বিশেষ প্রতিনিধি, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার জন্য নতুন বিশেষ ডিজাইনের বুলেটপ্রুফ মিনিবাস কিনছে বিএনপি। একই সঙ্গে দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও আনা হচ্ছে বুলেটপ্রুফ জিপ গাড়ি। তবে কী ধরনের বা কোন মডেলের গাড়ি আনা হচ্ছে, তা এখনো জানা যায়নি। বিএনপির পক্ষ থেকে এই দুটি গাড়ি কেনার বিষয়ে সরকারকে চিঠি দেওয়ার পর সেটির অনুমোদন দিয়েছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
সাতকানিয়ায় বিএনপি’র গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ
সত্যি বলতে আমি নিজেও ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম: চিরঞ্জিত চক্রবর্তী
বিনোদন ডেস্ক:
দেশ-বিদেশের নানা প্রান্তে বহু সিনেমায় শুটিং করেছেন ওপার বাংলার অভিনেতা চিরঞ্জিত চক্রবর্তী। বিভিন্ন ধরনের অভিজ্ঞতাও হয়েছে তার। তবে কখনো কি ভূতের ভয় পেয়েছেন অভিনেতা? ভূত চতুর্দশীতে নিজের বাড়িতে কাটানো এক ভয়ঙ্কর রাতের কাহিনি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে শেয়ার করেছেন। জীবনে প্রথম এমন অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছিল তার।
এমনিতে নাকি কোনো কিছুতেই তেমন ভয় নেই চিরঞ্জিতের। তবে নিজের পরিচালিত সিনেমা ‘ভয়’-এর শুটিংয়ের সময়ে কিছু দৃশ্যে খানিক থমকে গিয়েছিলেন অভিনেতা। দেবশ্রী রায়, সৌমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায়, শঙ্কর চক্রবর্তীর মতো অভিনেতাদের নিয়ে সেই সময়ে পুরোদমে শুটিং চলছিল। হঠাৎ খানিক কেঁপে উঠলেন চিরঞ্জিত।
তিনি বলেন, ‘জমিয়ে শুটিং চলছিল তখন। হঠাৎ একটা জানলা খোলার দৃশ্যের শুটিংয়ের সময়ে বদলে গেল চারিদিক। সত্যি বলতে আমি নিজেও ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম কিছুক্ষণের জন্য। মনে মনে অবশ্য সেই সময় ভয়ের থেকেও আনন্দ হচ্ছিল এটা ভেবে যে দর্শকেরও নিশ্চয়ই একই অনুভূতি হবে।’
তার কথায়, ‘আমার ফ্ল্যাটে একবার অদ্ভুত অভিজ্ঞতা হয়েছিল। স্ত্রী সেই সময়ে সম্ভবত বাপের বাড়ি গিয়েছিল। আমি একা একই বাড়িতে দুটো ফ্লোরে দুটো ফ্ল্যাট আমার। সে দিন রাতে ছবি আঁকার জন্য উপরের ফ্ল্যাটে গিয়েছিলাম। চারপাশ একদম শান্ত হাতে সেরকম কোনও কাজও নেই কিন্তু কিছুক্ষণ থাকার পরেই গা ছমছম করতে শুরু করল। মনে হচ্ছিল কিছুতেই এখানে থাকাটা ঠিক হচ্ছে না। কিছু একটা ব্যাপার নিশ্চয়ই আছে।’
চিরঞ্জিত বলেন, ‘তারপর থেকেই অদ্ভুত একটা আওয়াজ শুরু হয়। কিছুতেই সেই দিন কাজটা আর করতে পারলাম না। সত্যি বলতে সিচুয়েশনটা থেকে পালিয়ে এসেছিলাম। বার বার মনে হয়েছিল ঘরের ভিতরে দ্বিতীয় কেউ রয়েছে কিছু একটা তো হচ্ছে।’
এমনিতে ঘরের ভিতর খুটখাট শব্দ হলে তিনি ভাবেন, হয়তো ইঁদুর দৌড়াচ্ছে। কিন্তু ওই দিনের ব্যাপারটা একটু সিরিয়াস হয়ে যাওয়ায় ভয় পেয়ে গিয়েছিলেন অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘নীচের ফ্ল্যাটে যেহেতু থাকি তাই ওই জায়গাটার সঙ্গে একটা কমফোর্ট জোন তৈরি হয়েছে। কিন্তু সে দিন বেডরুম থেকে দরজা খুলে দেখারও সাহস হচ্ছিল না।’
