেশ সু কৌশলে সীমান্ত দিয়ে বিভিন্ন ধরনের মাদক পাচার করছে। মাদকের ভয়াবহ ছোবলে দেশের যুব সমাজ ক্রমশ অন্ধকারের অতল গহ্বরে তলিয়ে যাচ্ছে। মাদকের কারনে পারিবারিক ও সামাজিক সম্প্রীতি বিনষ্ট হচ্ছে। বিএনপি মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে। বিএনপি যদি জনগনের রায়ে আগামীতে সরকার গঠন করতে পারে তাহলে কলমাকান্দা ও দূর্গাপুর উপজেলাকে মাদক মুক্ত উপজেলা হিসাবে গড়ে তোলা হবে।মানববন্ধনে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বজলুর রহমান পাঠান, কলমাকান্দা উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম এ খায়ের, সাধারণ সম্পাদক ও লেংগুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ সাইদুর রহমান ভূইয়া, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও রংছাতি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আনিসুর রহমান পাঠান বাবুল, সাংগঠনিক সম্পাদক নাজিম উদ্দিন, সহ সভাপতি কলি আক্তার, খারনৈ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক, রংছাতি ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি রোকন পাঠান, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তাজামুল হোসেন, রংছাতি ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক মোঃ নাজমুল হোসেন,  সদস্যসচিব মোঃ আল মামুন ও বিএনপি নেতা মানিক মিয়া প্রমূখ। মানববন্ধনে ইউনিয়ন বিএনপি, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, শ্রমিক দল, মহিলা দলসহ বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক শিক্ষার্থীবৃন্দ স্বতঃস্ফূর্ত অংশ গ্রহণ করে।মানববন্ধনে বক্তারা,  সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচার বন্ধ, মাদকের বিস্তার রোধ, মাদক পাচারের সাথে জড়িত মাদক ব্যবসায়ীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতার এবং মাদক সেবীদের সামাজিক ভাবে বয়কট করে আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/১৮অক্টোবর ২০২৫/মওম

বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত!

বিশেষ প্রতিনিধি, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির সঙ্গে নীতিগতভাবে একমত। জনগণের ভোটে বিএনপি আবারো রাষ্ট্র পরিচালনার সুযোগ পেলে শিক্ষকদের আর্থিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বাড়ানো কিংবা চাকরি স্থায়ীকরণের জন্য উচ্চ পর্যায়ের কমিশন গঠন করবে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে সামাজিকমাধ্যম ফেসবুকে এক ভিডিওবার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।

কেউ কেউ মনে হয় আরো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার কথা বলেছেন। এছাড়াও আপনাদের এই সংগঠনের বাইরেও বেসরকারি শিক্ষকদের বেশ কিছু দাবি রয়েছে। দেশের একটি দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি শিক্ষকদের ন্যায্য দাবি সঙ্গে নীতিগতভাবে অবশ্যই একমত।’

তিনি বলেন, ‘বিএনপি যতবার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্বে ছিল অধিকাংশ সময় অধিকাংশ দাবিগুলো সে সময় পূরণ হয়েছে বলে আপনাদের বক্তব্য থেকেই উঠে এসেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রিয়া মনিকে তালাকের পর দুধ দিয়ে গোসল করব : হিরো আলম রিয়া

বিনোদন. রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে এবার দুধ দিয়ে গোসল করার ঘোষণা দিয়েছেন আলোচিত-সমালোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) নিজের ফেসবুক পোস্টে হিরো আলম লেখেন— আগামীকাল রিয়া মনিকে তালাক দিয়ে এবার দুধ দিয়ে গোসল করব।

এর আগে, গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষৎকারে হিরো আলম বলেছেন, আগে দুইটা বিয়ে করেছি। তারা সবাই আমাকে বিক্রি করে স্টার হতে এসেছিল।

এদিকে বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লাইভে এসে হিরো আলমের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ধরেন রিয়া মনি। কাঁদতে কাঁদতে তিনি জানান, তার সঙ্গে সংসার করা অবস্থায় হিরো আলম মিথিলা নামের একজনের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়ান। সেই নারী আলমকে ধর্ষণ মামলাও দিয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

৩১ দফা বাস্তবায়নে ধামরাই পৌর বিএনপির ৯নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

