আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2526

পাওনা ২৬৫ কোটি টাকার দাবিতে বিজেএমসি প্রধান কার্যালয়ে পাট ব্যবসায়ীদের ৩ দিনের অবস্থান ধর্মঘট

 নিজস্ব প্রতিবেদক : বন্ধ ঘোষিত রাষ্ট্রায়ত্ব ২৫টি পাটকলে পাট সরবরাহ বাবদ বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) কাছে পাওনা ২৬৫ কোটি টাকা আদায়ের দাবিতে অবশেষে বিজেএমসির প্রধান কার্যালয়ের সামনে আজ থেকে তিন-দিনের অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন দেশের দূর-দূরান্ত থেকে আসা প্রান্তিক পাট চাষী ও পাট ব্যবসায়ীরা। একই দাবিতে এর আগে জাতীয় সংসদে পাট মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণসহ বিজেএমসি কর্তৃপক্ষের কাছে তারা ধর্না দিয়েছেন বারংবার। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সহৃদয় হস্তক্ষেপ চেয়ে তার কাছে স্মারকলিপি পেশসহ মানব বন্ধন ও অন্যান কর্মসূচিও পালন করেছেন। কিন্তু পাওনা টাকা পরিশোধের ব্যাপারে বিজেএমসির কাছ থেকে আজ অবধি কোনো আশ্বাস পর্যন্ত মেলেনি। বাধ্য হয়ে নিজেদের ও পরিবারের জীবন বাঁচাতে এই পাওনা টাকা আদায়ে আজ মঙ্গলবার থেকে এই অবস্থান ধর্মঘট শুরু করেছেন তারা। কর্মসূচি আগামীকাল বুধবার এবং এবং পরশু বৃহস্পতিবার ও অব্যাহত থাকবে। এতেও সুরাহা না হলে এরপর আমরণ অনশন কর্মসূচি ঘোষণার কথা জানান তারা। কেননা, এই টাকার ওপরই এখন আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে, জানান পাট ব্যবসায়ী নেতারা।

জানা গেছে, বিশ্বব্যাপী করোনা মহামারির এই কঠিন দুঃসময়ে পাটকলগুলো বন্ধ হয়ে পড়ায় অকস্মাৎ ব্যবসা হারিয়ে এক গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে গেছেন পাট ব্যবসায়ীরা। তার ওপর বিজেএমসির কাছে টাকা আটকা পড়ায় একমাত্র সম্বল সামান্য যে পুঁজি নিয়ে তারা ব্যবসা করেন, হারিয়েছেন সেটুকুও। ফলত পুঁজিশূন্য সর্বশান্ত হয়ে তারা আজ পথে বসার মুখে। অবস্থান ধর্মঘট কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীরা ‘পাট ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধে বিজেএমসি নীরব কেন?’ ‘পাওনা টাকা আদায়ে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাই’ সহ বিভিন্ন শ্লোগান দেন।

চলমান দুঃসহ পরিস্থিতির কথা জানিয়ে নিজেদের ন্যায্য দাবি-দাওয়ার কথা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন ব্যবসায়ী নেতারা। এ সময় বিজেএমসির কাছে পাওনা টাকা আদায়ে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চেয়ে পাট ব্যবসায়ী নেতারা জানান, আমরা দীর্ঘদিন ধরে বিজেএমসির ২৫টি পাটকলে পাট সরবরাহ করে আসছি। ২০১৬-১৭ অর্থবছর থেকে ২০১৯-২০ অর্থবছর পর্যন্ত চার বছরের পাট সরবরাহ বাবদ বিজেএমসির কাছে ২৬৫ টাকা পাওনা হয়েছে আমাদের। অথচ সেই পাওনা টাকা পরিশোধ না করেই ২৫টি পাটকল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের আগে পাটকলের শ্রমিক নেতাসহ অন্যান্য অংশীদারদের সাথে এ বিষয়ে দফায় দফায় আলোচনা করা হলেও আমাদের সাথে কোনোরূপ আলোচনা করা হয়নি। অথচ আমাদের সরবরাহ করা পাট দিয়ে উৎপাদিত পণ্য বিক্রি করেই বিজেএমসির কর্মকর্তা-কর্মচারির বেতন পরিশোধ ও অন্যান্য দায় মেটানো হচ্ছে। বিজেএমসির এই অমানবিক নির্লিপ্ততা এবং আমাদের টাকা পরিশোধের ব্যাপারে বিক্রয় করে ঔদাসীনতা দেখে আমরা মর্মাহত। উপরন্তু মাথার ওপর ব্যাংক ঋণ আর সুদের বোঝার পাশাপাশি ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের দেনার চাপে আজ আমরা দিশেহারা। আমাদের ছেলেমেয়েরা ও পড়াশুনা থেমে যাওয়ার উপক্রম হওয়ায় পড়ে গেছে অনিশ্চিত ভবিষ্যৎতের মুখে। গভীর দুর্দশার মধ্যে আমাদের অনেক ব্যবসায়ী মৃত্যু বরণও করেছেন ইতোমধ্যে। ফলে দুর্বিষহ অন্ধকারের মধ্যে পড়ে গেছে তাদের পরিবার। এই মানুষ ̧লোকে বাঁচাতে আজ আমরা তাই আর কোনো উপায় না পেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দ্বারা হয়েছি। অথচ নির্মম সত্য হচ্ছে, এই আমরাই কিন্তু চিরকাল পাট উৎপাদন ও সরবরাহের মাধ্যমে রাষ্ট্রায়ত্ব এসব পাটকল এতোকাল বাঁচিয়ে এসেছি। দেশের জন্য মূল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ সুগম রেখেছি। ব্যবসায়ীক নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন- খন্দকার মাহমুদুর রহমান, স্বপন কুমার সাহা প্রমূখ।

