আজ শুক্রবার, ১৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ ।   ৩ জুলাই ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
Home Blog Page 252

সাতকানিয়ায় বিএনপি’র গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ

নুরুল ইসলাম:-
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে চট্টগ্রাম সাতকানিয়ায় গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১৮ অক্টোবর শনিবার বিকেলে সাতকানিয়া পৌরসভার ২নং ওয়ার্ডে অনুষ্ঠিত এ কর্মসূচিতে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষের পক্ষে জনসমর্থন বৃদ্ধি ও দলের ঘোষিত রাজনৈতিক দিকনির্দেশনা জনগণের মাঝে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য তুলে ধরা হয়।
কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন চট্টগ্রাম–১৫ (সাতকানিয়া–লোহাগাড়া) আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী, মানুষের প্রাণপ্রিয় নেতা, চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপি’র যুগ্ম আহ্বায়ক, সাতকানিয়া উপজেলা বিএনপি’র সদ্য সাবেক আহ্বায়ক, বারবার কারানির্যাতিত জননেতা আলোজ্বলা জামাল হোসেন।
তিনি বলেন,
“তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, আইনের শাসন ও মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে বিএনপি জনগণকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করছে।”
গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণে আরও উপস্থিত ছিলেন— জেলা বিএনপি’র সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক আহমদুল হক সিকদার, সাবেক ছাত্রনেতা মোহাম্মদ আকবর হোসেন, উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আরমান চেয়ারম্যান, পৌর বিএনপি নেতা মোহাম্মদ রফিক, মোহাম্মদ জয়নাল আবেদীন, মোহাম্মদ হোসেন, মোহাম্মদ শাহাজাহান, মোনায়েন হোসেন, ইফতেখার মোস্তফা সম্রাট, বশির আহমদ, ছাদেক আহমদ, নাসির উদ্দীন, জাহাঙ্গীর আলম, পৌর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, ছৈয়দ হোসেন, মোহাম্মদ সাব্বির, ইকবাল হোসেন রুবেল, আনিসুর রহমান আনাস, আবু সাঈদ রাসেল, মীর মোহাম্মদ আসিফ, আজিমুর রহমান আজিম, মোহাম্মদ আরফাত, আবদুল আজিজ, হেলাল উদ্দিন প্রমুখ।
এইছাড়া পৌরসভা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন।
স্থানীয় জনপদে বিএনপি’র এই ধারাবাহিক কর্মসূচি জনগণের মধ্যে নতুন উৎসাহ ও প্রত্যাশার সঞ্চার করেছে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

সত্যি বলতে আমি নিজেও ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম: চিরঞ্জিত চক্রবর্তী

বিনোদন ডেস্ক:

দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তে বহু সিনেমায় শুটিং করেছেন ওপার বাংলার অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতাও হয়েছে তার। তবে কখনো কি ভূতের ভয় পেয়েছেন অভিনেতা? ভূত চতুর্দশীতে নিজের বাড়িতে কাটানো এক ভয়ঙ্কর রাতের কাহিনি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। জীবনে প্রথম এমন অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছিল তার।

এমনিতে নাকি কোনো কিছুতেই তেমন ভয় নেই চিরঞ্জিতের। তবে নিজের পরিচালিত সিনেমা ‘ভয়’-এর শুটিংয়ের সময়ে কিছু দৃশ্যে খানিক থমকে গিয়েছিলেন অভিনেতা। দেবশ্রী রায়, সৌমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তীর মতো অভিনেতাদের নিয়ে সেই সময়ে পুরোদমে শুটিং চলছিল। হঠাৎ খানিক কেঁপে উঠলেন চিরঞ্জিত।

তিনি বলেন, ‘জমিয়ে শুটিং চলছিল তখন। হঠাৎ একটা জানলা খোলার দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়ে বদলে গেল চারিদিক। সত্যি বলতে আমি নিজেও ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম কিছুক্ষণের জন্য। মনে মনে অবশ্য সেই সময় ভয়ের থেকেও আনন্দ হচ্ছিল এটা ভেবে যে দর্শকেরও নিশ্চয়ই একই অনুভূতি হবে।’