মামুন আহমেদ জয়-ঢাকা জেলা প্রতিনিধি। বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ধামরাই পৌর বিএনপির ৯নং ওয়ার্ডের উদ্যোগে এক আলোচনা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব তমিজ উদ্দিন, সদস্য, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটি ও সভাপতি, ধামরাই উপজেলা বিএনপি।
সভায় সভাপতিত্ব করেন আফতাব উদ্দিন আতা, সভাপতি, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপি এবং সঞ্চালনা করেন আব্দুল খালেক, সাধারণ সম্পাদক, ৯নং ওয়ার্ড পৌর বিএনপি।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও ধামরাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জনাব সামসুল ইসলাম, ধামরাই পৌর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আতিকুর রহমান আতিক, সাধারণ সম্পাদক আশিকুজ্জামান স্বপন, সহ-সভাপতি আনোয়ার জাহিদ তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মোঃ মারুফ সিকদার, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম সুমন, যুব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন আহমেদ রোমান সিকদার, শ্রম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ আলমগীর হোসেন, সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আমিনুল ইসলাম সবুজ ও পৌর যুবদলের নেতা তাহের হোসেনসহ অন্য নেতৃবৃন্দ। বক্তারা বলেন, বিএনপির ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এজন্য তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান তারা।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

ভারতে মানবপাচারের অভিযোগে বাংলাদেশি ট্রান্সজেন্ডার ‘গুরু মা’ গ্রে*প্তার

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

ভারতের মুম্বাইয়ে মানবপাচার ও জাল কাগজপত্রে বসবাসের অভিযোগে এক বাংলাদেশি ট্রান্সজেন্ডার নারীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ‘গুরু মা’ নামে পরিচিত ওই নারী ২০০ জনেরও বেশি বাংলাদেশিকে ভারতে পাচার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

১৭ অক্টোবর শুক্রবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি। সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রায় ৩০ বছর ধরে জাল কাগজপত্র ব্যবহার করে ভারতে বসবাস করা এক বাংলাদেশি ট্রান্সজেন্ডার নারীকে বৃহস্পতিবার মুম্বাই থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

অভিযুক্তের নাম বাবু আয়ান খান ওরফে জ্যোতি এবং তিনি নিজেকে ‘গুরু মা’ নামে পরিচয় দিতেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি প্রায় ২০০ বাংলাদেশিকে ভারতে পাচার করেছেন। তবে তদন্তে এই সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে ধারণা করছে মুম্বাই পুলিশ।

পুলিশ বলছে, জ্যোতি বা ‘গুরু মা’ মুম্বাইয়ে ট্রান্সজেন্ডারদের আধ্যাত্মিক নেত্রী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। শহরের বিভিন্ন এলাকায় তার প্রায় ৩০০ অনুসারী রয়েছে। তিনি নিজেকে ভারতীয় নাগরিক প্রমাণ করতে ভুয়া জন্মনিবন্ধন সনদ, আধার কার্ড এবং প্যান কার্ড তৈরি করেছিলেন।

এনডিটিভি বলছে, ‘গুরু মা’-র নেতৃত্বে পরিচালিত পাচারচক্র বাংলাদেশের নাগরিকদের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করাতো। এরপর তাদের কলকাতায় কয়েকদিন রাখা হতো এবং সেখানেই ভুয়া জন্মসনদ এবং স্কুল ছাড়পত্র তৈরি করা হতো।

পরে তাদের মুম্বাইয়ে নিয়ে গিয়ে শিবাজি নগরের বিভিন্ন স্থানে রাখা হতো। সেখানে প্রতিটি ঘরে তিন থেকে চারজন করে থাকতেন এবং সবাইকে মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার রুপি করে ভাড়া দিতে হতো।

পুলিশের তদন্তে আরও বেরিয়ে এসেছে, ‘গুরু মা’ মহারাষ্ট্র হাউজিং অ্যান্ড এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অথরিটির আওতাধীন সরকারি ফ্ল্যাট ও বস্তি দখল করে ভাড়া দিতেন। তিনি অন্তত ২০০টিরও বেশি বাড়ি দখল করে রেখেছিলেন এবং সেগুলো ভাড়া দিয়ে লাখ লাখ রুপি আয় করেছেন।

অভিযুক্ত জ্যোতি পাচার হওয়া কিছু মানুষকে জোর করে যৌনকর্মে বাধ্য করতেন বলেও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭অক্টোবর ২০২৫/মওম

