আজ শনিবার, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ২০ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2540

গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকটে মানুষ

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির চরম অবনতি হয়েছে। ফলে বন্যা কবলিত মানুষের দুর্ভোগ বেড়েই চলছে। বানভাসি মানুষের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার সংকট দেখা দিয়েছে। অনেকে বিশুদ্ধ পানি ও খাবার নৌকা নিয়ে উচু স্থান থেকে সংগ্রহ করছে। দফায় দফায় নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে বানভাসি মানুষ পরিবার ও গবাদি পশু নিয়ে বিপাকে পড়েছে। মানুষ ও পশু একই সাথে রাত কাটাচ্ছে। বন্যায় পানিতে মানুষের ঘরবাড়ী দীর্ঘদিন ডুবে থাকার কারণে আসবাবপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। পানির সঙ্গে যুদ্ধ করে বাঁচতে হচ্ছে বন্যা কবলিতদের। পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকার ফলে নতুন করে আরও তিন উপজেলায় বন্যার পানি আঘাত হানতে শুরু করেছে। সাদুল্লাপুরের ঘাঘট নদী, পলাশবাড়ীর বাঙ্গালী নদী ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার করতোয়া নদীর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। নতুন এসব উপজেলার ঘরবাড়ি ও ফসলী জমি পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। গোবিন্দগঞ্জের করতোয়া নদীর পানির চাপে বালুয়া ও বিষপুকুর বাঁধ দুটি হুমকির মুখে পড়েছে। গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতির হয়েছে। জেলা প্রশাসক মো. আবদুল মতিন বলেন, বন্যার্ত মানুষদের দুর্ভোগ মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে স্বাস্থ্যসেবায় মেডিকেল টিম বসানো হয়েছে। গাইবান্ধা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগ সূত্রে জানা যায়, সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নের প্রায় ১০ হাজার শৌচাগার পানিতে ডুবে থেকে নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে এসব এলাকায় পয়নিষ্কাশন ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়েছে। নৌকা বা কলার ভেলার উপর থেকে উন্মুক্ত পরিবেশে প্রাকৃতিক কাজ সারতে হচ্ছে। গাইবান্ধা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজওয়ান হোসাইন বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) পর্যন্ত চার উপজেলায় ৮৩টি পায়খানা নির্মাণ করা হয়েছে। এগুলো বাঁধ ও উঁচু জায়গায় বসানো হয়। গাইবান্ধার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের বিভিন্ন স্থান ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় দুর্বল হয়ে পড়ায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে মানুষ। সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় বাঁধের একাধিক স্থানে বালির বস্তা ও মাটি ফেলে কোনরকমে তা রক্ষা করা হয়। গাইবান্ধার ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, তিস্তা তীরের ৭৮ কিলোমিটার বাঁধসহ ২৪০ কিলোমিটার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ রয়েছে। নিয়মিত সংস্কারের অভাবে সুন্দরগঞ্জ, গাইবান্ধা সদর, ফুলছড়ি, সাঘাটা, গোবিন্দগঞ্জ, পলাশবাড়ি ও সাদুল্লাপুর উপজেলার বাঁধগুলো বেহাল অবস্থা।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জুলাই’২০/এসএএইচ

মানিকগঞ্জের তরায় মৎস্য আড়তে অভিযান, কারেন্টজাল ব্যবসায়ীকে জরিমানা

প্রতিনিধি, মানিকগঞ্জঃ জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উপলক্ষে মানিকগঞ্জে কারেন্টজাল ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৪ জুলাই) সকালে তরা বাজার মৎস্য আড়তে সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আলী রাজীব মাহমুদ মিঠুন এ মোবাইল কোর্ট অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় একজন কারেন্টজাল বিপননকারীসহ ২জন কারেন্টজাল বহনকারীকে হাতেনাতে ধরা হয় এবং বিপননকারীর দোকান হতে প্রায় ৭ কেজি কারেন্টজাল উদ্ধার করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট পরিচালনাকারী ম্যাজিষ্ট্রেট সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আলী রাজীব মাহমুদ মিঠুন কারেন্টজাল বিপণনকারীকে ১০ হাজার টাকা ও বহনকারী দুইজনকে দুই হাজার টাকা করে জরিমানা করেন এবং উদ্ধারকৃত কারেন্টজাল আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

