আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2521

শ্রীপুরে নিরাপত্তা চেয়ে দুই কন্যা সন্তানসহ শিক্ষিকার সংবাদ সম্মেলন

আলমগীর হোসেন, শ্রীপুর (গাজীপুর) : গাজীপুরের শ্রীপুরে ফারজানা ইয়াসমিন নামে এক শিক্ষিকা দুই শিশু সন্তান সাথে নিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ওই নারী উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। বৃহষ্পতিবার দুপুরে টেংরা এলাকায় তার বসত বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে নিরাপত্তার আকুতি জানান।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে চার যুবককে অভিযুক্ত করে নিরাপত্তার দাবী তোলেন। যুবকেরা হল শ্রীপুর পৌর শহর এলাকার কবির হোসেনের ছেলে হোসাইন আলী বাবু, ভাংনাহাটী গ্রামের মৃত শাহিদ আলীর ছেলে রাশেদুল হাছান, গোসিংগা গ্রামের রাজিব প্রধান ও বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত রাশেদুল হাছানের সাথে ওই শিক্ষিকার এক যুগ সংসার করার পর (বিবাহ বিচ্ছেদ) ডিভোর্স হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ওই দুটি সন্তান নিয়ে তিনি পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। কন্যা সন্তান হওয়ায় এবং যৌতুকের দাবীতে তাকে ডিভোর্সের আগে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল রাশেদুল হাছান। এক পর্যায়ে ভিন্ন নারীর সাথে যোগাযোগ করে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এসব বিষয় নিয়ে ওই শিক্ষিকার বাবা শ্রীপুর থানায় গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য অভিযুক্ত হোসাইন আলী বাবু নানা সময় নানা কায়দায় ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। শিক্ষিকার স্বামীকে সংসারে ফিরে পেতে সহায়তার কথা বলে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদাও দাবী করে। অন্যথায় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বদনাম রটিয়ে সংবাদ প্রচারের হুমকি দেয়। করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে সে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানহানির উদ্দেশে তাঁর কর্মস্থল টেংরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ক্যামেরা তাক করে তাকে নানা উদ্ভট ও আপত্তিকর প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করে। এতে বিদ্যালয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় অভিভাবকেরা এগিয়ে আসলে সে ক্যামেরাসহ পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি’র) কোতয়ালী থানা, গাজীপুরের শ্রীপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। এতোকিছুর পরও গত ১৭ জুলাই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে টেংরা-মাওনা সড়কে শিাক্ষকার বাড়ির পাশে পথরোধ করে। এসময় অভিযুক্তরা তাকে টেনে হিঁচড়ে একটি প্রাইভেটকারে তোলে নিতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা শ্লীলতাহানির চেষ্টা, টানা হেঁচড়ার ছবি এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে। অভিযুক্তরা সঙ্ঘবদ্ধভাবে এসব অপকর্মে যুক্ত থাকে বলে তিনি অভিযোগ করেন। শিক্ষকের বড় ভাই আক্তার মাস্টারকে জড়িয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে এবং সাজানো মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হোসাইন আলী বাবু বলেন, তাকে হেনস্তা করা এবং ফাঁসানের চেষ্টা চলছে। কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর কোনো চেষ্টা তিনি করেননি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় পরষ্পরবিরোধী মামলা, সাধারণ ডায়েরী (জিডি) ও অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষকের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাহীনতার কোনো ঘাটতি নেই। নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী নিরাপত্তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। শিক্ষকের দায়ের করা অভিযোগটির সত্যতা না পাওয়ায় মামলা রুজু হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডিএন

টাঙ্গাইলে দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো তিনজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আনালিয়াবাড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে দুর্ঘটনার পরে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজট লাগে। নিহত চালকের নাম নয়ন মিয়া (২২) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রশিদনগরের তরকিুল ইসলামের ছেলে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আয়বুর রহমান বলেন, সকাশ ১০ টার দিকে উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী অপর ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রাকের চালক নিহত হন। আহত তিন জনকে আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রাক দু’টি থানা হেফাজতে আছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলার নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমকে কুপিয়ে জখম

