আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2547

নিউ ইয়র্কে পাঠাও-এর সহপ্রতিষ্ঠাতা ফাহিম সালেহ খুন

সংবাদদাতা,নিউইয়র্ক: যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের ম্যানহাটনের নিজ বাসভবন থেকে ফাহিম সালেহ (৩৩) নামের এক বাংলাদেশি যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ফাহিম সালেহ (৩৩) নামের এ যুবক রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাওয়ের সহপ্রতিষ্ঠাতা। ম্যানহাটনের লোয়ার ইস্ট সাইডের নিজ অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরেই তিনি খুন হয়েছেন। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেলে পুলিশ তার ছিন্নভিন্ন লাশ উদ্ধার করেন। নিউ ইয়র্ক পুলিশ ও নিহত ফাহিমের এক নিকটাত্মীয় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম এ খবর জানিয়েছে। সূত্রটি জানিয়েছে, ফাহিমের চাচাতো ভাই ইস্ট হিউস্টন স্ট্রিট ভবনে কল্যাণ চেক নেবার জন্য তার বাসায় এসেছিলেন। কোন সারা না পেয়ে পরে পুলিশকে ফোন করার পরে পুলিশ দুপুর সাড়ে তিনটায় দিকে ঘটনাস্থলে এসে ছিন্নভিন্ন লাশ দেখতে পায়। লাশের নিকট একটি বৈদ্যুতিক করাত পাওয়া গেছে, যা  দিয়ে তার হাঁটুর নীচে হাত ও পা কেটে সরিয়ে নেওয়া হয়েছিল। অ্যাপার্টমেন্টে পাওয়া প্লাস্টিকের ব্যাগে দেহের সেই অংশগুলি পাওয়া গেছে বলে সূত্রটি জানিয়েছে। পুলিশের ধারণা, নিহত ফাহিম সালেহ একজন উদ্যোগী পুঁজিবাদী। রাইড শেয়ারিং অ্যাপ পাঠাও এবং নাইজেরিয়া ভিত্তিক মোটরবাইক স্টার্টআপ গোকদা সিইও। সালেহ অ্যাপার্টমেন্টের মালিক হিসাবে তালিকাভুক্ত, যা তিনি গত বছর ২২.২ মিলিয়ন ডলারে কিনেছিলেন। ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন “এটি একটি কুরুচিপূর্ণ ঘটনা” এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে বর্ণনা করেন তারা। সূত্র জানায়, ভুক্তভোগীকে শেষবার সোমবার দুপুর ১ টা ৪০ মিনিটের দিকে নজরদারি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল যখন তিনি তার বিল্ডিংয়ের লিফটে প্রবেশ করেছিলেন, যা তার সপ্তম তলার অ্যাপার্টমেন্টে ঠিক খোলা হয়েছিল। অ্যাপার্টমেন্ট বিল্ডিংয়ের ফুটেজে দেখা গেছে সন্দেহভাজন খুনি একটি ব্যাগ বহন করছে। ফাহিমের শেষ মুহূর্তগুলো একটা গোপন ক্যামেরায় ধরা পড়েছে। সেখানে দেখা গেছে, সোমবার তিনি যখন লিফটে উঠছিলেন তখন দ্বিতীয় একজন ব্যক্তি তাকে অনুসরণ করছিলেন। ওই ব্যক্তির পরনে ছিল স্যুট, হাতে গ্লাভস, মাথায় হ্যাট ও হাতে গ্লোবস। ফাহিম লিফট থেকে বের হয়ে তার ফ্লোরে নামতেই তাকে পড়ে যেতে দেখা যায়। পুলিশ বলছে, ‘সম্ভাব্য অপরাধীর কাছে একটা সুটকেস ছিলো। সে ছিল খুবই পেশাদার।’ ফাহিম সালেহ’র জন্ম ১৯৮৬ সালে। তার বাবা সালেহ উদ্দিন চট্টগ্রামের মানুষ। তার মায়ের আদি নিবাস নোয়াখালী। যুক্তরাষ্ট্রের বেন্টলি বিশ্ববিদ্যালয়ে ইনফরমেশন সিস্টেমে পড়াশোনা করতেন ফাহিম। নাইজেরিয়া আর কলম্বিয়াতে তার দুটি রাইড শেয়ারিং অ্যাপ কোম্পানি রয়েছে। আইন প্রয়োগকারী সূত্র বলেছে যে অপরাধের দৃশ্যটি একটি “পেশাদার” হত্যার মতো দেখাচ্ছে, কারণ প্রায় কোনও রক্তপিছনে ছিলোনা এবং অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কিছু লুট করাও হয়নি। তবে খুনি তার কাজে “বাধাও পেয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়।পুলিশ খুনির পরিচয় নিশ্চিত করার জন্য মেডিকেল পরীক্ষার অপেক্ষায় রয়েছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