চলমান এই সংকটকালে এর আগে জাতীয় সংসদে মাননীয় পাটমন্ত্রী নিজেও অঙ্গীকার করে বলেছিলেন, পাটকলগুলোর কাছে পর্যাপ্ত পাটপণ্য মজুত রয়েছে। সেগুলো বিক্রি করেই পাট ব্যবসায়ীদের টাকা পরিশোধ করা হবে। আমরা জানি, সম্প্রতি ৩৩২ কোটি টাকায় মজুত থাকা এসব পাটপণ্য বিক্রিও করেছে বিজেএমসি। কিন্তু মহান সংসদে পাটমন্ত্রীর দেয়া সেই অঙ্গীকারের পরও পণ্য বিক্রি মাধ্যমে অর্জিত এই অর্থ দিয়ে পাট ব্যবসায়ীদের পাওনা টাকা পরিশোধ করেনি বিজেএমসি। সেই টাকা পরিশোধে আদৌ কোনো আশ্বাস কিংবা উদ্বোগ নিতেও দেখা যাচ্ছে না তাদের মধ্যে। অমানবিক এ পরিস্থিতির অবসানে অবিলম্বে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ ও বিজেএমসি কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করে পাট্য ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, এই টাকার ওপর আমাদের জীবন-মরণ নির্ভর করছে। সহৃদয় প্রধানমন্ত্রী যাতে এ ব্যাপারে তার মানবিক নির্দেশনা দিয়ে বিজেএমসির কাছে পাওনা এই ২৬৫ কোটি টাকা পরিশোধের ব্যাবস্থা নেন, সেদিকে আকুল আগ্রহ নিয়ে তাকিয়ে রয়েছে দেশের দুই হাজারের বেশি প্রান্তিক চাষী ও পাট ব্যবসায়ী ও তাদের অসহায় পরিবারের সদস্যরা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৮ আগস্ট-২০২০/জেডএন

জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে বিট পুলিশিং কার্যালয়ের উদ্বোধন

সংবাদদাতা, জয়পুরহাটঃ “বিট পুলিশিং বাড়ি বাড়ি, সুখী নিরাপদ সমাজ গড়ি” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মাদক, ইভটিজিং, বাল্যবিবাহ, যৌতুকমুক্ত সমাজ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে জয়পুরহাটের পাঁচবিবির সীমান্ত এলাকা চেচঁড়া ও চাঁনপাড়ায় বিট পুলিশিং কার্যালয়ের শুভ উদ্বোধন করা হয়। সোমবার (১৭ আগস্ট) জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির বিট পুলিশিং কার্যালয়ের উদ্বোধন করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পাঁচবিবির সিনিয়র সার্কেল অফিসার ইশতিয়াক আলম,  থানার অফিসার ইনচার্জ মনসুর রহমান, বাগজানা ইউপি চেয়ারম্যান নাজমুল হক, ধরঞ্জী ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম মোস্তফা, বাগজানা ইউনিয়ন আ.লীগ সভাপতি ইউনুস আলী মন্ডল। পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সালাম কবির বলেন, এলাকার চুরি, ছিনতাই, মাদক নিয়ন্ত্রন, সন্ত্রাসী কর্মকান্ড, সামজিক বিবাদ নিষ্পত্তি, বাল্যবিবাহ প্রতিরোধ ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই পুলিশের সেবা সাধারন মানুষের মাঝে পৌছে দিতেই কমিউনিটি পুলিশিংয়ের পাশাপাশি বিট পুলিশিং কার্যালয়ের মাধ্যমে এ কর্মসুচী সকলের সহযোগিতায় বাস্তবায়ন করা হবে। এছাড়া পুলিশ সুপার বিট কার্যালয় উদ্বোধন শেষে বিভিন্ন দোকানদার, পথচারি ও ভ্যান চালকদের সঙ্গে কথা বলেন, যে পুলিশকে তাদের কোন চাঁদা দিতে হয় কি না।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ আগস্ট’২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে অব্যবস্থাপনা দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন 

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে রোগীদের হয়রানি অব্যবস্থাপনা দুর্নীতির প্রতিবাদে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রের সামনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি নারী শাখা গাইবান্ধার উদ্যোগে  এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। সিপিবি নারী শাখার নেত্রী প্রতিভা সরকার ববির সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির প্রেসিডিয়াম সদস্য মিহির ঘোষ, জেলা সিপিবি’র সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান মুকুল, জেলা কমিটির সাবেক সভাপতি ওয়াজিউর রহমান রাফেল, নারী শাখার সদস্য ও জেলা নেত্রী শাহানা বিন্তে আজিজ মিতা, মেহেরুন মুন্নী, বনা রানী, রেহেনা বেগম, শারমিন আকতার, শরীফুল ইসলাম শরীফ, ছাত্রনেতা ওয়ারেছ সরকার। বক্তারা বলেন, গর্ভবতী মায়েদের ভরসাস্থল গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্র আজ দুর্ভোগের কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে। করোনা দুর্যোগের এই সময়ে প্রসব ব্যথা নিয়ে আসা গর্ভবতী মাকে বের করে দেয়ার ফলে রাস্তায় ও অটোরিক্সায় সন্তান প্রসব করেছে। বক্তারা, রোগী হয়রানি ও অব্যবস্থাপনার সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ আগস্ট’২০/এসএএইচ

 

 

বালিয়াতলী খেয়ায় সরকার নির্ধারিত ভাড়া আদায়, স্বস্তিতে কলাপাড়াবাসী

সংবাদদাতা, কলাপাড়া(পটুয়াখালী): কলাপাড়া থেকে সাগর কন্যা কুয়াকাটা যাওয়ার বিকল্প সড়ক হিসাবে পরিচিত বালিয়াতলী খেয়াঘাটে এবার অনেকদিন পর সরকার নির্ধারিত চার্টের ভাড়া অনুযায়ী চলছে। কিছুদিন ধরে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিভিন্ন অনিয়ম ও অভিযোগ সংবাদ মাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত হলে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে এখন চার্টের নির্ধারিত ভাড়ায় পারাপার হচ্ছে যাত্রীরা। কিছুটা হলেও স্বস্তি ফিরে এসেছে খেয়া পারাপারের সাধারন যাত্রীদের মাঝে। বর্তমান দ্রব্য মূল্যের উর্ধ্বগতি ও সময়ের সাথে তালমিলিয়ে চলতে কয়েক বছর আগে নির্ধারন করা চার্টের ভাড়া বৃদ্ধিকরনসহ ভাড়ার তালিকা পরিবর্তনের জন্য কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কামনা করছেন খেয়া ইজারাদার। ইজারাদার জানান, খেয়া পারাপারের বর্তমান মূল্য তালিকা পরিবর্তন না করলে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্ভাবনা দেখছেন ইজারাদার কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, খেয়া পারাপারের বর্তমান মূল্য তালিকাটি ২০১৫-১৬ সালে করা হয়েছে। তখনকার সময়ে খেয়া পরিচালনা খরচ আর এখনকার খরচের মধ্যে অনেক ব্যবধান রয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে বালিয়াতলী খেয়া বাবদ ইজারাদারকে ভ্যাট ও আইডিসহ সরকারী কোষাগারে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা জমা দিতে হয়েছে। খেয়া পারাপারের জন্য ২ টি বোর্ড ও লোকবলসহ বছরে প্রায় ১ কোটি ৫২ লক্ষ টাকা খরচ হয়। এসব মূলধন হিসাব করার পরে ব্যবসায়ের হিসাব কষতে হয় ইজারাদারকে। তদুপরি, নভেল করোনা প্রাদুর্ভাবের কারনে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষতির ঘানি টানতে হয়েছে। বর্তমান দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি ও বাজার চাহিদার সাথে তালমিলিয়ে চলতে ভাড়ার তালিকাটি পরিবর্তন করা প্রয়োজন বলে তারা মনে করছেন। স্থানীয় ও এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়, বালিয়াতলী, লালুয়া, মিঠাগঞ্জ, ধুলাসার ও ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের কয়েক হাজার মানুষ এ খেয়া দিয়ে প্রতিদিন উপজেলা শহরে যাতায়াত করে।এ পথ দিয়ে সাধারন যাত্রীদের যাতায়তের জন্য সরকার নির্ধারিত ভাড়ার তালিকা রয়েছে। সে মূল্য তালিকার অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিষয়টি গনমাধ্যম ও সোস্যাল মিডিয়ায় উঠে আসলে বিষয়টি প্রশাসনের নজরে আসে। প্রশাসনের তদারকি ও তোপের মুখে সরকার নির্ধারিত ভাড়াতেই চলছে বালিয়াতলীর খেয়া। ন্যায্য ভাড়ায় খেয়া পারাপার করায় সাধারন যাত্রীরা প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বালিয়াতলী ইউনিয়নের এক যাত্রী তুহিন জানান, প্রায় প্রতিদিনই এ খেয়া দিয়ে কলাপাড়া শহরে যাতায়ত করি। আগে নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করত তবে এখন ন্যায্য ভাড়া নেয়ায় আমরা অত্যানÍ খুশি। ধুলাসার থেকে আশা যাত্রী আসমা ও আনোয়ারা বেগম বলেন, এখনতো ভাড়া ঠিকমত নিচ্ছে তবে এটা যেনো সবসময় বহাল থাকে আমরা এটা আশা করছি। ইজারাদারের পক্ষে বালিয়াতলী খেয়া পরিচালনাকারী গাজী মো: মুছা বলেন, আমরা এখন সরকার নির্ধারিত তালিকা অনুযায়ী ভাড়া আদায় করছি। কিন্তু বর্তমান বাজার মূল্যের সাথে মিল রেখে আমরা চলতে পারছি না। কর্তৃপক্ষ ভাড়ার তালিকাটি সংষ্কার করে আমাদের চলার মত ব্যবস্থা করে দিবেন বলে আমরা আশা করছি। কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু হাসনাত মোহাম্মদ শহিদুল হক বলেন, সরকার নির্ধারিত বর্তমান চার্টের ভাড়ার বিষয়টি জেনেই তারা খেয়া ইজারা নিয়েছে, তাই নির্ধারিত এ ভাড়াতেই তাদের লোক পারাপার করতে হবে। খেয়া পারাপারের ভাড়া বৃদ্ধি করার কোন পরিকল্পনা আপাতত আমাদের নেই। তবে, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা পেলে বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে বলে তিনি জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ আগস্ট’২০/এসএএইচ

সাভারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত 

প্রতিনিধি, সাভারঃ সাভারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা,দোয়া মাহফিল ও গণভোজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) বিকেলে শোভাপুর ও ভরারী মাদ্রসা এলাকায় তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠন ২নং ও ৪নং ওয়ার্ডের উদ্দ্যোগে অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ হয়। এসময় জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তারা শহীদী পরিবারের জন্য বিশেষ দোয়া করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, তেঁতুলঝোড়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফখরুল আলম সমর। এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন,তেঁতুলঝোড়া  ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্য,ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ সহ আরো অনেকে।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ আগস্ট’২০/এসএএইচ

 

কক্সবাজারে বঙ্গবন্ধুর শাহাদাত বার্ষিকীর স্মরণে কউকের উদ্দ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

প্রতিনিধি, কক্সবাজারঃ ১৫ আগস্ট জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকীর স্মরণে কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ কর্তৃক আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। আজ সোমবার (১৭ আগস্ট) সকাল ১১ টায় উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নতুন বিল্ডিং মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন কউকের চেয়ারম্যান লে. কর্নেল ( অবঃ) ফোরকান আহমদ। অনুষ্ঠানে  উপস্থিত ছিলেন, এমপি জাফর আলম, এমপি আশেকুল্লাহ রফিক, এমপি সাইমুম সরওয়ার কমল ও  সংরক্ষিত আসনের মহিলা এমপি কানিজ ফাতেমা মোস্তাক। আরো উপস্থিত ছিলেন সাবেক এমপি জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মোস্তাক আহমদ চৌধুধী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মাসুদুর রহমান মোল্লা,অতিরিক্ত পুলিশ সূপার ( প্রশাসন) ইকবাল হোসাইন, সাবেক পৌর চেয়ারম্যান নুরুল আবছার, মুক্তিযোদ্ধা কামাল হোসেন চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধা শাহজাহান ও সুধীমণ্ডলী। এসময় ঢাকা থেকে জোমে সংযুক্ত ছিলেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী শরীফ  আহমদ। বক্তারা বঙ্গবন্ধুর স্মরণ ও মাগফিরাত কামনার পাশাপাশি লে. কর্ণেল ফোরকান আহমদকে ৩য় বারের মত চেয়ারম্যান নিযুক্ত হওয়ায় ধন্যবাদ জানান। বক্তারা বলেন, বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশ স্বাধীন করেছিলেন সেই ক্ষুধা-দারিদ্র্য মুক্ত, শোষন-বঞ্চনামুক্ত ও দূর্নীতি মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করি। স্বাধীনতা সংগ্রাম  থেকে শুরু থেকে দেশ স্বাধীন হওয়া পর্যন্ত বক্তারা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্নত্যাগ এবং অবদানের কথা ব্যক্ত করেন। বক্তারা আরো বলেন, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে আমরা স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেতাম না।  ১৯৭৫ সালের ১৫ আগষ্ট সেই কালো রাতে বঙ্গবন্ধুসহ তারঁ স্বপরিবারকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়।বঙ্গবন্ধুসহ সকলের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত এবং দোয়া কামনা করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৭ আগস্ট’২০/এসএএইচ

কবিতার পোষ্টমর্টেম/ সৈয়দ রনো

কবিতার পোষ্টমর্টেম

সৈয়দ রনো

এ লেখাটি কবিতা নয়, কবিতার পোষ্টমর্টেম। আমি লিখতে বসলেই চারপাশের নির্মমতায় কলমের ডগায় হয় রক্তক্ষরন। প্রতিদিন মাথার মগজে বেড়ে ওঠে কবিতার শতশত পংক্তি। যা ব্যাকরণ প্রকরণহীন আবেগের উচ্ছাস। অনেকেই প্রশ্ন করতে পারেন, শুধু আবেগে কী জীবন চলে? হয়তো চলে হয়তো চলে না। জন্মভূমির অসময়ের গর্ভপাতে ভূমিষ্ট হয় নমরূদ কিংবা ফেরাউনের প্রেতাত্মা। তখন আমি শব্দ কিংবা ব্যাকরণের প্রতিক্ষায় তো আর বসে থাকতে পারি না। প্রলয়ংকারী তান্ডবে শান্তি প্রিয় মানুষের চোখে মুখে ভেসে ওঠে আতঙ্কের ছাপ। এ যেনো এক মগের মুল্লুক কিংবা আইয়ামে জাহিলিয়াত এর যুগ পার করছি আমরা। সুখ শান্তি বির্সজন দিয়ে ভাবতে থাকি আমার জন্মভূমি এখন বেজন্মার রাহুগ্রাসে ভিনদেশি আলেপ্প নগরি। যেখানে কারো কোন দায় নেই দায়িত্ব ও নেই।অসহনীয় ব্যর্থতায় কোথায় পালাবে আমার এ দেহ, কোথায় পালাবে আমার মন। একটু শান্তির ছায়া তলে দাঁড়িয়ে আমি, বুকের ভেতর জমে থাকা তপ্ত নিঃশ্বাস ছেড়ে গাইতে চাই শান্তির গান। কৃষ্ণ বিলাপে যোগির ধ্যানের পূর্নতায় আমোদে আল্লাদিত হোক আমার মাটি।এই যে বর্বরোচিত হামলা, এটা কার পাপের ভূমিষ্ট ফসল। আমি কি কখনো চেয়েছি তিলোত্তমা নগরি কিংবা উন্নয়নের নামে অসভ্যতার উৎকণ্ঠা। স্বার্থবাদীর ইচ্ছার তলোয়ারে দ্বিখন্ডিত যে মস্তক তাতো ক্ষমতাধরদের যতসামান্য উপহার। চতুরতার চশমা আটা চোখে দেখেও না দেখার ভান করে প্রতিদিন কৌশলী কথার জালবুনে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার কিছু কারিগর ওরা।

পরিনত সভ্যতার মস্তকে পড়াতে চায় অসভ্যতার লৌহ মুকুট। ধর্মীয় মূল্যবোধের নামে যে ফতোয়া চাপিয়ে দিতে চায় কিছু সুবিধাবাদী মুসলিম, খৃষ্টান, ইহুদি কিংবা হিন্দু, ধীক তাদের অমুনষ্য বিবেক। এই অসভ্যতার বিক্রীত মতবাদ ভেঙ্গে উদিত হোক নতুন সকাল, হযরত মুহম্মদ, যিশুখ্রিষ্ট, গৌতম বৌদ্ধের শান্তির পতাকা তলে জড়ো হয়ে আমরা এগিয়ে যেতে চাই শান্তির পথে। আমরা কাউকে ছোট করতে চাই না। ব্যস্ত ঈশ্বর পল্লীতে আমরা বসাতে চাই প্রাণের মিলন মেলা। মানবতা বিপর্যয় এর এই চরম মূহুর্তে আমি ভাব ভাবনা নিয়ে গাম্ভীর্যপূর্ণ কবিতার চরণ সাজাতে চাই না, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই এভাবে আর চলতে পারে না, এভাবে আর চলতে দেয়া যায় না, এভাবে আর চলে না, এই লেখা আমার কবিতার পোষ্টমর্টেম, এই হত্যা যজ্ঞ, এই নির্মমতার পরিধি এতো ব্যাপ্তি যে, গতানুগতিক কবিতার প্রতিবাদের ভাষায় আমি মোটেই সন্তুষ্ট নই। আমি এভাবেই প্রতিবাদের পংক্তিতে সাজাতে চাই কাব্যস্তবক।

নির্মোহ নির্লোভ কবিতাকে

নিয়ে যাওয়া হলো লাশকাটা ঘরে

চিৎহয়ে পরে আছে কবিতার শরীর

পাশে ছিন্ন ভিন্ন সব অলংকার

উপমা আর, রূপকের বাড়াবাড়িতে

কবিতা হলো দুর্গন্ধময়

চিত্র কল্পের জ্বলন্ত চিতায়

দাউ দাউ করে জ্বলে উঠলো কবিতা

শিল্প গুনের নির্লিপ্ততায়

ডোম, মুচি মেথর কিংবা পাঠান, শেখ, ইহুদি

হাবুডুবু খাচ্ছে কবিতার ছন্দে

গীত রসে টই টুম্বুর কবিতা এখন

নব বধুর গর্ভ ধারনের কষ্ট

অর্থ আর ব্যঞ্জনা না বুঝার আক্ষেপে, কোকিয়ে কেঁদে উঠে পৃথিবী

সবাই একত্রে বলে আমরা মানুষ

ধ্যানমগ্ন নিশ্চুপ ঈশ্বর মৃদু হেসে তখনো দাঁড়িয়ে আছে পাশে

শুধু হৃদয় দিয়ে অনুভব করে তপ্ত হৃদয়ের আকুতি।

আমি কখনই এমন কবিতা চাইনি। যে কবিতা তৈরি করে মানুষে মানুষে বৈষম্য। আমি চেয়েছি বিশ্ব ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে এগিয়ে যাক আগামী। এই পৃথিবীর ধর্ম, বর্ণ, গোত্র, বংশ ভেদাভেদ ভুলে মানুষের হৃদয় হোক মানবিক।

ব্যাকরণ প্রকরণে শত শুদ্ধ কবি লড়াই সংগ্রামে ছিনিয়ে আনবে বাংলার শান্তি। শাহবাগ হতে মতিঝিলের প্রলয়ংকারি তান্ডব। পিলখানা ট্রাজেডি, রানা প্লাজার ধ্বংস যজ্ঞ কিংবা গুলশানের মতো হত্যাযজ্ঞে কবিতা হয়ে ওঠবে প্রতিবাদী। আর গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় কবিতা থাকবে আপোষহীন। কবিতার সুঘ্রানে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে শান্তির আহ্বান।

দুঃখ আর হতাশার আবরণে ঢাকা পড়েছে বাংলার ভাগ্য আকাশ, কিছুটা নিবারণে শহর নয়, বিরান ভূমির সীমান্তবর্তী এলাকার আল ধরে হাঁটছিলাম। হঠাৎ ধূ ধূ প্রান্তরে চোখ আটকে গেল, দেখি ধবধবে সাদা পোষাকে দাড়িঁয়ে আছেন রাত জাগা ঈশ্বর। অবাক কা- সাথে কোন বান্দি দাসি নেই, কোন পাইক পেয়াদাও নেই। ঘোমটার ফাঁকে সলাজ বধূর হাসিতে একাই মাতিয়ে দিলেন মানব হৃদয়। আমার খুব ইচ্ছে ছিলো মুখোমুখি দাঁড়িয়ে বলি বাহারি মনের চমকপ্রদ কথা কিন্তু প্রসুত চিন্তা পূর্ণতা পাবার আগেই দেখি এ আমার মতিভ্রম। হয়ত ঈশ্বর পৃথিবীর পাপ পংকিলতায় স্বর্গলৌক থেকে নেমে আসেন মত্বে। পরিভ্রমণে জন্ম দেন এ রকম শত সহ¯্র কবিতার পোষ্টমর্টেম। আমি স্পষ্টত বুঝতে পাচ্ছি কালকেউটের বিষধর ছোঁবলে আমার দেশকে সন্ত্রাসী রাষ্ট্র বানাবার এ এক গভীর ষড়যন্ত্র। বুকটান করে যারা হাঁটে তাদের এলোমেলো কথার ফাঁক গলিয়ে ডুবে যাচ্ছে বাংলার অহমবোধের হাসি আহলাদের চিত্র।

ক্রসফায়ারই যদি হবে তাহলে হাতের নাগালে কেন? নিশানা তাক করো ভাগ্যবিধাতার বুকে। যিনি সৃষ্টি করেছেন ধনী গরিবের মধ্যে চরম বিভেদ। মতপার্থক্যের ভাসমান ¯্রােতে ভাসতে ভাসতে আমি তলিয়ে যাই অতলান্তে। পরস্পর দোষারোপের নষ্ট বাক্যব্যয়ে আজ বাংলার আকাশ হয়ে উঠেছে জঙ্গীবাদের প্রসস্ত জমিন। এ রকম পৃথিবীতো আমরা চাইনি। চেয়েছি মাত্র ক্ষুধায় এক মুটো অন্ন। বিশ্বায়নের এই সভাযুগে পড়শীদেশের পরকিয়া প্রেমের নাগর বাংলার উর্বর মাটিতে ধ্বংস লীলার এক চিত্রশালা বানিয়ে ফেলে। আইএস জঙ্গী বিশ্বমোড়লদের দেয়া সুবিধা মত নাম। এটা মৌলিক নয়, মোড়লদের খবরদারীর জন্য সৃষ্ট ফসল। বিভিন্ন দেশের গুপ্তচরদের লেলিয়ে দেয়া বিপদগামী কিছু তরুণদের মগজ ধোলাইয়ে আজকের শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি। ইহুদিদের সুকৌশলী ষড়যন্ত্রে আজ মুসলিমরা কলংকের বোঝা মাথায় নিয়ে কুজা হয়ে বসে আছে। নৈতিক মনোবলে চির ধরা সরকারের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে বিশ্ব গোয়েন্দা বাহিনী আমার উর্বর ভূমিতে আবাদ করছে অপ্রয়োজনীয় আগাছা, জঞ্জাল। একটু মাথা ঘামালেই দেখবো স্বার্থ হাসিল হচ্ছে ওদের আর অপবাদের জারজ সন্তানের বোঝা বইছি আমরা।

আমি কাকেই বা কি বলবো। নিজের বিবেক কে প্রশ্ন করি। এতো ধর্ম প্রচার নয়। এতো মুর্খতা। এতো বর্বরতা। এতো এ নৃশংসতার প্রলয়ংকারী তা-ব। একে একে সব আয়োজন শেষ। মাতব্বরদের বিরুদ্ধে কেউ কথা বললেই জঙ্গী। বিরোধী মত দমনের এ এক মোক্ষম সময়। গুম, খুন ভিন্ন ধর্মীয় মানুষ হত্যা যজ্ঞের এ যেন এক অভ্যয়রণ্য। এমনটি তো আমরা চাইনি। জঙ্গীবাদের তকমা লাগিয়ে এখন শুধু বন্দুকের নল তাক করে নির্বিচারে গুলি চালালেই স্বার্থ হাসিল। বেশ তো হিটলারী বুদ্ধিতে এখন থেকে মন গড়া মতোবাদে চলবে আমার দেশ। আর ভিন দেশীরা জঙ্গীদমনের পারঙ্গমতায় দাঁত কেলিয়ে হাসবে, উপহাসের হাসি। আর সময়ে সুযোগে গায়ে মেখে দেবে জঙ্গীবাদের তকমা।

এ হত্যাযজ্ঞ পৃথিবীর কাছে মুসলমানকে ছোট করার কুটকৌশল মাত্র। এ হত্যাযজ্ঞে নমরুদের স্বার্থ সংরক্ষিত হয় মাত্র। আমি কারো কাছে বিচার দিতে আসিনি। আমি নিশ্চিত জানি বিচারের বাণী নিরবে নিভৃতে কাঁদে। আমি ফাঁসির দড়ি নিয়ে এসেছি; যারা পৃথিবীর মুসলমানদের শুলে চড়িয়েছে তাদেরকে গলায় রশি লাগিয়ে টেনে আনা হোক গলি থেকে রাজপথে। এরপর তারপর বিচার বসানো হোক সংক্ষুব্দ মানুষের বিবেক নামক আদালতে। যেখানে ন্যায় বিচারের স্বার্থকতায় পৃথিবী ভাসবে আলোর বণ্যায়।

এই দেশ আমাকে কাঁদিয়েছে। দেশের সরকার, সেতো ভিন্ন গ্রহের বাসিন্দা। আমি গণতন্ত্র চেয়েছিলাম, পাইনি। আমি সাংবিধানিক অধিকার চেয়েছিলাম, তাও পাইনি। ভাতের বদলে পেয়েছি বুলেট। তাইতো পিত্তো থলিতে গজায় পাথর।

সু-শাসন চাওয়ার প্রতিউত্তরে পেয়েছি রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাস। এই জঙ্গীবাদ কার খামখেয়ালিপনার ফসল? এই হত্যযজ্ঞে গার্মেন্টস শিল্প বন্ধ হয়ে যাবে, বিদেশি বায়াররা মুখ ফিরিয়ে নিবে, তাতে কে লাভবান হবে?

একে একে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে দাতাদের ফান্ড, শুধু টাকা আয়ের মূল সোর্স এখন পরশি দেশের নাগর। যদের কাছে বিক্রি হচ্ছে আমাদের ইজ্জত। ধীরে ধীরে আমরা সব ভারতীয় পণ্যবাহী ট্রাকের দালাল হয়ে যাচ্ছি। স্বাধীনতার ৪৬ বছরের অহংকারের সীমানার আল ভেঙ্গে ধীরে ধীরে গড়ে তুলতে চায় নতুন সীমানা। এতো স্বাধীনতার মূলমন্ত্র নয়, এতো মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নয়। এতো ক্ষমতা পাকাপোক্ত করার গোলামীচুক্তি মাত্র। আমি সব দেখেশুনে নির্বিকার যখন তখন আমার বুকের উপর দিয়ে পণ্যবাহী ট্রাক চালিয়ে তছনছ করে গুড়িয়ে দেয়া হলো আমার বুকে লালিত স্বাধীনতার মন্ত্র।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ আগস্ট’২০/এসএএইচ

 

রোগীর সার্টিফিকেটে দুর্নীতি, কলাপাড়া হাসপাতালের ডা. লেলিনকে স্বশরীরে আদালতে তলব

সংবাদদাতা, কলাপাড়া(পটুয়াখালী): কলাপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক চিকিৎসক (আরএমও) ডা. জে.এইচ. খান লেলিনকে স্বশরীরে তলব করেছেন আদালত। রবিবার (১৬ আগস্ট)  কলাপাড়া সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট শোভন শাহরিয়ার এ আদেশ জারী করেন।  আদালত সূত্রে জানা যায়, ফৌজদারী অপরাধের ঘটনায় আসামী পক্ষ দ্বারা প্রভাবিত হয়ে বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন জিআর-৫৪৩/২০২০ মামলায় একই জখমীর দু’রকমের মেডিকেল সনদ আদালতে দাখিল করেন ডা. জে.এইচ. খান লেলিন। এতে জখমীর মাথার ডান পার্শ্বে জখম থাকলেও দু’টো সনদে বাম পার্শ্বে উল্লেখ করা হয়। এছাড়া সরবরাহকৃত মেডিকেল সনদের প্রথমটিতে গুরুতর জখম বলা হলেও দ্বিতীয়টিতে সাধারন জখম উল্লেখ করা হয়েছে। এতে বিচারিক কার্যক্রমে বিঘ্ন সৃষ্টির অপরাধে অভিযুক্ত চিকিৎসক ডা. জে.এইচ. খান লেলিনকে স্বশরীরে তলব করেন আদালত। আদালতের জিআরও মুনসুর আহমেদ ও এজাহারকারী পক্ষের অ্যাডভোকেট খন্দকার নাসির উদ্দীন এ আদেশের সত্যতা স্বীকার করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ আগস্ট’২০/এসএএইচ

গাইবান্ধায় মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে গর্ভবতীকে চিকিৎসা বঞ্চিত করায় মানববন্ধন

প্রতিনিধি, গাইবান্ধাঃ গাইবান্ধা মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসব বেদনা নিয়ে আসা দরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী মাকে চিকিৎসা সেবা না দিয়ে বিতারিত করায় দায়িত্বে থাকা সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে রোববার দুপুরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। শহরের ডিবি রোডে নিরাপদ চিকিৎসা চাই গাইবান্ধা জেলা শাখা আয়োজিত মানববন্ধনে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা ডায়াবেটিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সেকেন্দার আজম, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট গাইবান্ধা জেলা শাখার সভাপতি আলমগীর কবির বাদল, ওয়াকার্স পার্টির পলিটব্যুরো সদস্য আমিনুল ইসলাম গোলাপ, জেলা মহিলা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও ডিবিসি টেলিভিশনের জেলা প্রতিনিধি রিক্তু প্রসাদ, ছাত্রফ্ন্টর সাধারণ সম্পাদক রাহেলা সিদ্দিকী, শিশু কিশোর মেলা সংগঠক উম্মে নিলুফা তিন্নি, নাট্যকর্মী প্রভাষক শহীদুল্লাহেল কবীর ফারুক, সাপ্তাহিক আমাদের গাইবান্ধা পত্রিকার সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির তনু, নিরাপদ চিকিৎসা চাই এর সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া প্রমূখ। বক্তারা বলেন, গাইবান্ধার মা ও শিশু কল্যাণ কেন্দ্রে প্রসব বেদনা নিয়ে দরিদ্র পরিবারের গর্ভবতী মাকে চিকিৎসক সেবা থেকে বঞ্চিত করায় দায়িত্বে থাকা পরিদর্শিকা সেলিনা বেগম তাদেরকে বের করে দেয়। কোন প্রতিকার না পেয়ে রাস্তায় সন্তান প্রসব করেন গর্ভবতী মহিলা। বক্তারা অনতিবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে দোষী ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানান।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ আগস্ট’২০/এসএএইচ

 

সাভার নামাগেন্ডা এলাকায় ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ

প্রতিনিধি, সাভারঃ সাভারে বন্যার্ত ও সমাজের অসহায় মানুষের মাঝে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুরে সাভার সদর ইউনিয়নের নামা গেন্ডা এলাকায় প্রায় কয়েক’শ মানুষের মাঝে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা। ত্রাণ সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে চাল ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য। এদিকে সাভার সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সোহেল রানা বলেন,বন্যায় সাভার সদর ইউনিয়নের এক ও নয় নং ওয়ার্ডেও প্রায় সাত শতাধিক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সকল ক্ষতিগ্রস্ত মানুষকে তিনি বন্যা শুরু থেকে ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করে আসছেন। ত্রাণ বিতরণ শেষে ইউপি চেয়ারম্যান নামা গেন্ডা এলাকায় কর্ণপাড়া খালের উপর বটতলা এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ব্রীজের কাজ পরিদর্শন করে মানুষের দুর্ভোগের কথা চিন্তা করে সংশ্রিষ্ট কর্মকর্তাদের দ্রুত ব্রীজটি নির্মাণের নির্দেশ দেন। ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ কালে এসময় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/১৬ আগস্ট’২০/এসএএইচ