পিসি দাস, দিনাজপুর : দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ওমর আলী শেখকে কুপিয়ে জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টায় মধ্যে ইউএনও’র সরকারি বাস ভবনে এ ঘটনা ঘটে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমের অবস্থা আশঙ্কাজনক। জানা যায় কাজের বুয়া ভোর ৫ টায় উপরে উঠে (২য় তলা) ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে রক্তাক্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: নূর নেওয়াজ আহম্মদকে সংবাদ দেওয়ার পর তিনি এসে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে ওয়াহিদা খানম ও তার বাবাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। সেখান থেকে তাকে বেসরকারি হাসপাতাল ডক্টরস ক্লিনিকে স্থানান্তর করা হয়। বর্তমানে ওয়াহিদা খানমকে আইসিউতে রাখা হয়েছে।

ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করে ঘোড়াঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ আমিরুল ইসলাম বলেন, বাড়ির পেছনে ভাঙা ভেন্টিলেটর দিয়ে দুর্বৃত্তরা ঘরে প্রবেশ করে। এ কাজে তারা একটি মই ব্যবহার করে।

দিনাজপুরের জেলা প্রশাসক মাহমুদুল আলম, পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিসার ওয়াহিদা খানমের উন্নত চিকিৎসার জন্য এয়ার এম্বুলেন্স যোগে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

সাড়ে তিন কোটি টাকা ব্যয়ে শিবগঞ্জ জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ কাজের উদ্বোধন

মো: সিফাতুল্লাহ, শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) : চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পুনঃনির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ডা. সামিল উদ্দিন আহমেদ শিমুল।
মসজিদ কমিটির সভাপতি তোহুরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাকিব আল-রাব্বি, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান সৈয়দ নজরুল ইসলাম, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মাওলানা ড. কেরামত আলী, শিবগঞ্জ পৌরসভার মেয়র কারিবুল হক রাজিন, শিবগঞ্জ পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আলী ছত্রাজিতপুর আলাবক্স মেমোরিয়াল ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ আতাউর রহমান, পৌর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক সৈয়দ মনিরুল ইসলামসহ অন্যরা।
প্রায় ৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ৪ তলা বিশিষ্ট শিবগঞ্জ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ নির্মাণ হচ্ছে। শেষে মসজিদটির পেশ ইমাম মাওলানা নবীবুর রহমান দোয়া করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ জুলাই-২০২০/জেডএন

ধামরাইয়ে বিজয় টিভির সাংবাদিককে প্রকাশ্যে খুন, গ্রেফতার ২

মাসুদ রানা, ধামরাই :  ঢাকার ধামরাই উপজেলায় কর্মরত বেসরকারি বিজয় টেলিভিশনের সাংবাদিক জুলহাস উদ্দিন (৩৫) কে প্রকাশ্যে গলা জবাই করে খুন করা হয়েছে। স্থানীয়রা শাহীন ও মোয়াজ্জেম নামের দুই খুনিকে আটকের পর পুলিশে সোর্পদ করে। আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের বারবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুলহাস উদ্দিন উপজেলার গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়নের দক্ষিণ হাতকোরা গ্রামের মৃত রইস উদ্দিনের ছেলে। তিনি ধামরাই প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি পদে দায়িত্বরত ছিলেন। গ্রেফতারকৃতরা হলো- মানিকগঞ্জ সদর উপজেলার বাহিরচর গ্রামের বিষু ব্যাপারীর ছেলে শাহীন ও ফাঁড়িরচর গ্রামের নুর মোহাম্মদের ছেলে মোয়াজ্জেম। গাঙ্গুটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার রবিউল আওয়াল হাসু বলেন, আজ দুপুর আড়াইটার দিকে সাংবাদিক জুলহাস মানিকগঞ্জ থেকে বারোবাড়িয়া বাসস্ট্যান্ডে গাড়ি থেকে নামে। গাড়ি থেকে নামার পর শাহীন ও মোয়াজ্জেমসহ আরো কয়েকজন জুলহাসকে প্রকাশ্যে বুকের দুই পাশে ছুরি ঢ়ুকায় ও গলায় ছুরি দিয়ে জবাই করে। এ সময় জুলহাস মাটিতে লুটে পরে গেলে প্রচন্ড রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এ সময় বাসস্ট্যান্ডের দোকানদার জুলহাসকে উদ্ধার করতে চাইলে খুনিরা বাঁধা দেয়। জুলহাস মৃত্যুর যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে এমন দৃশ্য দেখে স্থানীয়রা খুনি শাহীন ও মোয়াজ্জেমকে আটক করে। বাকি খুনরিা পালিয়ে যায়। আটকৃতদের পুলিশে সোর্পদ করে স্থানীয়রা। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় জুলহাসকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্য ডাক্তার মো: আরিফুর রহমান তাকে মৃত ঘোষনা করে।

এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় সাংবাদিকরা মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ছুটে যায়। সেখানে জুলহাসের রক্তমাখা মৃতদেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়ে। পুরো হাসপাতালে শোকের ছায়া নেমে আসে। নিহত সাংবাদিক জুলহাসের চাচা শাহিন জানান, স্থানীয় বিএনপির প্রভাবশালী নেতা তুলা মিয়ার মেয়ে সুমা আক্তারকে গত ১২ বছর পূর্বে ভালোবেসে বিয়ে করে জুলহাস। বিয়ের পর থেকে তুলা মিয়া জুলহাসের উপর বিভিন্নভাবে নির্যাতন শুরু করে। জুলহাসকে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলও খাটিয়েছে। তারপরও সুমা জুলহাসকে ছেড়ে যায়নি। দীর্ঘদিন ধরে পরিকল্পিতভাবে জুলহাসকে হত্যা করেছে বলে ধারণা জুলহাসের পরিবারের। তুলা মিয়া এলাকায় প্রভাবশালী হওয়ায় তাকে কেউ কিছু বলতে পারেনি।

স্থানীয় সাংবাদিক জুলহাস হত্যাকারীদের অতি বিলম্ভবে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় সাংবাদিকরা। ধামরাই প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হাসান জানান, প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জুলহাসকে হত্যাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও দ্রুত আইনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাই। তার এ মৃত্যুতে আমরা সত্যি মর্মাহত। জুলহাসের স্ত্রী কথা বলতে পারছেন না, তবে তার স্বামী হত্যার বিচার চেয়েছেন। বাকি আসামীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি ও তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। ধামরাই থানার অফিসার ইনর্চাজ দিপক চন্দ্র সাহা বলেন, সাংবাদিক জুলহাস হত্যার সাথে জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতার করা হবে। যে ছরা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে তা উদ্ধার করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালে ময়না তদন্ত করা হবে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টায় টাঙ্গাইলে পুলিশসহ ২ জনের কারাদণ্ড