 

জয়পুরহাটে শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ উদ্ধার

সংবাদদাতা,জয়পুরহাটঃ জয়পুরহাট সদর উপজেলার ভুটিয়াপাড়া কদমতলী ব্রীজের নিকট থেকে রুবেল হোসেন ডালিম নামের এক শীর্ষ সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে বুধবার (১৫ জুলাই) সকালে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালের মর্গে  পাঠিয়েছে পুলিশ। পুলিশ জানায়, মাদকদ্রব্যের ভাগবাটোয়ারা নিয়ে মাদক ব্যবসায়ীদের অভ্যন্তরীন গ্রুপের মধ্যে গোলাগুলির খবর পেয়ে পুলিশ ভুটিয়াপাড়া কদমতলী ব্রীজের নিকট যায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালিয়ে গেলেও সেখানে রুবেল হোসেন ডালিম নামের ঐ মাদক ব্যবসায়ীর গুলিবিদ্ধ মরদেহ পাওয়া যায়। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে বিদেশী পিস্তলসহ বেশকিছু মাদকদ্রব্য উদ্ধার করে। নিহত ডালিমের বিরুদ্ধে জয়পুরহাট থানায় হত্যা, অপহরণ ও মাদকদ্রব্য আইনে ৮টি মামলা রয়েছে। তবে এলাকাবাসী ও পরিবারের সদস্যরা জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টায় খাসপাহনন্দা মিশন এলাকার তার দোকান থেকে তাকে বেশ কয়েকজন এসে জোরপূর্বক মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরে সকালে খবর পাই তার লাশ হাসপাতাল মর্গে আছে। এ ব্যাপারে পুলিশ সুপার সালাম কবির জানান, ডালিম এলাকার মাদকের গডফাদার ও শীর্ষ সন্ত্রাসী ছিলো তাদের অভ্যন্তরীন গোলাগুলির খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে ফাকা গুলি করে পুলিশ ঘটনাস্থল নিয়ন্ত্রনে আনে। ঘটনাস্থল থেকে ডালিমের মৃতদেহসহ বিদেশী পিস্তল ও বেশকিছু ইয়াবা ও ফেনসিডিল উদ্ধার করে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই;২০/এসএএইচ

 

গাইবান্ধায় আরও ৭ জন করোনায় আক্রান্ত, মোট ৪৮১

সংবাদদাতা,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় আরও ৭ জনের শরীরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ৪৮১ জনে। সোমবার (১৩ জুলাই) নতুন করে করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ১, পলাশবাড়ীতে ১, সুন্দরগঞ্জে ৩ ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২ জন রয়েছে। গাইবান্ধা সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে এ তথ্য জানা যায়। গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্তদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ১৯৯,গাইবান্ধা সদরে ৮৮, ফুলছড়িতে ২৪,সাঘাটায় ৩১, পলাশবাড়ীতে ৫৮, সুন্দরগঞ্জে ৩৫ এবং সাদুল্লাপুর উপজেলায় ৪৬ জন রয়েছে। করোনা আক্রান্তদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছে ২১৮ জন। আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছে ২৫৩ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে ১০ জন। তাদের মধ্যে গোবিন্দগঞ্জে ৪,গাইবান্ধা সদরে ১, সাদুল্লাপুরে ১,পলাশবাড়ীতে ৩ এবং সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১ জনের মৃত্যু হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ

দিনাজপুরে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, আহত-৪

প্রতিনিধি,দিনাজপুরঃ দিনাজপুর শহরের বাহাদুর বাজার মহল্লায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের প্রহারে ৪ জন আহত হয়েছে। অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দিনাজপুর শহরের বাহাদুর বাজার মহল্লায় গত ১২ জুলাই রাতে তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে কোরবান লালুসহ তাদের পরিবারের ৪/৫ জন জোট বেধে মাহমুদ আলমের পুত্র মোঃ সেলিমকে অশ্লিল ভাষায় গালমন্দ করে। তাদের আচরণে সেলিম প্রতিবাদ করলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর তারা দেশীয় ধারালো অস্ত্র দিয়ে সেলিমের শরীরের বিভিন্ন অংশে প্রহার করে। সেলিমের চিৎকারে তার স্ত্রী মদিনা বেগম কন্যা শোভা আক্তার এবং বড় বোন মাইমুন নেসা তাকে রক্ষা করতে এগিয়ে এলে তারা তাদেরকেও বেধড়ক প্রহার করে। তাদের প্রহারে মাইমুন নেসার মাথা ও মুখে গুরুত্বর রক্তাক্ত জখম হয়। আহতদের আত্মচিৎকারে চারপাশের লোকজন এগিয়ে এলে তারা সন্ত্রাসী কায়দায় তাদেরকে ভয়ভীতি দেখিয়ে সটকে পড়ে। এলাকাবাসীরা আহতদের চিকিৎসার জন্য এম. আব্দুর রহিম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ প্রাইভেট ডাক্তারের কাছে নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে সেলিম ৪ জনকে আসামী করে কোতয়ালী থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে। এ বিষয়ে আহতরাসহ এলাকাবাসী জানায়, শাহাজাদা ওরফে লালুগং মাদক বেচাকেনাসহ সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকায় তাদের ভয়ে কেউ কোনো কথা বলা তো দূরের কথা কানাকানি করারও সাহস পায় না। তাদের এহেন কার্যকলাপের বিষয়টি সুষ্ঠুভাবে তদন্ত সাপেক্ষে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি কামনা করছেন এলাকাবাসী।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ

নিজ জন্মভূমিতে জানাজা সম্পন্ন হলো স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজের

প্রতিনিধি,টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে নিজ জন্মভূমিতে জানাজা সম্পন্ন হলো স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক শাজাহান সিরাজের। বুধবার (১৫ জুলাই) টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার এলেঙ্গা সরকারি শামছুল হক কলেজ মাঠে দুপুর বারো টায় ১ম জানাজা ও কালিহাতীতে তার প্রতিষ্ঠিত শাজাহান সিরাজ কলেজ মাঠে দুপুর আরাইটায় ২য় জানাজা সম্পন্ন হয়। জানাজা শেষে দাফনের জন্য লাশ ঢাকার বনানী কবরাস্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। মহান স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠক সাবেক মন্ত্রী শাজাহান সিরাজ (৭৭)  মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেন শাজাহান সিরাজের সহধর্মিনী রাবেয়া সিরাজ। বর্নাঢ্য রাজনীতিবিদ শাজাহান সিরাজ ১৯৪৩ সালের ১ মার্চ জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম আব্দুল গণি মিয়া এবং মাতার নাম রাহিমা খাতুন। বাড়ি টাঙ্গাইলের কালিহাতী পৌরসভার বেতডোবাতে। শাজাহান সিরাজ স্বাধীনতা পূর্ববর্তী রাজনীতির ‘চার খলিফা’র একজন। বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তৈরির পরিকল্পনাকারীদের মধ্যে তিনি অন্যতম। ৩ মার্চ ১৯৭১ সালে মহান স্বাধীনতার ইশতেহার পাঠ করেন তৎকালীন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শাজাহান সিরাজ। শাজাহান সিরাজ একজন তুখোড় ছাত্রনেতা হিসেবে ষাটের দশকে বঙ্গের আলীগড় খ্যাত টাঙ্গাইলের করটিয়ার সরকারি সা’দত কলেজের ছাত্রসংসদের ২ বার ভিপি নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে দক্ষ, জনপ্রিয় রাজনীতিবিদ শাজাহান সিরাজ জাসদ ও বিএনপি’র প্রার্থী হয়ে ১৯৭৯, ১৯৮৮, ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে ৫ বার টাংগাইল- ৪ (কালিহাতী) আসন থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি বিএনপি সরকারের নৌ পরিবহন প্রতিমন্ত্রী, বন ও পরিবেশ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। স্বাধীনতার পর শাজাহান সিরাজ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল জাসদের রাজনীতির সাথে যুক্ত হন। পরবর্তীতে তিনি জাসদ থেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপিতে যোগদান করে ভাইস চেয়ারম্যান হন। ১/১১ সময়ে দুর্নীতির দায়ে শাজাহান সিরাজের জেল হয়। শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি কালিহাতী উপজেলা সদরে কালিহাতী শাজাহান সিরাজ কলেজসহ একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। মৃত্যুকালে স্ত্রী, এক ছেলে রাজিব সিরাজ শুভ এবং এক মেয়ে ব্যারিষ্টার সারওয়াত সিরাজ শুক্লাসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। প্রয়াত শাজাহান সিরাজের স্ত্রী রাবেয়া সিরাজ বলেন, তিনি দীর্ঘদিন যাবত অসুস্থ ছিলেন। বাসায় ও হাসপাতালে তার চিকিৎসা চলতো। আমি তার বিদেহী আত্মার জন্য কালিহাতীবাসীসহ দেশের সকলের কাছে দোয়া চাই। শাজাহান সিরাজের মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন কালিহাতীর বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও সাধারণ মানুষ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

কক্সবাজারে ১ হাজার ইয়াবাসহ চায়ের দোকানি আটক

আবু সায়েম,কক্সবাজারঃ কক্সবাজার সদরের ঝিলংজা ইউনিয়নের উত্তর হাজীর পাড়ার চায়ের দোকানি ফোরকানকে ১০০০ পিস ইয়াবাসহ আটক করেছে কক্সবাজার সদর থানা পুলিশ। সোমবার (১৩ জুলাই) রাত ১১টায় উপজেলা গেট এলাকায় ফোরকার আহমদের চায়ের দোকানে সদর থানার এসআই কাঞ্চন দাশের নেতৃত্বে একদল পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১০০০ পিস  ইয়াবাসহ তাকে আটক করেছে। আটক চা দোকানি ফোরকান ঝিলংজা উত্তর হাজীপাড়ার গুরা মিয়ার পুত্র ও জাতীয় শ্রমিকলীগ কক্সবাজার সদর উপজেলা শাখার সভাপতি ও ঝিলংজা ইউনিয়ন কমিউনিটি পুলিশিং এর সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহর সহোদর। এলাকাবাসী জানায়, কক্সবাজার সদর ঝিলংজা খাদ্য গুদামের সামনে একটি চায়ের দোকানের আড়ালে ফোরকান দীর্ঘদিন ধরে ইয়াবা ব্যবসা করে আসছিলো। ইয়াবা কারবার করে বিপুল টাকার মালিক বনে গেছে। এছাড়া আব্দুল্লাহ শ্রমিকলীগের সভাপতি ও কমিউনিটি পুলিশিং হওয়ায় তার ভাই ফোরকান এলাকায় কায়েম করেছে সন্ত্রাস ও মাদকের রাম রাজত্ব। অবশেষে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে চায়ের দোকানের মধ্যে পকেটে থাকা ১০০০ পিস ইয়াবাসহ ফোরকানকে আটক করতে সক্ষম হয় কক্সবাজার সদর মডেল থানা পুলিশ। কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাঃ শাহজাহান কবির ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রশাসন মাদকের বিরুদ্ধে হার্ডলাইনে। কোন মাদক ব্যবসায়ীকে ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধী চক্রকে নিশ্চিহ্ন করতে ব্যাপক গণসচেতনতার পাশাপাশি এলাকাবাসীকে এগিয়ে আসতে হবে। তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে হবে পুলিশকে। তথ্য প্রদানকারীর নাম ঠিকানা জীবন নিরাপত্তার স্বার্থে গোপন রাখা হবে। তিনি আরো জানান, আটককৃত ফোরকান  দীর্ঘদিন যাবত চা দোকানের আড়ালে ইয়াবা ব্যবসা পরিচালনার কথা স্বীকার করেছে। ধৃত ইয়াবা কারবারির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ       