তার কথায়, ‘আমার ফ্ল্যাটে একবার অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। স্ত্রী সেই সময়ে সম্ভবত বাপের বাড়ি গিয়েছিল। আমি একা একই বাড়িতে দুটো ফ্লোরে দুটো ফ্ল্যাট আমার। সে দিন রাতে ছবি আঁকার জন্য উপরের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলাম। চারপাশ একদম শান্ত হাতে সেরকম কোনও কাজও নেই কিন্তু কিছুক্ষণ থাকার পরেই গা ছমছম করতে শুরু করল। মনে হচ্ছিল কিছুতেই এখানে থাকাটা ঠিক হচ্ছে না। কিছু একটা ব্যাপার নিশ্চয়ই আছে।’

চিরঞ্জিত বলেন, ‘তারপর থেকেই অদ্ভুত একটা আওয়াজ শুরু হয়। কিছুতেই সেই দিন কাজটা আর করতে পারলাম না। সত্যি বলতে সিচুয়েশনটা থেকে পালিয়ে এসেছিলাম। বার বার মনে হয়েছিল ঘরের ভিতরে দ্বিতীয় কেউ রয়েছে কিছু একটা তো হচ্ছে।’

এমনিতে ঘরের ভিতর খুটখাট শব্দ হলে তিনি ভাবেন, হয়তো ইঁদুর দৌড়াচ্ছে। কিন্তু ওই দিনের ব্যাপারটা একটু সিরিয়াস হয়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘নীচের ফ্ল্যাটে যেহেতু থাকি তাই ওই জায়গাটার সঙ্গে একটা কমফোর্ট জোন তৈরি হয়েছে। কিন্তু সে দিন বেডরুম থেকে দরজা খুলে দেখারও সাহস হচ্ছিল না।’

আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামে মামুন সভাপতি, শামীম সম্পাদক

সাইফুল ইসলাম সবুজ:
টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামের নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে। দ্বি-বার্ষিক কমিটিতে ইনডিপেনডেন্ট টিভির টাঙ্গাইল প্রতিনিধি মো. মামুনুর রহমান সভাপতি এবং যমুনা টেলিভিশনের স্টাফ করেসপনডেন্ট শামীম আল মামুন সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।
শনিবার রাতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের শাহীন স্মৃতি পাঠাগার মিলনায়তনে এ কমিটি গঠিত হয়। আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার কাজী জাকেরুল মওলার সভাপতিত্বে এক সাধারণ সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- সহ সভাপতি বিজয় টেলিভিশনের মো. আবু জুবায়ের উজ্জল, সময় টিভির কাদির তালুকদার, ডিবিসি নিউজের সোহেল তালুকদার ও এসএ টিভির আহমেদ রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চ্যানেল ২৪ এর মো. মাসুদ রানা, দীপ্ত টিভির সুমন খান বাবু, দেশ টিভির অভিজিত ঘোষ, কোষাধ্যক্ষে জিটিভির মো. সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদকে এটিএন নিউজের নওশাদ রানা সানভি, সাহিত্য সম্পাদক পদে গেøাবাল টিভির রুমি আক্তার পলি, ক্রিয়া সম্পাদক পদে এখন টিভির কাউসার আহমেদ,  দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাগরিক টিভির আব্দুল্লাহ আল নোমান ।
এছাড়াও কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা হলেন, চ্যানেল আইএর মো. মুসলিম উদ্দিন আহমেদ, বাংলা টিভির মো. হাবিবুল্লাহ কামাল, একুশে টিভির কাজী তাজ উদ্দিন রিপন, মোহনা টেলিভিশনের আনোয়ার হোসেন টুটুল ও আনন্দ টিভির মেহেদি হাসান মৃদুল ।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

স্ত্রী আর্থিকভাবে স্বা*বলম্বী হলে ভরণপোষণ চাইতে পারবেন না!

আলোকিত ডেস্ক, আদালত পর্যবেক্ষণ করে মন্তব্য করেছে, স্থায়ী ভরণপোষণ বা পার্মানেন্ট অ্যালিমনি মূলত সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি ব্যবস্থা। আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সমতা আনার বা বিত্তশালী হওয়ার হাতিয়ার নয়। ভারতের আইনি সংবাদ ওয়েবসাইট বার অ্যান্ড বেঞ্চ-এর প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।

 

বিচারপতি অনিল ক্ষেত্রপাল এবং বিচারপতি হরিশ বৈদ্যনাথন শঙ্কর সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ বলেছেন, আইন অনুযায়ী ভরণপোষণ দাবি করা ব্যক্তিকে অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তিনি সত্যিই আর্থিক সহায়তা পাওয়ার মতো অবস্থায় আছেন। রায়ে আরও বলা হয়, হিন্দু ম্যারেজ অ্যাক্টের ধারা ২৫ অনুযায়ী বিচারিক ক্ষমতা এমনভাবে ব্যবহার করা যাবে না যাতে আর্থিকভাবে স্বনির্ভর আবেদনকারীকে অ্যালিমনি দেওয়া হয়। এই ক্ষমতা অবশ্যই সঠিকভাবে এবং বিচক্ষণতার সঙ্গে প্রয়োগ করতে হবে। উভয় পক্ষের আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে এবং আবেদনকারীর প্রকৃত আর্থিক দুর্বলতার প্রমাণ না থাকলে তা দেওয়া যাবে না।

 

স্বামী আইনজীবী এবং স্ত্রী ভারতীয় রেলওয়ে ট্রাফিক সার্ভিস কর্মকর্তা। গত ২০১০ সালের জানুয়ারিতে বিয়ে করেন তাঁরা। এর আগে তাঁদের দুজনেরই বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। এই বিয়ের মাত্র ১৪ মাসের মধ্যেই আলাদা হয়ে যান তাঁরা। স্বামী অভিযোগ করেন, স্ত্রী তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন। অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেছেন, অপমানজনক মেসেজ পাঠান, দাম্পত্য অধিকার অস্বীকার এবং পেশাগত ও সামাজিকভাবে অপদস্থ করেছেন। অন্যদিকে স্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের পাল্টা অভিযোগ আনেন।

ফ্যামিলি কোর্ট তাদের রায়ে বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুর করে এবং উল্লেখ করে যে স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হওয়ার শর্ত হিসেবে ৫০ লাখ রুপি আর্থিক সমঝোতা দাবি করেছিলেন। এই দাবি তিনি নিজেই হলফনামা ও জেরা চলাকালীন স্বীকার করেছেন।হাইকোর্টও এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত হন এবং বলেন এতে হস্তক্ষেপের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।

বেঞ্চ বলেন, ‘ফ্যামিলি কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে ভিত্তিহীন বা অযৌক্তিক বলা যায় না। আপিলকারীর (স্ত্রীর) এই মনোভাবের একটি সুস্পষ্ট আর্থিক দিক ছিল। বরং আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে এটি ছিল একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।’হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, স্ত্রী তাঁর স্বামী এবং তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে ‘অবমাননাকর ভাষা’ ব্যবহার করেছিলেন। এমনকি স্বামীকে ‘অবৈধ সন্তান’ বলে আখ্যা দেন, যা আদালতের মতে মানসিক নির্যাতনের শামিল। শেষ পর্যন্ত আদালত স্থায়ী ভরণপোষণ বা পার্মানেন্ট অ্যালিমনি দেওয়ার আবেদন নাকচ করে দেয়। কারণ হিসেবে আদালত উল্লেখ করে, ওই নারী একজন সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা। তিনি ভালো বেতন পান এবং আর্থিকভাবে সাবলম্বী তিনি।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

রূপগঞ্জে ছাত্র ব*লাৎকারে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ 

রিপন পাল:
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের আধুরিয়া ইসলামীয়া দাখিল মাদ্রাসার তিন ছাত্রকে বলাৎকারে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনের(২২) শাস্তির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের আধুরিয়া এলাকা অবরোধ করে রাখা হয়। গতকাল ১৯অক্টোবর রবিবার বেলা ১১টার দিকে মাদ্রাসার ছাত্র, অভিভাবক, এলাকাবাসী সড়কের উপর গাছের গুড়িঁ ও বাঁশ ফেলে অবরোধ করে রাখে। অবরোধে সড়কের উভয়দিকে ৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়ে দূরপাল্লার যানবাহন চালক ও যাত্রীরা। খবর পেয়ে দুপুর ১টার দিকে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো: সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার(ভ‚মি) মো: তারিকুল আলম ও রূপগঞ্জ থানা ওসি মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম উপস্থিত হয়ে অভিযুক্ত শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভকারীরা অবরোধ তুলে নেয়।
পুলিশ জানায়, রূপগঞ্জ উপজেলার আধুরিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার নূরানী বিভাগের ছাত্রকে(১০) বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনকে(২২) গত ১৮অক্টোবর শনিবার রাত ১১টায় গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করে এলাকাবাসী। মোহাম্মদ হোসেন কুমিল্লা জেলার হোমনা থানার বাসিন্দা ও ওই মাদ্রাসার শিক্ষক। বলাৎকারের শিকার ছাত্রকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, আধুরিয়া ইসলামিয়া তাহফিজুল কোরআন মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন গত ১৮অক্টোবর শনিবার সন্ধ্যায় একই মাদরাসার নূরানী শাখার এক ছাত্রকে কৌশলে বলাৎকার করেন। বলাৎকারের শিকার শিক্ষার্থী রাতে বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানায়। পরে পরিবারের সদস্যরা এলাকাবাসীকে সঙ্গে নিয়ে মাদ্রাসায় উপস্থিত হয়ে অন্য ছাত্রদের সঙ্গে কথা বলে ঘটনার সত্যতা পান।
একপর্যায়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে মাদ্রাসার শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেন শনিবারের বলাৎকারের ঘটনা সহ এর আগে অপর দুই ছাত্রকে একই কায়দায় বলাৎকারের কথা স্বীকার করেন। এসময় উত্তেজিত এলাকাবাসী শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনকে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ উপস্থিত হলে উত্তেজিত জনতা শিক্ষককে পুলিশে সোপর্দ করে। এ ব্যাপারে বলাৎকারের শিকার ছাত্রের পিতা ইয়ার আহম্মেদ বাদী হয়ে শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনকে আসামী করে রূপগঞ্জ থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মাদ্রাসার অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম সিরাজীর সঙ্গে যোগাযোগ করে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নিরঞ্জন দাস বলেন, বলাৎকারের অভিযোগে শিক্ষক মোহাম্মদ হোসেনকে গ্রেফতার দেখিয়ে নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। বলাৎকারের শিকার ছাত্রকে ডাক্তারী পরীক্ষার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোখলেছুর রহমান বলেন, পুরো ঘটনা তদন্ত করে ঘটনার সঙ্গে কারা কারা জড়িত ওই মাদ্রাসায় অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বলাৎকারের শিকার হয়েছে কিনা সার্বিক বিষয় তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

বুলেটপ্রুফ গাড়ির অনুমোদনের পর আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন বিএনপির!

বিশেষ প্রতিনিধি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য নতুন বিশেষ ডিজাইনের বুলেটপ্রুফ মিনিবাস কিনছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও আনা হচ্ছে বুলেটপ্রুফ জিপ গাড়ি। তবে কী ধরনের বা কোন মডেলের গাড়ি আনা হচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিএনপির পক্ষ থেকে এই দুটি গাড়ি কেনার বিষয়ে সরকারকে চিঠি দেওয়ার পর সেটির অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে গত ৬ অক্টোবর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিএনপির পক্ষ থেকে প্রায় পাঁচ মাস আগে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্য বুলেটপ্রুফ গাড়ি কেনার বিষয়ে নথি পাঠানো হয়েছিল।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতা জানিয়েছিলেন, ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের ইতি টেনে খুব শিগগিরই দেশে ফিরবেন তারেক রহমান। তবে এখনো দিনক্ষণ ঠিক হয়নি। বিএনপির একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, নির্বাচন কমিশন যখন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে, তখন দেশে আসার তারিখ নির্ধারণ করতে পারেন তারেক রহমান। তবে বিএনপি যেভাবে চাইবে, সেভাবে তার জন্য সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে সরকার।

এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর  বলেন, ‘সিএসএফের ক্যাপাসিটি নিয়ে আমি মোটেই সন্তুষ্ট না। তাদের সে রকম নিরাপত্তা দেওয়ার সক্ষমতা আছে কি না, তা নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্দিহান। উনি (তারেক রহমান) দেশে এলে তো বাসায় বসে থাকবেন না। আগামী নির্বাচনে উনাকে সারা বাংলাদেশ চষে বেড়াতে হবে। বাংলাদেশ এত জনাকীর্ণ এলাকা, জ্যাম—এটা চিন্তা করেই উনার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি। নিরাপত্তাব্যবস্থা যত দূর সম্ভব নিশ্ছিদ্র করার চেষ্টা করছি। দেশে ফেরার পর তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বুলেটপ্রুফ গাড়ির অনুমতি সাধারণত দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি দূতাবাস, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের। রাজনৈতিক দলের জন্য এ ধরনের অনুমতি খুব কমই দেওয়া হয়েছে অতীতে।

সাধারণত বেসরকারিভাবে কেউ বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানি করতে পারেন না। সরকারিভাবে আনা হয় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কারো ব্যবহারের জন্য। জাপান, কানাডা ও জার্মানি থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনা হয়। বুলেটপ্রুফ গাড়ি কিনতে খরচ হয় ২ লাখ ডলার (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা হিসেবে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা)। ৮০০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আনতে গেলে খরচ পড়বে প্রায় ২২ কোটি টাকা লাগবে।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়!

তৌহিদুল ইসলাম, সরকারআসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আনোয়ারুল মোমেন (এসবিপি, ওএসপি, আরসিডিএস, পিএসসি) নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।’রবিবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নান্দাইল ডিজিটাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।’ সভায় সভাপতিত্ব করেন নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোখলেছুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক নোমানী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আবু তাহের সিদ্দিক,  সাবেক মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,এবং মোঃ রানা প্রমুখ।’ এছাড়াও নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সকল সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।’ মতবিনিময় সভায় মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন তাঁর সম্ভাব্য নির্বাচনী ইশতেহারে তিনটি মূল বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন- শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি।’ তিনি বলেন, “একটি দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে দেশের যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। মাদকাসক্তি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মতো সর্বনাশা পথ থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।

সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতির বৃহত্তর অংশ কৃষিনির্ভর, তাই কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।’এ সময় তিনি নান্দাইলের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিকেন্দ্রীকরণে অগ্রাধিকার দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, “আগামীর নান্দাইল হবে মাদকমুক্ত, জুয়ামুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সাংবাদিক সমাজের সহযোগিতা অপরিহার্য। মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন,  “আমাকে ‘স্যার’ নয়, আপনাদের বন্ধু বা ভাই ভাবতে পারেন। স্যার বলে আমাকে দূরে ঠেলে দেবেন না।’

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে যদি আমি মনোনয়ন পাই, তবে নান্দাইলের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে নান্দাইলবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করব। উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ নান্দাইল গড়াই আমার অঙ্গীকার।

আলোকিত প্রতিদিন/এপি

যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভে লাখো মানুষ রাস্তায়

আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি এবং কর্তৃত্ববাদী শাসনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। “নো কিংস” নামের এই আন্দোলনে নিউইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস পর্যন্ত লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।

ট্রাম্পবিরোধী এই বিক্ষোভকে দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, মায়ামি এবং লস অ্যাঞ্জেলেসসহ দেশজুড়ে লাখো মানুষ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল থেকেই শুরু হওয়া এই “নো কিংস” আন্দোলন দ্রুতই জনস্রোতে পরিণত হয়।

নিউইয়র্কের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে সকালেই হাজারো মানুষ জড়ো হন। রাস্তাঘাট এবং সাবওয়ের প্রবেশমুখও ছিল উপচে পড়া ভিড়ে পরিপূর্ণ। অনেকেই হাতে প্ল্যাকার্ড ধরে রেখেছিলেন। এর মধ্যে ‘গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র নয়’ এবং ‘সংবিধান ঐচ্ছিক কোনও বিষয় নয়’ লেখা পোস্টারও ছিল।

বিক্ষোভ শুরুর আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরা অভিযোগ তুলেছিলেন, এসব প্রতিবাদ-বিক্ষোভে বামপন্থি ‘অ্যান্টিফা’ যুক্ত। এমনকি তারা এই বিক্ষোভকে “হেইট আমেরিকা র‍্যালি” বলেও আখ্যা দেন।

তবে অংশগ্রহণকারীরা জানান, সারাদিনের সব কর্মসূচিই ছিল শান্তিপূর্ণ। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘নো কিংস’ আন্দোলনের মূল নীতি হলো অহিংসা এবং অংশগ্রহণকারীদের সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানো।

নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এনওয়াইপিডি) জানায়, শহরে এক লাখেরও বেশি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। টাইমস স্কোয়ারের এক পুলিশ সদস্যের হিসাবে, অন্তত ২০ হাজার মানুষ সেভেন্থ অ্যাভিনিউতে মিছিল করেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লেখক ও সম্পাদক বেথ জাসলফ বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের স্বৈরাচারী প্রবণতা আমাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং ক্ষুব্ধ করেছে। আমি নিউইয়র্ককে ভালোবাসি। এত মানুষের সঙ্গে এখানে থাকতে পেরে ভালো বোধ করছি।”

বিবিসি বলছে, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই নির্বাহী ক্ষমতা চর্চায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি কংগ্রেস অনুমোদিত তহবিল আটকে দিয়েছেন, ফেডারেল প্রশাসনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে দিয়েছেন, অন্য দেশের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছেন এবং গভর্নরদের আপত্তি সত্ত্বেও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন।

ট্রাম্পের দাবি, তার এসব পদক্ষেপ দেশকে পুনর্গঠনের জন্য জরুরি। তিনি একনায়ক বা ফ্যাসিস্ট হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব ‘উন্মাদ দাবি’। তবে সমালোচকদের মতে, তার কিছু পদক্ষেপ সংবিধানবিরোধী এবং যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

নিত্যপণ্যের বাজার আবারও উত্তপ্ত,নিম্নবিত্তের মতো মধ্যবিত্তরাও বেকায়দায়

মোঃ আনোয়ার হোসেন:
আবার হঠাৎ করেই আবার নিত্যপণ্যের বাজার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরবরাহ থাকলেও বাজারে পণ্যের দামে লাগা আগুন এখন নিত্য নৈমিত্তিক। এতে সাধারণ মানুষের জীবন দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। উচ্চমূল্যের কারণে তারা সাধ্যের মধ্যে মাছ-মাংস কিনতে পারছেন না। পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ভরসা ছিল ডিম, এখন তারও দাম বেড়েছে। ক্রমবর্ধমান দামের চাপে নিম্নবিত্তের মতো মধ্যবিত্তরাও পড়েছেন বেকায়দায়।
 কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ, মৌসুমি ঘাটতি বা পরিবহন সংকট দেখা দিলেই সরবরাহে বিঘ্ন ঘটে। এই অস্থিরতার বড় কারণ হলো মধ্যস্বভূগীরা। এ ছাড়া ডলারের উচ্চ বিনিময় হারও দামের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। কারণ ডাল, ভোজ্যতেল, মসলা ও কিছু ফল আমদানি নির্ভর। তাই ডলারের দাম বাড়লে এ সব পণ্যের ও দাম বাড়ে। কিন্ত এদের বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ব্যবস্থা খবই সীমিত। নবীনগর সদর বাজারের বিভিন্ন দোকান ঘুরে দেখা যায়- শাক-সবজি, চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, রসুন, মসলা, সবজি, ডিম, মুরগি ও মাছের দাম একেক দোকানে একেক রকম। কোনো নির্দিষ্ট দামের নিশ্চয়তা নেই।
সবজির বাজারে এখন প্রতিদিনই এমন অস্থিরতা দেখা যাচ্ছে। চালের দামও অসহনীয়। মোটা চাল কেজিতে ৬০ টাকা, আর সরু চালের দাম ৯০ টাকা। মসুর ডালের কেজি এখন ১৬০ ১৬৫ টাকা। অন্যদিকে ডিমের দাম কিছুদিন কম থাকলেও আবার বাড়তে শুরু করেছে, প্রতি হালি ৫০ টাকা। ব্রয়লার মুরগির দামও স্থিতিশীল নয়, প্রায়ই ওঠানামা করছে। সবজির বাজারে দামের উত্তাপ লেগেই আছে কমছে না। বাজারে প্রতি কেজি করলা ৯০ টাকা, প্রতি কেজি বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, ধুন্দুল ও কাঁকরোল প্রতি কেজি ৮০ টাকা করে। শসা বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকায়, পটল ৮০ টাকায়। এছাড়া প্রতি কেজি পেঁপে ৩৫ টাকা, প্রতি পিস লাউ ৮০/৯০ টাকা, মলা ৮০ টাকা, টমেটো ১৪০ টাকা, গোল বেগুন ১৪০ টাকা, লম্বা বেগুন ১০০ টাকা, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৫০ টাকা, ঢেড়স ৮০ টাকা, কচুর ছরা ৫০ টাকা এবং গাজর প্রতি কেজি ১৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাছ- মুরগির দোকানেও একই পরিস্থিতি। সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০/৫০ টাকা। বাজারে প্রতি কেজি চাষের রুই ও কাতলা বিক্রি হচ্ছে ৩৫০-৪৫০ টাকায়। তেলাপিয়ার (বড়) দাম প্রতি কেজি ২৩০/২৬০ টাকা, আর পাঙাশের দাম ১৮০ থেকে ২৫০ টাকায়। চাষের চিংড়ির কেজি ৬৫০/৭০০ টাকা, এবং নদীর চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ১০০০/১২০০ টাকায়। বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭০/১৮০ টাকায়। সোনালি জাতের মুরগির দাম প্রতি কেজি ৩৫০/৩৭০ টাকা। ফার্মের ডিম প্রতি ডজন ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। গরুর মাংস প্রতি কেজি ৭৫০/৮০০ টাকা, আর খাসির মাংসের দাম ১২৫০ টাকা।

আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

 

– Advertisement –

অজুহাত দিতে চান না ক্যারিবীয় অধিনায়ক

ক্রীড়া ডেস্ক:

ঘরের মাঠে যেকোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বাংলাদেশ সবসময় ফেভারিটের কাতারে থাকে। নিজেদের মাটিতে তুলনামূলক নিয়মিত পারফর্মও করেন ক্রিকেটাররা। যদিও সবশেষ কয়েকটি ওয়ানডে সিরিজ ব্যাটারদের অধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ দল নিজেদের হারিয়ে খুঁজছিল। সেই দুর্দশা কাটানো এবং র‌্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৭৪ রানে হারিয়েছে মেহেদী মিরাজের দল।

ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মিরপুরের উইকেটকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না বলে জানিয়েছেন সফরকারী অধিনায়ক শাই হোপ, ‘স্পিনারদের জন্য সাহায্য ছিল উইকেটে। রিশাদ দারুণ লাইন এবং লেংথে বল করেছে। ফলে তাকে খেলাটা কঠিন ছিল আমাদের জন্য। ব্যাটাররা এমন স্পিন উইকেটে সংগ্রাম করেছে। তবুও দুই ওপেনার দারুণ শুরু এনে দিয়েছিল। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন ছিল। সহজ ছিল  স্পিনারদের জন্য।’

কন্ডিশন অনুযায়ী মানিয়ে নিয়ে ভুল শোধরাতে চান এই ক্যারিবীয় তারকা, ‘আমি শুধু বলব চ্যালেঞ্জিং ছিল। ব্যাটার হিসেবে কাজটা সহজ নয়। অবশ্যই তাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে। ভালোভাবে কন্ডিশন কাজে লাগিয়েছে। ব্যাটাররা নিজেদের কাজ করেছে। তাদের ওপর আমাদের বিশ্বাস আছে, তারা কাজটা করতে পারবে। শুরুটা যেভাবে ভালো করলাম এরপর আমরা খেই হারিয়েছি, এমনটা চাইনি। চেয়েছিলাম শুরুর ভালোটা ধরে রাখতে। চেষ্টা করব দ্বিতীয় ম্যাচে যেন এমন ভুল না হয় এবং সিরিজে ফিরতে পারি।’

টানা ম্যাচ খেলা এবং ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে হোপের অভিমত, ‘সবজায়গাতেই চ্যালেঞ্জ আছে। ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাট, ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে খেলা আমার জন্য কঠিন। অনেকে ক্যারিবিয়ান থেকে এসে এখানে খেলছে। ফলে রিকভারির ব্যাপার থাকে। খারি (পিয়েরে) দারুণ ধারাবাহিক ছিল। হয়তো ফাইফার পায়নি, তবে বেশ ভালো করেছে। সে সিপিএলেও উজ্জ্বল ছিল। আশা করি ওয়ানডে ফরম্যাটে আমরা দ্রুতই ফিরবে।’

উভয় দলকে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার ছিল বলে মনে করেন হোপ। একইসঙ্গে এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় উইন্ডিজ দলনেতার কণ্ঠে, ‘সারফেস চ্যালেঞ্জিং ছিল। ব্যাট করাটা দুই দলের জন্যই কঠিন ছিল। মাঝে তো আর পিচ পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশি স্পিনাররা লাইন-লেংথে দারুণ ধারাবাহিক ছিল। ফলে আমাদের কাজটা কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের পরের ম্যাচে আরও নিখুঁত হয়ে এসে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে।’

আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম