আজ শুক্রবার, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ১৯ জুন ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 2520

শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে করোনার হানা, ক্রিকেটারদের অনুশীলন বন্ধ

ক্রীড়া প্রতিবেদকঃ সবকিছু ঠিক ভালোই চলছিল। করোনায় দীর্ঘদিন ঘরে বন্দি থাকার পর ব্যক্তিগত অনুশীলনে ব্যস্ত হলেন জাতীয় দলের ক্রিকেটাররা। রাজধানী ঢাকার শেরে বাংলা, চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী, খুলনার শেখ নাসের, রাজশাহীর কামরুজ্জামান ও সিলেট বিভাগীয় স্টেডিয়ামে নিজেদের মতো করে রানিং, জিমওয়ার্ক আর ব্যাটিং-বোলিং প্র্যাকটিস করেছেন তামিম, মুশফিক, রিয়াদ, মুমিনুলরা। ক্রিকেটারদের কলতানে মুখর ছিল দেশের ৫ বিভাগীয় শহরের স্টেডিয়াম। এর মধ্যে শেরে বাংলায় দুই ডজনের বেশি ক্রিকেটার নিজেদের ঝালিয়ে নিচ্ছিলেন। বাকি চার ভেন্যুতে সবকিছু ঠিকঠাকমত চললেও শেরে বাংলায় হঠাৎ ছন্দপতন। আজ শুক্রবার থেকে তিনদিনের জন্য অনুশীলন বন্ধ। জানিয়ে দেয়া হয়েছে, রোববার পর্যন্ত ক্রিকেটারদের প্র্যাকটিস হবে না। কিন্তু কেন? হঠাৎ কি এমন হলো যে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলনও বন্ধ করে দিতে হলো? তা নিয়ে রাজ্যের গুঞ্জন-কথাবার্তা। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শেরে বাংলায় ক্রিকেটারদের অনুশীলনে হানা দিয়েছে করোনা। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে- কে আবার আক্রান্ত হলেন? ক্রিকেটারদের মধ্যে কেউ কি? তিনি বা তাদের নাম কি? এ প্রশ্নের জবাব খুঁজতে গিয়ে জানা গেল, ক্রিকেটারদের কেউ নন, করোনা হানা দিয়েছে কোচিং স্টাফে। তবে একজন দুজন নয়, তিনজন কোচিং স্টাফ আক্রান্ত হয়েছেন। বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি প্রধান আকরাম খান আজ (শুক্রবার) সন্ধ্যায় জাগো নিউজকে জানিয়েছেন, ‘তিনজন সাপোর্টিং স্টাফ করোনা আক্রান্ত। একজন ট্রেনার, একজন ফিজিও এবং একজন মাঠকর্মী। তাই আমরা ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত অনুশীলন পরবর্তী তিনদিনের জন্য বন্ধ রেখেছি।’ কোচিং সহকারীদের করোনায় আক্রান্ত হওয়ার কথা স্বীকার করলেও আকরাম খান তাদের নাম বলেননি। তবে তিনি জানান, ক্রিকেটারদের স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা মাথায় রেখেই প্র্যাকটিস বন্ধ করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আকরাম খানের কথা, ‘সামনেই শ্রীলঙ্কা সফর। এখন যদি প্র্যাকটিস অব্যাহত থাকে, তাহলে আক্রান্ত সাপোর্টিং স্টাফের মাধ্যমে করোনা ক্রিকেটারদের মধ্যে সংক্রমিত হতে পারে, সেই চিন্তায় সাময়িকভাবে শেরে বাংলায় অনুশীলন বন্ধ রাখা হয়েছে। আশা করছি আগামী সোমবার থেকে আবার শুরু হবে।’

 