 

সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে আলোচিত রিজেন্ট শাহেদ গ্রেফতার

::ইলিয়াস হোসেন, সাতক্ষীরা:

ভারতে পালিয়ে যাবার আগ মুহূর্তে রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলাদেশের র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন বা র‍্যাব জানিয়েছে। হ্রেফতারের পর তাকে হেলিকপ্টারে করে ঢাকায় এনে র‍্যাব সদর দপ্তরে নেয়া হয়।
বুধবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে শাহেদকে সাতক্ষীরা সীমান্ত থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক আশিক বিল্লাহ।
তিনি বলেন, ‘বুধবার ভোর ৫টা ১০ মিনিটের দিকে র‍্যাবের বিশেষ অভিযানে সাতক্ষীরার দেবহাটা সীমান্ত এলাকা থেকে মো. শাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারের সময় তাঁর কাছে অবৈধ বিদেশি পিস্তল ও গুলি পাওয়া গেছে।’
আশিক বিল্লাহ বলেন, ‘আমাদের কাছে গোয়েন্দা তথ্য ছিল, সাহেদ সীমান্ত দিয়ে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন। সেই তথ্যের ভিত্তিতে আমরা সাতক্ষীরা সীমান্তে অবস্থান নিই।’
র‍্যাবের সাতক্ষীরা কোম্পানি কমান্ডার বজলুর রশীদ বলেন, ‘দেবহাটা উপজেলার কোমরপুর বেইলি ব্রিজের দক্ষিণ পাশের লবঙ্গবতী নদীর পাড় থেকে সাহেদকে গ্রেপ্তার করা হয়। নদীর ধারে একটি নৌকা ছিল। ওই নৌকায় উঠে বোরখা পওে ভারতে পালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন সাহেদ। ঠিক সে সময় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

চিকিৎসাসেবা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে গত ৬ জুলাই বিকেল থেকে রাত অবধি উত্তরার রিজেন্ট হাসপাতালের মূল কার্যালয়ে প্রথমে অভিযান পরিচালনা করেন র‍্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেখান থেকে অভিযান শেষে হাসপাতালটির মিরপুর শাখায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় হাসপাতালটির আট কর্মকর্তা-কর্মচারীকে আটক করা হয়।
এরপর ৭ জুলাই রাজধানীর উত্তরার ১১ নম্বর সেক্টরের কোভিড ডেডিকেটেড রিজেন্ট হাসপাতালটি সিলগালা করে দেয় র‍্যাব-১। এ ছাড়া উত্তরার ১৪ নম্বর সেক্টরের রিজেন্ট গ্রুপের মূল কার্যালয়ও সিলগালা করা হয়। ৭ জুলাই রিজেন্ট হাসপাতালের মালিক সাহেদসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করা হয়।
রিজেন্ট হাসপাতালের বিরুদ্ধে অভিযোগ, প্রতিষ্ঠানটি প্রায় সাড়ে চার হাজার করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট দিয়েছে। একজন কম্পিউটার অপারেটর বসে বসে সাড়ে চার হাজার রিপোর্ট তৈরি করেছেন। মনগড়া রিপোর্ট পজিটিভ-নেগেটিভ দিয়েছেন।
তা ছাড়া মোট ১০ হাজার রোগীর করোনা টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করে রিজেন্ট হাসপাতাল। মাত্র চার হাজার ২৬৪টি নমুনা সরকারিভাবে টেস্ট করে রিপোর্ট দেয়। এ ক্ষেত্রে ভয়াবহ প্রতারণার কৌশল গ্রহণ করে রিজেন্ট হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কারো জ্বর থাকলে তাকে পজিটিভ আর জ্বর না থাকলে নেগেটিভ রিপোর্ট প্রদান করে।

প্রতারকরা সবসময় ফাঁকফোকর বের করে নেয়ঃ আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দিচ্ছি না-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গ্রেফতার হওয়া বহুল আলোকিচ প্রতারক রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান সাহেদ করিমের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘প্রতারকরা সবসময় কোনো না কোনো ফাঁকফোকর বের করে নেয়। সেজন্য আমাদের নিরাপত্তা বাহিনীও সব সময় সজাগ থাকে। আমরা কিন্তু কাউকে ছাড় দিচ্ছি না। যেদিনই প্রতারকরা প্রকাশিত হচ্ছে, তখনই আমরা তাকে ধরছি। প্রতারকরা কেউ বাদ যাবে না, এই জায়গায় আমরা শক্ত অবস্থানে আছি।’ বুধবার (১৫ জুলাই) মন্ত্রীর ধানমন্ডির বাসভবনে আয়োজিত এক প্রেস বিফ্রিংয়ে একথা বলেন তিনি। সাহেদ করিম গ্রেফতার হওয়া উপলক্ষে এই ব্রিফ্রিংয়ের আয়োজন করা হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সন্ত্রাস, মাদক ও জঙ্গি দমন করে যাচ্ছেন। আর এই কোভিড-১৯ এর সময়ও তারা নির্ভয়ে সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এটি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর একটি অনন্য কাজ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আরো বলেন, ‘সাহেদ সব সময় ফাঁকফোকর খুঁজেছে- কীভাবে সে বেরিয়ে যাবে, কীভাবে প্রতারণা করবে। তিনি বিভিন্ন জায়গায় প্রতারণা করেছেন। কিন্তু এবার সব কিছু উদঘাটন করে আইনের কাছে বা বিচারকের কাছে আমরা হস্তান্তর করবো। সে যাতে আর কোনো ধরনের প্রতারণা করতে না পারে, সে যেন আর কোনো সুযোগ না পায় সেটা আমরা দেখব।’ এ সময় সাংবাদিকরা জানতে চান- ‘সাহেদ বিভিন্ন দলে ছিলো। এখন সরকারি দলে এসে বিভিন্ন ধরনের অপকর্ম ও প্রতারণা করছে। সে ক্ষেত্রে দলের পক্ষথেকে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করবে কিনা- যাতে এই সব লোক যাচাই-বাছাই ছাড়া কমিটিতে আসতে না পারে?’ এ প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সে অনেক কিছুই করেছে। অনেক ফাঁকফোকরের সুযোগ নিয়েছে। এজন্য দলের হোক, কিংবা যেকোনো ব্যক্তি হোক আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাউকে ছাড় দিচ্ছেন না। আমরা আমাদের জায়গা থেকে স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছি- আমাদের দলের হোক, কিংবা আমাদের জনপ্রতিনিধি হোক কিংবা সরকারি কর্মকর্তা হোক, কেউ কিন্তু বাদ যাচ্ছেন না। কাজেই এটা আমাদের দলের সিদ্ধান্ত। আমরা স্পষ্ট করে বলে দিয়েছি দলে প্রবেশ করানোর আগে আরও ভালো করে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য। দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সবসময় এটি বলে আসছেন। তিনি এ ব্যাপারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে অনেক যাচাই-বাছাই করে দল চালাচ্ছেন । আমরা মনে করি এই ফাঁকফোকর দিয়ে যারাই দু’একজন বের হচ্ছে তাদের চিহ্নিত করে আমরা দল থেকে ব্যবস্থা নিচ্ছি।’