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম
টাঙ্গাইল টেলিভিশন রিপোর্টার্স ফোরামে মামুন সভাপতি, শামীম সম্পাদক
শনিবার রাতে টাঙ্গাইল প্রেসক্লাবের শাহীন স্মৃতি পাঠাগার মিলনায়তনে এ কমিটি গঠিত হয়। আরটিভির স্টাফ রিপোর্টার কাজী জাকেরুল মওলার সভাপতিত্বে এক সাধারণ সভায় সর্ব সম্মতিক্রমে এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।
কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন- সহ সভাপতি বিজয় টেলিভিশনের মো. আবু জুবায়ের উজ্জল, সময় টিভির কাদির তালুকদার, ডিবিসি নিউজের সোহেল তালুকদার ও এসএ টিভির আহমেদ রাসেল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে চ্যানেল ২৪ এর মো. মাসুদ রানা, দীপ্ত টিভির সুমন খান বাবু, দেশ টিভির অভিজিত ঘোষ, কোষাধ্যক্ষে জিটিভির মো. সোহেল রানা, সাংগঠনিক সম্পাদকে এটিএন নিউজের নওশাদ রানা সানভি, সাহিত্য সম্পাদক পদে গেøাবাল টিভির রুমি আক্তার পলি, ক্রিয়া সম্পাদক পদে এখন টিভির কাউসার আহমেদ, দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক হিসেবে নাগরিক টিভির আব্দুল্লাহ আল নোমান ।
এছাড়াও কার্যকরী পরিষদের সদস্যরা হলেন, চ্যানেল আইএর মো. মুসলিম উদ্দিন আহমেদ, বাংলা টিভির মো. হাবিবুল্লাহ কামাল, একুশে টিভির কাজী তাজ উদ্দিন রিপন, মোহনা টেলিভিশনের আনোয়ার হোসেন টুটুল ও আনন্দ টিভির মেহেদি হাসান মৃদুল ।
স্ত্রী আর্থিকভাবে স্বা*বলম্বী হলে ভরণপোষণ চাইতে পারবেন না!
আলোকিত ডেস্ক, আদালত পর্যবেক্ষণ করে মন্তব্য করেছে, স্থায়ী ভরণপোষণ বা পার্মানেন্ট অ্যালিমনি মূলত সামাজিক ন্যায়বিচারের একটি ব্যবস্থা। আর্থিকভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের মধ্যে আর্থিক সমতা আনার বা বিত্তশালী হওয়ার হাতিয়ার নয়। ভারতের আইনি সংবাদ ওয়েবসাইট বার অ্যান্ড বেঞ্চ-এর প্রতিবেদনের বরাতে এনডিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে।
স্বামী আইনজীবী এবং স্ত্রী ভারতীয় রেলওয়ে ট্রাফিক সার্ভিস কর্মকর্তা। গত ২০১০ সালের জানুয়ারিতে বিয়ে করেন তাঁরা। এর আগে তাঁদের দুজনেরই বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছিল। এই বিয়ের মাত্র ১৪ মাসের মধ্যেই আলাদা হয়ে যান তাঁরা। স্বামী অভিযোগ করেন, স্ত্রী তাঁকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করেছেন। অশ্রাব্য ভাষা ব্যবহার করেছেন, অপমানজনক মেসেজ পাঠান, দাম্পত্য অধিকার অস্বীকার এবং পেশাগত ও সামাজিকভাবে অপদস্থ করেছেন। অন্যদিকে স্ত্রী এসব অভিযোগ অস্বীকার করে স্বামীর বিরুদ্ধে নির্যাতনের পাল্টা অভিযোগ আনেন।
ফ্যামিলি কোর্ট তাদের রায়ে বিবাহবিচ্ছেদ মঞ্জুর করে এবং উল্লেখ করে যে স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদে রাজি হওয়ার শর্ত হিসেবে ৫০ লাখ রুপি আর্থিক সমঝোতা দাবি করেছিলেন। এই দাবি তিনি নিজেই হলফনামা ও জেরা চলাকালীন স্বীকার করেছেন।হাইকোর্টও এই পর্যবেক্ষণের সঙ্গে একমত হন এবং বলেন এতে হস্তক্ষেপের কোনো যৌক্তিক কারণ নেই।
বেঞ্চ বলেন, ‘ফ্যামিলি কোর্টের এই সিদ্ধান্তকে ভিত্তিহীন বা অযৌক্তিক বলা যায় না। আপিলকারীর (স্ত্রীর) এই মনোভাবের একটি সুস্পষ্ট আর্থিক দিক ছিল। বরং আদালতে উপস্থাপিত প্রমাণের ভিত্তিতে এটি ছিল একটি যৌক্তিক সিদ্ধান্ত।’হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, স্ত্রী তাঁর স্বামী এবং তাঁর মায়ের বিরুদ্ধে ‘অবমাননাকর ভাষা’ ব্যবহার করেছিলেন। এমনকি স্বামীকে ‘অবৈধ সন্তান’ বলে আখ্যা দেন, যা আদালতের মতে মানসিক নির্যাতনের শামিল। শেষ পর্যন্ত আদালত স্থায়ী ভরণপোষণ বা পার্মানেন্ট অ্যালিমনি দেওয়ার আবেদন নাকচ করে দেয়। কারণ হিসেবে আদালত উল্লেখ করে, ওই নারী একজন সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তা। তিনি ভালো বেতন পান এবং আর্থিকভাবে সাবলম্বী তিনি।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
রূপগঞ্জে ছাত্র ব*লাৎকারে অভিযুক্ত শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক অবরোধ
বুলেটপ্রুফ গাড়ির অনুমোদনের পর আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্সের আবেদন বিএনপির!
এ বিষয়ে বিএনপি চেয়ারপারসনের নিরাপত্তা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর বলেন, ‘সিএসএফের ক্যাপাসিটি নিয়ে আমি মোটেই সন্তুষ্ট না। তাদের সে রকম নিরাপত্তা দেওয়ার সক্ষমতা আছে কি না, তা নিয়ে আমি যথেষ্ট সন্দিহান। উনি (তারেক রহমান) দেশে এলে তো বাসায় বসে থাকবেন না। আগামী নির্বাচনে উনাকে সারা বাংলাদেশ চষে বেড়াতে হবে। বাংলাদেশ এত জনাকীর্ণ এলাকা, জ্যাম—এটা চিন্তা করেই উনার নিরাপত্তাব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তাব্যবস্থা নেওয়ার চেষ্টা করছি। নিরাপত্তাব্যবস্থা যত দূর সম্ভব নিশ্ছিদ্র করার চেষ্টা করছি। দেশে ফেরার পর তাকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা দিতে হবে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বুলেটপ্রুফ গাড়ির অনুমতি সাধারণত দেওয়া হয় রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, তিন বাহিনীর প্রধান, বিদেশি দূতাবাস, জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রতিনিধিদের। রাজনৈতিক দলের জন্য এ ধরনের অনুমতি খুব কমই দেওয়া হয়েছে অতীতে।
সাধারণত বেসরকারিভাবে কেউ বুলেটপ্রুফ গাড়ি আমদানি করতে পারেন না। সরকারিভাবে আনা হয় রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে কারো ব্যবহারের জন্য। জাপান, কানাডা ও জার্মানি থেকে বুলেটপ্রুফ গাড়ি আনা হয়। বুলেটপ্রুফ গাড়ি কিনতে খরচ হয় ২ লাখ ডলার (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা হিসেবে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা)। ৮০০ শতাংশ শুল্ক দিয়ে আনতে গেলে খরচ পড়বে প্রায় ২২ কোটি টাকা লাগবে।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়!
তৌহিদুল ইসলাম, সরকারআসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে ময়মনসিংহ-৯ (নান্দাইল) আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল আনোয়ারুল মোমেন (এসবিপি, ওএসপি, আরসিডিএস, পিএসসি) নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা করেছেন।’রবিবার (১৯ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে নান্দাইল ডিজিটাল প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।’ সভায় সভাপতিত্ব করেন নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের সভাপতি মোখলেছুর রহমান এবং সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক আকরাম হোসেন।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন নান্দাইল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওমর ফারুক নোমানী, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ উত্তর জেলা বিএনপির সদস্য আবু তাহের সিদ্দিক, সাবেক মৎস্যজীবী দলের আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,এবং মোঃ রানা প্রমুখ।’ এছাড়াও নান্দাইল সদর প্রেসক্লাবের ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সকল সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।’ মতবিনিময় সভায় মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন তাঁর সম্ভাব্য নির্বাচনী ইশতেহারে তিনটি মূল বিষয়ের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন- শান্তি, সম্প্রীতি ও সমৃদ্ধি।’ তিনি বলেন, “একটি দেশকে সমৃদ্ধশালী করতে হলে দেশের যুব সমাজকে রক্ষা করতে হবে। মাদকাসক্তি ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডের মতো সর্বনাশা পথ থেকে তরুণ প্রজন্মকে দূরে রাখতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি বলেন, “বাংলাদেশের অর্থনীতির বৃহত্তর অংশ কৃষিনির্ভর, তাই কৃষকের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করব। কৃষক বাঁচলে দেশ বাঁচবে।’এ সময় তিনি নান্দাইলের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন, গ্রামীণ অবকাঠামো সম্প্রসারণ এবং অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের বিকেন্দ্রীকরণে অগ্রাধিকার দেওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও বলেন, “আগামীর নান্দাইল হবে মাদকমুক্ত, জুয়ামুক্ত ও শিক্ষাবান্ধব। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে সাংবাদিক সমাজের সহযোগিতা অপরিহার্য। মেজর জেনারেল (অব.) আনোয়ারুল মোমেন সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, “আমাকে ‘স্যার’ নয়, আপনাদের বন্ধু বা ভাই ভাবতে পারেন। স্যার বলে আমাকে দূরে ঠেলে দেবেন না।’
তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে যদি আমি মনোনয়ন পাই, তবে নান্দাইলের অন্যান্য মনোনয়ন প্রত্যাশী নেতাদের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধভাবে নান্দাইলবাসীর ভাগ্যোন্নয়নে কাজ করব। উন্নত, শান্তিপূর্ণ ও সমৃদ্ধ নান্দাইল গড়াই আমার অঙ্গীকার।
আলোকিত প্রতিদিন/এপি
যুক্তরাষ্ট্রে ট্রাম্পবিরোধী ব্যাপক বিক্ষোভে লাখো মানুষ রাস্তায়
আন্তর্জাতিক ডেস্ক:
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিভিন্ন নীতি এবং কর্তৃত্ববাদী শাসনের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়েছে। “নো কিংস” নামের এই আন্দোলনে নিউইয়র্ক থেকে লস অ্যাঞ্জেলেস পর্যন্ত লাখো মানুষ রাস্তায় নেমে আসেন।
ট্রাম্পবিরোধী এই বিক্ষোভকে দেশটিতে সাম্প্রতিক সময়ের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক প্রতিবাদ হিসেবে দেখা হচ্ছে। রোববার (১৯ অক্টোবর) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি।
সংবাদমাধ্যমটি বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্ক, ওয়াশিংটন ডিসি, শিকাগো, মায়ামি এবং লস অ্যাঞ্জেলেসসহ দেশজুড়ে লাখো মানুষ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভে অংশ নিয়েছেন। স্থানীয় সময় শনিবার সকাল থেকেই শুরু হওয়া এই “নো কিংস” আন্দোলন দ্রুতই জনস্রোতে পরিণত হয়।
নিউইয়র্কের বিখ্যাত টাইমস স্কোয়ারে সকালেই হাজারো মানুষ জড়ো হন। রাস্তাঘাট এবং সাবওয়ের প্রবেশমুখও ছিল উপচে পড়া ভিড়ে পরিপূর্ণ। অনেকেই হাতে প্ল্যাকার্ড ধরে রেখেছিলেন। এর মধ্যে ‘গণতন্ত্র, রাজতন্ত্র নয়’ এবং ‘সংবিধান ঐচ্ছিক কোনও বিষয় নয়’ লেখা পোস্টারও ছিল।
বিক্ষোভ শুরুর আগে ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠরা অভিযোগ তুলেছিলেন, এসব প্রতিবাদ-বিক্ষোভে বামপন্থি ‘অ্যান্টিফা’ যুক্ত। এমনকি তারা এই বিক্ষোভকে “হেইট আমেরিকা র্যালি” বলেও আখ্যা দেন।
তবে অংশগ্রহণকারীরা জানান, সারাদিনের সব কর্মসূচিই ছিল শান্তিপূর্ণ। তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, ‘নো কিংস’ আন্দোলনের মূল নীতি হলো অহিংসা এবং অংশগ্রহণকারীদের সম্ভাব্য সংঘাত এড়ানো।
নিউইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্ট (এনওয়াইপিডি) জানায়, শহরে এক লাখেরও বেশি মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। টাইমস স্কোয়ারের এক পুলিশ সদস্যের হিসাবে, অন্তত ২০ হাজার মানুষ সেভেন্থ অ্যাভিনিউতে মিছিল করেছে।
বিক্ষোভে অংশ নেওয়া লেখক ও সম্পাদক বেথ জাসলফ বলেন, “ট্রাম্প প্রশাসনের স্বৈরাচারী প্রবণতা আমাকে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন এবং ক্ষুব্ধ করেছে। আমি নিউইয়র্ককে ভালোবাসি। এত মানুষের সঙ্গে এখানে থাকতে পেরে ভালো বোধ করছি।”
বিবিসি বলছে, ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে ফেরার পর থেকেই নির্বাহী ক্ষমতা চর্চায় ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি কংগ্রেস অনুমোদিত তহবিল আটকে দিয়েছেন, ফেডারেল প্রশাসনের বিভিন্ন অংশ ভেঙে দিয়েছেন, অন্য দেশের ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করেছেন এবং গভর্নরদের আপত্তি সত্ত্বেও বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে ন্যাশনাল গার্ড মোতায়েন করেছেন।
ট্রাম্পের দাবি, তার এসব পদক্ষেপ দেশকে পুনর্গঠনের জন্য জরুরি। তিনি একনায়ক বা ফ্যাসিস্ট হওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এসব ‘উন্মাদ দাবি’। তবে সমালোচকদের মতে, তার কিছু পদক্ষেপ সংবিধানবিরোধী এবং যুক্তরাষ্ট্রের গণতন্ত্রের জন্য হুমকি।
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম
নিত্যপণ্যের বাজার আবারও উত্তপ্ত,নিম্নবিত্তের মতো মধ্যবিত্তরাও বেকায়দায়
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম
অজুহাত দিতে চান না ক্যারিবীয় অধিনায়ক
ক্রীড়া ডেস্ক:
ঘরের মাঠে যেকোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজে বাংলাদেশ সবসময় ফেভারিটের কাতারে থাকে। নিজেদের মাটিতে তুলনামূলক নিয়মিত পারফর্মও করেন ক্রিকেটাররা। যদিও সবশেষ কয়েকটি ওয়ানডে সিরিজ ব্যাটারদের অধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ দল নিজেদের হারিয়ে খুঁজছিল। সেই দুর্দশা কাটানো এবং র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতির লক্ষ্য নিয়ে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ৭৪ রানে হারিয়েছে মেহেদী মিরাজের দল।
ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে মিরপুরের উইকেটকে অজুহাত হিসেবে দাঁড় করাতে চান না বলে জানিয়েছেন সফরকারী অধিনায়ক শাই হোপ, ‘স্পিনারদের জন্য সাহায্য ছিল উইকেটে। রিশাদ দারুণ লাইন এবং লেংথে বল করেছে। ফলে তাকে খেলাটা কঠিন ছিল আমাদের জন্য। ব্যাটাররা এমন স্পিন উইকেটে সংগ্রাম করেছে। তবুও দুই ওপেনার দারুণ শুরু এনে দিয়েছিল। উইকেট ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন ছিল। সহজ ছিল স্পিনারদের জন্য।’
কন্ডিশন অনুযায়ী মানিয়ে নিয়ে ভুল শোধরাতে চান এই ক্যারিবীয় তারকা, ‘আমি শুধু বলব চ্যালেঞ্জিং ছিল। ব্যাটার হিসেবে কাজটা সহজ নয়। অবশ্যই তাদের বোলারদের কৃতিত্ব দিতে হবে। ভালোভাবে কন্ডিশন কাজে লাগিয়েছে। ব্যাটাররা নিজেদের কাজ করেছে। তাদের ওপর আমাদের বিশ্বাস আছে, তারা কাজটা করতে পারবে। শুরুটা যেভাবে ভালো করলাম এরপর আমরা খেই হারিয়েছি, এমনটা চাইনি। চেয়েছিলাম শুরুর ভালোটা ধরে রাখতে। চেষ্টা করব দ্বিতীয় ম্যাচে যেন এমন ভুল না হয় এবং সিরিজে ফিরতে পারি।’
টানা ম্যাচ খেলা এবং ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে মানিয়ে নেওয়ার চ্যালেঞ্জ প্রসঙ্গে হোপের অভিমত, ‘সবজায়গাতেই চ্যালেঞ্জ আছে। ভিন্ন ভিন্ন ফরম্যাট, ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে খেলা আমার জন্য কঠিন। অনেকে ক্যারিবিয়ান থেকে এসে এখানে খেলছে। ফলে রিকভারির ব্যাপার থাকে। খারি (পিয়েরে) দারুণ ধারাবাহিক ছিল। হয়তো ফাইফার পায়নি, তবে বেশ ভালো করেছে। সে সিপিএলেও উজ্জ্বল ছিল। আশা করি ওয়ানডে ফরম্যাটে আমরা দ্রুতই ফিরবে।’
উভয় দলকে কন্ডিশনের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার ব্যাপার ছিল বলে মনে করেন হোপ। একইসঙ্গে এখান থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর প্রত্যয় উইন্ডিজ দলনেতার কণ্ঠে, ‘সারফেস চ্যালেঞ্জিং ছিল। ব্যাট করাটা দুই দলের জন্যই কঠিন ছিল। মাঝে তো আর পিচ পরিবর্তন হয়নি। বাংলাদেশি স্পিনাররা লাইন-লেংথে দারুণ ধারাবাহিক ছিল। ফলে আমাদের কাজটা কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের পরের ম্যাচে আরও নিখুঁত হয়ে এসে ইতিবাচক ক্রিকেট খেলতে হবে।’
আলোকিত প্রতিদিন/১৯অক্টোবর ২০২৫/মওম