আলোকিত প্রতিনিধি/৪ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

ইউএনও ওয়াহিদা ও তার বাবার ওপর হামলা চুরির উদ্দেশ্যে- র‌্যাব

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীর ওপর চুরির উদ্দেশ্যে হামলা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‌্যাব। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় র‌্যাব-১৩ এর সদর দফতরে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা জানান র‌্যাব-১৩ এর অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস। তিনি জানান, ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। র‌্যাব শুরু থেকেই এ ঘটনায় ছায়া তদন্ত অব্যাহত রাখে। একপর্যায়ে আসাদুলকে শুক্রবার ভোরে হিলির কালীগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করা হয়। পরে তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী দিনভর অভিযান চালিয়ে নবিরুল ও সান্টুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে তারা চুরির উদ্দেশ্যে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের বাসায় যান বলে জানিয়েছেন। এদের মধ্যে নবিরুল ইউএনও ওয়াহিদা খানমের মাথায় আঘাত করেন। আসামিদের বিরুদ্ধে মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। র‌্যাব-১৩ এর অধিনায়ক রেজা আহমেদ ফেরদৌস বলেন, ঘটনার নেপথ্যে আরও কোনো কারণ আছে কি-না তা জানতে সময় লাগবে। অভিযুক্তদের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক (বহিস্কৃত) জাহাঙ্গীরসহ আরও তিনজনকে আটক করা হলেও তাদেরকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা। ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবার ওপর হামলার ঘটনায় শুক্রবার দিনভর অভিযান চালিয়ে ছয়জনকে আটক করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। এরা হলেন- ঘোড়াঘাট উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক (বহিষ্কৃত) জাহাঙ্গীর আলম (৪২), উপজেলা যুবলীগের সদস্য (বহিষ্কৃত) আসাদুল ইসলাম (৩৫), শিংড়া ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামের গোলাম মোস্তফা আদুর ছেলে মাসুদ রানা (৪০), নৈশপ্রহরী নাহিদ হোসেন পলাশ (৩৮), চকবামুনিয়া বিশ্বনাথপুর এলাকার মৃত ফারাজ উদ্দিনের ছেলে রং মিস্ত্রি নবিরুল ইসলাম (৩৫) ও একই এলাকার খোকার ছেলে সান্টু চন্দ্র দাস(২৮)। প্রসঙ্গত, গত বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত ৩টার দিকে দুর্বৃত্তরা ঘোড়াঘাট উপজেলা পরিষদ চত্বরে ইউএনও ওয়াহিদা খানমের সরকারি বাসভবনে প্রবেশ করে। হত্যার উদ্দেশ্যে তারা ইউএনও ওয়াহিদা খানম ও তার বাবা ওমর আলীকে কুপিয়ে ও হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করে। পরে সকালে আহত বাবা-মেয়েকে প্রথমে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে ইউএনও ওয়াহিদাকে বিমানবাহিনীর হেলিকপ্টারে ঢাকায় আনা হয়। তিনি এখন ঢাকার আগারগাঁওয়ে ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্স ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তার বাবা রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) জাকির হোসেনকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছেন রংপুর বিভাগীয় কমিশনার আব্দুল ওয়াহাব। কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- রংপুর রেঞ্জের ডিআইজির একজন প্রতিনিধি এবং দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আসিফ মাহমুদ। এ হামলার ঘটনায় ইউএনও ওয়াহিদার ভাই শেখ ফরিদ বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে ঘোড়াঘাট থানায় মামলা করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৪ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

ধামরাইয়ে সাংবাদিককে প্রকাশ্যে খুনের ঘটনায়: দুজন চার দিনের রিমান্ডে

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর ধামরাইয়ে বিজয় টিভির উপজেলা প্রতিনিধি ও ধামরাই প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি জুলহাস উদ্দিনকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় গ্রেফতার দুই আসামির চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। তারা হলেন-জুলহাসের দ্বিতীয় স্ত্রীর আগের স্বামী শাহীন আলম ও তার সহযোগী মোয়াজ্জেম হোসেন। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) তাদের ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। হত্যার ঘটনায় ধামরাই থানা করা মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাদের সাত দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মনিকা খানম তাদের প্রত্যেকের চার দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ধামরাইয়ের বারোবাড়িয়া এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে বাস থেকে নামার পরই আগে থেকে অনুসরণ করতে থাকা দুর্বৃত্তরা জুলহাসকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করে। পরে সংকটাপন্ন অবস্থায় তাকে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নেয়ার পথে মৃত্যু হয়। হত্যার ঘটনায় জুলহাস উদ্দিনের বোন রিনা খাতুন শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) সকালে পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে ধামরাই থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৪ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

 

গাইবান্ধায় বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের খাদ্য সামগ্রী বিতরণ