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ

দেশে করোনায় প্রাণ হারালো আরও ৩৩ জন, শনাক্ত ৩৫৩৩

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে আরও ৩ হাজার ৫৩৩ জন শনাক্ত হয়েছেন। ফলে এ নিয়ে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯০ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে ভাইরাসটিতে আক্রান্তদের মধ্যে আরও ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২ হাজার ৪৫৭ জনে। বুধবার (১৫ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা ভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। দেশের বিভিন্ন ল্যাবরেটরিতে পরিক্ষার তথ্য তুলে ধরে তিনি জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১৪ হাজার ৩০৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১৪ হাজার দুইটি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ৯ লাখ ৮০ হাজার ৪০২টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ৩ হাজার ৫৩৩ জন। ফলে এ নিয়ে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ১ লাখ ৯৩ হাজার ৫৯০ জনে। ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ২৩ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ। তিনি আরও জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৭৯৬ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ পাঁচ হাজার ২৩ জনে। শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ২৫ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় যে ৩৩ জন মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৭ জন এবং নারী ৬ জন। শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুহার ১ দশমিক ২৭ শতাংশ। বুলেটিনে আরও জানানো হয়, দেশে করোনায় এ পর্যন্ত এক হাজার ৯৪০ জন পুরুষ এবং ৫১৭ জন নারী মৃত্যুবরণ করেছে। দেশে মৃত্যুরহার পুরুষ ৭৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং নারী ২১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ২৪ ঘণ্টায় যে ৩৩ জনের মৃত্যুর হয়েছে তাদের মধ্যে ১০ বছরের নিচে একজন, ত্রিশোর্ধ্ব ৩জন, চল্লিশোর্ধ্ব ৫জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১০ জন, ষাটোর্ধ্ব ৭জন, সত্তরোর্ধ্ব ৫জন ও ৮০ বছরের বেশি বয়সী দুইজন রয়েছেন। দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যুবরণকারী ৩৩ জনের মধ্যে ১৬ জন ঢাকা বিভাগের, ৭ জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুইজন রাজশাহী বিভাগের, ৫জন খুলনা বিভাগের এবং ৩জন রংপুর বিভাগের। মৃত্যুবরণকারী ৩৩ জনের মধ্যে হাসপাতালে মারা গেছেন ২৭ জন এবং বাসায় ৮ জন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৫ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

 

বীরগঞ্জে পল্লীবন্ধুর ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে জাতীয় পার্টির শ্রদ্ধা নিবেদন

শাহিনুর ইসলাম,বীরগঞ্জ (দিনাজপুর): সাবেক রাষ্ট্রপতি জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান পল্লীবন্ধু হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের ১ম মৃত্যু বার্ষিকীতে বীরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির পক্ষথেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়েছে । মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) সকাল সাড়ে এগারোটায় রংপুর পল্লী নিবাসে নব নির্মিত পল্লীবন্ধুর সমাধিতে কবর জিয়ারত করতঃ ফুলেল শুভেচ্ছা জানান জাতীয় পার্টি কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, বীরগঞ্জ  উপজেলা জাতীয় পার্টি সাধারণ সম্পাদক গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৬ দিনাজপুর-১ আসনের দলীয় প্রার্থী মোঃ শাহিনুর ইসলাম। ফুলেল শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় উপস্থিত ছিলেন, বীরগঞ্জ উপজেলা জাতীয় পার্টির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওঃ মোঃ নজরুল ইসলাম, সহ-সভাপতি কাজী মাওঃ মুঞ্জুর আলী, মোঃ ইয়াসিন আলী, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোঃ আবু হানিফ, মোঃ মোকবূল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান হাবিব ঢালি, উপজেলা জাতীয় ছাত্র সমাজের সভাপতি ও জাতীয় ছাত্র সমাজের কেন্দ্রীয় সদস্য মোঃ নিহাল হোসেন, জাপা নেতা  মোঃ আবুল কালাম আজাদ বাবুল, কাহারোল উপজেলা জাপা নেতা মোঃ মনির হোসেন খাঁন, মোঃ হেলাল উদ্দিন, জাতীয় পার্টির সকল ইউনিয়ন কমিটির সভাপতি ও  সাধারণ সম্পাদকবৃন্দসহ সকল অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীবৃন্দ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৪ জুলাই২০/এসএএইচ