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলে এক ব্যক্তির পকেটে ইয়াবা ট্যাবলেট দিয়ে আটক করার চেষ্টায় এক পুলিশ কনস্টেবল ও পুলিশের এক সোর্সকে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। টাঙ্গাইলের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রুপম কুমার দাস মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) আসামিদের উপস্থিতিতে এ রায় দেন।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হচ্ছেন, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মোজাটি চরপাড়া গ্রামের মো. আক্তারুজ্জামানের ছেলে ও মির্জাপুরের বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্তকৃত কনস্টেবল রাসেলুজ্জামান ওরফে রাসেল এবং বাঁশতৈল নয়াপাড়া গ্রামের বাচ্চু মিয়ার ছেলে ও পুলিশের সোর্স হাসান মিয়া।
তাদের মধ্যে রাসেলকে এক বছর ছয় মাস এবং হাসানকে এক বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
অভিযোগ প্রমাণ না হওয়ায় বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির সাময়িক বরখাস্তকৃত এক সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) রিয়াজুল ইসলাম, কনস্টেবল গোপাল চন্দ্র সাহা, তোজাম্মেল হক ও আব্দুল হালিম এবং সোর্স আল আমিনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, কনস্টেবল রাসেলসহ মির্জাপুর থানার বাঁশতৈল পুলিশ ফাঁড়ির ছয় পুলিশ সদস্য এবং হাসানসহ দুই সোর্স ২০১৯ সালের ২৮ নভেম্বর পাশের সখীপুর উপজেলার রাজাবাড়ী উচ্চ বিদ্যালয় এলাকায় যান। তারা ওই এলাকার বজলুর রহমান নামে এক দিনমজুরের পকেটে ইয়াবা দিয়ে তাকে জোর করে অটোরিকশায় তোলেন। এ সময় বজলুর রহমানের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গিয়ে অটোরিকশাটি আটক করেন। বজলুরের কাছ থেকে ঘটনার বিবরণ শুনে উপস্থিত লোকজন পুলিশ ও সোর্সদের দেহ তল্লাশি করে কিছু ইয়াবা পায়। এতে সাধারণ মানুষ বিক্ষুদ্ধ হয়ে পুলিশ ও সোর্সদের পিটুনি দিয়ে একটি দোকানে আটকে রাখেন। পরে খবর পেয়ে সখীপুর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে তার আগেই তিনজন কৌশলে পালিয়ে যায়। পরে বাকি চার জনকে পুলিশ সখীপুর থানায় নিয়ে যায়। সখীপুর থানার তৎকালীন উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোহাম্মদ আয়নুল হক বাদী হয়ে তাদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
তদন্ত শেষে সখীপুর থানার এসআই ওমর ফারুক গত ২ জানুয়ারি আদালতে পাঁচ পুলিশ সদস্য ও দুই সোর্সের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন। আদালত মামলার আটজন সাক্ষীর স্বাক্ষ্যগ্রহণ ও নথিপত্র বিশ্লেষণ শেষে অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ায় এ রায় দেন। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ হয়নি তাদের বেকসুর খালাস দেওয়া হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

ঢাকায় স্মৃতিকথন অনলাইন গ্রুপের আত্মপ্রকাশ

সাংস্কৃতিক প্রতিবেদক : গত সোমবার (৩১ আগস্ট) রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস -এ দিনব্যাপী অনুষ্ঠিত হয় স্মৃতিকথন অনলাইন গ্রুপের মিলনমেলা। এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে স্মৃতিকথন গ্রুপ সাংগঠনিকভাবে আত্মপ্রকাশ করলো। উক্ত অনুষ্ঠানে গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা পথিক মুসাফিরের ৪৫তম জন্মদিন উৎযাপন করা হয়। সংঠনের উপদেষ্টা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লেখক সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ্-দ্বীন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের কৃষি বিপনণ অধিদপ্তরের উপ-সচিব জনাব একেএম তারেক এবং কণ্ঠশিল্পী কাজি আরিফ।

বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সবাই যখন ঘরে বসে অবসর সময় কাটাচ্ছিলেন ঠিক তখনি অন্যান্য অনলাইন গ্রুপের মতো স্মৃতিকথনের যাত্রা শুরু হয় এ বছরের মে মাসের ১৭ তারিখ। মাত্র পাঁচ মাসের মধ্যে বিপুল সংখ্যক সাহিত্যানুরাগী এবং সংস্কৃতিকর্মী এ গ্রুপে যুক্ত হোন। অন্যান্য গ্রুপের সাথে স্মৃতিকথন গ্রুপের পার্থক্য হলো– গ্রুপে বা পেইজে পোস্ট করা লেখা নিয়ে আগামী বছর অমর একুশে বইমেলায় গল্প ও কবিতা সংকলন ছাপার অক্ষরে প্রকাশ করা হবে।

গ্রুপের কর্ণধার পথিক মুসাফির স্মৃতিকথনের কার্যক্রমকে সর্বত্র পৌঁছে দেবার ইচ্ছে ব্যক্ত করেন। করোনা পরিস্থিতি অনুকূলে এলে দাতা সংস্থার মাধ্যমে দেশের দুস্থ শিশুদের শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাবার আগ্রহ প্রকাশ করেন। শুধু অনলাইন কেন্দ্রিক আড্ডা বা বিনোদনে স্মৃতিকথনকে আবদ্ধ না রেখে মাঠ পর্যায়ে সমাজ সেবামূলক কাজে নিজেদের নিয়োজিত করতে চান তারা।

লেখক সৈয়দ আশরাফ মহি-উদ্-দ্বীন বলেন, স্মৃতি কথনের সাথে যুক্ত হয়েছি মাস তিনেক হলো। স্মৃতিকথনের উদ্দেশ্য অনেক মহৎ এবং সুদূর প্রসারী। এরা মানুষের কল্যাণে, সমাজের উন্নতিতে আর নতুন প্রজন্মের মেধা বিকাশে কাজ করে যাবেন বলে সবাই এক হয়েছেন। প্রবাসে বসে আমার পক্ষে যতটুকু সম্ভব এই মহতী উদ্যোগে একজন সহযাত্রী হয়ে থাকবো ইনশা-আল্লাহ। আমি আশাকরি স্মৃতিকথন নিয়মিত মানুষের পাশে থেকে মেধা এবং ভবিষ্যৎ বিনির্মানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

কণ্ঠশিল্পী কাজি আরিফ ‘স্মৃতিকথন’ সাহিত্য-সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি ভবিষ্যতে অন্যান্য সামাজিক উন্নয়ন কর্মকান্ডে স্বতস্ফুর্ত  অংশগ্রহণ করবার প্রত্যাশা রেখে বলেন, দেশের শিক্ষা, দারিদ্রতা দূরীকরণ, পরিবেশ রক্ষা, স্বাস্থ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালনের পরিকল্পনা আছে স্মৃতিকথন পরিবারের। তিনি আরো বলেন, ছোট্ট একটা বীজ থেকেই একদিন বিশাল মহীরুহ তৈরি হয়। আমি আশাকরি তারুণ্যের শক্তি নিয়ে ‘স্মৃতিকথন’ একদিন এই দেশে এই সমাজে বিশাল মহীরুহ হয়ে একটা ইতিবাচক অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হবে।

জনাব একেএম তারেক স্মৃতিকথনের সফলতা কামনা করে বলেন, ‘স্মৃতিকথন’ একটি সাংস্কৃতিক পরিবার। লেখালেখি এবং ভার্চুয়াল আড্ডার মাধ্যমে দেশীয় সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরছে প্রতিনিয়ত। তরুণ লেখকদের একটি একক প্লাটফর্মে এনে তাদের প্রতিভাকে ছড়িয়ে দেওয়া, আবার ভার্চুয়াল জগতে সঙ্গীত, নৃত্যকলা ও আবৃত্তিকে আড্ডার ছলে বিশ্বব্যাপী বাংলা ভাষাভাষীদের নিকট পৌঁছে দেওয়া নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। এ পরিবারটি বর্তমান কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় ভবিষ্যতেও নতুন নতুন সৃষ্টিশিলতার মধ্য দিয়ে এগিয়ে আসবে বলে আমার বিশ্বাস।

গ্রুপের এডমিনদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কথা সাহিত্যিক তাহমিনা খলিল, ভিকারুননিসা নুন  স্কুল ও কলেজের সিনিয়র শিক্ষক (অবঃ) জনাব মুক্তাদিরুল আলম ডলার, কবি-লেখক ও আবৃত্তিকার শাইনি শিফা এবং গল্পকার ও নাগরিক সাংবাদিক রোদেলা নীলা। এডমিন প্যানেল থেকে তাহমিনা খলিল বলেন, সমাজের ক্ষয়িষ্ণু নৈতিক মুল্যবোধের উন্নতিতে স্মৃতিকথন পরিবার কাজ করছে, কর্মদ্যম মানুষের পাশে থেকে এই পরিবার অনেক দূর এগিয়ে যাবে ইনশা-আল্লাহ।

মডারেটরদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- সঙ্গীত শিল্পী আব্দুর রহিম রুবেল, সুজিত রঞ্জন সরকার এবং রজনী মিম। সংগীতশিল্পী সাহিদা স্মিতা’র আধুনিক গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি সমাপ্ত হয়।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

পটুয়াখালীতে র‍্যাবের অভিযানে ১ হাজার কেজি পলিথিন উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১

মু. হেলাল আহম্মেদ (রিপন), পটুয়াখালী : র‍্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকেই ডাকাত, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি, জঙ্গি, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মাদক ব্যবসায়ী, সাইবার অপরাধী, ভুয়া ডাক্তার ও প্রতারকচক্রসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করাসহ পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায়ও অভিযান পরিচালনা করে আসছে।
এরই ধারাবাহিকতায় র‍্যাব-৮ সিপিসি-১ পটুয়াখালী ক্যাম্প -এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল আজ (০২ সেপ্টেম্বর) সকাল আনুমানিক ১১ টা থেকে সাড়ে ১৩ টা পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানার বটতলা বাজার এলাকায় অভিয়ান পরিচালনা করে এক হাজার কেজি সরকার কর্তৃক নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন জব্দ করে যার আনুমানিক মূল্য ২,৪৯,২৫০/- টাকা। এ সময় পলিথিন ব্যবসার সাথে জড়িত মো: নুরুজ্জামান (৩৮), পিতা- মৃত রুস্তম আলী, সাং- কলাগাছিয়া, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালীকে আটক করা হয়। এবং স্থানীয় বাজারের লোকজনের কাছে জিজ্ঞাসাবাদ করে পলাতক ১। কাজল দেবনাথ, পিতা- হরেকৃষ্ণ দেবনাথ, সাং- পাতাবুনিয়া, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী এবং ২। শংকর দেবনাথ, পিতা-মনোরঞ্জন দেবনাথ, সাং- সৈয়দকাঠি, ৬নং ওয়ার্ড, থানা- গলাচিপা, জেলা- পটুয়াখালী দ্বয়ের দোকান হতেও বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন উদ্ধার করা হয়। অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তরের বিভাগীয় কার্যালয়ের সহকারী বায়োকেমিস্ট মো: মুনতাছির রহমান উপস্থিত ছিলেন এবং অভিযানে এক্সপার্ট মতামত প্রদান করেন। এ সময় ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ পলিথিন বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে মজুদ রাখার জন্য র‍্যাব সহযোগিতায় গলাচিপা থানায় বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন, ১৯৯৫ সংশোধিত ২০১০ এর ৬ (ক) ধারায় একটি মামলা দায়েরের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী র‍্যাব-৮ ক্যাম্পের অধিনায়ক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো: ইফতেখারুজ্জামান জানান- ‘প্রতি দিনই আমাদের এ অভিযান অব্যহত থাকবে’।
আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

সন্তানদের সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরেও চিকিৎসা হচ্ছে না বাবার

নাবিলা ওয়ালিজা, মাদারীপুর : মাদারীপুরে এক সময়ের তাজ বিড়ি ফ্যাক্টরীর মালিক ও কোটিপতি ব্যবসায়ী নুরু মাতুব্বর ৪ সন্তানকে বিঘার পর বিঘা সম্পত্তি লিখে দেওয়ার পরেও পরিবারের জ্বালাতনে গত ১৫ বছর ধরে মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে দু’বেলা খাবার খেতেন। সেই ব্যক্তি চিকিৎসার অভাবে মুমূর্ষু অবস্থায় সদর হাসপাতালের ফ্লোরে পড়ে আছেন। অথচ, ৪ দিনেও খোঁজ নিতে আসেননি কেউ। চিকিৎসকরা বলছেন, উন্নত চিকিৎসা ছাড়া স্বাভাবিক জীবনে আর ফিরতে পারবেন না নুর হোসেন। এদিকে সন্তানদের আইনের আওতায় আনার পাশাপাশি বৃদ্ধ ওই বাবার চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের ফ্লোরে গত রোববার থেকে মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে আছেন সদর উপজেলার ঝিকরহাটি গ্রামের নুরু মাতুব্বর। অজ্ঞাত এক ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়ে গেছেন। প্রাথমিক চিকিৎসা চললেও খাওয়া-দাওয়া বন্ধ হয়ে গেছে তার। অথচ, ৪ দিনেও পরিবার থেকে ৬০ বছর বয়সী বাবার কোনো খোঁজ নিতে আসেননি কেউ। দ্রুত তার উন্নত চিকিৎসা প্রয়োজন বলে জানান কর্তব্যরত চিকিৎসক মেডিকেল অফিসার ইমরানুর রহমান।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কয়েক বছর আগে বন্ধ হয়ে যায় চরমুগরিয়া এলাকার ‘তাজ বিড়ি ফ্যাক্টরী’। পরে ফ্যাক্টরীর মালিক নরু মাতুব্বর বাড়ি বিক্রি করে ছেলেকে লন্ডন পাঠান পড়াশোনা করাতে। লন্ডন থেকে ফিরে এসে ছেলে বিয়ে করে ঢাকায় ব্যবসা করছেন। পরে নুরু মাতুব্বরের বিঘার পর বিঘা জমি তিন মেয়ে ও এক ছেলেকে লিখে দেয়ার পাশাপাশি তাদের সভ্রান্ত পরিবারে বিয়েও দেন। অথচ, গত ১৫ বছর ধরে বাড়ি ছাড়া ওই বাবা। মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরে খাবার সংগ্রহ করলেও আজ চিকিৎসার অভাবে মৃত্যুশয্যা। এমন ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করেছেন এলাকাবাসী। অসুস্থ্ হওয়ার পূর্বে তিনি চরমুগুরিয়া বাজার এলাকায় একটি দোকানে রাতে পাহাদার হিসেবে কাজ করতেন। হাসপাতালের অন্যান্য রোগীরা বৃদ্ধাকে খাবার দিচ্ছে ও আদর আপ্যায়ন করছে।
নুরু মাতুব্বরের মেয়ে শামসুর নাহার চৈতী বলেন, পারিবারিক ঝামেলার কারণে বাবার সাথে যোগাযোগ অনেকটাই বিচ্ছিন্ন। বাবা তার মতো করে থাকে, আমারা মাকে নিয়ে আমাদের মতো করে থাকি।

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইফুদ্দিন গিয়াস বলেন, এক বৃদ্ধ কয়েক দিন ধরে সদর হাসপাতালে অসুস্থ অবস্থায় পড়ে আছে। তার খোঁজ-খবর নিতে কেউ আসে না শুনে আমি সকালে হাসাপাতালে তাকে দেখতে যাই। তার শারীরিক অবস্থার খোঁজ খবর নিয়ে আসি। তার ভরণ-পোষণ ও খোঁজ না নেওয়ায় সন্তানদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

টাঙ্গাইলে শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টা, শিক্ষক আটক

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে নূরানি মাদরাসায় পড়ুয়া ৭ বছরের এক শিশু ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে মো. আব্দুর রাজ্জাক (৩২) নামে এক শিক্ষককে আটক করেছে গোপালপুর থানা পুলিশ।

শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার নিয়ামতপুর গ্রামের আবদুল হাই’র ছেলে। তিনি স্থানীয় আল হেরা নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক। মঙ্গলবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে নিজ এলাকা থেকে তাকে আটক করে পুলিশ।

ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে অভিযুক্ত ওই মাদরাসা শিক্ষককে বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর) সকালে টাঙ্গাইল আদালতে প্রেরণ করেন পুলিশ। গোপালপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মুস্তাফিজুর রহমান এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, ওই শিশু ছাত্রী শিক্ষক আব্দুর রাজ্জাকের কাছে মাদরাসায় প্রাইভেট পরানোর সময় একা পেয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় শিশুটি ডাক-চিৎকার করলে ভয়ে ছেড়ে দেয়। পরে শিশুটি বাড়িতে গিয়ে তার মায়ের কাছে ঘটনাটি জানায়। ঘটনার ওই দিনই শিশুর মা বাদী হয়ে গোপালপুর থানায় মামলা দায়ের করেন।

আলোকিত প্রতিদিন/২ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন