আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2542

দীর্ঘ অপেক্ষার অবসান, আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে এক নম্বর হলেন স্টোকস

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ওল্ড ট্রাফোর্ডে বেন স্টোকসের অলরাউন্ড পারফরমেন্সে ভর করে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে সিরিজে সমতা ফিরিয়েছে ইংল্যান্ড। দুই ইনিংসে ১৭৬ আর অপরাজিত ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন এই ব্রিটিশ অলরাউন্ডার। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সময়ে বল হাতে তিন উইকেট তুলে নেন। দুর্দান্ত এই পারফরম্যান্সেরই প্রভাব পড়েছে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ে। ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক জেসন হোল্ডারকে পেছনে ফেলে আইসিসির অলরাউন্ডারদের ক্রমতালিকায় এক নম্বরে চলে এলেন বেন স্টোকস। যার ফলে ১৮ মাস পর অলরাউন্ডারদের তালিকায় এক নম্বর স্থান হারালেন জেসন হোল্ডার। ২০০৬ সালে অ্যান্ড্রু ফ্লিনটফের পর ইংল্যান্ডের কোনও অলরাউন্ডার আবার এক নম্বর হলেন। ৪৯৭ রেটিং পয়েন্ট পেয়ে শীর্ষস্থানে আছেন বেন স্টোকস। ২০০৮ সালে জ্যাক কালিসের পাওয়া ৫১৭ রেটিং পয়েন্ট এরপর টেস্টে কোনও অলরাউন্ডারের এটাই সর্বোচ্চ পয়েন্ট।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২২ জুলাই’২০/এসএএইচ  

 

স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেসব সমস্যার সমাধান করতে পারে পিয়াজের জুস

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ স্বাস্থ্য সংক্রান্ত নানা সমস্যার সমাধান করতে পারে পিয়াজ। ওজন কমানো থেকে শুরু করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোসহ নানা স্বাস্থ্য সমস্যার দাওয়াই পিয়াজের জুস। তাই আমরা খাদ্যতালিকায় পিয়াজ রাখতে পারি।

পিয়াজের জুসের উপকারিতা ও রেসিপি:
ওজন কমাতে: এতে ফ্যাট নেই বললেই চলে। তবে ফ্ল্যাভানয়েড অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে  ভরপুর এই উপকরণটি হজমের উন্নতি ঘটায়। ফলাফল ওজন কমাতে সহায়ক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, পিয়াজের রস আর মধু মিশিয়ে খালি পেটে নিয়মিত খেলে শরীরে বাড়তি চর্বি জমতে দেয় না। রেসিপি: একটি পিয়াজের অর্ধেক খোসা ছাড়িয়ে কেটে নিয়ে পানি দিয়ে ব্লেন্ড করুন। এতে এক টেবিল চামচ মধু মিশিয়ে সকালে খেয়ে নিন।

রোগপ্রতিরোধে: পিয়াজের জুস দিয়ে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো খুবই সহজ। পিয়াজে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পুষ্টি উপাদান যেমন- ভিটামিন সি, জিঙ্ক এবং পাইটোক্যামিকেল রয়েছে যা শরীরকে সর্দি, কাশি, জ্বর ফ্ল প্রতিরোধে সহায়তা করে।

রেসিপি: একটি পিয়াজ খোসা ছাড়িয়ে কেটে নিন। এক গ্লাস বিশুদ্ধ পানিতে সারারাত ভিজিয়ে রাখুন। সকালে কয়েক চামচ খেয়ে নিন। এরপর বাকিগুলো সারাদিনে এক বা দুই ঘণ্টা পর পর পান করুন।

ত্বক ও চুলের স্বাস্থ্যে: ত্বক ও চুলের নানা সমস্যার সমাধানে চমৎকার কাজ করে পিয়াজের রস। চুলের গোড়া ও ত্বকে লাগানো ছাড়া্ও নিয়মিত পিয়াজের রস পান করলে চুল পড়া রোধ করে এবং ত্বকের নানা সমস্যা যেমন- ব্রণ ও প্রদাহ দূর করে।

রেসিপি: একটি পিয়াজ মিহি করে কেটে নিন। এরপর রস চেপে বের করে নিন। পিয়াজের গন্ধ অনেকে সহ্য করতে পারে না। এ জন্য এই রসের সঙ্গে লবণ বা লেবুর রস মিশিয়ে নিতে পারেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২২ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

বাংলাদেশের বন্যা ১৯৮৮ পরে এবার দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে- জাতিসংঘ

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ ১৯৮৮ সালের পর বাংলাদেশে এবারের বন্যা সবচেয়ে দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। দেশে বন্যার পানি এখনও বাড়ছে, তা আগামী মাসের আগে কমবে এমন সম্ভাবনাও কম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) জাতিসংঘের অফিস ফর দ্য কো-অর্ডিনেশন অব হিউম্যানিটারিয়ান অ্যাফেয়ার্সের (ওসিএইচএ) নিয়মিত ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানানো হয়। ওসিএইচএ জানিয়েছে, বন্যায় এখন পর্যন্ত দেশের ১৮টি জেলার ২৪ লাখেরও বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ঘরবাড়ি ছেড়ে সরকারি আশ্রয়কেন্দ্রে ঠাঁই নিয়েছে অন্তত ৫৬ হাজার মানুষ। দেশে বন্যার প্রভাবে এ পর্যন্ত অন্তত ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ বছর বন্যায় প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ বাড়িঘর প্লাবিত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বাঁধ ও বাঁধের মতো বন্যা নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামোগুলো। বন্যায় ভুক্তভোগীদের জরুরি খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ সুবিধা, নারীদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য কিট, জরুরি আশ্রয়ের মতো বিষয়গুলোতে সরকারকে সহায়তা করছে জাতিসংঘ ও মানবিক সহায়তাকারীরা। বন্যায় সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে থাকা পরিবারগুলোকে সহায়তার জন্য সম্প্রতি জাতিসংঘের বিভিন্ন সংস্থাকে প্রাথমিকভাবে ৫২ লাখ মার্কিন ডলারের তহবিল দিয়েছে সংস্থাটির সেন্ট্রাল ইমারজেন্সি রেসপন্স ফান্ড (সিইআরএফ)। এ তহবিলের মাধ্যমে অংশীদারদের সহায়তায় গত ১১ জুলাই থেকে দুর্গতদের কৃষিজাত সরঞ্জাম সুরক্ষায় সিলযোগ্য ড্রাম সরবরাহ, স্বাস্থ্য ও পরিচছন্নতা উপকরণ, নগদ অর্থ বিতরণের মতো প্রাথমিক সাহায্য দেয়া হচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্ফান পরবর্তী পুনরুদ্ধার প্রতিক্রিয়া এবং তার সঙ্গে করোনাভাইরাস মহামারির কারণে বন্যায় সহায়তা ও পুনরুদ্ধার চেষ্টা আরও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘ। প্রসঙ্গত, ১৯৮৮ সালের বন্যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে মারাত্মক ও ক্ষয়ক্ষতিময় প্রাকৃতিক দুর্যোগগুলোর মধ্যে অন্যতম। ওই বছর আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে হওয়া বন্যায় দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছিল। স্থানভেদে এ দুরবস্থা স্থায়ী ছিল ১৫ থেকে ২০ দিন। তখন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও গুরুত্বের সঙ্গে প্রচারিত হয়েছিল এ বন্যার খবর।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২২ জুলাই২০/এসএএইচ

দেশে করোনায় আরও ৪২ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৭৪৪

সৈয়দ এনামুল হুদাঃ দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় মহামারি করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়ালো ২ হাজার ৭৫১ জনে। একই সময়ে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন আরও ২ হাজার ৭৪৪ জন। ফলে করোনায় মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ২ লাখ ১৩ হাজার ২৫৪ জনে। বুধবার (২১ জুলাই) দুপুরে করোনা ভাইরাস বিষয়ক স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানান অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা। তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত রোগী শনাক্তে ১১ হাজার ৫৭৬ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে পরীক্ষা করা হয় ১২ হাজার ৫০টি নমুনা। এ নিয়ে দেশে মোট নমুনা পরীক্ষা করা হলো ১০ লাখ ৬৬ হাজার ৬০৯টি। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন আরও ১ হাজার ৮০৫ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১ লাখ ১৭ হাজার ২০২ জনে। রোগী শনাক্তের তুলনায় সুস্থতার হার ৫৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ। তিনি আরো জানান, ২৪ ঘণ্টায় মৃতদের মধ্যে পুরুষ ৩০ জন ও মহিলা ১২ জন। নমুনা শনাক্তের তুলনায় মৃত্যুহার ১ দশমিক ২৯ শতাংশ। আর নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ২২ দশমিক ৭৭ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার তুলনায় শনাক্তের হার ১৯ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত্ ৪২ জনের মধ্যে দশোর্ধ্ব একজন, ২০ বছরের বেশি বয়সী একজন, ত্রিশোর্ধ্ব তিনজন, চল্লিশোর্ধ্ব তিনজন, পঞ্চাশোর্ধ্ব ১১ জন, ষাটোর্ধ্ব ১৪ জন, সত্তরোর্ধ্ব ৮জন এবং আশির্ধ্ব একজন রয়েছেন। ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃতদের মধ্যে ২১ জন ঢাকা বিভাগের, ৮জন চট্টগ্রাম বিভাগের, দুইজন রাজশাহী বিভাগের, তিনজন সিলেট বিভাগের, দুইজন রংপুর বিভাগের এবং তিনজন খুলনা বিভাগের রয়েছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২২ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে যাওয়ায় ঢাকার পানি বের করা যাচ্ছে না: মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ বেশি থাকায় নদ-নদীর পানির উচ্চতা বেড়ে গেছে, তাই ঢাকার পানি বের করা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এ কথা জানান। ঢাকা শহরে জলাবদ্ধতা নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তাজুল ইসলাম বলেন, উজান থেকে আসা পানির প্রবাহ বেশি থাকায় নদ-নদীর পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেয়েছে। এ কারণে ঢাকা নগরী থেকে সুইচ গেটের মাধ্যমে স্বাভাবিক বা প্রাকৃতিক উপায়ে পানি বের করা সম্ভব হচ্ছে না। এই গেটগুলো খুলে দিলে নগরী থেকে পানি বের না হয়ে নদ-নদীর পানি ঢাকা শহরে প্রবেশ করবে। এতে জলাবদ্ধতা আরও বাড়বে। তাই শুধু পাম্পিং (আর্টিফিশিয়াল পদ্ধতি) করে পানি বের করতে হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকা ওয়াসার তিনটি পাম্পিং স্টেশন কমলাপুর, রামপুরা ও কল্যাণপুর থেকে ১৭টি পানির পাম্পসহ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনেকগুলো পাম্প দিয়ে শহর থেকে সেচের মাধ্যমে পানি বের করা হচ্ছে। প্রতিটি পাম্প দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে ৫ হাজার লিটার পানি বের করা সম্ভব হচ্ছে, যা অতিমাত্রায় বর্ষণের ফলে জমানো পানির তুলনায় অনেক কম। সেজন্য নগরীর বিভিন্ন জায়গায় সাময়িক জলাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে বলেও জানান স্থানীয় সরকার মন্ত্রী। মন্ত্রী জানান, রাজধানীতে জলাবদ্ধতা নিরসনে ঢাকার জলাশয়গুলোতে পানির ধারণ ক্ষমতা ও প্রবাহ বৃদ্ধির পাশাপাশি ঢাকার আশপাশের নদ-নদীগুলো ড্রেজিং করে ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। এটা নিয়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় কাজ করছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়ন করতে বুধবার জরুরি সভা ডাকা হয়েছে জানিয়ে তাজুল ইসলাম বলেন, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন, ঢাকা ওয়াসা, রাজউক, মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ, বিআরটিএ, পানি উন্নয়ন বোর্ডসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই সভায় যোগদান করবেন। এ সময় সকল পক্ষের মতামত নিয়ে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরের জলাবদ্ধতা নিরসনে দীর্ঘমেয়াদি ভবিষ্যৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করা হবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

চীনগামী বিমানযাত্রীদের করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক

আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ চীনের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ বলেছে, দেশটিতে যাওয়ার জন্য বিমান যাত্রীরা ফ্লাইট বুক করার পর বিমানে আরোহনের আগে সাম্প্রতিক করোনা (কোভিড-১৯) ভাইরাস পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে বলে প্রমাণ করতে হবে। সোমবার (২০ জুলাই) সিভিল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অফ চায়না (সিএএএসি) বলেছে, ফ্লাইটের নির্ধারিত সময়ের অন্তত পাঁচদিন আগে যাত্রীদের নিউক্লিক অ্যাসিড পরীক্ষা করতে হবে। সিএএএসির ওয়েবসাইটে দেয়া বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রত্যেক দেশে নিয়োজিত চীনের দূতাবাসের অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলকভাবে করাতে হবে। যেসব যাত্রী করোনা ভাইরাস পরীক্ষার নেগেটিভ ফল দেখাতে পারবেন না, তাদের চীনগামী ফ্লাইটে আরোহন করতে দেয়া হবে না। মহামারি করোনা ভাইরাস কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া অভ্যন্তরীণ এবং আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল শুরু করেছে চীন। তবে দেশটির বিভিন্ন অঞ্চলে ভ্রমণের জন্য যাত্রীদের বেশ-কিছু বিধি-নিষেধের পাশাপাশি কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বরে চীনের উহানে নভেল করোনাভাইরাসের উৎপত্তি হয়। মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাস প্রায় নিয়ন্ত্রণে নিয়ে এসেছে দেশটি। কিন্তু বিশ্বজুড়ে ভাইরাসটির বিস্তার এখনও ঊর্ধ্বমুখী। এখন পর্যন্ত বিশ্বের দুই শতাধিক দেশে ছড়িয়েছে প্রাণঘাতী এই ভাইরাস। বিশ্বজুড়ে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন প্রায় দেড় কোটি মানুষ এবং মারা গেছেন ৬ লাখ ১৪ হাজারের বেশি। বিশ্বজুড়ে করোনায় সংক্রমণ এবং মৃত্যু বাড়লেও এই রোগ নির্মূলে এখন পর্যন্ত কোনও ভ্যাকসিন আবিষ্কার হয়নি। তবে বেশ কয়েকটি ভ্যাকসিন মানবদেহে পরীক্ষার বিভিন্ন ধাপে রয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন তৈরির দৌড়ে শীর্ষে যারা রয়েছে, তাদের মধ্যে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় অন্যতম। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীদের তৈরি করোনা ভ্যাকসিন চ্যাডক্স১এনকোভ-১৯ প্রথম ধাপে মানবদেহে পরীক্ষায় সফল হয়েছে বলে সোমবার বিজ্ঞানবিষয়ক বিখ্যাত সাময়িকী ল্যানসেটে প্রকাশিত এক নিবন্ধে জানানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

গাইবান্ধায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত

সংবাদদাতা,গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, তিস্তা ও করতোয়াসহ সবগুলোর নদীর পানি ক্রমান্বয়ে কমতে শুরু করেছে। বন্যার পানি কমতে শুরু করলেও যেসব পরিবার ঘরবাড়ি ছেড়ে বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধ ও বিভিন্ন উঁচুস্থানে আশ্রয় নিয়েছে তারা এখনও ঘরে ফিরে যেতে পারেনি। খাদ্য ও কর্মের অভাবে গরু ছাগল নিয়ে চরম দুর্দশার মধ্যে তাদের দিন কাটছে। বন্যার পানি কমতে থাকায় সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা, ফুলছড়ি ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ১১টি পয়েন্টে নদী ব্যাপক ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৬৪ সেন্টিমিটার এবং ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৪১ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুলাই২০/এসএএইচ

 

কক্সবাজার শহরের রাস্তাঘাটের বেহাল দশা, কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ 

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজার শহরের ভাঙ্গা রাস্তা নিয়ে চরম বিরক্ত পথচারীরা। শুধু প্রধান সড়ক নয় পৌর এলাকার বেশির ভাগ উপ সড়কের বেহাল দশা। স্থানীয়দের দাবি অতীতে কোন সময় এত ভাঙ্গা সড়ক দেখেনি তারা। এতে ভেস্তে যাচ্ছে কক্সবাজারে চলমান সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রম। তাই সরকারের ইমেজ ধরে রাখতে দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি জানান সচেতন মহল। পথচারীরা বলেন, কক্সবাজারের সড়কের এত বেহাল অবস্থা অমরা আগে কখনো দেখিনি। মানুষ রাস্তায় বের হলেই সরকারের সমালোচনা করে। নারী-পুরুষ সবাই শুধু ভাঙ্গা রাস্তা নিয়ে কথা বলে কারণ মানুষ সত্যিকার অর্থে রাস্তায় চলতে চরম অসুবিধায় পড়ছে। অথচ আমাদের জানা মতে সারা দেশের সব জেলার মধ্যে কক্সবাজারেই সরকারের বেশি উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলছে। মানুষ কিন্তু সেগুলো নিয়ে কথা বলে না, শুধু রাস্তার সমালোচনা নিয়ে ব্যস্ত থাকে। পথচারীরা আরো বলেন, মানুষ দৃশ্যমান কাজে বিশ্বাসি বর্তমানে কক্সবাজারে বিপুল উন্নয়ন কার্যক্রম চলছে এটা সত্য কিন্তু সেই উন্নয়ন থেকে মানুষ এখনো সুবিধা পায়নি বরং মানুষ রাস্তা ঘাটে চলাচল করতে চরম অসুবিধায় পড়ছে সেটাই বেশি দেখছে। তাই সাধারণ জনগণ যে সমালোচনা করবে এতে কোন সন্দেহ নেই। আমার মতে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে জবাবদিহিতার অভাব রয়েছে। মোট কথা সরকার যতই উন্নয়ন কর্মকাণ্ড করুক না কেন মানুষ কিন্তু রাস্তাঘাট নিয়ে খুব বিরক্ত। টেকপাড়া এলাকার মোহাম্মদ হোসেন বলেন, আমার বয়স (৫২) আমাদের সামনের সড়ক এক সময় মাটির ছিল পরে ইট বিছিয়ে গাড়ি চলতো এরপরে পাকা রাস্তা হয়েছে অনেক কিছুই দেখেছি তবে রাস্তার এরকম করুণ অবস্থা আগে কখনো দেখিনি। জানিনা কর্তৃপক্ষ কি করে। তিনি বলেন, পৌর এলাকার বেশির ভাগ উপ সড়ক এতই নাজুক মানুষ রাস্তায় বের হলেই মন্দ কথা বলে। তারা জানান, পর্যটন শহর কক্সবাজারের এসব সড়কে প্রতিদিন প্রায় ১০ হাজার যানবাহন চলাচল করে। ফলে সড়কের এ খানা-খন্দের কারণে প্রায় সময় শহরে যানজট লেগেই থাকে। দ্রুত এ সমস্যার সমাধান করা না হলে, সাধারণ পথচারীদের কষ্টের সীমা থাকবে না। লিংকরোড থেকে শুরু করে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ের সামনের সড়ক, হাসপাতাল সড়ক, বার্মিজ মার্কেট, রুমালিয়ারছড়া, বাজারঘাটা এমনকি পৌরসভার প্রধান সড়কটির পর্যন্ত বেহাল দশা। এতে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন স্থানীয় অধিবাসীরা। দিন দিন এসব সড়কের খানা-খন্দ বড় বড় গর্তে পরিণত হওয়ায় যানবাহন চলাচলেও সমস্যার সৃষ্টি হচ্ছে। এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত সড়ক ও উপ-সড়কগুলো সংস্কার করার জন্য সচেতন কক্সবাজারবাসী অনুরোধ জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুলাই’২০/এসএএইচ

সাভারে হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে অটোচালক গ্রেফতার

আলী হোসেন,সাভারঃ সাভারের আশুলিয়ায় অটোরিকশা চালক মিন্টু শেখ হত্যার ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইমরান মিয়া (৩২) নামের এক যুবককে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুরে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। এর আগে সোমবার (২০ জুলাই) রাতে সাভারের জামসিংয়ের নবীন মার্কেট সংলগ্ন এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃত হলেন- ইমরান হোসেন (৩২), তিনি সাভারের নয়াবাড়ি এলাকার লাল মিয়ার ছেলে। পেশায় তিনিও অটোরিকশা চালক বলে জানা গেছে। নিহত মিন্টু শেখ নড়াইল জেলার লোহাগড়া থানার পানপাড়া গ্রামের সোলেমান মিয়ার ছেলে। সে সাভারের ছায়াবিথি এলাকায় একটি বাড়িতে ভাড়া থেকে অটোরিকশা চালাতো। পুলিশ জানায়, গত ১৪ জুলাই আশুলিয়ার গেরুয়া এলাকায় মিন্টু মিয়াকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে তার অটোরিকশা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। পরে এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে এগিয়ে আসলে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। এসময় মিন্টুকে উদ্ধার করে সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এঘটনায় মামলা দায়ের করা হলে তদন্ত করে হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে ইমরানকে গ্রেফতার করা হয়। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এস‌আই) জসিম উদ্দিন বলেন, হত্যাকান্ডের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইমরানকে গ্রেফতার করে ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুলাই’২০/এসএএইচ

মানিকগঞ্জে সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, জনদূর্ভোগ চরমে

প্রতিনিধ, মানিকগঞ্জঃ উজান থেকে নেমে আসা ঢল ও কয়েকদিন ধরে অব্যাহত প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে মানিকগঞ্জে যমুনা ও পদ্মা নদীর পানি বেড়েই চলেছে। ফলে জেলার সদর উপজেলাসহ দৌলতপুর, ঘিওর, শিবালয়, হরিরামপুর উপজেলার নদীর তীরবর্তী নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে। ৫টি উপজেলার প্রায় সকল গ্রাম ইতিমধ্যে বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।  মানিকগঞ্জের পদ্মা-যমুনা তীরবর্তি অঞ্চলের অভ্যন্তরে হু হু করে পানি প্রবেশ করায় সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি ঘটছে। বন্যার পানিতে কাঁচা-পাকা রাস্তা, বাড়ী-ঘর তলিয়ে গেছে। চরম দুর্ভোগে পড়েছে এসব এলাকার লোকজন। যমুনার শাখা নদী ধলেশ্বরী, পুরাতন ধলেশ্বরী, কান্তাবতী ও ইছামতি নদী হয়ে জেলার অভ্যন্তরে বানের পানি প্রবেশ করে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত করছে। বিশেষ করে এ জেলার অর্ন্তগত পদ্মা-যমুনার চরাঞ্চলগুলো পুরোপুরি বন্যা প্লাবিত হয়েছে। আরিচা গবাদি পশুর হাটসহ অনেক হাট বাজারে পানি উঠায় স্বাভাবিক হাট-বাজার ব্যাহত হচ্ছে। আরিচা লঞ্চ ঘাট রোড, আরিচা পুরাতন ফেরি টার্মিনালে পানি উঠেছে। কয়েকশ’ আবাদি পুকুর বানের পানিতে ভেসে যাওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন মৎস চাষীরা। এদিকে, প্রায় প্রতিটি বাড়িতে পানি উঠে যাওয়ায় গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন গৃহস্থরা। অনেকেই উঁচু রাস্তায় আশ্রয় নিয়েছেন। অনেক স্কুলের অভ্যন্তরেও বানের পানি প্রবেশ করেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) পানি পরিমাপক (গেজ রিডার) ফারুক আহমেদ জানান, উজান থেকে ঢল ও প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে মানিকগঞ্জে যমুনা ও পদ্মা নদীর পানি বেড়েই চলেছে। মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সকাল নয়টায় যমুনা নদীর পানি বিপৎসীমার ৬৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বিএম রুহুল আমিন রিমন বলেন, উপজেলার শিবালয়, তেওতা ও আরুয়া তিনটি ইউনিয়নের নদী তীরবর্তি এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়েছে। এ তিনটি ইউনিয়নের তিনটি স্কুলে আশ্রয়ন কেন্দ্র খোলা হয়েছে। বন্যাকবলিত লোকজনের মধ্যে ত্রাণ কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। এদিকে ধলেশ্বরী নদীতেও অস্বাভাবিক পানি বাড়ায় ঘিওর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানি বাড়ায় নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। কয়েক শ বাড়িঘর ও রাস্তাঘাটে পানি উঠেছে। ঘিওর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আইরিন আক্তার বলেন, বন্যার পানিতে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। ইতিমধ্যে বন্যাদুর্গত ১ হাজার ৩০ জন মানুষের মধ্যে ত্রাণসহায়তা দেওয়া হয়েছে। নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য বন্যাকবলিত উপজেলার ২৫টি প্রাথমিক বিদ্যালয় খুলে দেওয়া হয়েছে। গত কয়েক দিনে উজানে যমুনার পানি অস্বাভাবিক বেড়েছে এবং অতি বৃষ্টিপাতের কারণে কালীগঙ্গা নদীর পানিও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে। এতে জেলা সদরের দীঘি, নবগ্রাম, জাগীর, পুটাইল ও ভাড়ারিয়া ইউনিয়নের প্রায় অর্ধশত গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, প্রবল বৃষ্টিপাত ও ধলেশ্বরী নদীর পানি বাড়ায় ঘিওরের নালী, পয়লা, বড়টিয়া, বানিয়াজুরী ও ঘিওর সদর ইউনিয়নে বন্যা দেখা দিয়েছে। এসব ইউনিয়নের অধিকাংশ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। কয়েক শ নিচু বাড়িঘরে পানি ঢুকেছে। মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক এস এম ফেরদৌস জানিয়েছেন, সরকারিভাবে বন্যাকবলিত এলাকার মানুষদের মাঝে এ পর্যন্ত ১৩০ মেট্রিকটন চাল ও ১৯০০ প্যাকেট শুকনো খাবার ত্রান হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে ।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২১ জুলাই’২০/এসএএইচ