কালিয়াকৈরে মাদ্রাসার ছাত্রীর ধর্ষণকারীদের ফাঁসির দাবিতে, বিক্ষোভ মিছিল

শাহআলম সিকদার, কালিয়াকৈর। গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর কালিয়াকৈর মডেল মসজিদ এর সামনে ও বিকেলে সফিপুর কেন্দ্রীয় মসজিদের মুসল্লী ও গাজীপুর জেলা ছাত্র শিবির এবং মৌচাক এলাকায়  তৌহিদি জনতার উদ্যোগে ওই বিক্ষোভ মিছিলে অংশগ্রহন করেন মুসলিম জনতা। কিশোরী হলেন, কুড়িগ্রামের উলিপুর এলাকার জামাল উদ্দিন এর মেয়ে (১৩)। সে মৌচাক আবুবক্কর সিদ্দিকী মাদ্রাসার ছাত্রী। ধর্ষণকারীরা হলেন, টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর থানার মনোরা এলাকার মৃত্যুঞ্জয়  চন্দ্র দাসের ছেলে জয় চন্দ্র দাস ও একই এলাকার নিতাই চন্দ্র দাসের ছেলে লোকনাথ দাস।
বিক্ষোভ মিছিল সূত্রে জানা যায়, জীবিকার তাগিদে জামাল উদ্দিন ও তার স্ত্রী  শিউলি আক্তার গাজীপুরের কালিয়াকৈরে আসেন। পরে উপজেলার মৌচাক এলাকায় চাকুরী নেন। একই বাসায় ভাড়া থাকতেন লোকনাথ দাস।  লোকনাথের শ্যালক ছিলেন জয় চন্দ্র দাস। একই বাসায় বসবাসরত করলেও  জয়ের সাথে কিশোরীর কোন সম্পর্ক ছিল না।  জয় চন্দ্র দাস  কিশোরীকে  অপহরণ করে  লোকনাথের ভাড়া বাসায় লাগাতার তিন দিন ধর্ষণ করে। এ সময় ওই কিশোরীকে শারিকভাবে নির্যাতন করে। ওই ঘটনায় প্রথমে থানায় জিডি করলেও অভিযুক্তদের হুমকীর কারনে মামলার সাহস পায়নি ভুক্তভোগী পরিবার। দীর্ঘ দুই মাস পরে স্থানীয়  আলেমদের সহযোগিতায় মামলা করলে অভিযুক্তদের মধ্যে জয় কুমার দাস ও লোকনাথকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তবে অন্য আসামীরা এখনও পলাতক রয়েছে। ধর্ষনের শিকার ওই মাদ্রাসার ছাত্রীর কান্নাজড়িত একটি ভিডিও ক্লিপ  সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ছড়িয়ে পড়লে ক্ষোভে ফোসে উঠে এলাকাবাসী। ওই ঘটনায় শুক্রবার কালিয়াকৈর এলাকার বিভিন্ন স্থানে ধর্ষনকারীদের ফাসির দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি

এমন উইকেট আগে কখনও দেখেননি: ড্যারেন স্যামি

স্পোষ্টর্স ডেক্স, সংবাদ সম্মেলনে উইকেট নিয়ে প্রশ্ন ছুটে গেল ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক শেই হোপের দিকে। তিনি বললেন, ‘এখনও দেখতে পারিনি, হয়তো মিনিট দশেক পর দেখব..।” পাশে তখন ড্যারেন স্যামির মুখে চওড়া হাসি। এমনিতে তার মুখে হাসি সবসময় লেগেই থাকে। তবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের কোচের এই হাসি যে অর্থপূর্ণ, তা বোঝা গেল একটু পর। হাসতে হাসতেই তিনি বললেন, এরকম কিছু আগে কখনও দেখেননি আমি।

গত বুধবার বাংলাদেশে আসার পর বৃহস্পতিবার মাঠে এসে এক দফায় উইকেট দেখেছেন স্যামি। ক্যারিবিয়ানদের প্রথম আনুষ্ঠানিক অনুশীলন সেশন ছিল শুক্রবার। এ দিনও সময় নিয়ে উইকেট পর্যবেক্ষণ করলেন সাবেক এই ক্যারিবিয়ান অধিনায়ক।

খেলেয়াড়ি জীবনে বেশ কয়েকবার বাংলাদেশে এসেছেন স্যামি। মিরপুরে খেলেছেন অনেক ম্যাচ। বিপিএলও খেলেছেন, রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজিকে নেতৃত্ব দিয়ে ফাইনালে তুলেছেন। সেই আসরেও মিরপুরের উইকেটে ব্যাটসম্যানদের ভোগান্তি হয়েছিল প্রচুর। এখানকার উইকেট নিয়ে তাই তার ভালোই ধারণা আছে।

 

“অধিনায়ক এখনও উইকেট দেখেনি, তবে আমি দেখেছি। জানি না, ঠিকভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারব কি না… তবে এমন কিছু আগে কখনও দেখিনি। তবে আমরা সবাই জানি, উপমহাদেশের চ্যালেঞ্জ কেমন, বিশেষ করে ব্যাটারদের জন্য। আমার মনে হয়, ভারত থেকে আসায় ছেলেদের এবার কিছুটা সুবিধা হবে। ছেলেরা এই ধরনের বা সবচেয়ে কাছাকাছি ধরনের কন্ডিশনে অভ্যস্ত হয়ে এসেছে।”

অধিনায়ক শেই হোপ বললেন, আচরণ যেমনই হোক, উইকেটে মানিয়ে নেওয়াই হবে গুরুত্বপূর্ণ।

তবে স্যামি-হোপের ঘণ্টা দেড়েক আগে বাংলাদেশ কোচ ফিল সিমন্স বলে গেছেন, প্রথাগত মিরপুরের উইকেট বলেই মনে হচেছ তার।

 

“জানি না, এটিকে (উইকেট) কীভাবে বর্ণনা করব। তবে আমি যেটা বলতে পারি, উইকেটকে আমরা আমাদের মাথায় ঢুকতে দেব না। যেখানেই যাই না কেন, আমাদের মন্ত্র তো একই, কন্ডিশন যা পাওয়া যাবে, দ্রুত বুঝে নেওয়ার চেষ্টা করতে হবে এবং এরপর সিদ্ধান্ত নিতে হবে, সফল হওয়ার জন্য কোন স্কিলসেট এখানে প্রয়োজন। এরপর নিজের ওপর আস্থা রাখতে হবে মেলে ধরার জন্য।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

জুলাই সনদ স্বাক্ষর করলেন প্রধান উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক দলের নেতারা

নিজস্ব প্রতিবেদক:

জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর করেছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস এবং দেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলের নেতারা। বিকেল ৫টার দিকে ঐতিহাসিক এ সনদে স্বাক্ষর করেন তারা।

বিকেল সাড়ে ৪টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫’ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বিকেল ৪টা ৩৭ মিনিটে জাতীয় সংগীতের মাধ্যমে শুরু হয় সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। এতে উপস্থিত আছেন উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা। যোগ দিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ এবং জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সদস্যরা।

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন। যোগ দিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের, নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরসহ আরও বিভিন্ন দলের নেতারা।

বিকেল ৪টার দিকে অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছান শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, খাদ্য উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার, পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম, জ্বালানি উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান এবং প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমেদ তৈয়্যব।

গত বছরের আগস্টে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর রাষ্ট্রের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংস্কারের উদ্যোগ নেয়। প্রথম ধাপে গঠন করা ৬টি সংস্কার কমিশনের সংস্কার প্রস্তাবগুলো নিয়ে দলগুলোর সঙ্গে কয়েক দফা আলোচনা করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গত ফেব্রুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সময়ে হওয়া এসব আলোচনায় ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবে ঐকমত্য হয়। এরপর এই ৮৪ প্রস্তাবকে অন্তর্ভুক্ত করে জুলাই সনদের খসড়া তৈরি করে ঐকমত্য কমিশন। খসড়ার ওপর আবার আলোচনা হয়। বিশেষজ্ঞদের মতামতও নেওয়া হয়।

সব দলের মতামত পর্যালোচনা করে জুলাই জাতীয় সনদ লিখিত আকারে চূড়ান্ত করে জাতীয় ঐকমত্য কমিশন। গত মঙ্গলবার সনদের চূড়ান্ত কপি সব রাজনৈতিক দলকে দেওয়া হয়।

আজ ১৭ অক্টোবর ঐতিহাসিক এই জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষর করছে রাজনৈতিক দলগুলো। জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় এ আয়োজন করা হয়েছে।

এদিকে, এ অনুষ্ঠান ঘিরে সকাল থেকে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি তৈরি হয় সংসদ ভবন এলাকায়। জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ছাত্র-জনতাকে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি এবং জুলাই আহতদের বীর হিসেবে স্বীকৃতি প্রদানসহ ৩ দফা দাবিতে সকাল থেকে অনুষ্ঠানস্থলে অবস্থান নেন জুলাই যোদ্ধারা।

জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ জুলাই সনদে তাদের স্বীকৃতি থাকবে জানিয়ে তাদের সরে যাওয়ার আহ্বান জানালেও আন্দোলনকারীরা তাদের অবস্থান চালিয়ে যান। পরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের সংসদ ভবন এলাকা থেকে সরিয়ে দিলে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এর মধ্যে ঐকমত্য কমিশনের সহসভাপতি আলী রীয়াজ জানিয়েছেন জুলাই যোদ্ধাদের দাবি মেনে জুলাই সনদের অঙ্গীকারনামার ৫ নম্বর দফা সংশোধন করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭অক্টোবর ২০২৫/মওম

হোসেনপুরের হারেঞ্জা কাঁচা রাস্তায় চরম ভোগান্তি,‎পাকা করণের দাবী!

 তৌহিদুল ইসলাম সরকার,‎পাঁচ গ্রামের যাতায়াত রাস্তায় দুর্ভোগের কারণ মূলত বেহাল সড়ক, যা ভাঙাচোরা, কাঁচা, বা বৃষ্টি হলে তু সীমান্তের নিষেধাজ্ঞার মতো অবস্থা  কারণ চলাচলের সম্পূর্ণ অযোগ্য হয়ে পড়ায় কারো পক্ষে যাতায়াত করা সম্ভব হচ্ছে না। এর ফলে কৃষকদের ফসল ঘরে তোলা, ছাত্রছাত্রীদের স্কুলে যাওয়া এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে।

‎‎কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর  উপজেলার একটি সড়ককে ঘিরে মারাত্মক দুর্ভোগে পড়েছেন কয়েকটি গ্রামের মানুষ। বৃষ্টির মৌসুমে এই সড়কটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়ায় এলাকাবাসীর দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় নেমে আসে চরম ভোগান্তি।দক্ষিণ হারেঞ্জা গ্রামের হারেঞ্জা মধ্যপাড়া এলাকার নক্সোরবাপের বাড়ী থেকে মতি মেম্বারের বাড়ী পর্যন্ত কাঁচা রাস্তাটির বয়স হয়েছে অর্ধ শতাব্দী।

‎‎তারাপাশা,কড়ইকান্দি,ধলাপাতা রামেশ্বরপুর,নামা সিদলাসহ  ৫ গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষের একমাত্র গুরুত্বপূর্ণ রাস্তা এটি।গ্রীষ্ম,বর্ষা, শীতসহ সব ঋতুতেই দুর্ভোগ পোহাতে হয় এলাকার সাধারণ মানুষকে।স্কুল-কলেজগামী ছাত্রছাত্রী, রোগী এবং বাজার করতে যাওয়া,উপজেলায় প্রশাসনিক কাজে যাওয়া এমনকি স্থানীয় মসজিদে নামাজ পড়তে যাওয়া মুসুল্লিদের সংকটাপন্ন হতে হচ্ছে।   বিশেষ করে পোল্ট্রি খামারীরা মালামাল আনা নেওয়ায় চরম কষ্টের মুখোমুখি হতে হয়।

‎‎পোল্ট্রি ব্যবসায়ী সোহরাব উদ্দিন কতৃপক্ষের কাছে জোড়ালো দাবী জানিয়ে বলেন,আমি প্রবাস ফেরত পোল্ট্রি ব্যবসায়ী এই রাস্তাটির জন্য চরম কষ্ট করতে হচ্ছে, পোল্ট্রির খাবার আনতে  রাস্তা দিয়ে গাড়ী না চলায় শ্রমিক দিয়ে মাথায় করে খামারে নিতে হয় এতে খরচ বেড়ে যায়। ‎স্থানীয় কফিল মিয়া ও আব্দুর রশিদ জানান, ‎কতো মেম্বার চেয়ারম্যান আসলো গেলো আমাদের এই রাস্তার উন্নয়ন হয়নি কোনোকালে।

‎‎একই গ্রামের সামিম মিয়া বলেন,একটা মানুষ হঠাৎ অসুস্থ হলেও এম্বুলেন্স বা কোন গাড়ী দিয়ে যে তাড়াতাড়ি হাসপাতালে নেব এই অবস্থা নেই। ‎একই মসজিদের নিয়মিত মুসুল্লি রফিক মিয়া ‎আফসোস করে বলেন,রাতে মসজিদে নামাজ পড়তে অনেক বেকায়দায় পরতে হচ্ছে, ব্যহত হচ্ছে ধর্মচর্চা। ‎স্থানীয় মসজিদের ইমাম মাওলানা শরিফুল ইসলাম ‎সড়কটি পাকাকরনের দাবী করে মানুষের কল্যানার্থে সম্প্রতি  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর একটি আবেদন করেছেন তার সাথে সংযুক্তি দিয়েছেন রাস্তার সংস্কার দাবীকারী অসংখ্য  লোকের স্বাক্ষর। হারেঞ্জা মধ্যপাড়া মসজিদের ইমাম মাওলানা শরিফুল ইসলাম রাস্তাটির দ্রুত পাকাকরণ দাবী করে বলেন,বৃষ্টির দিনে কাঁদা মাঁড়িয়ে মুসুল্লিরা মসজিদে এসে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়তে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ‎জানা যায়,এ রাস্তাটির বেহালদশার কারণে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থীরা পড়াশোনায় পিছিয়ে পড়ছেন, অনেকের ক্ষেত্রেই স্কুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে যাচ্ছে।ব্যবসা ক্ষেত্রেও পিছিয়ে পড়ছেন উদ্দোক্তারা তাছাড়াও ডেলিভারী রোগির ক্ষেত্রে জীবনঝুঁকি এ কাঁচা রাস্তাটি।প্রায় অর্ধ কিলোমিটার রাস্তার জন্য চরম বিপাকে হাজার হাজার মানুষ। সড়কটি দ্রুত পাকাকরণের দাবী জানান এলাকাবাসী ও পথচারীরা।

‎‎উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী নাহিদ ইভা বলেন,এ সম্পর্কে একটা আবেদন আমরা পেয়েছি সরেজমিনে দেখে দ্রুত এর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

১৬ মাসের গর্ভবতী হিসেবে বিশ্বরেকর্ড করে ফেললাম আমি : সোনাক্ষী সিনহা

বিনোদন ডেস্ক:
বিয়ে হতেই যেন শুরু হলো নতুন এক প্রতীক্ষা, কবে মা হচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী সোনাক্ষী সিনহা? কেউ গুনছেন মাস, কেউ বা আন্দাজ করছেন সময়। এমন মুহূর্তে অভিনেত্রীর এক মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে নেটমাধ্যমে।
গত বছরের ২৩ জুন প্রেমিক জাহির ইকবালকে বিয়ে করেন সোনাক্ষী। ২০২৫ সালের অক্টোবর পর্যন্ত তাদের দাম্পত্যের বয়স প্রায় এক বছর চার মাস; অর্থাৎ ১৬ মাস। বিয়ের পর থেকেই অনুরাগীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে অভিনেত্রী; একটাই প্রশ্ন, মা হচ্ছেন কি সোনাক্ষী? সেই জল্পনা এখনও চলছে।

সম্প্রতি এক পার্টিতে ঢিলেঢালা পোশাক পরে হাজির হওয়ায় আবারও বাড়ে গুঞ্জন, শুরু হয় নতুন করে আলোচনা- বলা হয়, সোনাক্ষী নাকি অন্তঃসত্ত্বা! এবার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী নিজেই;

গত বৃহস্পতিবার রাতে ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে সোনাক্ষী লেখেন, ‘মানুষের ইতিহাসের দীর্ঘতম গর্ভাবস্থা! মিডিয়ার সৌজন্যে ১৬ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হিসেবে বোধহয় বিশ্বরেকর্ড করে ফেললাম!’ জানান, শুধু একটি ছবিতে পেটে হাত দিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন, আর সেটিই ভুল ব্যাখ্যা করে সংবাদে রূপ নিয়েছে।

এর আগে রমেশ তৌরানির দিপাবলীর পার্টিতে ঢিলেঢালা আনারকলি পোশাকে দেখা যায় সোনাক্ষীকে। সেই সময় জাহির মজা করে তার পেটে হাত রাখেন, আর সেটিই ক্যামেরায় ধরা পড়ে ভাইরাল হয়ে যায়। ফলে সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় ‘অন্তঃসত্ত্বা সোনাক্ষী’ নিয়ে চর্চা।

তবে সবশেষে নিজেই হাসতে হাসতে জল্পনার ইতি টানলেন ‘দাবাং’-খ্যাত এই অভিনেত্রী। জানিয়ে দিলেন, সবটাই মিডিয়ার কল্পনা, বাস্তবে তিনি ঠিক আছেন।

আলোকিত প্রতিদিন/১৭অক্টোবর ২০২৫/মওম