সংবাদদাতা, গাইবান্ধাঃ করোনায় কর্মহীন আর দু’দফা বন্যায় নিঃস্ব গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের মানুষের জন্য ফ্রি চিকিৎসা সেবা ও খাদ্য সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০০৭ সালের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর)  লুব্ধক ফাউন্ডেশনের সার্বিক তত্ত্বাবধানে সাঘাটা উপজেলার হলদিয়া ইউনিয়নের কালুর চরে নিরাপদ দূরত্ব মেনে শতাধিক মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়। একই সাথে প্রত্যেকের মাঝে হাইজিন কিডস হিসেবে জন্য মাস্ক দেয়া হয়। পরে তিনজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত¡াবধানে ফ্রি মেডিকেল ক্যা¤েপর আয়োজন করা হয়। এ সময় বিভিন্ন চর থেকে আসা মানুষের ফ্রি চিকিৎসা সেবা প্রদানের পাশাপাশি বিনামূল্যে ওষুধ বিতরণ করা হয়।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৪ সেপ্টেম্বর’২০/এসএএইচ

মধুখালীতে মধুমতির করাল গ্রাসে গ্রাম বাড়ী সড়ক

সাগর চক্রবর্ত্তী, ফরিদপুর : ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আ: রউফ এর বাড়ীসহ ওই এলাকার ১৫টি গ্রামের মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সি আব্দুর রউফ সড়কের গন্ধখালী এলাকার আলী মৃধা ও মো: মতিয়ার রহমান মোল্যার বাড়ীর সামনে একটি অংশ সম্পন্নভাবে মধুমতি নদীর ভাঙ্গনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে গেছে। সড়কটির রাজধরপুর দিলীপ ঘোষের বাড়ীর সামনেও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে মানুষের পায়ে হেটে চলাচল করা ছাড়া যানবাহনে করে চলাচল সম্পন্ন ভাবে বন্ধ হয়ে গেছে। বন্ধ হয়ে গেছে সকল প্রকার পণ্য আনা-নেওয়া। রউফ নগরে (সালামতপুর) গ্রামে অবস্থিত ‘বীরশ্রেষ্ঠ ন্যান্স নায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ গ্রন্থাগার ও স্মৃতি যাদুঘরটিতে দর্শনার্থীদের উপস্থিতি নাই।

সড়ক ভাঙ্গনের ফলে সেখানে যানবাহনের মাধ্যমে কোন দুরের দর্শনার্থী আসা-যাওয়া করতে পারছেন না বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন। ভাঙ্গন কবলীত এলাকা পার হয়ে গন্ধখালী, ফুলবাড়ী, দয়ারামপুর, সালামতপুর (রঊফনগর), চরসালামতপুর, চরকসুন্দী, কসুন্দী, গয়েশপুর, চরগয়েশপুর, জারজননগর, আড়পাড়া, বকসিপুর, সরবরাজ, চর পুকুরিয়া, শ্রীমন্তকান্দী। ফলে ওই এলাকার ১৫টি গ্রামের প্রায সাড়ে তিন হাজার লোকের দূর্ভোগের সীমা নেই। সড়কটি ভেঙ্গে যাওয়ার কারনে এই রাস্তা দিয়ে মানুষ বিভিন্ন যানবাহন ব্যবহার করে স্থানীয় কামারখালী বাজার, উপজেলা সদর এবং জেলা শহরে যাওয়া-আসা করে থাকেন। ওই এলাকার মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজে যাতায়ত করে সড়কটি দিয়ে । ওই এলাকার চাকুরীজীবিরা এই সড়টি দিয়ে উপজেলা জেলা সদরে অফিস করে থাকেন তারাও পড়েছে মহা সংকটে। সবচেয়ে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে কৃষকদের তারা মাথায় করে ছাড়া কোনো প্রকার বাহন ব্যবহারে তাদের কৃষি পণ্য বাজারে নিতে পারছেন না ফলে তারা অর্থের যোগান করতে পারছেন না। এলাকার কোনো রোগী যদি ইমারজেন্সি হাসপাতালে নিতে হয় তাহলে ভ্যান কিংবা গাড়ীর ব্যবস্থা বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।

মানুষের দূর্ভোগ সরেজমিনে এসে দেখে অতি তাড়াতাড়ি পথ চলা এবং যানবাহনের মাধ্যমে মানুষের চলাচলের ব্যবস্থা করার জন্য কামারখালী ইউনিয়নবাসী উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের সু-দৃষ্টি কামনা করেছেন। ভুক্তভোগী গ্রামগুলোর বাসিন্দা মো: মোশারফ মৃধা, মো: হিমায়েত মৃধা, মোঃ সিরাজ মৃধা, মো: সাহাদত মৃধা, মো: সাইদুর রহমান, মো: রউফ মৃধা, মো: দেলোয়ার সরদার, মো: কামরুল বিশ্বাস, মো: রজব, মো: কাইউম আলী, এস.এম.দাউদ সর্দার, মো: উজ্জ্বল, মো: আলম জানান রাস্তাটির ভাঙ্গার ফলে সদরে যেতে পারছি না আমাদের কৃষি পণ্য বাজারে বিক্রি করতে না পারায় আর্থিক কষ্টের মধ্যে বাস করছি। তারা কর্তৃপক্ষকে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য জোর দাবী জানান।এ ব্যাপারে কামারখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জাহিদুর রহমান বাবু জানান বিষয়টি নিয়ে আমি উপজেলা চেয়ারম্যানকে জানিয়েছি তিনি দ্রুত সড়কটি মেরামতের ব্যবস্থার আশ্বাস দিয়েছেন।নদী ভাঙ্গন সম্পর্কে ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন আমরা মধুমতি নদীতে কামারখালী হতে ভাটিয়াপাড়া পর্যন্ত স্থায়ীভাবে নদীকে ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষার জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছি। এটা বাস্তবায়নই আমাদের লক্ষ্য।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

সাবেক এমপি খোন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুলের ইন্তেকাল : জাতীয় পার্টির শোকবার্তা

রংপুর প্রতিনিধি : রংপুর থেকে প্রকাশিত দৈনিক দাবানলের সম্পাদক ও প্রকাশক বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুল আর নেই (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) দুপর পৌনে ১২টার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৮ বছর। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ডায়াবেটিস ও হৃদরোগে ভুগছিলেন। গত সোমবার (৩১ আগস্ট) শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুর পৌনে ১২টায় তিনি মারা যান। বাদ আসর নামাজের জানাযা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

তার মৃত্যুতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী মোস্তফা জামাল হায়দার ও মহাসচিব জাফরুল্লাহ খান চৌধুরী লাহোরি এক বিবৃতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, খোন্দকার গোলাম মোস্তফা বাটুলের মৃত্যুতে এক দেশপ্রেমিক রাজনীতিবিদকে হারালাম আমরা। তার রুহের মাগফেরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করছি । আল্লাহ তাদের পরিবারের সকলকে ধৈর্য ধরার তৌফিক দান করুক।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

পটুয়াখালীর গলাচিপায় পিস উইন্ডস -এর সেমিনার অনুষ্ঠিত

মু. হেলাল আহম্মেদ (রিপন), পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর গলাচিপায় পিস উইন্ডস জাপান (পিডব্লিউজে) এর উদ্যোগে উপজেলা অডিটরিয়ম হলরুমে বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টায় এক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আশীষ কুমার এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান মো. নিজাম উদ্দিন মোল্লা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ওয়ানা মার্জিয়া নিতু। আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার গোলাম মস্তফা, উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. অলিউল্লাহ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আরএসএম সাইফুল্লাহ, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা, উপজেলা পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. মাহবুব হাসান শিবলী, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা এস.এম দেলোয়ার হোসাইন, ডাকুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. বাদল খান, আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয় সভাপতি দিলীপ নারায়ন ভূঁইয়া, আটখালী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও গলাচিপা প্রেসক্লাবের সভাপতি সমিত কুমার দত্ত মলয়, সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ হোসেন মিল্টন, ঢাকা কমিউনিটি হাসপাতাল ট্রাস্টের প্রোগ্রাম ম্যানেজার সাদিয়া সামাদ মৌ, ডা. মো. নাজমুল হোসেন, গলাচিপা প্রকল্প অফিসার মো. হাসানুজ্জামান রতন, সুমাইয়া আক্তার, রিয়াদ আহম্মেদ, সেলিম হোসেন, মনোয়ার হোসেন সাইদুল প্রমূখ।
এ সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, পিস উইন্ডস জাপান (পিডব্লিউজে) বেসরকারী সংস্থা (এনজিও) যা দুর্দশাগ্রস্থ মানুষের সহায়তায় নিবেদিত এবং দারিদ্র্য দূরীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। ঘূর্ণিঝড় আম্পানে ক্ষতিগ্রস্থ হত দরিদ্রদের বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে ত্রাণ সহায়তা দিচ্ছে। তাদের এ ভূমিকা প্রশংসনীয় বলে জানান।
আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

ফুলবাড়ীতে উন্নত বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণে কৃষকদের প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত

মোস্তাফিজার রহমান (জাহাঙ্গীর), ফুলবাড়ী (কুড়িগ্রাম) : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে উন্নতমানের ধান, গম, পাট বীজ উৎপাদন সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় কৃষক পর্যায়ে প্রশিক্ষণ অনু্ষ্ঠিত হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় উপজেলার বড়ভিটা ইউনিয়নের ঘোগারকুটি গ্রামে বড়ভিটা ব্লকের কৃষকদের নিয়ে কৃষক পর্যায়ের এ প্রশিক্ষণ (কৃষক মাঠ স্কুল) অনু্ষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবাব ফারহান, বড়ভিটা ব্লকের উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল আলম সহ ওই ব্লকের কৃষাণ কৃষাণীগণ।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাবাব ফারহান জানান- উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বীজ উৎপাদনকারী কৃষক গ্রুপ তৈরী করার লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। কৃষকরা যেন নিজের প্রয়োজনীয় বীজ নিজেরাই উৎপাদন ও সংরক্ষণ করে নিজেদের জমিতে ব্যবহার করতে পারে।এর ফলে কৃষকরা যেমন স্বাবলম্বী হবে পাশাপাশি আমদানিকৃত হাইব্রিড জাতের উপড় নির্ভরতাও কমে আসবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশীদ জানান – সরকারের সরাসরি কৃষকের মাধ্যমে আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের ধান, গম,পাট বীজ উৎপাদন, সংরক্ষণ ও বিতরণ প্রকল্পের আওতায় অত্র উপজেলার ছয়টি স্পটে আধুনিক উচ্চফলনশীল জাতের ধানের বীজ উৎপাদন প্রদর্শনী করা হয়েছে। এখান থেকে প্রান্তিক কৃষকেরা সাশ্রয়ী মূল্যে উন্নতমানের বীজ পাবেন। পাশাপাশি নতুন এ জাতগুলো স্বল্প মেয়াদি হওয়ায় কৃষকেরা অনায়াসে তাদের জমিতে রবিশস্য চাষাবাদ করতে পারবেন। আধুনিক এ জাতগুলো ব্যবহারে জাতীয় খাদ্য ভান্ডার সমৃদ্ধ হওয়ার পাশাপাশি কৃষকরাও একই জমিতে বারবার ফসল ফলিয়ে অধিক লাভবান হবেন বলেও জানান তিনি।

 

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডএন

শ্রীপুরে নিরাপত্তা চেয়ে দুই কন্যা সন্তানসহ শিক্ষিকার সংবাদ সম্মেলন

আলমগীর হোসেন, শ্রীপুর (গাজীপুর) : গাজীপুরের শ্রীপুরে ফারজানা ইয়াসমিন নামে এক শিক্ষিকা দুই শিশু সন্তান সাথে নিয়ে নিরাপত্তা চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। ওই নারী উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের টেংরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। বৃহষ্পতিবার দুপুরে টেংরা এলাকায় তার বসত বাড়িতে সংবাদ সম্মেলন করে নিরাপত্তার আকুতি জানান।

তিনি সংবাদ সম্মেলনে চার যুবককে অভিযুক্ত করে নিরাপত্তার দাবী তোলেন। যুবকেরা হল শ্রীপুর পৌর শহর এলাকার কবির হোসেনের ছেলে হোসাইন আলী বাবু, ভাংনাহাটী গ্রামের মৃত শাহিদ আলীর ছেলে রাশেদুল হাছান, গোসিংগা গ্রামের রাজিব প্রধান ও বিন্দুবাড়ি গ্রামের আব্দুল মতিনের ছেলে রফিকুল ইসলাম।

সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত রাশেদুল হাছানের সাথে ওই শিক্ষিকার এক যুগ সংসার করার পর (বিবাহ বিচ্ছেদ) ডিভোর্স হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের দুটি কন্যা সন্তান জন্মগ্রহণ করে। ওই দুটি সন্তান নিয়ে তিনি পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছিলেন। কন্যা সন্তান হওয়ায় এবং যৌতুকের দাবীতে তাকে ডিভোর্সের আগে নানাভাবে নির্যাতন করে আসছিল রাশেদুল হাছান। এক পর্যায়ে ভিন্ন নারীর সাথে যোগাযোগ করে অনৈতিক সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। এসব বিষয় নিয়ে ওই শিক্ষিকার বাবা শ্রীপুর থানায় গত বছরের মে মাসে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন।

এদিকে, ওই মামলা প্রত্যাহারের জন্য অভিযুক্ত হোসাইন আলী বাবু নানা সময় নানা কায়দায় ভয়-ভীতি ও হুমকি দিতে থাকে। শিক্ষিকার স্বামীকে সংসারে ফিরে পেতে সহায়তার কথা বলে তার কাছে ২ লাখ টাকা চাঁদাও দাবী করে। অন্যথায় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে বদনাম রটিয়ে সংবাদ প্রচারের হুমকি দেয়। করোনা প্রাদুর্ভাবের আগে সে স্বামী-স্ত্রীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মানহানির উদ্দেশে তাঁর কর্মস্থল টেংরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে ক্যামেরা তাক করে তাকে নানা উদ্ভট ও আপত্তিকর প্রশ্নের জবাব দিতে বাধ্য করে। এতে বিদ্যালয়ে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। পরে স্থানীয় অভিভাবকেরা এগিয়ে আসলে সে ক্যামেরাসহ পালিয়ে যায়। তার বিরুদ্ধে ঢাকা মেট্রোপলিটন (ডিএমপি’র) কোতয়ালী থানা, গাজীপুরের শ্রীপুর থানাসহ বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা ও সাধারণ ডায়েরী রয়েছে। এতোকিছুর পরও গত ১৭ জুলাই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে টেংরা-মাওনা সড়কে শিাক্ষকার বাড়ির পাশে পথরোধ করে। এসময় অভিযুক্তরা তাকে টেনে হিঁচড়ে একটি প্রাইভেটকারে তোলে নিতে চেষ্টা করে। এক পর্যায়ে তারা শ্লীলতাহানির চেষ্টা, টানা হেঁচড়ার ছবি এবং ভিডিওচিত্র ধারণ করে। অভিযুক্তরা সঙ্ঘবদ্ধভাবে এসব অপকর্মে যুক্ত থাকে বলে তিনি অভিযোগ করেন। শিক্ষকের বড় ভাই আক্তার মাস্টারকে জড়িয়ে একের পর এক মিথ্যা মামলায় দিয়ে হয়রানি করছে এবং সাজানো মামলায় ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত হোসাইন আলী বাবু বলেন, তাকে হেনস্তা করা এবং ফাঁসানের চেষ্টা চলছে। কাউকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর কোনো চেষ্টা তিনি করেননি।

শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার ইমাম হোসেন বলেন, এ ঘটনায় পরষ্পরবিরোধী মামলা, সাধারণ ডায়েরী (জিডি) ও অভিযোগ রয়েছে। শিক্ষকের রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তাহীনতার কোনো ঘাটতি নেই। নিরাপত্তাহীনতা অনুভব করলে পুলিশ আইন অনুযায়ী নিরাপত্তা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। শিক্ষকের দায়ের করা অভিযোগটির সত্যতা না পাওয়ায় মামলা রুজু হয়নি।

আলোকিত প্রতিদিন/৩ সেপ্টেম্বর-২০২০/জেডিএন

টাঙ্গাইলে দু’টি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত

সবুজ সরকার, টাঙ্গাইল : ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরো তিনজন। টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার আনালিয়াবাড়ি এলাকায় বৃহস্পতিবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এদিকে দুর্ঘটনার পরে মহাসড়কে কিছু সময়ের জন্য যানজট লাগে। নিহত চালকের নাম নয়ন মিয়া (২২) চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার রশিদনগরের তরকিুল ইসলামের ছেলে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আয়বুর রহমান বলেন, সকাশ ১০ টার দিকে উত্তরবঙ্গগামী একটি ট্রাক ঘটনাস্থলে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা ঢাকাগামী অপর ট্রাকের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই উত্তরবঙ্গগামী ট্রাকের চালক নিহত হন। আহত তিন জনকে আহতদের টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। ট্রাক দু’টি থানা হেফাজতে আছে।