কক্সবাজারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের দুই প্রকৌশলী করোনায় আক্রান্ত

আবু সায়েম, কক্সবাজারঃ কক্সবাজার সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা ও উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মুজিবুর রহমানের করোনা ভাইরাস পজিটিভ হয়েছেন। এই প্রথমবারের মতো কক্সবাজারে কোনো নির্বাহী প্রকৌশলী করোনায় আক্রান্ত হলেন। করোনা মহামারীর শুরু থেকেই সম্মুখে থেকে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প, জরুরি সহায়ক প্রকল্পের কাজ স্বাভাবিক রাখতে ও জাতীয় মহাসড়ক ও জেলা সড়কগুলোর অবিরাম যান চলাচলের স্বার্থে কাজ করে আসছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী  পিন্টু চাকমা। তিনি বলেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি প্রকল্পের কাজের অগ্রগতির জন্য প্রায় সময় সাইট পরিদর্শন করতে যেতে হতো তাঁকে। নির্বাহী প্রকৌশলী পিন্টু চাকমা বলেন, কিছুদিন আগে হঠাৎ করে উপসর্গ দেখা দেয়। এরপর করোনা পরীক্ষা করা হয়। গতকাল রিপোর্ট আসে পজিটিভ। এরপর থেকে তিনি বাসায় আইসোলেশনে চলে যান। স্বাভাবিকভাবে সুস্থ  আছেন তাঁরা। দুই  প্রকৌশলী সুস্থতার জন্য সবার দোয়া ও আর্শীবাদ কামনা করেছেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৪ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

সাভারে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন

প্রতিনিধি, সাভারঃ সাভারে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুরে সাভার উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব এ বৃক্ষরোপন কর্মসূচীর উদ্বোধন করেন। এসময় সাভার উপজেলার ১২ টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। পরে উপজেলা হলরুমে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় আলোচনা সভায় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মঞ্জুরুল আলম রাজীব সবাইকে একটি করে গাছ লাগানোর পরামর্শ দেন। পরে তিনি উপস্থিত সবার মাঝে পাঁচ শতাধিক ফলজ বনজ ও ঔষধি গাছের চারা বিতরণ করেন। এছাড়াও সাভার উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শাহাদাৎ হোসেন খাঁন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ইয়াসমিন আক্তার সুমিসহ আ.লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

সোনারগাঁয়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে গর্ভবতীদের ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান

প্রতিনিধি, সোনারগাঁ(নারায়নগঞ্জ): বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উপলক্ষে নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে গরীব-দুঃস্থ্য গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে বিশেষ স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে সোনারগাঁও পৌরসভার পানাম নগরে সোনারগাঁ, জি, আর, ইনস্টিটিউশন স্কুল এন্ড কলেজে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দিনব্যাপি এ বিশেষ স্বাস্থ্যসেবার আয়োজন করেন সেনাবাহিনীর সাভার এরিয়া সদর দপ্তরের নবম পদাতিক ডিভিশন। সরেজমিনে দেখা যায়, প্রায় শতাধিক গর্ভবতী মায়েদের বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা,  ল্যাব পরীক্ষা, রক্তচাপ পরীক্ষা, সুগার পরীক্ষা,  ইউরিন পরীক্ষা এবং কোভিট-১৯ নমুনা পরীক্ষাসহ ব্যবস্থাপত্র ও ঔষধ  প্রদানের পাশাপাশি মাস্ক, হরলিকস এবং স্যানিটারি প্যাডসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী এবং পুষ্টিকর খাবারের প্যাকেট বিনামূল্যে প্রদান করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, লেঃ কর্ণেল মোঃ আব্দুল মাত্তাকিম, লেঃ কর্ণেল ফখরুল আলম, মেজর আবদুল্লাহ আল ফরহাদ, মেজর ডাঃ রাজিয়া সুলতানা, জেলা সিভিল সার্জন ডাঃ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ ও সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামসহ  সেনাবাহিনীর অন্যান্য র্কমর্কতাবৃন্দ। সেনাকর্মকর্তারা জানান, করোনা ভাইরাসের সংক্রমনের চলমান পরিস্থিতিতে দেশের নিম্ন আয়ের মানুষদের খাবার বিতরণের পাশাপাশি ফ্রি স্বাস্থ্যসেবা প্রদান করায় মানুষের মাঝে ইতিবাচক সাড়া পড়েছে। দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সেবা অব্যাহত আছে এবং চলতি বছর শেষ নাগাদ থাকবে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

 

কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য আশ্রয়ণ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রতিনিধি, কক্সবাজারঃ কক্সবাজারে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পের প্রথমধাপে নির্মিত ২০টি ভবনের উদ্বোধন করেছেন তিনি। আশ্রয়ণ প্রকল্প উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের একটি মানুষও গৃহহীন থাকবে না, মুজিববর্ষে এটা হলো আমাদের প্রতিশ্রুতি। আজ ৬০০ উদ্বাস্তু পরিবারকে ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করা হলো। বাকি যারা আছেন তারাও পর্যায়ক্রমে ফ্ল্যাট পাবেন। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এই উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। প্রথমধাপে উদ্বোধন হওয়া ভবনগুলোতে ফ্ল্যাট পেয়েছেন ৬০০টি পরিবার। ১০০১ টাকা নামমাত্র মূল্যে এসব ফ্ল্যাট হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষে খুরুশকুলের আশ্রয়ণ প্রকল্পের ফ্ল্যাটের চাবি হস্তান্তর করেন কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মুজিবুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কক্সবাজার প্রান্তে খুরুশকুল আশ্রয়ণ প্রকল্পে উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার-রামু আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, চকরিয়া-পেকুয়া আসনের সংসদ সদস্য জাফর আলম, মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, কানিজ ফাতেমা আহমদ এমপি, প্রকল্প পরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মাহবুব হোসেন, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার এবিএম আযাদ, সেনাবাহিনীর দশম পদাতিক ডিভিশনের জিওসি এবং এরিয়া কমান্ডার মো. মাঈন উল্লাহ চৌধুরী, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) ফোরকান আহমদ, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. কামাল হোসেন, কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাডভোকেট সিরাজুল মোস্তফা, সাধারণ সম্পাদক ও পৌর মেয়র মুজিবুর রহমান, সাবেক এমপি এথিন রাখাইন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল, খুরুশকুল ইউপি চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিনসহ প্রশাসন, সামাজিক, রাজনৈতিক ও সুশীল সমাজের ব্যক্তিরা। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে ১৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রথম ধাপে নির্মিত পাঁচতলা ২০টি ভবনসহ প্রকল্পের মোট ১৩৯টি ভবন নির্মাণ করা হবে। প্রতিটি পাঁচতলা ভবনে থাকছে ৪৫৬ বর্গফুট আয়তনের ৩২টি করে ফ্ল্যাট। সব ভবন নির্মিত হলে উদ্বাস্তু জীবনের অস্বাস্থ্যকর, নোংরা পরিবেশ ছেড়ে সাজানো পরিপাটি দালানে উঠবেন মোট প্রায় সাড়ে চার হাজার পরিবার। প্রতিটি ফ্ল্যাটে পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস সিলিন্ডারের সুবিধা থাকবে। প্রতিটি ভবনে থাকবে সৌরবিদ্যুতের প্যানেল। শেখ হাসিনা আশ্রয়ণ প্রকল্পে নির্মিত ভবন খুরুশকুলে বাঁকখালী নদীর তীরে ২৫৩ একর জমির ওপর গড়ে ওঠা এই বিশেষ আশ্রয়ণ প্রকল্পকে জলবায়ু উদ্বাস্তুদের জন্য বিশ্বের সবচেয়ে বড় আশ্রয়কেন্দ্র বলে দাবি করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

 

কলাপাড়ায় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরায়, ভ্রাম্যমান আদালতের জরিমানা

সংবাদদাত, কলাপাড়া(পটুয়াখালী): সমুদ্র সীমায় ইলিশ প্রজনণ মৌসুমে ৬৫ দিনের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ ধরার অপরাধে আন নুর নামক একটি মাছধরা ট্রলারকে ৫০হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রাম্যমান আদালত। বুধবার (২২ জুলাই) মধ্যে রাতের দিকে এ জরিমানা করা হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কুয়াকাটা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোঃ মাহমুদ আলী, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান। কুয়াকাটা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির এ এস আই কামরুল ইসলাম জানান, কক্সবাজারের কুতুবদিয়ার খুদিয়ারটেক এলাকার দীন মোহাম্মাদর মালিকানাধীন এফবি আন নুর নামক একটি ট্রলার মৎস্যবন্দর আলীপুরের ইউসুফ কোম্পানীর গদিতে মাছ বিক্রির সময় অভিযান চালিয়ে ট্রলারটি মাঝি-মাল্লাসহ আটক করা হয়। পরে রাত নয়টার দিকে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান সামুদ্রিক মৎস্য অধ্যাদেশ ১৯৮৩ এর ১৯ ধারা মোতাবেক ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে এ জরিমানা প্রদান করেন। কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ হাফিজুর রহমান বলেন, প্রজনণ মৌসুমের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে মাছ শিকারের অপরাধে এ জরিমানা করা হয়েছে। এসময় মৎস্য আড়ৎদার ইউসুফ কোম্পানীকে সতর্ক করে দেয়া হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই২০/এসএএইচ

 

ফরিদপুরের সালথায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের মেলা অনুষ্ঠিত

সংবাদদাতা, ফরিদপুরঃ ফরিদপুরের সালথায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকাল ১১ টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সামনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের আয়োজনে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন সম্প্রসারণ প্রকল্পের সহযোগিতায় এ মেলা অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার ডা. সাখাওয়াত হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মেলায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার নুরুল্লাহ মোহাম্মদ আহসান। এসময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, সালথার সুযোগ্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ হাসিব সরকার, ফরিদপুর সদর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জনাব আহাদ আলী, জেলা বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার কুন্ডু, উপজেলা প্রাণীসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. মুশফিকুর রহীম প্রমুখ। এছাড়াও মেলায় ৬০ জন খামারী অংশগ্রহণ করেন। মেলা শেষে বিজয়ী ও উন্নত ব্ল্যাকবেঙ্গল জাতের ছাগল পালনকারী ২ জনের মাঝে ২১ ইঞ্চি রঙ্গীন টিভি পুরস্কার প্রদান করা হয়। টেলিভিশন পুরস্কৃত হয়ে ছাগল খামারীগণ অনুষ্ঠানের আয়োজক উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাদের প্রতি ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন এবং আগামীতে ছাগল খামারীদের এ ধরনের ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান ছাগলের মেলা জাকজমকভাবে করার জন্য উপজেলা প্রশাসন তথা উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই’২০/এসএএইচ

 

টাঙ্গাইলে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে গৃহবধূর আত্মহত্যা

প্রতিনিধি, টাঙ্গাইলঃ টাঙ্গাইলে ঋণের টাকা পরিশোধ করতে না পেরে শান্তা বেগম (২৮) নামে এক গৃহবধূ গলায় রশি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন। তিনি শহরের পশ্চিম আকুর টাকুর পাড়ার ভাড়াটিয়া আলমগীর হোসেনের স্ত্রী। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) সকালে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে। নিহতের স্বামী আলমগীর হোসেন জানান, প্রায় এক বছর আগে পৌর এলাকার জনৈক ছবুর মিয়ার ছেলে মোঃ সোনা মিয়ার কাছ থেকে শতকরা ১০ হারে মাসিক সুদে ৪০ হাজার টাকা ঋণ (ধার) নেন। নিয়মিত সুদের টাকা পরিশোধ করলেও করোনার কারণে গত ৪ মাস ধরে সুদের টাকা দিতে পারছিলেন না। তিনি জানান, ইতোপূর্বে বেশ কয়েকবার সোনা মিয়া তাকে সুদের টাকার জন্য চাপ দেয়। বুধবার (২২ জুলাই) মোঃ সোনা মিয়ার স্ত্রী বাসায় শান্তা বেগমকে টাকার জন্য গালিগালাজ করেন ও বৃহস্পতিবারের মধ্যে সুদের টাকা পরিশোধের জন্য চাপ দেন। সুদের টাকা দিতে না পারা ও অপমান সহ্য করতে না পেরে শান্তা বেগম ঘরের ধর্ণার (আড়া) সাথে ঝুঁলে আত্মহত্যা করেন। এ ঘটনায় টাঙ্গাইল সিআইডির টীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। টাঙ্গাইল সিআইডির এসআই প্রীতেশ তালুকদার জানান, লাশ উদ্ধার করে জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই২০/এসএএইচ

 

গাইবান্ধায় চতুর্থ দফা বন্যার আঘাত, নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে গাইবান্ধায় চতুর্থ দফায় ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট, করতোয়া ও তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি। ব্রহ্মপুত্র, ঘাঘট ও করতোয়া নদীর পানি এখন বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আবারও অবনতি ও নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এদিকে করতোয়া নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি, তালুককানুপুর ও হরিরামপুর ইউনিয়ন এবং পৌরসভার বেশকিছু এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে এবং পলাশবাড়ি উপজেলার কিশোরগাড়ি ও হোসেনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় বন্যার পানি ঢুকতে শুরু করায় বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট তলিয়ে গেছে। এছাড়া গাইবান্ধা পৌর এলাকার কিছু কিছু এলাকাসহ সদর উপজেলার খোলাহাটি, কুপতলা, ঘাগোয়া, গিদারি ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলগুলোর বসতবাড়ি ও রাস্তাঘাট পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়ায় এলাকার লোকজন চরম দুর্ভোগে রয়েছে। এদিকে দীর্ঘ মেয়াদী বন্যায় জেলার ১০টি ইউনিয়নের ৬৫টি চরাঞ্চলের বন্যা কবলিত মানুষ বন্যা নিয়ন্ত্রন বাঁধে দীর্ঘদিন যাবত আশ্রয় নিয়ে পয়ঃনিস্কাশন সমস্যা, জ্বালানি সংকট, বিশুদ্ধ পানি, শুকনো খাবার ও গবাদি পশুর খাদ্য সংকটে চরম দুর্ভোগ রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) দুপুর ১২টা পর্যন্ত ব্রহ্মপুত্রের পানি বিপদসীমার ৮৪ সে.মি, ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৬৪ সে.মি. এবং করতোয়া নদীর পানি ৩৬ সে.মি.উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। এছাড়া তিস্তা নদীর পানি বৃদ্ধি পেলেও এখনও বিপদসীমার নিচে রয়েছে। কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৫৬ হেক্টর জমির ফসল বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। জেলা প্রশাসন থেকে জানা গেছে, জেলার ২৯টি ইউনিয়ন এখন বন্যা কবলিত। ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৭৬ জন বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ পর্যন্ত বন্যা কবলিত মানুষের জন্য ৫৩০ মে. টন চাল, নগদ ২৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ৫ হাজার ৬৫০ প্যাকেট শুকনো খাবার খয়রাতি সাহায্য হিসেবে সরবরাহ করা হয়েছে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/২৩ জুলাই’২০/এসএএইচ