আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2544

কুতুবদিয়া হবে পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান-ওসি সফিক

আবু সায়েম,কক্সবাজারঃ কুতুবদিয়া হবে পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান রবিবার (১৯ জুলাই) দক্ষিণ ধুরুণ বিট পুলিশিং কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায়  একথা বলেন কুতুবদিয়ার অফিসার ইনচার্জ একেএম সফিকুল আলম চৌধুরী। কুতুবদিয়া থানার এসআই মোসলেহ উদ্দিন বাবলুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ ধূরুন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সৈয়দ আহমেদ চৌধুরী। জানা যায়, সম্প্রতি নবাগত ওসি যোগদানের পর থেকে জনগনের নিকট প্রত্যক্ষ সেবা নিশ্চিতকরণে কুতুবদিয়ার ৬ ইউনিয়নের প্রতিটি ইউনিয়নে বিট পুলিশিং কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করে কুতুবদিয়ার অবহেলিত এবং অসহায় মানুষের জন্য সেবার দ্বার উন্মোচন করেছেন তিনি। থানা সূত্রে জানায়, বিট পুলিশিং কার্যক্রমের মৌলিক উদ্দেশ্য হচ্ছে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা নিশ্চিত করা। জনগণ যাতে প্রাপ্য সেবাসমূহ তড়িৎ মুহুর্তে সমাধান পায় সেজন্য বিট পুলিশিং এর উৎপত্তি। সম্প্রতি কুতুবদিয়ায় চৌকস ওসি যোগদানের পর থেকে কুতুবদিয়া থানায় দিন-রাত এক করে নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ওসিসহ তাঁর টিম। ইতোমধ্যে, মাদক উদ্ধার, জলদস্যু গ্রেপ্তার অস্ত্র উদ্ধারসহ অসংখ্য আাসামীকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। জলদস্যু, মাদক ব্যবসায়ীদের জন্য জিহাদ ঘোষণা করেছেন কুতুবদিয়া থানার ওসি। মাদক ব্যবসায়ী, জলদস্যুদের ধরতে প্রতিনিয়ত চালানো হচ্ছে বিশেষ অভিযান, রয়েছে রেড জোন। অনেকে নবাগত ওসির হুঁশিয়ারী শুনে এলাকা ছেড়েছে। বিট পুলিশিং কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় কুতুবদিয়ার ওসি একেএম সফিকুল আলম চৌধুরী বলেন, কুতুবদিয়া হবে পর্যটকদের জন্য দর্শনীয় স্থান। নিরাপদ মডেল দ্বীপ হিসেবে পরিণত হবে কুতুবদিয়া। জনগণের সেবা কেন্দ্রে রুপান্তর করা হবে কুতুবদিয়া থানাকে। ইতোমধ্যে যোগদানের পর থেকে মাদক, অস্ত্রধারী এবং জলদস্যুদের বিরুদ্ধে এ্যাকশন শুরু হয়েছে। পুলিশের অভিযানের খবর পেয়ে অনেক সন্ত্রাসী এলাকা ছেড়েছে। কুতুবদিয়া থানা পুলিশ অধিকতর সচেষ্ট রয়েছে নিরাপদ দ্বীপ রুপান্তরে। তিনি আরো বলেন, বিট পুলিশিং এ প্রতিটি  ইউনিয়নে একজন করে সাব- ইন্সপেক্টর দুজন এএসআই এবং একজন কনস্টেবল থাকবে। তারা প্রতিদিন প্রতিটি ইউনিয়নে ঘটনার দ্রুত তড়িৎ সমাধান করে দিবেন এবং অভিযোগ গ্রহণ করবেন। বিট পুলিশিং এর মাধ্যমে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড হ্রাস, ইভটিজিং রোধ, বাল্য বিবাহ বন্ধ এবং মাদক অনেকাংশে কমে আসবে। মানুষ পাবে তাঁর প্রাপ্য সেবা। জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাবে পুলিশি সেবা। এসময় কুতুবদিয়া থানার ওসি ( তদন্ত) আনেয়ার হোসাইন,  দক্ষিণ ধূরুন ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সেক্রেটারি সাইফুল ইসলাম সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

সাদুল্লাপুরে ইজিবাইকের ধাক্কায় নিহত-১

সংবাদদাতা,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে ব্যাটারী চালিত ইজিবাইকের ধাক্কায় আনোয়ারুল ইসলাম (৪০) নামে এক মিস্ত্রী নিহত হয়েছে। শনিবার (১৮ জুলাই) বিকালে সাদুল্লাপুর উপজেলার ইদিলপুর ইউনিয়নের কুঞ্জমহিপুর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহত আনোয়ারুল কুঞ্জমহিপুর গ্রামের আব্দুল মিয়ার ছেলে। এলাকাবাসী বলেন সাদুল্লাপুর-ঠুটিয়াপকুর রাস্তায় শুকরা মিয়া নামে এক ব্যাটারী চালিত ইজিঅটোবাইক চালক যাত্রী নিয়ে মাদারহাটের দিকে যাচ্ছিল। এসময় কুঞ্জমহিপুর এলাকায় টিনে বেড়া মাথায় নিয়ে হেঁটে আসা আনোরুলকে ধাক্কায় দেয়। এতে ছিটকে পড়ে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারুল ইসলাম মারা যায়। নিহত আনোয়ারুল ইসলাম পেশায় টিনসেড ঘর তৈরীর মিস্ত্রী (কাঠ মিস্ত্রী) ছিলেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৯ জুলা২০/এসএএইচ

২৪ ঘণ্টায় করোনায় প্রাণ হারালো আরও ৩৭ জন, শনাক্ত ২৪৫৯ এবং সুস্থ ১৫৪৬

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আরও ২ হাজার ৪৫৯ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। ফলে এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২ লাখ চার হাজার ৫২৫ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভাইরাসটিতে আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুবরণ করলেন ২ হাজার ৬১৮ জন। রোববার (১৯ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোণা ভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি ৮০টি ল্যাবরেটরিতে নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ হাজার ৯৩৫টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ৬২৫টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ২৮ হাজার ২৯৯টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে রোগী শনাক্ত হয়েছে আরও ২ হাজার ৪৫৯ জন। ফলে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২ লাখ চার হাজার ৫২৫ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৭ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যুবরণ করলেন ২ হাজার ৬১৮ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৫৪৬ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ১১ হাজার ৬৪৪ জনে।দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে পুরুষ ২৯ জন এবং নারী ৮জন। এদের মধ্যে ২০ বছরের বেশি বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব একজন, চল্লিশোর্ধ্ব ৩জন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ৬জন, ষাটোর্ধ্ব ২০ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৪জন, ৮০ বছরের বেশি বয়সী একজন এবং ৯০ বছরের বেশী বয়সী একজন ছিলেন। ১৫ জন ছিলেন ঢাকা বিভাগের, ৮জন চট্টগ্রাম বিভাগের, ৭জন খুলনা বিভাগের, ৩জন রাজশাহী বিভাগের, দুজন সিলেট বিভাগের এবং একজন করে ছিলেন রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের। বুলেটিনে আরও বলা হয়, দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ১৪ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮৯ শতাংশ। দেশে করোনায় আক্রান্ত মোট রোগী শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৫৯ শতাংশ এবং মৃত্যুরহার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

 

আলোকিত প্রত্দিন/১৯ জুলাই২০/এসএএইচ

দেশে করোনায় আরও ৩৪ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭০৯

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মোট মৃত্যুবরণ করলেন ২ হাজার ৫৮১ জন। একই সময়ে ভাইরাসটিতে আরও ২ হাজার ৭০৯ জন আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২ লাখ দুই হাজার ৬৬ জনে। শনিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে স্বাস্থ্য অধিদফতরের করোনা ভাইরাস বিষয়ক নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি নমুনা পরীক্ষার তথ্য তুলে ধরে জানান, করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্তে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ১০ হাজার ৬৩২টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১০ হাজার ৯২৩টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ১৭ হাজার ৬৭৪টি। নতুন নমুনা পরীক্ষায় করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছে আরও ২ হাজার ৭০৯ জন। ফলে করোনায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২ লাখ দুই হাজার ৬৬ জনে। আক্রান্তদের মধ্যে মারা গেছেন আরও ৩৪ জন। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হলো ২ হাজার ৫৮১ জনের। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৩৭৩ জন। এতে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো এক লাখ ১০ হাজার ৯৮ জনে। গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনায় রোগী শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৮০ শতাংশ এবং এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ। দেশে মোট করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্তের বিবেচনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং মৃত্যুর হার ১ দশমিক ২৮ শতাংশ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

ফুলবাড়ীতে কাচা রাস্তার বেহালদশায়, ভোগান্তিতে এলাকাবাসী

সংবাদদাতা,ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম): কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের উত্তর বড়ভিটা- নওদাবস-খড়িবাড়ি সংলগ্ন প্রায় সাড়ে তিন কিলোমিটার দীর্ঘ কাঁচা রাস্তার বেহালদশা। প্রতিবছর বর্ষায় চরম ভোগান্তি পোহাতে হয় এ রাস্তাদিয়ে যাতায়াতকারীদের। রাস্তাটি কাঁচা হলেও অত্র এলাকার মানুষের জীবন জীবিকায় যথেষ্ট গুরুত্ববহন করে। রাস্তাটির আশপাশের প্রায় পনের হাজার মানুষকে চিকিৎসা, শিক্ষা, ব্যবসা-বাণিজ্য, কৃষি, পরিবহন ও যোগাযোগের ক্ষেত্রে পুরোপুরি নির্ভর করতে হয় এ রাস্তার উপড়। চলাচলে চরম ভোগান্তি নিয়ে এ রাস্তা দিয়ে যাতায়ত করতে হয়- শাহ বাজার উচ্চ বিদ্যালয়, শিবের বাজার সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, শাহ বাজার আবুল হোসেন সিনিয়র(ডিগ্রী) মাদ্রাসা, বড়ভিটা উচ্চ বিদ্যালয়, বড়ভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, বড়ভিটা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, হরির হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাইফুর রহমান সরকারী মহাবিদ্যালয়, পূর্বচন্দ্রখানা উচ্চ বিদ্যালয়, পূর্বচন্দ্রখানা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, উত্তর বড়ভিটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, রাবাইতারী এসবি বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়, খড়িবাড়ি ছবিরননেছা দ্বিমুখী দাখিল মাদ্রাসা, সল্লিধরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পশ্চিম নওদাবশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, নওদাবশ সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়, পূর্ব জকার হাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের। এ রাস্তাদিয়ে যাতায়ত করতে হয় পূর্বচন্দ্রখানা কমিউনিটি ক্লিনিক ও বড়ভিটা কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা নিতে আসা গর্ভবতী মা ও শিশুদের। রাস্তার বেহালদশায় সকল প্রকার যানবাহন চলাচলের অযোগ্য হওয়ায় বর্তমানে তাদেরকে পায়ে হেটেই ক্লিনিকে যেতে হয়। গুরুতর অসুস্থ্য রোগীকে হাসপাতালে নিতে ভোগান্তিতে পড়তে হয় অনেককেই। তাছাড়া উৎপাদিত কৃষিপণ্য বিক্রয় ও দৈনন্দিন চাহিদা পূরণে অত্র এলাকাবাসীকে এ রাস্তা দিয়েই পার্শ্ববর্তী শাহ বাজার, বড়ভিটা বাজার, আমতলা বাজার, খড়িবাড়ি বাজার ও উপজেলা সদরে যেতে হয়। বর্ষার শুরুতেই ভারীবর্ষণে বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। এলাকাবাসী বিনোদ চন্দ্র, আবু সায়েদ, শিরিশ চন্দ্র, মজিবর রহমান, দেওয়ান মিয়া, রাজকান্ত সরকার, আলেফ উদ্দিন, আজিত ব্যাপারী ও সফিকুল ইসলাম বলেন, আমরা প্রতি বছর বর্ষায় এ রাস্তাটির কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হই। বর্তমানে রাস্তাটি চলাচলের একেবারে অযোগ্য হয়ে পড়েছে। থমকে গেছে আমাদের স্বাভাবিক জীবন-যাপন। আমরা রাস্তাটি পাকাকরণে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করছি। রাস্তাটির এমন বেহালদশার সত্যতা স্বীকার করে বড়ভিটা ইউনিয় পরিষদ চেয়ারম্যান খয়বর আলী মিয়া বলেন, আমি রাস্তাটি সংস্কারের জন্য উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার সাথে কথা বলেছি। রাস্তাটির বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সবুজ কুমার গুপ্ত বলেন, বরাদ্দ আসলে রাস্তাটি সংস্কারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

 

ফরিদপুরে পদ্মার পানি বিপৎসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত, আড়াই হাজার পরিবার নিমজ্জিত

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: ফরিদপুরে গত ২৪ ঘণ্টায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ৯৮ সে.মি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে ফরিদপুরের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে। শহরের ভাজন ডাঙ্গা এলাকায় পদ্মা নদীর পাড় ভেঙ্গে ফরিদপুর পৌরসভার অন্তত আড়াই সহস্রাধিক পরিবার নিমজ্জিত হয়েছে। এ ছাড়া ফরিদপুর-চরভদ্রাসন আঞ্চলিক সড়কের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়ে পানি বিভিন্ন গ্রামে প্রবেশ করছে। ওই সড়কের গদাধরডাঙ্গী এলাকায় অন্তত ৫০ মিটারব্যাপী দীর্ঘ ফাটল দেখা দিয়েছে। যে কোন মুহূর্তে ফাটলের ওই অংশ ধ্বসে যেতে পারে। ফরিদপুর শহরের ভাজনডাঙ্গা এলাকায় রাতারাতি পানি ঢুকে ঘরবাড়ি নিমজ্জিত হওয়ায় লোকজনকে উদভ্রান্তের মত প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে নিরাপত অশ্রয়ে যাওয়ার জন্য ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে। ওই লোকদের সাহায্য করার জন্য সরকারি কিংবা বেসরকারি পর্যায়ের কাউকে দেখা যায়নি। ফরিদপুরে বন্যা দুর্গতদের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ শুরু হয়েছে। ফরিদপুর সদরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের দুর্গত এক হাজার পরিবারের মধ্যে ১০ কেজি করে চাল বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়াও ডিক্রিরচর ইউনিয়নের ৪শতাধিক পরিবারের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে। ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, ফরিদপুরে পদ্মা নদীতে পানি বৃদ্ধির এ প্রক্রিয়া আগামী আরও তিন/চারদিন অব্যাহত থাকবে। চরভদ্রাসন উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জেসমিন সুলতানা জানান, এ উপজেলার অধিকাংশ পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। ইতোমধ্যে ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। সরকারিভাবে আমরা দুর্গতদের খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু করেছি।

 

আলকিত প্রতিদিন/১৭ জুলাই’২০/এসএএইচ

ফরিদপুরের সালথায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন

সংবাদদাতা,ফরিদপুর: ফরিদপুরের সালথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্মশত বার্ষিকী (মুজিববর্ষ) উপলক্ষে সারা দেশে এক যোগে ১ কোটি বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তারই অংশ হিসাবে বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সকাল ১১ টায় উপজেলা পরিষদ চত্তরে বৃক্ষরোপন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ওয়াদুদ মাতুব্বর। উপজেলা বন বিভাগের তত্ত্বাবধায়নে বৃক্ষরোপন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ ওয়াদুদ মাতুব্বর,উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান রুপা বেগম, উপজেলা কৃষি অফিসার ও কৃষিবিদ জীবাংশু দাস, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. খোরশেদ আলম, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক জাহিদুর রহমান জাহিদ, সালথা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শরিফুল ইসলাম পিকুল, উপজেলা বন বিভাগের কর্মকর্তা মোঃ তোরাপ হোসেন প্রমূখ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুলাই’২০/এস এএইচ

চট্রগ্রামের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা নির্বাচিত কক্সবাজার সদরের এসআই কাঞ্চন 

প্রতিনিধি,কক্সবাজারঃ চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসআই ( তদন্তকারী) কর্মকর্তা  হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন কক্সবাজার সদর মডেল  থানার চৌকস পুলিশ কর্মকর্তা কাঞ্চন দাশ । এপ্রিল  মাসের সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক বিশেষ অবদান রাখায় তাকে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি খন্দকার গোলাম ফারুক পিপিএম,বিপিএম (বার) এর সভাপতিত্বে চট্টগ্রাম পুলিশের ডিআইজির কার্যালয়ে মাসিক কল্যাণসভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে সার্বিক কার্যক্রম বিবেচনাপূর্বক কক্সবাজার সদর মডেল  থানার এসআই কাঞ্চন দাশকে চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই ( তদন্তকারী) কর্মকর্তা হিসেবে সম্মানাস্বরুপ ক্রেস্ট ও সনদ প্রদান করা হয়। এসময় অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, চট্টগ্রাম রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি আবুল ফয়েজ (ক্রাইম), কক্সবাজার জেলা পুলিশের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন( (বিপিএম) বার এবং চট্টগ্রাম রেঞ্জ কার্যালয়ের সকল পুলিশ কর্মকর্তাগণ । উল্লেখ্য যে, কক্সবাজার সদর  মডেল থানায় এসআই কাঞ্চন দাশ যোগদানের পর থেকে মাদক নির্মূল, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক, অস্ত্র উদ্ধার শ্রেষ্ঠ মামলা তদন্তকারী অফিসার সর্বোপরী সদর থানাকে নিরাপত্তার চাদরে আচ্ছাদিত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন। ফলশ্রুতিতে তারঁ এ কৃতিত্বের জন্য চট্টগ্রাম রেঞ্জের শ্রেষ্ঠ এসআই( (তদন্তকারী) কর্মকর্তা  হিসেবে পুরস্কার লাভ করেন। চট্টগ্রাম রেঞ্জে শ্রেষ্ঠ এসআই হিসেবে নির্বাচিত হওয়ায় এক প্রতিক্রিয়ায় কাঞ্চন দাশ  বলেন, প্রতিটি পুরস্কার আসলে খুবই ভালো লাগে। কার্যক্ষেত্রে কাজের গতিকে তরান্বিত করে, প্রেরণা সৃষ্টি করে। তিনি আরো বলেন, মাদকমুক্ত সদর মডেল থানা গড়তে আমি যে প্রতিশ্রুতি নিয়ে যোগদান করেছিলাম.তা বাস্তবায়ন করার জন্য আমার মানসিক ও শারীরিক শ্রম অব্যাহত থাকবে। সদর থানাকে মডেল থানায় বাস্তাবায়ন করতে আমার সকল কার্যক্রম বিদ্যমান থাকবে। আমার পুরস্কারের পেছনে যারা আমাকে উৎসাহ উদ্দীপনা এবং কর্মক্ষেত্রে সাহস যুগিয়েছেন কক্সবাজারের সুযোগ্য পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসাইন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ( প্রশাসন) ইকবাল হোছাইন, সদর সার্কেল অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আদিবুল ইসলাম, কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি সৈয়দ আবু মোহাঃ শাহজাহান কবির এবং কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি তদন্ত খায়রুজ্জামান স্যার।

 

আলকিত প্রতিদিন/১৭ জুলাই’২০/এসএএইচ 

 

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি, পানিবন্দি দুই লক্ষাধিক মানুষ

সংবাদদাতা,গাইবান্ধা: নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরো অবনতি হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা,গাইবান্ধা সদর ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের দুই লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।  ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদসীমার ১১৮ সেন্টিমিটার ও ঘাঘট নদীর পানি ৯৩ সেন্টিমিটার ও করতোয়া নদীর পানি ৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোখলেছুর রহমান বলেন, পানির চাপ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় ফুলছড়ি উপজেলার ভাষারপাড়া ও মাঝিপাড়া পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ এবং গাইবান্ধা সদর উপজেলার দক্ষিণ ঘাগোয়া ও কিশামত বালুয়া এলাকায় ঘাঘট নদীর বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। ভাষারপাড়া এলাকায় বাঁধে ছিদ্র হওয়ায় যেকোনো সময় ভেঙে যেতে পারে। তবে ভাঙ্গন ঠেকাতে বালির বস্তা ফেলে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা চলছে। মাঝিপাড়া ও দক্ষিণ ঘাগোয়াসহ ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোয়ও বালির বস্তা ফেলা হচ্ছে। গাইবান্ধা-সাঘাটা সড়কে উল্যা ভরতখালী এলাকায় বিভিন্ন স্থানে বাঁধের ওপর দিয়ে পানি যাচ্ছে। সড়কের ১০টি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে এবং হুমকিতে রয়েছে কয়েকটি সুইসগেট। ফলে যেকোনো সময় ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলার সঙ্গে জেলা শহরের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। তবে স্থানীয়রা বালুর বস্তা দিয়ে ভাঙ্গন ঠেকানোর চেষ্টা করছে। সাঘাটার ভরতখালীহাট এলাকার কৃষক জাকির হোসেন বলেন, ভরতখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের গেট সংলগ্ন পশ্চিমে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধটি হুমকির মুখে রয়েছে। বস্তা দিয়ে বাঁধটি রক্ষার চেষ্টা করা হচ্ছে। সাঘাটা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর বলেন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রক্ষায় সম্মিলিত চেষ্টা অব্যাহত আছে। গাইবান্ধা সদর উপজেলার কামারজানি, গিদারী, মোল্লারচর ও কুপতলা ইউনিয়ন,সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ও জুমারবাড়ী ইউনিয়ন, সুন্দরগঞ্জ উপজেলার চন্ডিপুর, কাপাসিয়া, তারাপুর, বেলকা, হরিপুর,কঞ্চিবাড়ী ও শ্রীপুর ইউনিয়ন,ফুলছড়ি উপজেলার গজারিয়া, খাটিয়ামারী ইউনিয়নের বেশিরভাগ এলাকা বন্যার পানিতে নিমজ্জিত। বন্যা কবলিত মানুষ গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি নিয়ে আত্মীয়-স্বজনের বাড়িসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ও বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। এর মধ্যে খাবার ও বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। পানিতে তলিয়ে গেছে ওই এলাকার বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ, ভেসে গেছে পুকুরের মাছ, বিচ্ছিন্ন রয়েছে যোগাযোগ ব্যবস্থা, হুমকিতে রয়েছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। বন্যা কবলিত এলাকায় গো-খাদ্যের চরম সংকট দেখা দিয়েছে। গাইবান্ধা জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা একেএম ইদ্রিস আলী বলেন গাইবান্ধা সদর, সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের  বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের জন্য এ পর্যন্ত ৩২০ মেট্রিক টন চাল ও নগদ ১৫ লক্ষ টাকা, শিশু খাদ্য চার লক্ষ, গোখাদ্য দুই লক্ষ ও ১৮ হাজার প্যাকেট শুকনো খাবার বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে এগুলো বিতরণ করা হচ্ছে। গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক আবদুল মতিন বলেন, বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় কন্ট্রোলরুম খোলা হয়েছে। এছাড়া বন্যা কবলিত মানুষের জন্য সরকারি ত্রাণ সহায়তা অব্যাহত রয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

 

এস,এম শাহাদৎ হোসাইন

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

০১৭২৩০৫৬১৯৩

টাঙ্গাইলে একই পরিবারের ৪ জনকে গলা কেটে হত্যা

প্রতিনিধি,টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের মধুপুরে একই পরিবারের ৪ জনের গলা কাটা অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করেছে মধুপুর থানা পুলিশ। শুক্রবার (১৭ জুলাই) সকালে মধুপুর পৌর শহরের ৫নং ওয়ার্ড মাষ্টার পাড়ার শহীদ কোচিং সেন্টারের গলির একটি বাসায় থেকে ওই ৪ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। খুন হওয়া চারজন হলেন মোঃ গনি মিয়া (৪৫), তার স্ত্রী তাজিরন বেগম (৩৮), ছেলে তাজেল (১৫) ও মেয়ে সাদিয়া (০৮)। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, মধুপুরের পৌর এলাকার মাষ্টার পাড়ায় বসবাস করতো এই পরিবার। গত ২-৩ দিন ধরে তাদের কোন সাড়া শব্দ পাওয়া যাচ্ছিলনা। বাইরের গেট তালাবদ্ধ ছিল এবং ভিতর থেকে দুর্গন্ধ আসছিল। বিষয়টি স্থানীয় লোকজনের সন্দেহ হলে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পরে পুলিশ এসে গেট ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে চার জনের গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় মধুপুর থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ তারিক কামাল জানান, ওই চারজনের মরদেহ উদ্ধারে রয়েছে পুলিশ। তবে, এটা হত্যা না খুন তদন্ত সাপেক্ষে বলা হবে। এখন কিছু বলা যাচ্ছে না।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ জুলাই’২০/এসএএইচ